<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বন্ধ্যাত্ব - Matritto</title>
	<atom:link href="https://matritto.com/tag/%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://matritto.com</link>
	<description>গর্ভধারণ, সন্তান পালন ও মাতৃত্ব নিয়ে জানুন বাংলাভাষায়</description>
	<lastBuildDate>Fri, 07 Feb 2025 03:59:49 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://matritto.com/wp-content/uploads/2017/02/cropped-favicon-1-1-1-32x32.png</url>
	<title>বন্ধ্যাত্ব - Matritto</title>
	<link>https://matritto.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>সন্তান গ্রহনের উপযুক্ত সময় সময় আসলে কখন?</title>
		<link>https://matritto.com/right-time-for-pregnancy/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[ওয়াসিফা নুর তামান্না]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Aug 2024 00:40:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভধারণের আগে]]></category>
		<category><![CDATA[Infertility]]></category>
		<category><![CDATA[বন্ধ্যাত্ব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=8014</guid>

					<description><![CDATA[<p>পুরুষ এবং মহিলাদের মদ্ধ্যে বন্ধাত্ব এর ঝুঁকি দিনে দিনে বাড়ার অন্যতম কারণ গুলোর মধ্যে প্রধান কারণ পরিবার পরিকল্পনা অনেকটা দেরিতে শুরু করা। নানা কারণে বর্তমানে মানুষ দেরিতে বিয়ে করছে, শিশুকে দুনিয়ায় আনার পরিকল্পনা করছে ৩০-৪০ বছর সময়কালে। </p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/right-time-for-pregnancy/">সন্তান গ্রহনের উপযুক্ত সময় সময় আসলে কখন?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>পুরুষ এবং মহিলাদের মাঝে বন্ধাত্বের ঝুঁকি দিনে দিনে বাড়ার অন্যতম কারণ গুলোর মধ্যে প্রধান কারণ পরিবার পরিকল্পনা অনেকটা দেরিতে শুরু করা। নানা কারণে বর্তমানে মানুষ দেরিতে বিয়ে করছে, শিশুকে দুনিয়ায় আনার পরিকল্পনা করছে ৩০-৪০ বছর সময়কালে।&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading">বন্ধ্যাত্বে আক্রান্ত হবার সম্ভাব্য কারণ</h2>



<p>WHO এর মতে বিশ্বব্যাপী ৬ জনের মধ্যে ১ জন বন্ধ্যাত্বে আক্রান্ত। বেশ অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে এর পেছনে। অনিয়মিত পিরিয়ড অথবা একেবারেই না হওয়া, অটো ইমিউন ডিজিজ, স্থুলতা, ক্রনিক স্ট্রেসসহ আরও অনেক কিছু। মানুষ অপেক্ষা করছে নির্দিষ্ট গোল এচিভ হলে তারপর পরিবার শুরু করবে বা ২ জনের বেশি সন্তান নিবেনা। কিন্তু ধীরে ধীরে মানুষের ফার্টিলিটি কমে আসছে এবং অনেকের কাছেই শোনা যাচ্ছে এমনকি দুই বাচ্চা নিতেও তাদের অনেক স্ট্রাগল করতে হচ্ছে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বন্ধ্যাত্ব কি লুকিয়ে রাখব?</h2>



<p>তবে এটা এমন একটা টপিক যেই বিষয়ে কথা মানুষ বলতে চায়না বা বললেও এমন সময়ে গিয়ে বলে যখন হয়তো কিছুটা দেরী হয়ে যায়। আবার আমাদের মধ্যে এমনও ধারণা আছে যে এসব নিয়ে কথা বলা যাবেনা কারণ এতে মানুষ কষ্ট পাবে। কিন্তু এটা আসলে লুকানোর বা চুপ করে থাকার বিষয় না। ফার্টিলিটিকে সুস্থতা এবং ইনফার্টিলিটিকে ডিজিজ হিসেবে ধরা হয়। আমরা যাতে ফার্টিলিটি থেকে ইনফার্টিলিটি স্টেইজে চলে না যায় সেজন্য প্রতিরোধমূলক যা যা পদক্ষেপ নেয়া যায় তা তা করতে পারি। আর যদি সেই পর্যায়ে চলেই যাই তখন চিকিৎসা করতে পারি।</p>



<p>বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বে অধিক সন্তান নেয়াকে উৎসাহিত করা হয়। এবং কেউ যদি এই ধারা বজায় রাখতে চায় বা ইচ্ছা পোষণ করে এই ব্যাপারে তবে তার জন্য তার ফার্টিলিটিকে ধরে রাখার চেষ্টা করা এবং এই ব্যাপারে জ্ঞানার্জন করা কিছুটা জরুরী বটে।</p>



<p>এখন দেরীতে বিয়ে এবং বাচ্চা নেয়ার হার আগের তুলনায় বেড়েছে। বাংলাদেশে লেইট ম্যারেইজ খুব বেশি না হলেও এর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধির দিকেই আছে। এমেরিকার একটা রিসার্চে পাওয়া গেছে আগে যেখানে ৮ জনের মধ্যে ১ জনের ইনফার্টিলিটি পাওয়া যেত, এখন সেখানে ৫ জনের মধ্যে ১ জনের পাওয়া যায়। এখন বিয়ে আগে করলেও বাচ্চা নেয়ার ক্ষেত্রে ৩০ পার করার নজির আগের তুলনায় বেশিই পাওয়া যায়। বিশেষ করে পরিবারগুলো এখন ক্যারিয়ার, পড়াশোনা, আত্মনির্ভরশীল হবার দিকে ঝুঁকছে বেশি। তারা চিন্তা করছে সন্তান আসার আগে একটা ব্যবস্থা করে নিতে বা নিজেরা একা সময় পার করতে চাচ্ছে।</p>



<p>এছাড়াও আমাদের সমাজে বর্তমানে স্বাস্থকর জীবন ব্যবস্থা কমই দেখা যাচ্ছে। আমাদের সবার মধ্যেই কোন না কোন রোগ বাসা বেঁধে যাচ্ছে। ছোটবেলা থেকেই প্রপার নিউট্রিশন মেইনটেইন না করার কারণে স্থুলতা, বিভিন্য স্ত্রীরোগ বাসা বাঁধছে মেয়েদের শরীরে। বর্তমানে দেখবেন ডায়বেটিস, থাইরয়েড খুব কমন কিছু রোগ। এবং পরিবেশ দূষণ তো আছেই। সব মিলে প্রভাব পরছে ফার্টিলিটি এর উপর।</p>



<h2 class="wp-block-heading">ছেলেদের প্রজনন প্রক্রিয়া </h2>



<p>একজন মহিলা তার জীবদ্দশায় কয়জন বাচ্চার জন্ম দিচ্ছে তার হার বৈশ্বিকভাবে কমছে। ২০২০ এ এটি ছিল ২.৩, ২০২১ এ তা হয়েছে ২.২৩ এবং ধারণা করা হচ্ছে ২০৫০ এ এই হার হবে ১.৬৮ আর ২১০০ তে হবে ১.৫৭। উদ্বেগজনক, তাইনা?</p>



<p>আমরা অনেকেই এটা ধরে নেই যে বন্ধ্যাত্ব নিয়ে যখন কথা হচ্ছে তাহলে এটা অবশ্যই মেয়েদের সমস্যা। কিন্তু না, এটা ছেলে নেয়ে উভয়ের সমস্যা বর্তমানে। মেয়েদের গর্ভধারণে অপেক্ষা করার প্রয়োজন পড়া বা অতিরিক্ত মিস্ক্যারেইজের পেছনে ছেলেদের ক্রমহ্রাসমান স্পার্ম কাউন্ট ও অনেক ক্ষেত্রে দায়ী। আমাদের উল্টোপাল্টা খাদ্যাভ্যাস এবং পরিবেশ দূষণ এর ফলাফল।</p>



<p>একজন স্বাভাবিক পুরুষ এর শরীরে দিনে ২০০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন স্পার্ম তৈরি হয়। ১ সেকেন্ডে ১৫০০ স্পার্ম তৈরি হয়। প্রতি তিন মাসে স্পার্মের নতুন ব্যাচ আসে পুরুষের শরীরে। তো এটা থেকে আমরা বুঝতে পারি যে একজন পুরুষ চাইলেই ৩ মাস ভালো খাবার খেয়ে, ভালোভাবে জীবনযাপন করে সুস্থ, ভালো মানের স্পার্মের নতুন ব্যাচ তৈরি করতে পারে।&nbsp; সুস্থ, ভালো মানের স্পার্মের উপর জোড় দিচ্ছি কারণ সুস্থ, ভালো স্পার্ম একটা বাচ্চার জেনেটিক গঠন, শারীরিক গঠনের সাথে অনেকটা যুক্ত। এমনকি মিসক্যারেইজও কমানো সম্ভব এর মাধ্যমে। পুরুষ যদি সিগারেট, ভেইপ, এলকোহল সেবন জাতীয় অভ্যাস বাদ দেয় তাহলে মিসক্যারেইজ রেইট কমতে পারে। কারণ এসব বাজে অভ্যাসের ফলে পুরুষ বাজে মানের স্পার্ম তৈরি করে। একটা শিশু জন্মের পর দেখা যায় বিভিন্য অসুস্থতা লেগে থাকেই, সেটা জেনেটিক কারণেও হতে পারে।</p>



<p>আরও মজার তথ্য হচ্ছে সুস্থ স্পার্ম দিয়ে ডিম্বাণু ফার্টিলাইজ করতে নিয়মিত (প্রতিদিন বা প্রতি ৩/৪ দিনে) শারীরিক সম্পর্ক করা জরুরী। তবে এখানেও সেই একি কথা, বিশ্বের যত বয়স হচ্ছে ততোই দূষণ বাড়ছে। দূষিত বাতাস, খাবার, রোগ ধীরেধীরে পুরুষের স্পার্ম কাউন্ট কমিয়ে দিচ্ছে, তাকে বন্ধ্যাত্বের দিকে অগ্রসর করছে।</p>



<p>বিদেশে অনেকেই Testosterone Replacement Therapy নিচ্ছে। বাংলাদেশেও এই ব্যবস্থা আছে। তবে এটি বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে সঠিক না। কারণ যখন আর্টিফিশিয়ালি TRT নেয়া হচ্ছে তখন পুরুষের ব্রেইন সিগনাল পাচ্ছে যে তার শরীরে ইতিমধ্যেই টেস্টোস্টরন আছে যথেষ্ট। তাহলে আর তৈরি করার প্রয়োজন নেই। এর ফলে এটা মেইল বার্থ কন্ট্রোল এর মতো কাজ করছে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">মেয়েদের প্রজনন প্রক্রিয়া</h2>



<p>এবার আসি মেয়েদের প্রজননে। ছেলেদের স্পার্ম ৩ মাস অন্তর অন্তর তৈরি হয়। কিন্তু মেয়েদের ডিম্বাণু একবারই তৈরি হয়। মেয়েদের শরীরে একটা ডিম্বাণু ব্যাংক থাকে। একটা মেয়ে বাচ্চা যখন মায়ের গর্ভে ৫ মাস বয়সে থাকে তখন তার শরীরে ৬-৭ মিলিয়ন ডিম্বাণু তৈরি হয়। জন্মের সময় থাকে ১-২ মিলিয়ন। পিউবার্টির সময় থাকে ৫ লাখ। যখন একটা মেয়ে বাচ্চা নেয়ার কথা ভাবছে তখন থাকছে ৩ লাখ। আর মেনোপজের সময় থাকছে ১০০০ এর ও কম ডিম্বাণু। এতো এতো ডিম্বাণুর মাঝে একজন মহিলা তার পুরো জীবনে ডিম্বস্ফোটন করে মাত্র ৪০০ থেকে ৫০০ ডিম্বাণু। প্রতি মাসেই শরীর তার ডিম্বাণু ব্যাংক থেকে খুব সামান্য কিছু ডিম্বাণু পাঠায়, এরমধ্যে একটা ডিম্বাণু অভুলেট করবে বাকি গুলো মরে যাবে। </p>



<p>এভাবে প্রতিমাসে চলতে থাকে। এবং যত বয়স বাড়ে ততো ডিম্বাণু ব্যাংক থেকে ডিম্বাণু বের হবার সংখ্যা কমে আসে। খাদ্যাভ্যাস, অটো-ইমিউন ডিজিজ, কিমোথেরাপি, জীবনব্যবস্থা ইত্যাদির কারণে ডিম্বাণু তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যেতে পারে।</p>



<p>বর্তমানে আইভিএফ খুব জনপ্রিয়। কিন্তু আইভিএফ সাক্সেস এর জন্যও ডিম্বাণুর সংখ্যা কমে আসা বা স্বাস্থকর ডিম্বাণু থাকা জরুরী। ৩০ এর পর থেকেই ধরা হয় এমন সময় যে এই সময়ে ডিম্বাণুর সংখ্যা একেবারেই কমে আসছে এবং প্রতিমাসেও কম করে আসছে ডিম্বাণু ব্যাংক থেকে। ৩৭ বছরের দিকে ডিম্বাণু ব্যাংকে গড়ে ২০০০০ ডিম্বাণু থাকে। ৩৪ থেকে ৩৭ বছরের দিকে ডিম্বাণুর সংখ্যা দ্রুত কমতে থাকে। এর মধ্যে সব ডিম্বাণুই স্বাস্থ্যকর থাকেনা। সেই মায়ের গর্ভে থাকা থেকে এতো বছরে অনেক কিছুর মধ্যে দিয়ে যায় আমাদের শরীর। তার প্রভাব ডিম্বাণু ব্যাংকে থাকা ডিম্বাণুর উপরেও পরে। শেষের দিকে থাকা ডিম্বাণুগুলো তাই অস্বাভাবিক হতে পারে, এদের মধ্যে ক্রমোজোম গুলো পুরনো এবং অস্বাভাবিক হতে পারে। এই সময়ে কন্সিভ করলে মিস্ক্যারেইজ, জেনেটিক এবনর্মালিটির সম্ভাবনা থাকে বেশি।&nbsp;</p>



<p>সুতরাং আমরা এটা বলতে পারি যে আমরা যত বেশি সময় নিব প্রেগন্যান্সিতে যাবার ততো বেশি সম্ভাবনা বাড়বে মিস্ক্যারেইজ, এবনর্মাল বাচ্চা, অসুস্থ বাচ্চা এবং কন্সিভ ই না করার।</p>



<p>ইন্টেরেস্টিং ফ্যাক্ট হচ্ছে Anti Mullerian Hormone (AMH) Test এর মাধ্যমে কেউ চাইলে তার ডিম্বাণু ভল্টে কত ডিম্বাণু আছে তা জানতে পারবে। এবং আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান এর মাধ্যমে ভল্টের বাইরে ওই মাসে কত ডিম্বাণু এসেছে সেটা জানতে পারবে। যারা কন্সিভের চেষ্টা করছেনা তাদের এই টেস্ট করার পরামর্শ American College of OBGYN দেয়না। তবে ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞ এমেরিকান ডক্টর নেটালি ক্রফোর্ড এর মতে এই টেস্ট আগেই করার মাধ্যমে মেয়েরা বাচ্চা নিতে দেরি করার সিদ্ধান্তটা বুঝেশুনে নিতে পারে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">ওভারিয়ান রিজার্ভ লম্বা সময় ধরে রাখতে এবং ভালো মানের রাখতে, স্পার্মের মান ভালো রাখতে কি করা যায়?</h2>



<ul class="wp-block-list">
<li>যেকোন খারাপ খাদ্যাভ্যাস বাদ দিতে হবে।</li>



<li>পরিবেশ দূষণ কম এমন জায়গায় বসবাস করা।</li>



<li>ননস্টিক, প্লাস্টিক কন্টেইনার বাদ দেয়া।</li>



<li>অভেনে প্লাস্টিক দিয়ে গরম না করা।</li>



<li>ইনফ্লেমেশন হয় এমন সব খাবার বাদ দেয়া।</li>



<li>পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো যাতে শরীরের প্রদাহ কমানো যায়।</li>



<li>সহনীয় মাত্রায় ব্যায়াম করা।</li>



<li>রিল্যাকজেশন প্র্যাক্টিস করা।</li>



<li>প্রসেসড খাবার বাদ দেয়া</li>



<li>চিনি কমানো বা বাদ দেয়া।</li>



<li>মাছ, মাংসের মিশ্র ডায়েট রাখা সপ্তাহব্যাপী।</li>



<li>স্বাস্থকর ফ্যাট খাওয়া।</li>



<li>পূর্ণ ননিযুক্ত দুধ খাওয়া</li>



<li>মানষিক অশান্তি থেকে যতটুকু সম্ভব দূরে থাকা বা তা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা</li>
</ul>



<p>অনেকেই বলে ডিভাইস যেমন ফোন বা ল্যাপটপের কারণেও বন্ধ্যাত্ব হচ্ছে। এটা কিছুটা সঠিক। তবে বর্তমানে যেসব ফোন বাজারে আসছে সেগুলোই র‍্যাডিয়েশনের মাত্রা অনেক কম। কিন্তু কথা হচ্ছে র‍্যাডিয়েশন আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্য মাধ্যমে পাচ্ছিই। আমরা বসবাস করছিই র‍্যাডিয়েশনের মধ্যে। সেটার একটা ইম্প্যাক্ট তো আছেই আমাদের ফার্টিলিটিতে। এমনকি অতিরিক্ত তাপ থেকেও অণ্ডকোষ প্রভাবিত হতে পারে। ল্যাপটপ কোলের উপর রেখে কাজ করা, শরীর অনেক বেশি গরম হলেও সেটা অণ্ডকোষে প্রভাব ফেলতে পারে।</p>



<p>সব ঠিক থাকার পরেও অনেক কাপল-ই কন্সিভ করতে পারেনা। তখন তারা বিভিন্য পদ্ধতিতে গর্ভধারণের চেষ্টা করে। কেউ কেউ সমস্যা হবার আগেই ৩০ এর আগেই তাদের এগ ফ্রিজিং করে নেয়&nbsp; ভবিষ্যতের জন্য। ভবিষ্যতে সেটা ফার্টিলাইজ করে তারা গর্ভধারণ করতে পারে। কেউ কেউ IVF পদ্ধতিতে যায়। আরও অনেক পদ্ধতি উন্নত বিশ্বে প্রচলিত আছে যেগুলো ইসলাম ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী হালাল না। এই ব্যাপারে মাতৃত্ব সাইটে একটি সিরিজ লেখা আছে <a href="https://matritto.com/infertility-faith-islam/">সন্তান লাভ, ভ্রূণবিদ্যা ও যিনাঃ ইনফার্টিলিটি ও তাক্বদীর</a> নামে। পড়ে নিতে পারেন। এই সব পদ্ধতিই অনেক ব্যায়বহুল। অনেকের পক্ষেই হতে পারে এসব পদ্ধতি নাগালের বাইরে। আর যাদের নাগালের ভেতরে আছে তাদের মধ্যেও সবাই শেষ লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনা শেষ পর্যন্ত। সবার চেষ্টাই সফল হয়না। তবে অনেকেরই হয়। এমনি একজন মা আমাদের মাতৃত্ব প্লাটফর্মে নিজের বার্থস্টোরি যাত্রা শুনিয়েছিলেন। <a href="https://www.facebook.com/groups/matritto/posts/3710134289204236" target="_blank" rel="noopener">এখানে</a> ক্লিক করে শুনে নিতে পারেন আপুর গল্প।</p>



<p>আমাদের সমাজে যখন একটা কাপল বন্ধ্যাত্ব ইস্যুর মধ্য দিয়ে যায় তারা দেখা যায় নিজেদের একেবারে আইসোলেইট করে ফেলছে। তাদের সমবয়সীরা বাচ্চা নিতে পারছে, কিন্তু তারা পারছেনা। তারা মোটামুটি একটা ডিপ্রেশন স্টেইজে চলে যায় এই সময়। এটার কারণে ট্রিটমেন্টের উপর প্রভাব পরে। কারণ মানসিক এবং শারীরিক সুস্থতা একে অপরের সাথে যুক্ত।</p>



<p>সন্তান খুবই আকাঙ্ক্ষিত এবং আল্লাহর তরফ থেকে উপহার। কেউ পান, কেউ কেউ পান না। আল্লাহ সবাইকে মানসিক শান্তি দিক সর্বাবস্থায়।</p>



<h2 class="wp-block-heading">তথ্যসূত্র</h2>



<ol class="wp-block-list">
<li><a href="https://www.who.int/news/item/04-04-2023-1-in-6-people-globally-affected-by-infertility" target="_blank" rel="noopener">1 in 6 people globally affected by infertility: WHO</a></li>



<li><a href="https://www.euronews.com/health/2024/03/21/global-infertility-rate-will-cause-a-dramatic-decline-in-population-in-97-of-countries-by-#:~:text=By%202100%2C%20they%20project%20that,2050%20and%201.57%20in%202100." target="_blank" rel="noopener">Fertility rates will see 'dramatic decline' with 97% of countries unable to sustain populations</a></li>



<li><a href="https://peakmen.com/sex-every-day-bad-male-infertility/" target="_blank" rel="noopener">Is having sex every day bad? Will it affect my fertility?</a></li>



<li><a href="http://t.ly/0QAPI">t.ly/0QAPI</a></li>
</ol>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/right-time-for-pregnancy/">সন্তান গ্রহনের উপযুক্ত সময় সময় আসলে কখন?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সন্তান লাভ, ভ্রূণবিদ্যা ও যিনাঃ এসিস্টেড কন্সেপশানের রকমফের</title>
		<link>https://matritto.com/assisted-conception-types/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Mohammad Sayeid Al Jamee]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 21 Sep 2023 11:14:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>
		<category><![CDATA[আইভিএফ]]></category>
		<category><![CDATA[ইনফার্টিলিটি]]></category>
		<category><![CDATA[বন্ধ্যাত্ব]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রুণবিদ্যা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=6443</guid>

					<description><![CDATA[<p>সন্তানহীনতার চিকিৎসায় এসিস্টেড কন্সেপশানের বেশ কয়েকটি ধরণ আছে, যার মাঝে বাংলাদেশে কয়েকটি প্রচলিত। মুসলিম হিসেবে এগুলোর পদ্ধতি নিয়ে সচেতনতা জরুরী</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/assisted-conception-types/">সন্তান লাভ, ভ্রূণবিদ্যা ও যিনাঃ এসিস্টেড কন্সেপশানের রকমফের</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আসসালামু আলাইকুম।</p>



<p>সন্তানহীনতা বলতে সন্তানধারণ ক্ষমতাকে দুর্বল বা নষ্ট থাকাকে বোঝায়। একজন দম্পত্তির কাছে সন্তানহীনতার মতো কষ্টকর আর কিছু হতে পারে না। আশির দশকে আবিষ্কৃত হওয়া নোবেল বিজয়ী প্রযুক্তির বাংলাদেশে আগমন ১৯৯৯ সালে। সেবছর বাংলাদেশের প্রথম টেস্টটিউব বেবির জন্ম হয়। প্রযুক্তিগত দিক থেকে কাটিং এজ দুই একটি পদ্ধতি এখনো আমাদের দেশে প্রচলিত না হলেও বেসিক মেথডে অনেক সফলতার রেকর্ড আছে।</p>



<p>ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত চার বছরে ১০০ টেস্টটিউব বেবির জন্ম হয়েছে। ১৯৭৮ সাল থেকে টেস্টটিউব বেবি পদ্ধতির মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপী প্রায় এক মিলিয়ন শিশুর জন্ম হয়েছে! বেশ ব্যয়বহুল হলেও উন্নত দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে কৃত্রিম পদ্ধতিতে সন্তান লাভ করার খরচ অনেক কম। মাত্র ২-৩ লক্ষ টাকায় দুশ্চিন্তিত দম্পতিরা (ঋণ করে হলেও) সহজেই এই পদ্ধতির সাহায্য নিয়ে লাভবান হচ্ছে। </p>



<p>তাই আমি মনে করি শর'ঈ দৃষ্টিকোণ থেকে শিক্ষিত সমাজ ও সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। কেননা খবরের কাগজে এনিয়ে যে লেখালেখি পড়েছি সেখানে সরাসরি বলা আছে ধর্মীয়ভাবে কোনো অগ্রহণযোগ্যতা নেই জন্য এধরণের প্রযুক্তির ব্যাবহারও দিন দিন বাড়ছে। অন্যদিকে সরকারী নীতিমালা বা বাধ্যবাধকতা, নির্দেশনা ও দূরদর্শী চিন্তাভাবনা এখনো সেভাবে গোছানোর জন্য কাউকে অগ্রণী ভুমিকা রাখতে দেখা যাচ্ছেনা। কেননা মুসলিমপ্রধান আমাদের দেশটিতে কিছুটা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যতা ও সামাজিক প্রেক্ষাপট মানুষের মনে সবসময় কাজ করে।</p>



<p>এই লেখা কোনো ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উদ্দেশ্য করে লেখা নয়। সচেতনতা বাড়ানো আর সঠিকভাবে পর্যালোচনা করা আমাদের সবারই কর্তব্য। সেই প্রচেষ্টায় সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়ে খুব ছোট শিরনামে কিছু পদ্ধতিভিত্তিক পয়েন্ট নীচে তুলে ধরা হলো। উল্লেখ্য যে এখানে মেডিকেল বা সার্জিকাল চিকিৎসাপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করছিনা। শুধুমাত্র "এসিস্টেড কন্সেপশান" নিয়ে আলোচনা করব ইন শা আল্লাহ। (বৈবাহিক চরিত্রসীমার মধ্যেই আলোচনাটি রাখছি, মাঝে মাঝে পরপুরুষ বা পরনারীর উদ্ধৃতি আসতে পারে)</p>



<p><strong>১। জরায়ুতে শুক্রাণু প্রতিস্থাপনঃ</strong></p>



<p>এই উপায়ে স্বামীর শুক্রাণুকে স্ত্রীর জরায়ুতে প্রতিতস্থাপন করে প্রাকৃতিকবাভেই নিষিক্ত করার প্রচেষ্টা করা হয় যা পরবর্তীতে ভ্রূণে রূপান্তরিত হয়ে জরায়ুতে প্রাকৃতিকভাবেই গর্ভের স্বাভাবিক সুত্রপাত ঘটায়।</p>



<p><strong>২। (ইন ভিট্রো) পরীক্ষাগারে ডিম্বাণু নিষিক্তকরণঃ</strong></p>



<p>এই চিকিৎসায় স্ত্রী ও স্বামীর ডিম্বাণু এবং শুক্রাণু শরীরের বাইরে গবেষণাগারে সংগৃহীত করে তাকে উর্বর করে ভ্রূণ তৈরি করে তারপর জরায়ুর মধ্যে স্থানান্তর করা হয়। আইভিএফের সফলতার হার বাংলাদেশে শতকরা ২৫ থেকে ৩০ ভাগ। বিদেশে এই হার শতকরা ৩০-৩৫ ভাগ। ভ্রূণ স্ত্রীর জরায়ুতে স্থাপন করার আগ পর্যন্ত কৃত্রিম পদ্ধতি। স্খাপন করার পর স্ত্রীর স্বাভাবিক গর্ভধারণের যেমন অনুভব করেন টেস্টটিউব বেবি নিলেও তেমনি অনুভব করেন। এতে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হওয়ার কথা না।</p>



<p><strong>৩। জরায়ুতে সংযোজিত করার আগে ভ্রূণ নিরীক্ষা করাঃ</strong></p>



<p>যাদের জন্মগতভাবে প্রতিবন্ধী সন্তান আছে তাদেরকে এই চিকিৎসা সুবিধা দেয়া হয়। আইভিএফ পদ্ধতিতে একাধিক ভ্রূণ নিষিক্ত করে জরায়ুতে স্থানান্তর করার আগে পরীক্ষা করে দেখা হয় যে কোন কোন ভ্রূণের জেনেটিক সমস্যা আছে যা পরবর্তীকালে দূরারোগ্য রোগের কারণ হতে পারে। সেগুলো বেছে সুস্থ ভ্রূণ স্থানান্তর করা হয় ও বাকিগুলো ফেলে দেয় হয়।</p>



<p><strong>৪। সর্বাধুনিক ‘তিনজনের ঔরসজাত’ সন্তানঃ</strong></p>



<p>এই পদ্ধতিতে স্বামীর শুক্রাণু দিয়ে নিষিক্ত করার আগে অকার্যকরী মাইটোকন্ড্রিয়াসম্পন্ন স্ত্রীর ডিম্বাণুর চিকিৎসা করা হয়। তৃতীয় অন্য নারীর ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াস ফেলে দিয়ে স্ত্রীর নিউক্লিয়াসটি তার জেলিকোটের ভেতর প্রবেশ করিয়ে দুই নারীর ডিমাণুর সমন্বয়ে একটি সুস্থ ডিম্বাণু তৈরী করা হয়। আর তারপর আইভিএফ পদ্ধতিতে পরীক্ষাগারে ভ্রূণ তৈরী করে স্ত্রীর জরায়ুতে তা স্থানান্তর করা হয়। গতবছর সর্বপ্রথম জর্ডানের এক দম্পতি এই পদ্ধতি ব্যাবহার করে একটি কন্যা সন্তান লাভ করেছে।</p>



<p>★উপরের সবগুলো পদ্ধতিতেই স্বামী স্ত্রীর শুক্রাণু বা ডিম্বাণু ব্যাবহার না করে স্পার্ম / এগ ব্যাংক থেকে অন্য অপরিচিত পুরুষ বা মহিলার শুক্রাণু বা ডিম্বাণু ব্যাবহার করা যেতে পারে। পাশ্চাত্যের দেশে অহরহ স্পার্ম বা এগ ব্যাংক থেকেই পরিচয় গোপণ করে রাখা পুরুষ/দের শুক্রাণু বা মহিলা/দের ডিম্বাণু ব্যাবহৃত হলেও আমাদের দেশে এর প্রচলন এখনো জনপ্রিয়তা লাভ করেনি।</p>



<p><a href="/infertility-surrogacy-fornication-islam">এরপরের পর্বে</a> ইন শা আল্লাহ একটি বাস্তব ঘটনা শোনাব যেখানে এক স্বামী তার স্ত্রীকে তালাক্ব দিতে চেয়েছেন আইভিএফ চিকিৎসায় তাকে ধোকার শিকার হতে হয়েছে জন্য। আশা করি সময় নিয়ে সাথে থাকার চেষ্টা করবেন।</p>



<p>আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।</p>



<p>-আবু 'আব্দিল্লাহ ইবনু আনিস</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/assisted-conception-types/">সন্তান লাভ, ভ্রূণবিদ্যা ও যিনাঃ এসিস্টেড কন্সেপশানের রকমফের</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সন্তান লাভ, ভ্রূণবিদ্যা ও যিনাঃ ইনফার্টিলিটি ও তাক্বদীর</title>
		<link>https://matritto.com/infertility-faith-islam/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Mohammad Sayeid Al Jamee]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 21 Sep 2023 04:01:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>
		<category><![CDATA[বন্ধ্যাত্ব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=6441</guid>

					<description><![CDATA[<p>ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় ভ্রুনবিদ্যা এগিয়েছে অনেকদূর, কিন্তু মুসলিমদের জন্য তৈরি করেছে নতুন ঈমানী পরীক্ষাক্ষেত্র।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/infertility-faith-islam/">সন্তান লাভ, ভ্রূণবিদ্যা ও যিনাঃ ইনফার্টিলিটি ও তাক্বদীর</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আসসালামু আলাইকুম।</p>



<p>আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বিবাহের মাধ্যমে নারী-পুরুষের মাঝে মুবাশারাহ (যৌন সম্ভোগ) এবং বংশ বৃদ্ধিকে কল্যাণের কাজে পরিণত করেছেন। মাশা আল্লাহ বিবাহের ফলে স্বামী-স্ত্রীর যাবতীয় বৈধ কার্যক্রম হয়ে ওঠে কল্যাণ ও সাওয়াবের কাজ।</p>



<p>মানুষের সামাজিক চাহিদার অন্যতম আকাঙ্ক্ষা ‘সন্তান লাভ'। এনিয়ে আনন্দ-বেদনা, পরীক্ষা, বিবাদ, গর্ব থেকে শুরু করে বিবাহ-বিচ্ছেদ সবই হয়ে থাকে। কখনো কখনো পরীক্ষা এমন পর্যায়ে দাঁড়ায়, ইসলামের বুনিয়াদি কিছু জ্ঞানের অভাব বা ভুল বুঝের কারণে নিজের অজান্তেই মানুষ বড় ও কঠিন পাপের মধ্যেও নিমজ্জিত হয়ে যায়। আলোচনা শুরুর আগে কুর'আনে পাকের একটি আয়াতের দিকে আলোকপাত করতে চাইঃ</p>



<p>“যমীন ও আসমানের বাদশাহীর অধিকর্তা আল্লাহ, তিনি যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দেন,আর যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন,যাকে ইচ্ছা পুত্র ও কন্যা উভয়টিই দেন এবং যাকে ইচ্ছা কোনোটি দেন না। তিনি সব কিছু জানেন এবং সবকিছু করতে সক্ষম। [সুরা শুরা:৪৯-৫০]</p>



<p>এখানে আক্বিদাহগত দিক থেকে একটি বিষয়ে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত। কারণ এই মূলনীতিটি বুঝতে পারলে বিজ্ঞানের বদৌলতে যে ভ্রূণবিদ্যা সমাজ উপহার পেয়েছে ও তার সাথে জড়িত শর'ঈ আহকাম বোঝা সহজ হবে ইন শা আল্লাহ।</p>



<p>★ উপরের আয়াত থেকে এটা প্রতীয়মান হয় যে, সন্তান ধারণ করা, অধিক সন্তান লাভ করার ইচ্ছা আমাদের উম্মতের সুন্নাহ হলেও সন্তান জন্ম হওয়া সম্পূর্ণ আল্লাহ নির্ধারিত তাক্বদিরের অধীনে এবং তাই তা জীবনধারণ করার জন্য বা ইবাদতের সফলতা লাভ করার জন্য মোটেই আবশ্যক নয়। কাজেই সন্তান লাভ করার জন্য ফাতাওয়ায় কোনো আহকামের শীথিলতা প্রযোজ্য হবেনা।★</p>



<p>এবিষয়ে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহিসসালাম ও সাহাবিয়াদের জীবনী থেকেও আমরা উদাহরণ পাই। যেমন, আম্মাজান ‘আইশাহ রাদিয়াল্লাহু আনহার কোনো সন্তান ছিলোনা। কিন্তু তা তাকে ইবাদত থেকে, মুহাদ্দিসাহ হওয়া থেকে, খুলাফায়ে রাশীদিনের উপদেষ্টা হওয়া থেকে বিরত রাখেনি। নারীজীবনের অন্যতম চাহিদা ‘মাতৃত্ববোধ' থেকে ‘বঞ্চিতা’ হয়েও তিনি বিষণ্ণতায় ডুবে যাননি তাক্বওয়াহ ও তাক্বদীরের উপর অটল বিস্বাসের কারণে। কেননা এটা অত্যন্ত স্পষ্ট যে আল্লাহ কখনোই তার বান্দার উপর জুলুম করেননা। উনার কোনো হুকুমই তাঁর সৃষ্টিকুলের জন্য বোঝা বা অসহনীয় হতে পারেনা।</p>



<p>★কিছু ভাই আছেন সন্তান লাভকে এত গুরুত্ব দেন যে তাকে জীবনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় (জরুরত) মনে করে ভ্রুণবিদ্যাকে স্বাগত জানিয়ে অনেক কিছুর অনুমতি দিয়ে দেন। এব্যাপারে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য, জ্ঞান অর্জন করে বড় কোনো গর্হিত ভুলের মধ্যে যেন না পড়ি, সেজন্য এই আলোচনা শুরু করছি।</p>



<p>পরের পর্বে <a href="/assisted-conception-types">প্রযক্তিগত কিছু পদ্ধতির</a> ব্যাখ্যা করব ইন শা আল্লাহ, যেন এগুলো আসলে উপকারী নাকি অভিশাপ তা বোঝা যায়। আশা করি কষ্ট করে সময় নিয়ে আপনারা পড়বেন। কেননা, আমরা নিজেরা না হলেও পরিচিত আত্নীয় বা বন্ধুদের চিনি যাদের সন্তান নেই এবং অনেকেই হয়তো বিজ্ঞানের সাহায্য নেয়ার চিন্তা করছি বা নিয়েছি।</p>



<p>আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমাদেরকে তাক্বদীরের উপর অটল থেকে উনার শুকরিয়া আদায় কয়ার তাওফিক্ব দিন।</p>



<p>-আবু 'আব্দিল্লাহ ইবনু আনিস</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/infertility-faith-islam/">সন্তান লাভ, ভ্রূণবিদ্যা ও যিনাঃ ইনফার্টিলিটি ও তাক্বদীর</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় হিজামা</title>
		<link>https://matritto.com/hijama-and-infertility-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাবিকুন্নাহার ননী]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 09 Jun 2020 04:00:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভধারণের আগে]]></category>
		<category><![CDATA[Infertility]]></category>
		<category><![CDATA[বন্ধ্যাত্ব]]></category>
		<category><![CDATA[হিজামা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=2415</guid>

					<description><![CDATA[<p>বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় বেশ কিছু পদ্ধতি আছে তবে আমাদের দেশে এই সমস্যায় হিজামার প্রচলন তেমন শোনা যায় না যদিও এখন আমাদের দেশেই এই চিকিৎসা নেয়া সম্ভব এবং এ থেকে ভালো ফলও পাওয়া যাচ্ছে।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/hijama-and-infertility-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3/">বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় হিজামা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>সন্তান মানবজীবনের এক আনন্দময় অনুভূতি ও আল্লাহ তায়ালার দেয়া বিশেষ আমানত। বিবাহিত দম্পতির কোলে সন্তান আসবে – এটা যেমন অনুমিত, তেমনিভাবে প্রচুর দম্পতি আছেন যারা একটি সন্তানের জন্য সারাজীবন বুকে হাহাকার বয়ে বেড়ান। বর্তমান সময়ে বন্ধ্যাত্ব একটি প্রকট সমস্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে</p>



<p>আশার কথা হলো, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা আছে। সমস্যা নির্ণয় করে উপযুক্ত নিয়মে চিকিৎসা নিলে বন্ধ্যাত্ব নিরাময় সম্ভব। বন্ধ্যাত্ব নিরাময়ে ইসলামি সুন্নাহভিত্তিক একটি চিকিৎসা পদ্ধতির নাম হিজামা।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="-বন্ধ্যাত্ব-কী-"><strong>বন্ধ্যাত্ব কী?</strong></h2>



<p>শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার দরুন সন্তান ধারণের অক্ষমতাকেই বন্ধ্যাত্ব বলে। মেডিকেল সায়েন্স’র ভাষ্যমতে, ১২ মাস ধরে সেক্সুয়াল রিলেশন চালিয়ে যাবার পরেও যদি গর্ভধারণ সম্ভব না হয় তখন সেই অবস্থাকে বন্ধ্যাত্ব বলা হয়। এক্ষেত্রে শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি লাইফস্টাইলের বিভিন্ন প্রভাবও থাকতে পারে।</p>



<p>শারীরিক ক্ষেত্রে পুরুষ ও নারীদের সমস্যার ধরণ আলাদা হলেও লাইফস্টাইলের ব্যাপারে দুজনেরই মিল থাকে। যেমন স্ট্রেস বা উদ্বেগ, সুষম খাবারের ঘাটতি, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাগ, কায়িকশ্রম না করা, মানসিক প্রফুল্লতার অভাব, অতিরিক্ত বয়স ইত্যাদি।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>পুরুষ ও নারীর বন্ধ্যাত্বের</strong> <strong>স্বরূপ/পার্থক্য</strong></h2>



<p>যেহেতু শারীরিক বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে নারী ও পুরুষ আলাদা হয়, তাই তাদের বন্ধ্যাত্বের ধরণও আলাদা। সেক্ষেত্রে পার্থক্য অনুসারেই চিকিৎসা নেয়া হয়।</p>



<p>পুরুষের ক্ষেত্রেবেশিরভাগ ক্ষেত্রে বন্ধ্যাত্বের মূল কারণ হয় বীর্যের (semen) গুণগত মান ভালো না হওয়া।সহবাসের সময়পুরুষের যৌনাঙ্গ থেকে বের হওয়ার তরল পদার্থই হল বীর্য যেখানে সন্তান জন্মদানের প্রয়োজনীয় উপাদান শুক্রানু (sperm) থাকে।</p>



<p>শুক্রাণু বা স্পার্মের সমস্যার তিনটি ধরন থাকে</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>শুক্রাণুর সংখ্যা বা sperm count কম থাকা</li>



<li>দুর্বল শুক্রাণু, যেটা সাতার কেটে স্ত্রী জরায়ুতে পৌঁছে ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করতে পারেনা</li>



<li>শুক্রানুর আকৃতি (shape) না হওয়া, যার কারণে এটি ঠিকমত সামনে যেতে এবং ডিম্বানু নিষিদ্ধ করতে পারে না</li>
</ul>



<p>এছাড়া পুরুষের টেস্টোস্টেরন হরমোন অসামঞ্জস্যতাও পুরুষের বন্ধ্যাত্বের কয়েকটি বিশেষ দিক।ক্ষেত্রবিশেষে অণ্ডকোষজনিত সমস্যা থাকতে পারে।</p>



<p>নারীদের ক্ষেত্রে সন্তানধারণের প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায় ফ্যালোপিয়ান টিউবজনিত সমস্যা। এই টিউবের মূল কাজ হচ্ছে ডিম্বাশয় থেকে জরায়ুতে ডিম্বাণু বহন করে নিয়ে যাওয়া। কোনো কারণে যদি এই টিউবে পরিবর্তন আসে অথবা টিউব বন্ধ থাকে, তাহলে ডিম পরিবহনের কাজটি বাধাগ্রস্ত হয়। ফলস্বরূপ, সন্তানধারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় না।</p>



<p>তাছাড়াও নারীদের ক্ষেত্রে অন্যান্য সমস্যার মধ্যে আছে ডিম্বাণুর প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া (সাধারণত অতিরিক্ত বয়েস আর শরীরে প্রোজেস্টেরন-এস্ট্রোজেন হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে এটি ঘটে থাকে), ডিম্বাণুর পরিমাণ কমে যাওয়া, নিয়মিত মাসিক না হওয়া ইত্যাদি।</p>



<p>এখন আমরা আমাদের আজকের লেখার মূল প্রসঙ্গে চলে এসেছি।</p>


<div class="wp-block-image is-style-default">
<figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://i0.wp.com/matritto.com/wp-content/uploads/2020/06/cupping-bay-state.png?fit=1024%2C400&amp;ssl=1" alt="হিজামা বা কাপিং থেরাপি" class="wp-image-2416" title="বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় হিজামা 1"></figure>
</div>


<h2 class="wp-block-heading"><strong>হিজামা কী</strong></h2>



<p>হিজামা শরীরের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক করার একটি চিকিৎসা। এর মাধ্যমে ত্বকের বিভিন্ন স্থান থেকে চোষণযন্ত্রের মাধ্যমে রক্ত বের করা হয়। মূলত মাথাব্যথা, ঘাড়-কাঁধব্যথা, পিঠব্যথা বা শরীরের বিশেষ কোনো অঙ্গের ব্যথা, বাতব্যথা, প্রসবব্যথা, যৌন সমস্যা, পা ফোলা, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি রোগের চিকিৎসায় হিজামা আদিকাল থেকেই জনপ্রিয়।</p>



<p>প্রায় ৫ হাজার বছর (মতান্তরে ৩ হাজার) পুরোনো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি হলো হিজামা। তৎকালীন চীন, মিশর ও আরবের মানুষের মাঝে এর ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। আরামদায়কও ব্যয়সাশ্রয়ী বলে এই ব্যবস্থাটি মানুষের কাছে বেশ প্রচলিত ও জনপ্রিয় ছিল।&nbsp;</p>



<p>মুসলমানদের মাঝে হিজামা জনপ্রিয় হবার একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে হিজামা চিকিৎসাকে আমাদের নবীজী (সা:) নিজেই সুপারিশ করেছেন। তাঁর বিভিন্ন হাদিস এ ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয়।</p>



<p>ধীরে ধীরে হিজামা চিকিৎসায় বিবর্তন এসেছে, আরও উন্নত হয়েছে। এখন আধুনিক ও উন্নত বিশ্বেও হিজামা বেশ প্রচলিত একটি থেরাপি যা Cupping Therapy নামে পরিচিত।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>হিজামা চিকিৎসার পদ্ধতি</strong></h2>



<p>হিজামা চিকিৎসা কিভাবে করা হয়, এটা নিয়ে প্রায় সবারই একটা কৌতুহল থাকে। অনেকে গ্রামীন শিঙ্গা লাগানো বা চায়নিজ আকুপাংচার’র সাথে সুন্নাহভিত্তিক হিজামাকে গুলিয়ে ফেলেন। কিন্তু এটি আসলে ভুল।</p>



<p>হিজামা থেরাপিতে শরীরের রক্ত সঞ্চালনের উপর গুরুত্ব দেয়া হয়। আমাদের শরীরের পরিষ্কার বা ভালো রক্ত যেন সহজে চলাচল করতে পারে এর জন্য দূষিত রক্ত(toxic blood) বের করে দেয়ার দরকার পড়ে। হিজামা করার মাধ্যমে শরীরের নির্ধারিত স্থানে ছোট ছোট ছিদ্র বা আঁচড় দেয়া হয় এবং তারপর সেখানে কাপ(Cup) সেট করা হয়। আস্তে আস্তে দূষিত রক্ত বের হতে থাকে এবং সেই জায়গায় মাসাজ হতে থাকে। এতে শরীর আরাম পায় ও শরীরে রক্ত সঞ্চালন সহজ হয়।&nbsp;</p>



<p>মাথাব্যথা, অন্যান্য ব্যথা, ঠান্ডা-সর্দি, পিরিয়ডের সমস্যা, শারীরিক দুর্বলতা, যৌন সমস্যা, সন্তানধারণজনিত সমস্যা এবং আরও অনেক সমস্যায় সঠিক পদ্ধতির হিজামা উপকারী বলে প্রমাণিত।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>হিজামা ও বন্ধ্যাত্ব নিরাময়</strong></h2>



<p>আগেই বলা হয়েছে, নারী ও পুরুষের বন্ধ্যাত্বে কিছু বৈচিত্র্য রয়েছে। হিজামা যেহেতু শরীর থেকে দূষিত রক্ত বের করে দিয়ে রক্তসঞ্চালনকে উন্নত করে, এই সুযোগে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু মধ্যকার মিলিত হবার বাধাগুলো দূর হয়ে যায়।&nbsp;</p>



<p>বন্ধুত্ব চিকিৎসায় হিজাবের সব ভূমিকা দেখা যায় তা নিম্নরূপ:</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>নারীর জননেন্দ্রিয়ে রক্ত সঞ্চালন এবং অক্সিজেন সরবরাহের উন্নতি করে</li>



<li>মহিলাদের মধ্যে ডিম্বস্ফোটন (Ovulation) এবং ইমপ্লান্টেশনে ভূমিকা রাখে</li>



<li>পুরুষদের শুক্রাণু গুণমান এবং গতিশীলতা বৃদ্ধি করে</li>



<li>পেলভিক এলাকায় প্রদাহ এবং সংক্রমণ হ্রাস করে</li>



<li>হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং মাসিক চক্র নিয়মিত কারণে ভূমিকা রাখে&nbsp;</li>



<li>স্ট্রেস এবং উদ্বেগ থেকে মুক্তি দেয়, যা প্রজনন ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে</li>



<li>শরীর থেকে টক্সিন এবং বর্জ্যপদার্থ বের করে দেয়</li>



<li>রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক সুস্থতায় সহায়তা করে</li>
</ul>



<p>এখানে বলে রাখা ভাল যে, শারীরিক অবস্থার পাশাপাশি মানসিক অবস্থাও গর্ভধারণের সাথে সম্পৃক্ত। হিজামা যেহেতু সামগ্রিক মানসিক অবস্থাকেও উন্নত করে, তাই গর্ভধারণের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে হিজামা বেশ সহায়ক।</p>



<p>এছড়াও মাসিকের সমস্যা, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম(PCOS), থাইরয়েড, লিউটেয়াল ফেজ’র ত্রুটি, ফ্যালোপিয়ান ব্লক ইত্যাদি সমস্যায় হিজামা করালে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। এই সবকিছু সমন্বিতভাবে একটি সুস্থ গর্ভধারণের ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।</p>



<p>এখানে মনে রাখা দরকার, হিজামার সর্বোচ্চ কার্যকরী ফলাফল পাওয়ার জন্য অবশ্যই দক্ষ থেরাপিস্টের কাছ থেকে হিজামা করাতে হবে।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>গর্ভাবস্থায় হিজামা করা</strong></h2>



<p>গর্ভাবস্থায় হিজামা করা সাধারণত কতটুকু নিরাপদ এই বিষয়ে যথাযথ গবেষণা নেই।তাই বলা যায় এটা মূলত গর্ভবতী নারীর শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করবে। অনেকে প্রথম তিন মাসে হিজামা করতে নিরুৎসাহিত করেন। অনেকে পেটের উপরে এবং নিজের অংশে হিজামা করতে নিষেধ করেন।</p>



<p>এটাও ঠিক যে গর্ভাবস্থার জনিত অনেক ধরনের শারীরিক অস্বস্তি এবং কষ্টের ক্ষেত্রে হিজামা আরামদায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। তাই আপনি হিজামা করতে চাইলে অবশ্যই একজন দক্ষ হিজামা কনসালটেন্টের পরামর্শ নিন।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>হিজামা সম্পর্কিত কিছু বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন(FAQ) ও উত্তর</strong></h2>



<p></p>



<p>১. হিজামা কি নারী-পুরুষ সবাই করাতে পারে?</p>



<p>- হ্যাঁ। সাধারণভাবে নারী-পুরুষ সবাই হিজামা করতে পারে।&nbsp;</p>



<p>২. হিজামা করানোর উপযুক্ত বয়স কতো?&nbsp;</p>



<p>- যে কোনো বয়সীরা হিজামা করাতে পারেন। তবে এখানে যেহেতু কাটাছেঁড়া বা ছিদ্র করার বিষয় জড়িত তাই যাদের শরীরে সহজে ক্ষত শুঁকায় না বা যাদের ডায়াবেটিসের মাত্রা অত্যধিক তাদের এ ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।</p>



<p>৩. হিজামা করার সময় কি ব্যথা লাগে?</p>



<p>- না। সাধারণত কোনো ব্যথা অনুভুত হয় না। তবে হাল্কা অস্বস্তি লাগতে পারে যেটা অভ্যাস হয়ে যায় বা কিছুক্ষণ পরে চলে যায়।&nbsp;</p>



<p>৪. হিজামাতে কি মেডিসিন/কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়?</p>



<p>- না। সাধারণত হিজামাতে আলাদাভাবে মেডিসিন বা ক্যামিকেল ব্যাবহার করা হয় না। হিজামার কাপ, সুই ইত্যাদি দিয়েই কাজ করা হয়।&nbsp;</p>



<p>৫. বন্ধ্যাত্ব থেকে মুক্তির জন্য কতদিন হিজামা করতে হয়?</p>



<p>- এটা নিশ্চিত করে বলা যায় না। এক্ষেত্রে রোগীর শারীরিক ও লাইফস্টাইলের অবস্থাও প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। তাই হিজামাস্পেশালিস্টের পরামর্শ মতো হিজামা চালিয়ে যেতে হয়। সফলতা একমাত্র আল্লাহর হাতে।&nbsp;</p>



<p>৬। বন্ধ্যাত্ব নিরাময়ে হিজামা কি শতভাগ সফল?</p>



<p>- না। পৃথিবীর কোনো চিকিৎসার ক্ষেত্রেই শতভাগ সফলতার ইতিহাস নেই আসলে। আল্লাহ তায়ালার সিদ্ধান্তের উপর ভরসা করে চিকিৎসা গ্রহণ করতে হয়। হিজামা ও বন্ধ্যাত্ব নিয়েযেসব একাডেমিক গবেষণাপাওয়া যায়তাতে বেশিরভাগ সময় ইতিবাচকফলাফল দেখা গেছে। তাই বলা যায়, বন্ধ্যাত্ব নিরাময়ে হিজামার সফলতা আশা জাগানিয়া।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>৭. নিয়মিত হিজামা করালে কি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া(Side effect) হয়?</p>



<p>- না। হিজামা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত একটি চিকিৎসা। সঠিক জায়গায় সঠিকভাবে হিজামা করালে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না।&nbsp;</p>



<p>৮. হিজামা করালে কি শরীরে দাগ হয়?</p>



<p>- হ্যাঁ, সাময়িক দাগ হয়। আমরা হিজামা পদ্ধতি নিয়ে যা লিখেছি, তাতে বলা আছে হিজামা ব্লাড সার্কুলেশন নিয়ে কাজ করে। তাই সেই স্পটগুলোতে (ছিদ্র বা আঁচড়) কিছুটা লালচে দাগ হয় যা ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়।&nbsp;</p>



<p>৯. হিজামা কি খুব ব্যয়বহুল?</p>



<p>- না। বর্তমান চিকিৎসা খরচের হিসাব চিন্তা করলে হিজামা থেরাপিকে খুব বেশি ব্যয়বহুল বলা যায় না। তবে, খরচের মাত্রা নির্ভর করে মোট কত সেশন হিজামা করাতে হবে তার উপর। একবার ডাক্তার দেখালে যা ভিজিট দিতে হয়, একবার হিজামা সেশনেও প্রায় সেরকম ফি ব্যয় হয়। তবে বিস্তারিত জানতে কোন হিজামা সেন্টারে যোগাযোগ করতে হবে।</p>



<p>১০. অন্য চিকিৎসার পাশাপাশি হিজামা করানো যাবে?</p>



<p>- এই প্রশ্নের উত্তর এক কথায় দেয়া যাবে না। এটা নির্ভর করে আপনি কী ধরণের চিকিৎসা নিচ্ছেন সেটার উপর। একজন হিজামা বিশেষজ্ঞ এ বিষয়ে ভালো পরামর্শ দিতে পারেন।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong>তথ্যসূত্র:</strong></h2>



<p>১। <a href="https://www.nhs.uk/conditions/infertility/causes/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">Causes: Infertility</a><br>২। <a aria-label=" (opens in a new tab)" class="rank-math-link" href="https://www.hijamainlondon.com/single-post/2018/03/17/What-is-Hjiama" target="_blank" rel="noreferrer noopener nofollow">What is hijama?</a><br>৩। <a aria-label=" (opens in a new tab)" class="rank-math-link" href="https://www.hijamainlondon.com/single-post/2017/09/13/Can-hijama-help-with-fertility" target="_blank" rel="noreferrer noopener nofollow">Can Hijama help with fertility?</a><br>৪। <a aria-label=" (opens in a new tab)" class="rank-math-link" href="http://www.ejadah-group.com/hijama-and-pregnancy/?fbclid=IwAR3uSuku-s1SzZ3l9o2sYAC9yXzte41z-ycNv_41bZnzubN2C0_K1irz2fI" target="_blank" rel="noreferrer noopener nofollow">Hijama and pregnancy </a></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/hijama-and-infertility-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3/">বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় হিজামা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
