<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>দাম্পত্য - Matritto</title>
	<atom:link href="https://matritto.com/category/%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://matritto.com</link>
	<description>গর্ভধারণ, সন্তান পালন ও মাতৃত্ব নিয়ে জানুন বাংলাভাষায়</description>
	<lastBuildDate>Sun, 06 Apr 2025 14:13:52 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://matritto.com/wp-content/uploads/2017/02/cropped-favicon-1-1-1-32x32.png</url>
	<title>দাম্পত্য - Matritto</title>
	<link>https://matritto.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>জন্মনিয়ন্ত্রণে আজল (pull out method) এর কার্যকারিতা</title>
		<link>https://matritto.com/azl-pull-out-method-as-birth-control/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাবিকুন্নাহার ননী]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 20 Mar 2025 19:19:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দাম্পত্য]]></category>
		<category><![CDATA[আজল]]></category>
		<category><![CDATA[জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=9108</guid>

					<description><![CDATA[<p>আজল একটি সাময়িক ও অনিশ্চিত জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। তাই যেসব দম্পতি এমন অবস্থায় আছেন যে কন্সিভ হয়ে গেলেও তাদের অসুবিধা নেই, সেসব দম্পতি কিছুটা সময় লাভের উপায় হিসেবে এই পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারেন</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/azl-pull-out-method-as-birth-control/">জন্মনিয়ন্ত্রণে আজল (pull out method) এর কার্যকারিতা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>বর্তমানে প্রচলিত বিভিন্ন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির মাঝে আজল একটি। ধর্মীয় কারণে মুসলমানদের মাঝে এর বেশ গুরুত্ব আছে। তবে আজল পদ্ধতির সুবিধার পাশাপাশি বেশ কিছু অসুবিধাও আছে, আছে কিছু ভুল তথ্য।</p>



<p>এই লেখায় জন্মনিয়ন্ত্রনে আজল পদ্ধতির কার্যকারিতা আলোচনা করা হয়েছে।&nbsp;</p>



<div class="wp-block-rank-math-toc-block" id="rank-math-toc"><h2>বিষয়সূচী</h2><nav><ul><li><a href="#আজল-কী">আজল কী</a></li><li><a href="#আজল-করার-সুবিধা">আজল করার সুবিধা</a></li><li><a href="#আজল-পদ্ধতির-অসুবিধা">আজল পদ্ধতির অসুবিধা</a><ul><li><a href="#প্রিম্যাচুরড-ইজাকুলেশন">প্রিম্যাচুরড ইজাকুলেশন</a></li><li><a href="#পরিপূর্ণ-শারীরিক-তৃপ্তি-না-পাওয়া">পরিপূর্ণ শারীরিক তৃপ্তি না পাওয়া</a></li><li><a href="#সঠিক-সময়ে-নিয়ন্ত্রণ-না-রাখতে-পারা">সঠিক সময়ে নিয়ন্ত্রণ না রাখতে পারা</a></li><li><a href="#নারীর-শারীরিক-তৃপ্তিতে-বিঘ্ন">নারীর শারীরিক তৃপ্তিতে বিঘ্ন</a></li></ul></li><li><a href="#আজল-কতটুকু-কার্যকর">আজল কতটুকু কার্যকর?</a></li><li><a href="#আজল-সম্পর্কে-হাদিসের-ভাষ্য">আজল সম্পর্কে হাদিসের ভাষ্য</a></li><li><a href="#উপসংহার">শেষকথা</a></li><li><a href="#তথ্যসূত্র">তথ্যসূত্র</a></li></ul></nav></div>



<h2 class="wp-block-heading" id="আজল-কী">আজল কী</h2>



<p>স্ত্রী সঙ্গমের সময় শেষ মুহূর্তে যোনীর ভেতরে বীর্যপাত না করে বাইরে বীর্য স্খলন আজল বলা হয়, যা ইংরেজিতে পুল আউট (pull out) / উইথড্রয়াল মেথড (withdrawal method)&nbsp; নামে পরিচিত।</p>



<p>এক্ষেত্রে কোন রকম বাড়তি পদ্ধতি যেমন কনডম, পিল, ইনজেকশন ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়না।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="আজল-করার-সুবিধা">আজল করার সুবিধা</h2>



<p>আজল পদ্ধতির বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে, যেমনঃ</p>



<ol class="wp-block-list">
<li>এটি অর্থ সাশ্রয়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি</li>



<li>এই পদ্ধতিতে কোন রকম কেমিক্যাল জাতীয় বস্তু ব্যাবহার করতে হয় না। অনেকেই একান্ত মুহূর্তে বাড়তি কোন কিছু পছন্দ করেন না।</li>



<li>সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে জন্মনিয়ন্ত্রণের সুবিধা পাওয়া যায়, যদিও এটির সাফল্য নিশ্চিত করে বলা যায় না।</li>
</ol>



<h2 class="wp-block-heading" id="আজল-পদ্ধতির-অসুবিধা">আজল পদ্ধতির অসুবিধা</h2>



<h3 class="wp-block-heading" id="প্রিম্যাচুরড-ইজাকুলেশন">প্রিম্যাচুরড ইজাকুলেশন</h3>



<p>যেহেতু আজল পদ্ধতিতে একটা নিয়ম থাকে যে সঠিক সময়ে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, তাই সহবাস নিজস্ব গতিতে আগায় না। আবার কখনো কখনো সময়ের আগেই বীর্যপাত হয়ে যেতে পারে। বীর্যপাতের উপর পুরুষের নিয়ন্ত্রন না থাকলে এটা কাজ করবে না।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="পরিপূর্ণ-শারীরিক-তৃপ্তি-না-পাওয়া">পরিপূর্ণ শারীরিক তৃপ্তি না পাওয়া</h3>



<p>শারীরিক সম্পর্কের স্বাভাবিক যে নিয়ম ও তৃপ্তি, আজলে সেটি বেশ খানিকটা অনুপস্থিত। বীর্যপাতের দিকে নজর রাখতে গিয়ে দুজনেই দুশ্চিন্তায় ভুগতে পারেন, যেটা সহবাসের উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করে।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="সঠিক-সময়ে-নিয়ন্ত্রণ-না-রাখতে-পারা">সঠিক সময়ে নিয়ন্ত্রণ না রাখতে পারা</h3>



<p>যৌন সম্পর্ক স্বাভাবিকভাবেই বেশ স্পর্শকাতর বিষয়। এখানে খুব বেশি নিয়ন্ত্রণ করা যায়না। আজলে নিয়ন্ত্রণ রাখা বাধ্যতামূলক। তবে প্রায়ই সঠিক সময়ে নিয়ন্ত্রণ থাকে না ও স্ত্রী যোনীর মাঝেই বীর্যপাত হয়, যার ফলে জন্মনিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্থ হয়।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="নারীর-শারীরিক-তৃপ্তিতে-বিঘ্ন">নারীর শারীরিক তৃপ্তিতে বিঘ্ন</h3>



<p>নারী ও পুরুষের শারীরিক আনন্দের ধরনে কিছুটা ভিন্নতা ও বৈচিত্র্য রয়েছে। আজলের ফলে পুরুষের আনন্দ নিশ্চিত হলেও নারীর আনন্দ বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই অধরা থেকে যায়, যা নিয়ে নারীরা লজ্জা বা জড়তায় স্বামীকে এ ব্যাপারে জানান না। এর ফলে অনেক স্ত্রী শারীরিক ও মানসিক অসুবিধায় ভোগেন এবং এ থেকে দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক ও দাম্পত্য সমস্যাও তৈরি হয়।&nbsp;&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="আজল-কতটুকু-কার্যকর">আজল কতটুকু কার্যকর?</h2>



<p>চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষ্যমতে, জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য আজল খুব বেশি কার্যকরী নয়। একটি জরীপ বলছে, কেউ যদি সারা বছর জুড়ে আজল করে থাকেন, তবে ৭৮% ক্ষেত্রে এটি সফল হতে পারে, যার মানে প্রতি ১০০ জনে ২২ জন নারী আজল করেও কন্সিভ করেন, বাকিদের ক্ষেত্রে আজল এর মাধ্যমে জন্মনিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়। অন্যভাবে বললে, প্রতি ৫ জনে একজন নারী আজল করেও কন্সিভ করেন।</p>



<p>আজলের সময় পরিপূর্ণ বীর্যপাতের পূর্বেও কিছু কিছু শুক্রাণু নির্গত হয় যার মাধ্যমেও কন্সিভ হয়। বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও শারীরিক সম্পর্ক চলাকালীন এই শুক্রাণুর নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করা যায়না।&nbsp;</p>



<p>২০১১ সালে হিউম্যান ফার্টিলিটি জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে পুরুষদের কাছ থেকে বীর্যপাতের আগে নেওয়া তরলের (pre-cum) নমুনায় ৩৭%-এ গতিশীল (motile) শুক্রাণু ছিল। যদি প্রাক-বীর্যপাত (Pre-ejaculate) যোনিপথে প্রবেশ করে, তাহলে পূর্ণ বীর্যপাত ছাড়াই গর্ভাবস্থা ঘটতে পারে।</p>



<p>তাছাড়া, বীর্যপাত যদি স্ত্রী যোনীর বাইরেও হয়, তবুও যোনীর আশেপাশের এরিয়ায় হলেও সেটা থেকে কন্সিভ হতে পারে কেননা শুক্রাণু সাঁতরে জরায়ু পর্যন্ত পৌঁছে যাবার ক্ষমতা রাখে।</p>



<p>বুঝা যাচ্ছে, আজল করার পরেও গর্ভধারণ হতেও পারে। শারীরিক সম্পর্ক যারা করছেন, তারা এটা বুঝতে পারবেন না যে কখন আজলের ফলে কন্সিভ হচ্ছে। তাই কন্সিভ হয়ে যেতে পারে- এই চিন্তা মাথায় রেখেই আজল পদ্ধতির শরনাপন্ন হওয়া উচিত।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="আজল-সম্পর্কে-হাদিসের-ভাষ্য">আজল সম্পর্কে হাদিসের ভাষ্য</h2>



<p>সাহাবাদের সময়েও অনেকে আজলে অভ্যস্ত ছিলেন বলে ধারণা করা যায়। তবে যে হাদিসটি আজলের রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করা হয়, সেটার মাধ্যমে নিশ্চিত করে বলা যায় না যে সাহাবীরা এটা নিয়মিত প্র্যাকটিস করতেন। এছাড়া রাসুল (সাঃ) যে আজলের ব্যাপারে উৎসাহ দিয়েছেন এমনটিও প্রতীয়মান হয়না। বরং তিনি এটা জেনে কিছুটা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।&nbsp;</p>



<p>আজল সম্পর্কিত হাদিসটি হচ্ছে-</p>



<blockquote class="wp-block-quote is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow">
<p>“আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধকালীন সময়ে গানীমাত হিসাবে কিছু দাসী পেয়েছিলাম। আমরা তাদের সঙ্গে ’আযল করতাম। এরপর আমরা এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি উত্তরে বললেনঃ কী! তোমরা কি এমন কাজও কর? একই প্রশ্ন তিনি তিনবার করলেন এবং পরে বললেন, ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) পর্যন্ত যে রূহ পয়দা হবার, তা অবশ্যই পয়দা হবে।”</p>
</blockquote>



<p>এখানে বরং দেখা যায়, রাসুল (সাঃ) সাহাবির এই কথায় বিস্মিত হয়েছেন এবং সন্তান জন্মের ব্যাপারে আল্লাহর সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিয়েছেন।</p>



<p>তাছাড়া এখানে আজল পদ্ধতি যে মুসলিমদের পদ্ধতি এরকম বুঝানো হয়নি, বরং আরবের অধিবাসীদের মাঝে প্রচলিত একটি পদ্ধতি বলেই প্রতীয়মান হয়।</p>



<p>তবে খেয়াল রাখা উচিত, এই হাদিসে রাসুল (সাঃ) আজলকে পুরোপুরি নিষেধ করে দেননি।</p>



<p>জন্মনিয়ন্ত্রণের ইসলামিক বিধি মেনে, আল্লাহর উপর তাওয়াককুল রেখে সাময়িক পদ্ধতি হিসেবে আজল পদ্ধতি গ্রহণ করা যাবে বলেই আলেমগন মত প্রকাশ করেছেন।</p>



<p>ইসলাম ধর্ম অনুসারে জন্মনিয়ন্ত্রণের কিছু নির্দিষ্ট সীমা মান্য করে অন্যান্য পদ্ধতিও গ্রহণ করা যাবে যেমন কনডম ইত্যাদি। জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য কেবল আজল-ই শরিয়তসম্মত বা সাহাবাদের আমল কিংবা উৎসাহ দেয়া হয়েছে, এরকম ধারণা ভুল।</p>



<p>ভুল ধারনার বশে অপ্রস্তুত কন্সিভ করে নিজের স্বাস্থ্য ঝুঁকি, বাচ্চাদের তরবিয়তগত ঝুঁকি ও নিজেদের দাম্পত্য বা স্ত্রীর যৌন আনন্দ নষ্ট করা বোকামি। সঠিক তথ্য জানলে অনেকেই আজল পদ্ধতি সম্পর্কে দুইবার ভাববেন।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="উপসংহার">শেষকথা</h2>



<p>পরিশেষে বলা যায়, আজল একটি সাময়িক ও অনিশ্চিত জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। তাই যেসব দম্পতি এমন অবস্থায় আছেন যে কন্সিভ হয়ে গেলেও তাদের অসুবিধা নেই, সেসব দম্পতি কিছুটা সময় লাভের উপায় হিসেবে এই পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারেন।</p>



<p>তবে যেসব দম্পতি অসুস্থতা বা আগের বাচ্চা খুব ছোট- ইত্যাদি কারণে এখন সন্তান গ্রহণে প্রস্তুত নন, তাদের জন্য আজল পদ্ধতি গ্রহন উচিত নয়, কারণ এই পদ্ধতিতে শতভাগ জন্মনিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত নয়, বরং ব্যর্থতার হার বেশি।</p>



<p>একটি সুন্দর দাম্পত্যের জন্য স্বামী স্ত্রী দুজনের শারীরিক বোঝাপড়া থাকা উচিত, দুজনেরই শারীরিক চাহিদা পূরণ হওয়া উচিত। আজল পদ্ধতিতে এই বোঝাপড়ায় কোন সমস্যা তৈরি করছে কিনা সেটাও বিবেচনা জরুরী।</p>



<p>প্রতিটি দম্পতির উচিত ধর্মীয় ব্যাপারগুলো লজ্জার দোহাই না দিয়ে সঠিকভাবে জানা, নিজের শারীরিক ক্রিয়া- প্রক্রিয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সম্পর্কে অবগত থাকা এবং নিজের স্বামী/ স্ত্রীর চাহিদার খেয়াল রাখা। তবেই দুজন স্বামী –স্ত্রী মিলে সুন্দর দাম্পত্য তথা সুন্দর পরিবার গঠন করা সম্ভব।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="তথ্যসূত্র">তথ্যসূত্র</h2>



<ul class="wp-block-list">
<li><a href="https://www.hadithbd.com/hadith/link/?id=29773" target="_blank" rel="noopener">আজল সম্পর্কে হাদিস</a></li>



<li><a href="https://at-tahreek.com/article_details/5108" target="_blank" rel="noopener">আজল এর বিধান</a></li>



<li><a href="https://www.webmd.com/sex/birth-control/pull-out-withdrawal" target="_blank" rel="noopener">Pull-out-&nbsp; withdrawal</a> - WebMD</li>



<li><a href="https://my.clevelandclinic.org/health/articles/24174-pull-out-method" target="_blank" rel="noopener">Pull-out-method</a> - Cleavland Clinic</li>
</ul>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/azl-pull-out-method-as-birth-control/">জন্মনিয়ন্ত্রণে আজল (pull out method) এর কার্যকারিতা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গর্ভপাত: কখন এবং কখন নয়</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Dr. Nazia Sultana Shuvra]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 11 May 2020 10:57:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দাম্পত্য]]></category>
		<category><![CDATA[গর্ভপাত]]></category>
		<category><![CDATA[গর্ভপাত ও ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[সহবাস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=2141</guid>

					<description><![CDATA[<p>গর্ভপাত বা এবোরশন এর মানে হলো ইচ্ছাকৃত ভাবে সন্তান নষ্ট করা।ডাক্তাররা রোগীর জীবন বাঁচানোর তাগিদে এটা অনুমোদন করলেও আজকাল অনেকে অনাকাংখিত গর্ভধারনের মুক্তির উপায় হিসেবে একে ব্যবহার করছেন। এর বিভিন্ন দিক ও ইসলাম কী বলে এ নিয়ে বিস্তারিত।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4/">গর্ভপাত: কখন এবং কখন নয়</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<div class="gutentoc tocactive nostyle scroll_id_show"><div class="gutentoc-toc-wrap"><div class="gutentoc-toc-title-wrap"><div class="gutentoc-toc-title">বিষয়সূচী</div><div id="open" class="togglethree">hide</div></div><div id="toclist"><div class="gutentoc-toc__list-wrap"><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#গর্ভপাতের-পক্ষে-দেখানো-যুক্তি">গর্ভপাতের পক্ষে দেখানো যুক্তি</a></li><li><a href="#ডাক্তাররা-কখন-গর্ভপাত-করাতে-বলেন">ডাক্তাররা কখন গর্ভপাত করাতে বলেন</a></li><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#ভালো-জন্মনিয়ন্ত্রণ-ব্যবস্থা-গ্রহণের-অভাব">ভালো জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণের অভাব</a></li></ul><li><a href="#গর্ভপাত-করানোর-ফলে-হওয়া-অসুবিধাসমূহ">গর্ভপাত করানোর ফলে হওয়া অসুবিধাসমূহ</a></li><li><a href="#ধর্ম-কী-বলে-গর্ভপাত-নিয়ে">ধর্ম কী বলে গর্ভপাত নিয়ে</a></li><li><a href="#শেষকথা">শেষকথা</a></li></ul></div></div></div><style> .gutentoc-toc-wrap ul li a, .gutentoc-toc-title-wrap .text_open{ color: undefined}} </style></div>



<p>গর্ভপাত বা এবোরশন এর মানে হলো ইচ্ছাকৃত ভাবে সন্তান নষ্ট করা। এটা ডাক্তাররাও অনেক সময় করে থাকেন রোগীর জীবন বাঁচনোর জন্য।তবে আজকাল অনেক পুরুষ বা মহিলারা এটা করান অনিচ্ছাকৃত বা ভূলবশত গর্ভ ধারণ করে তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য, তা বিবাহিত বা অবিবাহিত সম্পর্ক যেটাই হোক।&nbsp;</p>



<div class="wp-block-image is-style-rounded"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/05/abortion2.jpg" alt="গর্ভপাত পক্ষে বিপক্ষে যুক্তি ইসলাম কী বলে" class="wp-image-2145" title="গর্ভপাত: কখন এবং কখন নয় 1"></figure></div>



<h2 class="wp-block-heading" id="গর্ভপাতের-পক্ষে-দেখানো-যুক্তি">গর্ভপাতের পক্ষে দেখানো যুক্তি</h2>



<p class="lh2">যারা গর্ভপাত করাতে আসেন তারা যেসকল যুক্তি দেখান তা হচ্ছে,<br>১। আমাদের এখন নেয়ার কোনো পরিকল্পনা ছিল না।<br>২। আমার আরো বাচ্চা আছে তাই আর চাইনা।<br>৩। বিয়ে হয়েছে তুলে নেয় নাই তাই জানলে লজ্জার ব্যাপার।<br>৪। আয় কম তাই ভরণপোষন করতে অক্ষম।<br>৫। মাত্রই একটা বাচ্চা হলো এখনো ছোট তাই আরেকটা নিলে লালন পালনে অসুবিধা।<br>৬। বিয়ে হয়নি কিন্তু বাচ্চা চলে এসেছে।<br>৭। বহু বছর কোনো পদ্ধতি ছাড়াই ছিল কিন্তু এমনটা হয়নি কখনো।<br>৮। বিয়ে হয়েছে কিন্তু লেখাপড়া করছে সামনে পরিক্ষা।<br>৯। আগেও বহুবার নষ্ট করেছেন কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করেন না এভাবেই চলে যাচ্ছে।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="ডাক্তাররা-কখন-গর্ভপাত-করাতে-বলেন">ডাক্তাররা কখন গর্ভপাত করাতে বলেন</h2>



<p class="lh2">কিছু ক্ষেত্র আছে যেখানে ডাক্তাররাই বাচ্চা নষ্ট করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন এবং তা মায়ের জীবন বাঁচানোর জন্য, ঝুঁকি গুলো হলো:<br>১। এমন কোনো হার্টের অসুখ যেখানে গর্ভ ধারণ একেবারেই নিষিদ্ধ, জীবন চলে যেতে পারে।<br>২। কিডনী বা লিভার এর এমন কোনো অসুখ যার কারণে গর্ভধারণ করলে মায়ের জীবনের সমূহ ঝুঁকি রয়েছে<br>৩। গর্ভধারণ হয়ে গেছে আর ক্যান্সার ধরা পড়েছে এবং এই মুহুর্তেই চিকিৎসা শুরু করতে হবে।<br>৪। বার বার সিজারের কারণে ডাক্তার যদি মনে করেন পরবর্তীতে বাচ্চা আসলে জরায়ু ফেটে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি রয়েছে।<br>৫। গর্ভস্থ সন্তানের যদি এমন কোনো গঠনগত ত্রুটি ধরা পড়ে যা নিয়ে জন্মালে সে বেশীক্ষণ বাঁচবে না, যেমন, মাথার খুলি অথবা কিডনী গঠন না হওয়া ইত্যাদি।<br>এমন আরো কিছু কারণে ডাক্তাররা এবোরশনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ইসলামও বড় ক্ষতি থেকে বাঁচতে অনেক ক্ষেত্রে ছোট ক্ষতিকে সমর্থন দেয়।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="ভালো-জন্মনিয়ন্ত্রণ-ব্যবস্থা-গ্রহণের-অভাব">ভালো জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণের অভাব</h3>



<p class="lh2">বেশিরভাগ অনাকাংখিত গর্ভধারনের কারণ বাচ্চা না আসার জন্য ভালো কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থা গ্রহণ না করা।<br>১। বেশিরভাগ মনে করেন নিয়মিত মাসিক হওয়া মানে সব ক্লিয়ার হয়ে যাওয়া বাচ্চা আসবে না আর তাই তারা কোনো ব্যাবস্থা নেন না। যা সব থেকে বড় ভূল ধারণা, আর সবচেয়ে বিপদজনক। নিয়মিত মাসিক হওয়া মানে নিয়মিত ডিম আসা আর তাই গর্ভধারণের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী।<br>২। বেশিরভাগ মনে করেন, মাসিক হওয়ার পর ঝুঁকিপূর্ণ সময় আর নিরাপদ সময় মেনে চললেই হয়, এটাও আরেকটা বড় ভূল। কোনো সময়ই ১০০ ভাগ নিরাপদ নয়।<br>৩। অনেকে মনে করেন বীর্যপাত বাইরে করলে সন্তান আসে না এটাও ভূল।&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="গর্ভপাত-করানোর-ফলে-হওয়া-অসুবিধাসমূহ">গর্ভপাত করানোর ফলে হওয়া অসুবিধাসমূহ</h2>



<p class="lh2">এবোরশন করলে ভবিষ্যতে অনেক রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ যেমন-<br>১। নানা প্রকার শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।<br>২। ভবিষ্যতে আর সন্তান না-ও হতে পারে৷<br>৩। সহবাসে ব্যথা, জরায়ুতে ইনফেকশন হতে পারে৷<br>৪। মাসিক নিয়মিত না হওয়া এবং অনেক ক্ষেত্রে একেবারে বন্ধ হয়ে যাওয়া।<br>৫। মাসিকের সময় তীব্র ব্যথা হওয়া।<br>৬। অতিরিক্ত সাদা স্রাব যাওয়া।<br>৫। এবোরশনের পরে অপরাধবোধ থেকে মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে৷ তাই ডাক্তাররা এবোরশনকে সব সময় নিরুৎসাহিত করে থাকেন।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="ধর্ম-কী-বলে-গর্ভপাত-নিয়ে">ধর্ম কী বলে গর্ভপাত নিয়ে</h2>



<p>এগুলো তো গেল যুক্তিবাদী কথা। ইসলাম ধর্মে এ বিষয়ে কোরআন এবং হাদীসে যা বলা হয়েছে তার কিছু রেফারেন্স তুলে ধরা হলো। মুসলিম হিসেবে ভাবলেও এই রেফারেন্সগুলো সাহায্য করবে সিদ্ধান্ত নিতে।</p>



<blockquote class="wp-block-quote is-style-large is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow"><p>রাসুল (স.) বলেছেন, ‘জা-লিকাল ওয়াদুল খাফি’ অর্থাৎ এটি গোপন হত্যা।</p></blockquote>



<p>পবিত্র কুরআনে এ সম্পর্কিত বিভিন্ন আয়াত রয়েছে। যেমন-</p>



<ul class="lh2 wp-block-list"><li>তোমাদের সন্তানদেরকে দারিদ্র্যের ভয়ে হত্যা করো না, তাদের ও তোমাদের আমিই রিযিক দিয়ে থাকি। তাদেরকে হত্যা করা মহাপাপ। (সূরা বনী ইসরাঈল: ৩১)</li><li>মুমিন নারী, আল্লাহ তোমার রেহেমে যা সৃষ্টি করেন তার ব্যাপারে তুমি আমানতদার। অতএব, তুমি আমানত গোপন করো না। আল্লাহ তাআলা বলেন, এবং তাদের জন্য হালাল হবে না যে, আল্লাহ তাদের গর্ভে যা সৃষ্টি করেছেন, তা তারা গোপন করবে, যদি তারা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে।<br>(সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২২৮)</li><li>&nbsp;আর যখন জ্যান্ত দাফনকৃত কন্যাকে জিজ্ঞাসা করা হবে, কোন অপরাধে হত্যা করা হয়েছে।<br>(সূরা আত-তাকওয়ীর: ৮-৯)</li><li>যখন হিসেবের খাতা এনে রাখা হবে, তুমি দেখবে অপরাধীরা ভয় পেয়ে গেছে, সেখানে কী লেখা আছে দেখে। তারা হায় হায় করে উঠবে, “ কী সর্বনাশ! এটা কী বই! এখানে দেখি খুঁটিনাটি সবকিছুই আছে! কিছুই বাদ নেই !” তারা যা কিছু করে এসেছে, তার সব সেখানে উপস্থিত পাবে । তোমার রব বিন্দুমাত্র অন্যায় করেন না।<br>(আল – কাহফ: ৪৯)</li><li>তাহলে কোথায় যাচ্ছ তোমরা? এটা তো বিশ্ববাসীর জন্য উপদেশ মাত্র। তোমাদের মধ্যে যে সঠিক পথে চলতে চায়, শুধু তাদের জন্য। আর তোমরা ইচ্ছা করতে পারো না, যদি না বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহ ইচ্ছা না করেন।<br>(আত-তাকউইর: ২৬-২৯)</li><li>যে কেউ কোনো প্রাণ হত্যা করল, সে যেন সকল মানুষকে হত্যা করল। আর যে কারও জীবন রক্ষা করল, সে যেন সব মানুষের জীবন রক্ষা করল।<br>(সুরা মায়িদা : ৩২)</li><li>বল, এসো! তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের জন্য যা নিষিদ্ধ করেছেন, তা তোমাদের পড়ে শুনাই; তা এই-<br>ক. তোমরা তার কোনো শরিক করবে না।<br>খ. পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করবে।<br>গ. দারিদ্র্যের জন্য তোমরা তোমাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, আমিই তোমাদের ও তাদের রিজিক দিয়ে থাকি।<br>ঘ. প্রকাশ্য হোক বা গোপন হোক, অশ্লীল আচরণের নিকটও যাবে না।<br>ঙ. আল্লাহ যার হত্যা নিষিদ্ধ করেছেন, যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তাকে হত্যা করবে না।<br>তোমাদেরকে তিনি এ নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা অনুধাবন কর।<br>(সূরা আনয়াম: ১৫১)</li><li>‘হে নবী, মুমিন নারীগণ যখন তোমার নিকট এসে বায়আত করে এই মর্মে যে,<br>ক. তারা আল্লাহর সাথে কোনো শরীক স্থির করবে না।<br>খ. চুরি করবে না।<br>গ. ব্যভিচার করবে না।<br>ঘ. নিজেদের সন্তানকে হত্যা করবে না।<br>ঙ. তারা সজ্ঞানে কোনো অপবাদ রচনা করে রটাবে না।<br>চ. সৎকর্মে তোমাকে অমান্য করবে না।<br>তখন তাদের বায়আত গ্রহণ করবে। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। (সূরা মুমতাহানা: ১২)</li></ul>



<h2 class="wp-block-heading" id="শেষকথা">শেষকথা</h2>



<p>গর্ভধারণ স্রষ্টার পক্ষ থেকে এক বিশাল নিয়ামত, তবে অবশ্যই যদি তা বৈধ সম্পর্কে হয়ে থাকে। অনাকাঙ্ক্ষিত সম্পর্কে জড়ানো যে কোন উপায়ে এড়িয়ে চলা উচিত। বৈবাহিক সম্পর্কে গর্ভধারণ কোন উপযুক্ত কারণে সাময়িকভাবে না চাইলে উচিত হবে ডাক্তারের পরামর্শে ভালো জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেন অপরিকল্পিত গর্ভধারণ এড়ানো যায়। এরপরও যদি গর্ভধারণ হয়েই যায় তাহলে মেডিকেল ও ধর্মীয় সকল কারণ মনে রেখে গর্ভপাত থেকে সরে এসে স্রষ্টা প্রদত্ত এই নিয়ামতকে মেনে নেয়া উচিত হবে।&nbsp;&nbsp;&nbsp;আল্লাহ্ সুবহান ওয়াতায়ালা আমাদের সঠিক উপলব্ধি দিন ও সহজ সরল পথে পরিচালিত করুন, আমিন।</p>



<p class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color has-cyan-bluish-gray-background-color">সম্পাদনায়ঃ হাবিবা মুবাশ্বেরা</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4/">গর্ভপাত: কখন এবং কখন নয়</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>4</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারে স্ত্রীর অনাগ্রহ এবং সমাজের প্রচলিত ভুল</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[অনলাইন সম্পাদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 12 Mar 2020 07:35:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[দাম্পত্য]]></category>
		<category><![CDATA[সহবাস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=1663</guid>

					<description><![CDATA[<p>আমি প্রচুর দম্পতিকে আমার চেম্বারে আসতে দেখি যারা অদ্ভূত অদ্ভূত বিষয়ে একজন অন্যজনকে একটানা দোষারোপ করতেই থাকেন - - "তুমি সবসময় তরকারিতে লবন বেশি দাও!-----আর তুমি? তুমি তো খালি নাক ডাক! -সংসারে ও একফোঁটা সময় দেয় না!----আর ও? ও বুঝি সারাদিন খুব সময় দেয়? ও তো সারাদিন ফেসবুকেই থাকে! - আমাকে ও আর আগের মত [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95/">শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারে স্ত্রীর অনাগ্রহ এবং সমাজের প্রচলিত ভুল</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/03/istockphoto-646767900-170667a.jpg" alt="শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারে স্ত্রীর অনাগ্রহ এবং সমাজের প্রচলিত ভুল 1" class="wp-image-1665" title="শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারে স্ত্রীর অনাগ্রহ এবং সমাজের প্রচলিত ভুল 2"></figure></div>



<p>আমি প্রচুর দম্পতিকে আমার চেম্বারে আসতে দেখি যারা অদ্ভূত অদ্ভূত বিষয়ে একজন অন্যজনকে একটানা দোষারোপ করতেই থাকেন -</p>



<p>- "তুমি সবসময় তরকারিতে লবন বেশি দাও!<br>-----আর তুমি? তুমি তো খালি নাক ডাক!</p>



<p>-সংসারে ও একফোঁটা সময় দেয় না!<br>----আর ও? ও বুঝি সারাদিন খুব সময় দেয়? ও তো সারাদিন ফেসবুকেই থাকে!</p>



<p>- আমাকে ও আর আগের মত ভালোবাসেনা<br>---আর তুমি? তুমি মনে হয় খুব ভালোবাসায় ভাসায় রেখেছ আমাকে?"</p>



<p>সারাদিন খিটমিট, মনোমালিন্য লেগেই আছে!</p>



<p>কথা শুনলেই বোঝা যায় মূল সমস্যাটা আসলে অন্য কোথাও।</p>



<p>গল্পের আরো ভেতরে ঢুকলে বের হয়, তাদের দুজনের ভেতরেই আসলে ভয়ংকর Sexual Frustration আছে। কালে ভদ্রে চরম অনাগ্রহে রিলেশনশিপটা আগায়। দু'জন ই দু'জনের ব্যাপারে বিরক্ত। এখন একে অন্যের ভাল কিছুও আর ভাল লাগেনা।</p>



<p>দ্বিপাক্ষিক দোষারোপের এই খেলায় পুরুষদের একটি কমন অভিযোগ থাকে - "আমার স্ত্রীর দিক থেকে তো ইন্টিমেট রিলেশনের ব্যাপারে আমি কোন আগ্রহই দেখি না! নিজের থেকে তো কখনো আগায়ই না আর আমি যে আগাবো তাতেও বিরক্ত হয়।ও তো বলে, আমি নাকি খালি এটার জন্যেই বিয়ে করছি!"</p>



<p>নারীদের ডিফেন্ড করতে লিখছি ব্যাপারটা সেরকম না। লেখাটির মাধ্যমে এই সমস্যাটার ব্যাপারে একটা সচেতনতা তৈরি করতে চেষ্টা করব।</p>



<p>একজন নারীর শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারে 'আগ্রহ' - শোনাতে খুব সাধারণ একটি বিষয়ের মত শোনালেও সত্যি বলতে এটি একটি জটিল আলোচনা।</p>



<p>জটিল এজন্যে বলছি, কারন অসংখ্য শারীরিক, মনস্তাত্বিক এবং পারিপার্শ্বিক বিষয় এর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে।</p>



<p>একজন নারী প্রেগন্যান্সি, ল্যাকটেশন পিরিয়ড, মেনোপোজ এই সময়গুলোতে যৌন সম্পর্কের ব্যাপারে কম আগ্রহ বোধ করতে পারেন।</p>



<p>বিভিন্ন রোগের কারনে তার অনাগ্রহজনিত সমস্যা হতে পারে যেমন ডায়েবেটিস, থাইরয়েড এর সমস্যা, দীর্ঘমেয়াদী যেকোন ধরনের ব্যথার সমস্যা, মানসিক বিভিন্ন রোগ ইত্যাদি।</p>



<p>প্রচুর ওষুধ আছে যেগুলো ও একজন নারীর আগ্রহের ব্যাপারে সমস্যা সৃষ্টি করে।</p>



<p>আগ্রহ কম বিষয়টাকে 'রোগ' বলার আগে(Hypoactive Desire Disorder) আমাদেরকে এই বিষয়গুলো আগে এক্সক্লুড করতে হবে।</p>



<p>এই কারনগুলো যদি আমরা বাদ দিতে পারি হিস্ট্রি এবং পরীক্ষা-নীরিক্ষার মাধ্যমে, তবে রোগী বা রোগীর স্বামী Desire/আগ্রহ বলতে কি বোঝেন সেটার ব্যাপারে গুরুত্বের সাথে আলোকপাত করতে হবে।</p>



<p>বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বুঝতে একটি শব্দকে আমি ভীষণ গুরুত্ব দেব পুরো লেখাটিতে সেটি হল 'Desire'। এটি একটি Medical terminology। Sexology তে এটাকে সংজ্ঞায়িত করা হয় Sexual Urging, Need বা Appetite হিসেবে। সোজা বাংলায় বলা যেতে পারে Desire মানে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের ইচ্ছা।</p>



<p>শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের ইচ্ছা স্বতস্ফুর্ত ভাবে তৈরি হতে পারে।যেটাকে আমরা মেডিকেলের ভাষায় বলি 'spontaneous desire'। পুরুষের বেলায় যেটা বোঝা এবং মেলানো সহজ।</p>



<p>একজন নারী যখন বলেন - "আমার তো ইচ্ছাই করে না!" হাজব্যান্ড যখন বলেন - "আমার ওয়াইফ এর সমস্যাটা কি?"<br>তখন সবাই আসলে এই spontaneous desire কেই বোঝান।</p>



<p>দু'পক্ষই আসলে বিশ্বাস করেন নারীর ও বুঝি 'সব সময়' পুরুষের মত spontaneous বা স্বতস্ফুর্তভাবে আগ্রহটা জন্মে!</p>



<p>অন্তত পারফিউমের বিজ্ঞাপনে উদাম দেহের পুরুষের দিকে ঝাঁকে ঝাঁকে মেয়ের ছুটে যাওয়া দেখে তো বিষয়ের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলাটাও বেয়াদবি!</p>



<p>এখানেই ঝামেলাটা!<br>জীবন আসলে বিজ্ঞাপন না। এটা একটা অত্যন্ত প্যাঁচের জায়গা।</p>



<p>একজন পুরুষ এর ব্রেইন 'ফিজিক্যাল রিলেশনশিপ' এর ব্যাপারটাকে যেভাবে প্রসেস করে এবং একজন নারীর ব্রেইন সেটাকে যেভাবে প্রসেস করে এই দু'টো প্রসেসিং প্যাটার্ন কি একই?</p>



<p>সেক্সুয়ালিটি নিয়ে বৈজ্ঞানিক রিসার্চগুলো, মডেলগুলো কি বলে?</p>



<p>প্রচুর মডেলের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দু'টো মডেল নিয়ে আজকে আগাবো। (আগেই বলে রাখি, মডেল মানেই কোন বিষয়ে উপসংহারে পৌঁছে যাওয়া নয়। সায়েন্টিফিক ফাইন্ডিংগুলো এক জায়গায় করে প্রস্তাবিত একটা বিষয়।)</p>



<p>১৯৬৬ সালে আবিষ্কৃত জনপ্রিয় মডেলটির নাম Master &amp; Johnson's Model। এটিকে 4 stage model/ EPOR model ও বলা হয়ে থাকে।</p>



<p>এই মডেল অনুসারে ধারণা করা হয়েছিল, নারী-পুরুষ দুপক্ষেরই Sexual Response চারটা ধাপে আগায়।<br>১) Excitement<br>২) Plateau<br>৩) Orgasm(sexual satisfaction)<br>৪) Resolution</p>



<p>হিসাব খুব সহজ।<br>Sexual stimuli আসবে(চোখে দেখে, স্পর্শের মাধ্যমে, কল্পনা করে) যার ফলে শরীর রেসপন্স করবে(Excitement phase)। ফলশ্রুতিতে পুরুষের penile erection হবে, নারীর vaginal lubrication হবে।পরবতীতে Semen ejaculation(পুরুষের ক্ষেত্রে) বা Vaginal contraction (নারীর ক্ষেত্রে) এর মাধ্যমে ফিজিক্যাল স্যাটিসফ্যাকশন আসবে।</p>



<p>এই মডেলটি নিয়ে পরবর্তীতে প্রচুর ঘাঁটাঘাঁটি এবং রিসার্চ চলল। এবং বেশ কিছু ব্যাপার বের করা হল-</p>



<p>১) মডেলটিতে Desire বা যৌন সম্পর্ক স্থাপনের ইচ্ছে করে কি করেনা সেই প্রশ্নের উত্তর না মিলিয়ে সরাসরি অন্যান্য stage গুলোকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।</p>



<p>২) পুরুষদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত মানানসই হলেও, নারীদের ক্ষেত্রে এই Linear Model টি (মানে এক ধাপ থেকে আরেকধাপে ছকে ছকে আগানোর বিষয়টি) সব পরিস্থিতিতে মিলানো যাচ্ছিল না।</p>



<p>যেমন-</p>



<p>- নারী সংগীর সাথে রিলেশনশিপের সময়টাতেই শুধু নয়, স্পর্শ, চোখে দেখা(visual stimuli), কল্পনা করা (sexual fantasy) নানাভাবে একজন পুরুষের শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারে Spontaneous Desire থেকে অপেক্ষাকৃত সহজে Arousal(excitement phase) এ যেতে পারেন।</p>



<p>একজন পুরুষ যৌন সম্পর্ক স্থাপনে সক্ষম কীনা সেটা যাচাই করতেও এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ হিস্ট্রি। যদি কোন sexual inhibition এর ইস্যু না থাকে তবে এটাই এক্সপেক্টেড যে, একজন পুরুষ এর এসব স্টিমুলেশন এর ফলশ্রুতিতে Penile erection হওয়া শুরু হবে(যৌনাংগ শক্ত হওয়া)।</p>



<p>Nocturnal Emission (স্বপ্নদোষ) কেও আমরা বিষয়টির প্রাকৃতিক প্রমাণ হিসেবে বলতে পারি। (এই স্টিমুলেটেড হওয়ার সাথে ছেলেটি খারাপ না ভাল সেই তর্ক অবৈজ্ঞানিক।)</p>



<p>কিন্তু দেখা যায়, নারীদের ক্ষেত্রে spontaneous desire এর বিষয়টি ঠিক এভাবে ব্যাখ্যা করা যায়না। বা সেটি থাকলেও এতো দ্রুত তারা Excitement ধাপটিতে (Master &amp; Johnson's Model এর প্রথম ধাপ) যাননা।</p>



<p>অনেক নারী আমরা পাই যারা sexual fantasy থেকে অনেক সময় spontaneous desire অনুভব করলেও Real Time Partnered sex এর সময় Desire বা Excitement কোন ধাপেই আগাতে পারেন না। এক্ষেত্রে স্বামীর ব্যক্তিত্ব,দু'জনের আবেগিক সম্পর্কের গভীরতা, পারিপার্শ্বিক পরিবেশ এমনকি অতীতের কোন স্মৃতি নানা কিছুতে নারীরা পিছিয়ে যেতে পারে।</p>



<p>- নারীর চোখে একজন পুরুষকে দেখে, কল্পনায় ভেবে বা তার মাধ্যমে ফিজিক্যালি স্টিমুলেটেড হলে ঠিক কতটুকু Excitement স্টেজের রেসপন্সগুলো আসবে তার কোন ধরাবাঁধা সূত্র নাই। পুরুষের বেলায় ব্যাপারটা অনেক ক্ষেত্রে পরিমাপযোগ্য( Durability of erection, sufficient hardening ইত্যাদি)। সামান্য স্টিমুলেশন এই অনেক চেঞ্জ থেকে অনেক স্টিমুলেশন এও তেমন চেঞ্জ না বোঝা দু'টো স্পেক্ট্রাম ই নারীর বেলায় সত্যি।</p>



<p>-প্রতিটি সেক্সুয়াল এক্ট এই একজন নারী সব সময় orgasm (sexual satisfaction) অনুভব করবেন এটাও সুনিশ্চিত নয়।</p>



<p>এতোসব ঝামেলা থেকে নারীর জন্যে একটা মডেল বের করা সময়ের দাবি হয়ে গেল।</p>



<p>আর এভাবেই নারীদের মনস্তাত্বিক, শারিরীক, হরমোনাল বিষয়গুলো প্রতিপাদ্য করে পরবর্তীতে আলোচনায় আসে আরেকটি বিখ্যাত মডেল নাম Basson's Model</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-full is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" src="//i0.wp.com/matritto.com/wp-content/uploads/2020/03/84496272_10221156932339168_6053076136726888448_o-1.jpg" alt="শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারে স্ত্রীর অনাগ্রহ এবং সমাজের প্রচলিত ভুল 2" class="wp-image-1666" width="793" height="694" title="শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারে স্ত্রীর অনাগ্রহ এবং সমাজের প্রচলিত ভুল 3"></figure></div>



<p>যেখানে একটা ইন্টারেস্টিং বিষয়কে হাইলাইট করা হয়। এটি একটি circular model। মানে, মডেলটি এক ধাপ থেকে পরের ধাপ এভাবে আগায় না। বরং যেকোন স্টেজে অন্য যেকোন একটি ফ্যাক্টর সেটাকে প্রভাবান্বিত করতে পারে।</p>



<p>এই মডেল অনুসারে, নিশ্চয় একজন নারী Physical Satisfaction ও পছন্দ করেন কিন্তু অধিকাংশ নারী ফিজিক্যাল রিলেশনশিপের ব্যাপারে সেই প্রণোদনা(যেটাকে আমরা বলি Incentive) থেকেই যে আগ্রহী হন ব্যাপারটা সেরকম না(যেটা নিশ্চিতভাবে পুরুষের মূল প্রণোদনা)।</p>



<p>নারী শারীরিক সম্পর্কে অনেক বেশি Emotional intimacy খোঁজেন। এই মডেল অনুসারে এটাই তার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এর ব্যাপারে মূল উৎসাহের জায়গা।</p>



<p>Basson's Model অনুসারে একজন নারী হতে পারে Neutral Desire বা Zero Desire নিয়ে শারীরিক সম্পর্কটা শুরু করে। তার মানে, মুখে হয়তো তিনি বলে থাকেন যে তার বিন্দুমাত্র আগ্রহ কাজ করছে না, কিন্তু তারপর ও রিলেশনশিপটা যদি আগায় এবং স্বামীর কাছ থেকে যথেষ্ট সাপোর্ট থাকে তাহলে তার ভেতর 'Receptive' desire এর জন্ম নেয়।</p>



<p>তার মানে দাঁড়াচ্ছে সম্পর্কটি শুরুর সাথে সাথেই তিনি Excitement Stage টাতে চলে যান সেরকম নাও হতে পারে। স্বামী যখন আস্তে আস্তে emotional intimacy এর যত্ন টা আগে নেন যেমন-<br>১) সম্পর্কটাতে যথেষ্ট পরিমাণে Fore Play থাকে(শুরুতেই penetrative sex এ না যেয়ে দু'জন দু'জন কে physically explore করা)</p>



<p>২) স্বামী এবং স্ত্রী দু'জন দু'জনের সাথে ইমোশনালি কানেক্ট (genuine connection!) করেন- ছোট ছোট কমপ্লিমেন্ট দেন হতে পারে তাকে দেখতে কেমন লাগছে,তিনি তাকে কতটা ভালবাসেন এসব, হতে পারে সারা দিন কেমন গেল জানতে চাওয়া ইত্যাদি নানা কিছু।</p>



<p>আস্তে আস্তে নারীর 'Receptive' desire তৈরি হয়।</p>



<p>এখানে 'ফোকাস' করার ব্যাপারটা ভীষণ জরুরী।</p>



<p>অধিকাংশ নারী এই সময়টাতে শুধুমাত্র সেই মুহূর্তটাতেই ফোকাস করতে পারেন না। এই বাচ্চা কাঁদছে, পাশের রুমে কে যেন হাঁটছে, চুলায় ডাল বসানো, বাচ্চার স্কুলের কাজ বাকি, কালকে রান্না কি হবে ইত্যাদি নানা চিন্তা তাকে কাবু করে ফেলে!</p>



<p>Foreplay না থাকা এবং এই ছোট ছোট বিষয়গুলো দিয়ে প্রতিনিয়ত সেই সময়টাতে অন্যমনস্ক থাকার ফলে যেটা হয় নারীর genital blood circulation বাঁধাগ্রস্ত হয়।</p>



<p>এটা এজন্যে জরুরী যে, এর মাধ্যমেই আসলে যোনিপথ এ পিচ্ছিলতা বাড়ে। Excitement stage এ এটাই হবার কথা। সেটা নিশ্চিত না হলে physical intimacy সব সময় পেইনফুল হয়। physical satisfaction/ orgasm হবার হার ও কমে যায়।</p>



<p>আর এভাবেই স্বামীদের যথেষ্ট অসচেতনতার জন্যে স্ত্রী আস্তে আস্তে ব্যথার ভয়, অতৃপ্তি, জবরদস্তি থেকেও আগ্রহ হারাতে থাকেন।</p>



<p>স্বামীরাই কি দোষী?<br>নিশ্চয় না।</p>



<p>স্বামীরা Foreplay তে কম থাকতে চান এটা যেমন ভয়ংকর কমন আবার এটাও ঠিক অনেকক্ষেত্রে স্ত্রী যখন Spontaneous desire নাই থেকে বলতে থাকেন - আজকে মাথা ব্যথা,বাচ্চা জেগে যাবে, নাস্তা বানানো হয়নি- আস্তে আস্তে পুরুষদের ব্রেইন ট্রেইন্ড হয় ব্যাপারাটা তাড়াতাড়ি শেষ করার মধ্য দিয়ে।</p>



<p>অনেক দিন যদি ইন্টিমেট রিলেশনশিপে গ্যাপ পড়ে পুরুষের Premature Ejaculation(দ্রুত বীর্যপাত) বা Performance anxiety থেকে Erectile dysfunction( যৌন অক্ষমতা) তৈরি হলেও অবাক হবার কিছু থাকে না।<br>সে আরেক জটিলতার গল্প!</p>



<p>সব মিলিয়ে দম্পতিটি একটা অদ্ভূত সাইকেল এ আটকা পড়েন। দিন, মাস, বছর গড়ায়।</p>



<p>বৈবাহিক জীবনে Sexual Deprivation/Sexual Frustration ভীষণ ভয়ংকর একটা জিনিস। এর সূত্র ধরে কি কি হয়? দু'জনের মাঝে -<br>১) মানসিক/আবেগিক দূরুত্ব বাড়ে<br>২) রাগের বা খিটমিট এর পরিমাণ বাড়ে যার ভুক্তভুগী হন স্বামী/ স্ত্রী, সন্তান, বাসা অথবা অফিসের অধিনস্ত (এবং যে কেউ!!)<br>৩) Behavioural addiction এর ঝুঁকি বাড়ে।<br>পরকীয়ার দিকে চলে যাওয়া তো আছেই। অনেক ধরনের আসক্তি আমরা দেখি-<br>- সোশাল মিডিয়া আসক্তি<br>-খাবারে আসক্তি<br>- সেক্স আসক্তি/সেক্স চ্যাটিং<br>- শপিং এ আসক্তি<br>- গেমিং এ আসক্তি<br>- হস্তমৈথুনে অভ্যস্ততা<br>- পণোগ্রাফি আসক্তি</p>



<p>এটা বোঝাটা খুব জরুরী, যেহেতু বিয়ে একটা ম্যারেজ কন্ট্রাক্ট,আমরা সেটাকে গ্র‍্যান্টেড ভাবি। আমরা রোজকার আলু-পটলের গল্পে ইমোশনাল রিলেশনশিপের যত্ন নিতে ভুলে যাই। সংসারে সন্তান আসলে তো কথাই নাই, সারা রুমে যে শুধু ডায়পার, বেবি পাউডারই ছড়ানো সেটাই না! আমরা বুঝিও না কখন আমাদের বিছানাটাও আলাদা হয়ে যায়।</p>



<p>আমরা প্রিয় মানুষের গায়ের গন্ধ ভুলে যাই। এবং অদ্ভূত একটা রিচুয়ালিস্টিক রুটিনে ইন্টিমেট রিলেশনশিপ টা আটকা পড়ে। বিয়ের প্রথম কয়েক বছরের স্মৃতিগুলো ভাবতে ভাল লাগে। আমরা জানি সেই একই মানুষই পাশে শুয়ে আছে কিন্তু আমরা বুঝি আটপৌরে জীবনে কোথায় যেন একটা সূতায় প্যাঁচ খেয়েছে। অন্যজনকে মুখে বলতেও যেন কোথায় একটা বাঁধে। সূতার বাঁধন কখন কিভাবে কেটেছে কেউ সেই দিন বা তারিখটা মনে করতে পারেনা।</p>



<p>আমরা ভাবি, থাক না! দিনতো কেটেই যাচ্ছে!</p>



<p>নিজেদের যৌনস্বাস্থ্যের যত্ন নিন। ইমোশনাল পালস চেক করুন। প্রয়োজনে প্রফেশনালের সাহায্য নিন। সাইকোথেরাপি, সেক্স থেরাপি, মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন এবং কিছু ক্ষেত্রে প্র‍য়োজনবোধে ওষুধ দিয়ে এই সমস্যা থেকে বের হয়ে আসা খুব ভালভাবেই সম্ভব।</p>



<p>কিছু জিনিস সময় এর হাতে ফেলে রাখাটাই বোকামি কারন তাতে পরিস্থিতি দিন দিন হাতের বাইরে চলে যায়। আমরা হয়তো বুঝেও না বোঝার ভান করি।</p>



<p>ভাল থাকুন।</p>



<p></p>



<p></p>



<p>লিখেছেন:</p>



<p>ডাঃ সুষমা রেজা (MBBS, MD)<br>Lead Psycho-sexologist &amp;<br>Head of Sexual Medicine Unit<br>LifeSpring Limited</p>



<p>ছবি: istock, LifeSpring</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95/">শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারে স্ত্রীর অনাগ্রহ এবং সমাজের প্রচলিত ভুল</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
