ইসলামিক হোমস্কুলিং কারিকুলাম, সেক্যুলার সাহিত্য পুণর্বিবেচনাঃ প্রথম পর্ব

একজন খুবই জনপ্রিয় শায়খের কাছে এক মহিলা পরামর্শ চেয়েছিলেন, তাঁর স্বামীকে পরকীয়া থেকে কীভাবে ফেরাবেন এ ব্যাপারে। শায়খ উত্তর দিলেন, আগে থেকে সেজেগুজে থেকে রাতে স্বামীকে বিছানায় এতই ব্যস্ত রাখতে হবে যাতে দিনের বেলা পরকীয়া করার মত শক্তিই আর বাকি না থাকে।

আরেক ফতোয়ায় তিনি বলেছিলেন, দেওবন্দী পুরুষের সাথে সহীহ আক্বীদাহর নারীর বিবাহ হারাম, দেওবন্দীদের জন্য আহলে কিতাবদের মত হুকুম।

আমার পরিচিত দ্বীনি বোনদের ব্যাতিক্রম কেউ কেউ বাদে প্রায় সবাই ভীষণভাবে এই শায়খের ভক্ত। তাঁর ভক্তদের কথা বাদ দিলাম, শায়খ নিজেও হয়তো জানেন না যে তিনি অন্যের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করতে না পারার কারণে কত ঠুনকো ও হাস্যকর পরামর্শ দিয়ে বসেন, এটাও জানেন না যে কুরয়ান সুন্নাহ থেকে হুকুম বের করতে যে পরিমাণ বুদ্ধিবৃত্তিক যোগ্যতা তৈরি হওয়া লাগে, সেটা তাঁর নেই।

এই উদাহরণের মত অসংখ্য উদাহরণ দেওয়া যায়। সত্যি বলতে এই উদাহরণই আসলে আমাদের সমাজের বেশিরভাগ শায়খের ক্ষেত্রে টিপিকাল চিত্র। এমন মাদ্রাসা কারিকুলাম আমাদের দেশে, যেখানে কুরয়ানের টেক্সট আছে, হাদীসের টেক্সট আছে, মস্তিষ্কের ট্রেইনিং তো নেইই, বরং মানুষকে নিজের মত ছেড়ে দেয়া হলে স্বাভাবিক যে বোধবুদ্ধি অক্ষত থাকে, সেটা এই কারিকুলামের চাপে ধ্বংস হয়েছে তিলে তিলে। মানুষ জাহেল হয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঢোকে, জাহেল মুরাক্কাব হয়ে বের হয়। ইসলামের ও সেক্যুলার অনেক আলেমের মতে, এই মানুষগুলো পড়াশোনা না করলেই বরং ভালো হতো। জানে না যে এটা তো অন্তত জানতো!

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ মার্চ 15, 2021