<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>হোমস্কুলিং - Matritto</title>
	<atom:link href="https://matritto.com/tag/%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://matritto.com</link>
	<description>গর্ভধারণ, সন্তান পালন ও মাতৃত্ব নিয়ে জানুন বাংলাভাষায়</description>
	<lastBuildDate>Tue, 30 May 2023 10:43:18 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://matritto.com/wp-content/uploads/2017/02/cropped-favicon-1-1-1-32x32.png</url>
	<title>হোমস্কুলিং - Matritto</title>
	<link>https://matritto.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>আমাদের স্কুলিং পদ্ধতি ও বাস্তবতা</title>
		<link>https://matritto.com/traditional-schooling-limitation/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sakiba Ahmed]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 30 May 2023 10:43:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>
		<category><![CDATA[হোমস্কুলিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=6336</guid>

					<description><![CDATA[<p>বিদ্যমান স্কুলিং ব্যবস্থা একজন ছাত্রকে প্রয়োজনীয় লাইফ স্কিলগুলো গড়ে দেয় না। এজন্য হোমস্কুলিং এর বিকল্প নেই</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/traditional-schooling-limitation/">আমাদের স্কুলিং পদ্ধতি ও বাস্তবতা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আচ্ছা আমরা কি জানি আমাদের মডার্ন স্কুল সিস্টেমটির বয়স যে মাত্র ১৫০+ বছর?</p>



<p>তার আগে তাহলে কীভাবে মানুষ শিক্ষিত হতো?</p>



<p>- তার আগে মানুষ হাজার বছর ধরেই মূলত হোমস্কুলিং করে আসছে।</p>



<p>আঠারো শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে আমাদের “মডার্ণ স্কুল সিস্টেম” এর যাত্রা শুরু হয়। যেখানে ফ্যাক্টরি ওয়ার্কারদের মত বাচ্চাদেরকে ব্যাচ করে নির্দিষ্ট ক্লাসে রেখে নির্দিষ্ট বিষয় সেই নির্দিষ্ট বয়সের মাঝেই শেষ করতে হবে। যেখানে ৬-১৮ বয়সের বাচ্চারা আসলে তাদের শৈশব কৈশর একটা গন্ডির ভেতর থেকে, গৎবাধা নিয়ম কানুনের মাঝে নিজেদেরকে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করতে থাকে এবং প্রথম হওয়ার জন্য প্রতিযোগিতায় লম্বা একটা সময় ব্যয় করে। </p>



<p>সেই প্রথম হওয়া রেজাল্ট আসলে বাস্তব জীবনের জন্য কতোটা প্রয়োজনীয়?</p>



<p>এরপর হঠাৎ করে স্কুল –কলেজের গন্ডী পার করে বাস্তব জীবনের কাজকর্মে এসে পড়লে তারা বুঝে উঠে না কোথা থেকে কীভাবে জীবন শুরু করবে! কারন ততোদিনে পৃথিবী অনেক এগিয়ে গিয়েছে যা তারা স্কুলের ইঁদুর দৌড়ে থাকায় খেয়াল রাখতে পারেনি! এছাড়াও লম্বা একটা সময় স্কুল – কোচিং এ ছুটতে ছুটতে প্রয়োজনীয় লাইফ স্কিল গুলোও সঠিকভাবে শিখে উঠেনি! এখন কী তবে আবার শুরু থেকে শুরু করবে? সেটাই বা কোথা থেকে হবে?</p>



<p>১২টা বছর পার করার পর সন্তানদের যদি কুকিং স্কিল না থাকে, মানি ম্যানেজমেন্ট না বুঝে, অর্গানাইজিং স্কিল না থাকে, একটা ল্যাঙ্গুয়েজের উপর পাকাপোক্ত জ্ঞান না থাকে, নীতি নৈতিকতা জীবনে কীভাবে কাজে লাগে/বাস্তবায়ন করবে সেটা না বুঝে, সফট স্কিলস না বুঝে তাহলে এতো গুলো বছর আসলে বাচ্চাদের আমরা কি শেখালাম? পাই/পীথাগোরাস এর উপপাদ্য? নেক্সট জেনারেশান কে বাস্তব জীবনের জন্য উপযুক্ত করে বেড়ে তুলতে স্কুলিং এর পাশাপাশি বিকল্প চিন্তা করার জরুরত কি আমরা বুঝতে পারছি?</p>



<p>আমরা এখনো বোকার মত সব দায়িত্ব স্কুলের উপর ছেড়ে দিয়ে বসে আছি কিন্তু নিজেদের জেনারেশান দিয়ে আমাদের বুঝাটা খুব জরুরি ছিলো যে, স্কুল কলেজের ১২-১৫ বছরে আমরা একটা বিরাট সময় খরচ করে এসেছি এমন এক কারিকুলাম অনুসরন করে, যেটা প্র‍্যাক্টিক্যাল লাইফের সাথে সম্পর্কহীন!</p>



<p>বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে স্কুলিং সিস্টেমের সীমবদ্ধতার কারণে প্রচলিত স্কুলিং এর পাশাপাশি হোমস্কুলিং একটা ভাল অপশন, তবে আমি কখনোই একমাত্র অল্টারনেটিভ বলতে পারবো না। কারণ, আমাদের পরিবেশ- সমাজ এবং মানুষের মন মানসিকতা এখনো "অনলি হোমস্কুলিং" ফ্রেন্ডলি হয়ে উঠেনি। </p>



<p>তবে যারা স্রোতের বিপরীতে হেটে দারুন কিছু পরিবর্তন আনার মত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, তারা সফল হবেন ইন শা আল্লাহ। এবং যারা নানা কারনে স্কুলিং ছাড়া অল্টারনেট কোন অপশানে যেতে পারছেন তারা স্কুলিং এর পাশাপাশি বাচ্চাদেরকে প্র্যাক্টিক্যাল লাইফের জন্য বিভিন্ন স্কিল গ্রো করার পেছনে সময়, শ্রম এবং অর্থ একদম ছোট থেকেই ইনভেস্ট করা শুরু করতে পারেন।</p>



<p>স্কুলের বিপক্ষে লেখা আমার উদ্দেশ্য না, আমাদের সিস্টেমের কারনে স্কুলিং টা প্র‍্যাক্টিক্যাল লাইফ বেইজড হয়না। ফিনল্যান্ড বা জাপানের স্কুলগুলোতে ছোট থেকেই এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় যেন স্কুলের গন্ডী পার হতে না হতেই তারা নিজেদেরকে ইন্ডিপেন্ডেন্ট হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।</p>



<p>আপনি যদি সন্তানের স্কুলিং নিয়ে সচেতন হোন, তাহলে নিশ্চয় আপনার চোখে পড়েছে আপনার লাইফস্টাইলের সাথে সাংঘর্ষিক অনেক বিষয় স্কুলিং এর মাধ্যমে চলে আসে। আমরা চাইলেও স্কুলিং সিস্টেমে অনেক কিছুই পরিবর্তন করতে পারিনা কেননা আমাদের "সিস্টেমের" ভেতরই অনেক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে।</p>



<p>তবে, একজন প্যারেন্ট হিসেবে যেকোন সীমাবদ্ধতা কাটাতে আপনাকেই সক্রিয় হতে হবে, সন্তানের জন্য সময়, অর্থ ও শ্রম বিনিয়োগের মাধ্যমে।</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/traditional-schooling-limitation/">আমাদের স্কুলিং পদ্ধতি ও বাস্তবতা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শিশুদের হাতেখড়ি - প্রসঙ্গ কথা</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%b6%e0%a6%b6%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a6%96%e0%a6%a1%e0%a6%bc/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Samiha Nabila]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 25 Jan 2023 02:23:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিশুপালন]]></category>
		<category><![CDATA[homeschooling]]></category>
		<category><![CDATA[হোমস্কুলিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=5432</guid>

					<description><![CDATA[<p>শিশুদের হাতেখড়ি এমন এক চাবি যার মাধ্যমে শিশু জ্ঞানভান্ডার খুলতে সক্ষম হয়; যা তার জীবনের চাহিদা পূরণ করবে।   শিক্ষার মৌলিক এই ব্যাখ্যা থেকে আমরা কিভাবে বিচ্ছিন্ন হলাম? উক্ত প্রবন্ধটি এই উত্তরের নিমিত্তে রচিত ‌।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%b6%e0%a6%b6%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a6%96%e0%a6%a1%e0%a6%bc/">শিশুদের হাতেখড়ি - প্রসঙ্গ কথা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<h4 class="wp-block-heading">শিশুদের "হাতেখড়ি"- বাঙলা এ শব্দটির ব্যাখ্যা হলো 'আনুষ্ঠানিকভাবে কোন কিছু শুরু করা'। তবে প্রচলিত অর্থে শিশুদেরকে বর্ণ পরিচয় শেখানোর পদ্ধতিকে হাতেখড়ি বলা হয়। আবার হাতেখড়ির মাধ্যমে শিশুদের পড়াশুনা শুরু করার প্রথম পদক্ষেপ নেয়া হয়। এতে তার আভিধানিক ও প্রচলিত- দুই অর্থেরই মান থাকে। যেহেতু হাতেখড়ি হলো শিশুদেরকে পড়াশুনার সাথে পরিচিত করানোর প্রথম পদক্ষেপ সেহেতু হাতেখড়ি সম্পর্কে জানার আগে পড়াশুনা বা শিক্ষা ও এর প্রক্রিয়া-উদ্দেশ্য সম্পর্কে আমাদের ধারণা সুগঠিত ও সুবিস্তৃত রাখা চাই।  </h4>



<div style="height:7px" aria-hidden="true" class="wp-block-spacer"></div>



<p>শিক্ষা, বিশেষ করে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা (গ্রাজুয়েশন, পোস্ট গ্রাজুয়েশন, পিএইচডি) প্রসার লাভ করে ২য় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর। আগে যেখানে মানুষ সর্বোচ্চ ১৫/১৬ বছর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাগ্রহণ করতো সেখানে ২০-২৪ বছর পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিতে শুরু করে।<sup>(১)</sup> আগে যেখানে ১৭ বছরেই বিয়ে করে সংসারের দায়িত্ব নিতে শুরু করতো সেখানে সরকারি চাকরি নিয়ে ২৫ বা ২৭ বছরে দায়িত্ব নিতে শুরু করে। </p>



<p>মূলত তারপর থেকেই বিশ্বব্যাপী পড়াশুনা 'সরকারি চাকরি' কেন্দ্রিক হয়ে উঠে।<sup>(২)</sup> আর এই জ্ঞানতত্ত্ব প্রসারের সাথে সাথে অর্থাৎ পড়াশুনা চাকরিকেন্দ্রিক হয়ে উঠাতে বেশিরভাগ মানুষ পড়াশুনার মূল লক্ষ্য থেকে সরে যায়। বিশেষ করে উপমহাদেশের সাধারণ মানুষ মোহাবিষ্ট হয়ে পরে। তাদের জরাজীর্ণ, আটপৌড়ে জীবনে সরকারি চাকরির নিশ্চয়তা হয়ে উঠে তাদের নির্ভরতার কেন্দ্রবিন্দু যাকে ছোঁয়ার একমাত্র হাতিয়ার হলো " প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনা"। যদিও এখন অনেকেই শিক্ষার এই গৎবাঁধা নিয়ম থেকে বের হতে চাইছে এবং মা শা আল্লাহ শিক্ষার আসল অর্থ অনুধাবন করতে শুরু করেছে।</p>



<div style="height:6px" aria-hidden="true" class="wp-block-spacer"></div>



<figure class="wp-block-image size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2023/01/soft-green-illustration-parents-day-instagram-post-2-1024x538.png" alt="শিশুদের হাতেখড়ি - প্রসঙ্গ কথা" class="wp-image-5764" title="শিশুদের হাতেখড়ি - প্রসঙ্গ কথা 1"></figure>



<p>এই সরকারি চাকরির মোহ থেকে সরে এসে যদি বাস্তবিকই পড়াশুনাকে ব্যবচ্ছেদ করে শিক্ষার আসল অর্থ অনুধাবন করি, তাহলে দেখা যাবে পড়াশুনা মূলত মানুষের অন্তরের জীর্ণতা দূর করে এবং পরিচয় করায় পৃথিবীর প্রশস্ততার সাথে। পুরো প্রক্রিয়াটি মানুষের অন্তরে আলো জ্বালায়। সম্পূর্ণ কুরআনের বেশিরভাগ আয়াত শুধুই বান্দার সাথে আল্লাহর সম্পর্ককে ব্যাখ্যা করে, অন্তরের নানা রোগ ও তার প্রতিষেধক নিয়ে আলোচনা করে, আত্মশুদ্ধির দিকে আহ্বান করে। </p>



<p>মহাপন্ডিত সক্রেটিস মানুষকে সবার আগে নিজেকে জানার আহ্বান করে বলেছেন, 'Know thyself (নিজেকে জানো)' । সাঈদ আবুল হাসান আলী নদবী ১৯৬৭ সালে 'দারুল উলূম নাদওয়াতুল উলামা'- এর শিক্ষাবর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তালিবানে ইলমের উদ্দেশ্যে যে বয়ান রাখেন সেখানে তিনি 'ইখলাস ও ইখতিসাস'<sup>(৩)</sup> বিষয়ে বলেন, প্রিয় বন্ধুগণ! আজ এখানে হৃদয়ের কাগজে ঈমানের কালি দিয়ে এই মহাপ্রতীজ্ঞা লিখে নাও, আমাকে উত্তম থেকে উত্তম হতে হবে এবং এজন্য যত ত্যাগ ও কোরবানী, যত সাধনা ও মোজাহাদা প্রয়োজন তা করতে হবে, করতেই হবে। এটা তোমার কাছে আমার দাবী নয়, তোমার কাছে তোমারই আত্মার দাবী। </p>



<p>কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কোন গ্রন্থাগার মানুষ তৈরী করে না, বরং নিজের যোগ্যতা এবং চেষ্টা-সাধনা ও মেহনত-মোজাহাদার মাধ্যমে মানুষ নিজেই গড়ে উঠে এবং প্রতীষ্ঠা লাভ করে।"<sup>(৪)</sup></p>



<div style="height:7px" aria-hidden="true" class="wp-block-spacer"></div>



<p>অর্থাৎ, শিক্ষা মানুষের নিজেরই অন্তরের চাহিদা পূরণের জন্য অপরিহার্য মৌলিক চাহিদা। মানুষের নিজেরই ফিতরাত তাকে শিক্ষার মুখাপেক্ষী করে। আর শিক্ষার ফলে ব্যাক্তি নিজের যতটুকু উৎকর্ষ সাধন করবে সেটা কোন লাইব্রেরী কিংবা প্রতিষ্ঠান তাকে দিবে না, নিজেকে অর্জন করে নিতে হবে। আর কীভাবে অর্জন করতে হবে সেই পন্থাটুকু শুধু শিখতে হবে শিক্ষক বা কোন প্রতিষ্ঠানের অধীনে থেকে। তবে, এটুকু মনে রাখতে হবে যে জীবনের সকল স্তরের চাহিদা পূরণ করার সাধ্য কোন প্রতিষ্ঠানের নেই। প্রতিষ্ঠান শুধু পড়াশুনার সাথে একটি বন্ধন জুড়ে দিতে পারে মাত্র।</p>



<p> ১৯৬৭ সালে দারুল উলূম নাদওয়াতে সাঈদ আবুল হাসান আলী নদবী পত্রস্থ বক্তব্য প্রদান করেন। যেখানে তিনি বলেছেন,' একটি সফল নিসাবে তালীম<sup>(৫)</sup> তার শিক্ষার্থীকে শুধু যোগ্যতার একটি স্তরে উন্নীত করে যাতে সে গ্রন্থসম্ভার ও জ্ঞানভান্ডার থেকে কল্যাণজনক ফল ও সিদ্ধান্ত আহরণ করতে পারে।'<sup>(৬) </sup>  </p>



<p>এখন পর্যন্ত এতোটুকু পরিষ্কার যে, শিক্ষা মানুষের নিজস্ব চাহিদা পূরণের হাতিয়ার। জৈবিক এবং মৌলিক এই ফিতরাত মানুষকে টেনে আনবে শিক্ষার কেন্দ্রে, মানুষ তার মনের খোরাক ও জীবনের নানা প্রয়োজন পূরণে বারবার ফিরে আসবে শিক্ষার দিকে। </p>



<p>এই ব্যাখ্যানুসারে পড়াশুনা হয়ে উঠে অন্যতম বিনোদনের মাধ্যম। শিশুরা নিজেরই চাহিদা পূরণে বারবার প্রত্যাবর্তীত হবে বইয়ের দিকে। বইয়ের সাথে তাদের এই সম্পর্ক গড়ে তুলা কিংবা হাতেখড়ির শুরুটাও হবে তেমনি মজার, আর যদি হয় মজার তাহলে তা শুরু করতে বাবা মায়ের কষ্ট হওয়ার কথাও অনেক কম। কিন্তু প্রচলিত পন্থায় দেখা যায় হাতেখড়ি দেয়াটাই সবথেকে কষ্টসাধ্য বিষয়। এর সহজতম উপায়টা তাহলে কেমন? পরবর্তী পর্বে তা আলোচনা করবো, ওয়ামা তাওফিকী ইল্লা বিল্লাহ। </p>



<p><strong><a href="https://matritto.com/how-children-learns/">২য় পর্ব পড়ুন</a></strong></p>



<div style="height:40px" aria-hidden="true" class="wp-block-spacer"></div>



<h2 class="wp-block-heading">তথ্যসূত্র</h2>



<p>১) BBC- ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২-এ Richard Fisher কর্তৃক সম্পাদিত BBC Family এর 'Why teenagers aren't what they used to be' শীর্ষক প্রতিবেদন থেকে। <br>২) আব্দুল্লাহ - কাজী ইমদাদুল হক<br>৩) ইখলাস - একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন; ইখতিসাস - কোন একটা বিষয়ে বিশেষত্ব অর্জন<br>৪) জীবন পথের পাথেয় - আবু তাহের মিসবাহ দামাত বারকাতুহুম কর্তৃক সংকলিত<br>৫) নিসাবে তালীম - শিক্ষা ব্যবস্থার পাঠ্যসূচী<br>৬) জীবন পথের পাথেয় - আবু তাহের মিসবাহ দামাত বারকাতুহুম কর্তৃক সংকলিত</p>



<div style="height:3px" aria-hidden="true" class="wp-block-spacer"></div>



<div style="height:7px" aria-hidden="true" class="wp-block-spacer"></div>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%b6%e0%a6%b6%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a6%96%e0%a6%a1%e0%a6%bc/">শিশুদের হাতেখড়ি - প্রসঙ্গ কথা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শিশুদের হাতেখড়ি - শিখায় শিশুদের মনস্তত্ত্ব</title>
		<link>https://matritto.com/how-children-learns/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Samiha Nabila]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Jan 2023 21:06:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিশুপালন]]></category>
		<category><![CDATA[child psychology]]></category>
		<category><![CDATA[homeschooling]]></category>
		<category><![CDATA[Parenting]]></category>
		<category><![CDATA[শিশুর মনস্তত্ত্ব]]></category>
		<category><![CDATA[হাতেখড়ি]]></category>
		<category><![CDATA[হোমস্কুলিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=5548</guid>

					<description><![CDATA[<p>শিশুদের হাতেখড়ি তো শুরু হয় তাদের জীবন শুরুর সাথে সাথেই। অক্ষরজ্ঞান দেয়া ও শিক্ষার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য ৪টি দক্ষতাকে ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। </p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/how-children-learns/">শিশুদের হাতেখড়ি - শিখায় শিশুদের মনস্তত্ত্ব</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>শিশুদের হাতেখড়ি নিয়ে মনোবিদ এরিকসন এরিক তার “Childhood and Society” বইয়ে লিখেন, শিশুরা ৫ ভাবে শিখতে পারে। এই ৫ টি ভাগকে তিনি সাজিয়েছেন যথাক্রমে- </p>



<blockquote class="wp-block-quote is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow">
<h3 class="has-medium-font-size wp-block-heading">নিঃশব্দ খেলা, সৃজনশীল খেলা, সক্রিয় খেলা, সমবেত খেলা বা দলগত খেলা এবং অভিনয় জাতীয় খেলা।<sup><a href="#1">(১)</a></sup> </h3>
<cite>এরিকসন এরিক</cite></blockquote>



<p>তবে, ইউরি বনফ্রেনব্রেনারসহ সবাই একমত যে শিশুরা (এবং সকল মানুষ) নতুন কোন দক্ষতা শিখে চারটি বিষয়কে সমন্বয় করে; মনোযোগ, স্মৃতি, উপলব্ধি এবং দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে।<sup><a href="#2" data-type="internal" data-id="#2">(২)</a></sup></p>



<p>শিশুদের হাতেখড়ি দেয়ার ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের মূল দায়িত্বটা থাকবে পড়াশুনার প্রতি তাদের একটি পযিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি তৈরী করে দেয়া। তাদের স্মৃতিশক্তিতে পড়াশুনার উপাত্ত সরবরাহ করা। তাদেরকে কর্তৃত্বে অভ্যস্ত করে তোলা, অর্থাৎ ‘কথা শুনেনা’ এই হতাশার পর্যায়ে না গিয়ে ‘কথা শুনতে হবে’ এই দৃঢ়তা ও কঠোরতায় অটুট ধাকা। এতে শিশুরা অন্যের অধীনে থেকে মনোযোগ দিয়ে অভ্যস্ত হতে পারে। নাহয় নিজের মনমতো চলার ও বাবা-মায়ের নিয়ন্ত্রণে না থাকার একটা প্রবণতা তাদের তৈরী হবে যা পরবর্তীতে তাদেরকে উগ্র হতে সাহায্য করে। (বিস্তারিত আলোচনা পরে করা হবে) এবং তাদের উপলব্ধিকে তীক্ষ্ণ ও ধারালো করা যাতে তারা সহজেই উপলব্ধি করতে পারে।</p>



<p>এই চারটি দক্ষতাকে মানুষ স্বভাবতই পেয়ে থাকে। কিন্তু সঠিক জায়গায় সঠিক মাত্রায় তা প্রয়োগ ও ব্যবহার শিখার জন্য তাদেরকে গাইড করতে হবে; উপযুক্ত ও পর্যাপ্ত গাইডেন্স দিতে হবে। আর এই গাইডেন্স শিশুদেরকে শেখানো শুরু করতে হবে তাদের প্রথম বছর থেকে। </p>



<p>৮ বছরের আগে শিশুরা যুক্তি বুঝবে না এবং ৩ মাস থেকে তারা অচেতনভাবে শিখতে শুরু করে। ফলে, শিশুদের জন্য শিক্ষার সবথেকে বড় উপকরণ হলো বাবা মায়ের আচরণ। তারা বাবা মাকে যেমন দেখছে সেসব মনে রাখছে। বাবা মায়ের যেমন আচরণ পাচ্ছে তা নোট করে রাখছে। They don’t understand but they recognize. আলোচনা শুরু করি কীভাবে শিশুদের মনোযোগ গঠন করা যায় এবং কীভাবে তাদের স্মৃতিতে পড়াশুনার তথ্য সরবরাহ করা যায় তা নিয়ে।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-large is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2023/01/child-psychology-samiha-1024x575.jpg" alt="শিশুদের হাতেখড়ি - শিখায় শিশুদের মনস্তত্ত্ব" class="wp-image-5961" width="768" height="431" title="শিশুদের হাতেখড়ি - শিখায় শিশুদের মনস্তত্ত্ব 2"></figure>
</div>


<p>শিশুকে অচেতনভাবে শিক্ষা দেয়াটা তাকে হামাগুড়ি দিতে শেখানোর মাধ্যমে শুরু করা যায়। ১ মাস বয়সের পর তাদেরকে টামি টাইম প্র্যাক্টিস করালে হামাগুড়ি দিতে শিখবে দ্রুত।<sup><a href="#3">(৩)</a></sup> টামি টাইম হলো শিশুকে তার পেটের উপর কিছু সময় কাটাতে দেয়া। সাধারণত ঘুম থেকে উঠলে কিংবা অনেক্ষন শুয়ে ধাকার পর শিশুদেরকে টামি টাইম প্রাক্টিস করানো যায়; দীর্ঘ সময় পিঠের উপর শুয়ে থাকলে। এর জন্য বপি পিলো পাওয়া যায় কিংবা তোয়ালে প্যাঁচিয়ে ইংরেজি ইউ (U) এর মতো রেখেও এটা প্রাক্টিস করা যায়। </p>



<p>এছাড়া বাবা-মায়ের পেটের উপরেও উপুড় করিয়ে শুইয়ে রাখা যায়। এই সময়ে তাকে ব্যস্ত রাখার জন্য লাল-হলুদ-সাদা-কালো রঙের খেলনা চোখ বরাবর রেখে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে অথবা যদি বাবা মায়ের পেটের উপর থাকে তাহলে তাদের (বাবা-মায়ের) চেহারাই হবে সবথেকে উত্তম আকর্ষণ বস্তু। </p>



<p>যেহেতু বাচ্চারা ১ মাস বয়সে তাদের থেকে ৮-১২ ইঞ্চি অবধি দেখতে পারে তাই খেলনাকে তাদের চোখের সেই দৃষ্টিসীমা অবধি রাখলেই তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ সম্ভব। সাধারণত , প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুরা ২-৩ মিনিটের বেশি টামি টাইম সহ্য করতে পারবে না। অভ্যস্ত হয়ে উঠলে ৪-৫ মিনিট সহ্য করতে পারবে। এতে বাচ্চাদের স্মৃতিতে উপুড় হওয়ার তথ্য জমতে থাকে এবং দৃষ্টিশক্তি ও মনোযোগ গঠিত হতে শুরু করে। পাশাপাশি শারিরীক কিছু মাংসপেশীও সুগঠিত হতে থাকে।</p>



<p>১ম মাস থেকেই শিশুদেরকে শিক্ষা দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা যায় তাদেরকে টামি টাইম প্রাক্টিস করানোর মাধ্যমে। এরপর হাঁটার প্রশিক্ষণ অবশ্য সবাই-ই কম-বেশি দিয়ে থাকেন। এছাড়া অন্যান্য যেসব জিনিস যেমন ওর সাথে স্বাভাবিক ইন্টার‍্যাকশন বজায় রাখতে এমনভাবে কথা বলতে হবে যেন কোন বড় মানুষের সাথে গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে, যেন ও সব বুঝতে পারছে। যেমন যেখানে সেখানে পটি করে দেয়া বাচ্চাদের স্বভাব, এটা বাচ্চারা না বুঝেই করে কিন্তু এই পটি দেখে মায়ের নাকি সুরে তাকে হালকা বকুনি দেয়াটা তাকে মায়ের বকুনির সাথে ও তার রাগী চেহারার সাথে পরিচিত করাবে। সামান্য সব নোংরাটে বিষয়ে তাকে শাসনের সাথে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। এটা তাদের উপলব্ধিকে ধারালো করতে শুরু করবে।</p>



<p>আবার ৭ মাস বয়স থেকে তাদেরকে সুইচ অন অফ করা শেখাতে হবে। এতে ফাইন মোটর স্কিল ডেভেলপ করবে এবং শব্দের সাথে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি বাবা মায়ের অধীনে থেকে শিখে ও বাবা মায়ের কাছে শিখে অভ্যস্ত হবে। তারা কর্তৃত্বের অধীনে থেকে বড় হতে শিখবে।</p>



<p>দুই আঙুলে কোন বস্তুকে ধরতে পারা অর্থাৎ পিন্সার গ্রাস্পিং (Pincer grasping) বাচ্চারা ৮ মাস বয়স থেকে শিখতে শুরু করে। <sup><a href="#4">(৪)</a></sup> এই সময় থেকেই তারা শিখতে পারে কলম কীভাবে ধরতে হয়। মায়েরা তাদের হাতে কলম দিয়ে দিয়ে অভ্যস্ত করাতে পারেন এই বয়স থেকেই। শুধু কলম ধরতে শিখলেই যথেষ্ট। ১ বছরের মধ্যে তাদের শিখে যাওয়া উচিৎ কীভাবে কলম ধরতে হয়। ২ বছরের মধ্যেই তাদের শিখে যাওয়া উচিৎ কীভাবে খাতায় অন্তত একটি লাইন আঁকতে হবে। মা একটি লাইন এঁকে দিবেন আর ও সেটাকে কপি করার চেষ্টা করবে। যদি ইতোমধ্যেই মায়ের ভাষা, কমান্ড ও শাসনের সাথে তার পরিচিতি ঘটে থাকে তাহলে সে সহজেই মায়ের ইনস্ট্রাকশন মোতাবেক কাজ করবে। </p>



<p>২ বছরে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা বাচ্চারা শিখবে যেটা হলো স্বাধীন বা বাঁধাহীনভাবে অন্তত ৩-৪ পৃষ্ঠা উল্টাতে পারে।<a href="#5" data-type="internal" data-id="#5"><sup>(৫)</sup></a></p>



<p>২ বছর বয়সী শিশুরা বইয়ে ছবি দেখে ও সেই ছবি শনাক্ত করতে পেরে আনন্দ পায়। ওরা নতুন কিছু করতে ও সবাইকে তার কৃতিত্বের ব্যাপারে জানাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। আর এটাই তাদেরকে বর্ণমালার সাথে পরিচিত করানোর উপযুক্ত সময়। যদি তাদের মনোযোগ সুগঠিত হয়ে থাকে তাহলে বইয়ের চিত্র দেখে খুবই আপ্লুত হবে এবং লেগে থাকতে চাইবে। আর মায়ের অনুশাসনের সাথে পরিচিতির কারণে তার মাঝে এই নির্ভরতা থাকবে যে মায়ের কাছে সে নতুন কিছু শিখবে। তার স্মৃতি তাকে অটোমেটিকলি অনুগত করে রাখবে এবং নতুন কিছু শেখার উন্মাদনা জন্ম দিবে।</p>



<p></p>



<h2 class="wp-block-heading" id="তথ্যসূত্র">তথ্যসূত্র</h2>



<p id="1">(১) <a href="https://www.proshikkhon.net/eric-ericksons-psychosocial-development-theory/" data-type="URL" data-id="https://www.proshikkhon.net/eric-ericksons-psychosocial-development-theory/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">প্রশিক্ষণ ডট নেট</a></p>



<p id="2">(২) Sprouts (Youtube Channel)</p>



<p id="3">(৩) Nekole Amber (Youtube channel). পারমিতার প্রতিদিন (ফেসবুক পেজ)</p>



<p id="4">(৪) Development Psychology - Jeana Overby</p>



<p id="5">(৫) Nekole Amber (Youtube channel)</p>



<p> </p>



<p></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/how-children-learns/">শিশুদের হাতেখড়ি - শিখায় শিশুদের মনস্তত্ত্ব</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হোমস্কুলিং নিয়ে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর</title>
		<link>https://matritto.com/homeschooling-frequently-asked-questions/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sakiba Ahmed]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 07 Jun 2022 15:12:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>
		<category><![CDATA[homeschooling]]></category>
		<category><![CDATA[হোমস্কুলিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=5621</guid>

					<description><![CDATA[<p>কোভিড সহ বর্তমান নানা বাস্তবতা আমাদের মা-বাবাদের হোমস্কুলে আগ্রহী করে তুলছে। তাদের কাছে থেকে সচরাচর পাওয়া নানা প্রশ্নের উত্তর এই লেখা।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/homeschooling-frequently-asked-questions/">হোমস্কুলিং নিয়ে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>৩ বছরের তালহা কথা বলে না। একদমই বলে না। তার মা কিছুটা ইন্ট্রোভার্ট হওয়াতে বাচ্চার সাথে কি বলবে কি না বলবে বুঝতে পারে না। বান্ধবীর কাছে জানতে পেরেছিলো হোমস্কুলিং এর বিষয়ে৷ খোঁজ পেয়েছিলো Sparkle Homeschool এ কোয়ালিটি টাইম স্পেন্ড করার মত অনেক কন্টেন্ট দেওয়া হয়। একটু দেখি না কি হয়! ভেবেই জয়েন করা! আলহামদুলিল্লাহ ৬ মাস পর তালহার কথার জ্বালায় এখন আর কেউ টিকতে পারে না! তালহার আম্মু নিয়মিত ওয়ার্কশীট গুলো নিয়ে বসতো বাচ্চার সাথে আর Sparkle এর মান্থলি প্ল্যান এ দেওয়া টপিক এর উপর অনেক অনেক কথা বলতো! </p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2022/06/homeschooling-faq-1024x500.jpg" alt="হোমস্কুলে নিয়ে সচরাচর পাওয়া নানা প্রশ্নের উত্তর এই লেখা।" class="wp-image-5628" title="হোমস্কুলিং নিয়ে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর 3"></figure>



<p>২ বছরের মাইশা শুধু কান্নাকাটি করে আর জেদ দেখায়। ওর আম্মুর বিজনেস এর জন্য একদমই সময় দিতে পারে না। একদিন ওর আম্মু সিদ্ধান্ত নিলো ব্যবসা পরে! আগে সন্তানকে সময় দিয়ে পরে আবার রি স্টার্ট করা যাবে। কিন্তু হোমস্কুলিং এর নাম তো শুনেছে আর বাকি কিছুই বুঝতে পারছিলো না! <a href="https://www.facebook.com/sparklehomeschool" target="_blank" data-type="URL" data-id="https://www.facebook.com/sparklehomeschool" rel="noreferrer noopener">Sparkle Homeschool </a>এর পোস্ট ফলো করে করেই যা শেখা! </p>



<p>অনেক জেনে বুঝে শুরু করলেন হোমস্কুলিং। মাইশা এখন ৩.৫ বছর বয়স, ছোট ছোট ইংলিশ ওয়ার্ডগুলো রিডিং পড়তে পারে! আর খুবই ধীরস্থির এবং ম্যানেজেবল একটা বাচ্চা! রাফিয়া আপু খুবই অস্থির ছিলেন বাচ্চাকে এতো ওয়ার্কশীট দেই এতো ছবি দেখাই প্রশ্ন করলে একটাও উত্তর দেয় না! Sparkle Homeschool থেকে ছিলো ছোট্ট একটা টিপস! সেটা ফলো করেই ৪ মাস পর রাফিয়া আপু রিপ্লাই দিলেন, আপুউউউ! বাবু এখন সারাদিন যা যা শিখিয়েছি সবই বলে!</p>



<p>উপরের দুটো বাস্তব গল্প যেন Tip of the iceberg! বিগত কয়েক বছরে আমাদের হোমস্কুলিং ইনিশিয়েটিভে যুক্ত প্রায় সব অভিভাবকদের অভিজ্ঞতা এরকমই। কোভিড সহ বর্তমান নানা বাস্তবতা আমাদের মা-বাবাদের হোমস্কুলে আগ্রহী করে তুলছে। তাদের কাছে থেকে সচরাচর পাওয়া নানা প্রশ্নের উত্তর এই লেখা। আশা করছি ক্রমাগত হালনাগাদ করতে পারবো এই লেখা।</p>



<p></p>



<p></p>



<h2 class="wp-block-heading">হোমস্কুলিং (Homeschooling) নিয়ে প্রশ্নোত্তর</h2>


<div id="rank-math-faq" class="rank-math-block">
<div class="rank-math-list ">
<div id="faq-question-1673448466545" class="rank-math-list-item">
<h3 class="rank-math-question ">হোমস্কুলিং টা আসলে কি?</h3>
<div class="rank-math-answer ">

<p>হোমস্কুলিং আসলে বাসায় অভিভাবকদের নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে থেকে একটি স্ট্রাকচার্ড কারিকুলাম এর মাধ্যমে বাচ্চাদের পড়ানোকে বোঝায়।</p>

</div>
</div>
<div id="faq-question-1673448511969" class="rank-math-list-item">
<h3 class="rank-math-question ">নির্দিষ্ট নিয়ম বলতে আপনি কি বোঝাচ্ছেন?</h3>
<div class="rank-math-answer ">

<p>নির্দিষ্ট নিয়ম বলতে আসলে একদিন পড়ালাম একদিন পড়ালাম না এমন যেন না হয়, স্কুলে গেলে যেমন প্রতিদিন যেতে হতো হোমস্কুলিং বাচ্চাকেও একটা নির্দিষ্ট রুটিন অনুসারে পড়াতে বসাতে হবে।</p>

</div>
</div>
<div id="faq-question-1673448527049" class="rank-math-list-item">
<h3 class="rank-math-question ">তাহলে স্ট্রাকচার্ড কারিকুলাম কী?</h3>
<div class="rank-math-answer ">

<p>স্ট্রাকচার্ড কারিকুলাম হলো বাচ্চার বয়স এবং মেধা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটা কারিকুলাম ফরম্যাট তৈরি করে নেওয়া যেটা দেখে বোঝা যাবে বাচ্চাকে আমি কতটুকু কী শেখাবো।</p>

</div>
</div>
<div id="faq-question-1673448535443" class="rank-math-list-item">
<h3 class="rank-math-question ">এই কারিকুলাম কী যে কেউ তৈরি করতে পারবে?</h3>
<div class="rank-math-answer ">

<p>ছোট ক্লাসের জন্য অনেকেই তৈরি করে নিতে পারবে। শুধু তার আইডিয়া থাকতে হবে যে সে কোন কারিকুলামের উপর বেইস করে নিজের কারিকুলাম টা তৈরি করবে? ন্যাশনাল কারিকুলাম নাকি কেম্ব্রিজ অথবা এডেক্সেল কারিকুলাম। কারিকুলাম সম্পর্কে অবশ্যই তার অল্পবিস্তর স্টাডি করে নিতে হবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকলে সেটা আরো কাজে লাগাতে পারবে।</p>

</div>
</div>
<div id="faq-question-1673448569154" class="rank-math-list-item">
<h3 class="rank-math-question ">আর যদি কেউ নিজে থেকে কারিকুলাম তৈরি করতে না পারে?</h3>
<div class="rank-math-answer ">

<p>তাহলে যারা কারিকুলাম তৈরিতে এক্সপার্ট তাদের সাহায্য নেবে অথবা হোমস্কুলিং সাপোর্ট দেয় (যেমন স্পার্কল হোমস্কুল) এমন কারো হেল্প নিবেন।</p>

</div>
</div>
<div id="faq-question-1673448575540" class="rank-math-list-item">
<h3 class="rank-math-question ">কারিকুলাম এবং রুটিন তৈরি করলে কি কাজ শেষ?</h3>
<div class="rank-math-answer ">

<p>না কারিকুলাম এবং রুটিন তৈরি করার পর প্রতি মাসে কতটুকু পড়াতে হবে সে অনুযায়ী একটা মান্থলি প্ল্যান থাকতে হবে এবং সেটার উপর বেইস করে টিচিং ম্যাটেরিয়ালস ও তৈরি করতে হবে।</p>

</div>
</div>
<div id="faq-question-1673448589731" class="rank-math-list-item">
<h3 class="rank-math-question ">টিচিং মেটেরিয়ালস কিভাবে তৈরি করা যেতে পারে?</h3>
<div class="rank-math-answer ">

<p>মানসম্মত টিচিং ম্যাটেরিয়ালস তৈরীর জন্য বেশ লম্বা একটা সময় রিসার্চ করতে হবে। বয়স উপযোগী রিসোর্সেস কোথায় পাওয়া যায় এবং সেখানে খরচ কেমন পড়বে এসব স্টাডি করার মাধ্যমে নিজের বাচ্চার উপযোগী টিচিং ম্যাটেরিয়ালস তৈরি করতে হবে অথবা কিনে ফেলতে হবে।</p>

</div>
</div>
<div id="faq-question-1673448603084" class="rank-math-list-item">
<h3 class="rank-math-question ">ও মা এতো কাজ! আচ্ছা কেউ যদি টিচিং ম্যাটেরিয়ালস তৈরি করতে না পারে?</h3>
<div class="rank-math-answer ">

<p>তাহলে তিনি হোমস্কুলিং সংক্রান্ত সার্ভিস দেয় এমন কোন প্রোভাইডারের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমি নিজে স্পার্কেল হোমস্কুল নামে এমন একটি উদ্যোগ চালাই। আমাদের সদস্য হয়ে আপনি হোমস্কুল সংক্রান্ত যেকোন সাপোর্ট পাবেন।</p>

</div>
</div>
<div id="faq-question-1673448609946" class="rank-math-list-item">
<h3 class="rank-math-question ">হোমস্কুলিং করলে বাচ্চাকে কি নির্দিষ্ট কোন বই থেকেই পড়াতে হবে?</h3>
<div class="rank-math-answer ">

<p>মোটেও না! হোমস্কুলের অর্থ হলো বাচ্চা বাসায় থেকে শিখছে। সে ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে বাচ্চার জীবনের প্রত্যেকটা দিনই সে শিখবে এবং এবং সে দুচোখ দিয়ে যে দুনিয়াটা দেখবে পুরো দুনিয়াটাই তার ক্লাস রুম হয়ে যাবে এবং এই ক্লাস রুম থেকে শেখানোর দায়িত্ব বাবা-মায়ের অথবা দায়িত্বপ্রাপ্ত কারো উপর থাকবে।</p>

</div>
</div>
<div id="faq-question-1673448624060" class="rank-math-list-item">
<h3 class="rank-math-question ">হোমস্কুলিং এর কারণে বাচ্চারা নাকি মানুষের সাথে মেলামেশা করতে পারেনা? সামাজিকতা নষ্ট হয়?</h3>
<div class="rank-math-answer ">

<p>এটা একদমই ভুল কথা। হোমস্কুলিং বাচ্চারা সামাজিকভাবে অনেক এগিয়ে যেতে পারে যদি প্যারেন্টসরা সে ব্যাপারে বিশেষ খেয়াল বা যত্ন নেয়। যেমন হোমস্কুলিং বাচ্চারা সারাক্ষণ বাসায় থাকছে তারা তাদের কাজিন বা ভাই-বোনদের সাথে অনেক কিছু করতে পারে। অনেকটা সময় পার করতে পারে। সে তার প্রতিবেশীর সাথে প্রতিদিন নিয়মিত দেখা করতে পারে এবং তার আত্মীয় স্বজনের খোঁজ খবর নিতে পারে। সমবয়সী অনেক বাচ্চাদের সাথে মেলামেশার জন্য সাপ্তাহিক ভাবে কারো বাসায় বেড়াতে যেতে পারে অথবা পার্কে বা মাঠে খেলা করতে যেতে পারে। আমাদের মনে রাখাটা জরুরী যে সামাজিকতা বলতে কিন্তু জাস্ট একসাথে কোন গেদারিং করা না। সামাজিকতা বলতে সমাজের প্রতি যে দায়িত্ব আছে মানুষের প্রতি যে দায়িত্ব আছে সেটা শেখা এবং সেটা পালন করা। হোমস্কুলিং বাচ্চারা স্কুলের বাচ্চাদের থেকেও এই সুযোগগুলো অনেক বেশি পেতে পারে যদি প্যারেন্টস এই দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখেন।</p>

</div>
</div>
<div id="faq-question-1673448638863" class="rank-math-list-item">
<h3 class="rank-math-question ">হোমস্কুলিং করা বাচ্চারা কি পড়ালেখার দিকে স্কুলের থেকে পিছিয়ে যায়?</h3>
<div class="rank-math-answer ">

<p>রিসার্চ বলে হোমস্কুলিং করা বাচ্চারা স্কুল গোয়িং বাচ্চাদের তুলনায় অনেক বেশি মেধা সম্পন্ন হয়ে থাকে কেননা তারা একটা বিরাট সময় পায় পড়ালেখার জন্য এবং তাদেরকে বিশেষ কেয়ার নিয়ে লেখাপড়াটা শেখানো হয়ে থাকে যেটা স্কুলে বা কোচিং সেন্টারে অনেক মানুষের ভীড়ে সম্ভব হয় না।</p>

</div>
</div>
<div id="faq-question-1673448649205" class="rank-math-list-item">
<h3 class="rank-math-question ">কেউ যদি স্কুলের পাশাপাশি হোমস্কুলিং করাতে চায় সেটা কী সম্ভব?</h3>
<div class="rank-math-answer ">

<p>অবশ্যই সেটা সম্ভব যদি স্কুলে অতিরিক্ত প্রেসার না থাকে। স্কুলের পাশাপাশি হোমস্কুলিং করালে যে বিষয়গুলোতে বাচ্চা দুর্বল থাকে সে বিষয়গুলোতে একটু ভালোভাবে টেককেয়ার করা যায় এবং যে বিষয়গুলোর প্রতি বাচ্চার ইন্টারেস্ট অনেক বেশি সেই বিষয়গুলো বিশেষ যত্ন নিয়ে আরো বেশি ভালো করানো সম্ভব।</p>

</div>
</div>
<div id="faq-question-1673448668335" class="rank-math-list-item">
<h3 class="rank-math-question ">হোমস্কুলিং করালে বাচ্চার অথবা প্যারেন্টস এর কী কী উপকার হতে পারে?</h3>
<div class="rank-math-answer ">

<p>হোমস্কুলিং এর সবচেয়ে বড় যে উপকার সেটা হলো বাচ্চার সাথে প্যারেন্টস এর একটা দৃঢ় বন্ধন তৈরি হয়। কোয়ালিটি টাইম কাটানোর মাধ্যমে বাচ্চারা যেমন বাবা-মাকে চিনতে শিখে বাবা-মাও বাচ্চাকে অনেকটা বুঝতে পারে। এতে করে একে অপরের সাথে বন্ডিংটা দৃঢ় হয়ে। সেই সাথে বাচ্চার পছন্দকে গুরূত্ব দিয়ে তার মেধার প্রতি যত্ন নেওয়া যায়।</p>

</div>
</div>
</div>
</div>


<p><br></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/homeschooling-frequently-asked-questions/">হোমস্কুলিং নিয়ে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রসঙ্গঃ হোমস্কুলিং ও বহুল প্রচলিত ভুলঃ প্রথম পর্ব</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%83-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%93-%e0%a6%ac%e0%a6%b9/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[ফারিহা আমাতুর রহমান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 May 2021 19:11:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>
		<category><![CDATA[homeschooling]]></category>
		<category><![CDATA[হোমস্কুলিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=4462</guid>

					<description><![CDATA[<p>বিভন্ন সময়ের বিভিন্ন বিষয়ের বহু স্কলার এর মতে, বুদ্ধিমান আর বোকার মধ্যে বুদ্ধির যে পার্থক্য তার মূল কারণ হলো 'মনোযোগ দেয়ার ও ধরে রাখার ক্ষমতার পার্থক্য"।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%83-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%93-%e0%a6%ac%e0%a6%b9/">প্রসঙ্গঃ হোমস্কুলিং ও বহুল প্রচলিত ভুলঃ প্রথম পর্ব</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>বিভন্ন সময়ের বিভিন্ন বিষয়ের বহু স্কলার এর মতে, বুদ্ধিমান আর বোকার মধ্যে বুদ্ধির যে পার্থক্য তার মূল কারণ হলো 'মনোযোগ দেয়ার ও ধরে রাখার ক্ষমতার পার্থক্য"।<br></p>



<p>যেই বাচ্চা গভীর মনোযোগ দিয়ে চিন্তা করতে পারে, আশেপাশের সব ভুলে চিন্তায় মগ্ন হয়ে যায়, সে যে বিষয়েই চিন্তা করুক না কেন, সেটাতে তার বুদ্ধিকে ধার দিতে থাকে। যেমন, একটা বাচ্চা চিন্তা করছে গাছের পাতা কেন সবুজ। উত্তরের কুল কিনারা করতে না পারলেও তার যদি পাঁচ মিনিট মনোযোগ দিয়ে চিন্তা করার অভ্যাসটা থাকে পাঁচ মিনিট পর তার রিজনিং এর ক্ষমতায় কিছু শক্তিবৃদ্ধি হয়, খুবই সামান্য হলেও। </p>



<p>আর যেই বাচ্চাটা বিশ সেকেন্ড চিন্তা করার পরই খেলায় মন দেয় বা মনোযোগ একটু পর পর এদিক ওদিক সরিয়ে নিতে থাকে তার সেই সামান্য ক্ষমতা বৃদ্ধিটা হয় না। বছরের পর বছর এই ছোট্ট অভ্যাসটাতে ধার দিতে দিতে একটা সময় এই দুই বাচ্চার মধ্যে যুক্তি বোঝার ক্ষেত্রে বিরাট পার্থক্য তৈরি হয়। স্বাভাবিকভাবেই, যুক্তি তর্ক কম বোঝে এরকম বাচ্চা ফিক্বহ যত বেশিই পড়ুক, যুক্তি ভালো বোঝে এরকম বাচ্চাই ফিক্বহ শাস্ত্র ভালো বুঝবে এবং একটু কম পড়লেও দিনশেষে এগিয়ে থাকবে।</p>



<p>যে বাচ্চাটা মনোযোগ দিয়ে গোলাপ ফুলটা দশ মিনিট ধরে দেখে, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে, আশেপাশের সব ভুলে যায়, সে সম্ভবত খুব ভালো ছবি আঁকবে, অথবা জীববিজ্ঞান ভালো বুঝবে। সে এই এক মনোযোগ দেয়ার মাধ্যমে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক একটি গুণে নিজের অজান্তেই ধার দিচ্ছে। সেটা হলো অবজারভেশন বা পর্যবেক্ষণ।</p>



<p>আরেকটা বাচ্চা মনোযোগ দিয়ে বড়দের কথা শোনে। তার স্পিচ ডিলে একারণেই হয়না কেননা সে তার বুদ্ধিকে ধার দিয়ে কথা শেখার চেষ্টা করে। সে ভাষার প্যাটার্ন ধরার চেষ্টা করে, শব্দ মনে রাখার চেষ্টা করে, নিজে নিজে মনে সেগুলো নিজের মতো করে আউড়ায়, রিভিশন দেয়। সে মনোযোগ দিয়ে কথা শোনার মাধ্যমে তার ভাষাগত স্কিল(বুদ্ধিরই একটা দিক) ধার দিচ্ছে। যেই শিশু আশেপাশের কথাবার্তায় একনিষ্ঠভাবে মনোযোগ দিচ্ছে না বরং এই খেলনা থেকে ঐ খেলনায় ছুটছে বা মোবাইল নিয়ে পড়ে আছে তার শুধু মাতৃভাষা শিখতে দেরি হচ্ছে তাই না, সে সারা জীবনের জন্যই ভাষা শেখার জন্য মস্তিষ্কের যে অংশকে ধার দেয়া দরকার সময়মতো না দেয়ার কারণে ভবিষ্যতেও যে কোন ভাষা শেখা তার জন্য কঠিন হবে।</p>



<p>বেডটাইম স্টোরি শোনার সময় মন দশবার এদিক ওদিক ছোটে যে বাচ্চার তার কল্পনাশক্তির বিকাশ ভীষণভাবে ব্যহত হবে।</p>



<p>বইয়ে মনোযোগ দিতে না পারলে কী কী গুণের বিকাশ ঘটবে না সেগুলো লিস্ট করে শেষ করা যাবে না।</p>



<p>দিনশেষে, একজন বুদ্ধিমান মানুষের 'অনেক বুদ্ধি' হওয়ার পেছনে যত ক্রাইটেরিয়া প্রায় সব(যদি ব্যাতিক্রম থেকে থাকে, আমার জানা নেই) ঘুরে ফিরে এক জায়গায় এসে ঠেকে।</p>



<figure class="wp-block-pullquote"><blockquote><p>মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা।</p></blockquote></figure>



<p>এই ক্ষমতা ধার দেয়ার, অথবা স্বাভাবিক যা আছে তাকেও ধরে রাখার মোক্ষম সময় হলো বয়স যখন শুণ্য থেকে সাত।</p>



<p>এর মধ্যে সাধারণত অনেকটা ঠিক হয়ে যায় যে বাচ্চা 'বুদ্ধিমান' নাকি 'একটু স্লো বোঝে', যে কোন বিষয়ে।</p>



<p>মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধির অনেক উপায় আছে। চার্লট ম্যাসন হোম এডুকেশন বইয়ে অসাধারণ অনেক আইডিয়া দিয়েছেন। শিক্ষকের দিক থেকে কী কী করা যেতে পারে তার কিছু আইডিয়া আছে The seven laws of teaching বইয়ে। দুটো বইই নেটে ফ্রীতে পাওয়া যায়। সেগুলো নিয়ে বিস্তারিত নাই বা বললাম।</p>



<p>বিস্তারিত বরং বলা যাক কিভাবে মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতাকে একেবারে গলা টিপে হত্যা করা যায় সেটা নিয়ে।</p>



<p>বাচ্চার হাতে ডিভাইস, ঘরের দেয়ালে টিভি অথবা টেবিলে ল্যাপটপ, ব্যাটারিচালিত খেলনা, অনেক অনেক খেলনা। যেন কোনটা ছেড়ে কোনটা খেলবে ভাবতে ভাবতেই সময় কেটে যায়। একটা নিয়ে এক মিনিটও ঠিকমতো খেলা হয় না। তার আগেই মনোযোগ ছোটে আরেকটার দিকে।</p>



<p>এই ফাঁদগুলোতে আমরা প্রায় সবাই পা দিই।</p>



<p>অনলাইন স্কুল, অনলাইন একাডেমি, অনলাইন মাদ্রাসা, অনলাইন কোর্স বাচ্চাকে ইনফরমেশন বোঝাই 'স্লো লার্নার' অন্য কথায় বোকাসোকা বানাবে।</p>



<p>বাচ্চাকে সাত বছর বয়সের আগে পড়াশোনাই না করানো তার বুদ্ধি বাড়ানোর জন্য ভালো। তাও যদি একান্তই করাতে হয়, বই খাতা নিয়ে কারো সামনে বসে, তার চোখে চোখ রেখে। ল্যাপটপের সামনে বসে হোমস্কুলিং হয়না। বাচ্চাকে প্রতি ঘন্টা ক্লাসের পর আগের চেয়ে আরেকটু বোকা, আরেকটু ইনফরমেশন বোঝাই গাধা বানানো হয়।</p>



<p>ইউটিউবে এত সুন্দর ভিডিও, এত শিক্ষামূলক, এত আকর্ষণীয় যে এই আকর্ষণ উপেক্ষা করা কঠিন। কিন্তু স্ক্রিনের ক্ষতির বাইরেও ভিডিওর আরেকটি ক্ষতিকর দিক আছে যা মাথায় থাকলে এই আকর্ষণ আমাদের আর থাকতো না।</p>



<p>সরাসরি বই থেকে শব্দ পড়লে বাচ্চারা সবচেয়ে বেশি শেখে। তাকে অক্ষরগুলো প্রসেস করে শব্দ পড়ে বাক্যের অর্থ উদ্ধার করে, আগের অভিজ্ঞতা এবং দেখার রেঞ্জ থেকে কল্পনায় সেই ছবি সাজিয়ে গল্প চলার সাথে সাথে সেই ছবিকে সচল রাখতে হয়। ভিডিও বানানোর পুরো প্রসেস তার নিজের করা লাগে।</p>



<p>আরেকটু কম শেখে ঐ গল্পটা পড়ে শোনালে। অক্ষর বিশ্লেষণ করে অর্থ উদ্ধারের কাজটা তাকে করা লাগে না।<br>আরেকটু কম বুদ্ধির ধার হয় ইলাস্ট্রেশন দেখিয়ে বই পড়ে শোনালে। কল্পনার ছবি তার নিজের আঁকা লাগে না, ত্রার কল্পনা ইলাস্ট্রেটর করে দেন।</p>



<p>আর বুদ্ধি কোন ধারই পায়না যেটা থেকে সেটা হলো ভিডিও। তার spatial intelligence তৈরি করার পরিবর্তে ভিডিওই সব কাজ করে দেয়। ওর মাথার কোন কাজ থাকে না ইনফরমেশন নেয়া ছাড়া। কাজেই অনেক ইনফরমেশন নেয়, দ্রুত নেয়, অলস থাকা যায় বলে খুব আরাম লাগে, খুব মজা লায় ভিডিও দেখে। অনেক্ষণ দেখলেও ক্লান্তি লাগে না। গল্প শুনলে এক সময় না এক সময় ক্লান্তি আসেই, ভিডিওতে আসে না।</p>



<p>এখন আমাদের সিদ্ধান্ত, আমরা বাচ্চাকে ইসলামিক ইনফরমেশনের ঝুড়ি বানাবো, নাকি সত্যিকারের আলেম হওয়ার জন্য তৈরি করবো।</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%83-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%93-%e0%a6%ac%e0%a6%b9/">প্রসঙ্গঃ হোমস্কুলিং ও বহুল প্রচলিত ভুলঃ প্রথম পর্ব</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রসঙ্গঃ হোমস্কুলিংঃ শিশুর মনস্তাত্ত্বিক দিক বিবেচনা করে কারিকুলাম প্রণয়ন</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%83-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%83-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[ফারিহা আমাতুর রহমান]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 May 2021 06:57:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>
		<category><![CDATA[homeschooling]]></category>
		<category><![CDATA[হোমস্কুলিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=4457</guid>

					<description><![CDATA[<p>বয়স ০-৪ বছরঃ মূলত ভাষা শেখার সময়। যে কয়টা ভাষা তাকে লং রানে শেখানোর ইচ্ছা তার সবগুলোই যতখানি পারা যায় এই বয়সে শিখিয়ে ফেলার চেষ্টা করা ভালো, সবচেয়ে কম সময়ে, একেবারেই চাপ না দিয়ে এবং কম পরিশ্রমে কাজ আদায় করা যাবে। উল্লেখ্য, ভাষা শেখা মানে আলাদাভাবে ব্যাকরণ বা শব্দ শেখা না। মাতৃভাষা যেভাবে আমরা শিখেছি [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%83-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%83-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6/">প্রসঙ্গঃ হোমস্কুলিংঃ শিশুর মনস্তাত্ত্বিক দিক বিবেচনা করে কারিকুলাম প্রণয়ন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<h2 class="wp-block-heading">বয়স ০-৪ বছরঃ</h2>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2021/05/child-psychology.jpg" alt="শিশুর মনস্তত্ত্ব হোমস্কুলিং" class="wp-image-4458" title="প্রসঙ্গঃ হোমস্কুলিংঃ শিশুর মনস্তাত্ত্বিক দিক বিবেচনা করে কারিকুলাম প্রণয়ন 4"></figure></div>



<p>মূলত ভাষা শেখার সময়। যে কয়টা ভাষা তাকে লং রানে শেখানোর ইচ্ছা তার সবগুলোই যতখানি পারা যায় এই বয়সে শিখিয়ে ফেলার চেষ্টা করা ভালো, সবচেয়ে কম সময়ে, একেবারেই চাপ না দিয়ে এবং কম পরিশ্রমে কাজ আদায় করা যাবে। উল্লেখ্য, ভাষা শেখা মানে আলাদাভাবে ব্যাকরণ বা শব্দ শেখা না। মাতৃভাষা যেভাবে আমরা শিখেছি একই ভাবে(সাবকনশাস ভাবে) ভাষা শেখানো। অর্থাৎ যে ভাষাটা শেখাচ্ছি তাতে শিশুকে বেশি বেশি এক্সপোজ করা, ঐ ভাষায় তার সাথে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কথা বলা, বই পড়ে শোনানো ইত্যাদি। কোনরকম কথা বলতে শেখা না, বরং ধীরে ধীরে প্রচুর বই পড়া বা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে গিয়ে স্বাভাবিক নিয়মে যার যত শব্দভাণ্ডার ও কমপ্লেক্স বাক্য গঠনের স্কিল বাড়বে, ততই পরের ধাপের জন্য সে শক্তভাবে এগিয়ে থাকবে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বয়স ৩-৭ বছরঃ</h2>



<p>কল্পনাশক্তি বিকাশের সময়। শক্তিশালী কল্পনার জন্য ভাষায় ভালো দখল থাকা জরুরী। এ সময়ও ভাষা শিক্ষা চালিয়ে যেতে হবে। তবে ভাষা শিক্ষার চেয়ে ফোকাস বেশি থাকবে কল্পনাশক্তি বিকাশের দিকে। দুটোই একসাথে হতে পারে কল্পনাশক্তিকে শাণিত করে এ ধরণের প্রচুর সাহিত্য পাঠের মাধ্যমে। এ ছাড়া কল্পনাশক্তি বিকাশকারী খেলাধুলা যেমন ডাক্তার, ফেরিওয়ালা ইত্যাদি বিভিন্ন চরিত্রের অভিনয় করা, চেয়ারে ওঠার মাধ্যমে 'পাহাড়ে ওঠার' খেলা, বাথটাবে বসে বসে 'নৌকা চালানো', কাল্পনিক বন্ধুর সাথে কথোপকথন, ইত্যাদি এ বয়সে গুরুত্বপূর্ণ।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বয়স ৭-১০ বছরঃ</h2>



<p>তথ্য মুখস্থ করার জন্য সবচেয়ে ভালো সময়। মুখস্থ আমাদের জন্য কষ্টের কাজ হলেও এই বয়সী বাচ্চারা তাদের আগ্রহের তথ্য মুখস্থ করতে 'ভালোবাসে'। এবং সবচেয়ে দ্রুত মুখস্থ করতে পারে। দীর্ঘদিন মনেও রাখতে পারে। এই বয়সী বাচ্চারা যৌক্তিক আলোচনা পর্যালোচনার চেয়ে নিরেট তথ্যে বেশি আগ্রহ দেখায়, এবং এটাই তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো। যেমনঃ ইতিহাস বই পড়ার সময় পড়ার মাঝে থেমে রাজা অমুক কাজটা করে ঠিক করেছেন না ভুল করেছেন, এই আলোচনায় তারা আগ্রহ দেখায় না। কী করেছেন সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। এই বয়সে খুব খেয়াল করে বাছাই করে বাচ্চাকে মুখস্থ করার জন্য তথ্যের যোগান দিতে হবে। এই সময়ে সে যা যা মুখস্থ করবে তার শক্তিশালিতা ও ব্যাপ্তির উপর ভিত্তি করে তার পরবর্তী ধাপ সহজ বা কঠিন হবে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বয়স ১১-১৪ বছরঃ</h2>



<p>এ সময় বাচ্চাদের আগের দুই ধাপের উপর ভিত্তি করে যৌক্তিক পর্যালোচনা, গঠনমূলক সমালোচনার দৃষ্টিভঙ্গি ও পারদর্শিতা গড়ে তোলার সময়। কল্পনাশক্তিতে দুর্বলতা থাকলে অথবা তার 'জানার পরিধি' বা মুখস্থের পরিমাণ কম হলে তার যৌক্তিক পর্যালোচনা ও ক্রিটিকাল থিংকিং এর সামর্থ্য কম হবে। এ সময়ে রাজা কী করেছিলেন এর চেয়ে রাজা কাজটা ঠিক না ভুল করেছিলেন, কেন ঠিক বা কেন ভুল এটা নিয়ে পর্যালোচনায় বাচ্চারা আগ্রহ বেশি পায়।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বয়স ১৪-১৭ বছরঃ</h2>



<p>এ সময়ে বাচ্চা নিজের চিন্তাকে গুছিয়ে সাবলীলতার সাথে প্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন করে। এর আগে যা যা শিখেছে তার উপর ভিত্তি করে ভালো মানের 'রিসার্চ পেপার' লেখার জন্য এই বয়সে বাচ্চাকে তৈরি করতে হয়। শুধু অনেক জানা ও যৌক্তিকভাবে চিন্তা করতে পারাই শেষ না, বরং এই গুরুত্বপূর্ণ ধাপটিতে নিজের চিন্তাকে ত্রুটিহীনভাবে প্রকাশ করার দক্ষতা অর্জনের সময়।</p>



<p>ছবি কৃতজ্ঞতা: <a href="https://www.freepik.com/vectors/brain" target="_blank" aria-label="ফ্রিপিক (opens in a new tab)" rel="noreferrer noopener" class="rank-math-link">ফ্রিপিক</a></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%83-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%83-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6/">প্রসঙ্গঃ হোমস্কুলিংঃ শিশুর মনস্তাত্ত্বিক দিক বিবেচনা করে কারিকুলাম প্রণয়ন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রসঙ্গঃ হোমস্কুলিং ও প্রকৃতির সান্নিধ্য</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%83-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[ফারিহা আমাতুর রহমান]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 May 2021 18:54:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>
		<category><![CDATA[homeschooling]]></category>
		<category><![CDATA[হোমস্কুলিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=4448</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাচ্চাদের শারিরীক ও মানসিক বৃদ্ধির জন্য প্রকৃতির সান্নিধ্য কতখানি জরুরী তা লিখে শেষ করা যাবে না। প্রকৃতির সান্নিধ্য ছাড়া বড় হওয়া শিশুর মধ্যে তার নিজের বাবা মাও অনেক সময় আপাতদৃষ্টিতে 'কোন সমস্যা দেখতে পান না'। আসলে সমস্যা দেখতে পান ঠিকই, কিন্তু এটার সাথে প্রকৃতির সান্নিধ্যের সম্পর্ক থাকতে পারে এটা ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করেন না। বাচ্চার মানসিক [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%83-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/">প্রসঙ্গঃ হোমস্কুলিং ও প্রকৃতির সান্নিধ্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2021/05/child-in-nature-edited.jpg" alt="child in nature হোমস্কুলিং ও প্রকৃতির সান্নিধ্য" class="wp-image-4449" title="প্রসঙ্গঃ হোমস্কুলিং ও প্রকৃতির সান্নিধ্য 5"></figure></div>



<p>বাচ্চাদের শারিরীক ও মানসিক বৃদ্ধির জন্য প্রকৃতির সান্নিধ্য কতখানি জরুরী তা লিখে শেষ করা যাবে না। প্রকৃতির সান্নিধ্য ছাড়া বড় হওয়া শিশুর মধ্যে তার নিজের বাবা মাও অনেক সময় আপাতদৃষ্টিতে 'কোন সমস্যা দেখতে পান না'। আসলে সমস্যা দেখতে পান ঠিকই, কিন্তু এটার সাথে প্রকৃতির সান্নিধ্যের সম্পর্ক থাকতে পারে এটা ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করেন না। </p>



<figure class="wp-block-pullquote"><blockquote><p>বাচ্চার মানসিক সমস্যার সাথে প্রকৃতির সান্নিধ্যের সম্পর্ক থাকতে পারে এটা ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করেন না।</p></blockquote></figure>



<p>খাঁচায় বন্দী বাচ্চাদের একটা সময় বিভিন্ন শারিরীক, মানসিক ও আচরণগত সমস্যা দেখা যায়, এক এক বাচ্চার এক এক রকম। কেউ হয়তো খুব ঘন ঘন নানা অসুখে ভোগে। কেউ আবার খুব জেদী, মাত্রাতিতিরিক্ত চঞ্চল, কেউ আবার খুব 'দুষ্টুমি করে', কলম দিয়ে ছোট বোনকে খোঁচা দিয়ে পালায়, লুকিয়ে বাথরুমে যেয়ে শ্যাম্পুর বোতলটা থেকে সবটা টয়লেটে ঢেলে দেয় ইচ্ছা করে, মা যখন শ্যাম্পু পাবেন না তখন কেমন মজা হবে তাই দেখার আশায়, সারাদিনই তার একটা নানেকটা দুষ্টুমি লেগেই থাকে। এগুলোকে বাবা মা নিছক স্বাভাবিক রোগ ব্যাধি বা বয়সের দোষ বলে গুরুত্ব দেন না, বা গুরুত্ব দিলেও সেগুলোর চিকিৎসা নিয়ে যত চিন্তাই তাঁদের মাথায় আসুক, প্রকৃতির সান্নিধ্যকে তাঁরা চিকিৎসক এর ভুমিকায় রাখার কথাটা চিন্তাও করেন না।</p>



<p>আমরা অনেকেই মনে করি, হোমস্কুলিং মানে হলো 'পয়সা বাঁচানো'। স্কুলে যাতায়াতের খরচ নেই, মাসে মাসে বেতনের টাকা গোণা লাগে না। অনেকের ক্ষেত্রে এটা বাস্তব হতেই পারে যে তাঁরা স্কুলে পড়ানোর সামর্থ না রাখার কারণেই মূলত হোমস্কুলিং করাচ্ছেন, কিন্তু যাঁদের সুযোগ ও আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে তাঁদের পয়সা বাঁচানোর চেয়ে বরং বাচ্চার সার্বিক উন্নতিই প্রাধান্য পাওয়া উচিত। সপ্তাহে অন্তত একবার পার্ক বা প্রকৃতির নিবিড় সান্নিধ্যে কাটানোর মত যেকোন যায়গা। সম্ভব হলে সেটা পাহাড় বা সমুদ্রও হতে পারে। সম্ভব হলে সেটা একদিনের যায়গায় প্রতিদিন হতে পারে। যাঁর যতটুকু সাধ্যে কুলায়। এটা যদি কারো কাছে অতিরিক্ত পয়সা খরচ বলে মনে হয়, এ কথাটাও মাথায় রাখতে হবে যে, শিশুর পরবর্তীতে বিভিন্ন রোগ ব্যাধি সমস্যা দেখা দিতে থাকলে(যেটা প্রায় অবশ্যম্ভাবী) চিকিৎসার টাকা আরো বেশি গুণতে হতে পারে।</p>



<p>আমি ব্যাক্তিগত ভাবে এমিউজমেন্ট পার্কের বিপক্ষে। এমিউজমেন্ট পার্কের ক্ষতিকর দিক আছে কিছু। ইঞ্জিনচালিত রাইডগুলোতে বাচ্চারা এক্টিভলি খেলে না। সে নিজে আনন্দ খুঁজে নিতে শেখে না, সে প্যাসিভ থাকে, তাকে আনন্দ দেয়া হয়। যেটা তাকে লং রানে মানসিকভাবে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আর এমিউজমেন্ট পার্কের জগতটা স্বাভাবিক না, কৃত্রিম। এখানে ডোপামিন হরমন নিঃসরণকারী উপকরণ প্রচুর, যা মানুষকে সাময়িক আনন্দ দিলেও লং টার্মে বিষণ্ণতার কারণ হয়। যার ফলে বাচ্চার মনে হতে পারে, আনন্দ মানেই কৃত্রিমতা। তার প্রাকৃতিক পার্ক আর তখন ভালো লাগতে পারে। বরং ভালো হয় যদি আমরা এই ধারণা দিতে পারি যে, আনন্দ মানে প্রকৃতির কাছাকাছি যাওয়া। যেখানে সত্যি সত্যিই লং টার্ম সুখের হরমোন অক্সিটোসিন ক্ষরণ হয়।</p>



<p>তারপরেও নিয়মিত পার্ক সাধ্যের অতিরিক্ত হয়ে গেলে কী করণীয়?<br>ঘরের মধ্যেই প্রকৃতির সান্নিধ্য আছে এরকম যায়গায় বাচ্চাকে বেশি বেশি থাকার সুযোগ করে দিতে হবে। বাচ্চার পড়ার জায়গাটা রুমের এক কোণাতেই হতে হবে এমন কোন কথা নেই। বারান্দায় সূর্যের আলো, খোলা বাতাসে চেয়ার টেবিল বা মাদুর বিছিয়েও বসা যায়। বারান্দায় সম্ভব হলে দু' চারটা বা আরো বেশি গাছের টব থাকতে পারে, সেগুলোর যত্ন বাচ্চা নিজে নেবে। মাঝে মাঝে হয়তো চড়ুই পাখি বা প্রজাপতি উড়ে এসে সেখানে বসবে। বারান্দা দিয়ে বাইরে তাকালে হয়তো এক টুকরো আকাশ দেখা যাবে। বারান্দায় কাপড় শুকাতে দেওয়া থাকলে পড়তে বসার সময়ে অন্তত সেগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে। বারান্দাকে পারতপক্ষে 'স্টোররুমের বিকল্প' হিসেবে ব্যবহার না করাই ভালো। এই খোলামেলা জায়গা, সূর্যালোক, বাতাস, অল্প সবুজ, এক দুটো পাখি বা প্রজাপতিও নিয়মিত সান্নিধ্যে আসলে বাচ্চার উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। অথচ এর জন্য আলাদা খুব একটা কষ্টও করা লাগে না। এরকম পরিবেশে পড়তে বসলে বাচ্চার মনোযোগের পরিধিও বৃদ্ধি পায়।</p>



<p>বারান্দা যদি না থাকে, অথবা যদি খোলামেলা না হয়? তাহলে বাসার ছাদ। অদ্ভুত শোনালেও যদি সম্ভব হয়, বাচ্চাকে নিয়ে বাসার ছাদে পড়তে বসা যেতে পারে। বরং সেটা বারান্দার চেয়েও ভালো। এক দেড় ঘন্টার বেশি তো সে এমনিতেও পড়বে না। এতটুকু সময়ের জন্য আপনার নিয়মিত ছাদে ওঠাটা আশা করা যায় কারো কাছে দৃষ্টিকটু লাগবে না। ছাদের পরিবেশও যতটা সম্ভব 'প্রাকৃতিক' হলে ভালো। বারান্দায় যদি দুটো টব থাকে তো ছাদে দশটা অনায়াসেই রাখা যায়। পড়তে বসতে হবে গাছপালার একটু কাছাকাছি। মৃদু বাতাসে যেন মাঝেমাঝেই পাতার নড়াচড়া পড়া থেকে বাচ্চার 'মনোযোগ সরিয়ে' সেদিকে নিয়ে যায়। এই মনোযোগ হারানো থেকে কখনও কখনও দারুন ফলাফলও হতে পারে।</p>



<p>পড়ার সবচেয়ে সুন্দর সময় ভোর, সূর্য ওঠার আগের বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নিয়ে ফুসফুস আর রক্তকে বিশুদ্ধ করার সুযোগ হেলায় হারানো উচিত না। প্রতিদিন সূর্যোদয় দেখার সৌভাগ্য যে বাচ্চার হয়, তার শৈশব কি সুন্দর না হয়ে পারে? সূর্যোদয়ের সময়টাতে পড়ায় বিরতি দিয়ে মা-শিশু একসাথে সূর্যোদয় দেখাই ভালো। সকালের স্নিগ্ধ বাতাস আর মিষ্টি রোদে পড়তে বসাটা নিয়মিত হলে ওর মস্তিষ্ক 'পড়াশোনা' ব্যাপারটার সাথে 'সুন্দর আবহাওয়া'কে একত্রিত করে সুমধুর দীর্ঘমেয়াদী স্মৃতি তৈরি করবে। বড় হলে কেউ যখন জিজ্ঞেস করবে, শৈশবের সবচেয়ে মধুর সময়ের কথা, হয়তো চোখের সামনে মায়ের সাথে পড়তে বস্র মুহুর্তগুলোই আগে ভেসে উঠতে পারে চোখের সামনে, কে জানে?</p>



<p>বাচ্চাদের বিকেলে খেলার ব্যবস্থা করতে হবে, ভিডিও গেমস না, লেগো বা পুতুল না, ছাদে, সম্ভব হলে প্রতিদিন। অন্তত দুই ঘন্টা হলে ভালো। মাঝে মাঝে সূর্যাস্ত, অন্ধকার নেমে আসাটা উপভোগ করতে পারলে আরো ভালো। তবে অবশ্যই বড় কারো উপস্থিতিতে, এই সময়ের দোয়া, যিকর, বাচ্চাদের সুরক্ষার ব্যাপারটাতে ছাড় না দিয়ে।</p>



<p>বিকেলে যদি মাকে সময় দেয়া না লাগে, রাতে শোয়ার কিছুক্ষণ আগে আরেকবারের জন্য ছাদে যেতে পারলে খুব ভালো। সেটা পাঁচ মিনিটের জন্য হলেও। অথবা একটু বড় বাচ্চার ক্ষেত্রে ফজরের আগে বা ঠিক পরপর অন্ধকার থাকতে। যদি বাচ্চা সজাগ থাকে আর ছাদ খোলা থাকে ঐ সময়ে।</p>



<p>বিড়াল বা কবুতর পোষা ভীষণ ভালো, যদি সম্ভব হয়। বাচ্চার উপর এর সুপ্রভাব অপরিসীম।</p>



<p>( মিশরের লোকেদের ছাদে যাওয়ার সংস্কৃতি নেই, ছাদ তাদের গণ ডাস্টবিন। একটু বড় বাচ্চারা খোলামেলা বা ব্যস্ত অলিতে গলিতে, রাস্তায় খেলে। বাংলাদেশের বাস্তবতা কল্পনা করে এর চেয়ে বেশি কিছু মাথায় আসছে না। যা বললাম তাও কতটা বাস্তব, জানি না। কারো কোন সুন্দর আইডিয়া থাকলে কমেন্টে জানানোর অনুরোধ।)</p>



<p>প্রথম প্রকাশ: <a href="https://www.facebook.com/story.php?story_fbid=10219142338922690&amp;id=1033642252" target="_blank" aria-label="ফেসবুক (opens in a new tab)" rel="noreferrer noopener" class="rank-math-link">ফেসবুক</a><br>ছবি কৃতজ্ঞতা: <a href="https://www.freepik.com/vectors/background" class="rank-math-link" target="_blank" rel="noopener">ফ্রিপিক</a></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%83-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/">প্রসঙ্গঃ হোমস্কুলিং ও প্রকৃতির সান্নিধ্য</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রসঙ্গঃ হোমস্কুলিং ও আমাদের সেল্ফ ট্রেইনিং</title>
		<link>https://matritto.com/homeschooling-self-training-for-mother/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[ফারিহা আমাতুর রহমান]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 17 Mar 2021 04:02:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>
		<category><![CDATA[homeschooling]]></category>
		<category><![CDATA[শিশু সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[হোমস্কুলিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=4391</guid>

					<description><![CDATA[<p>ইন্টারনেট নির্ভর হোমস্কুলিং সংক্রান্ত তথ্য নয়, বরং বাচ্চার মা'কে মৌলিক বই পড়ার মাধ্যমে বাচ্চাকে হোমস্কুল করার জন্য প্রস্তুত হতে হবে।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/homeschooling-self-training-for-mother/">প্রসঙ্গঃ হোমস্কুলিং ও আমাদের সেল্ফ ট্রেইনিং</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>চার্লট ম্যাসন উনবিংশ শতকের শেষ দিকে একটা অসাধারণ বই এর সিরিজ লিখেছেন হোমস্কুলিং তথা গোটা শিক্ষার দর্শনের উপর। সিরিজের ছয়টা বই একত্রে বইটা ১৬৭০ পৃষ্ঠার। বইটার বেচা বিক্রি খুব একটা ভালো না।</p>



<p>এই বইগুলোর আলোকে তিনি মূলত কী বুঝিয়েছেন সেটা ব্যাখ্যা করে প্রায় দুই আড়াইশ' পৃষ্ঠার ডজনখানেকের উপর বই লেখা হয়েছে। বইগুলো বেশ ভালোই চলে বাজারে।</p>



<p>এই ডজনখানেকের কোন একটা ব্যাখ্যা পড়ে কেউ একজন একটা আর্টিকেল লেখেন নেটে। গুগল সার্চ দিয়ে সেটা পড়ে প্রায় এক লাখ লোক।</p>



<p>ট্রাজেডি হলো, এই এক লাখ লোকই ভাবে, চার্লট ম্যাসনের ফিলোসফি তারা 'জানে'। সারাজীবন আমরা গাইড আর নোট পড়ে পাশ করেছি, মূল পাঠ্যপুস্তক ধরিনি একথা সত্য। কিন্তু তাই বলে ১৬৭০ পৃষ্ঠার বইকে, যেখানে আপাতদৃষ্টিতে কোন বাহুল্য কথা নেই, যে কথাটা এক লাইনে বলা যায় তার জন্য বিশ লাইন খরচ করা হয়নি, একটা ছোট্ট আর্টিকেলে সামারাইজ করে ফেলা মানে হলো বায়ান্ন থেকে একাত্তরের ইতিহাসকে এক লাইনে সামারাইজ করে ফেলা।<br></p>



<figure class="wp-block-pullquote"><blockquote><p>'১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন হয়েছিল এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল।</p></blockquote></figure>



<p>এইটুকু পড়ে যদি কেউ দাবি করে যে সে ইতিহাস জেনে ফেলেছে, দাবিটা কি গ্রহণযোগ্য হবে? আমরা ঠিক তাই করছি হোমস্কুলিং এর বেলায়।</p>



<p>আরো বড় ট্রাজেডি, এই জানার ভিত্তিতে আমরা নিজেদের বাচ্চাদের 'চার্লট ম্যাসন মেথডে' হোমস্কুলিং করতে নেমে যাই।</p>



<p>আমরা মায়েরা বাচ্চাদের জন্য সাধ্যে যা কুলায় তার চেয়েও বেশি কষ্ট করি। নবজাতকের জন্য রাতের পর রাত জাগি, খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাই। কারণ এটা ছাড়া যে তার চলবে না। অথচ নিজেরা হোমস্কুলিং করানোর বেলায়, সন্তানের শিক্ষা তথা জীবন গঠনের গুরুদায়িত্ব নেয়ার বেলায় সবচেয়ে আরামের, সবচেয়ে সহজ, সবচেয়ে সস্তা কন্টেন্টের চেয়ে বেশি কিছু চেষ্টাই করি না। </p>



<p>আমরা বই পড়িনা, ইন্টারনেটে আর্টিকেল পড়ে পড়েই যেন আমরা সব জেনে ফেলার ভান করি। খুব আত্মবিশ্বাসের সাথে হোমস্কুলিং করতে নেমে যাই। যে ব্যাপারটা আমরা মাথায় রাখি না, সাধারণ স্কুল বা মাদ্রাসার প্রতি বিরক্তি থেকে যদি আমাদের হোমস্কুলিং এর সূচনা হয়, স্কুল বা মাদ্রাসার কারিকুলাম প্রণয়ন যাঁরা করেছেন তাঁরা অন্তত শিক্ষার ব্যবস্থা সম্বন্ধে কিছু হলেও জানেন। অন্তত তাঁদের লেভেলেও নিজেদের জ্ঞানকে উঠাতে না পারলে তাঁদের কারিকুলামের চেয়ে নিম্নমানের কারিকুলামে, ভুল প্রক্রিয়ায় সন্তানকে গড়ে তুলবো আমরা। এটার জন্য ইন্টারনেট এর জ্ঞান কোন জ্ঞানই না। বই পড়তে হবে, বইই পড়তেই হবে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">কী ধরণের বই পড়তে হবে?</h2>



<p>হোমস্কুলিং জ্ঞানের কোন নির্দিষ্ট শাখা না যে এটার একটা মোটামুটি নির্দিষ্ট সিলেবাস বা পাঠ্যপুস্তক থাকবে। এডুকেশনের ফিলোসফি নিয়ে যাঁর পড়াশোনা আছে তিনি এক রকম ভালো হোমস্কুলার হবেন। চাইল্ড সাইকোলজি যিনি পড়েছেন তিনি আরেক দিক থেকে ভালো হোমস্কুলিং করবেন। প্যারেন্টিং নিয়ে আলাদাভাবে পড়েছেন বা জেনেছেন এরকম কেউ ভালো হোমস্কুলার হবেন। যিনি যেই বিষয়ে ভালো দখল রাখেন ঐ বিষয়ে তিনি ভালো ফিলোসফি ও কারিকুলাম নিয়ে আসতে পারবেন। সাধারণত একই সাথে এত কিছুর সমন্বয় করা খুব কম মানুষের পক্ষেই সম্ভব হয়ে ওঠে। এজন্য হোমস্কুলিং কমিউনিটি তৈরি করা হয় যাতে সবাই সবাইকে সাহায্য ও আলোচনা করার মাধ্যমে সবার থেকে সবাই উপকৃত হতে পারে।<br></p>



<p>কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, আমাদের কারোরই সেরকম পড়াশোনার অভ্যাস নেই। যার ফলে অনেক সময় কমিউনিটি থাকলেও মতবিনিময়ের সময়ে অনেক মতামত উঠে আসলেও, দীর্ঘ আলোচনা হলেও আলোচনাগুলো হয় প্রায় অসার। কেননা, আলোচনাকারীরা প্রায় কেউই জ্ঞান থেকে উদ্ভুত মতামত নিয়ে আসেন না, তাঁরা বইটইও তেমন পড়েন না। মতামত তো সবারই থাকে, একটা বাচ্চাও মতামত দিতে পারে। কিন্তু তার মতামতের উপর কি নির্ভর করা যায়? যায় না কেননা সে জানে না। আমরা যদি নিয়মিত পড়ার ও জানার সংস্কৃতি গড়ে না তুলি, আমাদের মতামতের মান খুবই অপরিপক্ক ও অদূরদর্শী হবে। আমরা সেটা অনুধাবন করি বা না করি।</p>



<p>আমাদের বাস্তবতায় হোমস্কুলিং কমিউনিটিগুলোর একটা প্রধান কাজ হওয়া উচিত নিজেরা নিজেদের ভালো বই পড়তে মোটিভেট করা। এটা করার জন্য নিজেদের মধ্যে বই পড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করা যেতে পারে। নির্দিষ্ট সময়ে একটা বই পড়া শেষ হলে সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে বইটার উপর মতামত দিতে হবে। সেখানে নিজের সংযোজন, বিয়োজন, দ্বিমতের প্রতিফলন থাকতে পারে। কিন্তু সবাইকেই মতামত দিতে হবে কেননা কে আসলেই কতটুকু পড়ে আমরা বুঝতে পারছি বা প্র‍্যাক্টিকালি উপকৃত হচ্ছি, মতামতের মান দেখলে অনেকটা বোঝা যাবে। </p>



<p>প্রত্যেকে বাকিদের মতামত শুনবেন এবং সবচেয়ে ইনসাইটপূর্ণ মতামত সবাই মিলে বাছাই করবেন। এই পদ্ধতিতে সবচেয়ে ভালো গঠনমূলক মতামতের এগিয়ে থাকার সম্ভবনা শতভাগ না, বরং বেশিরভাগ মানুষের চিন্তার সাথে মেলে এরকম মতামতই ফার্স্ট সেকেন্ড হবে, তারপরেও চেষ্টা ছাড়া যাবে না। আমাদের সার্বিক অবস্থার উন্নতি হবে ধীরে ধীরে। যেটা আমাদের বাচ্চাদের হোমস্কুলিং করানোর জন্য এক নম্বর জরুরী কাজ। এই ভিত্তি দুর্বল রেখে তার উপর কাঠামো নির্মাণ করলে তা নড়বড়ে হবেই।</p>



<p>তাই বলে হোমস্কুলিং, শিক্ষা, প্যারেন্টিং, দর্শন, সাইকোলজির উপর লেখা সব বই এক এক করে পড়ে ফেলতে হবে না। এটা নিছক সময় নষ্ট। একটা ভালো মানের ক্লাসিক 'পড়ার মত পড়া' অনেক সময় ঐ টপিকে যথেষ্ট ধারণা নিয়ে ফেলার সামিল। ক্লাসিক বই পাশ কাটিয়ে বছরের পর বছর ইন্টারনেট আর সস্তা মানের বই পুস্তক ঘাটলে ফায়দা কমই হবে আমাদের।</p>



<p>আমাদের লক্ষ্য হতে হবে বড়। গতকাল হোমস্কুলিং এর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পড়ায় তেমন তুখোড় না এরকম একজন মা প্রাথমিক কিছু ধারণা ইন্টারনেট থেকে নিতেই পারেন। কিন্তু ইন্টারনেটের আর্টিকেলের উপর নির্ভর করে তিনি বেশিদিন পড়ে থাকবেন না। দ্রুতই তাঁকে যে ফিল্ডগুলোর কথা বললাম, এগুলোর মধ্যে পর্যায়ক্রমে নিয়মতান্ত্রিক পড়াশোনা শুরু করতে হবে। পড়তে গিয়ে পদে পদে নিজেই গাইডলাইন পেতে থাকবেন আর কী কী পড়তে হবে তার উপর। চমৎকার একটা সূচনা হতে পারে সরাসরি হোমস্কুলিং বা শিক্ষা সংক্রান্ত টপিক দিয়ে। </p>



<p>বাচ্চা এখনও না জন্মালে বা একদম ছোট থাকলে হাতে যদি সময় থাকে প্যারেন্টিং বা চাইল্ড সাইকোলজি দিয়েও হয়তো শুরু করা যায়। হোমস্কুলিং এর ক্ষেত্রে ইন্টারনেটলব্ধ জ্ঞান হোমস্কুলিং এর ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি ও সেগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেবে। সেটার ভিত্তিতে আমাদের প্রথম কাজ হতে পারে, প্রত্যেকটা পদ্ধতির উপর সবচেয়ে ভালো একটা বা দুটো বই পড়া। যেমন, ক্লাসিকাল এপ্রোচের উপর লেখা সবচেয়ে ভালো বই হিসেবে ধরা হয় The well trained mind কে। মন্টেসরি নিয়ে জানার জন্য ফিরে যাওয়া ভালো মন্টেসরির জননী মারিয়া মন্টেসরির নিজ হাতে লেখা বইগুলোর দিকে। চার্লট ম্যাসন মেথডের জন্য চার্লট ম্যাসনের নিজের লেখা বইগুলোই পড়তে হবে। </p>



<p>এভাবে প্রায় ছয় সাতটা মূল বই অন্তত পড়তে হবে। এরপর এর মধ্যে যে বিষয় নিয়ে আরো জানা প্রয়োজন সেখানে আরো বিভিন্ন বই পুস্তক পড়া লাগতে পারে। ব্যাক্তিভেদে সেগুলো হয়তো ভিন্ন ভিন্ন হবে। খেয়াল করতে হবে, নেটের প্রাথমিক জ্ঞানে কোন একটা এপ্রোচ খুব আকর্ষণীয়, কোন একটা আবার একেবারেই আমাদের সাথে যায় না এরকম মনে হতে পারে। কিন্তু সবগুলোর উপরই অন্তত একটা বই পড়া দরকার। কেননা, নেটের আর্টিকেল দিয়ে কিছুই বোঝা যায় না। </p>



<p>আমার নিজের ক্ষেত্রে, নেটের তথ্য পড়ে মনে হয়েছিল আন্সকুলিং মেথডের চেয়ে অকাজের আর কোন কিছুই হতে পারে না। কিন্তু প্রাক্টিকালি আন্সকুলিং এর উপর বই পড়তে গিয়ে বুঝলাম, আমি আসলে আমার সন্তানকে আমার অধীনে পড়াশোনা করার পুরো সময়টাতে ধীরে ধীরে আন্সকুলিং এর দিকেই নিতে চাই, এর সাথে ক্লাসিকাল এপ্রোচের সংমিশ্রণ, একদম মেপে মেপে, মন্টেসরি আর চার্লট ম্যাসন শিক্ষার কন্সেপ্টের উপরে অনেক অনেক পার্সপেক্টিভ দিয়েছে, বিশেষত চার্লট ম্যাসন। অথচ এর আগে মন্টেসরি আমাকে কিছুটা টানলেও নেটের তথ্যে চার্লট ম্যাসনে আমি কোন আগ্রহই পাইনি। কাজেই বিভিন্ন ওয়েবসাইটের উপস্থাপিত তথ্য চূড়ান্ত জ্ঞানের উৎস হলে ভুল করার সম্ভবনা খুব বেশি।</p>



<p>চাইল্ড সাইকোলজির উপর আমার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান শুণ্যের কোঠায়। তবে ইন শা আল্লাহ এ বিষয়ে ভবিষ্যতে যদি পড়াশোনা করি, নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে একজন মানুষকে সাইকোলজিস্ট হওয়ার জন্য যেভাবে আগাতে হয়, সেভাবেই পড়বো। এর পেছনে পাঁচ বছর ইনভেস্ট করা অনেক অনেক ভালো, পাঁচ বছরে আটটা 'মেইড ইজি' ধরণের বই পড়ার চেয়ে। সর্বসাধারণের জন্য ডিজাইন করা যেকোন বই বা কোর্স ইমার্রজেন্সির সময়ে সংক্ষিপ্ত সূচনা হতে পারে, যেহেতু সন্তান বড় হয়ে যাচ্ছে আর হাতে অফুরন্ত সময়ও নেই, কিন্তু লং রানে এটাই নিজের সন্তানের হোমস্কুলিং এর সম্পুর্ণ দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে পড়ার সিলেবাস ও পদ্ধতি নিজ হাতে ডিজাইন করতে চান এরকম মায়েদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হতে পারে না।</p>



<p>সবার পড়ার ক্যাপাসিটি এক না। যে ভাষায় বা মাধ্যমে পড়ছি সেটার উপর দখল ও সাবলীলতাও সবার সমান না। মেডিকেল কলেজে ভর্তির পর প্রথম প্রথম ভীষণ কষ্ট হতো এনাটমি বইয়ের এক পৃষ্ঠা বুঝে পড়তে, অনেক সময় ডিকশনারি দেখে দেখেও কিছুই মেলাতে পারতাম না। আমাদের সবারই এই অবস্থা ছিল। পাশ করার তাগিদে শিখতে হয়েছে, কেউ এসে শিখিয়ে দেয়নি, শিক্ষকদের কাছে ধরণা দিতাম 'মেইড ইজি' পড়ে প্রথম টার্মটা অন্তত পাশ করতে পারার জন্য। উনারা বলতেন, ফেইল করো, তাও গাইড পড়া দরকার নেই। </p>



<p>আল্লাহর রহমতে মাস তিনেকের মধ্যেই সবাই এমন অবস্থায় উন্নীত হয়েছিলাম যে বই পড়ে বুঝি না, দ্রুত পড়তে পারি না এমন কেউই ছিলাম না। তার জন্য কাঠখড় কিছুটা পোহাতে হয়েছে। প্রথম এক মাস রাত জেগে পড়ার কারণে সকালে ক্লাসে ঘুমে চোখ বন্ধ হয়ে আসতো। ক্লাস শেষ করে হোস্টেলে ফিরেই কেউ কেউ বসে যেত বই নিয়ে। অগ্রগতি-প্রতি পাঁচ ঘন্টায় এক পৃষ্ঠা। তাও চেষ্টা থামায়নি কেউ। </p>



<figure class="wp-block-pullquote is-style-default"><blockquote><p>একটা সামান্য মেডিকেল প্রফের কথা মাথায় রেখে এত কষ্ট যদি সব মেয়েরাই করতে পারে, বাচ্চার শিক্ষা ও ভবিষ্যতের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য আমরা মায়েরা কি পড়ার ক্যাপাসিটি, স্কিল ও অভ্যাস তৈরি করতে পারি না?</p></blockquote></figure>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/homeschooling-self-training-for-mother/">প্রসঙ্গঃ হোমস্কুলিং ও আমাদের সেল্ফ ট্রেইনিং</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইসলামিক হোমস্কুলিং কারিকুলাম, সেক্যুলার সাহিত্য পুনর্বিবেচনাঃ দ্বিতীয় পর্ব</title>
		<link>https://matritto.com/islamic-secular-literature-homeschooling-2/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[ফারিহা আমাতুর রহমান]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 16 Mar 2021 02:45:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>
		<category><![CDATA[homeschooling]]></category>
		<category><![CDATA[শিশু সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[হোমস্কুলিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=4388</guid>

					<description><![CDATA[<p>উলামাদের মাঝে ব্যতিক্রম বাদে প্রায় সবারই সাহিত্যে ভাল দখল ছিল। ইসলাম আরবদের সাহিত্যপ্রেমে বাধা হয়ে দাড়ায়নি। শিশুর আগ্রহের জায়গা পরিচর্যা করতে হবে, বাধা দান নয়।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/islamic-secular-literature-homeschooling-2/">ইসলামিক হোমস্কুলিং কারিকুলাম, সেক্যুলার সাহিত্য পুনর্বিবেচনাঃ দ্বিতীয় পর্ব</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আগের পর্ব পড়ে অনেকেই ধারণা করেছেন যে আমি বাচ্চাদের সব কাজ কর্ম বাদ দিয়ে পুরো শৈশব শুধু বই নিয়ে পড়ে থাকতে বলছি। ব্যাপারটা আসলে মোটেও এরকম না। বাচ্চাদের সাত বছর বয়সের আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো হলো, খেলাধুলা, প্রকৃতির নিবিড় সান্নিধ্যে থাকা, বিভিন্ন সুঅভ্যাস তৈরি যেমন দায়িত্বশীলতা, বাবা মায়ের বাধ্যতা, মনোযোগ, পর্যবেক্ষণের স্কিল তৈরি ইত্যাদি যা পরবর্তী জীবনে তার চরিত্র ও ব্যাক্তিত্ব গঠনে সহায়ক হবে, এবং টুকটাক বই পড়া, বিশেষত গল্পের বই। </p>



<p>আমার ধারণা যা যা বললাম এর মধ্যে অন্য কোনটাতেই এখনকার ইসলামমনস্ক অভিভাবকেরা এত বেশি অনাগ্রহ দেখান না যতটা দেখান এই গল্পের বই পড়ার প্রতি। এজন্যই এটার গুরুত্ব নিয়ে আলাদাভাবে আলোচনা প্রয়োজন।</p>



<p>সব বাচ্চার স্কিল এবং আগ্রহের জায়গা এক না। কোন কোন বাচ্চা ছোটাছুটি করতে হয় এরকম খেলাধুলা একটু বেশিই ভালোবাসে, কেউ খেলার চেয়ে বরং বেশি ভালোবাসে ছবি আঁকতে, কেউ পাযল মেলাতে, বিভিন্ন ধরণের 'বুদ্ধির খেলা', ধাঁধা এগুলোতে কারো কারো বেশি আগ্রহ। কেউ আবার খুব কম বয়সে বেশ ভালো কথা বলতে শিখে যায়, আর ভালোবাসে গল্পের বই পড়তে বা শুনতে। আমাদের কর্তব্য হলো বাচ্চাকে প্রথম দিকে সবগুলোতেই সুযোগ করে দেওয়া। </p>



<p>সময়ের সাথে খেয়াল করতে থাকা যে তার আগ্রহ ও পারদর্শীতার জায়গা কোনগুলো। সেই অনুযায়ী তার পরবর্তী জীবনের সম্ভাব্য রূপরেখা অনুমান করে সেভাবে তার কারিকুলাম প্রণয়ন করা। তুখোড় খেলোয়াড়কে খেলার মাঠ বা ছাদ থেকে জোর করে ধরে এনে দিন রাত গল্পের বই নিয়ে বসিয়ে রাখা অন্যায় এটা আমরা বুঝতে পারলেও একজন গল্পের বইয়ের পোকা বাচ্চার যদিও আমরা প্রশংসা করি 'পড়ুয়া', 'জ্ঞানপিপাসু' ইত্যাদি বলে (যদিও খেলোয়াড় বা আঁকিয়ে বাচ্চাটার জ্ঞানপিপাসা মোটেও তার চেয়ে কম না), কিন্তু আমরা খেলোয়াড় বাচ্চাটাকে খেলার সব উপকরণ দিলেও, রোজ খেলার জন্য ছাদে যেতে দিলেও বা চিত্রশিল্পী বাবুটাকে শেষ হবার সাথে সাথেই আবারো খাতা, রঙ কিনে দিলেও পড়ুয়া বাবুটাকে অল্প কিছু ইসলামী গল্পের বই দিয়ে বলি, এগুলোই 'আস্তে আস্তে' পড়ো, বাচ্চারা নিমেষেই সেগুলো শেষ করে নতুন গল্প চাইতে গেলে বলি, গল্প পড়া ঢের হয়েছে, এবার ছোটদের আক্বিদাহ বা হাদীসের বই নিয়ে বসতে হবে। </p>



<p>অথবা বাকপটু দুই বা তিন বছরের যে বাচ্চা ইসলামী গল্পের প্রায় কিছুই ধরতে পারে না, তাকে দরকার হলে না পড়িয়ে আরো কয়েক বছর বসিয়ে রাখি, এ কয় বছর শুধু অক্ষর শেখা, সুরাহ বা দোয়া কালাম মুখস্থই তার একমাত্র কাজ হয়ে যায়। তবুও ভুলেও আমরা তাকে বাঘ শেয়ালের গল্প বা ছোট্ট পরীর গল্প বলে 'সময় নষ্ট' করি না। এতে করে তার নিজস্ব পারদর্শিতার জায়গাটা, অর্থাৎ ভাষা ও সাহিত্য শেখার ক্ষেত্রে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকার সুযোগটা আমরা নষ্ট করি। তার মেধাকে আমরা বিকশিত হতে দেই না।</p>



<p>বাচ্চারা কীভাবে শেখে? যার যেখানে আগ্রহ সে সেখান থেকে শেখে। বইপোকা মূলত বই থেকে শেখে, যদি তাকে বই দেয়া হয়। কিন্তু বইপোকার যেমন অল্প খেলাধুলা করা খুবই দরকার, তেমনি খেলোয়াড়েরও টুকটাক বই পড়া আবশ্যক। সে হাজার খানেক বই না পড়লেও, সব ধরণের বই দু চারটা বা পাঁচ দশটা করে পড়তেই পারে। সব ধরণের বাচ্চার কারিকুলামে আমরা পারতপক্ষে অল্প হলেও খেলাধুলা, হাতের কাজ, সাধারণ বিজ্ঞান, গণিত এগুলো রাখি। শুধু সেক্যুলার সাহিত্যের কথা আসলেই গড়িমসি করি আমরা।</p>



<p>সাহিত্য এমন অনেক কিছু শেখাবে যেগুলো খেলাধুলা শেখাবে না। আবার বিপরীতটাও সত্য। এমনও অনেক কিছু আছে যা সাহিত্য বা খেলাধুলা, দুটো থেকেই শেখা যায়। তবে বাচ্চার ছোটবেলায় আগ্রহের জায়গা এবং পারদর্শীতার ক্ষেত্রে বিচরণ করতে দিলে পরবর্তী জীবনের নির্দিষ্ট লক্ষে আগানো তার জন্য সহজ হয়। </p>



<p>আমি ছোটবেলায় ছবি আঁকতে বেশি ভালোবাসতাম। আমার মেয়ের বাবা ভালোবাসতো প্রচুর বই পড়তে। আমি কোনকালেই তেমন পড়ুয়া ছিলাম না। পরবর্তীতে চোখের পানি নাকের পানি এক করে ছবি আঁকাটা আমার ছেড়ে দিতে হয়েছিল পরীক্ষায় 'ভালো রেজাল্ট' করার জন্য। আমার মেয়ের বাবাকে বই পড়া কখনও ছাড়তে হয়নি। পাঠ্যবইয়ের মধ্যে লুকিয়ে লুকিয়ে তিন গোয়েন্দা পড়েছে। আমার মত 'টিপিকাল ভালো ইশটুডেন্ট' সে কখনই ছিল না, কিন্তু ঐ যে তার ডানা কেটে ফেলতে হয়নি, এখন দুজনেই আমরা আরবী সাহিত্য পড়ার চেষ্টা করি আল্লাহর কালামকে বোঝার জন্য। কিন্তু আমি প্রতি পদে পদে দেখি, অতীতের ভালো স্টুডেন্ট আমার ক্যাপাসিটি এবং স্কিল কত কম, আর 'ডানপিটে' ফাঁকিবাজ উনার শেখার ক্যাপাসিটি কত বেশি। </p>



<p>আমার এখনও রঙ তুলি দেখলে আগের মতই হাত নিশপিশ করে। কিন্তু আজকে না আমি ভালো ছবি আঁকতে পারি, না পারি শিখতে ভালো আরবী সাহিত্য। আমাদের মেয়ে যদি বিজ্ঞান ভালোবাসে কোনদিনও তাকে 'মুহাদ্দসিস বা মুফাসসির' হতে বলবো না। পারলে ইবনু সিনার মতো হোক। আর যদি দেখি তার বই পড়া, ভাষা-সাহিত্যে আগ্রহ, ছোটবেলায় তার হাত থেকে গল্পের বই কেড়ে নেব না ইন শা আল্লাহ। কবিতাসহ সাহিত্যের সব অঙ্গনের সাথে তাকে পরিচয় করাবো।</p>



<p>সাহাবী, তাবেঈ এবং উলামাদের মধ্যে খুব কমই আছেন যাঁদের একদম ছোটবেলার বিবরণ আমাদের হাতে এসেছে। ঈমাম শাফেঈ(রাঃ) তাঁর ছেলেবেলার একটা বড় সময়(আট, দশ মতান্তরে বারো বছর) হুযাইল গোত্রের সাথে কাটিয়েছেন, তাদের সবগুলো কবিতা হুবহু মুখস্থ করেছেন (বাংলা ভাষায় এ পর্যন্ত যত কবিতা লেখা হয়েছে তার অনেক গুণ বেশি কবিতা)। এরপর তিনি পড়তে গেছেন ইসলামী জ্ঞানের অন্যান্য শাখা। ঊমার(রাঃ) বলেছেন, "তোমাদের সন্তানদের তৃষ্ণা মেটাও কবিতা দিয়ে"। উনিসহ অন্যান্য সাহাবীরা, রাসূল(সাঃ) স্বয়ং সুন্দর কবিতার প্রশংসা করতেন। নিজে থেকে অনেক সময় কবিতা শুনতে চাইতেন।</p>



<p>পূর্ববর্তী উলামাদের ব্যাতিক্রম বাদে সবাই প্রচুর আরবী কবিতা মুখস্থ করার আগে অন্যান্য ইসলামী শাস্ত্র পড়া শুরু করতেন না। এমনকি যাঁরা ইলম চর্চা শুরু করেছেন যুবক বয়সে, তাঁরাও আগে সাহিত্যে ভালো দখল এনে তারপরেই অন্য শাস্ত্র পড়তেন। উলামাদের অভিজ্ঞতা, বিজ্ঞান ও বর্তমান বাস্তবতা প্রমাণ করে যে, কবিতা ও সাহিত্যে রুচি ট্রেইনিং এর উপর অনেকটা নির্ভর করে। কাজী নজরুল ছোটবেলায় স্কুলের কারিকুলাম পালিয়ে বের হয়েছিলেন বলেই হয়তো তিনি কালজয়ী নজরুল হতে পেরেছিলেন। রুটির দোকানে কাজ করে জীবন চিনেছেন, ডুবে যেতে পেরেছেন কলের গান শোনায়, কবিতা শোনায়। নজরুলের জীবনের এই এডভেঞ্চার প্ল্যান করে কারো হয় না। যার কপালে আল্লাহ রেখেছেন তার এমনিই হয়। </p>



<p>এডভেঞ্চার থেকে বড় বড় কালজয়ী কীর্তিমানের জন্ম হয়। ইসলামের অঙ্গনেও এমন উদাহরণ অগণিত। রাসূল(সাঃ) এর ছোটবেলায় মা, বাবা, চাচা, দাদাকে হারানো উনাকে কী রকমের মানসিক ট্রেইনিং এর মধ্য দিয়ে নিয়েছে সেটা অন্তত মা বাবার একজনকে হারিয়েছে এরকম শিশু ছাড়া আর কেউ কি কিছুটা হলেও বুঝবে? কিন্তু আমরা নিশ্চয়ই আমাদের বাচ্চাদের সাথে এরকম কিছু ঘটুক এটা কামনা করি না। তাদের নজরুল হওয়ার জন্য রুটির দোকানে দিয়ে আসতে পারি না। এডিসন হওয়ার জন্য রেল স্টেশনে ফেলে আসতেও পারি না। তাহলে তারা কোথা থেকে শিখবে?</p>



<p>রাসূল(সাঃ) এর ছেলেবেলার ট্রেইনিং, যেটা আল্লাহ সুনিপুণভাবে প্ল্যান করে তাঁকে তৈরি করেছেন, সেটা আমাদের বাচ্চারা কোথায় পাবে? সীরাহ পড়ে? নাহ। বাচ্চাদের সীরাহর বই তো বটেই, এমনকি বড়দের জন্য লেখা বিশালাকৃতির সীরাহর বইতেও রাসূলের বাবা মা দাদা মারা যাওয়ার বর্ণনা মোটে দু' লাইনে শেষ হয়। আবু তালিব আর খাদীজা(রাঃ) এর মৃত্যুকে নিয়ে ছোটদের সীরাহর বইয়ে লাইন থাকে মোটে দু' তিনটা। এই জায়গাটার গভীরতা, নিজে প্রিয়জনকে হারায়নি এরকম একটা বাচ্চা বুঝবে কিভাবে, যদি না সে একটা তার নিজের সমাজের সাজানো গোছানো সুখি সংসারের গল্প পড়ে, যেখানে মা মারা যাওয়ার পর গল্পের শিশুটার জীবন কিভাবে তছনছ হয়ে গেল তার সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম চিত্র তুলে ধরা হয়?</p>



<p>একটা বাচ্চার বাস্তব জীবনে এত এডভেঞ্চার, দুঃখ, সুখ, উত্থান পতন আশা করা যায় না। সন্দেহ নেই, নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে মানুষ সবচেয়ে বেশি শেখে। কিন্তু শহরে চার দেয়ালের মাঝে বেড়ে ওঠা যে শিশু সেই সুযোগ পায় না, তার ট্রেইনিং এর সবচেয়ে চমৎকার পদ্ধতি দক্ষ সাহিত্যিকের কলমে ফুটে ওঠা বিভিন্ন পটভূমির এডভেঞ্চারের গল্প, যার মধ্যে আসলেই পুরো সত্ত্বা নিয়ে হারিয়ে যাওয়া যায়। আর এই ট্রেইনিং এর সবচেয়ে উপযুক্ত সময় ছোটবেলা। </p>



<p>অনেক সময় বাচ্চারা সাহিত্য বিশেষত কবিতা সাথে সাথেই বোঝে না, কিন্তু আগ্রহ নিয়ে ছন্দটা খেয়াল করে, ছোটখাটো কবিতা মুখস্থ করে ফেলার চেষ্টা করে। ছোট্টবেলায় মুখস্থ করা অনেক কবিতার আগামাথা তখন না বুঝলেও, বড় হয়ে মানুষ বোঝে। টুইংকেল টুইংকেল লিটল স্টার আমাকে প্রথমবারের মত গভীরভাবে ছুঁয়ে গেছে মেয়েকে নিয়ে সত্যিকারের তারা দেখতে দেখতে আবৃত্তি করার সময়। যেই সুযোগ আমার ছেলেবেলায় আমি কোন দিনও পাইনি। আকাশ ভরা ঝিকিমিকি তারা সম্ভবত প্রথম দেখেছিলাম কৈশরের কোন এক সময়ে গ্রামের বাড়িতে, আবৃত্তি করার সময় কৈশরে দেখা সেই আকাশের কল্পনা আমার অনুভুতিকে পূর্ণতা দিলেও আমার মেয়ে সেই অনুভূতি পায়নি, কারণ আমাদের শহরে রাতে যে আকাশ দেখা যায়, সেখানে একটা মাত্র তারা জ্বলজ্বল করে। তাও ওকে নিয়ে টুইংকেল টুইংকেল লিটল স্টার গাওয়া থামাই না। আজকে না বুঝলেও আকাশ ভরা তারা যদি কোনদিন দেখার সুযোগ ওর জীবনে আসে, সেদিন সে ঠিকই কবিতাটা থেকে শিখবে, যেই শিক্ষা এই কবিতা ছাড়া আর কোথাও সম্ভবত নেই। (উল্লেখ্য, কবিতাটা ইংরেজি না জানা বাচ্চার জন্য একবার হলেও শব্দে শব্দে তরজমা করে বুঝিয়ে দেয়া আবশ্যক, নাহলে কল্পনা না, শুধুই টেপরেকর্ডার বিকশিত হবার সম্ভবনা আছে।)</p>



<p>কল্পনার ডানা মেলার জন্য আকাশ লাগে। আকাশ না দিয়ে তাকে খাঁচায় বন্দি করলে সে মরিয়া হয়ে ডানা ঝাপটায়। হোমওয়ার্কের চাপে পিষ্ট স্কুলফেরত ছোট্ট ছেলেটা বাসায় ফিরে মাকে বলে, কিভাবে স্কুলে ডাকাত এসেছিল আর সে একা পিটিয়ে তাদের সবাইকে কাবু করেছে। মা মিথ্যা বলার জন্য শাস্তি দেন বটে। কিন্তু মিথ্যা কেন বলতে সে বাধ্য হয় তা বোঝেন না। </p>



<p>পাঠ্যবই আর দু ছটাক নীতিশিক্ষার গল্পে আটকে থাকা কল্পনাপ্রবণ শিশুর মনটাকে খাঁচায় আটকানো হয় তার বুকশেলফ থেকে রূপকথা আর বাঘ ভালুকের বইগুলো সযত্নে সরিয়ে। কল্পনার টুটি চেপে ধরা বাচ্চাটা নিঃশ্বাসের হাহাকার থেকে বাস্তব জীবনের সাথে হাজারটা মিথ্যা মিশিয়ে বানিয়ে বানিয়ে কথা বলে, মার খায়। ডানা ঝাপটানো দম বন্ধ হয়ে আসা পাখিটার খোঁজ কোনদিনও মা পান না।</p>



<p>রাতে আকাশভরা তারার নিচে মাদুর বিছিয়ে দাদা দাদুর মুখে গল্প শুনে শৈশব কাটানোর সংস্কৃতি শুধু আমাদেরই না, অনেক সভ্যতাতেই দেখা যায়, যুগের পর যুগ, প্রজন্মের পর প্রজন্ম। ঠাকুরমার ঝুলি আর ঠাকুরদার ঝুলিতে তখন আসলেই গল্পের শেষ ছিল না। সারাদিন কাদা মাটি ঘাসে খেলে বেড়ানো দুরন্ত ছেলেটাও রাত হলে চুপচাপ গল্প শুনতে বসে যেত। তখন বাচ্চারা প্রকৃতির সান্নিধ্যে বেড়ে উঠতো, কেচ্ছা কাহিনী শুনে বেড়ে উঠতো, গাজী কালু, চম্পাবতী। কল্পনার ডানা মেলার জন্য আকাশ ছিল এক টুকরো। সেই আকাশ কেড়ে নিয়ে, বোঝার বয়স আসার আগেই নীতিশিক্ষার কঠিন কঠিন কথা তাদের ছোট্ট খাঁচার মধ্যে জোর করে ঠেসে দিয়ে আমরা ভুল করছি না তো?</p>



<p>(পুনশ্চঃ বাংলা সাহিত্যে শিশুদের উপযোগি কিছু ক্লাসিকের নাম, প্রাপ্তিস্থান কারো জানা থাকলে কমেন্টে জানানোর অনুরোধ। উদাহরণস্বরূপঃ ডালিম কুমার, গাজী কালু, ভেলুয়া সুন্দরীর পুঁথি, নকশি কাঁথার মাঠ, সুকুমার রায়, নজরুলের শিশুতোষ কবিতা ইত্যাদি। বয়সসীমাঃ ২-১০বছর।)</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/islamic-secular-literature-homeschooling-2/">ইসলামিক হোমস্কুলিং কারিকুলাম, সেক্যুলার সাহিত্য পুনর্বিবেচনাঃ দ্বিতীয় পর্ব</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইসলামিক হোমস্কুলিং কারিকুলাম, সেক্যুলার সাহিত্য পুণর্বিবেচনাঃ প্রথম পর্ব</title>
		<link>https://matritto.com/islamic-secular-literature-homeschooling/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[ফারিহা আমাতুর রহমান]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 15 Mar 2021 14:39:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>
		<category><![CDATA[homeschooling]]></category>
		<category><![CDATA[কারিকুলাম]]></category>
		<category><![CDATA[হোমস্কুলিং]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=4385</guid>

					<description><![CDATA[<p>ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো বুঝার মতো মন তৈরি করতে শিশুদের বিদ্যমান সমাজের নানান দিক চেখে দেখার সুযোগ করে দিতে হবে, বাবা-মা'র সরাসরি তত্ত্বাবধানে রেখে। দ্বার বন্ধ করে ভ্রমটারে রোখার সময় এখন নয়।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/islamic-secular-literature-homeschooling/">ইসলামিক হোমস্কুলিং কারিকুলাম, সেক্যুলার সাহিত্য পুণর্বিবেচনাঃ প্রথম পর্ব</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<figure class="wp-block-image size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/05/31181.jpg" alt="ইসলামিক হোমস্কুলিং কারিকুলাম, সেক্যুলার সাহিত্য পুণর্বিবেচনাঃ প্রথম পর্ব 1" class="wp-image-2258" title="ইসলামিক হোমস্কুলিং কারিকুলাম, সেক্যুলার সাহিত্য পুণর্বিবেচনাঃ প্রথম পর্ব 6"></figure>



<p>একজন খুবই জনপ্রিয় শায়খের কাছে এক মহিলা পরামর্শ চেয়েছিলেন, তাঁর স্বামীকে পরকীয়া থেকে কীভাবে ফেরাবেন এ ব্যাপারে। শায়খ উত্তর দিলেন, আগে থেকে সেজেগুজে থেকে রাতে স্বামীকে বিছানায় এতই ব্যস্ত রাখতে হবে যাতে দিনের বেলা পরকীয়া করার মত শক্তিই আর বাকি না থাকে।</p>



<p>আরেক ফতোয়ায় তিনি বলেছিলেন, দেওবন্দী পুরুষের সাথে সহীহ আক্বীদাহর নারীর বিবাহ হারাম, দেওবন্দীদের জন্য আহলে কিতাবদের মত হুকুম। </p>



<p>আমার পরিচিত দ্বীনি বোনদের ব্যাতিক্রম কেউ কেউ বাদে প্রায় সবাই ভীষণভাবে এই শায়খের ভক্ত। তাঁর ভক্তদের কথা বাদ দিলাম, শায়খ নিজেও হয়তো জানেন না যে তিনি অন্যের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করতে না পারার কারণে কত ঠুনকো ও হাস্যকর পরামর্শ দিয়ে বসেন, এটাও জানেন না যে কুরয়ান সুন্নাহ থেকে হুকুম বের করতে যে পরিমাণ বুদ্ধিবৃত্তিক যোগ্যতা তৈরি হওয়া লাগে, সেটা তাঁর নেই।</p>



<p>এই উদাহরণের মত অসংখ্য উদাহরণ দেওয়া যায়। সত্যি বলতে এই উদাহরণই আসলে আমাদের সমাজের বেশিরভাগ শায়খের ক্ষেত্রে টিপিকাল চিত্র। এমন মাদ্রাসা কারিকুলাম আমাদের দেশে, যেখানে কুরয়ানের টেক্সট আছে, হাদীসের টেক্সট আছে, মস্তিষ্কের ট্রেইনিং তো নেইই, বরং মানুষকে নিজের মত ছেড়ে দেয়া হলে স্বাভাবিক যে বোধবুদ্ধি অক্ষত থাকে, সেটা এই কারিকুলামের চাপে ধ্বংস হয়েছে তিলে তিলে। মানুষ জাহেল হয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঢোকে, জাহেল মুরাক্কাব হয়ে বের হয়। ইসলামের ও সেক্যুলার অনেক আলেমের মতে, এই মানুষগুলো পড়াশোনা না করলেই বরং ভালো হতো। জানে না যে এটা তো অন্তত জানতো!</p>



<p>আমাদের নিজেদের ক্ষেত্রেও এর ব্যাতিক্রম হয়নি। জেনারেল লাইনেও প্রচলিত সিস্টেমে আমাদের মস্তিষ্কের বিভিন্ন ক্ষমতাকে তিলে তিলে ধ্বংস করা হয়েছে বলে আমরা অনেক কিছুই বোঝার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছি। কিন্তু ভয়ানক ব্যাপার হলো, আমরা এ ব্যাপারটা জানি না। আমরা নিজেদের মতামত ও বুঝের ওপর খুবই আত্মবিশ্বাসের সাথে নির্ভর করি, এক্সপার্ট কারা সেটা বুঝতেও ভুল করি, কেননা এক্সপার্ট চিনতে পারাও একটা এক্সপার্টিজ। এবং ভুল এক্সপার্টের পরামর্শে নিজেদের ভুল জায়গায় আত্মবিশ্বাসকে আরেকটু তৃপ্তির সাথে মজবুত করে নিই আমরা।</p>



<p>ইসলামিক সমাজে খুব প্রচলিত একটা চিন্তা হলো, সন্তানকে শুধুমাত্র এবং শুধুমাত্র 'ইসলামি সাহিত্য' পড়িয়ে বড় করতে হবে, এর বাইরে যেকোন গল্প কবিতা প্রবন্ধ পড়া তার জন্য নিছক সময় নষ্ট। বিশেষত তা যদি 'শিক্ষামূলক' না হয়। কেননা, বিনোদন ছাড়া সাহিত্য পড়ার একমাত্র ভালো দিক আমাদের কাছে, নৈতিকতা তৈরির জন্য শিক্ষা গ্রহণ। অতএব, বয়স শুণ্য থেকে শুরু করেই তাদের সাথে নবী রাসূল, সাহাবী, তাবেঈ, আলিম ওলামা, সৎ কর্মশীলদের জীবনী, ইসলামের ইতিহাস বাদে আর কিছু পড়ানো দরকার নেই।</p>



<p>আমাদের প্রথম ভুলটা হলো, আমরা বাচ্চাদের 'শিক্ষামূলক' কিছু দিতে চাই। কিন্তু শিক্ষার সংজ্ঞাই আমাদের কাছে পরিষ্কার না। ইসলাম শিক্ষা মানে শুধু মাত্র নৈতিক শিক্ষা না। শিক্ষা একটা লম্বা চওড়া ট্রেইনিং প্রসেস। যেটা পরবর্তী জীবনে বাঁচার মত বাঁচতে আমাদের সাহায্য করে। আমি খুব সহজ কিছু উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করি কিভাবে সেক্যুলার সাহিত্যের বিভিন্ন দিক উপেক্ষা করার মাধ্যমে আমরা আমাদের 'ইসলাম শিক্ষাকে' পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।</p>



<p><strong>১. </strong><br>জীবন ঘনিষ্ট অনেক গল্প আমাদের অন্যের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করার শক্তি তৈরি করে। এর জন্য বিভিন্ন সমাজের, বিভিন্ন পরিস্থিতির, বিভিন্ন পটভূমিতে লেখা বিভিন্ন রকমের গল্প পড়া দরকার। সেখানে অনেক মজলুমের দুঃখের গল্প থাকবে, জালিমের অট্টহাসির গল্প থাকবে, কোন গল্প পড়তে গিয়ে হাসতে হাসতে পেট ব্যথা হয়ে যাবে, কোন গল্প কাঁদাবে, কোনটা আবার উত্তেজনায় ঘুম কেড়ে নেবে। এভাবে নিজের অজান্তেই বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নিজেকে কল্পনা করার শক্তিটা ধীরে ধীরে তৈরি হবে। উপরের উদাহরণের শায়খের মত কারো পরিস্থিতিকে বোঝার আগেই ফতোয়া দিয়ে নিজের ও অন্যের ধ্বংস সে ডেকে আনবে না। </p>



<p>উল্লেখ্য, এই ট্রেইনিং শুধুমাত্র সাহিত্য দিয়েই হবে, টিপিকাল ছোটদের ইসলামি সাহিত্য না, জীবনঘনিষ্ট সাহিত্য। একটা শিশু আরেকটা শিশুর গল্প পড়বে, বুঝবে। তার বাসার পাশে বস্তির খেটে খাওয়া লোকটার গল্প পড়বে। হাজার বছর আগের নবী রাসূলের(আঃ) গল্প তাকে নৈতিক শিক্ষা দেবে, কিন্তু 'অন্যের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করার' গুরুত্বপূর্ণ মানসিক ট্রেইনিং দেবে না।</p>



<p><strong>২. </strong><br>ভালো সাহিত্য আর মামুলি লেখার পার্থক্য বুঝতে হলে প্রচুর ভালো সাহিত্য পড়ে নিজের রুচিকে গড়ে তুলতে হয়। কুরআনের সাহিত্যমান সর্বোচ্চ যা মানুষের ক্ষমতার বাইরে। এটা বোঝা আরবদের জন্য কোন ব্যাপারই ছিল না কেননা তারা সাহিত্যপ্রেমী জাতি। মানুষের ক্ষমতার শেষ কোথায় তারা জানে বলেই আল্লাহর কালাম তাদের অবাক করেছিল। </p>



<p>আমরা যদি চাই যে আমাদের ছেলেমেয়েরা কুরয়ান যে ঐশিবাণী এটা কোন সায়েন্টিফিক প্রমাণ ছাড়া শুধু রিডিং পড়েই এর ভাষাগত উচ্চতা দেখার সাথে সাথে টের পাবে, তাহলে মানুষের মধ্যে যারা সর্বোচ্চ মানের কালজয়ী সাহিত্যিক, তাদের কালজয়ী সাহিত্যকর্ম বাচ্চাদের পড়ানোর মাধ্যমে তাদের সাহিত্যের উচ্চমানের রুচি গড়ে তুলতে হবে, প্রচুর শক্তিশালী লেখকের বই পড়াতে হবে, যাতে কুরয়ান তাদের ভাষা দিয়ে মুগ্ধ করে। আলেমদের মতে, কুরয়ানের মু'জিযা হলো এর ভাষাগত মু'জিযা। </p>



<p>আল্লাহ কুরয়ানে বারবার এর সমমানের কিছু এনে দেখানোর চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন আমাদের দিকে, যেটার কোন রেলেভেন্স, আমাদের নিজেদের ব্যর্থতার কারণে আমরা নিজেদের জীবনে পাইনা। আমাদের বাচ্চাদের কাছেও কি কুরয়ানের এ আয়াতগুলো ইরেলেভেন্টই থেকে যাবে? কালজয়ী সাহিত্য পড়ার কাজটা যদিও আরবীতে সবচেয়ে ভালো হতে পারে, সেই বয়স বা সুযোগ আসার আগ পর্যন্ত বাচ্চাদের বসিয়ে না রেখে অন্য ভাষাতেও চেষ্টা হওয়াটা বৃথা না।</p>



<p><strong>৩.</strong><br> রূপকথা, সায়েন্স ফিকশনের 'অসম্ভব' গল্প তাদের নিজেদের বাস্তবতার বাইরে যেয়ে কল্পনা করতে শেখায়। কল্পনাশক্তির সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটে নিজের স্থান, কাল ও বাস্তবতা তিনটারই বাইরে গিয়ে কল্পনা করলে। যেটা খুব কম ইসলামিক গল্পেই হয়ে থাকে। এই কল্পনাশক্তি পরবর্তী বয়সে তাদের গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, যুক্তিবিদ্যার বিভিন্ন শাখা নিয়ে সাবলীলভাবে পড়াশোনা করার প্রধান গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। </p>



<p>কয়েক শ' রূপকথা বা সায়েন্স ফিকশনের গল্পের বিকল্প কখনই হাতে গোণা বিশটা বা পঞ্চাশটা নবী রাসূলের মু'জিযার গল্প বা কারামাহর বর্ণনা হতে পারে না। ইসলামী গল্প আমরা পড়াবো, কিন্তু এগুলো থেকেও বঞ্চিত করবো না। একজন বাচ্চা যত বেশি বই পড়বে, তার কল্পনার ডানা তত প্রসারিত হবে। এই ডানা কেটে আমরা যেন শুধু অল্প সংখ্যক ইসলামিক গল্পে তাদের আটকে না রাখি।</p>



<p><strong>৪.</strong><br>গোয়েন্দা কাহিনী, রহস্য গল্প তাদের লজিকাল সেন্স তৈরি করে। বিশ্লেশন ক্ষমতা, রিজনিং তৈরি করে। এই ক্ষমতা একটা নির্দিষ্ট বয়সের আগে কোন ইসলামিক কন্টেন্ট দিয়ে হয় না। এই লজিকাল সেন্স দিয়েই পরবর্তীতে মুজতাহিদ হবার ক্ষমতা তৈরি হয়। এই মানসিক ট্রেইনিং ছাড়া ব্যাক্তিকে দেখলে বুদ্ধিহীন জড় পদার্থ মনে হবে না যদিও, কিন্তু এটাও ঠিক যে সে একজন মুজতাহিদও হতে পারার সম্ভবনা ক্ষীণ।</p>



<p><strong>৫.</strong><br>আরেকজন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা প্রশ্ন করেছিলেন, যে আমেরিকা পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে পারে, তাদেরকে কেন আমাদের মত গরীব দেশের কাছ থেকে কাপড় আমদানী করতে হয়? তারা কি সামান্য কাপড়ও বানাতে পারে না? প্রশ্ন শুনেই বোঝা যাচ্ছে যে বক্তার এ বিষয়ে কোন ধারণাই নেই। আমেরিকা অন্য অনেক অসাধারণ কাপড় বানায়। কিন্তু সেগুলো প্রাকৃতিক সুতি না, ওটা তাদের দেশের আবহাওয়ায় উৎপাদন হয় না। তাই তারা আমাদের দেশ থেকে এক ধরণের সুতি, চায়না থেকে আরেক ধরণের সুতি, মিশর থেকে আরেক ধরণের সুতি আমদানী করে। </p>



<p>এসব জানার জন্য ভুগোল সম্বন্ধে যে জ্ঞান প্রয়োজন, সেটা ভুগোল বইয়ের পাতায় কমই আছে, বরং এগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ইতিহাসের গল্ল, সাহিত্যের আর ভ্রমণ কাহিনীর পাতায় পাতায়। বিভিন্ন সংস্কৃতি ও সভ্যতা নিয়ে জানার জন্য ছোট বয়সে সবচেয়ে উপযোগি মাধ্যম হলো সাহিত্য। এগুলো থেকে বঞ্চিত হলে যত বড় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়া হোক না কেন, অনেক সাধারণ জ্ঞান নাবথাকার কারণে স্কলারশিপ যোজন যোজন দূরে থেকে যাবে।</p>



<p>মস্তিষ্কের ট্রেইনিং এর জন্য সাহিত্যের গুতুত্ব নিয়ে আরো অনেক পয়েন্ট লেখা যায়। লেখা শেষ হবে না। আমি এখানে কবিতার গুরুত্ব নিয়ে কোন কথাই বলিনি, বলতে গেলে আরো দুটো পর্ব লাগবে কমপক্ষে। উল্লেখ্য, উপরের কোন স্কিলই হালাক্বায় নিয়ে লেকচার দিয়ে বাচ্চাদের শেখানো যাবে না। কেননা সেই শিক্ষাই সবচেয়ে মজবুত, যা মানুষ নিজের অজান্তেই শেখে, আনন্দের সাথে শেখে। হরেক রকম শিল্প আর সাহিত্যের চেয়ে বেশি আনন্দ আর কিসে হতে পারে?</p>



<p>এই স্কিলগুলো অর্জনের সময় বয়স শুণ্য থেকে শুরু করে পুরো শৈশব, কৈশর। ততদিনে তার অপরিপক্ব মন তৈরি হতে থাকবে ইসলামী জ্ঞানের শাখাগুলোতে সমস্ত শক্তি নিয়ে বিচরণ করতে। এরপর অন্যদের চেয়ে অনেক গুণ তীব্রতর গতিতে, তীক্ষ্ণতর মেধা নিয়ে সে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারবে ইসলামী ও সেক্যুলার জ্ঞানের সাগরে। তা না করে যদি ছেলেবেলার পুরো কারিকুলামই আমরা ইসলামি সাহিত্য দিয়ে ছেয়ে ফেলি, যেগুলোর জন্য তখন সে পুরোপুরি প্রস্তুতও না, তাহলে লং রানে তার ইসলামী জ্ঞানেই আমরা পিছিয়ে যাওয়ার রাস্তাটা তৈরি করে ফেলি।</p>



<p>পরবর্তী পর্বে ইন শা আল্লাহ উলামাদের জীবনী থেকে এ প্রসঙ্গে উদাহরণ এনে সেগুলোর কিছুটা পর্যালোচনা করার চেষ্টা করবো।</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/islamic-secular-literature-homeschooling/">ইসলামিক হোমস্কুলিং কারিকুলাম, সেক্যুলার সাহিত্য পুণর্বিবেচনাঃ প্রথম পর্ব</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
