<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ব্রেস্টফিডিং - Matritto</title>
	<atom:link href="https://matritto.com/tag/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%82/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://matritto.com</link>
	<description>গর্ভধারণ, সন্তান পালন ও মাতৃত্ব নিয়ে জানুন বাংলাভাষায়</description>
	<lastBuildDate>Tue, 03 Mar 2026 10:19:41 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://matritto.com/wp-content/uploads/2017/02/cropped-favicon-1-1-1-32x32.png</url>
	<title>ব্রেস্টফিডিং - Matritto</title>
	<link>https://matritto.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>বুকের দুধ কেন নিয়ামত?</title>
		<link>https://matritto.com/breast-feeding-blessing/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Nabia Sultana]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 02 Mar 2023 11:38:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিশুপালন]]></category>
		<category><![CDATA[breastfeeding]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেস্টফিডিং]]></category>
		<category><![CDATA[স্তনদান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=5873</guid>

					<description><![CDATA[<p>মায়ের শরীরের কীভাবে দুধ উপন্ন হয়, কেন এই উৎপাদন চক্র ব্যহত হয় এবং দুধ পানের অজানা উপকারিতা নিয়ে এই লেখা</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/breast-feeding-blessing/">বুকের দুধ কেন নিয়ামত?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রাকৃতিক ভাবে একজন মা অনেক ক্ষমতাশীল। মা যদি মাতৃত্ব কে উপভোগ করতে পারেন তাহলে সব কিছুই প্লাস পয়েন্ট মনে হবে। শিশুকে কোলে নেয়া, শিশুর কান্নার সাথে সাথেই মৌখিক সহায়তা, পারলে শারীরিক সহায়তা দেয়া, শিশুকে বার বার দুধ খাওয়ানো, শিশুর সাথে একই বিছানায় ঘুমানো, শিশুর ন্যাপি পরিবর্তন করা, পারলে পরিস্কার করা (elimination communication confidence) …. এরকম সবকিছুই এটাচমেন্ট প্যারেন্টিং এর মধ্যে পড়ে, যার মাধ্যমে আপনি শিশুর মধ্যে নিরাপত্তা, ভালোবাসার বীজ বুনে দিতে পারেন ।&nbsp;</p>



<p>এর মধ্যে সবচেয়ে বড়ো নিয়ামত হল দুধ পান করানো। মা যখন শিশুকে দুধ পান করান তখন উভয়ই উপকৃত হন।&nbsp;বুকের দুধ নিরাপদ, পুষ্টিকর, ঝামেলাহীন - এটা আমরা সবাই জানি। একই সাথে বুকের দুধ মা ও শিশুর মধ্যে নিবিড় বন্ধন তৈরি করে, কেননা&nbsp; শিশুকে যখন মা তার বাহুডোরে আবদ্ধ করে দুধ পান করান তখন একদিকে শিশুর ব্রেইন যেমন উষ্ণ আলিঙ্গনের প্রভাবে অক্সিটোসিন নি:সরণ করে তেমনি শিশুর দুধ চোষার কারনে মায়ের পিটুইটারি গ্ল্যান্ড অক্সিটোসিন উৎপন্ন করে যা আবার ব্রেস্ট টিস্যু কে ট্রিগার করে ও দুধ উত্পাদন করে ।</p>



<h2 class="wp-block-heading">কীভাবে কাজ করে?</h2>



<ul class="wp-block-list">
<li>শিশুর দুধ চোষা</li>



<li>স্পাইনাল কর্ড এ অবস্হিত thoracic সেনসরি তে&nbsp; সিগন্যাল</li>



<li>হাইপোথ্যালামাস এ সিগন্যাল</li>



<li>পিট্যুইটারি তে সিগন্যাল</li>



<li>অক্সিটোসিন নি:সরণ&nbsp; ও সংশ্লেষণ সেই সঙ্গে প্রোল্যাকটিন হরমোন নিঃসরণ হয় </li>



<li>Alveoli তে থাকা মায়োইপিথিলিয়াল নালী ও কোষ কে সংকুচিত করে</li>



<li>দুধ নেমে আসে (milk ejection or let down reflex).... </li>
</ul>



<figure class="wp-block-image size-full"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2023/03/milk-cycle.jpg" alt="মায়ের বুকে দুধ উৎপাদনের চক্র milk production cycle" class="wp-image-6018" title="বুকের দুধ কেন নিয়ামত? 1"></figure>



<p>এভাবে চক্রাকারে এভাবে দুধ নিঃসরন হয়।</p>



<p>অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে এই রিফ্লেক্স শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনে অথবা শিশুকে দেখলেও হতে পারে, সুবহানাল্লাহ !&nbsp;শিশু দুধ চোষা শুরু করার সময় একটি বিচিত্র অনুভূতি হয় (drought), যাতে মায়েরা বুঝতে পারেন দুধ নেমে আসছে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">দুধ উৎপাদন চক্র ব্যাহত হবার কারণগুলো</h2>



<ul class="wp-block-list">
<li>মা যদি মানসিক চাপে থাকেন</li>



<li>ঘুম ও বিশ্রাম কম হয়</li>



<li>ব্রেস্ট এ ব্যথা থাকে</li>



<li>কোন কারণে অনিশ্চয়তা বোধ করেন</li>
</ul>



<p>এসব কারণে Ejection Reflex কাজ করে না, ফলে স্তন দুধ জমে ফুলে যায়, যেটা ব্রেস্ট এনগর্জমেন্ট (Breast Engorgement) নামে পরিচিত। ব্রেস্ট এনগর্জমেন্ট একজন মায়ের জন্য বেশ কষ্টদায়ক।</p>



<p>তাছাড়া মা যদি ঘন ঘন দুধ পান না করান তখন অতিরিক্ত দুধ জমে থাকার কারণে উত্পাদন কমে যায়। সমাজবিজ্ঞান এর চাহিদা-যোগান তত্ত্ব অনুযায়ী চাহিদা যত বেশি হবে যোগান তত বেশি হবে। যে কারণে প্রতি ১.৫-২ ঘণ্টা পর পর দুগ্ধাদানের করানোর চেষ্টা করতে হবে, এমনকি রাতের বেলাতেও।</p>



<p>ডেলিভারির আগ পর্যন্ত প্রোজেস্টেরন ও ইস্ট্রোজেন হরমোন এর আধিক্য থাকে। প্রসব হয়ে যাওয়ার পর এ হরমোনগুলো কমে যায় এবং প্রোল্যাকটিন ও গ্লুকোকর্টিকয়েড (Glucocorticoid) হরমোন&nbsp;বেড়ে যায়, যা বুকের দুধ উৎপাদনে সহায়ক। </p>



<h2 class="wp-block-heading">কোলোস্ট্রাম বা শাল দুধ</h2>



<p>কোলোস্ট্রাম গর্ভাবস্থায় তৈরী হয় এবং এটা বেশ ঘন হয়, এতে থাকে প্রচুর ফ্যাট ও এন্টিবডি। প্রথম দু’ দিন শুধু এই কোলোস্ট্রাম নিঃসরণ হয়। এই দুধকে গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয়। এই দুধ ‌অল্প&nbsp;খেলেও উপকার ও অল্পতেই পেট ভরে যায় আলহামদুলিল্লাহ। তবে এটা বের করে আনতে মা ও শিশু দুজনের প্রচেস্টা প্রয়োজন। মা লক্ষ রাখবেন যেন শিশুর ল্যাচিং বা ব্রেস্ট এ সাক (Suck) করার পজিশন ঠিক থাকে আর তিনি নিজেও যেন মানসিক চাপমুক্ত থাকেন।&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading">দুগ্ধদানের অজানা উপকারিতা</h2>



<p>বুকের দুধ পান করানোর উপকারিতা বলে শেষ করা যাবেনা। আমরা সবাই সেগুলো জানিও বৈকি । তবে যেটা অনেকেই জানেন না এমন একটা তথ্য হলোঃ ব্রেস্টফীডিং শিশুর ও মা উভয়ের ঘুমের জন্য সহায়ক। শিশু যখন বুকের দুধ পান করে তখন তার পাকস্থলী তে দুধের ফ্যাটি উপাদান এর আধিক্য তৈরি হয়, ফলে শিশুর ব্রেইন প্রচুর পরিমাণে&nbsp; Cholecystokinin উৎপন্ন করে। এই হরমোন এর মাত্রা দুধ পান করার&nbsp;শেষে একবার এর সর্বাধিক চূড়ায় উঠে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে যায় ৩০-৬০ মিনিট পরে যার ফলে শিশু গভীর ঘুম দিয়ে থাকে। প্রথম দশ মিনিট পান করানোর পরে শিশুর ঘুম ঘুম ভাব আসে । ফলে শিশুর ঝিমুনি ভাব আসে। আমরা মনে করি শিশু না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। এরপর সে এই তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব থেকে জেগে উঠে আবার পান করতে চায় (আমরা হয়তো বিরক্ত হই)।পরের ৩০-৬০ মিনিটে যখন শিশু পুনরায় পান করে তখন অধিক পরিমাণে নিউট্রিয়েন্ট ও ফ্যাট পাকস্থলী তে প্রবেশ করার ফলে শিশুর ব্রেইন cholecystokinin হরমোন রিলিজ করে এবং শিশু গভীর ঘুমে মগ্ন হয় ।&nbsp;</p>



<p>তাছাড়া মা এর শরীরেও এই একই হরমোন&nbsp; নিঃসরণ হয়। ফলে মা নিজেও ঘুম ঘুম ভাব বোধ করেন, শরীর ও মনে প্রশান্ত (Relax) বোধ করেন। এটা মায়ের ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে ।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>শিশুকে দুধ পান করানোর মাধ্যমে ঘুম পাড়ানোকে অনেকে নেতিবাচক মনে করেন। এতে&nbsp; শিশুর অভ্যাস খারাপ হয়ে যায় বলে মনে করেন। তবে আপনি যদি মনে করেন শিশুকে তার জীবনের প্রথম ছয় মাসে কঠিন ট্রেনিং দিয়ে ফেলবেন, তাহলে আবার ভাবুন। শিশুর জন্য এটা আপনার সাহচর্য লাভ করার সময় এবং যা পরবর্তীতে তার মানসিক আচরনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করবে ইনশাআল্লাহ। </p>



<p>ঠিক একই কারণে শিশু ও মা একই বিছানায় ঘুমানোটা&nbsp; শিশুকে আহলাদ দেয়া নয়। শিশু কাঁদলে দেরি করে কোলে না নিয়ে দ্রুত রেসপন্স করা (যেমন মুখে আদরের শব্দ করা, কাছে গিয়ে কোলে নেয়া, আশ্বস্ত করা) তার অভ্যাস খারাপ করা নয় , বরং তা এটাচমেণ্ট প্যারেন্টিং (Attachment parenting) এর আওতায় পড়বে ।&nbsp;</p>



<p>আরও একটি মজার তথ্য না দিলেই নয়, তা হল your breast is the best pacifier of all. Even if you feel there is no milk is ejecting by suckling .</p>



<figure class="wp-block-pullquote"><blockquote><p>প্রকৃতির বিরুদ্ধবাদীতা কখনোই প্রগতিশীলতা নয়। <br>মা ও শিশুর এই নিবিড় বন্ধনকে আধুনিকতা দিয়ে ধ্বংস না করে আমরা যেন একে প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হই ।&nbsp;</p></blockquote></figure>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/breast-feeding-blessing/">বুকের দুধ কেন নিয়ামত?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ব্রেস্টফিডিং ছাড়ানো - আমার অভিজ্ঞতা</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[অনলাইন সম্পাদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 20 Aug 2020 16:58:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অভিজ্ঞতা]]></category>
		<category><![CDATA[দুধ ছাড়ানো]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেস্টফিডিং]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেস্টফিডিং অভিজ্ঞতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=2977</guid>

					<description><![CDATA[<p>উম্মে ফাইয়াদ লিখেছেন বাচ্চার দুধ ছাড়ানোর গল্প। ব্রেস্টফিডিং বন্ধে বড়দের টুথপেস্ট ব্যবহারে তিনি উপকার পেয়েছেন। এছাড়াও রয়েছে একগুচ্ছ টিপস</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b/">ব্রেস্টফিডিং ছাড়ানো - আমার অভিজ্ঞতা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/03/father-holding-kid-hand.jpg" alt="ব্রেস্টফিডিং ছাড়ানো - আমার অভিজ্ঞতা 1" class="wp-image-1716" title="ব্রেস্টফিডিং ছাড়ানো - আমার অভিজ্ঞতা 2"></figure></div>



<p>আলহামদুলিল্লাহ্ অবশেষে আল্লাহপাক আমার এবং আমার ছেলের দুয়া কবুল করেছেন!</p>



<p>হ্যাঁ সঠিক সময়ের মাঝেই মায়ের দুধ ছাড়ার ব্যাপারে আমি সলাতে বসেও নিজে যেমন দুয়া করেছি ছেলেকে দিয়েও করিয়েছি যাতে আল্লাহ ওকে বুঝ দেন, সহজে মেনে নেয়ার ক্ষমতা দেন, কষ্ট কমিয়ে দেন।</p>



<p>একদিন দুইদিন না প্রায় বছর দুয়েকের অভ্যাস চাইলেই তো দুম করে আজীবনের জন্য ছাড়ানো যায় না, আর হঠাৎ করে ছাড়ানোও তো ঠিক না!</p>



<p>আমি চাইলেই কি আমার চায়ের অভ্যাস একনিমিশেই আজীবনের জন্য বন্ধ করতে পারবো!?</p>



<p>আমার নিয়ত ছিলো ছেলেকে ২ বছরের বেশি খাওয়াবো না ইনশা আল্লাহ। আর সেটাই হয়েছে কারণ আল্লাহ কবুল করেছেন বলে।</p>



<p>আর নিয়ত অনুযায়ী ৩ মাসের বেশি হাতে রেখেই ছেলেকে নানাভাবে কাউন্সেলিং করা; খাওয়ার হার কমানোর জন্য নানা ভাবে চেষ্টা করা আর দুয়া করা শুরু করে দিয়েছিলাম।</p>



<p>আগেই বলে নেয়া ভালো যে আমার ছেলে সারাদিনে-রাতে, উঠতে-বসতে, দাঁড়িয়ে, এমনকি কোলে নিয়ে হাঁটছি, এমন অবস্থাতেও খেতো, ভাত মুখে নিয়েও পর্যন্ত খেতে চাইতো! পরিবারের মুরুব্বীরা এমন ছেলে আর দেখেনি নাকি! ?</p>



<p>&nbsp;তাই খুব ভয়ে ছিলাম, এমন বুবু পাগল (আমার ছেলে দুধকে বুবু বলে) ছেলেকে কিভাবে ছাড়াবো? পারবো তো? অন্যদিকে আমার অসুস্থতার কারণে&nbsp; অনেকগুলো ওষুধ খেতে হয়, রমাদানে রোজাও করবো, দুধ না পেলে তো ছেলে জেদও করবে ? ডাক্তারও অবশ্যই খুব দ্রুত ছাড়াতে বলেছেন।</p>



<p>**(২ বছরের মাঝে মায়ের বুকের দুধ ছাড়ার ব্যাপারে কিছুটা শিথিলতা আছে সম্ভবত, অথেনটিক সোর্স থেকে জেনে নিবেন প্লিজ।)&nbsp;</p>



<p>যেহেতু আমার ব্যক্তিগত নিয়ত ছিলো ২ বছর, তাই আমি সেই অনুযায়ী চেষ্টা করেছিলাম। অন্যদিকে যতদূর জানি, সাইন্টিফিক মতে ২ বছর পূর্ণ হতে হতে মায়ের দুধে শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানও ধীরে-ধীরে কমে যায়, এজন্য বাইরের খাবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়ে শিশুর প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে হয়। (ডাক্তাররা আরো ভালো বলতে পারবেন)।</p>



<p>তো, অনেক কিছু বুকে লাগিয়েছিলাম; যেমন নিমপাতা, করলার রস, কফিও লাগিয়েছিলাম কিন্তু কাজ হয়নি, হাত দিয়ে মুছে ফেলে ছেলে আমার দিব্যি খেয়েই যেতো। এদিকে ওকে খুশি রাখতে প্রায়ই বাসার বাইরে ঘুরতে নিয়ে যেতাম, বেশি মানুষের মাঝেও রাখার চেষ্টা করতাম।</p>



<p>যেদিন ২৩ মাস পূর্ণ হতে আর সপ্তাহ খানেক বাকি,</p>



<p>সকালে উঠে ছেলে খাচ্ছেই তো খাচ্ছেই, খাওয়ার জন্য প্রচন্ড জেদ আর সে কী কান্নাকাটি! সকালে ঘরের কোন কাজই করতে পারছিলাম না, উপায় না দেখে কি মনে করে দুম করে একটু 'জেল টুথপেষ্ট' (বড়দের, ছেলেরটা না) লাগালাম, ওমা কী কান্ড ওই যে ছেলে মুখ বাঁকিয়ে নিলো আর খেলো না তো, খেলোই না! আমার বুকটা মোচড় দিয়ে উঠলো! আহারে ছেলেটা আর কখনো খাবেনা! ?</p>



<p>তারপর ভাবলাম নাহ! আল্লাহ পাকের ইচ্ছে হয়তো এরকমই ছিলো, মনকে শক্ত করে ফেললাম, আর দিবোনা, কোনভাবেই না!</p>



<p>একবার সুযোগ দিলেই বুদ্ধিমান ছেলেটা ঠিক সুযোগের আশ্রয় নিবে, পরে ছাড়ানো আরো কঠিন না হয়ে যায়!</p>



<p>এদিকে আমার পরিবারের সবাইই আমাকে শক্ত হতে বললো। কিন্তু ছেলে কী আমার দুধ মুখে না দিলে ঘুমায়! (দুপুরের ঘুম আর রাতের ঘুম দিতে আমাকে এবং আমাদেরকে কী অপরিসীম কষ্ট ও ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিতে হয়েছে ; এখনো হয়, সেগুলো বর্ণনা করলে লেখা আরো বড় হয়ে যাবে!) ছেলের হাত পা ছুঁড়ে আথালিপাথালি কান্নায় নিজেও কতো কেঁদেছি কিন্তু দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করেছি সব।</p>



<p>প্রথম রাতের তুলনায় দ্বিতীয় রাতে কিছু কম, তারপরের রাতে আরো কম, এভাবে ধীরেধীরে এখন আর কাঁদেই না আলহামদুলিল্লাহ, তবে এখনো মাঝে মাঝে পাগলামি করলে মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেই, বোঝানোর চেষ্টা করি, মাশাআল্লাহ তাতেই কাজ হয়।</p>



<p>ফিডার ধরানোর ইচ্ছে ছিলোনা, ছেলেও সেটা গ্রহণ করেনি আলহামদুলিল্লাহ, কাপে করে বা বাটিতে গরুর দুধ দিয়ে ভাত খাওয়াই আর সাথে দুধজাতীয় খাবার তো আছেই।</p>



<p>যারা বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো ছাড়াতে চাচ্ছেন তাদের জন্য আমার অভিজ্ঞতা থেকে কয়েকটি জিনিস নিচে তুলে ধরছি:</p>



<ul class="wp-block-list"><li>প্রথমত নিয়ত ঠিক করতে হবে। আমি কবে থেকে বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো ছাড়াতে চাই সেটা নিজের কাছে স্পষ্ট হতে হবে আগে।&nbsp;</li><li>নিয়ত অনুযায়ী দুয়া করতে থাকতে হবে। আমি আসলে কী চাই, কীভাবে চাই, কখন চাই এক কথায় মনের সবকিছু আল্লাহকে বলতে থাকা। আল্লাহ এর কাছে অন্তর থেকে কেঁদে কেঁদে বাচ্চা এবং সবকিছুর জন্যে দুয়া করা।&nbsp;</li><li>বাচ্চাকে কাউন্সেলিং করা ও একটু একটু খাওয়ার হার কমানো শুরু করা যেতে পারে ২/৩ মাস হাতে রেখেই।</li><li>বাধ্য না হলে বুকে কিছু না লাগানোই ভালো। (কিন্তু আমি বাধ্য ছিলাম ) আর একেকজনের বেলায় একেক জিনিস কাজে দিতে পারে!&nbsp;</li><li>ফাইনাল মিশন আমি বৃহস্পতিবার সকালে&nbsp; শুরু করেছি, এরপরে বন্ধের দিনে ছেলের বাবার সহযোগিতা পাওয়া সহজ ছিলো, সহযোগিতা পেয়েছিও আলহামদুলিল্লাহ্। তাই সম্ভব হলে কীভাবে বা কখন হাসবেন্ডের বা পরিবারের অন্য কারো সহযোগিতা পাওয়া যাবে সেটা মাথায় রাখা।&nbsp;</li><li>ঐ কয়দিন ছেলের পছন্দের সব খাবার বাসায় মজুত রেখেছি। এটা আসলেই অনেক কাজে লাগবে ইনশা আল্লাহ।</li><li>রাতের বেলায় তার পছন্দের খাবার, খাওয়ার পানি বিছানার পাশেই রাখতাম।</li><li>পছন্দের জায়গাগুলোতে বেড়াতে নিয়ে যেতাম।&nbsp;</li><li>সম্ভব হলে মাঝেমধ্যে আমাকে ছাড়া কাছাকাছি ঘুরতে পাঠাতাম।&nbsp;</li><li>উঠতে বসতে ছেলেকে ভালোবাসার কথা বলতাম এখনো বলি, প্রতিদিন তাকে 'আই লাভ ইউ' বলি এবং তাকে দিয়েও বলাই যাতে ছেলে তার মায়ের উপর পূর্ণ আস্থা রাখতে পারে যে মা যাই করেন না কেন তার ভালোর জন্যই করেন। ?</li></ul>



<p>হ্যাঁ এখনো এভাবেই চলছে, আর মাত্র ৩ দিন পরে ছেলেটার ২ বছর পূর্ণ হবে ইনশাআল্লাহ, এখনো মাঝেমধ্যে পাগলামি করে, কিন্তু তারপর প্রায় এক মাস থেকে আর খায়নি ...&nbsp;</p>



<p>সবাই আমার ছেলের জন্য দুয়া করবেন আর সবার জন্যও শুভকামনা এবং দুয়া থাকলো।&nbsp;</p>



<p>(লিখেছেন উম্মে ফাইয়াদ)</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b/">ব্রেস্টফিডিং ছাড়ানো - আমার অভিজ্ঞতা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শিশুর ইমিউনিটি গঠনে মাইক্রোবায়োম (Microbiome) এর ভূমিকার বিস্তারিত</title>
		<link>https://matritto.com/child-immunity-microbiome/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাবিকুন্নাহার ননী]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Aug 2020 10:13:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[ইমিউনিটি]]></category>
		<category><![CDATA[নরমাল ডেলিভারি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রাকৃতিক প্রসব]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেস্টফিডিং]]></category>
		<category><![CDATA[মাইক্রোবায়োম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=2908</guid>

					<description><![CDATA[<p>শিশু তার মাইক্রোবায়োম তার মা থেকে লাভ করে। আর মা থেকে শিশুতে মাইক্রোবায়োম অতিবাহিত করার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো ভ্যাজাইনাল ডেলিভারি ও বুকের দুধ পান</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/child-immunity-microbiome/">শিশুর ইমিউনিটি গঠনে মাইক্রোবায়োম (Microbiome) এর ভূমিকার বিস্তারিত</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>একজন মানুষের শরীরে হাজার হাজার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অণুজীব রয়েছে ।&nbsp; খালি চোখে দেখা যায়না এরকম অনেক রকম উপাদান আছে মানুষের শরীরে যা মানুষের শরীরকে সুস্থ রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। মাইক্রোবায়োম ( Microbiome) এমনই একটি উপাদান যা মানুষের শরীরে শিশু অবস্থা থেকে রোগ প্রতিরোধ ব্যাবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করে যায়।</p>



<p>মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই মাইক্রোবায়োম একটি শিশুর শরীরে আসে তার মায়ের শরীর থেকে। মায়ের গর্ভে পানি ভাঙ্গার সময় থেকে এই ট্রান্সফার শুরু হয়, চলমান থাকে শিশুর ব্রেস্টফিডিং কাল পর্যন্ত।</p>



<p>শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে মাইক্রোবায়োম কিভাবে কাজ করে এবং শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োম তৈরি হয় কিভাবে, এই নিয়ে আজকের আর্টিকেল।</p>



<h2 class="wp-block-heading">মাইক্রোবায়োম (Microbiome) কী?</h2>



<p>একজন মানুষের শরীরে যত কোষ আছে তার প্রায় তিন গুণ বেশি আছে মাইক্রোঅরগানিজম বা মাইক্রোব ( Microbe), যাকে বাংলায় বলা যায় অণুজীব বা জীবাণু, ছোট ছোট জীবিত প্রাণ। এরা আমাদের শরীরে বসবাস করে একা অথবা কলোনি আকারে। এই মাইক্রোব আমাদের শরীরের ভেতর বাহির সবখানেই থাকে। আমাদের নাক, মুখ, চোখ, ত্বক, কান, প্রাইভেট পার্ট এবং নাড়ী ভুঁড়ির শেষাংশে থাকে ।</p>



<p>নানান রকম ফাঙ্গি, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, প্রটোযায়া ইত্যাদি মাইক্রোবকে একসাথে বলা হয় “হিউম্যান মাইক্রোবায়োম” যারা একটি নির্দিষ্ট পরিবেশে বসবাস করে শরীরে রোগ প্রতিরোধ, শক্তি অর্জন ও প্রতিরক্ষামূলক ভিটামিন উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষায় মাইক্রোবায়োমের ভূমিকা কেমন?</h2>



<p>মানুষের শারীরিক সুস্থতায় মাইক্রোবায়োমের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মাইক্রোবায়োম যেসব কাজ করে তার মাঝে উল্লেখযোগ্য কিছু হচ্ছে-</p>



<p>১। পরিপাকক্রিয়া ও মেটাবলিজমে সাহায্য করে<br>২। ভিটামিন ও নিউরো কেমিক্যাল উৎপাদন করে<br>৩। হরমোনের সাথে নানান রকম ক্রিয়া-বিক্রিয়া করে<br>৪। শরীরকে শত্রু জীবাণু সম্পর্কে সচেতন করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে<br>৫। খাদ্যবস্তু ভেঙ্গে শক্তি তৈরি করে<br>৬। পরিপাকতন্ত্র ও মস্তিষ্কের মাঝে সম্পর্ক রয়েছে বলে মাইক্রোব আমাদের মনের ভাব ও আচরণকেও প্রভাবিত করতে পারে।</p>



<p>এগুলো ছাড়াও চিকিৎসাবিজ্ঞানে মাইক্রোবায়োমের আরও বিশদ ভূমিকা বর্ণিত আছে। ।</p>



<h2 class="wp-block-heading">শিশুর ইমিউনিটি বৃদ্ধিতে মাইক্রোবায়োমের গুরুত্ব</h2>



<p>আমরা আগেই জেনেছি মানুষের শরীরে মাইক্রো বায়োম নানান রকম উপকারী ভূমিকা পালন করে। এই কাজগুলো শিশু অবস্থায়ই শুরু হয়। নতুন শিশু পৃথিবীতে আগমনের পর নানান রকম বন্ধু ও শত্রু জীবাণুর সংস্পর্শে আসে। মায়ের পেটের চেয়ে আলাদা রকমের খাবার তাকে খেতে হয় ও নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হয়। এসকল কাজে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে শিশুকে সাহায্য করে মাইক্রোবায়োম।</p>



<p>বিজ্ঞানিদের মতে, শিশুর “ইমিউন সিস্টেম” বা রোগ প্রতিরোধ পদ্ধতির সর্বোত্তম গঠনে কাজ করে মাইক্রোবায়োম। তাছাড়া, মায়ের শরীরকে প্রসব ও দুগ্ধপানের জন্য উপযোগী করে তুলতেও কাজ করে এই মাইক্রোবায়োম।</p>



<h2 class="wp-block-heading">শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োমের বীজ বপন পদ্ধতি</h2>



<p>মায়ের গর্ভে থাকার সময়ই একটি শিশু মায়ের শরীর থেকে তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি সংগ্রহ করে। সেই সাথে শিশুর শরীর তৈরি হয় বাইরের পৃথিবীর সাথে মানিয়ে নেবার জন্য। সেই কাজের প্রয়োজনীয় রসদও শিশু মায়ের শরীর থেকেই যোগাতে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োমের বীজ বপনও হয় মায়ের শরীর থেকেই!</p>



<p>বিজ্ঞানীদের মতে, শিশুর পরিপাকতন্ত্রে “সঠিক ব্যাকটেরিয়া”কে আসতে হবে “সঠিক সময়ে এবং সঠিক পদ্ধতিতে”। এটি না হলে বাচ্চার ইমিউন সিস্টেম ঝুঁকির মুখে থাকবে ও ভারসাম্যহীন আচরণ করবে। এই সঠিক পদ্ধতির শুরু হয় ভ্যাজিনাল ডেলিভারির মাধ্যমে।</p>



<p>মাইক্রোবের ব্যাপারে একটি খুব মজার ব্যাপার হচ্ছে মাইক্রো বায়োম প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে অতিবাহিত হয় ও এই ধারা ক্রমচলমান থাকে। একজন মানুষের হাতের ছাপ যেমন স্বতন্ত্র , তেমনি তার মাইক্রোবায়োমও। এই স্বতন্ত্র মাইক্রব মায়ের শরীর থেকে ভ্যেজিনাল ডেলিভারি ও ব্রেস্টফিডিং এর মাধ্যমে শিশুর শরীরে প্রবেশ করে।</p>



<p>এখানে আরেকটি চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে, যদি আপনার পূর্বতন সকল মাতামহ থেকে আপনার মা পর্যন্ত সকলের ভ্যাজিনাল ডেলিভারি হয় ও সকলেই এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করেন&nbsp; তবে তাদের সকলের মাইক্রোবায়োম আপনার কাছে চলে আসবে ও আপনিও যদি একই কাজ করেন তবে সেসব মাইক্রোবায়োম আপনার সন্তানদের কাছেও যাবে। কী দারুণ না ব্যাপারটি!</p>



<p>শিশু মায়ের গর্ভে থাকার সময়ই মাইক্রোবায়োমের সংস্পর্শে আসে বলে বিজ্ঞানিরা নিশ্চিত হতে পারেননি। শিশু এম্নিওটিক ফ্লুয়িডের ভেতরে থাকে বলে মাইক্রোবায়োমের সাথে যুক্ত হতে পারেনা বলেই বিজ্ঞানিদের ধারণা। তবে তাদের সন্দেহ, খুব সামান্য পরিমাণ হলেও হতে পারে।</p>



<p>তবে এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে যে যখন প্রসবকাল উপস্থিত হয়ে মায়ের পানি ভেঙ্গে যায় তখন শিশু মাইক্রোবায়োমের সংস্পর্শে আসে। তাই এটিকেই বীজ বপন বলা যেতে পারে। এরপর মায়ের বুকের স্পর্শ ও নিয়মিত মায়ের বুকের দুধ খাওয়ার মাধ্যমে মাইক্রোবায়োম স্থাপন পরিপূর্ণ হয়।</p>



<h2 class="wp-block-heading">ভ্যাজাইনাল ডেলিভারি ও মাইক্রোবায়োমের সম্পর্ক</h2>



<p>বাচ্চা যখন মায়ের গর্ভে এম্নিওটিক স্যাকের ভেতরে থাকে তখন সে মায়ের মাইক্রোব পায়না, এটি আমরা আগেই জেনেছি। যখন পানি ভেঙ্গে যায় তখন এই স্যাকের নিরাপত্তা নষ্ট হয় ও বাচ্চা মায়ের স্বতন্ত্র মাইক্রোবায়োম অর্জন করে। মায়ের মাইক্রোবায়োম বাচ্চার নাক, মুখ, ত্বক, কান দিয়ে প্রবেশ করে, এমনকি কিছু মাইক্রোবায়োম বাচ্চা গিলেও ফেলে।</p>



<p>যেহেতু নরমাল ডেলিভারির সময় মায়ের পরিপাকতন্ত্র থেকে, বাতাস ও মায়ের স্পর্শ থেকে, স্কিন টু স্কিন বা ক্যাঙ্গারু কেয়ার (Kangaroo Care)&nbsp; ও পরবর্তীতে ব্রেস্ট ফিডিং থেকে বাচ্চা মাইক্রোবায়োম পায়, তার মানে বাচ্চার শরীরের ইমিউন সিস্টেম তৈরির প্রথম ধাপ হচ্ছে নরমাল/ ভ্যাজিনাল ডেলিভারি।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বুকের দুধ ও মাইক্রোবায়োমের সম্পর্ক</h2>



<p>নতুন শিশু পৃথিবীতে আসার পর তার প্রথম ও প্রধান খাবার হচ্ছে মায়ের বুকের দুধ। মায়ের বুকের দুধ এমনভাবে তৈরি যেখানে শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় সব রকমের পুষ্টি উপাদান, স্বাদ, সহজপাচ্যতা ইত্যাদি সবকিছু বিদ্যমান।</p>



<p>মায়ের বুকের দুধে থাকা নিউট্রিয়েন্ট, এন্টি ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান, হরমোন, মাইক্রোব ইত্যাদির পাশাপাশি রয়েছে “ অপাচ্য বিশেষ সুগার” যা শিশুর শরীরে হজম হয়না। তাহলে এগুলোর কাজ কী?</p>



<p>ভ্যাজিনাল ডেলিভারির মাধ্যমে যেসব মাইক্রোব শিশুর শরীরে এসেছে, সেগুলোর জন্য এই “অপাচ্য সুগার” খাবার হিসেবে কাজ করে।&nbsp; এই অপাচ্য সুগার খাবার খেয়েই “সঠিক মাইক্রোব” শিশুর পরিপাক তন্ত্রে বাসা বাঁধে। নয়তো ক্ষতিকর মাইক্রোবও শিশুর পরিপাক তন্ত্রে জায়গা করে নিতে পারে।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>শিশুর শরীরে মা থেকে প্রথম যে মাইক্রোব আসে, সেগুলোর মাঝে এমন অনেক মাইক্রোব থাকতে পারে যা শিশুর জন্য ক্ষতিকর। বুকের দুধ খাবার মাধ্যমে এখানে একটি ভারসাম্য তৈরি হয় যা শিশুর ভবিষ্যৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। চমৎকার একটি প্রক্রিয়া!</p>



<p>তাই শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োমের সঠিক কার্যক্রম তৈরির জন্য শুধু ভ্যাজিনাল ডেলিভারি নয়, সেই সাথে খেয়াল রাখতে হবে শিশুকে পূর্ণ মেয়াদে বুকের দুধ খাওয়ানোর দিকেও।</p>



<h2 class="wp-block-heading">শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োম তৈরির প্রতিবন্ধকতা</h2>



<p>যেহেতু আমরা জেনেছি যে শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োম প্রবাহের সবচে কার্যকরী উপায় হচ্ছে ভ্যাজিনাল ডেলিভারি ও পরবর্তীতে এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং , তার মানে হচ্ছে এই কাজে বিপরীত হলে সেটিই মাইক্রোবায়োম প্রবাহের পথে&nbsp; বাঁধা&nbsp; হয়ে দাঁড়াবে।</p>



<p>সেই হিসেবে বলা যায় প্রচলিত সি-সেকশন ডেলিভারি ও পরবর্তীতে বাচ্চাকে ফর্মুলা দুধ দিলে শিশু একে তো কম মাইক্রোবায়োম পাবে, অপরদিকে শিশুর শরীরে সঠিক ও ক্ষতিকর মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্য নষ্ট হবে যার প্রভাব শিশুকে আজীবন বয়ে বেড়াতে হতে পারে।</p>



<p>সেই হিসেবে বলা যায় সি-সেকশন ডেলিভারি ও ফর্মুলা দুধ খাওয়ানো শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োম প্রতিস্থাপনে সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">সি-সেকশন ও ফর্মুলা দুধ কি তবে আমাদের শত্রু</h2>



<p>প্রতিটি জিনিসেরই পজিটিভ ও নেগেটিভ দিক রয়েছে। মাইক্রোবায়োমের এতো গুরুত্ব জানার পর যাদের সি সেকশনে বাচ্চা হয়েছে ও প্রয়োজনের তাগিদে যারা বাচ্চাকে ফর্মুলা দুধ দিয়ে থাকেন, তারা নিশ্চয় মানসিকভাবে আশাহত অনুভব করবেন।</p>



<p>কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, বিভিন্ন সংকটময় পরিস্থিতিতে মা ও শিশুর অধিকতর কল্যানের জন্যই আমাদেরকে সি-সেকশন ও ফর্মুলা দুধের উপর নির্ভর করতে হয়। সেই পরিস্থিতিতে এগুলো আমাদের জন্য নিয়ামতস্বরূপ।</p>



<p>সমস্যা তখন দেখা দেয় যখন অপ্রয়োজনীয় সি-সেকশন হয় ও ফর্মুলা দুধে বাচ্চাকে অভ্যস্ত করানো হয়। এসব ক্ষেত্রে আমাদের মনে রাখা দরকার আমরা আমাদের শিশুকে তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত করছি।</p>



<p>সঠিক ও পরিপূর্ণ প্রি-নাটাল জ্ঞান অর্জন করার মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় সি-সেকশন এড়িয়ে নিরাপদ ভ্যাজিনাল ডেলিভারি সম্ভব হয় ও মা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হয়ে থাকেন যা মা ও শিশুর সাস্থের জন্য সবচেয়ে উপকারী।&nbsp;&nbsp;</p>



<p> মাতৃত্ব <a href="/prenatal-live-batch">প্রিনাটাল কোর্সের বিস্তারিত</a> জানতে এখানে দেখুন। </p>



<p>পাশাপাশি, ভবিষ্যতে আমরা এমন গবেষণা আশা করতে পারি যেখানে সি-সেকশনেও কিভাবে শিশুকে মায়ের মাইক্রোবায়োমের সংস্পর্শে আনা যায় সেই পদ্ধতি জানা যাবে।</p>



<p>তবে এটুকু স্বীকার করতেই হবে প্রাকৃতিক নিয়মের চেয়ে সেরা কিছুই হতে পারেনা। সেই সাথে প্রয়োজনে চিকিৎসাবিজ্ঞানের কৃত্রিম পদ্ধতির সেবা নিতে দ্বিধা করা যাবেনা।</p>



<p>সবশেষে বলা যায়, শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োমের সরবরাহ সবচে বেশি হয় মায়ের কাছ থেকে ভ্যাজিনাল ডেলিভারি, স্কিন টু স্কিন টাচ ও এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং এর মাধ্যমে। তাই আজিবনের জন্য শিশুর সেরা রোগ প্রতিরোধ ব্যাবস্থা নিশ্চিত করতে এই ব্যাপারে আমাদের সচেতন হওয়া দরকার। প্রাকৃতিক প্রসবের প্রাকৃতিক সুবিধাগুলো আমাদের মা ও শিশুর জন্য আল্লাহর দেয়া প্রাকৃতিক নিয়ামাত। এই নিয়ামাত সহজলভ্য করতে প্রি-নাটাল প্রস্তুতি ও দুয়া জারি রাখতে হবে। সেই সাথে শিশুর বড় হবার সাথে সাথে&nbsp; সলিড খাবারের দিকেও মনোযোগ দিতে হবে কেননা সেগুলো থেকেও শিশু দরকারি মাইক্রোবায়োম অর্জন করে থাকে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">তথ্যসূত্র</h2>



<p>১।<a href="https://www.broadinstitute.org/news/how-mothers-microbiome-helps-shape-her-babys-development" target="_blank" rel="noopener"> How a mother's microbiome helps shape her baby's developement</a><br>২।<a href="https://microbirth.teachable.com/courses/" target="_blank" rel="noopener"> Microbiome mini course by Tony Harman</a></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/child-immunity-microbiome/">শিশুর ইমিউনিটি গঠনে মাইক্রোবায়োম (Microbiome) এর ভূমিকার বিস্তারিত</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এসেছে নতুন অতিথি: মায়ের দরকার বাড়তি পুষ্টি</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[ফারিহা মুশাররাত]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 05 May 2020 05:00:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবোত্তর]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেস্টফিডিং]]></category>
		<category><![CDATA[মেয়েদের পুষ্টি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=2053</guid>

					<description><![CDATA[<p>নতুন সন্তানের মুখ দেখার পর মা যেন নিজের কথা ভুলে যান! কিন্তু সন্তানের ভালোর জন্যই মায়ের দরকার বাড়তি পুষ্টি। কারণ নবজাতকের সকল পুষ্টির উৎস মায়ের বুকের দুধ।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf/">এসেছে নতুন অতিথি: মায়ের দরকার বাড়তি পুষ্টি</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<figure class="wp-block-image is-resized"><img decoding="async" src="https://lh4.googleusercontent.com/bB2RswH4quMt3fCW2Lia6Q8Hc-j_Fm0BPUSyB_Y7Gy3cve96jMnqwiOx6eG9c-_cr6y78KG6acrg06v8qytBY3cdxIhgQZpFslInGY2dFw_41dPTqKYsHzy3bR2n1_5SEjQScptO" alt="mother holding baby&#039;s leg symbol of love" style="width:835px;height:469px" title="এসেছে নতুন অতিথি: মায়ের দরকার বাড়তি পুষ্টি 3"></figure>



<p>দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর, কষ্টের এক প্রহর পার করে, অবশেষে বহুল আকাঙ্খিত ছোট্ট অতিথির মুখ দেখতে পেলে কি আর নিজের নাওয়া খাওয়ার কথা খেয়াল থাকে! কিন্তু যত কষ্টই হোক একজন মাকে নিজের খেয়াল রাখতেই হবে, আর তা আদরের সন্তানের ভালোর জন্যই। ক্ষুদে মানুষটার জন্য মায়ের বুকের দুধই তো একমাত্র খাবার, মা ঠিকমতো না খেলে, মা ও সন্তান দুজনেরই থেকে যাবে পুষ্টির ঘাটতি।&nbsp;</p>



<p>বুকের দুধ বা ব্রেস্টমিল্ক এ প্রায় সব কিছুই আছে যা একটা শিশুর জীবনের প্রথম ছয় মাসে দরকার। কিন্তু যদি মায়ের খাদ্যগ্রহণ যথেষ্ট ও যথাযথ না হয় তাহলে প্রথমে দুধের পুষ্টিমানের উপর প্রভাব পরবে, অতঃপর সন্তানের উপর। দুধের পুষ্টি উপাদানগুলো কিন্তু পরিবর্তনশীল। যেমন, জন্মের পরপর একরকম দুধের ঘনত্ব, কয়মাস পরে আবার অন্যরকম। আবার ফিডিং করানোর একদম শুরুতে তরল বেশি থাকলেও, এরপরে ভারী হয়ে যায়। বলাই বাহুল্য, মায়ের প্রতিবেলার খাবারের সাথেও দুধের পুষ্টিমানের উনিশ বিশ হয়।</p>



<div class="wp-block-rank-math-toc-block" id="rank-math-toc"><h2>বিষয়সূচী</h2><nav><ul><li><a href="#ব্রেস্টফিডিং-মায়ের-পুষ্টি-চাহিদা-">ব্রেস্টফিডিং মায়ের পুষ্টি চাহিদা </a><ul><li><a href="#ক্যালরি">ক্যালরি</a></li><li><a href="#প্রোটিন-">প্রোটিন </a></li><li><a href="#ক্যালসিয়াম">ক্যালসিয়াম</a></li><li><a href="#অন্যান্য-পুষ্টি-উপাদান">অন্যান্য পুষ্টি উপাদান</a></li></ul></li><li><a href="#সাপ্লিমেন্ট">সাপ্লিমেন্ট</a></li><li><a href="#পর্যাপ্ত-পানি">পর্যাপ্ত পানি</a></li><li><a href="#যেসব-খাবারে-ব্রেস্টমিল্ক-বাড়ে">যেসব খাবারে ব্রেস্টমিল্ক বাড়ে</a></li><li><a href="#যেসব-খাবারে-ব্রেস্টমিল্ক-কমে">যেসব খাবারে ব্রেস্টমিল্ক কমে</a></li><li><a href="#কিছু-সুঅভ্যাস">কিছু সুঅভ্যাস</a></li></ul></nav></div>



<h2 class="wp-block-heading" id="ব্রেস্টফিডিং-মায়ের-পুষ্টি-চাহিদা-">ব্রেস্টফিডিং মায়ের পুষ্টি চাহিদা&nbsp;</h2>



<p>ব্রেস্টফিডিং মায়ের অন্যান্য নারীদের তুলনায় চাহিদা বেশি। নিজের দেহের ক্ষয়পূরণ এবং সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াতে এই অতিরিক্ত খাবার দরকার। নিজেই দেখে নিন, কোন উপাদানের বাড়তি চাহিদা কত-</p>



<figure class="wp-block-table is-style-stripes"><table class="has-background" style="background-color:#e7f5fe"><thead><tr><th><strong>পুষ্টি উপাদান</strong></th><th class="has-text-align-center" data-align="center"><strong>সাধারণ নারীর চাহিদা</strong></th><th class="has-text-align-center" data-align="center"><strong>ব্রেস্টফিডিং মায়ের চাহিদা</strong></th></tr></thead><tbody><tr><td>শক্তি (kcal)</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">২০০০</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">২৫০০</td></tr><tr><td>প্রোটিন (g)</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">৪৬</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">৭১</td></tr><tr><td>ভিটামিন এ (μg)</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">৭০০</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">১৩০০</td></tr><tr><td>আয়রন (mg)</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">১৮</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">৯</td></tr><tr><td>ফলিক এসিড (μg)</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">৪০০</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">৫০০</td></tr><tr><td>আয়োডিন (μg)</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">১৫০</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">২৯০</td></tr><tr><td>ক্যালসিয়াম (mg)</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">৮০০</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">১০০০</td></tr><tr><td>জিঙ্ক (mg)</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">৮</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">১২</td></tr><tr><td>ভিটামিন বি১২ (μg)</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">২.৪</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">২.৮</td></tr></tbody></table></figure>



<h3 class="wp-block-heading" id="ক্যালরি">ক্যালরি</h3>



<p>সন্তান জন্মদানের পর প্রথম ছয় মাস দৈনিক ৭৫০ মিলি ব্রেস্টমিল্ক তৈরি হয়, যা প্রায় ৫২০ কিলোক্যালরি শক্তির জোগান দেয়। যদি মায়ের খাবার থেকে এই বাড়তি ক্যালরি না আসে, তাহলে তার শরীরে জমাকৃত ফ্যাট ভেঙ্গে এই শক্তি আসবে। তাই বলে দ্রুত ওজন কমাতে কম খাওয়া যাবে না প্রথম দিকেই, তাতে দুধের পরিমাণ কমে যেতে পারে। পরবর্তী ৩-৬ মাসে ওজন আপনা আপনি কমতে থাকবে। তাই প্রথম ছয় মাস স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত ৫০০ কিলোক্যালরি এবং পরে ৪০০&nbsp; কিলোক্যালরি খেতে হবে।&nbsp;</p>



<p>আধ কাপ ভাত কিংবা একটি রুটি থেকে ৭০ কিলোক্যালরি চলে আসে। সেই মত হিসাব করে খেতে হবে। অনেকে এই সময়ে বেশি চিনি দেয়া বা ভাজাপোড়া খাবার খেয়ে ফেলেন মনের সুখে, কিন্তু তা কখনোই করা উচিত না। চিনি থেকে খালি কিছু ক্যালরি, আর কোন পুষ্টিই আসবে না। আর ভাজাপোড়া খেলে তো হজমে সমস্যা কষ্ট হবে, মা আর শিশুর দুজনেরই।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="প্রোটিন-">প্রোটিন&nbsp;</h3>



<p>এ সময়ে প্রতিদিন প্রায় ২৫ গ্রাম বেশি প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। এজন্য মাকে প্রতিদিন মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, দুধ ইত্যাদি খেতে হবে। সাধারণত ২ গ্রাম খাদ্য প্রোটিন থেকে ১ গ্রাম দুধের প্রোটিন তৈরি হয়। এটি তখনই সম্ভব মায়েরা যদি দৈনিক ১০০ গ্রাম প্রোটিনের মধ্যে অর্ধেক বা দু-তৃতীয়াংশ প্রাণিজ প্রোটিন যেমন- মাছ, মাংস, ডিম, দুধ ইত্যাদি গ্রহণ করেন। প্রাণিজ প্রোটিন মায়ের দুধের উৎকৃষ্ট উপাদান।&nbsp;</p>



<p>ছবিতে দেখুন, এদেশের বুকের দুধ খাওয়ানো বা প্রসূতি মায়েদের দৈনিক কোন খাবার সর্বনিম্ন কতটুকু খেতে হবে, তা দেখানো হয়েছে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter is-resized"><img decoding="async" src="https://lh6.googleusercontent.com/CrfBe3hkJZiHX0edfcENTx7r11Gj_96nhfysPvnYnOXN0D_R62DYX5qh5y0me-LgqCC9xb9fGeI_dzGzING_UafD7Z-VAs6gKaxvDHiV8KGBinla_eeAgeJI5XX0WLHG3UMTS5Q9" alt="minimum required food intake for mother in Bangladesh" style="width:569px;height:294px" title="এসেছে নতুন অতিথি: মায়ের দরকার বাড়তি পুষ্টি 4"></figure>
</div>


<p class="has-text-align-center">সূত্র:<strong> </strong>আইসিডিডিআর, বি</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="ক্যালসিয়াম">ক্যালসিয়াম</h3>



<p>দুধে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে আমরা জানি। ব্রেস্টমিল্ক তৈরিতেও তাই এটা খুব জরুরি। বিশেষ করে প্রথম ছয় মাস ১০০০ মিলিগ্রাম করে করে ক্যালসিয়াম খাওয়া দরকার। প্রতিদিন ৫০০ মিলি দুধ, প্রচুর সবুজ শাক-সবজি, কাঁটা সহ ছোট মাছ ইত্যাদি খেলে এই চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।&nbsp;</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="অন্যান্য-পুষ্টি-উপাদান">অন্যান্য পুষ্টি উপাদান</h3>



<p>ব্রেস্টমিল্ক এর প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান গুলোকে দুইটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়- ১. যা মায়ের খাবারের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল, ২. যা মায়ের খাবারের উপর নির্ভরশীল না, খাবার থেকে না আসলে মায়ের শরীর এগুলোর জোগান দিবে।&nbsp;</p>



<p>আপাত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে, দ্বিতীয় গ্রুপের উপাদান গুলোর জন্য তো মায়ের খাদ্যাভাস জরুরী না। কিন্তু না, মায়ের শরীর থেকে প্রতিনিয়ত এই উপাদান গুলো বের হয়ে যেতে থাকলে কিছুদিন পর মা নিজেই এগুলোর অভাবে অসুস্থ হয়ে যাবে। তাই এগুলোর প্রয়োজনীয়তাও কম না।&nbsp;</p>



<p>নিচের চার্ট থেকেই দেখে নিন, কোন পুষ্টি উপাদান কোন শ্রেণীতে পড়েছে আর সেগুলোর উৎস কি কি-</p>



<figure class="wp-block-table is-style-stripes"><table><tbody><tr><td><strong>পুষ্টি উপাদান</strong></td><td><strong>উৎস</strong></td></tr><tr><td><strong><em>শ্রেণী ১ঃ (মায়ের খাবারের উপর নির্ভরশীল)</em></strong></td></tr><tr><td>ভিটামিন বি১</td><td>মাছ, বাদাম, বীজ, শস্য জাতীয় খাবার</td></tr><tr><td>ভিটামিন বি২</td><td>ডিম, মাংস, কলিজা, বাদাম, দুধ, পনির</td></tr><tr><td>ভিটামিন বি৬</td><td>কলা, মুরগির মাংস, বীজ, মা্‌ দই</td></tr><tr><td>ভিটামিন বি১২</td><td>কলিজা, সামুদ্রিক মাছ, চিংড়ি, দুধ</td></tr><tr><td>কোলিন</td><td>ডিম, কলিজা, বাদাম&nbsp;</td></tr><tr><td>ভিটামিন এ</td><td>রঙিন সবজি, ফল, সবুজ শাক, ডিম</td></tr><tr><td>ভিটামিন ডি</td><td>তেল, বাদাম, বীজ, মাছ</td></tr><tr><td>সেলেনিয়াম</td><td>বাদাম, বীজ, সামুদ্রিক মাছ, গম</td></tr><tr><td>আয়োডিন</td><td>সামুদ্রিক মাছ, আয়োডিনযুক্ত লবণ</td></tr><tr><td><strong><em>শ্রেণী ২ঃ (মায়ের খাবারের উপর নির্ভরশীল না)</em></strong></td></tr><tr><td>ফলেট</td><td>ডাল, সবুজ শাকসবজি, বীজ</td></tr><tr><td>ক্যালসিয়াম</td><td>দুধ, পনির, ডাল, শাক, ছোট মাছ</td></tr><tr><td>আয়রন</td><td>সবুজ শাকসবজি, মাংস, কলিজা, শিম</td></tr><tr><td>জিঙ্ক</td><td>মাংস, বাদাম, দুধ, শিম জাতীয় খাবার</td></tr></tbody></table></figure>



<p>সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, প্রতিদিন সুষম খাবার পরিমাণমত খেলেই এই উপাদানগুলোর চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="সাপ্লিমেন্ট">সাপ্লিমেন্ট</h2>



<p>কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তাররা খাবারের পাশাপাশি সাপ্লিমেন্ট নেয়ার পরামর্শ দেন। যেমন-</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>খাবারে অরুচি, বদহজম, বমিভাব ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিলে মাল্টিভিটামিন দেয়া হয়, যাতে কোন ভিটামিনের অভাব না হয়।</li>



<li>ওমেগা-৩ (DHA) হল শিশুর ব্রেইনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। খাবার থেকে না পাওয়ার আশঙ্কা থাকলে এর সাপ্লিমেন্ট দেয়া হয়।</li>



<li>ভিটামিন ডি ব্রেস্টমিল্ক এ খুব কম থাকে, তাই শিশুদের এর ড্রপ দেয়া হয়।</li>



<li>আবার ব্রেস্টমিল্ক বাড়াতে অনেক সময় সাপ্লিমেন্ট প্রয়োজন হয়, যেগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি।</li>
</ul>



<h2 class="wp-block-heading" id="পর্যাপ্ত-পানি">পর্যাপ্ত পানি</h2>



<p>ব্রেস্টমিল্ক তৈরিতে প্রচুর পানি প্রয়োজন। সাধারণত শরীরই জানান দেয়, কখন পানি খেতে হবে। শিশু যখন দুধ খাওয়া শুরু করে তখন অক্সিটোসিন হরমোন প্রবাহিত হয়, যা পিপাসার উদ্রেক করে। তাই পিপাসা পেলেই পানি খেতে হবে। কখনো খুব ক্লান্ত বোধ হলে, দুধের প্রবাহ কম মনে হলে, প্রশ্রাবের ঘনত্ব ও রং বেশি মনে হলে মায়ের উচিত পানি পানের পরিমান বাড়িয়ে দেয়া।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="যেসব-খাবারে-ব্রেস্টমিল্ক-বাড়ে">যেসব খাবারে ব্রেস্টমিল্ক বাড়ে</h2>



<p>কিছু খাবার আছে যাদের বলা হয় ব্রেস্টফিডিং ‘সুপার ফুড’, কারণ এগুলো দুধের প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করে। এই খাবার গুলোর উদাহরণ হল-&nbsp;</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>ওটস, বার্লি: প্রচুর ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ; বুকের দুধের পরিমাণ বাড়ানোর সাথে সাথে শরীরে চর্বি ভাঙতে সাহায্য করে ও রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে হার্টকে ভালো রাখে।</li>



<li>শাক সবজি: গাজর, বিট, পেঁপে ইত্যাদি রঙিন ফল ও সবজি হল  ক্যারোটিনয়েডস সমৃদ্ধ আর সবুজ শাকসবজি হল  মিনারেলে ভরপুর। এগুলো ব্রেস্টমিল্ক তৈরি হতে সাহায্য করে। </li>



<li>সামুদ্রিক মাছ: দুধের পরিমান বৃদ্ধি করে, সেইসাথে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকায় শিশুর জন্য খুব দরকারি।</li>



<li>মেথি, তিল: এগুলো খেলে দুধের উৎপাদন বাড়বে।</li>
</ul>



<h2 class="wp-block-heading" id="যেসব-খাবারে-ব্রেস্টমিল্ক-কমে">যেসব খাবারে ব্রেস্টমিল্ক কমে</h2>



<p>কিছু কিছু খাবার আবার মায়েদের খেতে বারণ করা হয়, যেমন-</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>চা-কফি: এসবে যে ক্যাফেইন থাকে তা শিশুর হজম করতে কষ্ট হয়, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়, আবার দুধের পরিমাণ ও কমিয়ে দেয়।</li>



<li>টক ফলমূল: এগুলো গ্যাস ও এসিডিটির উদ্রেক করতে পারে। </li>



<li>কিছু সবজি: বাধাকপি, ফুলকপি, মুলা, টমেটো, কাঁচা পেঁয়াজ ইত্যাদি শিশুর পেটে গ্যাস তৈরি করতে পারে। সবার ক্ষেত্রেই যে হবে, এমনটা না।</li>



<li>কিছু মশলা, মরিচ ও রসুন: এগুলো খাওয়ার পর ফিডিং করালে যদি শিশু দুর্বল হয়ে যায় ও ঢেঁকুর তুলতে থাকে তাহলে খাওয়া কমিয়ে ফেলতে হবে।</li>



<li>গরুর দুধ: অনেক শিশু প্রথমে দুধে এলার্জিক থাকে, তাই কিছুদিন খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে। পরে আবার খেয়ে দেখা যেতে পারে। আবারও এলার্জি দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।  </li>
</ul>



<h2 class="wp-block-heading" id="কিছু-সুঅভ্যাস">কিছু সুঅভ্যাস</h2>



<p>শুধু কি খাদ্যাভ্যাস? নিজের আর সন্তানের সুস্বাস্থ্যের জন্য আরো অনেক দিকেই খেয়াল রাখতে হবে-</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম: ছোট বাচ্চা থাকলে এ দুটোর ঘাটতি কিছু হবেই, তবু চেষ্টা করতে হবে টাইম ম্যানেজ করার। সন্তানকে কিছুক্ষন খেয়াল করার জন্য বাসার কারো সাহায্য নিতে পারেন। </li>



<li>স্ট্রেস ও টেনশান: এ দুটি ও অবশ্যম্ভাবী। বাচ্চাকে নিজের কাছে রাখলে খুব খাটনি হয়, আবার অন্য কাউকে দিলে শুরু হয় টেনশান। তাই সন্তানকে অন্যের কাছে দিয়েও চোখে চোখে রাখবেন। নিজে হাঁটাহাঁটি করবেন, হালকা ব্যায়াম করবেন, তাহলে শরীর ভালো  থাকবে।</li>



<li>কিছু ওষুধ বুকের দুধ একদম কমিয়ে দেয়, যেমন- জন্মবিরতিকরণ পিল, সর্দির ওষুধ ইত্যাদি। তাই ঠান্ডা জ্বর যাই আসুক না কেন, ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে ওষুধ খাওয়া যাবে না। চেষ্টা করতে হবে এসব থেকে বেঁচে থাকার জন্য। হুটহাট ঠান্ডা কিছু খাওয়া, বার বার গোসল করা বা এরকম কোন অনিয়ম করা যাবে না।</li>



<li>পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে একটু বেশি নজর দিতে হবে মাকে। না হলে ছোট্ট মানুষটার নানান অসুখ হতে পারে।</li>
</ul>



<p>মায়ের কাজ শুধু সন্তান জন্ম দিয়েই ফুরিয়ে যায় না, বরং সেখান থেকেই শুরু হয় আসল দায়িত্ব। তবে জন্মের পর থেকে শুরু করে পরের দুবছরের পুষ্টি ওর পুরো ভবিষ্যতের জন্য&nbsp;গুরুত্বপূর্ণ। আর এ সময়ে ওকে দুধপান করানো মায়ের নিজের পুষ্টি যে অনেক জরুরি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে সবার আগে একজন মায়ের নিজেকে সুস্থ থাকতে হবে, সব নিয়ম মেনে চলতে হবে। তাহলেই না পাওয়া যাবে মাতৃত্বের আসল স্বাদ।</p>



<div class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color" style="background-color:#dddbd5; padding:25px">
<h4 class="has-very-dark-gray-color has-text-color">লেখাটি রিভিউ করেছেন -</h4>
<p><strong>ডাঃ সাবরিনা আফরোজ</strong><br>MBBS, MPH<br>লেকচারার, ঢাকা কমিউনিটি মেডিসিন কলেজ </p>
</div>



<p class="has-very-dark-gray-color has-cyan-bluish-gray-background-color has-text-color has-background"><strong>সম্পাদনায়ঃ</strong>&nbsp;হাবিবা মুবাশ্বেরা</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf/">এসেছে নতুন অতিথি: মায়ের দরকার বাড়তি পুষ্টি</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রমাদান ও ব্রেস্টফিডিংঃ স্তন্যদায়ী মায়েদের রোযা</title>
		<link>https://matritto.com/ramadan-breastfeeding-%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%82/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আফিফা রায়হানা]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 19 Apr 2020 10:57:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[প্রসবোত্তর]]></category>
		<category><![CDATA[শিশুপালন]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য ও পুষ্টি]]></category>
		<category><![CDATA[breastfeeding]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেস্টফিডিং]]></category>
		<category><![CDATA[রমজান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=1888</guid>

					<description><![CDATA[<p>যেসব বাচ্চারা সম্পূর্ণরূপে বুকের দুধের উপর নির্ভরশীল, সলিড শুরু করে নি, সেসব মায়েদের জন্য রমাদানের রোযা অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং। কীভাবে রোযা রেখে বাচ্চাকে দুধ খাইয়ে সুস্থ রাখা যাবে তার বিস্তারিত</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/ramadan-breastfeeding-%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%82/">রমাদান ও ব্রেস্টফিডিংঃ স্তন্যদায়ী মায়েদের রোযা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<div class="wp-block-image is-style-rounded">
<figure class="alignright size-large is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" class="wp-image-1189" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2019/07/20015_169.jpg" alt="রমাদান ও ব্রেস্টফিডিং মুসলিম মহিলা" width="398" height="265" title="রমাদান ও ব্রেস্টফিডিংঃ স্তন্যদায়ী মায়েদের রোযা 5"></figure>
</div>



<p class="has-very-dark-gray-color has-text-color has-background" style="background-color: #e5d7b2;">বাচ্চাকে ব্রেষ্টফিডিং করানো মায়েদের রমাদানে রোযা রাখার ব্যাপারে গ্রহণযোগ্য মতামত হলো যদি মা বাচ্চার জন্য ঝুঁকি মনে করেন, রোযা ছেড়ে দিতে পারেন (পরে রেখে নিবেন) অথবা বাচ্চার জন্য ঝুঁকি মনে না করলে রাখবেন। যেহেতু এই বিষয়ে ছাড় আছে, <a class="rank-math-link" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%ae/" target="_blank" rel="noreferrer noopener"><span style="text-decoration: underline;"><strong>ফিকহি্‌</strong></span></a> ইস্যু ভালো ভাবে জেনে (প্রয়োজনে স্কলারদের সাথে কথা বলে), চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন। এই লেখা সেইসব মায়েদের জন্য যারা ডিসিশন নিচ্ছেন ব্রেষ্টফিডিং করানো অবস্থায় রমাদানে রোযা রাখবেন।</p>



<div class="gutentoc tocactive nostyle">
<div class="gutentoc-toc-wrap">
<div class="gutentoc-toc-title-wrap">
<div class="gutentoc-toc-title">সূচীপত্র</div>
<div id="open" class="toggleone">hide</div>
</div>
<div id="toclist">
<div class="gutentoc-toc__list-wrap">
<ul class="gutentoc-toc__list">
<li><a href="#_কখন_মায়েরা_সতর্ক_হবেন_"><strong>কখন মায়েরা সতর্ক হবেন?</strong></a></li>
<li><a href="#_মায়েদের_জন্য_টিপস__"><strong>মায়েদের জন্য টিপস </strong></a>
<ul class="gutentoc-toc__list">
<li><a href="#_প্রচুর_দু’আ_করুনঃ_"><strong>প্রচুর দু’আ করুনঃ</strong></a></li>
<li><a href="#_পানির_চাহিদা_পূরণে_সচেষ্ট_হোনঃ__"><strong>পানির চাহিদা পূরণে সচেষ্ট হোনঃ </strong></a></li>
<li><a href="#_সচেতনভাবে_খাবার___বাছাই_করুনঃ____"><strong>সচেতনভাবে খাবার </strong><strong>বাছাই করুনঃ</strong><strong> </strong></a></li>
<li><a href="#_পর্যাপ্ত_বিশ্রাম_নিন_ঃ"><strong>পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন</strong>ঃ</a></li>
<li><a href="#_সময়মত_ইফতার_করুন_ঃ"><strong>সময়মত ইফতার করুন</strong>ঃ</a></li>
<li><a href="#_দিনের_বেলায়_ব্রেষ্টফিডিংঃ__"><strong>দিনের বেলায় ব্রেষ্টফিডিংঃ </strong></a></li>
<li><a href="#_দুধ_এক্সপ্রেস_করে_রাখা_ঃ"><strong>দুধ এক্সপ্রেস করে রাখা</strong>ঃ</a></li>
<li><a href="#_সেহেরী_বাদ_দিবেন_নাঃ_"><strong>সেহেরী বাদ দিবেন নাঃ</strong></a></li>
<li><a href="#_কী_কী_খাবেন_নাঃ_"><strong>কী কী খাবেন নাঃ</strong></a></li>
<li><a href="#_দুধ_ও_দুধজাতীয়_খাবার_খানঃ_"><strong>দুধ ও দুধজাতীয় খাবার খানঃ</strong></a></li>
<li><a href="#_নিজের_শরীরের_প্রতি_খেয়াল_রাখুন_চাপ_নেবেন_নাঃ__"><strong>নিজের শরীরের প্রতি খেয়াল রাখুন, চাপ নেবেন নাঃ </strong></a></li>
<li><a href="#ফিকহী_বিষয়ের_তথ্যসূত্রঃ">ফিকহী বিষয়ের তথ্যসূত্রঃ</a></li>
</ul>
</li>
</ul>
</div>
</div>
</div>
</div>



<p>যেসব বাচ্চারা সম্পূর্ণরূপে বুকের দুধের উপর নির্ভরশীল, সলিড শুরু করে নি, সেসব মায়েদের জন্য রমাদানের রোযা অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং। সলিড শুরু করা বাচ্চারা যেহেতু পুষ্টির একটা অংশ বাইরের খাবার থেকে পাওয়া শুরু করে, তারা শতভাগ মায়ের উপর নির্ভরশীল হয় না খাবারের জন্য। যদিও বড় বাচ্চাদের খাওয়ার চাহিদা বেশি থাকে। রোযা অবস্থায় মায়ের প্রধান চিন্তা থাকে, মা রোযা রাখলে দুধের যোগান কমে যাবে কিনা। বাচ্চা পর্যাপ্ত খাবার পাচ্ছে কি না, সেটা বোঝার উপায় হলো বাচ্চার যতটুকু ওজন বাড়ার কথা, তা বাড়ছে কিনা এবং প্রতিদিন যত সংখ্যক ভেজা ডায়াপার থাকার কথা, সেটা থাকছে কিনা। বাচ্চার ওজন ঠিক থাকলে, বাচ্চার স্বাস্থ্য ভালো থাকলে তার মানে বাচ্চা ঠিক মতই দুধ খেতে পারছে। এখানে মা সুস্থ বোধ করছেন কিনা, তার শরীরের উপর মাত্রাতিরিক্ত প্রভাব পড়ছে কিনা সেটা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ন। </p>



<p>রোযা রাখা অবস্থায় মায়ের দুধের গুনগত মানের কোন পরিবর্তন আসে কিনা, এটা নিয়ে নানান রকম রিসার্চ হয়েছে। কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে আসলেই তেমন কোন পরিবর্তন নেই। তবে দুধে যেহেতু পানির পরিমাণ বেশি থাকে, মা পর্যাপ্ত পরিমাণে হাইড্রেটেড থাকছেন কি না, এটা দেখার বিষয়। মা যদি সচেতনভাবে সেহেরী এবং ইফতারে পুষ্টিকর খাবার খান এবং যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করেন, তাহলে তিনি সহজেই নিজেকে হাইড্রেটেড রাখতে পারবেন। </p>



<h2 class="wp-block-heading" id="_কখন_মায়েরা_সতর্ক_হবেন_"><strong>কখন মায়েরা সতর্ক হবেন?</strong></h2>



<p>যেসব মায়েরা বাচ্চাকে ব্রেষ্টফিডিং করানোর পাশাপাশি রোযা রাখবেন, নীচের এই দুইটা পয়েন্ট মাথায় রাখবেন। </p>



<ul class="lh2 wp-block-list">
<li>নিজের শরীরের দিকে খেয়াল করেন। যদি পানিশূন্যতার লক্ষণগুলো প্রকট হয়ঃ মাথাব্যাথা,অতিরিক্ত ক্লান্তি, মাথা ঘুরানো, ঘন হলুদ পরিমাণে কম হওয়া প্রস্রাব। </li>
<li>বাচ্চার দিকে খেয়াল রাখেন। যদি বাচ্চার ওজন না বাড়ে, প্রতিদিন ব্যবহার করা ডায়াপারের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে, বাচ্চাকে দেখে যদি অসুস্থ মনে হয়। </li>
</ul>



<h2 class="wp-block-heading" id="_মায়েদের_জন্য_টিপস__"><strong>মায়েদের জন্য টিপস </strong></h2>



<h3 class="wp-block-heading" id="_প্রচুর_দু’আ_করুনঃ_"><strong>প্রচুর দু’আ করুনঃ</strong></h3>



<p>রমাদানে রোযা রাখবেন সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় থেকে প্রচুর দু’আ করুন, যাতে আল্লাহ্‌ আপনাকে সামর্থ্য দেন রোযা রাখতে পারার এবং তা সহজ করে দেন। ইতিবাচক মানসিকতা বজায় রাখুন। শারীরিক সামর্থ্যের পাশাপাশি শক্ত মনোবল রাখা জরুরী। যদি নিজের কিংবা বাচ্চার কারণে চেষ্টা করার পরও রোযা না রাখতে পারেন, মনে রাখবেন, আল্লাহ্‌ আমাদের নিয়ত দেখেন।   </p>



<h3 class="wp-block-heading" id="_পানির_চাহিদা_পূরণে_সচেষ্ট_হোনঃ__"><strong>পানির চাহিদা পূরণে সচেষ্ট হোনঃ </strong></h3>



<p>শরীরকে পানিশূন্যতার হাত থেকে বাঁচাতে পর্যাপ্ত পানি পানের বিষয়টি নিশ্চিত করুন। সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত পানি খাওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। এই সময়ে ঠিকমতো পানির চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করুন। একসাথে বেশি পানি খাওয়া কাজে আসে না, কারণ বেশি পানি খেলে সেটা ব্লাডারের উপর চাপ দেয় আর প্রস্রাবের সাথে পুরোটাই বের হয়ে যায়। ইফতার থেকে শুরু করে সেহেরী পর্যন্ত অল্প অল্প পানি খেতে থাকুন। পানির পরিমাণও শুরুতে কিছুটা বেশি দিয়ে শুরু করে সেহেরী পর্যন্ত আস্তে আস্তে কমান। এতে শরীর  বেশি সময় পানি ধরে রাখবে।   </p>



<h3 class="wp-block-heading" id="_সচেতনভাবে_খাবার___বাছাই_করুনঃ____"><strong>সচেতনভাবে খাবার </strong><strong>বাছাই করুনঃ</strong><strong> </strong></h3>



<p>আপনার খাবার যেন অবশ্যই পুষ্টিমান সম্পন্ন হয়, সেটা নিশ্চিত করুন। সুষম খাবার- প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেড, ভিটামিন, মিনারেল যেন ঠিক থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। আমাদের দেশের লোকজন ইফতারে প্রচুর ভাজাপোড়া খায়। যেকোন ধরনের ভাজাপোড়া খাবার গ্যাস্ট্রিক উদ্রেককারী। যথাসম্ভব চেষ্টা করুন ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলতে। একেবারে বেশি পরিমাণ খেয়ে পেট ভারী করে ফেলবেন না। খাবারটাকে ছোট ভাগে ভাগ করে নিন। পানির পরিমাণ বেশি এমন সব সবজী ও ফল বেছে নিতে পারেন। লেবুর শরবত, ডাবের পানি, তরমুজ রাখুন খাবার তালিকায়। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের   সমস্যা আছে, ইসপগুল খাবেন রেগুলার। নানান মৌসুমি ফল দিয়ে বানানো শরবত খেতে পারেন। </p>



<h3 class="wp-block-heading" id="_পর্যাপ্ত_বিশ্রাম_নিন_ঃ"><strong>পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন</strong>ঃ</h3>



<p>রোযায় শারীরিক ইবাদতের অংশটা অবশ্যই পরিশ্রমসাপেক্ষ। দিনে যখনি পারবেন বিশ্রাম নিয়ে নিন। বাসার কাজ যতদূর সম্ভব হালকা রাখার চেষ্টা করুন। যে কাজ না করলেই না, সেটি করুন। এক্ষেত্রে রমাদান শুরুর আগে বাসাবাড়ি গুছানো, কিছু খাবার প্রসেস করে ডীপফ্রিজে রেখে দেয়া এগুলো করে নিতে পারেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="_সময়মত_ইফতার_করুন_ঃ"><strong>সময়মত ইফতার করুন</strong>ঃ</h3>



<p>সময় হওয়া মাত্রই ইফতার করা সুন্নাহ্‌। কাজেই খাবার সামনেই রাখুন, যাতে ইফতার করতে দেরী না হয়। শুরুতেই এমন খাবার বাছাই করুন যা উচ্চ-এনার্জি সম্পন্ন, এবং আপনাকে তৎক্ষণাৎ শক্তির যোগান দিবে। খেজুর এমনই একটা খাবার। ইফতারের সময় হওয়ার সাথে সাথে খেজুর খান। অনেক দেশের মায়েরা ট্র্যাডিশনাল খাবার হিসেবে দুধের সাথে খেজুর মিশিয়ে খান। পানির পরিমাণ বেশি এমন ফল (আঙ্গুর, তরমুজ ইত্যাদি) ও সবজি (লাউ, টমেটো, লেটুস, শসা, বাঁধাকপি) পরিমাণে বেশি খান। প্রোটিনের উৎস হিসেবে ডিম, মাছ মাংসের পাশাপাশি বাদাম রাখতে পারেন।  </p>



<h3 class="wp-block-heading" id="_দিনের_বেলায়_ব্রেষ্টফিডিংঃ__"><strong>দিনের বেলায় ব্রেষ্টফিডিংঃ </strong></h3>



<p>এক্সক্লুসিভ ব্রেষ্টফিডিং করানো মায়েদের যাদের অন-ডিমান্ড ব্রেষ্টফিড করানো লাগে তাদের সারাদিনে বেশ কয়েকবার ফিডিং এর প্রয়োজন পড়ে। যেহেতু রোযায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় পানির কিছুটা ঘাটতি থাকে, কিছু মায়েরা হয়ত খেয়াল করবেন দিনের শেষভাগে এসে বাচ্চা খাওয়ার সময় দুধের ফ্লো কিছুটা কমে যাবার কারণে বাচ্চা কিছুটা অস্থির বোধ করতে পারে। এক্ষেত্রে মায়েরা দুধ খাওয়ানোর আগে ব্রেষ্টে হালকা হাতে ম্যাসাজ করতে পারেন উপর থেকে নীচে। এতে উপরের দিকে জমে থাকা দুধ নীচে এসে দুধের ফ্লো ঠিক রাখতে সাহায্য করবে। যেসব বাচ্চারা সলিড শুরু করেছে, তারা বাচ্চার খাওয়ার রুটিন ঠিক করার চেষ্টা করুন। দিনে কয়েকবার পানি দিন। আট/নয় মাস থেকে দুই বছরের বাচ্চাদের নিয়ম করে তিন বেলা ভারী খাবার, দুই বেলা স্ন্যাক্স দিন। এক বছর থেকে পাস্তুরিত গরুর দুধ দিন। এতে মায়ের উপর চাপ কম পড়বে।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="_দুধ_এক্সপ্রেস_করে_রাখা_ঃ"><strong>দুধ এক্সপ্রেস করে রাখা</strong>ঃ</h3>



<p>যেসব মায়েরা বাইরে কাজ করেন, তাদের অনেকেই বাচ্চার জন্য সারাদিনের <a class="rank-math-link" href="https://matritto.com/ব্রেস্ট-পাম্প-বুকের-দুধ-breast-pump/" target="_blank" rel="noreferrer noopener" aria-label=" (opens in a new tab)">ব্রেষ্টমিল্ক এক্সপ্রেস করে রেখে যান</a>। রোযা রাখা মায়েরা এই টেকনিক প্রয়োগ করতে পারেন। ইফতারের পর বাচ্চাকে ভরপেট খাওয়ানো ছাড়াও কিছুটা দুধ এক্সপ্রেস করে সংরক্ষণ (সঠিক নিয়ম অনুসরণ) করে রাখতে পারেন। যেটা দিনের বেলায় বাচ্চাকে খাওয়াতে পারেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="_সেহেরী_বাদ_দিবেন_নাঃ_"><strong>সেহেরী বাদ দিবেন নাঃ</strong></h3>



<p>সেহেরী খাওয়া সুন্নাহ্‌ এবং এর জন্য সাওয়াব আছে। অনেকে ভারী ইফতার করলে গড়িমসি করে সেহেরী বাদ দেন। বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েরা এটা কখনোই করবেন না। সেহেরী বাদ দিলে আপনি দিনের প্রথম অংশেই ক্লান্ত হয়ে পরতে পারেন। সেহেরীতে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে চেষ্টা করুন। খেজুর আর দুধ হলেও খান। তবে অতিরিক্ত খাবেন না, এটা আপনাকে ক্লান্ত করে ফেলবে।সাদা চালের ভাত/রুটির মতো কার্বহাইড্রেডের বদলে বাদামী চাল, হোল গ্রেইন খাবারের (whole grain food) মতো কমপ্লেক্স  কার্বহাইড্রেড খান। </p>



<h3 class="wp-block-heading" id="_কী_কী_খাবেন_নাঃ_"><strong>কী কী খাবেন নাঃ</strong></h3>



<p>ইফতারের সময় থেকে একদিকে যেমন প্রচুর পানি খাবেন, অন্যদিকে চা কফি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। কারণ এই ধরনের পানীয় শরীরে পানির পরিমাণ কমিয়ে দেয়, যা ব্রেষ্টমিল্ক তৈরিতে প্রভাব ফেলে। যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা,  ভাজাপোড়া খাবেন না। যে সব মায়েদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা ভাত, রুটি জাতীয় খাবার কম খেয়ে প্রোটিন, শাকসবজির পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। এক থেকে দুইবার ইসপগুল খান নিয়মিত। আর বাচ্চা বুকের দুধ খেলে, শরীর থেকে পানি বের হয়ে গেলে,এমনিতেও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে পেট শক্ত করে ফেলতে পারে এমন খাবার এড়িয়ে চলুন। </p>



<h3 class="wp-block-heading" id="_দুধ_ও_দুধজাতীয়_খাবার_খানঃ_"><strong>দুধ ও দুধজাতীয় খাবার খানঃ</strong></h3>



<p>বাচ্চাকে ব্রেষ্টফিড করানো মায়েরা তাদের খাদ্য তালিকায় দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার অবশ্যই রাখবেন। দুধ, পনির, দই এই খাবারগুলো সেহেরী কিংবা ইফতারের সময় রাখুন। যারা সরাসরি দুধ খেতে পছন্দ করেন না, তারা অন্যভাবে দুধ দিয়ে বানানো জিনিস খাওয়ার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, বাচ্চা বুকের দুধ খাওয়া মানে আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি, যেটা এড়াতে এই খাবারগুলো বাদ দিবেন না। </p>



<h3 class="wp-block-heading" id="_নিজের_শরীরের_প্রতি_খেয়াল_রাখুন_চাপ_নেবেন_নাঃ__"><strong>নিজের শরীরের প্রতি খেয়াল রাখুন, চাপ নেবেন নাঃ </strong></h3>



<p>যেসব মায়েরা রোযা রাখবেন, মনে রাখবেন নিজের আর বাচ্চার স্বাস্থ্য সবার আগে। এই দিক চিন্তা করেই আল্লাহ্‌ বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের ছাড় দিয়েছেন। যদি আপনি মাত্রাতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ করেন, অসুস্থ হয়ে পড়েন, বাচ্চার ডায়াপারের সংখ্যা আশঙ্কাজনক কমে যায় বা বাচ্চা পানি স্বল্পতায় ভুগছে বলে মনে হয়, নিজের উপর জোর করবেন না। আল্লাহ্‌ আপনাকে যে ছাড় দিয়েছেন, সেটি নিন। পরবর্তীতে সময় সুযোগ বুঝে ছেড়ে দেয়া রোযা রেখে নিন।<br /><br />যেসব মায়েদের বুকের দুধ খাওয়া বাচ্চা ছাড়াও বয়সে বড় হাঁটতে শেখা বাচ্চা,আট/দশ বছর বয়সী বাচ্চা থাকে, তারা একটু সতর্কতার সাথে রমাদানের ডেইলি রুটিন ঠিক করুন। রমাদানের আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে পারেন, বাচ্চাদের কী ধরনের কাজ দিয়ে ব্যস্ত রাখবেন, কিভাবে বাচ্চাদের সময় কাটাতে দিবেন। যে বয়সেরই হোক, বাচ্চাদের ঘরের কাজে লাগান, এতে নিজের উপর চাপ কম পড়বে। মায়ের বুকের দুধের যোগান অনেক ক্ষেত্রেই নানান ধরনের চাপের উপর নির্ভর করে। যতদূর সম্ভব চাপ মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। রমাদান অত্যন্ত বরকতপূর্ন একটা সময়। ব্রেষ্টফিডিং করা মায়েরা যারা রোযা রাখতে পারবেন, তারা রাখবেন। বাকীরা রোযা ছাড়া অন্যান্য সব ইবাদাত থেকে সর্বোচ্চ সাওয়াব পাওয়ার চেষ্টা করবেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="ফিকহী_বিষয়ের_তথ্যসূত্রঃ">ফিকহী বিষয়ের তথ্যসূত্রঃ</h3>



<p>১. <a href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%ac%e0%a6%a4%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%ae/">গর্ভবতী এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের সাওম পালনের ব্যাপারে ইসলাম কী বলে?</a></p>



<div class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color" style="background-color:#dddbd5; padding:25px">
<h4 class="has-very-dark-gray-color has-text-color">লেখাটি রিভিউ করেছেন -</h4>
<p><strong>ডাঃ সাবরিনা আফরোজ</strong><br>MBBS, MPH<br>লেকচারার, ঢাকা কমিউনিটি মেডিসিন কলেজ </p>
</div>



<p class="has-very-dark-gray-color has-cyan-bluish-gray-background-color has-text-color has-background"><strong>সম্পাদনায়ঃ হাবিবা মুবাশ্বেরা</strong></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/ramadan-breastfeeding-%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%82/">রমাদান ও ব্রেস্টফিডিংঃ স্তন্যদায়ী মায়েদের রোযা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সহজ ও সুন্দর ব্রেস্টফিডিং যাত্রার জন্য</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b9%e0%a6%9c-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Shampa Mou]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 01 Jan 2020 07:49:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবোত্তর]]></category>
		<category><![CDATA[শিশুপালন]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেস্টফিডিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=1406</guid>

					<description><![CDATA[<p>শিশুর জন্মের পর পরই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব (প্রথম ১ ঘন্টার মধ্যে) তাকে সঠিক পদ্ধতিতে মায়ের দুধ খাওয়ানো অত্যাবশ্যক। মায়ের শরীর শিশুকে যথোপযুক্ত উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে, শিশু শান্ত থাকে, শ্বাসপ্রশ্বাস ও হৃদপিন্ডের হার স্বাভাবিক থাকে। তাই জন্মের সাথে সাথে মা ও শিশু যাতে একে অন্যের ত্বকের সংস্পর্শে থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে। শিশুর হাত ও [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b9%e0%a6%9c-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf/">সহজ ও সুন্দর ব্রেস্টফিডিং যাত্রার জন্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/01/o-MOTHER-NEWBORN-facebook-660x330-1.jpg" alt="সহজ ও সুন্দর ব্রেস্টফিডিং যাত্রার জন্য 2" class="wp-image-1408" title="সহজ ও সুন্দর ব্রেস্টফিডিং যাত্রার জন্য 6"></figure></div>



<p>শিশুর জন্মের পর পরই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব (প্রথম ১ ঘন্টার মধ্যে) তাকে সঠিক পদ্ধতিতে মায়ের দুধ খাওয়ানো অত্যাবশ্যক। মায়ের শরীর শিশুকে যথোপযুক্ত উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে, শিশু শান্ত থাকে, শ্বাসপ্রশ্বাস ও হৃদপিন্ডের হার স্বাভাবিক থাকে। তাই জন্মের সাথে সাথে মা ও শিশু যাতে একে অন্যের ত্বকের সংস্পর্শে  থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে। </p>



<p>শিশুর হাত ও মাথার স্পর্শে উদ্দীপিত হয়ে মায়ের শরীরে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসৃত হতে শুরু করে ফলে মায়ের দুধ তৈরি শুরু হয়। অক্সিটোসিন হরমোন অন্যান্য হরমোনকে উদ্দীপিত করে ফলে মা শান্ত, অবসাদমুক্ত বোধ করেন।</p>



<p>মায়ের স্তনের বোঁটায় অ্যামনিওটিক ফ্লুইড (amniotic fluid) এর গন্ধ থাকে। মায়ের পেটে যে তরলের মধ্যে শিশু দিন দিন বেড়ে ওঠে সেটাই অ্যামনিওটিক ফ্লুইড। তাই স্বভাবতই শিশু মায়ের বুকে পরিচিত ও নিরাপদ অনুভব করে এবং মায়ের দুধ খেতে আগ্রহী হয়। </p>



<p><strong>মনে রাখবেনঃ</strong></p>



<p><strong>১. এসময় মায়ের শরীর ও মন খুবই নাজুক থাকে। তাই সব সময় মায়ের সামনে নেতিবাচক আলোচনা ও মন্তব্য করা মোটেও উচিৎ নয়।</strong></p>



<p><strong>২. প্রত্যেক মা তার সন্তানকে দুধ খাওয়াতে চান। কখনই মাকে বলা উচিৎ নয় “তুমি ইচ্ছা করে দুধ খাওয়াও না”।</strong></p>



<p><strong>৩. “আমার তো এসময় অনেক দুধ তৈরি হত” … ইত্যাদি মন্তব্য মাকে অপরাধবোধে ভোগায়। ফলে মায়ের দুধ তৈরি কমে/বন্ধ হয়ে যেতে পারে।</strong></p>



<p><strong>৪. “তুমি কেমন মা যে তোমার সন্তানের চাহিদা মেটাতে পার না??” … ইত্যাদি মন্তব্য মায়ের আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে দেয়। কিছুতেই এসব কথা মাকে বলা উচিৎ নয়।</strong></p>



<p><strong>৫. ঘড়ি ধরে শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর অভ্যাস করা ঠিক নয়। প্রত্যেক শিশুর চাহিদা ভিন্ন। এমনকি একই শিশুর চাহিদা বিভিন্ন বয়সে এবং সময়ে বিভিন্ন। তাই শিশুর চাহিদা অনুযায়ী ধৈর্য নিয়ে খাওয়ানো উচিৎ।</strong></p>



<p>শিশুকে দুধ খাওয়াতে গিয়ে নতুন মায়েদের নতুন নতুন অভিজ্ঞতা হয়। কোন অবস্থায়ই অস্থির না হয়ে সমস্যা এবং শিশুকে বুঝতে চেষ্টা করতে হবে। সমস্যা সমাধানের জন্য যথাশীঘ্র একজন ল্যাকটেশন বিশেষেজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। </p>



<p></p>



<p>সৌজন্যেঃ <a href="https://www.facebook.com/LactationCare2018/" class="rank-math-link" target="_blank" rel="noopener">ল্যাকটেশন কেয়ার</a>, বাংলাদেশ।</p>



<p>ছবিঃ theidealmuslimah.com<br><br></p>



<p><br></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%b8%e0%a6%b9%e0%a6%9c-%e0%a6%93-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf/">সহজ ও সুন্দর ব্রেস্টফিডিং যাত্রার জন্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে প্রচলিত ১১টি ভুল ধারণা</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a7-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Shampa Mou]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 01 Jan 2020 07:10:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবোত্তর]]></category>
		<category><![CDATA[শিশুপালন]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেস্টফিডিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=1403</guid>

					<description><![CDATA[<p>ভুল ধারণা ১. শিশুর জন্মের সাথে সাথে তার মুখে মধু/মিছরি দিতে হয় !সঠিক: শিশুর জন্মের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব (প্রথম ১ ঘন্টার মধ্যে) মায়ের দুধ খাওয়ানো শুরু করতে হবে। মধু/চিনি/মিছরি শিশুর জন্যে ক্ষতিকর। ভুল ধারণা ২. সিজারিয়ান ডেলিভারিতে মায়ের বুকে দুধ আসে না/দেরিতে আসে !সঠিক: নরমাল/সিজারিয়ান যেভাবেই শিশুর জন্মগ্রহণ করুক সদ্যজাত শিশুকে যত তাড়াতাড়ি সঠিক [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a7-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b/">শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে প্রচলিত ১১টি ভুল ধারণা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/01/AM_b_what-do-I-do-if-baby-cries-at-night.jpg" alt="শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে প্রচলিত ১১টি ভুল ধারণা 3" class="wp-image-1404" title="শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে প্রচলিত ১১টি ভুল ধারণা 7"></figure></div>



<p><strong>ভুল ধারণা ১.</strong> শিশুর জন্মের সাথে সাথে তার মুখে মধু/মিছরি দিতে হয় !<br><strong>সঠিক:</strong> শিশুর জন্মের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব (প্রথম ১ ঘন্টার মধ্যে) মায়ের দুধ খাওয়ানো শুরু করতে হবে। মধু/চিনি/মিছরি শিশুর জন্যে ক্ষতিকর।<br></p>



<p><strong>ভুল ধারণা ২.</strong> সিজারিয়ান ডেলিভারিতে মায়ের বুকে দুধ আসে না/দেরিতে আসে !<br><strong>সঠিক: </strong>নরমাল/সিজারিয়ান যেভাবেই শিশুর জন্মগ্রহণ করুক সদ্যজাত শিশুকে যত তাড়াতাড়ি সঠিক পদ্ধতিতে মায়ের দুধ খাওয়ানো শুরু করা সম্ভব হবে মায়ের বুকে তত তাড়াতাড়ি দুধ আসবে। কখন মায়ের দুধ আসবে তখন শিশুকে খাওয়াব এই আশায় বসে থেকে সময় নষ্ট করা বোকামি। মা শয্যাশায়ী হলে দুধ খাওয়ানোর জন্যে উপস্থিত ডাক্তার/নার্সের সাহায্য নিতে হবে। </p>



<p><strong>ভুল ধারণা ৩. </strong>মায়ের স্তন ছোট হলে শিশুর জন্য দুধ কম তৈরি হয় !<br><strong>সঠিক:</strong> মায়ের স্তনের আকার/আকৃতি দুধ তৈরির ক্ষেত্রে কোন প্রভাব ফেলে না। </p>



<p><strong>ভুল ধারণা ৪</strong>. অতিরিক্ত গরম আবহাওয়াতে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে পানি খাওয়ানো প্রয়োজন !<br><strong>সঠিক:</strong> শিশুর বয়স ৬ মাস হওয়ার আগে এক ফোঁটা পানিরও প্রয়োজন নেই। তবে ৬ মাসের বেশি বয়স হলে অবশ্যই অল্প অল্প করে বিশুদ্ধ পানি পান করাতে হবে। </p>



<p><strong> ভুল ধারণা ৫.</strong> মা গোসলের সাথে সাথে শিশুকে দুধ খাওয়ালে শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে !<br>&nbsp;<strong>সঠিক: </strong>গোসলের আগে/পরে যেকোন অবস্থায় মায়ের দুধ শিশুর অসুস্থতার কারণ হতে পারে না। </p>



<p><strong>ভুল</strong> <strong>ধারণা ৬</strong>. মায়ের নিপ্‌ল খাটো/সমতল/ভিতরে ঢুকানো হলে শিশুকে দুধ খাওয়ানো অসম্ভব !<br><strong>সঠিক:</strong> মায়ের নিপ্‌ল খাটো/সমতল/ভিতরে ঢুকানো হলেও শিশুকে দুধ খাওয়ানো সম্ভব। </p>



<p><strong>ভুল ধারণা ৭.</strong> শিশু একবার মায়ের দুধ খাওয়া বন্ধ করে দিলে আর কখনও তাকে খাওয়ানো সম্ভব নয় !<br><strong>সঠিক:</strong> পূণরায় শিশুকে দুধ খাওয়ানোর প্রক্রিয়াটি কিছুটা জটিল হলেও অসম্ভব নয়। তবে শিশুর বয়স যত কম থাকবে প্রক্রিয়াটি তত সহজ হবে।</p>



<p><strong>ভুল ধারণা ৮.</strong> মায়ের স্তনে পূর্বে কোন অস্ত্রপচার হলে শিশুকে সেই স্তনের দুধ খাওয়ানো উচিৎ নয় !<br><strong>সঠিক: </strong>পূর্বে সংঘটিত অস্ত্রপচারের ফলে মায়ের স্তনের ক্ষতির পরিমাণ দেখে মায়ের দুধ খাওয়ানোর সম্ভব/উচিৎ কি না নির্ধারণ করা যায়। </p>



<p><strong>ভুল ধারণা ৯.</strong> তিতা/ঝাল/টক স্বাদের খাবার খেলে মায়ের দুধ কমে যায় !<br><strong>সঠিক:</strong> বিভিন্ন স্বাদের খাবার খেলে মায়ের রুচি নষ্ট হয় না। এক্ষেত্রে মায়ের দুধ কমে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। </p>



<p> <br><strong>ভুল ধারণা ১০.</strong> মা অসুস্থ থাকলে শিশুকে দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিৎ !<br><strong>সঠিক:</strong> মায়ের অসুস্থতার সময় শিশুকে বেশি বেশি দুধ খাওয়াতে হবে। এসময় মায়ের দুধের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শিশুর শরীরে প্রবেশ করে। </p>



<p><strong>ভুল ধারণা ১১. </strong>মা ব্রেস্ট পাম্প করলে শিশু দুধ পাবে না।<br><strong>সঠিক:</strong> নিয়ম মেনে পাম্প ব্যবহার করলে কোন সমস্যা হয় না। ভুল নিয়মে পাম্প করলে ক্ষতি হতে পারে। এক্ষেত্রে, ল্যাকটেশন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিৎ। </p>



<p></p>



<p>সৌজন্যেঃ <a href="https://www.facebook.com/LactationCare2018/" class="rank-math-link" target="_blank" rel="noopener">ল্যাকটেশন কেয়ার</a>, বাংলাদেশ</p>



<p>ফটোক্রেডিটঃ aboutislam.net <br></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%a7-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b/">শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে প্রচলিত ১১টি ভুল ধারণা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ব্রেস্টফিডিং নিয়ে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা শুরুতেই জানা প্রয়োজন</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Shampa Mou]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Dec 2019 06:57:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবোত্তর]]></category>
		<category><![CDATA[শিশুপালন]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেস্টফিডিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=1395</guid>

					<description><![CDATA[<p>শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ২টি বিষয় হল:১. অবস্থান (Position): মা ও শিশুর অবস্থান আরামদায়ক হতে হবে। অর্থাৎ বসে, শুয়ে বা যেকোন অবস্থায় দুজনকেই আরাম পেতে হবে।২. সংস্থাপন (Attachment): মায়ের এরিওলা (Areola) সবটুকু/সিংহভাগ শিশুর মুখে ঢুকছে কি না সেটা নিশ্চিত করতে হবে। এই ২টি বিষয় ভুল হলে মা ও শিশু উভয়কেই সমান [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf/">ব্রেস্টফিডিং নিয়ে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা শুরুতেই জানা প্রয়োজন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2019/12/Sleep.png" alt="ব্রেস্টফিডিং নিয়ে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা শুরুতেই জানা প্রয়োজন 4" class="wp-image-1398" title="ব্রেস্টফিডিং নিয়ে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা শুরুতেই জানা প্রয়োজন 8"></figure></div>



<p>শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ২টি বিষয় হল:<br>১. অবস্থান (Position): মা ও শিশুর অবস্থান আরামদায়ক হতে হবে। অর্থাৎ বসে, শুয়ে বা যেকোন অবস্থায় দুজনকেই আরাম পেতে হবে।<br>২. সংস্থাপন (Attachment): মায়ের এরিওলা (Areola) সবটুকু/সিংহভাগ শিশুর মুখে ঢুকছে কি না সেটা নিশ্চিত করতে হবে।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2019/12/breast-clipart-baby-feeding-5.jpg" alt="ব্রেস্টফিডিং নিয়ে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা শুরুতেই জানা প্রয়োজন 5" class="wp-image-1396" title="ব্রেস্টফিডিং নিয়ে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা শুরুতেই জানা প্রয়োজন 9"></figure></div>



<p>এই ২টি বিষয় ভুল হলে মা ও শিশু উভয়কেই সমান কষ্ট পেতে দেখা যায়। আসুন এক এক করে জানি কি কি অসুবিধা হয় অবস্থান ও সংস্থাপন ভুল হতে থাকলে এবং সেগুলো কতটা ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তৈরি করে মা ও শিশুর জীবনে।</p>



<p>?&nbsp;অবস্থান আরামদায়ক না হলে কি হয়?<br>১. মায়ের পিঠ ও কোমর ব্যথা করে।<br>২. মায়ের পা ফুলে যায়।<br>৩. মায়ের কাঁধ ও বাহু ব্যথা করে।<br>৪. মা ক্লান্ত হয়ে যান।<br>৫. শিশুর শরীর সঠিকভাবে মায়ের সাথে লেগে থাকে না।<br>৬. শিশু অনেক নড়াচড়া করে।<br>৭. শিশু কান্নাকাটি করে।<br>৮. মা ও শিশু উভয়ই আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।<br>৯. সংস্থাপন সঠিক হয় না।</p>



<p>?&nbsp;সংস্থাপন সঠিক না হলে কি হয়?<br>১. মায়ের স্তনের বোঁটা ফেটে যায়।<br>২. অনেকক্ষেত্রে ফাটা জায়গায় ছত্রাক সংক্রমণ হয়ে যায়। এই সংক্রমণ শিশুর মুখেও চলে যেতে পারে।<br>৩. মায়ের স্তনের বিভিন্ন অংশে ব্যথা হয় এবং ফুলে যায়।<br>৪. মায়ের স্তনে দুধের নালী বন্ধ হয়ে যায়।<br>৫. উৎপন্ন দুধ মায়ের স্তনে জমে থাকে। এভাবে জমে থাকতে থাকতে একসময় দুধের প্রবাহ কমে যায়।<br>৬. অনেক সময় মায়ের স্তনের টিস্যুতে সংক্রমণ হয়ে যায় এবং পুঁজ বের হতে থাকে। যাকে মাসটাইটিস বলে।<br>৭. বেশিরভাগক্ষেত্রে শিশু দীর্ঘ সময় ধরে মায়ের দুধ খেতে থাকে।<br>৮. শিশু দুধ পায় না এবং ক্ষুধার্ত থাকে।</p>



<p>উপরিউক্ত বিষয়গুলো থেকে আমরা খুব ভালভাবে বুঝতে পারি আরামদায়ক অবস্থান ও সঠিক সংস্থাপন মেনে চলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। </p>



<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বলছে, শিশুর জন্মের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব (প্রথম ১ ঘন্টার মধ্যে) মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে। সিজারিয়ান পদ্ধতিতে শিশু জন্মদানের পর মায়ের শরীর যখন খুব বেশি অসুস্থ থাকে তখন কর্তব্যরত ডাক্তার/নার্স শিশুকে মায়ের কাছে নিয়ে সঠিক পদ্ধতিতে দুধ খাওয়াবেন এবং মায়ের সাথে থাকা আত্মীয়কে পদ্ধতিটি শিখিয়ে দিবেন। পরে মা সুস্থ হয়ে গেলে মাকে শিখিয়ে দিবেন।</p>



<p>কোন ভাবেই মায়ের স্তনে ব্যথা লাগে এমন মালিশ করবেন না। তাতে আরও ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এবং মায়ের স্তনের বোঁটা টেনে নিয়ে এবং/অথবা শিশুকে মায়ের শরীর থেকে দূরে রেখে কষ্টকর পদ্ধতিতে মায়ের দুধ খাওয়াতে চেষ্টা করবেন না। </p>



<p></p>



<p>সৌজন্যেঃ <a href="https://www.facebook.com/LactationCare2018/" target="_blank" rel="noopener">ল্যাকটেশন কেয়ার</a>, বাংলাদেশ</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf/">ব্রেস্টফিডিং নিয়ে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা শুরুতেই জানা প্রয়োজন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যেভাবে আমার বাচ্চাদের ব্রেস্টফিডিং বন্ধ করিয়েছি</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[অনলাইন সম্পাদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 14 Jun 2019 07:59:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অভিজ্ঞতা]]></category>
		<category><![CDATA[দুধ ছাড়ানো]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেস্টফিডিং]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেস্টফিডিং অভিজ্ঞতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=1163</guid>

					<description><![CDATA[<p>মাতৃত্ব যতটাই কঠিন হোক না কেনো, মায়েরা অদ্ভুত এক ইমোশনাল টানাপোড়েনের মুখোমুখি হন বাচ্চাদের বুকের দুধ ছাড়ানোর সময়। বাচ্চা খুব জেদ করতে থাকে, রাতে প্রচন্ড চিৎকার করে যারা ঘুমের মাঝে ব্রেস্টফিডিং করতে অভ্যস্ত। বাড়ির ঘুমন্ত মানুষ বেশ বিরক্ত হয় স্বাভাবিকভাবেই। মুরব্বিরা বয়সের কারনেই অনেকটা নরম মনের হয়ে যান। তারা আশেপাশে থাকলে বিড়ম্বনা তাই মায়ের জন্য [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d/">যেভাবে আমার বাচ্চাদের ব্রেস্টফিডিং বন্ধ করিয়েছি</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img decoding="async" class=" wp-image-1164" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2019/06/Allergy-300x199.jpg" alt="যেভাবে আমার বাচ্চাদের ব্রেস্টফিডিং বন্ধ করিয়েছি 7" width="392" height="260" title="যেভাবে আমার বাচ্চাদের ব্রেস্টফিডিং বন্ধ করিয়েছি 11"></p>
<p>মাতৃত্ব যতটাই কঠিন হোক না কেনো, মায়েরা অদ্ভুত এক ইমোশনাল টানাপোড়েনের মুখোমুখি হন বাচ্চাদের বুকের দুধ ছাড়ানোর সময়। বাচ্চা খুব জেদ করতে থাকে, রাতে প্রচন্ড চিৎকার করে যারা ঘুমের মাঝে ব্রেস্টফিডিং করতে অভ্যস্ত। বাড়ির ঘুমন্ত মানুষ বেশ বিরক্ত হয় স্বাভাবিকভাবেই। মুরব্বিরা বয়সের কারনেই অনেকটা নরম মনের হয়ে যান। তারা আশেপাশে থাকলে বিড়ম্বনা তাই মায়ের জন্য কিছুটা বেড়ে যায়। 'খাক তো আরো কিছুদিন, তুমি দাও।' তাদের এরকম অনুরোধ, আবদার তখন পালন করা ছাড়া উপায় থাকে না। মায়ের নিজেরো খুব গিলটি ফিলিং কাজ করতে থাকে। মনে হতে থাকে, তার বাচ্চাটা কষ্ট পাচ্ছে। আমি অনেক মা'দের চিনি তারা এই weaning এপিসোডে খুব কান্নাকাটি করেছে। বেশী বুঝা মানুষও আছে কিছু চারপাশে যারা বলে বেড়াবে, দুই বছরের একটা দিনও বেশী ব্রেস্ট ফিডিং করানো হারাম! কি এক সংকট।</p>
<p>ইউসুফ আর খাদিজার বেলায় আমি একই পদ্ধতি ব্যবহার করেছি এই সময়কালে। ইউসুফকে দুই বছর হবার ৪ মাস আগেই ব্রেস্ট ফিডিং ছাড়াতে হয়েছে কারন তখন খাদিজার জন্মের সময় হয়ে গিয়েছিলো। খাদিজার জন্মের প্রায় এক মাস আগে ইউসুফের ব্রেস্ট ফিডিং weaning করানো হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, অনেকের এরকম অল্প গ্যাপের বাচ্চা থাকলে তারা বড় এবং ছোট দুই বাচ্চাকেই ব্রেস্ট ফিডিং করান, যেটা খুব প্রশংসনীয়; বড় বাচ্চাকে দুই বছর হবার পর ছাড়িয়ে দেন। আমার নিজের কাছে এটা খুব ঝামেলা মনে হওয়ায় আমি খাদিজার জন্মের আগেই ইউসুফের weaning process শুরু করেছিলাম। আমার মনে হয়েছিল দ্বিতীয় সিজারের পর দুজনকে ফিড করানো আমার জন্য হেলথ হ্যাযার্ড হয়ে দাঁড়াতে পারে।</p>
<p>আমার দুই বাচ্চা দু'রকম হলেও একজনকেও শান্ত শিষ্ট বলা চলে না। দুজনেরই ভীষণ রকমের ত্যারাব্যাঁকা মার্কা জেদ। আমি নিজেও মা হিসেবে বেশ কড়া। আমি খুব ডিটারমাইন্ড ছিলাম এই weaning নিয়ে খুব একটা হাউকাউ হতে দিবো না। তাদের জেদের কথা উল্লেখ করছি এই কারনে যে, এক এক বাচ্চা এক এক রকম। এবং আমার দুই বাচ্চাই খুব ডিফিকাল্ট বাচ্চা ছিলো, কতটা সেটা এর আগে বর্ননা করেছি বেশ কিছু লেখায়। এবং সিস্টেমেটিক ভাবে যেহুতু তাদের ব্রেস্ট ফিডিং ছাড়ানো গেছে, তাই আমি অনেকটা জোর দিয়েই বলতে পারি যে এই এপিসোডটা ইমোশনাল হতে হবেইই এমন কোন কথা নেই।</p>
<p>আমার দু বাচ্চার বেলাতেই তাদের এক বছর পার হবার পর ব্রেস্ট ফিডিং ফ্রিকোয়েন্সী কমিয়ে দিয়েছি। বাচ্চার সাথে রিপিটেডলি একই কথা বললে ইট মেকস সেন্স টু দেম। একটা এক বছরের বাচ্চা সিম্পল ইন্সট্রাকশন বুঝে, যেমন তাকে মা কিছু মানা করছে, বাবা কিছুতে উৎসাহিত করছে, তার দাদা কিছু চাচ্ছে, কাউকে টাটা দেয়া মানে সে ব্যাক্তি চলে যাচ্ছে এরকম বেসিক প্যাটার্নের হিউম্যান সারভাইভাল আর সোশ্যাল কমিউনিকেশন স্কিলস। আমি বার বার ইউসুফ আর খাদিজাকে বুঝাতাম যে এখন না, নির্দিষ্ট সময়ে তারা ফিড করতে পারবে। ঘুমানোর সময় বা খাবার খাওয়ার পরে। শুরুতে খানিকটা জেদ করলেও মা যে তার সিদ্ধান্তে অনড় সেটা তাদের বোধগম্য হতে বেশী সময় লাগে নি। কান্না করলে এটা ওটা দিয়ে ডিস্ট্র‍্যাক্ট করেও কয়েকবার ভোলানো যায়। আর সেই প্রাথমিক কয়েকবারের সাফল্যের পরেই ইনশাআল্লাহ জেদের পরিমাপে ভাটা পড়ে যাবে।</p>
<p>এক বছরে ফিডিং এক দফা কমানোর পর দেড় বছর বয়সের আরেকটু আগে আরেক দফা কমিয়ে ফেলেছিলাম। তিন বার থেকে দুই বারে এনেছিলাম। এরপর ছাড়ানোর সময় খুব বেশী বেগ পেতে হয় নি আলহামদুলিল্লাহ। 'তুমি মাশা'আল্লাহ এখন অনেক বড় হয়ে গিয়েছো!, আজকে ফিডিং না করে বরঞ্চ আমরা গল্প শুনে ঘুমাতে যাই?, 'তোমার এখন দাঁত হয়ে গেছে অনেকগুলা, তুমি বড়দের মতন খাবার খাবে এখন থেকে ইনশাআল্লাহ!' এসব গঠনমূলক উৎসাহ টেম্পোরারিলি কাজে দেয়। টেম্পোরারি বললাম কারন এই বয়সী বাচ্চারা বেশীক্ষন কিছু মনে রাখতে পারে না। তাই বার বার বলতে হয় বেশ ধৈর্যের সাথে। একটা কথা ইম্পর্ট্যান্ট এখানে যে, বাচ্চারা যখন বুঝে ফেলে কান্নাকাটি করে তাদের চাহিদা মাফিক জিনিস পাওয়া যাচ্ছে, তারা অবশ্যই সেটার এডভান্টেজ নিবে। তাই নিজেকে প্রস্তুত করে মাঠে নামা বুদ্ধিমানের কাজ। মনে রাখতে হবে, বাচ্চাটা নতুন ধরনের চেঞ্জের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এবং এখন সে কাঁদলেও সেটা এক পর্যায়ে থেমে যাবে। এটাই নিয়ম। জীবনের প্রতিটি চেঞ্জেই যথাযথ এডযাস্টমেন্টের জন্য সময় প্রয়োজন, ব্রেস্ট ফিডিং wean করার ব্যাপারটা তার ব্যাতিক্রম না।</p>
<p>খাদিজা আর ইউসুফ দুজনের ক্ষেত্রেই একই টেকনিক ব্যাবহার করে সুফল পেয়েছি। একবারে বন্ধ না করে, ক্রমান্বয়ে দু তিন দফার কমিয়ে আনলে বাচ্চা এবং মা দুজনেরই মানসিক এবং শারীরিক প্রভাবটা drastic হয় না। এক্ষেত্রে একটা জিনিস মেইন্টেন করাটা একটু জরুরী, সেটা হলো ঘুমের মাঝে ফিডিং বন্ধ করা এক বছর হবার পরেই। অনেকের ধারনা বাচ্চা ক্ষুধার কারনে রাতে বার বার খেতে চায়, কিন্তু আসলে এটা অনেকটাই 'comfort feeding'। ইউসুফ খাদিজাকে সাবস্টিটিউট হিসেবে আমি পানি দিতাম রাতে, যাতে পিপাসা মেটে। প্রথম প্রথম প্রতিবাদ করেছে, কিন্তু যখন বুঝেছে যে রাতে বার বার জাগলে পানিই পাবে, আর কিছু না, তখন আকস্মিক ভাবে ঘন ঘন উঠা কমে গেছে। এটাও অনেক বড় একটা রিলিফ। আমি বাচ্চা আর আমার মাঝে বালিশ রাখতাম যাতে রাতে গা ঘেঁষে না থাকে। বাচ্চারা মায়ের গন্ধ খুব চেনে, পাশ ছাড়া হলে কান্নাকাটি করে অনেকে, আবার বার বার ঘুমের মাঝে ফিডিং করতে চায় তাই এই প্রোএক্টিভ ব্যাবস্থা।</p>
<p>ব্রেস্ট ফিডিং যেমন খুব ন্যাচারাল একটা বিষয়, আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ামাহ, ঠিক তেমনি ছাড়ানোর ব্যাপারটাও ন্যাচারাল হওয়াটা শ্রেয়। ইমোশনালি ভালনারেবল হওয়ার মতন সিচুয়েশন যথাসম্ভব এড়ানো যায় ততই দুই পক্ষের জন্য ভালো। আমি বাচ্চাদের দেড় বছর হবার পর থেকে বাইরের দুধে অভ্যস্ত করার চেষ্টা করেছি অল্প অল্প করে। কৌটার দুধে আমার একেবারেই ফেইথ নেই দেখে সেটা ধার্তব্যে আনি নি।</p>
<p>আমরা এমন এক সময়ে বসবাস করি যে বাচ্চাদের মোটামুটি এক হাতেই বড় করতে হয়। বড় ছোট সিদ্ধান্তগুলো মা'কে একলাই নিতে হয়। মায়েরা সন্তানের ক্ষেত্রে আবেগী হবে এটা খুবই নরমাল, তবে বাচ্চাদের একেবারে ছোট বয়স থেকে মা'দের আবেগের বহিঃপ্রকাশ যদি পরিমিত থাকে তবে আমার এক্সপিরিয়েন্স বলে যে বাচ্চা নিজেও তাহলে নিজস্ব ইমোশনগুলি গুছিয়ে উপস্থাপন করতে পারে, খাপছাড়া ভাবে হুলুস্থুল অবস্থার সৃষ্টি করে না সাধারণত। সন্তানের যে কোন বড় ছোট সিদ্ধান্ত নেবার আগে খুব করে দুয়া করা উচিত, যেন রাস্তাটা সহজ হয়ে যায় এবং তাতে সর্বপোরী ভালো নিহিত থাকে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>[লিখেছেনঃ উম্ম ইউসুফ]</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d/">যেভাবে আমার বাচ্চাদের ব্রেস্টফিডিং বন্ধ করিয়েছি</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ব্রেষ্টফিডিং বন্ধের গল্প</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আফিফা রায়হানা]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Jan 2018 17:32:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অভিজ্ঞতা]]></category>
		<category><![CDATA[দুধ ছাড়ানো]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেস্টফিডিং]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেস্টফিডিং অভিজ্ঞতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=878</guid>

					<description><![CDATA[<p>পুরো ব্রেষ্টফিডিং জার্নি যথেষ্ট এডভেঞ্চারাস। এর শুরুটা যেমন এক্সাইটিং, শেষটাও তাই। কুরআনে প্রোপজড ব্রেষ্টফিডিং টাইম দুই বছর। এখনকার বিজ্ঞানও বলে, দুই বছর পর আর মায়ের দুধের দরকার পড়ে না। </p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/">ব্রেষ্টফিডিং বন্ধের গল্প</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img decoding="async" class="alignright wp-image-879 size-full" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2018/01/stop.png" alt="ব্রেষ্টফিডিং বন্ধের গল্প" width="259" height="194" title="ব্রেষ্টফিডিং বন্ধের গল্প 12"></p>
<p>আপনি যদি <a href="https://matritto.com/tag/breastfeeding/">ব্রেষ্টফিডিং</a> করানো মা হোন, এবং দুই বছর পূর্ন করে বুকের দুধ খাওয়ান, অভিনন্দন আপনাকে। আপনি অবশ্যই একটা সার্টিফিকেট পাওয়ার যোগ্য। জন্মের পর থেকে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বুকের দুধই বাচ্চার জন্য প্রধান খাদ্য। জন্মের পরপর শাল দুধ থেকে শুরু করে, বেশী কিছু মাস বুকের দুধ ছাড়া আর কিছুই লাগে না। তারপর সলিড শুরু হলেও, বুকের দুধ চলতে থাকে।</p>
<p>ব্রেষ্টফিডিং, বাচ্চা এবং মা দুইজনের জন্যই ধৈর্য্যের ব্যাপার। শুরুটা সবার খুব সহজ হয় না। ব্রেষ্টফিডিং করানোটাও একটা শেখার ব্যাপার। এতে চ্যালেঞ্জ আছে, আছে ভালো-খারাপ নানান রকম অভিজ্ঞতা। ব্রেষ্টফিডিংয়ের মাধ্যমে বাচ্চা আর মায়ের একটা চমৎকার বন্ডিং তৈরী হয়। পুরো ব্রেষ্টফিডিং জার্নি যথেষ্ট এডভেঞ্চারাস। এর শুরুটা যেমন এক্সাইটিং, শেষটাও তাই। কুরআনে প্রোপজড ব্রেষ্টফিডিং টাইম দুই বছর। এখনকার বিজ্ঞানও বলে, দুই বছর পর আর মায়ের দুধের দরকার পড়ে না। কারন এরপর সব প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান বাচ্চা বাইরের খাবার থেকেই পেয়ে থাকে। ফুলটাইম ব্রেষ্টফিডিং করানো অনেক মায়ের জন্য <a href="https://matritto.com/how-to-stop-breastfeed/">বুকের দুধ ছাড়ানো</a> বেশ চ্যালেঞ্জিং। কারন পুরো সময় বুকের দুধ খাওয়ানা শিশু এত বেশী এটাচড্‌ থাকে মায়ের সাথে, বুকের দুধের প্রতি আকর্ষন এত বেশী থাকে, এটা খাওয়া ছেড়ে দেয়া, বাচ্চার জন্য কঠিন ব্যাপার।</p>
<h2>জীবন থেকে নেয়া</h2>
<p>এইবার আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলি। ঠিক দুইবছর পর্যন্ত ব্রেষ্টফিড করাবো, এইটাই প্ল্যান ছিলো। প্ল্যান যখন থাকে, সেটা ঠিকমতো বাস্তবায়নেরও সাব-প্ল্যান কিন্তু আমাদের থাকে। প্রথম সাড়ে পাঁচ মাস এক্সক্লুসিভ ব্রেষ্টফিড আমার মেয়ে। এরপর ডাক্তারের পরামর্শে সলিড শুরু। সলিডের পাশাপাশি দুই বছর ব্রেষ্টফিড করেছে। বুকের ছাড়ানোর প্রিপারেশন নিয়েছি দুই বছর হওয়ার ঠিক দুই/তিন মাস আগে থেকে। ধীরে ধীরে খাওয়ানোর পরিমান কমিয়ে এনেছি। সাথে সাথে মুখে চলেছে কাউন্সিলিং। সব শেষে বন্ধ করেছি রাতে খাওয়ানো, সবচেয়ে কঠিন মনে হচ্ছিলো। একদম বন্ধ করার পর কয়েকদিন হঠাৎ হঠাৎ খেতে চেয়েছে। কোন ঝামেলা করেনি, আলহামদুলিল্লাহ। দুই বছর পূর্ন হওয়ার একদিন আগ পর্যন্ত ব্রেষ্টফিড করেছে আমার মেয়ে। অন্য মায়েদের যেরকম অভিজ্ঞতা শুনেছি, ভেবেছিলাম কতটা কঠিন হবে। কিন্তু আল্লাহ সহজ করেছেন।</p>
<h2>মায়েদের জন্য টিপস</h2>
<ul>
<li>বেশ খানিকটা সময় হাতে নিয়ে (অন্তত দুই মাস) পরিকল্পনা করুন। ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করুন।</li>
<li>অন্তত দুই-তিনমাস আগে থেকে মুখে বলতে থাকুন। (যেমনঃ তুমি তো বড় হয়ে যাচ্ছ। টডলার বেবিরা কিন্তু আর মার কাছ থেকে দুধ খায় না। ওরা গ্লাসে গরুর দুধ খায়।) আপনার হয়ত মনে হতে পারে, এত ছোট বাচ্চা কি বুঝবে। কিন্তু আসলেই বোঝে ওরা।</li>
<li>যখন থেকে খাওয়া কমিয়ে দেবার প্ল্যান করবেন, তখন থেকেই বাচ্চাকে ভরপেটে খাওয়ানোর পর, ব্রেষ্ট অফার করবেন। এতে বাচ্চা যেমন আস্তে আস্তে অভ্যস্থ হবে, ব্রেষ্টফিডিং বন্ধ করার পর মায়েরও কোন শারীরিক অস্বস্তি থাকবে না।</li>
<li>রাতে ভরপেটে খাইয়ে ঘুম পাড়ান। ঘুমের ভেতর বোতল দেয়ার অভ্যাস করবেন না (ব্রেষ্টফিডিং বন্ধ করার পরও)। এতে বাচ্চার দাঁত খুব দ্রুত ক্ষয়ে যায়। ডাক্তাররা বলেন একবছরের পর থেকে বাচ্চা বড়দের মতো সারারাত ঘুমানোর মতো সক্ষমতা অর্জন করে। কিছু বাচ্চা রাতে বারবার উঠে আর অনেক বাবা-মা’রাই রাতে খাওয়ান। এটা মোটেও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়।</li>
<li>ব্রেষ্টফিডিং বন্ধ করার পর এরসাথে যেসব জিনিসের সংশ্লিষ্টতা (Association) আছে, সেগুলো কয়দিন এড়িয়ে চলুন। যেমনঃ যে জায়গায় বসে দুধ খাওয়াতেন, যে বালিশ ব্যবহার করতেন, সেগুলো এড়িয়ে চলুন। বাচ্চাকে ভুলে&nbsp;যাওয়ার সুযোগ দিন।</li>
<li>বন্ধ করার পরও বাচ্চা খেতে চাইলে, ভুলিয়ে রাখুন। জেগে থাকলে খেলনা এটা-সেটা দিয়ে তার মনোযোগ ঘুরিয়ে দিন। ঘুমের মধ্যে কাঁদলে কোলে নিয়ে কমফোর্ট দিন। আবার ঘুম পাড়ান।</li>
<li>একবার পুরোপুরি বন্ধ করার পর, আর একেবারেই দিবেন না। এতে বাচ্চা-মা দুইজনেরই কিছু ইমোশনাল ব্রেকডাউন হয়। কিন্তু এটা না করলে, বন্ধ করতে পারবেন না।</li>
<li>বন্ধ করার আগে আগে বাচ্চাকে বড়দের রেগুলার দুধ দেয়া শুরু করেন। গরুর দুধ দিন, সম্ভব হলে বাচ্চার জন্য আলাদা গ্লাসে। অল্প অল্প করে দিন। তাকে নিজের খাওয়ার অভ্যাস গড়ে উঠতে দিন। এই বয়সটা এমনিতেই ফিডার থেকে গ্লাসে ট্রানজিশনের সময়।</li>
<li>অবশ্যই অনেক অনেক দু’আ করবেন। এর কোন বিকল্প নাই।</li>
</ul>
<p>দুই বছরটা বাচ্চার জন্য অনেকদিক দিয়েই টার্নিং পয়েন্ট। <a href="https://matritto.com/%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8-%e0%a6%af%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87%e0%a6%83-%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b2-%e0%a6%9f%e0%a7%81%e0%a6%b8-terrible-twos/">টেরিবল টু</a>’তে বাবা-মা এমনিতেই বিপর্যস্থ থাকেন, আবার <a href="https://matritto.com/how-to-stop-breastfeed/">ব্রেষ্টফিডিং</a> বন্ধ করাটাও চ্যালেঞ্জিং। যেটা মনে রাখতে হবে, প্রত্যেকটা বাচ্চার সাথে সাথে প্রত্যেকটা মা’ও আলাদা। নিজেদের মতো করে পরিকল্পনা করুন। বাচ্চার জীবনের ট্রানজিশনের সময়গুলো সহজ করার চেষ্টা করুন।</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/">ব্রেষ্টফিডিং বন্ধের গল্প</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
