হোমস্কুলিং, ঝুঁকি ও সম্ভবনার দরজায়ঃ দ্বিতীয় পর্ব

কারিকুলামে ব্যাপক পরিবর্তন বা ঢেলে সাজানোর দরকারটা অনুভব করার পেছনে আমার নিজস্ব কিছু চিন্তা রয়েছে। কেননা, আমার 'ধারণা', কারিকুলামে পার্থক্য শিক্ষায় অনেক বড় পার্থক্য তৈরি করে।

আমরা অনেক সময় খবরের কাগজে বিস্ময়বালক বা বিস্ময়বালিকাদের গল্প পড়েছি। গল্পের বালক বা বালকা ছিল হয় পথশিশু, আর নাহয় কোন বাসার কাজের ছেলে বা মেয়ে। বয়স যখন দশ বা বারো, তখনই সপ্তাহখানেক সময়েই অক্ষর চিনে একেবারে খবরের কাগজ পড়াটা রপ্ত করে ফেলে। তার মাসখানেকের মধ্যে তাকে তার বয়সীদের সাথে স্কুলে উপরের ক্লাসে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হয়। প্রথম প্রথম একটু হোঁচট খেলেও সবাইকে অবাক করে দিয়ে সে বার্ষিক পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করে।

আসলে বেশিরভাগ বাচ্চাই এরকম বিস্ময়বালক বা বিস্ময় বালিকা হতে পারতো, যদি না আমরা ছোটবেলা থেকেই নিজেদের ও ওদের মেধার অপচয় করে ওদের শৈশবটা নষ্ট না করতাম। পথশিশুদের মধ্যে পড়াশোনার সুযোগ জীবদ্দশায় পায়ই খুব কম শিশু, তাদের মধ্যে বেশিরভাগ আবার তীব্র অপুষ্টির শিকার। একারণে প্রতিদিন দশটা বিস্ময়শিশুর গল্প আমরা পড়িনা। কিন্তু আমাদের যাদের বাচ্চাদের আল্লাহ মানসিক ও শারিরীক পুষ্টির নিয়ামত দিয়েছেন, তাদের প্রায় প্রত্যেকের বাচ্চারই বিস্ময়শিশু হওয়ার সামর্থ আছে।

উদাহরণস্বরূপ কাছাকাছি মেধা ও সুযোগ সুবিধাপ্রাপ্ত দুইজন বাচ্চার মধ্যে তুলনা করা যাক।

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ জানুয়ারি 18, 2021