মিনা-রাজু কার্টুনের মতো কিশোরী মেয়েটিকে খাবারের ভাগ কম দেয়ার চল এখনও আছে কিছু পরিবারে। অন্যদিকে, এই বেড়াজাল থেকে বেড়িয়ে আসা পরিবারগুলোতে প্রায়শই দেখা যায় আহলাদ করে সন্তানকে শুধু পছন্দের খাবার খেতে দেয়ার চল। কলেজ, ভার্সিটি পড়ুয়াদের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ রুচিমাফিক খেয়ে থাকে, অনেকেই অস্বাস্থ্যকর উপায়ে স্লিম থাকার প্রচেষ্টায় রত। এছাড়াও প্রেগন্যান্সী গ্রুপগুলোতে প্রায়ই দেখা যায় সন্তান জন্ম পরবর্তী মারাত্মক শারীরিক ক্লান্তি থেকে শুরু করে হাত, পা, কোমর ব্যথা, রক্তস্বল্পতার বর্ণনা।
কখনো কী ভেবেছেন কিশোরী বয়স থেকে মা হওয়ার আগ পর্যন্ত শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি না দিলে প্রেগন্যান্সী ও প্রেগন্যান্সী পরবর্তী জীবনটা কিভাবে স্বাস্থ্যবান ও হাসিখুশি হওয়া সম্ভব?
এদিকে এখনও গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ, প্রসব পরবর্তী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, প্রিম্যাচিউর বেবী হওয়ার ঘটনা অহরহ ঘটে চলেছে। সেই সাথে, ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যাত্ব, হাইপোথাইরয়েড, PCOS আজকের দিনে অন্যতম সমস্যা। এই সমস্যাগুলোয় ভুক্তভোগী মানুষের সংখ্যা আমাদের চারপাশে কেবল বাড়ছেই। আবার অনেকের সন্তান হলেও নানারকম শারীরিক বা মানসিক সমস্যা নিয়ে জন্ম নিচ্ছে। শুধু তাই না, এসব মা ও শিশুদের ভবিষ্যতে আরো জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে!
এতসব সমস্যা এ যুগে এত কেন হচ্ছে? এর অনেক গুলো কারণের মধ্যে অন্যতম কারণটি হল- সঠিক নিউট্রিশন বা পুষ্টির অভাব। এ নিউট্রিশন যে শুধুমাত্র প্রেগন্যান্সিকালীন তা না, প্রেগন্যান্সির আগেরও। এজন্যই মা হওয়ার আগেই মেয়েদের সচতন করার উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হচ্ছে একটি ওয়েবিনার। ”মা হওয়ার আগে মেয়েদের পুষ্টি” শিরোনামের ওয়েবিনারে কথা বলবেন মাতৃত্বে প্রকাশিত মেয়েদের পুষ্টি নিয়ে জনপ্রিয় লেখাগুলোর লেখিকা পুষ্টিবিদ ফারিহা মুশাররাত।
