প্রসঙ্গঃ হোমস্কুলিং ও বহুল প্রচলিত ভুলঃ প্রথম পর্ব

বিভন্ন সময়ের বিভিন্ন বিষয়ের বহু স্কলার এর মতে, বুদ্ধিমান আর বোকার মধ্যে বুদ্ধির যে পার্থক্য তার মূল কারণ হলো 'মনোযোগ দেয়ার ও ধরে রাখার ক্ষমতার পার্থক্য"।

যেই বাচ্চা গভীর মনোযোগ দিয়ে চিন্তা করতে পারে, আশেপাশের সব ভুলে চিন্তায় মগ্ন হয়ে যায়, সে যে বিষয়েই চিন্তা করুক না কেন, সেটাতে তার বুদ্ধিকে ধার দিতে থাকে। যেমন, একটা বাচ্চা চিন্তা করছে গাছের পাতা কেন সবুজ। উত্তরের কুল কিনারা করতে না পারলেও তার যদি পাঁচ মিনিট মনোযোগ দিয়ে চিন্তা করার অভ্যাসটা থাকে পাঁচ মিনিট পর তার রিজনিং এর ক্ষমতায় কিছু শক্তিবৃদ্ধি হয়, খুবই সামান্য হলেও।

আর যেই বাচ্চাটা বিশ সেকেন্ড চিন্তা করার পরই খেলায় মন দেয় বা মনোযোগ একটু পর পর এদিক ওদিক সরিয়ে নিতে থাকে তার সেই সামান্য ক্ষমতা বৃদ্ধিটা হয় না। বছরের পর বছর এই ছোট্ট অভ্যাসটাতে ধার দিতে দিতে একটা সময় এই দুই বাচ্চার মধ্যে যুক্তি বোঝার ক্ষেত্রে বিরাট পার্থক্য তৈরি হয়। স্বাভাবিকভাবেই, যুক্তি তর্ক কম বোঝে এরকম বাচ্চা ফিক্বহ যত বেশিই পড়ুক, যুক্তি ভালো বোঝে এরকম বাচ্চাই ফিক্বহ শাস্ত্র ভালো বুঝবে এবং একটু কম পড়লেও দিনশেষে এগিয়ে থাকবে।

যে বাচ্চাটা মনোযোগ দিয়ে গোলাপ ফুলটা দশ মিনিট ধরে দেখে, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে, আশেপাশের সব ভুলে যায়, সে সম্ভবত খুব ভালো ছবি আঁকবে, অথবা জীববিজ্ঞান ভালো বুঝবে। সে এই এক মনোযোগ দেয়ার মাধ্যমে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক একটি গুণে নিজের অজান্তেই ধার দিচ্ছে। সেটা হলো অবজারভেশন বা পর্যবেক্ষণ।

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ মে 9, 2021