স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা এবং ধরে রাখা সারা জীবনের প্রক্রিয়া। তাই এর শুরু হতে হবে বাচ্চার খাদ্য গ্রহনের প্রথম দিন থেকেই।
বাচ্চা কতটুকু খাবে এটা ঠিক করার দায়িত্ব বাচ্চাকেই দিন। কোনদিন বাচ্চা বেশি খেতে চাইবে, আবার কোনদিন কম খাবে। কারণ আপনার মতোই বাচ্চাদের খাবারের রুচি কম বেশি হতে পারে। বেশিরভাগ সময় বাচ্চাদের পেট ভরে গেলে খাওয়া থামিয়ে দিবে। আপনি যদি জোর করে বেশি খাওয়ান, তবে অন্যান্য খাবার সে নাও খেতে চাইতে পারে। আবার জোর করে খাওয়ানোর ফলে তার ওভার-ইটিং বা বেশি খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হতে পারে।
যেকোন খাবারে দু-ধরনের উপাদান থাকে। শক্তিদায়ী উপাদান যা শরীরের দৈনন্দিন কার্যক্রমে শক্তি যোগায় আর বৃদ্ধিকারী উপাদান, যা বাচ্চাদের দৈহিক গঠনকে সাহায্য করে। নিচে আমরা খাবারকে চারটা গ্রুপে ভাগ করেছি। আপনার বাচ্চাকে এই চারগ্রুপ থেকে মিলিয়ে খাওয়াতে পারেন।
বাচ্চার খাবারকে আমরা চিনি বা মধু জাতীয় পদার্থ দিয়ে অহেতুক মিষ্টি স্বাদ দেই,যেটা না করা সবচেয়ে ভালো। এছাড়া বাচ্চার খাবারে লবণ দেয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ বাচ্চার কিডনী হয়তো এই লবণের সাথে খাপ খাওয়াতে পারবে না।
