<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>নরমাল ডেলিভারি - Matritto</title>
	<atom:link href="https://matritto.com/tag/%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://matritto.com</link>
	<description>গর্ভধারণ, সন্তান পালন ও মাতৃত্ব নিয়ে জানুন বাংলাভাষায়</description>
	<lastBuildDate>Fri, 25 Apr 2025 08:04:04 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://matritto.com/wp-content/uploads/2017/02/cropped-favicon-1-1-1-32x32.png</url>
	<title>নরমাল ডেলিভারি - Matritto</title>
	<link>https://matritto.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>সিজারিয়ান ডেলিভারি— বিলাসিতা না প্রয়োজন?</title>
		<link>https://matritto.com/caesarean-emergency-or-avoid/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিশাত তামমিম]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 12 Jan 2023 18:11:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[নরমাল ডেলিভারি]]></category>
		<category><![CDATA[সি সেকশন]]></category>
		<category><![CDATA[সিজারিয়ান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=5646</guid>

					<description><![CDATA[<p>নরমাল ডেলিভারির জন্য চেষ্টা করা ও আল্লাহর উপর ভরসা করা যেমন দরকার, তেমন দরকার হলে সিজারিয়ান ডেলিভারিও মেনে নেয়ার মানসিকতা থাকা চাই</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/caesarean-emergency-or-avoid/">সিজারিয়ান ডেলিভারি— বিলাসিতা না প্রয়োজন?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>এক ছোট বোনের লেবার পেইন উঠেছে, কতদূর প্রোগ্রেস করলো দূর থেকে খোজ নিচ্ছিলাম। এক পর্যায়ে জানালো- পেইন অনেক বেড়েছে। বাচ্চার মাথা নিচের দিকে আছে, মাথা নিচেও নেমে এসেছে। তাও ডাক্তার নর্মালে করাতে চাচ্ছেনা, সিজার লাগবে নাকি। পিভি এক্সামিন করে বাচ্চার চোখ আর কপাল হাতে পাচ্ছে। আমরা বাসায় চলে যাচ্ছি, সিজার করাবো না।</p>



<p>কিছুদিন আগে আরেক ছোট বোনের বাবু হবে, নর্মাল ডেলিভারির জন্য ভর্তিও হয়েছে, কিন্তু হঠাৎ ডাক্তার বলছেন, পানি কমে গেছে, নর্মালের জন্য অপেক্ষা করা যাবেনা। হন্তদন্ত হয়ে মেসেজ দিয়েছে- কী করবো এখন? আমরা তো কোনভাবেই সিজার চাচ্ছিলাম না। এতদিন তো সব ঠিক ছিলো!</p>



<p>এরকম অনেক কেইস আমাদের কাছে আসে। উপরে কেবল দুটো উদাহরণ দিলাম। প্রথম কেইসটা ফিটাল ম্যালপ্রেজেন্টেশানের উদাহরণ। বাচ্চার মাথা নিচের দিকে থাকলেও যেভাবে মুখ করে থাকার কথা, সেভাবে নেই- যেখানে থাকার কথা মাথার চুলের অংশ, সেখানে আছে মুখ ও কপাল। মাথা ঠিক অবস্থানে না আসলে এই অবস্থায় জোর করে নর্মাল ডেলিভারি করাতে গেলে বাচ্চার মুখে পানি আসা, মাথা বাকা হয়ে যাওয়া, বাচ্চার শ্বাসকষ্ট, স্পাইনাল কর্ড ইঞ্জুরি, ব্রেইন ড্যামেজ থেকে বাচ্চার মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।</p>



<p>দ্বিতীয় কেইসটা সিভিয়ার অলিগোহাইড্রামনিওজ এর উদাহরণ, যেখানে এমনিওটিক ফ্লুইড (AFI) কমে ৩ সেন্টিমিটারেরও নিচে এসে গিয়েছিলো। এই অবস্থায় অক্সিজেনের অভাবে বাচ্চার শ্বাসকষ্ট থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।</p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2023/01/Caesarean-1024x536.jpg" alt="সিজারিয়ান ডেলিভারি— বিলাসিতা না প্রয়োজন?" class="wp-image-5652" title="সিজারিয়ান ডেলিভারি— বিলাসিতা না প্রয়োজন? 1"></figure>



<div class="gutentoc tocactive nostyle"><div class="gutentoc-toc-wrap"><div class="gutentoc-toc-title-wrap"><div class="gutentoc-toc-title">Table Of Contents</div><div id="open" class="text_open">show</div></div><div id="toclist"><div class="gutentoc-toc__list-wrap"><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#প্রচলিত-ভুল-ধারণা">প্রচলিত ভুল ধারণা</a></li><li><a href="#কখন-সিজারিয়ান-ডেলিভারি-জরুরিঃ">কখন সিজারিয়ান ডেলিভারি জরুরিঃ</a></li><li><a href="#কখন-সিজারিয়ান-ডেলিভারি-প্রয়োজন-হতে-পারেঃ">কখন সিজারিয়ান ডেলিভারি প্রয়োজন হতে পারেঃ</a></li></ul></div></div></div></div>



<p>আমরা যেন এটা মনে রাখি, নরমাল ডেলিভারির জন্য আমরা চেষ্টা করবো, দুয়াও করতে থাকবো, তবে আল্লাহর সিদ্ধান্তের উপর তাওয়াক্কুলও রাখতে হবে। আমার সব চেষ্টার পরও নরমালে না হতে পারে, সেক্ষেত্রে বাচ্চার মা ও বাচ্চার জীবনটা আগে, জীবনের বিনিময়েও নরমাল ডেলিভারি করাতে হবে, এমন ভুল যেন করে না বসি। এমন কথা ইসলামও বলেনি- শখ করে সিজারিয়ান ডেলিভারি করানো উচিৎ নয়, কিন্তু জরুরতে জায়েয তো বটেই, জীবন রক্ষার জন্য হলে সেটা জরুরি।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="প্রচলিত-ভুল-ধারণা">প্রচলিত ভুল ধারণা</h2>



<p>আফসোসের বিষয়, এই জায়গাটাতে এসে অনেক শিক্ষিত, ইলমওয়ালা মানুষও বোকার মত যুক্তি দিয়ে বসেন- কুকুর বিড়ালের বাচ্চা হতে সিজার লাগেনা, মানুষের কেন লাগবে? আগের যুগের মায়েদের সিজার লাগতো না, এখন লাগবে কেন?</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>জ্বি না, কুকুর বিড়াল কিংবা পশুদের বাচ্চাও ডেলিভারি হতে গিয়ে আটকে গিয়ে অনেকসময় বাচ্চা ও মা মারা যায়। ইউটিউব সার্চ দিয়ে দেখুন।</li>



<li>আগের যুগে সিজার ছিলোনা, শিশুমৃত্যু ও মাতৃমৃত্যুর হারও অনেই বেশি ছিলো। চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতির সাথে এই হার অনেক কমেছে, আলহামদুলিল্লাহ। পরিসংখ্যান দেখে আসুন।</li>
</ul>



<p>আর হ্যা, চিকিৎসার এই জ্ঞান মানুষ নিজ শক্তিতে পায়নি, এই জ্ঞানও আল্লাহরই দেয়া। আল্লাহর দেয়া বুদ্ধি ও জ্ঞানকে মানুষের উপকারে লাগানো, এটাতো আল্লাহই চান।</p>



<p>চিকিৎসাবিদ্যার চর্চা নতুন কিছু না, রাসূল সা. এর যুগেও ছিলো, আয়িশা রা. নিজেও চিকিৎসকদের দেখে দেখে চিকিৎসাশাস্ত্রের অনেক জ্ঞান লাভ করেছিলেন। তাই চিকিৎসা শাস্ত্রের যে উন্নয়ন মানুষের উপকার করছে, সেটাকে গ্রহণ না করে নিজের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলা কোন তাওয়াক্কুলের পরিচয় বহন করেনা, বরং চিকিৎসা গ্রহণ করাই সুন্নাত। আর বাচ্চা ও মায়ের জীবন বাচাতে প্রয়োজনে সিজারিয়ান ডেলিভারির সুযোগ গ্রহণ করা সেই সুন্নাতেরই অংশ।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="কখন-সিজারিয়ান-ডেলিভারি-জরুরিঃ">কখন সিজারিয়ান ডেলিভারি জরুরিঃ</h2>



<p>যাক সে কথা, চলুন তবে দেখে আসি, কোন কোন ক্ষেত্রে সিজারিয়ান ডেলিভারি জরুরি হয়ে পড়ে-</p>



<p>যেসব ক্ষেত্রে সিজার ব্যতীত আর কোনো উপায় নেই (absolute indication):<br>১. বাচ্চা প্রসবের রাস্তা বাচ্চার মাথার আকৃতির সাথে আনুপাতিকভাবে ছোট। (Cephalo-pelvic disproportion)<br>২. প্রেগ্ন্যাসিজনিত হাইপারটেনশন অনেক বেশি হওয়া, সিস্টোলিক ব্লাড প্রেশার ১৬০ বা তার বেশি, ডায়াস্টোলিক ব্লাড প্রেশার ১১০ বা তার বেশি (Severe PIH)<br>৩. সিভিয়ার প্রি-একলাম্পশিয়া ও একলাম্পশিয়া (উচ্চ রক্তচাপজনিত খিচুনি)<br>৪. পেটের ভিতর বাচ্চার শ্বাসকষ্ট হওয়া (Fetal distress)<br>৫. ডেলিভারির সময় সবার আগে বাচ্চার নাড়ী দেখা যাওয়া (Cord prolapse)<br>৬. গর্ভফুল জরায়ুর মুখে থাকা(Placenta Previa, grade- 3,4)<br>৭. বাচ্চা ডেলিভারীর পূর্বেই গর্ভফুল জরায়ুর গা থেকে ছুটে রক্তক্ষরণ শুরু হওয়া (Abruptio Placentae)<br>৮. বাচ্চা জরায়ুতে আড়াআড়িভাবে (transverse lie) বা উল্টে থাকা (Breech)।<br>৯. ম্যালপ্রেজেন্টেশান: প্রসবমুখে বাচ্চার মুখ (Face presentation), বাচ্চার কপাল (Brow presentation) বা কাধ থাকা এবং তা ঘুরে গিয়ে স্বাভাবিক অবস্থানে না আসা।<br>১০. ডেলিভারির সময় জরায়ু ফেটে যাওয়া (Uterine Rupture)।<br>১১. বাচ্চা প্রসবের রাস্তায় বড় কোন টিউমার থাকা।<br>১২. আগে VVF (vesico-vaginal fistula) এর অপারেশন হওয়া।<br>১৩. জরায়ুর পানি খুব বেশি কমে যাওয়া (Severe Oligohydramnios)<br>১৪. দীর্ঘ সময়েও বাচ্চা ডেলিভারি না হওয়া (Prolonged labor) বা বাচ্চা আটকে যাওয়া (Obstruted labor)।<br>১৫. ডেলিভারির সময় বাচ্চার কাধ পিউবিক বোনে আটকে যাওয়া। (Shoulder dystocia)</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2023/01/when-caesarean-emergency.webp" alt="বাচ্চার বিভিন্ন পজিশন" class="wp-image-5656" width="720" height="720" title="সিজারিয়ান ডেলিভারি— বিলাসিতা না প্রয়োজন? 2"><figcaption class="wp-element-caption">বাচ্চার বিভিন্ন পজিশন</figcaption></figure>



<p></p>



<h2 class="wp-block-heading" id="কখন-সিজারিয়ান-ডেলিভারি-প্রয়োজন-হতে-পারেঃ">কখন সিজারিয়ান ডেলিভারি প্রয়োজন হতে পারেঃ</h2>



<p>যেসব ক্ষেত্রে সিজার করা লাগতে পারে (Relative indication):<br>১. জরায়ুতে একসাথে একাধিক বাচ্চা থেকে সৃষ্ট জটিলতা (Complicated or multiple pregnancy)<br>২. বাচ্চার মাথা বড় হওয়া (Macrosomia)<br>৩. আগের দুই বা ততোধিক বাচ্চা সিজারে হওয়া।<br>৪. ডেলিভারির ব্যথা শুরু হওয়ার আগে যে কোন পরিমাণ রক্তক্ষরণ শুরু হওয়া (Antepartum Haemorrhage)<br>৫. সময় পার হয়ে যাওয়ার পর ইন্ডাকশন দিয়েও লেবার পেইন না উঠলে।<br>৬. ডেলিভারীর সম্ভাব্য তারিখ থেকে বেশি দেরি করে আসা (post dated pregnancy)</p>



<p>তবে হ্যা, উপরের কেইসগুলোতে সবসময় যে সিজার করতেই হবে এমন না। ডেলিভারির সময় অনেক ক্ষেত্রে বাচ্চার পজিশান বদলে ঠিক হয়েও যায়। তবে যা-ই করবেন, শুধু অনুমানের উপর নির্ভর করে বসে না থেকে বিশ্বস্ত গাইনী ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে করবেন। প্রয়োজনে অনলাইন কোন ক্লিনিক বা পরিচিত ডাক্তার থেকেও পরামর্শ নিতে পারেন। </p>



<p>সর্বোপরি সহজতার দুয়া করবেন, ইস্তিখারা করবেন, আল্লাহর সিদ্ধান্তের উপর সন্তুষ্ট থাকার মানসিকতা রাখবেন। শুধুই নিজের চিন্তাভাবনার উপর অটল থেকে বাচ্চা ও বাচ্চার মায়ের জীবন ঝুকির মুখে ফেলবেন না। প্রতিটি জীবন মূল্যবান। একটি জীবন রক্ষা করা সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করার সমান।</p>



<p><strong>লেখিকাঃ ডাক্তার নিশাত তামমিম, ইয়াদাহ ক্লিনিক</strong></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/caesarean-emergency-or-avoid/">সিজারিয়ান ডেলিভারি— বিলাসিতা না প্রয়োজন?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আয়িশার আম্মু হওয়ার গল্প</title>
		<link>https://matritto.com/ayesha-birth-story/</link>
					<comments>https://matritto.com/ayesha-birth-story/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[অনলাইন সম্পাদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Jun 2022 10:39:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>
		<category><![CDATA[Birth Story]]></category>
		<category><![CDATA[Natural birth]]></category>
		<category><![CDATA[নরমাল ডেলিভারি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রসব অভিজ্ঞতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=4823</guid>

					<description><![CDATA[<p>প্রেগন্যান্সি নিয়ে জানার কোন বিকল্প নেই। একটা স্মুথ প্রেগন্যান্সি আর ডেলিভারির জন্য নলেজ আবশ্যক। আর সাথে দু'আ তো আছেই।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/ayesha-birth-story/">আয়িশার আম্মু হওয়ার গল্প</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-full"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/12/c9e2a1ba85d4d3f82787700d643b7765.jpg" alt="আয়িশার আম্মু হওয়ার গল্প 1" class="wp-image-3935" title="আয়িশার আম্মু হওয়ার গল্প 3"></figure>
</div>


<p>আমার যাইনাব এর বয়স যখন ১০মাস, তখন আমি সেকেন্ড টাইম কন্সিভ করি। রোজা শুরুর একদম আগে জানতে পারি প্রেগন্যান্সির নিউজ। আলহামদুলিল্লাহ, ৩০টা রোজা রাখতে পেরেছিলাম। যদিও অনেক খারাপ লাগতো, এদিকে বড়টাও ব্রেস্টফিডিং করতো। এবার এক্টিভিটি বলতে বড়টার দেখা শোনা ছিল। হাটাহাটি ও করতাম, তবে খুব বেশি না। একটা কোর্স করছিলাম, ওখানে যাওয়া আসা সব একাই করেছি।</p>



<p>আমার কোর্সমেটরা লাস্ট এক্সামের দিনই আমার থেকে জানতে পারেন আমি প্রেগন্যান্ট। আমাকে দেখে/ চলাফেরাতে উনারা কখনই বুঝেন নি<img decoding="async" src="" alt="?" width="16" height="16" title="আয়িশার আম্মু হওয়ার গল্প 4"> । আমি আসলে নিজের উপর খুব সাহস রাখতাম। নিজেকেই নিজে এনকারেজ করতাম যে আমি পারবো ইন শা আল্লাহ। যাইনাব হওয়ার পরে পিরিয়ড সাইকেল চেঞ্জ হওয়াতে LMP নিয়ে কনফিউশান ছিল। টোটাল প্রেগন্যান্সিতে দুই বার আল্ট্রা করেছি-১৮ আর ৩০ সপ্তাহে। প্রথম টায় ২৭ ননভেম্বর আর পরেরটায় ২০ নভেম্বর আসে ডেট। আমাকে ডাক্তার ২০-২৭এই টাইমটা বললেন।</p>



<p>আমার দুই প্রেগন্যান্সির কোনটাতেই <a href="https://matritto.com/tag/%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8/" data-type="post_tag" data-id="248">ফলস পেইন</a> ছিল না। শেষের দিকে খেজুর, জমজমের পানি, সুরা ফাতিহা পড়া পানি খাওয়া শুরু করেছিলাম। ২০ তারিখ পার হয়ে যাওয়ার পরে আর patience থাকছিল না। লেবারের কোন সাইন-ই নাই<img decoding="async" src="" alt="?" width="16" height="16" title="আয়িশার আম্মু হওয়ার গল্প 4"> । ২৩তারিখ সকালে উঠে কেন জানি মন এত খারাপ লাগছিল, কান্নাকাটি করে অনেক দু'আ করলাম যেন আল্লাহ লেবার পেইন টা শুরু করিয়ে দেন। মজার ব্যাপার সেদিন সকালেই আমার লেবারের সাইন শুরু হয়! খুবই মাইল্ড ব্যাক পেইন আর তলপেটে পেইন দিয়ে৷ এরপর প্রচুর পেলভিক ফ্লোরে চাপ লাগছিল আর ফ্রিকুয়েন্ট মিকচুরেশান হচ্ছিল। বুঝতে পারছিলাম লেবার শুরু হয়ে গেছে।</p>



<p>আমি এক্সাইটেড ছিলাম, এই ভেবে যে আর বেশি সময় নেই আমার মামুনিকে কোলে নেওয়ার<img decoding="async" src="" alt="❣️" width="16" height="16" title="আয়িশার আম্মু হওয়ার গল্প 6"> । এটা আসলে নিজেকে কুল রাখার/ মাইন্ড ডাইভার্ট করার টেকনিক যে পজিটিভ মাইন্ড সেট আপ রাখা। যাই হোক হাটাহাটি শুরু করলাম। ফ্লুইড ইন্টেক বাড়ালাম অনেক। একটা পানির বোতলে সুরাহ ফাতিহা ৭বার + জমজমের পানি মিক্সড করে রেডি রাখলাম। এভাবে সন্ধ্যা হলো। সন্ধ্যায় মিউকাস প্লাগ দেখলাম। পেইন তখনও তেমন বেশি না থাকলে উঠা শুরু করেছিল। আমি আলহামদুলিল্লাহ খুবই রিলাক্স আর কুল ছিলাম। উলটা আমাকে দেখে আমার আম্মু অবাক। উনার প্যালপিটিশান শুরু হয়ে গিয়েছিল<img decoding="async" src="" alt="?" width="16" height="16" title="আয়িশার আম্মু হওয়ার গল্প 4"> । আমি উনাকে সাহস দিচ্ছিলাম যে এত টেনশানের কি হলো, বেবি হতে আরও সময় লাগবে, হসপিটালে এখনও যাওয়ার সময় হয় নাই এসব বলে।</p>



<p>যেহেতু রাতে যদি হুট করে পেইন বেড়ে যায়, হস্পিটালে যাওয়া একটু টাফ হবে, তাই রাতের খাওয়া খেয়ে, ২ রাকাত নফল নামায পড়ে রেডি হয়ে নিলাম। আমার বড়টাকেও সাথে নিলাম। ওর ব্যাগ ও রেডি করে নিয়েছিলাম। হস্পিটালে যাওয়ার পরে কেবিনে এডমিট জলাম। সিটিজি, পিভি চেক করলেন ডিউটি ডাক্তার। যদিও উনি বললেন সারভিক্স ১ / ২ ফিংগার ওপেন, আমার খুব একটা সেটিস্ফাইং লাগে নি, আমি তো বুঝতে পারছিলাম যে লেবারের প্রগ্রেসন কেমন। যাই হোক, আম্মু, বড় পিচ্চি ঘুমিয়ে গেল। আমি হাটাহাটি চালু রাখলাম। ১০/১৫মিনিট হাটার পরে কিছুক্ষণ রেস্ট নিতাম। প্রচুর পানি খাচ্ছিলাম আর ব্লাডার প্রেসার আসা মাত্রই ক্লিয়ার করছিলাম।এই দুইটাই লেবার পেইন প্রগেসনের জন্য খুব জরুরি। রাত তিনটায় পেইনের তীব্রতা অনেক বাড়লো। স্ট্রংগ কন্ট্রাকশান হচ্ছিল।</p>



<p>কন্ট্রাকশান স্ট্রংগ হচ্ছিল রাত ৩টা থেকে। আমি কন্টিনিউয়াস হাটাহাটি করছিলাম। যখন কন্ট্রাকশান আসছিল স্কোয়াট করছিলাম আর করিডরের বারান্দার গ্রিল ধরে রাখছিলাম(তীব্র পেইন এ কোন কিছুতে সাপোর্ট দিলে/ পেইন টা ট্রান্সমিশন এর চেষ্টা করলে অনেকটাই আরাম পাওয়া যায়, আল্লাহ মারিয়াম(আঃ) এর লেবার পেইন এর সময় উনাকে এই টেকনিক জানিয়ে দিয়েছিলেন)।</p>



<p>আবু যাইনাব জেগে ছিলেন। আমি তখনও হাসি মুখে কথা বলছিলাম। উনি বার বার জানতে চাচ্ছিলেন ব্যাথা খুব বেশি কিনা। মিড ওয়াইফকে বলে ডিউটি ডাক্তারকে আনালাম, উনি চেক করে বললেন সারভিক্স এখন নাকি ২সেমি এর মতো খুলেছে! আমি কেন জানি বিলিভ করতে পারিনি, আমার লেবার পেইন এর প্রগ্রেসান এর সাথে কিছুতেই মেলেনি মনে হচ্ছিল। আবু যাইনাবকে ঘুমাতে বলে আমি আমার হাটাহাটি চালু রাখলাম। পেইন কোপ আপ করতে কিছু পজিশান ট্রাই করেছি, মাতৃত্ব গ্রুপে সেটার পোস্ট দিয়েছিলাম।</p>



<p>যাই হোক, এভাবে ফজর নামায এর সময় হলো, নামায পড়ে খুব আকুতি নিয়ে দু'আ করলাম। এদিকে ব্যাথা বেড়েই চলছিল। সকাল হলো। জানলাম সিনিয়র ম্যাডাম আসছেন। আমাকে দেখে স্টাফরা বলছিলেন রোগী দেখি সব জানে কি করতে হবে<img decoding="async" src="" alt="?" width="16" height="16" title="আয়িশার আম্মু হওয়ার গল্প 4"> । এই পেইন নিয়েও খুব নরমাল থাকার চেষ্টা করছিলাম, নিজেকে বিগ ইভেন্টটার জন্য প্রিপেয়ার করছিলাম। সকাল ৯টার দিকে ম্যাডাম আসলেন। উনি চেক করে বললেন, সারভিক্স তো ৬/৭সেমি ওপেন! আধা ঘন্টার মধ্যে বাবু হয়ে যাবে।</p>



<p>এরপর উনি পানি ভেঙে দিলেন। আর সাথে সাথে কন্ট্রাক্সসান ও ডাবল হয়ে গেল। নিজেই হেটে লিফটে করে লেবার রুমে নামলাম। ডাক্তার ও অন্য স্টাফরা রেডি হচ্ছিলেন ডেলিভারির জন্য। এরপর যে পেইনটা হচ্ছিল সেটা অসহনীয়, তারপর চিৎকার না করে হিপ রোটেশান করছিলাম আর বিছানার হ্যান্ডেল ধরে বালিশ কামড় দিয়ে উবু হয়ে ছিলাম। হঠাৎ খুব প্রেসার আসতে থাকে, আমি তাড়াতাড়ি করে সবাইকে ডাক দিলাম। আমাকে ধরে লেবার টেবিলে তোলা হলো। এবার আমি আর নিজেকে ধরে রাখি নাই, শরীরের সব শক্তি দিয়ে চিৎকার করে পুশ করলাম। কয়েক টা পুশেই আলহামদুলিল্লাহ আমার আয়িশা দুনিয়ায় চলে আসলো<img decoding="async" src="" alt="❣️" width="16" height="16" title="আয়িশার আম্মু হওয়ার গল্প 6"> বাবুকে কোলে নিয়ে সালাম দিলাম<img decoding="async" src="" alt="❣️" width="16" height="16" title="আয়িশার আম্মু হওয়ার গল্প 6"> ।</p>



<p>আলহামদুলিল্লাহ <a href="https://matritto.com/tag/episiotomy/" data-type="post_tag" data-id="94">এপিশিওটমি</a> লাগেনি, তবে ফার্স্ট ডিগ্রি টিয়ার হওয়াতে অল্প স্টিচ লেগেছিল।</p>



<figure class="wp-block-pullquote"><blockquote><p>আসলে প্রেগন্যান্সি নিয়ে জানার কোন বিকল্প নেই। একটা স্মুথ প্রেগন্যান্সি আর ডেলিভারির জন্য নলেজ আবশ্যক। আর সাথে দু'আ তো আছেই। <img decoding="async" src="" alt="?" width="16" height="16" title="আয়িশার আম্মু হওয়ার গল্প 4"></p></blockquote></figure>



<p><strong>লিখেছেন: উম্মে যাইনাব</strong></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/ayesha-birth-story/">আয়িশার আম্মু হওয়ার গল্প</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://matritto.com/ayesha-birth-story/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>3</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শিশুর ইমিউনিটি গঠনে মাইক্রোবায়োম (Microbiome) এর ভূমিকার বিস্তারিত</title>
		<link>https://matritto.com/child-immunity-microbiome/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাবিকুন্নাহার ননী]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Aug 2020 10:13:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[ইমিউনিটি]]></category>
		<category><![CDATA[নরমাল ডেলিভারি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রাকৃতিক প্রসব]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেস্টফিডিং]]></category>
		<category><![CDATA[মাইক্রোবায়োম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=2908</guid>

					<description><![CDATA[<p>শিশু তার মাইক্রোবায়োম তার মা থেকে লাভ করে। আর মা থেকে শিশুতে মাইক্রোবায়োম অতিবাহিত করার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো ভ্যাজাইনাল ডেলিভারি ও বুকের দুধ পান</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/child-immunity-microbiome/">শিশুর ইমিউনিটি গঠনে মাইক্রোবায়োম (Microbiome) এর ভূমিকার বিস্তারিত</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>একজন মানুষের শরীরে হাজার হাজার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অণুজীব রয়েছে ।&nbsp; খালি চোখে দেখা যায়না এরকম অনেক রকম উপাদান আছে মানুষের শরীরে যা মানুষের শরীরকে সুস্থ রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। মাইক্রোবায়োম ( Microbiome) এমনই একটি উপাদান যা মানুষের শরীরে শিশু অবস্থা থেকে রোগ প্রতিরোধ ব্যাবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করে যায়।</p>



<p>মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই মাইক্রোবায়োম একটি শিশুর শরীরে আসে তার মায়ের শরীর থেকে। মায়ের গর্ভে পানি ভাঙ্গার সময় থেকে এই ট্রান্সফার শুরু হয়, চলমান থাকে শিশুর ব্রেস্টফিডিং কাল পর্যন্ত।</p>



<p>শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে মাইক্রোবায়োম কিভাবে কাজ করে এবং শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োম তৈরি হয় কিভাবে, এই নিয়ে আজকের আর্টিকেল।</p>



<h2 class="wp-block-heading">মাইক্রোবায়োম (Microbiome) কী?</h2>



<p>একজন মানুষের শরীরে যত কোষ আছে তার প্রায় তিন গুণ বেশি আছে মাইক্রোঅরগানিজম বা মাইক্রোব ( Microbe), যাকে বাংলায় বলা যায় অণুজীব বা জীবাণু, ছোট ছোট জীবিত প্রাণ। এরা আমাদের শরীরে বসবাস করে একা অথবা কলোনি আকারে। এই মাইক্রোব আমাদের শরীরের ভেতর বাহির সবখানেই থাকে। আমাদের নাক, মুখ, চোখ, ত্বক, কান, প্রাইভেট পার্ট এবং নাড়ী ভুঁড়ির শেষাংশে থাকে ।</p>



<p>নানান রকম ফাঙ্গি, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, প্রটোযায়া ইত্যাদি মাইক্রোবকে একসাথে বলা হয় “হিউম্যান মাইক্রোবায়োম” যারা একটি নির্দিষ্ট পরিবেশে বসবাস করে শরীরে রোগ প্রতিরোধ, শক্তি অর্জন ও প্রতিরক্ষামূলক ভিটামিন উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষায় মাইক্রোবায়োমের ভূমিকা কেমন?</h2>



<p>মানুষের শারীরিক সুস্থতায় মাইক্রোবায়োমের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মাইক্রোবায়োম যেসব কাজ করে তার মাঝে উল্লেখযোগ্য কিছু হচ্ছে-</p>



<p>১। পরিপাকক্রিয়া ও মেটাবলিজমে সাহায্য করে<br>২। ভিটামিন ও নিউরো কেমিক্যাল উৎপাদন করে<br>৩। হরমোনের সাথে নানান রকম ক্রিয়া-বিক্রিয়া করে<br>৪। শরীরকে শত্রু জীবাণু সম্পর্কে সচেতন করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে<br>৫। খাদ্যবস্তু ভেঙ্গে শক্তি তৈরি করে<br>৬। পরিপাকতন্ত্র ও মস্তিষ্কের মাঝে সম্পর্ক রয়েছে বলে মাইক্রোব আমাদের মনের ভাব ও আচরণকেও প্রভাবিত করতে পারে।</p>



<p>এগুলো ছাড়াও চিকিৎসাবিজ্ঞানে মাইক্রোবায়োমের আরও বিশদ ভূমিকা বর্ণিত আছে। ।</p>



<h2 class="wp-block-heading">শিশুর ইমিউনিটি বৃদ্ধিতে মাইক্রোবায়োমের গুরুত্ব</h2>



<p>আমরা আগেই জেনেছি মানুষের শরীরে মাইক্রো বায়োম নানান রকম উপকারী ভূমিকা পালন করে। এই কাজগুলো শিশু অবস্থায়ই শুরু হয়। নতুন শিশু পৃথিবীতে আগমনের পর নানান রকম বন্ধু ও শত্রু জীবাণুর সংস্পর্শে আসে। মায়ের পেটের চেয়ে আলাদা রকমের খাবার তাকে খেতে হয় ও নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হয়। এসকল কাজে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে শিশুকে সাহায্য করে মাইক্রোবায়োম।</p>



<p>বিজ্ঞানিদের মতে, শিশুর “ইমিউন সিস্টেম” বা রোগ প্রতিরোধ পদ্ধতির সর্বোত্তম গঠনে কাজ করে মাইক্রোবায়োম। তাছাড়া, মায়ের শরীরকে প্রসব ও দুগ্ধপানের জন্য উপযোগী করে তুলতেও কাজ করে এই মাইক্রোবায়োম।</p>



<h2 class="wp-block-heading">শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োমের বীজ বপন পদ্ধতি</h2>



<p>মায়ের গর্ভে থাকার সময়ই একটি শিশু মায়ের শরীর থেকে তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি সংগ্রহ করে। সেই সাথে শিশুর শরীর তৈরি হয় বাইরের পৃথিবীর সাথে মানিয়ে নেবার জন্য। সেই কাজের প্রয়োজনীয় রসদও শিশু মায়ের শরীর থেকেই যোগাতে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োমের বীজ বপনও হয় মায়ের শরীর থেকেই!</p>



<p>বিজ্ঞানীদের মতে, শিশুর পরিপাকতন্ত্রে “সঠিক ব্যাকটেরিয়া”কে আসতে হবে “সঠিক সময়ে এবং সঠিক পদ্ধতিতে”। এটি না হলে বাচ্চার ইমিউন সিস্টেম ঝুঁকির মুখে থাকবে ও ভারসাম্যহীন আচরণ করবে। এই সঠিক পদ্ধতির শুরু হয় ভ্যাজিনাল ডেলিভারির মাধ্যমে।</p>



<p>মাইক্রোবের ব্যাপারে একটি খুব মজার ব্যাপার হচ্ছে মাইক্রো বায়োম প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে অতিবাহিত হয় ও এই ধারা ক্রমচলমান থাকে। একজন মানুষের হাতের ছাপ যেমন স্বতন্ত্র , তেমনি তার মাইক্রোবায়োমও। এই স্বতন্ত্র মাইক্রব মায়ের শরীর থেকে ভ্যেজিনাল ডেলিভারি ও ব্রেস্টফিডিং এর মাধ্যমে শিশুর শরীরে প্রবেশ করে।</p>



<p>এখানে আরেকটি চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে, যদি আপনার পূর্বতন সকল মাতামহ থেকে আপনার মা পর্যন্ত সকলের ভ্যাজিনাল ডেলিভারি হয় ও সকলেই এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করেন&nbsp; তবে তাদের সকলের মাইক্রোবায়োম আপনার কাছে চলে আসবে ও আপনিও যদি একই কাজ করেন তবে সেসব মাইক্রোবায়োম আপনার সন্তানদের কাছেও যাবে। কী দারুণ না ব্যাপারটি!</p>



<p>শিশু মায়ের গর্ভে থাকার সময়ই মাইক্রোবায়োমের সংস্পর্শে আসে বলে বিজ্ঞানিরা নিশ্চিত হতে পারেননি। শিশু এম্নিওটিক ফ্লুয়িডের ভেতরে থাকে বলে মাইক্রোবায়োমের সাথে যুক্ত হতে পারেনা বলেই বিজ্ঞানিদের ধারণা। তবে তাদের সন্দেহ, খুব সামান্য পরিমাণ হলেও হতে পারে।</p>



<p>তবে এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে যে যখন প্রসবকাল উপস্থিত হয়ে মায়ের পানি ভেঙ্গে যায় তখন শিশু মাইক্রোবায়োমের সংস্পর্শে আসে। তাই এটিকেই বীজ বপন বলা যেতে পারে। এরপর মায়ের বুকের স্পর্শ ও নিয়মিত মায়ের বুকের দুধ খাওয়ার মাধ্যমে মাইক্রোবায়োম স্থাপন পরিপূর্ণ হয়।</p>



<h2 class="wp-block-heading">ভ্যাজাইনাল ডেলিভারি ও মাইক্রোবায়োমের সম্পর্ক</h2>



<p>বাচ্চা যখন মায়ের গর্ভে এম্নিওটিক স্যাকের ভেতরে থাকে তখন সে মায়ের মাইক্রোব পায়না, এটি আমরা আগেই জেনেছি। যখন পানি ভেঙ্গে যায় তখন এই স্যাকের নিরাপত্তা নষ্ট হয় ও বাচ্চা মায়ের স্বতন্ত্র মাইক্রোবায়োম অর্জন করে। মায়ের মাইক্রোবায়োম বাচ্চার নাক, মুখ, ত্বক, কান দিয়ে প্রবেশ করে, এমনকি কিছু মাইক্রোবায়োম বাচ্চা গিলেও ফেলে।</p>



<p>যেহেতু নরমাল ডেলিভারির সময় মায়ের পরিপাকতন্ত্র থেকে, বাতাস ও মায়ের স্পর্শ থেকে, স্কিন টু স্কিন বা ক্যাঙ্গারু কেয়ার (Kangaroo Care)&nbsp; ও পরবর্তীতে ব্রেস্ট ফিডিং থেকে বাচ্চা মাইক্রোবায়োম পায়, তার মানে বাচ্চার শরীরের ইমিউন সিস্টেম তৈরির প্রথম ধাপ হচ্ছে নরমাল/ ভ্যাজিনাল ডেলিভারি।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বুকের দুধ ও মাইক্রোবায়োমের সম্পর্ক</h2>



<p>নতুন শিশু পৃথিবীতে আসার পর তার প্রথম ও প্রধান খাবার হচ্ছে মায়ের বুকের দুধ। মায়ের বুকের দুধ এমনভাবে তৈরি যেখানে শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় সব রকমের পুষ্টি উপাদান, স্বাদ, সহজপাচ্যতা ইত্যাদি সবকিছু বিদ্যমান।</p>



<p>মায়ের বুকের দুধে থাকা নিউট্রিয়েন্ট, এন্টি ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান, হরমোন, মাইক্রোব ইত্যাদির পাশাপাশি রয়েছে “ অপাচ্য বিশেষ সুগার” যা শিশুর শরীরে হজম হয়না। তাহলে এগুলোর কাজ কী?</p>



<p>ভ্যাজিনাল ডেলিভারির মাধ্যমে যেসব মাইক্রোব শিশুর শরীরে এসেছে, সেগুলোর জন্য এই “অপাচ্য সুগার” খাবার হিসেবে কাজ করে।&nbsp; এই অপাচ্য সুগার খাবার খেয়েই “সঠিক মাইক্রোব” শিশুর পরিপাক তন্ত্রে বাসা বাঁধে। নয়তো ক্ষতিকর মাইক্রোবও শিশুর পরিপাক তন্ত্রে জায়গা করে নিতে পারে।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>শিশুর শরীরে মা থেকে প্রথম যে মাইক্রোব আসে, সেগুলোর মাঝে এমন অনেক মাইক্রোব থাকতে পারে যা শিশুর জন্য ক্ষতিকর। বুকের দুধ খাবার মাধ্যমে এখানে একটি ভারসাম্য তৈরি হয় যা শিশুর ভবিষ্যৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। চমৎকার একটি প্রক্রিয়া!</p>



<p>তাই শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োমের সঠিক কার্যক্রম তৈরির জন্য শুধু ভ্যাজিনাল ডেলিভারি নয়, সেই সাথে খেয়াল রাখতে হবে শিশুকে পূর্ণ মেয়াদে বুকের দুধ খাওয়ানোর দিকেও।</p>



<h2 class="wp-block-heading">শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োম তৈরির প্রতিবন্ধকতা</h2>



<p>যেহেতু আমরা জেনেছি যে শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োম প্রবাহের সবচে কার্যকরী উপায় হচ্ছে ভ্যাজিনাল ডেলিভারি ও পরবর্তীতে এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং , তার মানে হচ্ছে এই কাজে বিপরীত হলে সেটিই মাইক্রোবায়োম প্রবাহের পথে&nbsp; বাঁধা&nbsp; হয়ে দাঁড়াবে।</p>



<p>সেই হিসেবে বলা যায় প্রচলিত সি-সেকশন ডেলিভারি ও পরবর্তীতে বাচ্চাকে ফর্মুলা দুধ দিলে শিশু একে তো কম মাইক্রোবায়োম পাবে, অপরদিকে শিশুর শরীরে সঠিক ও ক্ষতিকর মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্য নষ্ট হবে যার প্রভাব শিশুকে আজীবন বয়ে বেড়াতে হতে পারে।</p>



<p>সেই হিসেবে বলা যায় সি-সেকশন ডেলিভারি ও ফর্মুলা দুধ খাওয়ানো শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োম প্রতিস্থাপনে সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">সি-সেকশন ও ফর্মুলা দুধ কি তবে আমাদের শত্রু</h2>



<p>প্রতিটি জিনিসেরই পজিটিভ ও নেগেটিভ দিক রয়েছে। মাইক্রোবায়োমের এতো গুরুত্ব জানার পর যাদের সি সেকশনে বাচ্চা হয়েছে ও প্রয়োজনের তাগিদে যারা বাচ্চাকে ফর্মুলা দুধ দিয়ে থাকেন, তারা নিশ্চয় মানসিকভাবে আশাহত অনুভব করবেন।</p>



<p>কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, বিভিন্ন সংকটময় পরিস্থিতিতে মা ও শিশুর অধিকতর কল্যানের জন্যই আমাদেরকে সি-সেকশন ও ফর্মুলা দুধের উপর নির্ভর করতে হয়। সেই পরিস্থিতিতে এগুলো আমাদের জন্য নিয়ামতস্বরূপ।</p>



<p>সমস্যা তখন দেখা দেয় যখন অপ্রয়োজনীয় সি-সেকশন হয় ও ফর্মুলা দুধে বাচ্চাকে অভ্যস্ত করানো হয়। এসব ক্ষেত্রে আমাদের মনে রাখা দরকার আমরা আমাদের শিশুকে তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত করছি।</p>



<p>সঠিক ও পরিপূর্ণ প্রি-নাটাল জ্ঞান অর্জন করার মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় সি-সেকশন এড়িয়ে নিরাপদ ভ্যাজিনাল ডেলিভারি সম্ভব হয় ও মা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হয়ে থাকেন যা মা ও শিশুর সাস্থের জন্য সবচেয়ে উপকারী।&nbsp;&nbsp;</p>



<p> মাতৃত্ব <a href="/prenatal-live-batch">প্রিনাটাল কোর্সের বিস্তারিত</a> জানতে এখানে দেখুন। </p>



<p>পাশাপাশি, ভবিষ্যতে আমরা এমন গবেষণা আশা করতে পারি যেখানে সি-সেকশনেও কিভাবে শিশুকে মায়ের মাইক্রোবায়োমের সংস্পর্শে আনা যায় সেই পদ্ধতি জানা যাবে।</p>



<p>তবে এটুকু স্বীকার করতেই হবে প্রাকৃতিক নিয়মের চেয়ে সেরা কিছুই হতে পারেনা। সেই সাথে প্রয়োজনে চিকিৎসাবিজ্ঞানের কৃত্রিম পদ্ধতির সেবা নিতে দ্বিধা করা যাবেনা।</p>



<p>সবশেষে বলা যায়, শিশুর শরীরে মাইক্রোবায়োমের সরবরাহ সবচে বেশি হয় মায়ের কাছ থেকে ভ্যাজিনাল ডেলিভারি, স্কিন টু স্কিন টাচ ও এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং এর মাধ্যমে। তাই আজিবনের জন্য শিশুর সেরা রোগ প্রতিরোধ ব্যাবস্থা নিশ্চিত করতে এই ব্যাপারে আমাদের সচেতন হওয়া দরকার। প্রাকৃতিক প্রসবের প্রাকৃতিক সুবিধাগুলো আমাদের মা ও শিশুর জন্য আল্লাহর দেয়া প্রাকৃতিক নিয়ামাত। এই নিয়ামাত সহজলভ্য করতে প্রি-নাটাল প্রস্তুতি ও দুয়া জারি রাখতে হবে। সেই সাথে শিশুর বড় হবার সাথে সাথে&nbsp; সলিড খাবারের দিকেও মনোযোগ দিতে হবে কেননা সেগুলো থেকেও শিশু দরকারি মাইক্রোবায়োম অর্জন করে থাকে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">তথ্যসূত্র</h2>



<p>১।<a href="https://www.broadinstitute.org/news/how-mothers-microbiome-helps-shape-her-babys-development" target="_blank" rel="noopener"> How a mother's microbiome helps shape her baby's developement</a><br>২।<a href="https://microbirth.teachable.com/courses/" target="_blank" rel="noopener"> Microbiome mini course by Tony Harman</a></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/child-immunity-microbiome/">শিশুর ইমিউনিটি গঠনে মাইক্রোবায়োম (Microbiome) এর ভূমিকার বিস্তারিত</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে?</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আফিফা রায়হানা]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 08 Jul 2020 08:50:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[নরমাল ডেলিভারি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রসব প্রক্রিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[সি সেকশন]]></category>
		<category><![CDATA[সিজারিয়ান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=2647</guid>

					<description><![CDATA[<p>একটি সন্তান পৃথিবীতে জন্মদানের প্রক্রিয়া চলতে থাকে লম্বা সময়ের প্রেগন্যান্সীতে, তার পরিসমাপ্তি ঘটে ডেলিভারির মাধ্যমে। প্রথমবার সন্তান ধারণ করা মায়েরা ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না, ডেলিভারীর কোন পদ্ধতি তার জন্য ভালো হবে - নরমাল ডেলিভারী নাকি সি-সেকশন? নরমাল ডেলিভারি হলে কোনটা বেছে নেওয়া উচিত? স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রসব নাকি ওষুধ ব্যবহার সহযোগে ইন্ডিউসড প্রসব? এক্ষেত্রে একজন [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8/">প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>একটি সন্তান পৃথিবীতে জন্মদানের প্রক্রিয়া চলতে থাকে লম্বা সময়ের প্রেগন্যান্সীতে, তার পরিসমাপ্তি ঘটে ডেলিভারির মাধ্যমে। প্রথমবার সন্তান ধারণ করা মায়েরা ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না, ডেলিভারীর কোন পদ্ধতি তার জন্য ভালো হবে - নরমাল ডেলিভারী নাকি সি-সেকশন? নরমাল ডেলিভারি হলে কোনটা বেছে নেওয়া উচিত? স্বাভাবিক <a href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%83-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%af/" class="rank-math-link">প্রাকৃতিক প্রসব</a> নাকি ওষুধ ব্যবহার সহযোগে <a href="https://matritto.com/%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b6%e0%a6%a8-induction-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be/" class="rank-math-link">ইন্ডিউসড প্রসব</a>? </p>



<div class="gutentoc tocactive squiredlist scroll_id_show"><div class="gutentoc-toc-wrap"><div class="gutentoc-toc-title-wrap"><div class="gutentoc-toc-title">বিষয়সূচী</div><div id="open" class="togglethree">hide</div></div><div id="toclist"><div class="gutentoc-toc__list-wrap"><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#নরমাল-ডেলিভারিতে-ভ্যাজাইনাল-বার্থ-যা-হয়">নরমাল ডেলিভারিতে (ভ্যাজাইনাল বার্থ) যা হয়</a></li><li><a href="#নরমাল-ডেলিভারি-কি-কষ্টকর-">নরমাল ডেলিভারি কি কষ্টকর?&nbsp;</a></li><li><a href="#সি-সেকশনে-যা-হয়-">সি-সেকশনে যা হয়&nbsp;</a></li><li><a href="#সেড়ে-উঠতে-কত-সময়-লাগে">সেড়ে উঠতে কত সময় লাগে?</a></li><li><a href="#জটিলতাঃ-সি--সেকশন-বনাম-নরমাল-ডেলিভারি">জটিলতাঃ সি- সেকশন বনাম নরমাল ডেলিভারি</a></li><li><a href="#বাচ্চার-জন্য-কোনটি-ভালো-নরমাল-ডেলিভারি-নাকি-সি-সেকশন--">বাচ্চার জন্য কোনটি ভালো? নরমাল ডেলিভারি, নাকি সি-সেকশন?&nbsp;&nbsp;</a></li><li><a href="#ডেলিভারির-জন্য-আপনি-কোন-প্রক্রিয়াটি-বেছে-নেবেন-">ডেলিভারির জন্য আপনি কোন প্রক্রিয়াটি বেছে নেবেন?&nbsp;</a></li><li><a href="#সি-সেকশনের-পর-পরবর্তীতে-ভ্যাজাইনাল-ডেলিভারির-সম্ভাবনা">সি-সেকশনের পর পরবর্তীতে ভ্যাজাইনাল ডেলিভারির সম্ভাবনা</a></li></ul></div></div></div><style> .gutentoc-toc-wrap ul li a, .gutentoc-toc-title-wrap .text_open{ color: undefined}} </style></div>



<p>এক্ষেত্রে একজন ডাক্তার অবশ্যই ভালো পরামর্শ দেবেন, তবে তার আগে নিজেদের এই ব্যাপারগুলো ভালো করে জানার প্রয়োজন আছে, যেমন- কখন নরমাল ডেলিভারি করা সম্ভব, কোন অবস্থায় সি-সেকশনে যাওয়া প্রয়োজন, আবার কখন সবকিছু ঠিক থাকলেও শেষ মুহূর্তে ইমার্জেন্সী সি-সেকশন লাগতে পারে ইত্যাদি।&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="নরমাল-ডেলিভারিতে-ভ্যাজাইনাল-বার্থ-যা-হয়">নরমাল ডেলিভারিতে (ভ্যাজাইনাল বার্থ) যা হয়</h2>



<p>নরমাল ডেলিভারিতে নির্দিষ্ট সময়ের পর প্রাকৃতিকভাবে ব্যাথা শুরু হতে পারে অথবা ওষুধ প্রয়োগে ইন্ডিউসড পেইন হতে পারে। এসময় জরায়ুর পেশী ক্রমাগত সঙ্কুচিত-প্রসারিত হতে থাকে, এবং বাচ্চার মাথাকে ঠেলে প্রসবদ্বার বা বার্থ ক্যানেলে পৌঁছে দেয়। এইসময় সার্ভিক্স এর মুখ আস্তে আস্তে খুলতে থাকে এবং বাচ্চার মাথা আর ঘাড় বের হওয়ার মতো অবস্থায় চলে যায়। এক পর্যায়ে যেয়ে বাচ্চা ভেতর থেকে চাপ প্রয়োগ করে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাকে পুশ করতে হয়, যা থেকে বাচ্চার মাথা দ্রুত নীচে নেমে আসে। এইসময় বাচ্চার মাথা মায়ের পেরিনিয়াল এরিয়া অর্থাৎ যোনি আর মলদ্বারের মধ্যকার জায়গাটি&nbsp; প্রসারিত করে, যতক্ষণ না পর্যন্ত বাচ্চা যোনিপথ দিয়ে সম্পূর্ণ বের হয়ে আসে।&nbsp;&nbsp;</p>



<div class="wp-block-image is-style-rounded"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/07/normal-vaginal-delivery-2.jpg" alt="প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে? 2" class="wp-image-2687" title="প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে? 12"></figure></div>



<h2 class="wp-block-heading" id="নরমাল-ডেলিভারি-কি-কষ্টকর-">নরমাল ডেলিভারি কি কষ্টকর?&nbsp;</h2>



<p>নরমাল হোক, আর সি-সেকশন, মানব সন্তান জন্ম দেয়ার প্রক্রিয়াটিই কষ্টকর। তবে <a href="https://matritto.com/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be/" class="rank-math-link">মেয়েদের শরীর জন্মগতভাবে নরমাল ডেলিভারির জন্য তৈরি</a>। তার মানে তার এই পরিমাণ কষ্ট সহ্য করার শক্তি আছে, যাতে সে ডেলিভারি পেইন সহ্য করে নরমাল ডেলিভারি করতে পারে। বিশেষক্ষেত্রগুলো&nbsp; ছাড়া অধিকাংশ মায়েরাই নরমাল ডেলিভারির জন্যে সক্ষম হয়ে থাকেন।&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="সি-সেকশনে-যা-হয়-">সি-সেকশনে যা হয়&nbsp;</h2>



<p>সি-সেকশন আগে থেকে পরিকল্পনা মাফিক হতে পারে অথবা অবস্থা অনুযায়ী জরুরী ভিত্তিতেও হতে পারে। সি-সেকশনে মাকে অপারেশন টেবিলে নিয়ে যাওয়া হয়। পেটের উপর থেকে পর্দা টেনে দেয়া হয়, যাতে অপারেশনের প্রক্রিয়াটি মায়ের দৃষ্টিগোচর না হয়। সার্জন মায়ের তলপেটের নীচের দিকে (পিউবিক হেয়ার শুরুর ঠিক উপরে) চার থেকে ছয় ইঞ্চি লম্বা আড়াআড়ি কেটে নেন। জরায়ু যখন বাহির থেকে দেখা যায়, আড়াআড়ি ভাবে আরেকটা ইনসেশন করেন জরায়ুর নীচের দিকে। এরপর জরায়ুর কাটা অংশটুকু দিয়ে বাচ্চাকে টেনে বের করে আনা হয়। এরপর&nbsp; আমবেলিক্যাল কর্ড ও প্ল্যাসেন্টা বের করে নিয়ে আসা হয়। তারপর জরায়ু আর তলপেটের খোলা অংশটুকু আলাদা আলাদাভাবে সেলাই করে বন্ধ করে দেয়া হয়।</p>



<div class="wp-block-image is-style-rounded"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/07/image-20150610-6787-xc885g.jpg" alt="প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে? 3" class="wp-image-2688" title="প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে? 13"></figure></div>



<p>বর্তমানে এই প্রক্রিয়াটি আমাদের দেশে বেশ প্রচলিত নানারকম কারণে।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>সিজারিয়ান সেকশন প্রকৃতপক্ষে মা ও শিশু উভয়ের জন্যই জীবন রক্ষাকারী ও বেশ বড় ধরনের সার্জারি। এখানে এপিডুরাল&nbsp; এনেসথেশিয়া প্রয়োগ করে মায়ের পেট থেকে পা পর্যন্ত সাময়িক অসাড় করে অপারেশন করা হয়, মা এখানে চেতনাবিহীন হন না। তবে মা পেটের ভেতরের চাপ বোধ করতে পারেন, অন্য অনুভূতিও হতে পারে।&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="সেড়ে-উঠতে-কত-সময়-লাগে">সেড়ে উঠতে কত সময় লাগে?</h2>



<p>সাধারনত বড় ধরনের জটিলতা না থাকলে নরমাল ডেলিভারিতে সেড়ে উঠতে সময় কম লাগে সি-সেকশনের তুলনায়। নরমাল ডেলিভারিতে সন্তান জন্মের পর একজন মা হুইল চেয়ারে বসেই ডেলিভারি রুম ত্যাগ করতে পারেন। এমনকি পেরিনিয়াম স্টিচ বা সেলাই থাকলেও। বাচ্চাকে সাথে সাথে কোলে নেয়া, ব্রেস্টফিডিং করানো, স্বাভাবিক হাঁটাচলা সবই সম্ভব। সি-সেকশনে যেহেতু পেট কয়েক লেয়ারে কেটে বাচ্চা বের করে আনতে হয়, বেশ কিছু স্টিচ পড়ে ভেতরে আর বাহিরে, মায়ের সেড়ে উঠতে বেশি সময় লাগে। তলপেটের কাটা অংশটি শুকানো পর্যন্ত মাকে বেশ খানিকটা কষ্ট করতে হয়। প্রথম দুই সপ্তাহ বেশ কঠিন। কারন এরকম ক্ষত নিয়ে নতুন জন্মানো শিশুটিরও দেখাশোনা করতে হয় মাকে।&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="জটিলতাঃ-সি--সেকশন-বনাম-নরমাল-ডেলিভারি">জটিলতাঃ সি- সেকশন বনাম নরমাল ডেলিভারি</h2>



<p>নরমাল ডেলিভারির চেয়ে রক্তপাতের পরিমাণ বেশি হয় সি-সেকশনে। যে কোন সার্জারির মতো এতেও ইনফেকশন হতে পারে, রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। যেহেতু সি-সেকশনে মা সাথে সাথে উঠে বসতে বা চলাফেরা করতে পারেন না, রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনা থেকেই যায়। এছাড়া সি-সেকশনে এনেস্থেশিয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, লম্বা সময় ব্যাথা হতে পারে। যেজন্য সি-সেকশন হওয়া মাকে বেশি সময় হসপিটালে থাকতে হয়। অনেকসময় ডেলিভারি পরবর্তী জটিলতা দেখা দিতে পারে, যেমন অসহনীয় ব্যাথা, বা কাটা জায়গায় ঘা থেকে ইনফেকশন।&nbsp; সার্জারির সময় বাওয়েল বা ব্লাডার ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ব্লাড ক্লট জমতে পারে। সি-সেকশন মায়েরা বাচ্চাকে সচরাচর দ্রুত বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন না। তলপেটের ক্ষততে ব্যাথা আর অস্বস্তি ভাব থাকাতে, সেড়ে ওঠার সময়টা বড় হয়। অনেকের ক্ষেত্রে মাস দুয়েক লেগে যায়। এছাড়া একবার সি-সেকশন হলে আমাদের দেশের ডাক্তাররা সহজে পরবর্তীতে নরমাল ডেলিভারি করাতে চান না।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>তবে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে যদি পরবর্তী সন্তান প্রসবের সময় মায়ের নরমাল ডেলিভারি করার মত শারীরিক সুস্থতা&nbsp; থাকে এবং পূর্ববর্তী প্রসবের সময়কালীন জটিলতা বর্তমান পরিস্থিতিতে না হয়, তবে নরমাল ডেলিভারি করানো সম্ভব।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>নরমাল ডেলিভারিতে সাধারনত বাচ্চার মাথা বের হয়ে আসার কথা। যদি কোন কারনে বার্থ ক্যানেলের কোথাও বাচ্চা আটকে যায়, সেক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় বাচ্চার কাঁধ মায়ের পিউবিক বোনে আটকে যেতে পারে, যাকে শোল্ডার ডিস্টশিয়া (shoulder dystocia) বলে। এরকম ক্ষেত্রে ডাক্তাররা ভ্যাকুয়াম এক্সট্রেকশন করেন। যাতে ভ্যাকুয়ামের মতো একটা টেকনিকে সাকশান কাপের সাহায্যে বাচ্চাকে টেনে বের করা হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে ফোরসেপের সাহায্যে ডেলিভারি করাতে হয় যা "ফোরসেপ ডেলিভারি" নামে পরিচিত। </p>



<p>এক্ষেত্র গুলোতে দেখা যায় যে সার্ভিক্স পুরোপুরি ডাইলুটেড হয়ে বাচ্চার মাথা দেখা যাওয়ার পরও বাচ্চা স্বাভাবিক নিয়মে&nbsp; বের হয়ে আসে না, তখন বাচ্চার জীবন বাঁচাতে ও মাকে সাহায্য করতে ডাক্তার ভ্যাকুয়াম বা ফোরসেপ ডেলিভারি করে থাকেন। তবে এসব ক্ষেত্রে মায়ের পেরিনিয়াম (যোনির শেষভাগ থেকে মলদ্বারের উপর পর্যন্ত) কাটার প্রয়োজন পড়ে যা <a href="https://matritto.com/%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a7%9c/" class="rank-math-link">এপিসিওটমি</a> নামে পরিচিত। বাচ্চা ডেলিভারির পর ডাক্তার তা সেলাই করে দেন। সাধারনত অল্প সময়ের মধ্যে এপিসিওটমির ক্ষত ভালো হয়ে যায়, স্বাভাবিক অবস্থায় ৪০-৪৫দিন সময় লাগতে পারে।&nbsp;</p>



<p>নরমাল ডেলিভারিতে সম্ভব্য অন্যান্য জটিলতার মধ্যে রয়েছে পেলভিক অর্গান প্রলাপ্স, যা কিছু সংখ্যক মায়েদের হয়ে থাকে। যেহেতু লাস্ট স্টেইজে পুশ করে প্রেশার দিয়ে বাচ্চাকে বের করতে হয়, <a href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae/" class="rank-math-link">এরকম প্রলাপ্সের ঘটনা</a> ঘটতে পারে। অনেকে ডেলিভারির পর ব্লাডারের উপর সাময়িক নিয়ন্ত্রণ হারান। তবে সি-সেকশনের ক্ষেত্রেও এটি ঘটতে পারে।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>গবেষণায় আরও জানা গেছে, সিজারিয়ান ডেলিভারিতে প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতার প্রকোপ বেশি দেখা যায়।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="বাচ্চার-জন্য-কোনটি-ভালো-নরমাল-ডেলিভারি-নাকি-সি-সেকশন--">বাচ্চার জন্য কোনটি ভালো? নরমাল ডেলিভারি, নাকি সি-সেকশন?&nbsp;&nbsp;</h2>



<p>কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে সি-সেকশনে জন্ম নেয়া বাচ্চাদের ফুসফুসের কর্মক্ষমতা কিছুটা কম থাকে নরমাল ডেলিভারিতে জন্ম নেয়া&nbsp; বাচ্চাদের তুলনায়, তবে সেটি কিছু দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যায়। আবার এই শিশুদের পরবর্তীতে এলার্জি ও শ্বাসকষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিজ্ঞানীরা ভাবছেন এর পেছনে মাইক্রোবের প্রভাব থাকতে পারে। নরমাল ডেলিভারিতে বাচ্চারা মায়েদের বার্থ ক্যানেল থেকে এটি পেয়ে থাকে। মাইক্রোব হচ্ছে শরীরের উপকারী জীবাণু, স্বাভাবিক অবস্থায় এই জীবাণু গুলো একটি সুস্থ শিশুর দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি করতে সাহায্য করে।</p>



<div class="wp-block-image is-style-rounded"><figure class="alignright size-large is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/07/unnamed.png" alt="প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে? 4" class="wp-image-2689" width="350" height="350" title="প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে? 14"></figure></div>



<p>এছাড়া ভ্যাজাইনাল ডেলিভারিতে সাধারনত বাচ্চার জন্মের সাথে সাথেই স্কিন-টু-স্কিনের (মায়ের বুকের উপর দিয়ে দেয়া হয়, যাতে বাচ্চা মায়ের ত্বকের সংস্পর্শে আসতে পারে) জন্য মাকে দেয়া হয়। এভাবেও বাচ্চা মায়ের ত্বক থেকে মাইক্রোব পেয়ে থাকে।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p><a href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81/" class="rank-math-link">নরমাল ডেলিভারিতে সাথে সাথেই মা বাচ্চাকে ব্রেস্টফিড করাতে পারেন</a>। যদিও দুধের পর্যাপ্ত ফ্লো আসতে দুই/তিনদিন সময় লাগতে পারে। কিন্তু মায়ের পক্ষে সম্ভব বসে বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানো। সি-সেকশন করা অনেক মায়েরাই অভিযোগ করেন, ব্রেষ্টমিলক সহজে আসে না। তবে শাল দুধ এক দুই ফোঁটা যাই আসুক, সেটা সেই মায়ের বাচ্চার জন্য যথেষ্ট ।&nbsp; নানা পজিশন ও পরিকল্পিত পরিচালনা&nbsp; আছে, যার সাহায্য নিয়ে একজন সিজারিয়ান মা'ও তার সন্তানকে স্তন্যপান করাতে পারেন। মায়ের দুধের শুরুতে যে শালদুধ আসে, তা ইমিউন সিস্টেম গড়ে তোলার জন্য খুবই উপকারী।&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="ডেলিভারির-জন্য-আপনি-কোন-প্রক্রিয়াটি-বেছে-নেবেন-">ডেলিভারির জন্য আপনি কোন প্রক্রিয়াটি বেছে নেবেন?&nbsp;</h2>



<p>মেয়েদের শরীর প্রকৃতিগতভাবে ভ্যাজাইনাল ডেলিভারির জন্য তৈরি। যদি কোন ধরনের জটিলতা না থেকে থাকে, তবে অবশ্যই মায়েদের নরমাল ডেলিভারির চিন্তা করা উচিত। নরমাল ডেলিভারিতে সেড়ে ওঠা যায় দ্রুত, আপনি সহজেই প্রাত্যহিক জীবনে ফিরে আসতে পারবেন, বাচ্চার দেখাশুনা করতে পারবেন। আমাদের দেশে অনেক মায়েরাই কোন জটিলতা ছাড়াই ইলেক্টিভ (স্বেচ্ছায়) সি-সেকশনে যান, যেটি একদমই ঠিক নয়। অনেকে ডেলিভারি পেইনের কথা চিন্তা করে নরমাল ডেলিভারি এড়াতে চান। ব্যাথাহীন ডেলিভারি সম্ভব নয়, এটা ঠিক, কিন্তু বেশ কিছু <a href="https://matritto.com/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be/" class="rank-math-link">পেইন ম্যানেজমেন্টের পদ্ধতি</a> আছে, যার মাধ্যমে ডেলিভারি পেইন সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সি-সেকশনের দরকার পরে। যেমন বাচ্চার মাথা যদি শেষ পর্যন্ত নীচের দিকে না নামে। ভ্যাজাইনাল ব্রিচ ডেলিভারি ঝুঁকিপূর্ন। টুইন বেবি বা তার চেয়ে বাচ্চার সংখ্যা বেশি হলে অনেকে সি-সেকশন পছন্দ করেন। ডাইএমনিওটিক টুইন (যাদের প্রত্যেকের প্ল্যাসেন্টা ও এমনিওটিক স্যাক আলাদা থাকে) নরমাল ডেলেভারীতে সম্ভব। মনোএমনিউটিক টুইনদের (একটাই এমনিওটিক স্যাক) জন্য সি-সেকশন ভালো অপশন, কারন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এরা মায়ের পেটে একজন আরেকজনের সাথে জড়িয়ে থাকে।&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="সি-সেকশনের-পর-পরবর্তীতে-ভ্যাজাইনাল-ডেলিভারির-সম্ভাবনা">সি-সেকশনের পর পরবর্তীতে ভ্যাজাইনাল ডেলিভারির সম্ভাবনা</h2>



<p>একসময় যেমন মনে করা হতো, একবার সি-সেকশন মানেই পরবর্তীতে যতবার বাচ্চা হবে, প্রতিবারই সি-সেকশন করতে হবে এই ধারনা এখন আর প্রযোজ্য নয়। এখন ভি-ব্যাক (একবার সি-সেকশনের পর পরবর্তীতে ভ্যাজাইনাল ডেলিভারি) সম্ভব। সাধারনত সি-সেকশনে তলপেটে আড়াআড়ি ভাবে কাটা হয়, যেখানে খুব একটা ইউটেরাইন মাসল থাকে না। তাই একবার সি-সেকশনের পর পরবর্তী প্রেগন্যান্সিতে নরমাল ডেলিভারির জন্য চেষ্টা করলে ইনসেশন র‍্যাপচার (আগের সেলাই খুলে যাওয়া) এর সম্ভাবনা কম থাকে। তবে প্রথম সি-সেকশনের কাট যদি লম্বালম্বি হয়, সেক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। ভি-ব্যাকের ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেমন ইউটেরাইন র‍্যাপচারের কথা মাথায় রাখা উচিত। যেকোন সময় এতে প্রচুর রক্তপাত ঘটতে পারে। মায়ের জীবন শঙ্কায় পড়তে পারে। তাই ভি-ব্যাক বাসায় করানোর চেষ্টা না করাই উচিত। শুরু থেকেই হসপিটালের দ্বারস্থ হওয়া দরকার। &nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>কোন জটিলতা যদি না থেকে থাকে, ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন যে আপনি নরমাল ডেলিভারির ব্যাপারে আগ্রহী। এমন ডাক্তার খুঁজে বের করতে পারেন, যারা নরমাল ডেলিভারি করান, প্রয়োজন ছাড়া সি-সেকশনে যান না। ডাক্তার যদি সি-সেকশন করতে হবে এমন জানানও, তাহলে প্রশ্ন করে বিস্তারিত&nbsp;জেনে নিন যে উনি কি কারনে সি-সেকশন করতে চাইছেন, এটি এড়ানোর কোন উপায় আছে কিনা। অনেক সময় জানার অনেক ঘাটতির কারনে নতুন মায়েরা বুঝতে পারেন না, কী করবেন। সেক্ষেত্রে সবকিছুর সুবিধা, অসুবিধা ভালো মতো জেনে নিন। জানা থাকলে আপনার সিদ্ধান্ত নেয়া অনেকটাই সহজ হবে।&nbsp;</p>



<p>একটা কথা সবসময় মনে রাখবেন,&nbsp;আপনি ডেলিভারির জন্য যে প্রক্রিয়াতেই যান না কেন, দিন শেষে বাচ্চাটি সুস্থ অবস্থায় পৃথিবীতে আসতে পারছে কিনা, এবং&nbsp;আপনি সুস্থ আছেন কিনা, এগুলোই গুরুত্বপূর্ন। কাজেই যারা শুরু থেকে নরমাল ডেলিভারি করাতে চেয়েছেন, কিংবা সমস্ত প্রস্তুতি থাকার পরও সি-সেকশনে যেতে হয়েছে, এমন মায়েরা মন খারাপ করবেন না। দিনশেষে আপনার সুস্থতা ও আপনার সুস্থ সন্তানের সুন্দর হাসিই সকলের একমাত্র কাম্য- সে আপনি সিজারিয়ান মা'ই হন, বা সন্তান নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে জন্ম দেন।&nbsp;</p>



<p>আপনি এখন একজন মা হয়েছেন, এবং আপনার কোলে আপনার সুস্থ সন্তান আছে- এর চাইতে বড় পাওয়া আর কি হতে পারে!&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<div class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color" style="background-color:#dddbd5; padding:25px">
<h4 class="has-very-dark-gray-color has-text-color">লেখাটি রিভিউ করেছেন –</h4>
<p><strong>ডাঃ সারওয়াত জাবীন আনিকা </strong><br>এমবিবিএস<br>KMC (IMCS) - এ বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত</p>
</div>



<p class="has-background has-very-light-gray-background-color"><strong>ছবি কৃতজ্ঞতা</strong> TedMedTourism, iFeed Project Infant Feeding, The Conversation</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8/">প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রাকৃতিক প্রসবঃ আপনার যা জানা প্রয়োজন</title>
		<link>https://matritto.com/natural-birth/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Rabeya Rowshin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Jan 2020 03:01:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[Natural birth]]></category>
		<category><![CDATA[নরমাল ডেলিভারি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রাকৃতিক প্রসব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=1469</guid>

					<description><![CDATA[<p>“প্রাকৃতিক প্রসব” শব্দটা হয়ত আপনার কাছে নতুন ঠেকছে। আসলে, খুব বেশি দিন হয়নি একজন স্বেতাঙ্গিনী মুসলিম নারীর মাধ্যমে এই ধারণার সাথে আমারও পরিচয় হয়েছে। এই স্বেতাঙ্গিনী বোন নিউযিল্যান্ডের মতো দেশে নিজ ঘরে চারটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, আলহামুদলিল্লাহ। আপনি হয়ত এটা পড়ে অবাক হচ্ছেন। কিন্তু নিউযিল্যান্ড পৃথিবীর অল্প কিছু জায়গার একটি যেখানে মিডওয়াইফ বা ধাত্রীরা স্বাধীনভাবে [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/natural-birth/">প্রাকৃতিক প্রসবঃ আপনার যা জানা প্রয়োজন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>“প্রাকৃতিক প্রসব” শব্দটা হয়ত আপনার কাছে নতুন ঠেকছে। আসলে, খুব বেশি দিন হয়নি একজন স্বেতাঙ্গিনী মুসলিম নারীর মাধ্যমে এই ধারণার সাথে আমারও পরিচয় হয়েছে। এই স্বেতাঙ্গিনী বোন নিউযিল্যান্ডের মতো দেশে নিজ ঘরে চারটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, আলহামুদলিল্লাহ। আপনি হয়ত এটা পড়ে অবাক হচ্ছেন। কিন্তু নিউযিল্যান্ড পৃথিবীর অল্প কিছু জায়গার একটি যেখানে মিডওয়াইফ বা ধাত্রীরা স্বাধীনভাবে রেজিস্টার্ড হয়ে কাজ করতে পারে। তাদের জন্য সেখানে ধাত্রীবিদ্যা কলেজও আছে যেখান থেকে তারা ডিগ্রী নিতে পারে।</p>



<p>এই বোন যেই মিডয়াইফকে নিয়োগ দিয়েছিলেন উনার গর্ভাবস্থায় সেই মহিলা নিজ পেশায় এতটাই জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করেছেন যে উনি শুধু ঘরে প্রসব করাতে চাওয়া মহিলাদের নিয়ে কাজ করেন। এখানে আমাদের দেশের নরমাল ডেলিভারি করাতে চাওয়া পরিবারগুলোর একটা বিষয় বোঝার আছে; স্বাভাবিক প্রসবের জন্য ডাক্তারের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক না। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ধাত্রীরাই এর জন্য যথেষ্ট।&nbsp;</p>



<p>আপনার মনে নিশ্চয়ই এতক্ষণে প্রশ্ন আসছে কেন স্বাভাবিক প্রসব (Normal Delivery) না বলে প্রাকৃতিক প্রসব (Natural Birth) বলা হচ্ছে? উপরে যে ঘটনাটা বলা হয়েছে তার চিত্রটা ভেবে দেখুন। যুগ যুগ ধরে মেয়েরা ঘরেই ধাত্রীদের কাছে প্রসব করেছে। তারা কোন ব্যথানাশক ওষুধ বা মেডিক্যাল হস্তক্ষেপ ছাড়াই এই কাজটা করে এসেছে। মূলত ১৯৩০ এর আগে এই শব্দটা শোনা যায়নি।&nbsp;</p>



<p>অল্প কথায় প্রাকৃতিক প্রসব হচ্ছেঃ প্রসবব্যথা ও প্রসবকে ব্যথানাশক ওষুধ গ্রহণ ছাড়া প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে সামলান, যেমন এপিডিউরাল না নেয়া। কৃত্রিম মেডিক্যাল হস্তক্ষেপ খুব সামান্য ব্যবহার করা বা একদমই না করা, যেমন এপিসিওটমি (যোনিপথ ও মলদ্বারের মাঝামাঝি যে স্থান, পেরিনিয়াম, এখানে বাচ্চা বের করার সুবিধার জন্য জায়গা করার উদ্দেশ্যে কাটা) না করান, অনবরত মেশিনের মাধ্যমে ভ্রুণ পর্যবেক্ষণ না করান (কারণ এর ফলে মায়ের নড়াচড়া করার সুযোগ কমে যায়, হস্তচালিত মেশিন দিয়ে মাঝে মাঝে পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে)। মহান আল্লাহ্‌ আমাদের শরীরকে প্রসবের উপযোগী করে যেভাবে তৈরি করেছেন তার ওপর আস্থা রেখে শরীরকে সেভাবে কাজ করতে দেয়া এবং মাকে নিজের স্বস্তিমতো ভঙ্গীতে থাকতে দেয়া ও নড়াচড়া করার সুযোগ দেয়া।&nbsp;<br></p>



<p><strong>প্রাকৃতিক পদ্ধতির উপকারিতা কী?</strong></p>



<ul class="wp-block-list"><li>এই পদ্ধতির সমর্থকেরা বলেন এটা মা ও শিশুর জন্য বেশি স্বাস্থ্য সম্মত ও নিরাপদ। আপনি যে ওষুধই গ্রহণ করবেন সেটা ৬০ সেকেন্ডের মাঝে আপনার শিশুর কাছে প্লাসেন্টা পেরিয়ে পৌঁছে যাবে। এপিডিউরাল দেয়ার ফলে বাচ্চার হৃদস্পন্দনের গতি পরিবর্তিত হতে পারে যা সিজারের দিকে নিয়ে যেতে পারে। মায়ের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে কারণ সিজার বা যন্ত্রের সাহায্যে (ফোরসেপ) প্রসবের প্রয়োজন হতে পারে ও মা যথেষ্ট কার্যকরভাবে বাচ্চা বের করার জন্য চাপ দিতে পারে না এবং টিয়ার হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়, সেই সাথে মায়ের রক্তচাপ কমে যেতে পারে, প্রসবব্যথা ধীর বা দ্রুত হয়ে যেতে পারে। সিজারিয়ান বাচ্চার তুলনায় স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক প্রসবের মাধ্যমে জন্ম নেয়া বাচ্চার বিবিধ মাইক্রোব থাকে, তাদের এলার্জী, স্থুলতা, অ্যাযমা ও শৈশবকালীন ও পরবর্তীতে ডায়বেটিস হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।</li><li>প্রাকৃতিক প্রসবে মা তার শরীরের ব্যপারে সজাগ থাকে এবং প্রসবের প্রতিটা মূহুর্ত অনুভব করতে পারে।&nbsp;</li><li>এটা মায়ের মাঝে কিছু একটা অর্জনের সুখানুভূতি এনে দেয়।</li><li>প্রসবের পর মায়ের সেরে ওঠার সময়টা ত্বরান্বিত হয় এবং সে সাধারণত প্রসবের অল্প সময় পরই চমৎকার অনুভব করে।&nbsp;</li><li>প্রাকৃতিক প্রসব বুকের দুধ খাওয়ানোর সফলতার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। কারণ এক্ষেত্রে সাথে সাথেই বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানো সহজ হয়, যেমনটা সিজারের ক্ষেত্রে হয় না, এবং বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখা গেছে ব্যথানাশক ওষুধ গ্রহণ সফলভাবে বুকের দুধ খাওয়ানোতে ব্যঘাত ঘটায়।&nbsp;</li></ul>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/01/images-1.jpeg" alt="প্রাকৃতিক প্রসবঃ আপনার যা জানা প্রয়োজন 5" class="wp-image-1470" title="প্রাকৃতিক প্রসবঃ আপনার যা জানা প্রয়োজন 15"></figure></div>



<p></p>



<p><strong>প্রাকৃতিক প্রসবের জন্য কিভাবে প্রস্তুতি নেবেন?</strong></p>



<p>হ্যাঁ, আপনি ঠিকই পড়ছেন। স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক প্রসব যেটাই আপনি চান না কেন তার জন্য আপনাকেই প্রস্তুতি নিতে হবে গর্ভাবস্থা থেকেই। লক্ষ্য করুন, প্রসবব্যথাকে ইংরেজিতে “labor” বলা হয়, অর্থ্যাত এটা একটা পরিশ্রমের কাজ। শারীরিকভাবে, ম্যারাথন দৌড় দিতে হলে যতটা শক্তি প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয় একজন গর্ভবতী মাকে প্রসবব্যথা ও প্রসবের সময় ততটা শক্তি প্রয়োগ করতে হয়। আপনাকে যদি কেউ বলে যে কয়েক মাস পর আপনাকে ম্যরাথন দৌড় দিতে হবে তাহলে আপনি কি তার জন্য প্রস্তুতি নেবেন না? আমাদের দেশের স্বাভাবিক প্রসব করাতে চাওয়া পরিবারগুলোর এই ক্ষেত্রেও আরেকটা বিষয় বোঝার আছে, সেটা হচ্ছে আমাদের এই বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান অর্জন করে তারপর মাঠে নামতে হবে। অপ্রস্তুত অবস্থায় প্রসবব্যথা তীব্রতর মনে হয় যেটা প্রস্তুতি নিয়ে সামলাতে জানলে অনেকটাই সহনীয় হয়ে আসে। এবং অবশ্যই মনে রাখবেন, আপনার সন্তানকে গর্ভের বাইরে আপনারই আনতে হবে, এই কাজটা আপনাকেই করতে হবে, অন্য কেউ আপনার হয়ে এটা করে দিতে পারবে না।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<ul class="wp-block-list"><li>আপনাকে প্রথমে এমন একজন সেবাপ্রদানকারী খুঁজে বের করতে হবে যিনি আপনাকে প্রাকৃতিকভাবে প্রসব করাতে আগ্রহী। সেবাপ্রদানকারী বলতে এখানে ডাক্তার বা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ধাত্রী হতে পারে। তিনিই আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবেন আপনি প্রাকৃতিক প্রসবের জন্য উপযোগী কি না। আপনি যদি গর্ভাবস্থায় সুস্থ থাকেন এবং কম ঝুঁকির মাঝে থাকেন তাহলে সহজেই প্রাকৃতিক প্রসবের পথ বেছে নিতে পারেন। মূলত, আল্লাহ্‌ মেয়েদের শরীর সন্তান প্রসবের উপযোগী করে তৈরি করেছেন, কোন মেডিক্যাল হস্তক্ষেপ ছাড়াই। এক পরীক্ষায় দেখা গেছে যারা প্রসবব্যথা ভয় পায় তাদের তুলনামূলক দীর্ঘ প্রসবব্যথা হয় এবং যন্ত্রের সাহায্যে প্রসব বা জরুরী সিজারের প্রয়োজন বেশি হয়।&nbsp;&nbsp;</li><li>প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও প্রতিদিন ব্যয়ামের মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ রাখুন। প্রাকৃতিক প্রসবে শারীরিক সক্ষমতার প্রয়োজন খুব বেশি আর তাই আপনাকে সেভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।</li><li>নিজেকে শিক্ষিত করুন! আপনার কী আশা করা উচিত এবং কী কী সুযোগ আপনার সামনে খোলা আছে তা জানা থাকলে ইতিবাচক ও সফল অভিজ্ঞতা অর্জনে আপনার সুবিধা হবে।&nbsp;&nbsp;</li></ul>



<p></p>



<p><strong>প্রাকৃতিক প্রসবে কিভাবে ব্যথা মোকাবেলা করা হয়?</strong></p>



<p>আপনি কি জানেন যে বাংলাদেশের নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর মেয়েরা প্রসবব্যথা শুরু হলেই হাসপাতালে ছুটে যায় না? সাধারণত, তারা ব্যথা তীব্র আকার ধারণ করার পর যায় এবং তাদের মাঝে স্বাভাবিক প্রসবের হার বিত্তবান পরিবারগুলোর মেয়েদের তুলনায় বেশি। আপনি জেনে হয়ত অবাক হবেন যে পশ্চিমা দেশের হাসপাতালগুলোও স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক প্রসবে আগ্রহী মায়েদের প্রসবব্যথা শুরু হওয়ার পর যতক্ষণ সম্ভব ঘরেই থাকতে বলে এবং কন্ট্রাকশন অত্যন্ত তীব্র হলে ও ৩-৫ মিনিট পর পর আসতে থাকলে তখনই কেবল হাসপাতালে যেতে বলে।&nbsp;</p>



<p>এর পেছনে কারণ কী? প্রসব অত্যন্ত ব্যক্তিগত একটি বিষয়। এটা লোকচক্ষুর আড়ালে, নিরিবিলি ও শান্ত পরিবেশে যতটা মসৃণ ভাবে অগ্রসর হবে, পরিবারের মানুষদের উদ্বেগ ও উত্তেজনা, হাসপাতালের অচেনা মানুষ ও পরিবেশে তীব্র আলোর মাঝে ততটাই কঠিন হয়ে পড়বে একে সামলে নেয়া। আল্লাহ্‌ কুরআনে আমাদের মারইয়ামের (আলাইহিস সালাম) প্রসবের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন যে উনি একাকী মানুষের কাছ থেকে দূরে চলে গিয়েছিলেন। কোন মাকে যদি প্রসবব্যথার সময় স্বাধীনতা দেয়া হয় নিজের মতো করে থাকার জন্য তাহলে সে তার ইন্দ্রিয় দিয়ে ঠিকই বুঝে নেয় তাকে কী করতে হবে। মা এই সময় সম্পূর্ণ নিজের মাঝে মনোনিবেশ করে। এর জন্য সে যেই রুমে আছে সেখানে উজ্জ্বল না হয়ে মৃদু আলোর ব্যবস্থা রাখা বেশ কার্যকর।&nbsp;</p>



<p>আমাদের দেশে যেহেতু ব্যথানাশক ব্যবস্থা এপিডিউরালের প্রয়োগ খুব সীমিত আকারে রয়েছে, তাই যারা স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক প্রসবে আগ্রহী তাদের জন্য প্রাকৃতিকভাবে ব্যথা মোকাবেলার পদ্ধতিগুলো জানা অত্যন্ত জরুরী। এমনকি এপিডিউরালের ব্যবস্থা থাকার পরও এটা গ্রহণ করার আগেই মাকে বেশ অনেকটা সময় প্রসব ব্যথা সহ্য করতে হয় তাই ব্যথা মোকাবেলা করার পদ্ধতিগুলো জেনে রাখা নিঃসন্দেহে উপকার বয়ে আনবে। আমেরিকাসহ বিশ্বের আরও অনেক দেশে প্রাকৃতিক প্রসবের জন্য জনপ্রিয় পদ্ধতি হচ্ছে ব্র্যাডলে মেথড (Bradley Method)। এই পদ্ধতি প্রসবের প্রতি প্রাকৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখে এবং একজন প্রসব কোচের সক্রিয় অংশগ্রহণের উপর জোর দেয়। মূলত, মা-কে এই সময় সঠিকভাবে দিকনির্দেশনা দেয়ার জন্য এই বিষয়ের ওপর শিক্ষিত একজন কেউ সাথে থাকলে মা বেশ স্বস্তি বোধ করবেন। বাইরের দেশে এই কাজটা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মিডওয়াইফরা করেন, আবার এই পদ্ধতি স্বামীদেরও প্রশিক্ষণ দেয় প্রসব গাইড হওয়ার জন্য। আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে কাছের কেউ, যেমন মা, বোন, বান্ধবী কেউ হতে পারেন যিনি এই বিষয়ে জ্ঞান রাখেন এবং শান্ত, অবিচলিতভাবে মাকে এই সময় সঙ্গ দিতে পারবেন। এই পদ্ধতিতে অত্যন্ত প্রয়োজন ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধের ব্যবহার এড়িয়ে চলা হয়। ব্যথার সাথে মোকাবেলা করার উদ্দেশ্যে এই পদ্ধতি গর্ভাবস্থায় ভালো পুষ্টি ও ব্যয়াম, সেই সাথে পেশী শিথিলকরণ ও গভীর শ্বাসপ্রশ্বাসের (deep abdominal breathing) প্রতি লক্ষ্য রাখে। তবে এই পদ্ধতিতে সন্তানপ্রসব ক্লাসে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা ও জরুরী সিজারের ব্যপারেও দম্পতিদের প্রস্তুত করা হয়।&nbsp;</p>



<p>এছাড়াও অন্যান্য আরও কিছু ব্যবস্থা আছে ব্যথা মোকাবেলায় যেসব মায়েরা নিজেদের জন্য চেষ্টা করতে পারেনঃ&nbsp;</p>



<ul class="wp-block-list"><li>হাঁটা, যতক্ষণ পর্যন্ত সম্ভব</li><li>ম্যাসাজ</li><li>নিজের জন্য স্বস্তিদায়ক বিভিন্ন ভঙ্গী চেষ্টা করে দেখা, যেমন হাঁটাহাঁটি করা, গোসল করা, নিতম্ব আন্দোলন করা ইত্যাদি</li><li>টুকটাক কাজ করে মনকে ব্যথা থেকে সরিয়ে অন্যদিকে ব্যস্ত রাখা; এটা মূলত বেশ কার্যকর যখন প্রসবব্যথা শুরুর দিকে থাকে</li><li>কুরআন তিলাওয়াত শোনা</li><li>যিকির ও দু’আর মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করা ও তাঁর সাহায্য চাওয়া&nbsp;&nbsp;</li></ul>



<p>(প্রসব ব্যথা মোকাবেলা করা নিয়ে আরও জানতে দেখতে পারেন আমাদের আর্টিকেল <a href="https://matritto.com/লেবার-পেইন-সংক্ষিপ্ত-ও-সহ/" class="rank-math-link">লেবার পেইন সংক্ষিপ্ত ও সহজ করার একটা পদ্ধতি শিখতে চান?</a>) </p>



<p><strong>প্রসবব্যথা কতটা কষ্টদায়ক?</strong></p>



<p>এর নির্দিষ্ট কোন উত্তর নেই। কারণ একেক জনের কাছে একে একেক রকম মনে হতে পারে। আবার একই নারীর আলাদা সন্তানপ্রসবের ব্যথা ভিন্নভাবে অনুভূত হতে পারে। তবে, প্রাকৃতিক প্রসবে ব্যথা মোকাবেলায় শারীরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি মানসিক প্রস্তুতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক ও আবেগীয় প্রস্তুতি এই যন্ত্রণাদায়ক ও নাজুক সময়ে আপনাকে শান্ত থেকে সঠিক পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করবে।&nbsp;</p>



<p>তবে মনে রাখবেন, প্রাকৃতিক প্রসব যতই নিরাপদ হোক না কেন, যে কোন জটিলতা বা জরুরী অবস্থায় আপনার সেবাদানকারীর পরামর্শে অবশ্যই মেডিক্যাল হস্তক্ষেপের সাহায্য নিতে দ্বিধা করবেন না। বস্তুত, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে যদিও মেডিক্যাল হস্তক্ষেপ কাম্য না কিন্তু তারা আমাদের হাতের কাছে আছেই অস্বাভাবিক পরিস্থিতিকে সামাল দেয়ার জন্য।&nbsp;</p>



<p>মহান আল্লাহ্‌ আমাদের মেয়েদের শরীরকে সৃষ্টি করেছেন সন্তান ধারণ ও জন্ম দেয়ার উপযোগী করে। আমাদের দায়িত্ব এর জন্য নিজেদের শিক্ষিত করার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত করে নেয়া। সেই সাথে এই বিশেষ সময়ে তাঁর পরিকল্পনার ওপর তাওয়াক্কুল করা। ইনশাল্লাহ তাহলে আশা করতে পারি আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত পরিণতি দেখতে পাব যার অভিজ্ঞতা আজীবন আমাদের জন্য সুখস্মৃতি হয়ে থাকবে ও নারী হিসেবে আমাদের সক্ষমতায় আত্মপ্রত্যয়ী করে তুলবে।<br></p>



<p></p>



<p></p>



<p>তথ্যসূত্রঃ</p>



<p>বই AMANI Birth, লিখেছেন Aisha Al Hajjar</p>



<p><a href="https://kidshealth.org/en/parents/natural-childbirth.html" class="rank-math-link" target="_blank" rel="noopener">Natural Childbirth</a></p>



<p><a href="https://www.mamanatural.com/natural-birth" class="rank-math-link" target="_blank" rel="noopener">Why Natural Birth Is So Beneficial For Baby &amp;&nbsp;Mama</a></p>



<p><a href="https://www.sheknows.com/parenting/articles/1061868/natural-birth-philosophy" class="rank-math-link" target="_blank" rel="noopener">What does “natural birth” mean?</a></p>



<p>(<em>এই আর্টিকেল রিভিউ করেছেনঃ ডাঃ সারওয়াত জাবিন আনিকা</em>)</p>



<p>ছবিঃ MomJunction</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/natural-birth/">প্রাকৃতিক প্রসবঃ আপনার যা জানা প্রয়োজন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রসব ব্যথা বা লেবার পেইন সহজ ও সংক্ষিপ্ত করার ২টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টিপস</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Rabeya Rowshin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 02 Sep 2019 02:05:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[Natural birth]]></category>
		<category><![CDATA[নরমাল ডেলিভারি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রাকৃতিক প্রসব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=1247</guid>

					<description><![CDATA[<p>আজকের লেখায় প্রসব ব্যথা বা লেবার পেইন মোকাবেলা করার একটি টেকনিক নিয়ে আলোচনা করব। আলোচনাটি তুলে ধরছি একটি ভিডিও থেকে। ভিডিওটা আমি দেখেছিলাম আমার নিজের প্রেগন্যান্সীর সময় এবং এটাকে কাজে লাগিয়ে আমি ভীষণ উপকৃত হয়েছিলাম। ভিডিওটা যিনি বানিয়েছেন, সারা কামরাথ, নিজেও বলেছেন যে আলোচিত পদ্ধতিটি ছাড়া লেবার পেইনের তীব্রতা সামলানো ও সুস্থ, নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8/">প্রসব ব্যথা বা লেবার পেইন সহজ ও সংক্ষিপ্ত করার ২টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টিপস</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-full"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2019/09/072cdcd644188ae5fa9fcaa0df763b5d.jpg" alt="প্রাকৃতিক প্রসবের জন্য সক্রিয় থাকার উপযোগী একটি লেবার রুম যেখানে প্রসব ব্যথা সহজ করার উপাদান বিদ্যমান" class="wp-image-1248" title="প্রসব ব্যথা বা লেবার পেইন সহজ ও সংক্ষিপ্ত করার ২টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টিপস 16"></figure>
</div>


<div class="gutentoc tocactive nostyle"><div class="gutentoc-toc-wrap"><div class="gutentoc-toc-title-wrap"><div class="gutentoc-toc-title">বিষয়সূচী</div><div id="open" class="toggletwo">show</div></div><div id="toclist"><div class="gutentoc-toc__list-wrap"><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#প্রসব-ব্যথা-কমানোর-ভিডিও-টিপস">প্রসব ব্যথা কমানোর ভিডিও টিপস</a></li><li><a href="#ভিডিও-নিয়ে-বিস্তারিত-আলোচনা">ভিডিও নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা</a></li><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#যে-উপায়-আমাদের-সাথেই-থাকে">যে উপায় আমাদের সাথেই থাকে</a></li><li><a href="#নড়াচড়া-করা-">নড়াচড়া করা </a></li><li><a href="#চিত-হয়ে-শোয়া-প্রসবের-জন্য-অনুপযোগী">চিত হয়ে শোয়া প্রসবের জন্য অনুপযোগী</a></li><li><a href="#খাড়া-থাকা-ও-নিতম্ব-ঘোরানো">খাড়া থাকা ও নিতম্ব ঘোরানো</a></li><li><a href="#সিনেমায়-দেখানো-প্রসব-ভঙ্গীর-অনুসরণ-না-">সিনেমায় দেখানো প্রসব ভঙ্গীর অনুসরণ না </a></li><li><a href="#খাড়া-অবস্থা-পেলভিসের-মুখ-বেশি-পরিমাণে-খুলতে-সাহায্য-করে-">খাড়া অবস্থা পেলভিসের মুখ বেশি পরিমাণে খুলতে সাহায্য করে </a></li><li><a href="#শরীরের-সাথে-তাল-মেলানো-">শরীরের সাথে তাল মেলানো </a></li></ul><li><a href="#বিশেষ-নোটঃ-">বিশেষ নোটঃ </a></li></ul></div></div></div></div>



<p>আজকের লেখায় প্রসব ব্যথা বা লেবার পেইন মোকাবেলা করার একটি টেকনিক নিয়ে আলোচনা করব। আলোচনাটি তুলে ধরছি একটি ভিডিও থেকে। ভিডিওটা আমি দেখেছিলাম আমার নিজের প্রেগন্যান্সীর সময় এবং এটাকে কাজে লাগিয়ে আমি ভীষণ উপকৃত হয়েছিলাম। ভিডিওটা যিনি বানিয়েছেন, সারা কামরাথ, নিজেও বলেছেন যে আলোচিত পদ্ধতিটি ছাড়া লেবার পেইনের তীব্রতা সামলানো ও সুস্থ, নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে নিজের দুই বাচ্চাকে জন্ম দেয়ার কথা উনি ভাবতেই পারেন না! এই টেকনিকটা ছাড়া উনার লেবার পেইনও অসহনীয় কষ্টকর হয়ে উঠত। </p>



<p>পশ্চিমা এই নারী আরও বলছেন যে, প্রায় সব হাসপাতালই প্রসব ব্যথা মোকাবেলার মতো গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিচ্ছে। এই সাধারণ টিপসটা আপনার লেবার পেইন সহজ ও দ্রুত করার সম্ভাবনা বহুলাংশে বাড়িয়ে দিবে। </p>



<h2 class="wp-block-heading" id="প্রসব-ব্যথা-কমানোর-ভিডিও-টিপস">প্রসব ব্যথা কমানোর ভিডিও টিপস</h2>



<p>এই ভিডিওতে বিশ্বখ্যাত অবস্টেট্রিশিয়ান, গাইনোকোলজিস্ট, মিডওয়াইফ, ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান, সন্তান প্রসব প্রশিক্ষকদের দেয়া দারূণ কিছু টিপস পাবেন। <s>ভিডিওটা দেখতে পারেন <a class="rank-math-link" href="http://www.happyhealthychild.com/pregnancy-and-giving-birth/childbirth-labor-and-delivery.php?inf_contact_key=aff82f4eeca6e4d107193e8f4448abcb7943c039688f54774107a28cbdb7ea0a&amp;fbclid=IwAR2DOZNMy9CuBznbvv5oL99ySh3HsWWyfimGV_ZpE25JlcbjYVwmXiYPWTQ" target="_blank" rel="noopener">এখানে</a> ।</s> ভিডিওটা দেখতে <a href="https://www.happyhealthychild.com/" data-type="URL" data-id="https://www.happyhealthychild.com/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">এই লিংকে </a>আপনার ইমেইল দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন এবং ইনবক্স থেকে পাওয়া কোড ওই পেইজে ইনপুট করে সাবমিট করুন।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="ভিডিও-নিয়ে-বিস্তারিত-আলোচনা">ভিডিও নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা</h2>



<p>এবার আপনাদের বোঝার সুবিধার জন্য ভিডিওর বিষয়বস্তু এখানে তুলে ধরছি। ভিডিওর মূল আলোচ্য বিষয় হচ্ছে পেইনের তীব্রতা মোকাবেলায় মায়েরা যে দুইটা সহজ কাজ করতে পারেন তা  হচ্ছে <strong><em>“নড়াচড়া করা”</em></strong> এবং <strong><em>“শ্বাস নেয়া ও আওয়াজ করা”</em></strong>। এই সাধারণ কাজগুলো লেবার পেইনের তীব্রতা কমিয়ে এনে মাকে স্বস্তি দেয়। সেই সাথে বাচ্চার বের হওয়াটা সহজ ও  দ্রুত  হয় তাই লেবার পেইনের সময়টাও তুলনামূলক কম লাগে।  এটা কেন ও কিভাবে হয় সেটাই পুরো ভিডিওতে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা বুঝিয়ে বলেছেন। </p>



<h4 class="wp-block-heading" id="যে-উপায়-আমাদের-সাথেই-থাকে">যে উপায় আমাদের সাথেই থাকে</h4>



<p>নারীরা ট্র্যাডিশনালি লেবার পেইন ম্যানেজ করতে অনেক কিছু করে এসেছে। এখনকার দিনে মেয়েরা এরোমা থেরাপী, হোমিওপ্যাথি ইত্যাদি ব্যবহার করে এবং এগুলো অনেক উপকারী হতে পারে কিছু ক্ষেত্রে। লেবার পেইনের সময় এসব কোন একটা পদ্ধতি নিজের সাথে রাখা ভালো হবে। কিন্তু মায়েদের জেনে রাখা ভালো যে একটা জিনিস সবসময় আমাদের সাথেই থাকে আর সেটা হচ্ছে শ্বাস নেয়া, আওয়াজ করা ও নড়াচড়া করা।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="নড়াচড়া-করা-">নড়াচড়া করা </h4>



<p>নড়াচড়া করা ও স্থান পরিবর্তন করা সম্ভবত ফিজিওলিজিক্যালি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যা নরমাল ডেলিভারিকে সহজ করার জন্য মায়েরা করতে পারে। লেবার পেইনের সময় মা গতি ও পজিশন পরিবর্তন করবেন এটাই স্বাভাবিক। এই সময় একজন নারীকে জাস্ট বিছানায় শুয়ে থাকতে বলা, নড়তে নিষেধ করা, অবস্থান পরিবর্তন করতে না দেয়া, কোন খাবার বা পানি না দেয়া এসবই কিছুটা অদ্ভূত বটে! </p>



<h4 class="wp-block-heading" id="চিত-হয়ে-শোয়া-প্রসবের-জন্য-অনুপযোগী">চিত হয়ে শোয়া প্রসবের জন্য অনুপযোগী</h4>



<p>লেবার ও প্রসবের সময় নারীদের চিত হয়ে শুয়ে থাকা ফিজিওলজিক্যালি সম্পূর্ণ অর্থহীন, কারণ মানব জন্ম একটি অসমঞ্জস (asymmetrical) প্রক্রিয়া। অন্য সব স্তন্যপায়ীদের প্রসব নালা হচ্ছে সোজা এবং বাচ্চা সোজা বেরিয়ে আসে। কিন্তু মানুষ সোজা হয়ে হাঁটে। আমাদের পেলভিসে ইউনিক বাঁক ও পেঁচ আছে, যা লেবার পেইনের সময় আমাদের বাচ্চাদের পাড়ি দিতে হয়। লেবার পেইনের সময় যখন মা হাঁটে তখন পেলভিস কোন না কোনভাবে মোচড় খায় যার ফলে মা বাচ্চাকে সাহায্য করেন এই পথটা সহজে পাড়ি দিতে।</p>



<p>আমাদের পেলভিসের ওপেনিং-টা  উপর থেকে নিচের দিকে আলাদা। পেলভিসের উপরকে বলা হয় ইনলেট এবং ইনলেটের সবচেয়ে চওড়া ডায়ামিটার আড়াআড়িভাবে থাকে, অনেকটা পশ্চাদ্দেশের বাম থেকে ডানে। তাই বেশিরভাগ বাচ্চাকে পেলভিসে প্রবেশ করতে হয় যাকে বলা হয় তির্যকভাবে। কিন্তু লেবার অগ্রসর হওয়ার সময় যখন বাচ্চা নিচে নামে তখন মধ্য পেলভিসে নেমে আসে এবং যখন তারা বের হওয়ার জন্য রেডি হয়, তাদের ঘুরে যেতে হয় কারণ বের হওয়ার সবচেয়ে চওড়া পথটা এখন সামনে-পেছনে হয়ে গেছে। ভিডিওতে পেলভিসের ভেতর থেকে মাথা আগে দিয়ে বাচ্চা কিভাবে বের হয়ে আসে তা দেখানো আছে।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="খাড়া-থাকা-ও-নিতম্ব-ঘোরানো">খাড়া থাকা ও নিতম্ব ঘোরানো</h4>



<p>খাড়া অবস্থায় থেকে, হাঁটু সামান্য বাঁকা করে নিতম্ব ঘোরানো, যেমনটা সব আদিম নৃত্যে দেখা যায়, এটা বাচ্চার মাথাকে বার্থ ক্যানেলের ভেতর দিয়ে আরও অনেক সহজে ও দ্রুত পথ খুঁজে পেতে সাহায্য করে। এর সাথে শ্বাস নেয়া ও যদি বাচ্চার বাবা উপস্থিত থাকে তাহলে তাকে ধরে একসাথে দুইজন সামান্য দোলা ইত্যাদি অনেক উপকারী হতে পারে। ভিডিওতে  লেবার পেইনের সময় কিভাবে খাড়া অবস্থায় থেকে নিতম্ব ঘোরাবেন সেটাও দেখানো হয়েছে।</p>



<p>একজন বিশেষজ্ঞ উদাহরণ দিয়ে বলেছেন যে যদি আমাদের আঙ্গুলে কোন আংটি থাকে এবং সেটা টাইট হয় তাহলে তা সহজে বের করার জন্য আমাদের তা নাড়তে হয়। তেমনই মায়ের পেলভিসে একটা আস্ত বাচ্চা আছে, তাকে বের করতে হলে আমাদের এমন সব মুভমেন্ট চেষ্টা করে দেখতে হবে যা বাচ্চাকে বের করতে সাহায্য করবে। </p>



<p>লেবার পেইনের সময় ইয়োগা বল বা জিম বলে বসে শরীর ও নিতম্ব নাড়ানো যেতে পারে, বলের ওপর হেলান দিয়ে থাকা যায় , স্কোয়াট করা যায় বলের ওপর বসে। এসবকিছুই যেভাবে আমাদের পেলভিসকে রিল্যাক্স করে বাচ্চার মাথাকে বের হতে সাহায্য করে তা খুবই উপকারী। </p>



<h4 class="wp-block-heading" id="সিনেমায়-দেখানো-প্রসব-ভঙ্গীর-অনুসরণ-না-">সিনেমায় দেখানো প্রসব ভঙ্গীর অনুসরণ না </h4>



<p>মেয়েদের শেখানো হয় যে লেবার পেইনের সময় বিছানায় শুয়ে থাকতে হয়, নাটক-সিনেমায় আমরা এমনটাই দেখি। কিন্তু এটা খুব ভুল একটা কাজ। যদি রাতের বেলা আপনি ঘুমাতে যান তাহলে এটা ঠিক আছে, কিন্তু তা ছাড়া আপনাকে লেবার পেইনের সময় নড়াচড়া করতে হবে, আপনার শরীর যেভাবে চায় সেভাবে থাকতে হবে। সেটা হতে পারে সিঁড়ি দিয়ে উঠানামা করা বা আগে কখনোই আপনি থাকেননি এমন কোন অদ্ভূত ভঙ্গীতে থাকা। কিন্তু আপনি হয়ত এই সময় বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে দুই পা উপরে তুলে দিয়ে থাকতে চাইবেন না।</p>



<p>যদি কোন নারী নাটক-সিনেমায় দেখানো লেবার পেইনের ভঙ্গী না দেখে থাকে এবং নিজের প্রজ্ঞার অনুসরণ করে তাহলে সাধারণত বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সে তার হাত ও হাঁটুতে ভর দিয়ে থাকতে চাইবে, সে স্কোয়াট করবে বা হাঁটাহাঁটি করবে। টয়লেট করার কথা যদি চিন্তা করেন, তাহলে এর জন্য বিছানায় চিত হয়ে শোয়া নিশ্চয়ই ভালো ভঙ্গী হবে না। কারণ এই ভঙ্গীতে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আপনার ওপর কাজ করতে পারবে না। আরেকটা ব্যপার হচ্ছে, যখন আপনি খাড়া অবস্থায় বা হাত-হাঁটুতে ভর দেয়া অবস্থায় থাকেন আপনি পেলভিসের এন্টেরিয়র-পোস্টেরিয়র ডায়ামিটারের সীমা বাড়াচ্ছেন, যার ফলে পেলভিসের মুখ বড় হয় ও বাচ্চা আরও সহজেই বের হয়ে আসতে পারে।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="খাড়া-অবস্থা-পেলভিসের-মুখ-বেশি-পরিমাণে-খুলতে-সাহায্য-করে-">খাড়া অবস্থা পেলভিসের মুখ বেশি পরিমাণে খুলতে সাহায্য করে </h4>



<p>লেবার পেইনের সময় যখন মায়েরা স্কোয়াট বা কিছুটা ঝুঁকে থাকার মতো ইত্যাদি ভঙ্গী করে তখন পেলভিসের মুখ ২৫% বেশি উল্লেখযোগ্য হারে খুলতে পারে, কিন্তু যখন মায়েরা চিত হয়ে শোয়া অবস্থায় থাকে তখন গুরুত্বপূর্ণ শিরা-উপশিরা দিয়ে জরায়ু ও বাচ্চার কাছে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্থ হয়। সেই সাথে মায়ের নিম্নাংশ হচ্ছে স্পাইন ও জরায়ুর জন্য বালিশের মতো, এর উপর যখন আমরা ১০/২০/৩০ পাউন্ড ওজনের বাচ্চার ভর রাখি তখন বাচ্চার কাছে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। এটা বাচ্চাকে ফেট্যাল ডিস্ট্রেসে নিয়ে যেতে পারে। সেই সাথে, মায়ের টয়লেট বের হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে। তাই, মাকে চিত করে শুইয়ে রাখার কোন মানেই হয় না। ডাক্তার, মিডওয়াইফরা মাকে নয় মাস ধরে চিত হয়ে না ঘুমানোর জন্য বলে, এরপর যখন তিনি প্রসব করতে আসেন তখন তাকে চিত করে শুইয়ে রাখা হয়!! এই চর্চাটা যে মায়েদের জন্য উপকারী না এটা বুঝতে খুব বেশি বিজ্ঞান জানতে হয় না।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="শরীরের-সাথে-তাল-মেলানো-">শরীরের সাথে তাল মেলানো </h4>



<p>মাকে যদি সত্যিই তার নিজের ভেতর ফোকাস করে তার শরীরের সাথে তাল মিলিয়ে কাজ করতে দেয়া হয় তাহলে দেখা যাবে যে সে আসলে নিজেই জানে এই লেবার পেইন কিভাবে মোকাবেলা করতে হবে। কখনো কখনো লেবার পেইনে থাকা মাকে মনে করিয়ে দিতে হয়, যেমন একজন বিশেষজ্ঞ বলেন যে তিনি অনেকসময় মায়েদের বলেন যে, ধরুন আপনি কোন বিড়াল, বা ঘোড়া যাকে নানারকম কালচারাল পরামর্শ, উপদেশ দেয়া হয়নি, তাহলে আপনি যদি এই মূহুর্তে একদম আপনার নিজের ভেতর ফোকাস করেন ও শরীরের সাথে তাল মেলান তাহলে আপনি কেমন ভঙ্গীতে থাকতে চান? এবং মায়েরা তাদের লেবার পেইন সহজ করার জন্য কী কী ভঙ্গীতে থাকতে চায় সেটা বেশ বিস্ময়কর, এরপর পুশ করার সময় হয়ত মেঝেতে বসে করছেন, পাশ ফিরে আছেন বা হাত-হাঁটুতে ভর দিয়ে বিছানার কিনারায় আছেন। মোট কথা, মায়েরা কিভাবে এই ব্যথাটা প্রক্রিয়া করেন সেটা আসলে বেশ প্রগাঢ় একটা ব্যপার! &nbsp; &nbsp;</p>



<p>পেলভিক রকিং বা শরীরের নিম্নাংশ দোলানো লেবার পেইন আশ্চর্যজনকভাবে কমিয়ে আনে ও ডেলিভারিকে সহজ করে, আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। কারণ এই সময় বাচ্চা যেমন ভেতর থেকে বের হতে চাচ্ছে, সেভাবেই মা-ও তাকে কিভাবে সহজে সে বের হতে পারে সেই উদ্দেশ্যে সাহায্য করছে। লেবার পেইন মোকাবেলায় এই সহজ টিপসটা আমাকে যেভাবে উপকৃত করেছে আশা করি আপনাদেরও করবে, ইনশাল্লাহ। &nbsp;</p>



<p>এই ভিডিওতে যারা কথা বলেছেন তারা হচ্ছেনঃ</p>



<p>১। ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান ও "<em>Gentle Birth, Gentle Mothering"</em> বইয়ের লেখিকা সারা বাকলে<br>২।  ফিজিশিয়ান, মিডওয়াইফ, হারবালিস্ট এবং <em>“The Natural Pregnancy Book”</em> বইয়ের লেখিকা আভিভা রোম  <br>৩।  অবস্টেট্রিশিয়ান ও গাইনোকোলজিস্ট রবার্ট বিটার <br>৪।  সন্তান প্রসব ও দৌলা প্রশিক্ষক ডেবরা প্যাস্ক্যালি–বোনারো<br>৫।  <em>Birth as we know it</em> মুভির পরিচালক  এলেনা টোনেটি<br>৬।  মিডওয়াইফ আলেক্সান্ড্রা এভানগেলিডি <br>৭।  ফার্ম মিডওয়াইফারি সেন্টারের ফাইন্ডার ও ডিরেক্টর এবং <em>“Ina May’s Guide to Childbirth”</em> বইয়ের লেখিকা ইনা মে গাস্কিন  <br>৮।     অবস্টেট্রিশিয়ান ও গাইনোকোলজিস্ট এবং বেস্ট সেলিং বই <em>“Women’s Bodies, Women’s Wisdom” </em>- এর লেখিকা ক্রিস্টিয়ান নর্থার্প </p>



<h2 class="wp-block-heading" id="বিশেষ-নোটঃ-">বিশেষ নোটঃ </h2>



<p>১। ভিডিওতে <em>শ্বাস নেয়া ও আওয়াজ করা</em> বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়নি। এখানে শ্বাস নেয়া বলতে ধীরে ধীরে পেট থেকে গভীরভাবে শ্বাস নেয়া ও আস্তে আস্তে শ্বাস ছাড়া (Deep abdominal breathing) বোঝানো হচ্ছে। এটা ধাপে ধাপে জানতে <a href="/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%80-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae/" class="rank-math-link">এই লেখাটা</a> দেখতে পারেন। </p>



<p>আওয়াজ করার সময় আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টিমূলক শব্দ ব্যবহার করতে পারি, যেমন আল্লাহু আকবার, আস্তাগফিরুল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, সুবহানআল্লাহ, লা হাওলা ওয়ালা ক্কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ ইত্যাদি। </p>



<p>২। উপরের ছবিতে স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক প্রসবের জন্য সক্রিয় (active) থাকার উপযোগী একটি লেবার রুম কেমন হতে পারে তার ছবি দেয়া হয়েছে।   </p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8/">প্রসব ব্যথা বা লেবার পেইন সহজ ও সংক্ষিপ্ত করার ২টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টিপস</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>3</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আইশা আল হাজারঃ প্রাকৃতিক প্রসবকে সকলের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছেন যিনি</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%b6%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Rabeya Rowshin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 22 Feb 2019 07:54:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অভিজ্ঞতা]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগ]]></category>
		<category><![CDATA[Natural birth]]></category>
		<category><![CDATA[নরমাল ডেলিভারি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রাকৃতিক প্রসব]]></category>
		<category><![CDATA[সন্তানপ্রসব শিক্ষাদান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=1000</guid>

					<description><![CDATA[<p>আমার এই পথচলা শুরুর আগে ... মুসলিম নারীদের উত্তম প্রসব অভিজ্ঞতা অর্জনে সাহায্য করতে আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল আমার প্রথম সন্তানের জন্মেরও অনেক আগে। আমার বয়স যখন প্রায় সতের বছর তখন একজন নারীর সাথে আমার পরিচয় হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল যার চারটি সন্তান। সেই সময় এটা মনে হয়েছিল অনেএএএএক বেশি! অবশ্যই আমি তখন জানতাম না যে [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%b6%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0/">আইশা আল হাজারঃ প্রাকৃতিক প্রসবকে সকলের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছেন যিনি</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2019/02/image-300x169.jpg" alt="আইশা আল হাজারঃ প্রাকৃতিক প্রসবকে সকলের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছেন যিনি 6" class="wp-image-1001" title="আইশা আল হাজারঃ প্রাকৃতিক প্রসবকে সকলের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছেন যিনি 17"></figure>
</div>


<p><strong>আমার এই পথচলা শুরুর আগে ...</strong></p>



<p>মুসলিম নারীদের উত্তম প্রসব অভিজ্ঞতা অর্জনে সাহায্য করতে আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল আমার প্রথম সন্তানের জন্মেরও অনেক আগে। আমার বয়স যখন প্রায় সতের বছর তখন একজন নারীর সাথে আমার পরিচয় হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল যার চারটি সন্তান। সেই সময় এটা মনে হয়েছিল অনেএএএএক বেশি! অবশ্যই আমি তখন জানতাম না যে আমার নিজেরই একসময় আটটি (এখন পর্যন্ত) সন্তান হবে, সুবহানআল্লাহ! তার চেয়েও বেশি অজানা ছিল ভবিষ্যতে আমার ইসলাম গ্রহণ ও পৃথিবীর অর্ধেক পথ ঘুরে সৌদি আরবে আমার থিতু হওয়া। আমি যদি সেই সময় আমার নিজের গল্প পড়তাম তাহলে লেখিকা হিসাবে নিজেকে আমি কখনোই চিনতে পারতাম না!</p>



<p>আজকে পেছন ফিরে তাকালে, আমার মনে হয় এই চার সন্তানের মায়ের ব্যপারে যে জিনিসটা আমার মনে দাগ কেটেছিল সেটা ছিল গর্ভাবস্থা ও প্রসবকে ঘিরে উনার প্রবল অনুরাগ। এক সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতায় উনি উল্লেখ করেছিলেন যে উনার ছোট্ট মেয়েটা মিডওয়াইফ হতে চায়। আমি খুব অবাক হয়েছিলাম ভেবে যে এত ছোট একটা মেয়ে জানে মিডওয়াইফ কী জিনিস, এমন ব্যতিক্রম একটা পেশা গ্রহণ করা তো আরও পরের কথা। যখন আমি উনাকে এই নিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম উনি বলেছিলেন যে উনার বড় বাচ্চারা ছোটদের জন্ম হতে দেখেছিল যেহেতু তিনি তাদের সবাইকে একজন মিডওয়াইফের সহযোগিতায় ঘরে প্রসব করেছিলেন। তিনি আরও বলেছিলেন যে উনি ব্র্যাডলে মেথড® সন্তানপ্রসব প্রশিক্ষক হিসাবে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। উনাকে নিয়ে আমার আরেকটা উজ্জ্বল স্মৃতি হচ্ছে এক সামাজিক অনুষ্ঠানের আসর থেকে অত্যন্ত চঞ্চলভাবে উনি দ্রুত বের হয়ে গিয়েছিলেন একজন প্রসবব্যথা চলাকালীন নারীকে প্রসবে সহযোগিতা করতে, যার বাচ্চা ব্রিচ অবস্থায় ছিল।</p>



<p>সেই সময়, উনার এই প্রবল অনুরাগের ব্যপারে আমি তেমন কিছু বুঝতে পারিনি, ঘরে প্রসব করার আইডিয়ার ব্যপারে আমি খুব একটা আগ্রহী ছিলাম না, সবাই <em>জানে</em> এটা নিরাপদ না (সত্যিই কি?)। আমাদের বর্তমান বিশ্বের হাসপাতাল ও অবস্টেট্রিশিয়ান কেন্দ্রিক প্রসবের মাঝে ঘরে প্রসব করাকে অনেক প্রান্তিক কিছু মনে হয়েছিল।</p>



<p>যদিও উনাকে আমার অদ্ভূত ধরণের মনে হয়েছিল, প্রসবের প্রতি উনার প্রবল অনুরাগী আচরণ আমাকে আকর্ষণ করেছিল। বিষয়টা আমার পরিচিত যে কারো চেয়ে অন্যরকম ছিল। উনি মনে হতো যেন প্রসব বিষয়টাকে ভালবাসতেন, যেখানে আমার চেনাজানা বা মিডিয়াতে দেখা সব সন্তানসম্ভবা মায়েরা একে এমন এক দৃশ্য হিসাবে চিত্রিত করত যেন এটা এক <em>ভীতিকর ঘটনা যা তাদের ভবিষ্যতে আবির্ভূত হবে</em>।</p>



<p>আমি নিজেকে উনার মতো এই ব্যপারে এতটা উৎসাহী মনে করিনি। “মানে, ঘরে প্রসব করা? এটা সত্যিই খুব বাড়াবাড়ি!” আমার মনে হয়েছিল। কিন্তু আমি জানতাম না যে একদিন যখন আমার নিজের সময় আসবে, আমিও এই বিষয়ের প্রতি উনার মতো প্রবল উৎসাহ, অনুরাগ এবং উত্তেজনা অনুভব করতে চাইব।</p>



<p><strong>আমি যখন প্রথমবার সন্তান প্রত্যাশী ...</strong></p>



<p>আমি যখন নিজেকে সন্তানসম্ভবা বুঝতে পারলাম তখন আমার বয়স ছিল পঁচিশ। আমি একই সাথে শিহরিত ও আতঙ্কিত হয়েছিলাম। আমি সবসময়ই বাচ্চা চেয়েছিলাম এবং একসময় এমনও ভাবতে শুরু করেছিলাম যে কখনো আমার বাচ্চা হবে কি না (হাহ্‌ ... এখন দেখুন, আমার আটটা বাচ্চা, আলহামদুলিল্লাহ্‌!) আমার পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে জানা একটা জিনিস আমি মনে রেখেছিলাম যেটা আমি আশা করেছিলাম যে আমাকে আরও ভালোভাবে প্রসব করার দিকে নিয়ে যাবে ... ব্র্যাডলে মেথড®।</p>



<p>ততদিনে আমি অন্য স্টেটে চলে গিয়েছিলাম এবং আশা করছিলাম যে কাছাকাছি কারো থেকে এই ব্যপারে আরও জানতে পারব। সৌভাগ্যবশত, ফোন ডিরেক্টরিতে ব্র্যাডলে মেথডের টোল ফ্রী নাম্বারটা খুঁজে পেয়ে গিয়েছিলাম। আমি ফোন দিয়েছিলাম এবং তারা আমাকে শিক্ষকদের ফোন নাম্বারের ডিরেক্টরি পোস্ট করে পাঠিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন (ইন্টারনেট আসার আগের কথা, কল্পনা করে দেখুন!)</p>



<p>জ্যানেট ক্যারোল তখন মাত্র প্রশিক্ষণ শেষ করে উনার প্রথম ক্লাস করাচ্ছিলেন। আমার তাতে কোন সমস্যা ছিল না। আমি কাছাকাছি একজন শিক্ষক খুঁজে পেয়েই রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম। আমার কোন ধারণা ছিল না কী আশা করা উচিত বা আমি কী শিখব; আমি শুধু জানতাম যে আমার আগে সমস্ত নারীকে যেমন মনে হয়েছিল প্রসব তাদের কাছে এক ভীতিকর অভিজ্ঞতা, আমি তেমনটা চাইনি। আমার আগের অপ্রত্যাশিত সাক্ষাত থেকে আমি জানতাম যে আরও ভালো কোন উপায় আছে।</p>



<p>আমার স্বামী ও আমি সপ্তাহের পর সপ্তাহ খুবই বিশ্বস্ততার সাথে ক্লাসগুলো করেছিলাম। আমরা শিখেছিলাম প্রসবের জন্য আমার শরীরকে প্রস্তুত করতে কোন কোন ব্যয়াম করতে হবে, কী কী পুষ্টি গ্রহণ করতে হবে নিজেকে সুস্থ ও কম ঝুঁকির মাঝে রাখতে, গর্ভাবস্থা ও প্রসবের শারীরবিদ্যা, বিভিন্ন ওষুধ ও ব্যথানাশক ওষুধের বিপদ ও এদের ব্যপারে দেয়া ভুল তথ্য, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেটা সেটা হচ্ছে প্রসবব্যথা কমানোর জন্য শরীরের সাথে কিভাবে কাজ করতে হবে ও কিভাবে সম্ভাব্য সেরা প্রাকৃতিক, ওষুধবিহীন প্রসব অভিজ্ঞতা অর্জন করা যাবে।</p>



<p>আমি চির কৃতজ্ঞ যে আল্লাহ্‌ (সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা) আমাকে প্রসব করার এই পথের দিকে নিয়ে গেছেন। আমি মোটামুটি নিশ্চিত যে আপাত বিচ্ছিন্ন এসব ঘটনা (সতের বছর বয়সে সেই প্রসবের প্রতি প্রবল অনুরাগী মায়ের সাথে দেখা হওয়া এবং অন্তঃস্বত্বা হওয়ার পর ক্লাস করা) যদি না ঘটত, আমার প্রথম প্রসব অভিজ্ঞতার জন্য নিজেকে শারীরিক, মানসিক ও আবেগীয়ভাবে প্রস্তুত করার মতো জ্ঞান আমার থাকত না। আমি সত্যিই বিশ্বাস করিই জ্ঞান ছাড়া, বেশির ভাগ নারীর মতো আমিও প্রসব করার সময় ভুগতাম এবং আবারও একই কষ্টের পুনরাবৃত্তি করতে তেমন আগ্রহী হতাম না!</p>



<p>আমার ছেলের জন্মের পর আমি চমৎকার অনুভব করেছিলাম, সামান্য ব্যথা ছিল, আঘাত পেলে যেমন হয়, কিন্তু সেটা এমন কিছু ছিল না যার জন্য ব্যথানাশক ওষুধের প্রয়োজন হয়েছিল। আসলে, ডাক্তার কোন একটা ওষুধ লিখে দিয়েছিল এবং যখন নার্স সেটা নিয়ে আমার রুমে এসেছিল আমি বলেছিলাম, “আমি মাত্র ব্যথানাশক ওষুধ ছাড়া প্রসব করলাম, আপনার কী মনে হয় আমার এখন এসব লাগবে?” নার্স ওষুধটা আমার বিছানার পাশের টেবিলে রেখে চলে গিয়েছিলাম, যদি লাগে এই জন্য। অবশ্যই, এখন আমার মনে হয় এটা টাকা কামানোর আরেকটা উপায় কারণ আমি নিশ্চিত আমার ইনস্যুরেন্স কোম্পানিকে ওইসব অব্যবহৃত ওষুধের জন্য ভালো পরিমাণ টাকা চার্জ করা হয়েছিল!</p>



<p><strong>আমার দ্বিতীয় সন্তান প্রসব ...</strong></p>



<p>প্রায় দেড় বছর পর, আমি আবার হাসপাতালে গিয়েছিলাম আমার দ্বিতীয় সন্তান প্রসব করার জন্য। সন্তানপ্রসব ক্লাসের ব্যপারে আমি এবার আর ভাবিনি। আমি প্রথমবার সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে সবকিছু করেছিলাম তাই আমি জানি আমি আবার পারব, ঠিক?!?</p>



<p>দ্বিতীয় বার প্রসবব্যথার মাঝখানে, আমি আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলাম। এটা প্রথমবারের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন ছিল! আগেরবারের চেয়ে এত বেশি ব্যথা হচ্ছিল। আমার স্বামী দেখল যে আমি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছি এবং শান্তভাবে বলল, “পেট থেকে শ্বাস নেয়ার কথা মনে কর।” আমার এটাই দরকার ছিল। তার কথা শুনে ব্র্যাডলে® প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণটা আমার মনে পড়ে যেতে লাগল। আমি তৎক্ষণাৎ আমাদের যেসব পদ্ধতি শেখান হয়েছিল তার প্রতি সাড়া দিতে শুরু করলাম এবং অনুভব করলাম যে আমার ব্যথা পঞ্চাশ শতাংশ কমে গিয়েছে।</p>



<p>তখনই, কন্ট্রাকশনের মাঝেই, আমি ভাবলাম, “ওয়াও! কতখানি ব্যথা লাগবে তার ওপর আমার নিয়ন্ত্রণ আছে! নিশ্চয়ই তারা যা শেখায় এর মাঝে কোন ব্যপার আছে!”</p>



<p>ব্র্যাডলে® শিক্ষক হওয়ার ব্যপারে আমি কিছুটা চিন্তাভাবনা করেছিলাম, কিন্তু আমার জীবনের সেই সময়ে এর পেছনে যতখানি সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হতো তা ছিল অনেক বেশি। তারপরও, গোপনে আমি এই উচ্চাকাঙ্ক্ষা লালন করে গেছি এবং একে একে প্রাকৃতিকভাবে আমার তিন, চার ও পাঁচ নাম্বার সন্তান হয়েছে।</p>



<p><strong>সৌদি স্বামীর সাথে আমার প্রথম সন্তান প্রসব ...</strong></p>



<p>আমাদের পঞ্চম সন্তান জন্মের অল্প কিছুদিন পরে আমার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। বাচ্চারা এবং আমি তাদের বাবার কাছ থেকে প্রচুর মানসিক ভীতি ও অন্যায় আচরণ পেয়েছিলাম। এই সময়ই আমি স্রষ্টাকে খুঁজতে শুরু করি। আলহামদুলিল্লাহ্‌, প্রায় বছরখানেক পরে খ্রিষ্ট ধর্মে নিবেদিত থাকা আমি ইসলামকে খুঁজে পাই।</p>



<p>তালাকপ্রাপ্তা পাঁচ সন্তানের মা হিসাবে, আরও সন্তান হওয়ার আশা আমি করিনি। কিন্তু আল্লাহ্‌ উত্তম পরিকল্পনাকারী, সুবহানআল্লাহ। আমি জানতে পারলাম যে মিশরে, একজন সৌদি ভদ্রলোকের সাথে বিবাহিত থাকা অবস্থায় আমি ষষ্ঠ সন্তান গর্ভে ধারণ করছি। মিশরীয় হাসপাতালে কেমন সেবা পাব এই নিয়ে আমি শংকিত হয়ে পড়েছিলাম এবং ঘরে প্রসব করার জন্য একজন মিডওয়াইফের খোঁজ করতে শুরু করলাম। অবাক হয়ে দেখলাম যে আমি এমন কাউকে খুঁজে পেলাম না।</p>



<p>আমি ইন্টারনেটে ব্র্যাডলের® খোঁজ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। যদি এদিকে ওদের কোন শিক্ষক থাকে তাহলে নিশ্চয়ই সে এই এলাকায় কোন ভালো মিডওয়াইফের খবর জানবে। আমি হতাশ হয়ে দেখলাম যে এই এলাকার কাছাকাছি কোথাও কোন শিক্ষক নেই।</p>



<p>মিশরে প্রসব করার ধরণ নিয়ে আমি যত জানছিলাম, তত বেশি গুরুত্বের সাথে আমি ভাবছিলাম যে আমি নিজেই শিক্ষক হয়ে যাব। তার ওপরে, আমি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে গেলাম যখন আমার নতুন স্বামী ঘোষণা করলেন, “আমাদের সমাজে প্রসব হচ্ছে মেয়েদের ব্যপার। আশা করি তুমি কিছু মনে করবে না, কিন্তু তুমি প্রসব করার সময় আমি সেখানে উপস্থিত থাকতে চাই না।”</p>



<p>আমি বিধ্বস্ত হয়ে গেলাম এই কথা শুনে। আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে উনি তার সন্তানের জন্মের সময় সেখানে থাকতে চান না! আমি জানতাম এটা এমন একটা সময় যখন আমার তাঁকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। বিশেষ করে যখন আমি একটা বিদেশী সমাজে আছি এবং উনি জানেন যে আমি তাদের ভাষায় কথা বলতে পারি না। আমার সেখানে আর কেউ ছিল না এবং নিজেকে সাংঘাতিক একা মনে হচ্ছিল।</p>



<p>যদিও পুরো বিষয়টা আমি মন থেকে ঘৃণা করেছি, কিন্তু আমি তাঁকে ছাড়াই প্রসব করেছিলাম। আমার ভাগ্য ভালো ছিল যে আমি এমন একজন ডাক্তার খুঁজে পেয়েছিলাম যিনি আমার অভিজ্ঞতার ওপর আস্থা রেখেছিলেন এবং আমাকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে, ব্যথানাশক ওষুধ বা মেডিক্যাল হস্তক্ষেপ ছাড়া প্রসব করতে দিয়েছিলেন। আমার প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য এবং আমার প্রসবকে নিয়ন্ত্রণ করতে চেষ্টা না করার জন্য ডাঃ মোনাকে আমি কতখানি ভালবাসি তা বলে শেষ করতে পারব না, আলহামদুলিল্লাহ্‌। তবে, সেখানে প্রসব করার সুযোগসুবিধার যে ব্যবস্থা ছিল তা নিয়ে, বিশেষ করে ডেলিভারি টেবিল নিয়ে, আমি সন্তুষ্ট হতে পারিনি। আমার অভিজ্ঞতায়, প্রসবের জন্য সহ্য করা সবচেয়ে অদ্ভুত ও কঠিন ভঙ্গীতে আমাকে থাকতে হয়েছিল সেবার। কিন্তু যা আমাকে সত্যিই কষ্ট দিয়েছিল সেটা ছিল আমার স্বামীর উপস্থিতি ছাড়া প্রসব করা। আমি স্বীকার করি, আমার অভিজ্ঞতায় মানসিকভাবে সবচেয়ে কষ্টদায়ক প্রসব ছিল এটা। যদিও এটা বুঝতে পেরে আশ্বস্ত হয়েছিলাম যে আমি স্বামীর সহযোগিতা ছাড়াও প্রাকৃতিকভাবে প্রসব করতে পারি।</p>



<p>শারীরিকভাবে বললে, যদিও আমি যে ভঙ্গীতে ছিলাম তা কঠিন ছিল কিন্তু আমি ভালোভাবেই ম্যানেজ করতে পেরেছিলাম, আলহামদুলিল্লাহ্‌। আসলে, যখন আমি আমার স্বামীকে ফোন দিয়ে বলেছিলাম যে আমি প্রসব করেছি এবং দুই ঘণ্টা পর বাসায় ফিরে বাচ্চাদের জন্য লাঞ্চ বানাচ্ছি, তাঁর খারাপ লেগেছিল। তিনি সৌদিতে ছিলেন এবং আমি পাঁচটা ছোট বাচ্চা ও একজন নবজাতককে নিয়ে একা ছিলাম। তাঁর সত্যিই মনে হয়েছিল যে আমার নিশ্চয়ই অনেক কষ্ট হচ্ছে, এমনকি তাঁর সবচেয়ে কাছের সহকর্মীদের কাছে তিনি বলেছিলেন যে তাঁর অনেক খারাপ লাগছে, কারণ আমাকে সাহায্য করার আর কেউ নেই।</p>



<p>অবশ্যই তিনি বুঝতে পারেননি যে শারীরিকভাবে আমি সত্যিই ভালো বোধ করছিলাম, কারণ উনি সত্যিকার অর্থে প্রাকৃতিকভাবে প্রসব করা কোন নারীকে কখনো দেখেননি। তাঁর অভিজ্ঞতায় ছিল সেসব নারী যাদের ওপর দিয়ে মেডিক্যাল হস্তক্ষেপ ও ব্যথাবিহীন ওষুধ চালান হয় এবং যারা সত্যিই প্রসবের পর কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত নিজেদের দেখাশোনা করতে পারেনা, নবজাতক ও অন্য সন্তানদের পরিচর্যা করা তো আরও পরের কথা। মূলত, সৌদি আরবের সমাজে, নারীদের জন্য প্রসবের পরে (অন্ততপক্ষে) কয়েকদিন হাসপাতালে থেকে এরপর প্রসব পরবর্তী চল্লিশ দিন তার মায়ের বাড়িতে কাটান খুব স্বাভাবিক ব্যপার যেখানে তাকে অত্যাধিক আদর যত্ন করা হয়। সাধারণত এই সময়ে স্বামী দৃশ্যপটে উপস্থিত থাকে না এবং মাঝে মাঝে তার সেরে উঠতে থাকা স্ত্রী ও নবজাতক সন্তানকে দেখতে আসে। তিনি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে আমি প্রসবের দুই ঘণ্টার মাঝে বাড়ি ফিরে এসে একা সব করছিলাম।</p>



<p><strong>ঘরে প্রসব করতে দৃঢ়সংকল্প ছিলাম ...</strong></p>



<p>সপ্তম গর্ভাবস্থার সময় আমি আরেকবার ওই ভয়ানক ডেলিভারি টেবিল সহ্য করতে চাইনি এবং তখন আমি সৌদিতে ছিলাম, যেখানে আমার সন্দেহ ছিল যে ডাঃ মোনার মতো আরেকজন ডাক্তার আমি পাবো কিনা যিনি আমার প্রসব করার ধরণ গ্রহণ করতে আগ্রহী হবেন। ততদিনে আমি একা প্রসব করতে মানসিকভাবে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিলাম। এতটাই হয়েছিলাম যে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ঘরে সম্পূর্ণ একা প্রসব করব। সৌভাগ্যক্রমে, আমার এই ইচ্ছাকে আমার স্বামী সমর্থন করেছিলেন। “যতক্ষণ পর্যন্ত না আমাকে অংশগ্রহণ করতে হয়,” উনি শর্তসাপেক্ষে রাজি হয়েছিলেন।</p>



<p>তাঁর অংশগ্রহণ করার আশা আমি আগেই ছেড়ে দিয়েছিলাম। আমি শুধুমাত্র নিরিবিলিভাবে একা আমার সন্তান প্রসব করতে চেয়েছিলাম। তবে যে জিনিসটা আমাদের দুইজনকেই ভাবিয়ে তুলেছিল সেটা হচ্ছে পরবর্তীতে বাচ্চার কাগজপত্র তৈরি করা। বার্থ সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য কী লাগতে পারে জানার জন্য আমার স্বামী কয়েকটা মন্ত্রণালয় ঘুরেছিলেন। প্রতিটা জায়গাতেই তাঁর কথায় মানুষজন ধাক্কা খেত এবং ভবিষ্যতে “বিপদ” হতে পারে এমন সাবধানবাণী শোনাত এবং বলত যে কাগজপত্র তৈরি করতে অনেক ঝামেলা হবে। কেউ এটাকে অবৈধ বলেনি তবে অবশ্যই সবাই ভ্রূ কুঁচকে তাকাত।</p>



<p>হাসপাতালের রেকর্ড ছাড়া বাচ্চার কাগজপত্র তৈরি করা কঠিন হবে বুঝতে পেরে আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম একজন ডাক্তারের সাথে দেখা করে জিজ্ঞেস করব উনি আমার গর্ভাবস্থা সত্যায়ন করে দিবেন কিনা যেন আমার সন্তান জন্ম দেয়া নিয়ে কোন প্রশ্ন না ওঠে। দেখা গেল, যখন আমি উনার সাথে দেখা করতে গিয়েছি আমি নিজের অজান্তেই সক্রিয় প্রসবব্যথার মাঝে ছিলাম (আমার কয়েক সপ্তাহ ধরেই ফলস কন্ট্রাকশন হচ্ছিল এবং একে আসল বলে বুঝতে পারিনি)। যখন ডাক্তার ঘোষণা দিলেন যে আমার স্বামীর তখনই প্রসব করার জন্য আমাকে নিবন্ধিত করতে হবে, আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়লাম। আমি কষ্ট করে চেষ্টা করছিলাম উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে ডাকতে। কিন্তু তিনি ততক্ষণে অ্যাডমিশন ডেস্কের দিকে অনেকদূর চলে গিয়েছেন।</p>



<p>যখন আমি পোশাক পড়তে চেষ্টা করছিলাম, আমার পানি ভেঙ্গে গেল এবং আমি অনুভব করলাম যে আমার বাচ্চা লক্ষ্যনীয়ভাবে নিচে নেমে এসেছে। তখনই বুঝতে পেরেছিলাম যে বাচ্চা জন্ম না হওয়া পর্যন্ত আমার আর ঘরে ফেরা হচ্ছে না। কর্মচারীরা দ্রুত আমার বিছানার পাশে একটা গার্নি নিয়ে আসল এবং আমাকে তাতে উঠিয়ে দিল। তারা একটা ভারী কম্বল আমার দিকে ছুড়ে দিল আমার শালীনতা ঢাকতে এবং ডেলিভারি রুমের দিকে দ্রুত দৌড়ে চলল।</p>



<p>এই টেবিল ঝড়ের বেগে চলার মাঝেই আমি প্রসব করেছিলাম। তাই অবশেষে, আল্লাহ্‌ই উত্তম পরিকল্পনাকারী এবং আমার আর ঘরে প্রসব করা হয়নি, সুবহানআল্লাহ। কিন্তু আমি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে প্রসব করতে পেরেছিলাম যেহেতু হস্তক্ষেপ করার মতো সময় কেউ পায়নি। একই সাথে, যেহেতু এটা হাসপাতালে হয়েছিল তাই আমি সহজেই বাচ্চার জন্য কাগজপত্র তৈরি করতে পেরেছিলাম, আলহামদুলিল্লাহ্‌।</p>



<p><strong>আমানীর জন্ম ...</strong></p>



<p>আমার অষ্টম গর্ভাবস্থা আবিষ্কার করার ঠিক আগে, মধ্যপ্রাচ্যে ব্র্যাডলে মেথড® শেখানোর ডাকে সাড়া দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। আমি অ্যাপ্লিকেশন জমা দিয়ে আমেরিকা যাওয়ার জন্য টিকেট বুক করলাম। তারা আমার অ্যাপ্লিকেশন গ্রহণ করতে সম্মত হওয়ার কিছুদিন পরেই বুঝতে পারলাম যে আমি আবার সন্তানসম্ভবা, আলহামদুলিল্লাহ্‌।</p>



<p>আমার স্বামী অবিশ্বাস্য রকম সহযোগী ছিলেন এবং উনাকে উচ্চস্বরে পড়ে আমার একাডেমিক পড়াশোনার কিছু অংশ শোনালে তিনি শুনতেন। তারচেয়েও বেশি যেটাতে আমি আনন্দের সাথে অবাক হয়েছিলাম সেটা হচ্ছে পনের বছর আগের আমার ব্র্যাডলে® শিক্ষক জ্যানেটের সাথে দেখা করতে উনি সম্মত হয়েছিলেন। ক্যালিফোর্নিয়ায় শিক্ষক-প্রশিক্ষণ ওয়ার্কশপে যোগ দেয়ার আগে সে আমাদের প্রশিক্ষণের জিনিসপত্র সম্পর্কে অল্প সময়ে একটা পূর্ব ধারণা দিতে চেয়েছিল। আমি শিহরিত হয়েছিলাম যখন আমার স্বামী এতে রাজি হয়েছিলেন এবং প্রার্থনা করেছিলেন এই অভিজ্ঞতা থেকে হয়ত তিনি কিছু শিখতে পারবেন।</p>



<p>শিক্ষকদের ওয়ার্কশপে যোগ দেয়ার সময় যখন আসল আমার স্বামী উভয়সঙ্কটে পড়ে&nbsp; গেলেনঃ আমার সাথে ক্লাসে বসবেন নাকি প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টার জন্য সাতটা বাচ্চার সাথে হোটেলের রুমে থাকবেন। যেহেতু আরও একজন স্বামী উনার স্ত্রীর সাথে ক্লাসে বসতেন, আমার স্বামীও সিদ্ধান্ত&nbsp;নিলেন চেষ্টা করে দেখার। তিনি হয়ত পুরো প্রোগ্রামে মনোযোগ দিবেন না, কিন্তু যতটুকু সময়ই তাঁর থেকে পাওয়া যাবে তাই-ই অনেক এই ভেবে আমি রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম।</p>



<p>আমার স্বামীর মাঝে যে বিরাট পরিবর্তন হবে সেটা আমি তখনও জানতাম না! সেই ওয়ার্কশপের কোর্স চলাকালীন উনার মাঝে এমন উপলব্ধি হয়েছিল যা উনার জীবন বদলে দিয়েছিল! অবশেষে উনি “বুঝতে পেরেছিলেন” যে পিতৃত্বের পথে যাত্রায় বীজ বপন করা ছাড়াও উনার একটা ভূমিকা আছে। গর্ভাবস্থা, প্রসব ও পরবর্তীতেও বাবার ভূমিকা নিয়ে উনি প্রবল অনুরাগী হয়ে ওঠেন। আমার ও সন্তানদের সাথে উনার সম্পর্কের পুরোটাই এমনভাবে প্রস্ফুটিত হয়ে উঠেছিল যা আমার পক্ষে ভাষায় বর্ণনা করা সম্ভব না। আমার মনে হচ্ছিল যেন আমি একজন সম্পূর্ণ নতুন স্বামী পেয়েছি, মাশাল্লাহ!</p>



<p>যখন আমাদের মেয়ের জন্মের সময়&nbsp;আসল, উনি সহযোগিতা ছাড়া ঘরে প্রসবের পূর্ণ সমর্থক ছিলেন। উনি শুধু এতে সমর্থনই দেননি, উনি এতে অংশগ্রহণ করার জন্য উৎসুক হয়ে ছিলেন। যেদিন ওর জন্ম হোল, আমার স্বামীই ওকে প্রথম ধরেছিলেন (আক্ষরিক অর্থেই), পুরো দৃশ্যপট পরিষ্কার করেছিলেন, এবং প্রচুর ছবি তুলেছিলেন। উনি এত্ত যত্নশীল ও মমতাময় ছিলেন, মাশাল্লাহ।</p>



<p>তিনি এই অভিজ্ঞতা নিয়ে একটা হৃদয়স্পর্শী লেখাও লিখেছিলেন, যা আমার সৌদি বার্থ স্টোরি ব্লগে প্রকাশিত হয়েছে (বেবি নাম্বার এইট দিয়ে খোঁজ করুন)। এই অভিজ্ঞতার পর আমি আমার স্বামীর সাথে মানসিকভাবে আরও বেশি সংযুক্ত ও কাছের অনুভব করেছিলাম। আমাদের সব সন্তানদের সাথেও তিনি যেভাবে আরও ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠলেন সেটা আমি সত্যিই শ্রদ্ধার চোখে দেখি, মাশাল্লাহ।</p>



<p>পরবর্তীতে আমি যখন দম্পতীদের শেখানো শুরু করলাম, আমি নিজের চোখের সামনে একই ধরণের পরিবর্তন ঘটতে দেখেছি, মাশাল্লাহ। ব্র্যাডলে মেথড® ফোকাস করে স্বামী যেন তার স্ত্রীর কোচ হয় এবং স্ত্রীর গর্ভাবস্থা, প্রসবব্যথা ও প্রসবের সময় তার পূর্ণ সেবা ও সহযোগিতাকে সত্যিই উৎসাহিত করে।</p>



<p>আমি সত্যিই মনে করি সন্তানপ্রত্যাশী বাবা-মা ও তাদের অনাগত সন্তানের জন্য প্রাকৃতিক প্রসব ও ব্র্যাডলে মেথড® এক উপহার। তবে, আমি শীঘ্রই বুঝতে পারলাম যে বহু নারীর কাছে আমি পৌঁছাতে পারব কিন্তু আমি যে বিশাল বৈশ্বিক বিস্তৃতির স্বপ্ন দেখি আমেরিকান সংস্থা সেটার জন্য প্রস্তুত না।</p>



<p>এই বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে, আমি সিদ্ধান্ত নিলাম নতুন শাখায় বিভক্ত হয়ে আমার নিজের মতো করে সন্তানপ্রসবের উপর প্রস্তুতিমূলক বিষয়বস্তু তৈরি করব। আমি অন্যান্য সন্তানপ্রসব মেথডগুলো নিয়ে আরও জানতে শুরু করলাম এবং শীঘ্রই প্রাকৃতিক প্রসবের ধাঁধায় নতুন জিনিস ইংল্যান্ডের জ্যানেট বালাকাসের সক্রিয় প্রসব খুঁজে পেলাম। সেই সাথে এই প্রোগ্রামের সঙ্গে কুরআনের অলৌকিকতাকে বের করে আনার ও সাংস্কৃতিকভাবে স্পর্শকাতর বিষয়গুলোকেও বিবেচনা করার বিরাট প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলাম।</p>



<p>আমার নিজের সন্তানদের প্রসবের জন্য ও সন্তানপ্রসব প্রশিক্ষক ও দৌলা হিসাবে প্রশিক্ষণের জন্য আমেরিকান একাডেমী অফ হাসব্যান্ড কোচড চাইল্ডবার্থ® এবং ব্র্যাডলে মেথডের® ভূমিকার জন্য তাদের প্রতি আমার গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শেষ করতে পারব না। তারা <u>AMANI Birth</u> <em>(<a href="https://amanibirth.com/" target="_blank" rel="noopener">www.amanibirth.com</a></em><em>)</em>-এর জন্য আমাকে সত্যিই স্প্রিংবোর্ড দিয়েছে। আল্লাহ্‌ এই যাত্রায় বারাকাহ দিক এবং বহু নারীকে এই কাজ থেকে সেরাটা গ্রহণ করার তৌফিক দিক এবং তাদের যে কোন ক্ষতি থেকে সুরক্ষিত করুক। আমীন!</p>



<p><em>[আইশা আল হাজারের লেখা AMANI Birth বই থেকে উনার পথচলার অভিজ্ঞতাটি অনুবাদ করা হয়েছে।]</em></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%b6%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0/">আইশা আল হাজারঃ প্রাকৃতিক প্রসবকে সকলের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছেন যিনি</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রাকৃতিক প্রসব বুকের দুধ খাওয়ানোতে সফলতা বৃদ্ধি করে</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Rabeya Rowshin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Feb 2019 17:37:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভধারণের আগে]]></category>
		<category><![CDATA[Natural birth]]></category>
		<category><![CDATA[নরমাল ডেলিভারি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রাকৃতিক প্রসব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=994</guid>

					<description><![CDATA[<p>মেয়েদের শরীরকে আল্লাহ্‌ সন্তান ধারণ, প্রসব ও দুধ খাওয়ানোর জন্য নিখুঁতভাবে তৈরি করেছেন। মানবসৃষ্টির শুরু থেকেই এই অলৌকিক বিষয়গুলোর ওপর সবার আস্থা আছে। প্রাকৃতিক, ওষুধবিহীন প্রসবের পর বুকের দুধ খাওয়ানোর বাইরে আর কোন উপায় গত শতাব্দীর আগে বের হয়নি। এসব নতুন সুযোগের ব্যবস্থা আসার পর নারীরা তাদের শরীর ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে অনাস্থা পোষণ করতে শুরু [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81/">প্রাকৃতিক প্রসব বুকের দুধ খাওয়ানোতে সফলতা বৃদ্ধি করে</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignright"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2017/02/sleeping-baby.jpg" alt="প্রাকৃতিক প্রসব বুকের দুধ খাওয়ানোতে সফলতা বৃদ্ধি করে 7" class="wp-image-368" title="প্রাকৃতিক প্রসব বুকের দুধ খাওয়ানোতে সফলতা বৃদ্ধি করে 18"></figure>
</div>


<p>মেয়েদের শরীরকে আল্লাহ্‌ সন্তান ধারণ, প্রসব ও দুধ খাওয়ানোর জন্য নিখুঁতভাবে তৈরি করেছেন। মানবসৃষ্টির শুরু থেকেই এই অলৌকিক বিষয়গুলোর ওপর সবার আস্থা আছে। প্রাকৃতিক, ওষুধবিহীন প্রসবের পর বুকের দুধ খাওয়ানোর বাইরে আর কোন উপায় গত শতাব্দীর আগে বের হয়নি।</p>



<p>এসব নতুন সুযোগের ব্যবস্থা আসার পর নারীরা তাদের শরীর ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে অনাস্থা পোষণ করতে শুরু করেছে। প্রসবব্যথা ও প্রসবের সময় মেডিক্যাল হস্তক্ষেপের সূচনা এমন পার্শব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে যা নারী ও শিশুদের ওপর অপরিবর্তনীয় ক্ষতি বয়ে এনেছে। এর সাথে এসেছে ফিডারের ব্যবহার ও মানবসৃষ্ট বাচ্চাদের দুধ।</p>



<p>ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যাবে যে নারীরা সবসময়ই জানত সন্তানপ্রসবের সময় ব্যথা হবে। কিন্তু যখন আমরা প্রসবের আধুনিক সভ্যতার দিকে তাকাই তখন এমন একটা সমাজ দেখতে পাই যেখানে মেয়েরা প্রসবব্যথার অজানা কষ্টকে এতটাই ভয় পায় যে তারা সেটা এড়াতে মেডিক্যাল সাহায্য কামনা করে। দুর্লভ কয়েকজন আছে যারা এখনো তাদের শরীরের নিখুঁত নকশায় আস্থা রাখে এবং সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক, ওষুধবিহীন প্রসবের পথ বেছে নেয়। এসব “প্রাকৃতিক মায়েরা” বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের সন্তানদের ফিডারে দুধ খাওয়ানোর বিপরীতে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে বুকের দুধ খাওয়ানোকে বেছে নেয়।</p>



<p>সৌভাগ্যজনকভাবে, সন্তানপ্রসব নিয়ে শিক্ষাদান সাড়া বিশ্বে সহজলভ্য হতে শুরু করেছে, যদিও মুসলিম সমাজে এখনো বিরল। যেসব নারীরা তাদের শরীর এবং গর্ভাবস্থা, প্রসবব্যথা, প্রসব ও স্তন্যপান প্রক্রিয়ার শারীরবৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা করে (এবং কিভাবে সর্বোচ্চ উপায়ে এর জন্য প্রস্তুতি নেয়া যায় তা জানতে চেষ্টা করে) তারা বুঝতে পারে যে ব্যথানাশক ওষুধ ও মেডিক্যাল হস্তক্ষেপ ছাড়াই তারা প্রসব করতে এবং পরবর্তীতে ফিডার ও ফর্মুলা দুধ ছাড়াও বাচ্চাকে খাওয়াতে সক্ষম।</p>



<p>দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বেশিরভাগই এখনো অন্ধকারে পড়ে আছে, প্রকৃতির চেয়েও আরও ভালো কিছুর মিথ্যা আশায় অন্ধ হয়ে আছে। তারা যা বুঝতে পারে না সেটা হচ্ছে প্রসবব্যথা ও প্রসবের জন্য ব্যবহৃত মেডিক্যাল হস্তক্ষেপ এবং ব্যথানাশক ওষুধ শুধুমাত্র সন্তানপ্রসবের ব্যথাকে পুনর্বিন্যাস বা পরিবর্তন করতে পারে, একে দূর করতে পারে না। আরও খারাপ যেটা, সেটা হচ্ছে এসব আধুনিক হস্তক্ষেপ এবং ওষুধপত্র মা ও শিশুর জন্য অসংখ্য অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি নিয়ে আসে। অনেকে তাদের নবজাতক সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানোর গুরুত্ব বুঝতেও ব্যর্থ হয়, ফর্মুলা দুধকে বুকের দুধের মতোই ভালো মনে করে ভুল করে।</p>



<p>প্রসবব্যথা ও প্রসবের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় নারীদের ভেবে দেখা উচিত এমন কিছু বিষয় নিচে তুলে ধরছি।</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>প্রসব একটি অ্যাথলেটিক ঘটনা, যার জন্য প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতি থাকতে হয়। অবস্টেট্রিশিয়ান ডাঃ রবার্ট এ. ব্র্যাডলে “Bradley on Birthing” ভিডিওতে বলেছেন, “বাচ্চা জন্ম দেয়া এক মাইল [১.৬ কিমি] সাঁতার কাটার সমান।” আমার সত্যিই সন্দেহ আছে কোন নারী আগে কয়েক মাস প্রশিক্ষণ না নিয়ে এই সাঁতারে টিকতে পারবে কিনা।</li>



<li>মেডিক্যাল বা প্রাকৃতিক প্রসব কোনটাই ব্যথাবিহীন না। এর সাথে কিভাবে মোকাবেলা করা যায় সেটা শেখাই উত্তম।</li>



<li>যতক্ষণে ব্যথানাশক ওষুধ দেয়া হয় ততক্ষণে মা প্রসবব্যথা নিয়ে যথেষ্ট সময় পার করে ফেলে (যার জন্য সম্ভবত তার কোন প্রস্তুতি নেই)।</li>



<li>ব্যথানাশক ওষুধ হয়ত সব ব্যথা দূর করে দিবে না বা হয়ত একদমই কাজ করবে না!</li>



<li>এসব ওষুধ সাধারণত সুঁই দিয়ে শরীরের স্পর্শকাতর অংশে দেয়া হয় এবং নিজেই ব্যথার সৃষ্টি করে।</li>



<li>(ব্যথানাশক ওষুধ দেয়ার কারণে) কার্যকরভাবে নড়াচড়া করতে বা অনুভব করতে বা চাপ দিতে না পারার জন্য বাড়তি মেডিক্যাল হস্তক্ষেপ যুক্ত হয় যা শরীরে আরও বড় ক্ষতের সৃষ্টি করে এবং প্রসবের পরও সেটা অনুভূত হয় (এবং প্রায় সময়ই প্রসবের চেয়েও বেশি ব্যথা করে)।<br>প্রাকৃতিকভাবে প্রসবকারী মায়েরা, যারা প্রসবের জন্য তাদের শরীরকে আগে থেকে প্রস্তুত করে, প্রসবব্যথার সাথে মোকাবেলা করতে শেখে এবং ব্যথা কমিয়ে আনার জন্য সহজ কিছু পদ্ধতি প্রয়োগ করে, তারা সাধারণত প্রসবের পর চমৎকার অনুভব করে।</li>



<li>ব্যথানাশক ওষুধ নেয়া মায়েদের অনেকসময় বমিভাব, অসুস্থ বোধ হয় এবং মেডিক্যাল হস্তক্ষেপের কারণে অনেক ব্যথার মাঝ দিয়ে যেতে হয় ও প্রসবের পরও শোচনীয় অবস্থা থাকে।</li>



<li>যে মা চমৎকার অনুভব করবেন তিনি তার বাচ্চার যত্ন বেশি ভালোভাবে নিতে পারবেন এবং তাই তৎক্ষণাৎ বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সম্ভাবনা তার বেশি থাকবে।</li>
</ul>



<p>“প্রাকৃতিক মায়েরা” যে সাধারণত প্রসবের পর চমৎকার অনুভব করেন, যেখানে ব্যথানাশক ওষুধ নেয়া মায়েরা করেন না, এই বিষয়টার ভীষণ তাৎপর্য আছে। আমরা কি সত্যিই ব্যথাকে প্রসবের কয়েক ঘন্টা ‘আগে’ থেকে কয়েক ঘন্টা/দিন/সপ্তাহ ‘পরে’ নিতে চাই? এক মুহূর্তের জন্য এটা ভেবে দেখুন। আপনি ব্যথাকে দূর করছেন না, শুধুমাত্র একে এক সময় থেকে আরেক সময়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আপনি কি সেই সময় চমৎকার অনুভব করতে চান না যখন এর প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি? যখন আপনার নবজাতক আপনার কোলে থাকবে?</p>



<p>মায়েদের আরও জানা উচিত যে প্রসবব্যথা ও প্রসবের সময় যেসব ওষুধপত্র দেয়া হয় সেগুলো দেয়ার আনুমানিক ষাট সেকেন্ডের মাঝে বাচ্চার কাছে সেটা পৌঁছে যায়। তার আরও জানা উচিত যে ‘কোন’ ওষুধ, এমনকি সন্তানপ্রসবের সময় ব্যবহৃত কোন ওষুধও তার অনাগত সন্তানের জন্য নিরাপদ বলে প্রমাণিত হয়নি।</p>



<p>সেই সাথে, মায়ের বুঝতে হবে এসব ওষুধ তাকে ও তার বাচ্চাকে এমনভাবে প্রভাবিত করে যা প্রসবের পরও স্থায়ী হয়। এমনকি ওষুধের সাহায্য নেয়া একজন মা যার বুকের দুধ খাওয়ানোর পুরো ইচ্ছা আছে এসব ওষুধের স্বল্পমেয়াদী প্রভাবের কারণে সেটা ভালোভাবে শুরু করতে অত্যন্ত বেগ পেতে পারেঃ</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>মা ও বাচ্চার জাগ্রত অবস্থার মাঝে বাধা সৃষ্টি করে</li>



<li>বাচ্চার যত্ন নেয়ার ক্ষেত্রে মায়ের সক্ষমতাকে প্রভাবিত করে</li>



<li>বমিভাব ও অন্যান্য অস্বস্তি তৈরি করে</li>



<li>মা ও শিশুর জন্য সেরে উঠতে বেশি সময়ের প্রয়োজন হয়</li>



<li>মা ও শিশুর বন্ধন তৈরির সময়টার সাথে হয়ত আপোষ করা হয় বা সেটা দেরীতে করা হয়</li>



<li>বাচ্চার দুধ টানার অভিব্যক্তিতে বাধার সৃষ্টি করে যার ফলে দুধ পান করানো কঠিন হয়ে পড়ে</li>



<li>মায়ের দুধ সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করে</li>
</ul>



<p>এসব ওষুধ ব্যবহারের সাথে অসংখ্য মেডিক্যাল ঝুঁকিও রয়েছে। এর বিস্তারিত তালিকা না দিয়ে সন্তানসম্ভবা মায়েদের আমি জিজ্ঞেস করতে চাই, “আপনার স্বল্পমেয়াদী স্বস্তির জন্য মানবসৃষ্ট যে ওষুধ আপনি নেয়ার কথা ভাবছেন সেটার কোন প্রতিকূল প্রতিক্রিয়া আপনার বা আপনার সন্তানের ওপর হবে না এই ব্যপারে কি আপনি পুরোপুরি নিশ্চিত? আপনার নিজের জন্য কয়েক ঘন্টা ব্যথা থেকে স্বস্তি পেতে আপনার বাচ্চাকে কি আপনি ক্ষতির মাঝে ফেলবেন? আপনি যদি শিখতে পারেন কিভাবে ব্যথা কমিয়ে আনা যায় ও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে প্রসব করা যায়, আপনি কি তাহলে সেটা চেষ্টা করবেন?” এভাবে ভাবুন, “কেন ঝুঁকি নিবেন?”</p>



<p>দুঃখজনকভাবে, আমাদের দেশের বেশিরভাগ সন্তানসম্ভবা মায়েদের সন্তানপ্রসবের ওপর ক্লাস করার সুযোগ নেই। সুতরাং, তারা জানে না আসন্ন প্রসবব্যথা ও প্রসবের জন্য কিভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রসবব্যথা ও প্রসবের দেহতত্ত্ব নিয়ে তারা জানে না এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস, এই ঘটনার জন্য শরীরকে প্রস্তুত করতে সহজ ব্যয়াম বা ব্যথা সামলানোর জন্য প্রাকৃতিক পদ্ধতিগুলো তাদের কাছে স্পষ্ট নয়।</p>



<p>এই নারীরা অনেকসময় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে এবং প্রাকৃতিকভাবে সন্তান প্রসবের জন্য অস্বস্তি ও ব্যথা সহ্য করতে পারে না। না জেনেই তারা প্রসবব্যথার সাথে লড়াই করে এবং ব্যথা আরও খারাপ পর্যায়ে নিয়ে যায়! এসব নারীরা প্রায় সময়ই হাসপাতালে আসে আতঙ্কিত অবস্থায় এবং ওষুধের মাধ্যমে স্বস্তি খোঁজে। শেষে, তাদের মনে হয় যে তারা “অনেক কষ্ট করেছে” এবং প্রায় সময়ই এতটা অসুস্থ ও ব্যথাতুর থাকে যে নিজের যত্নই নিতে পারে না, নবজাতককে কোলে নেয়া ও যত্ন করা তো দূরের কথা। হাসপাতালের কর্মচারীরা তখন দায়িত্ব নিয়ে নেয় এবং বাচ্চাকে নার্সারীতে রেখে ফিডারে করে ফর্মুলা দুধ খাওয়ায়।</p>



<p>এই মেডিক্যাল পদ্ধতিতে প্রসবকে সামলে নেয়ার যুগে মেডিক্যাল পেশার সাথে জড়িতদের সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক প্রসব প্রত্যক্ষ করা বিরল ঘটনা। প্রসবব্যথা থেকে উদ্ধার পেতে চাওয়া আতঙ্কিত রোগীরাই স্বাভাবিক ব্যপার হয়ে গেছে এবং দাদী-নানীদের মায়েদের সময়কার শান্ত আনন্দিত প্রাকৃতিক প্রসব হয়ে গেছে অস্বাভাবিক ব্যপার।</p>



<p>বিষয়টা দুঃখজনক যখন অস্বাভাবিকতাই স্বাভাবিক হয়ে যায় আর স্বাভাবিক ব্যপার অসম্ভব মনে হয়। কিন্তু এমনটা যে হতেই হবে তা না! এখনো আশা আছে। নারীরা যত বেশি মানসম্মত সন্তানপ্রসব শিক্ষার পথ খুঁজে পাবে তত বেশি ডাক্তার শান্ত, আত্মবিশ্বাসী, ওষুধবিহীন,সক্ষম একজন নারীকে প্রত্যক্ষ করতে পারবে যিনি আত্মপ্রত্যয়ের সাথে নীরবে প্রসবব্যথা পার করবেন।</p>



<p>এসব নারীরা যখন ডেলিভারি রুম থেকে বের হয়ে সত্যিকার প্রাকৃতিক প্রসবের আনন্দ নিয়ে কথা বলবে, অন্যরা তখন শুনবে। অবশ্যই তারা প্রসবের কথা বলার সময় ব্যথার কথা না বলে থাকবে না, কিন্তু তারা প্রক্রিয়াটা বুঝতে পেরেছে, একে সামলানোর জন্য পদ্ধতি জেনেছে এবং কার্যকরভাবে তাদের শরীরের সাথে মানিয়ে নিয়েছে। ব্যথা কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে তাদের নিয়ন্ত্রণ ছিল এবং তাদের শরীরের জন্য প্রাকৃতিক পরিকল্পনায় আস্থা রাখতে পেরেছে।</p>



<p>তারা বলবে যে, যেই মুহূর্তে তাদের সন্তান জন্মেছে সেই মুহূর্ত থেকেই তাদের ব্যথা শেষ হয়ে গেছে। তারা বলবে কিভাবে তারা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে প্রসব করার জন্য দৃঢ়সংকল্প ছিল, শিরায় পরিচালিত ড্রিপ ছাড়া, ব্যথানাশক ওষুধ ছাড়া, এমনকি এপিসিওটোমি ছাড়া।</p>



<p>তারা তাদের বাচ্চার সমর্থনে কথা বলেছে এবং জোর দিয়েছে যেন ডাক্তার তাদের বাচ্চার নাড়ী আটকাতে দেরী করে এবং যেন ডেলিভারী টেবিলেই, এমনকি প্লাসেন্টা বের হওয়ার আগেই বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর অধিকার তাদের দেয়া হয়। তারা আত্মবিশ্বাসের সাথে কাজ করেছে, এই জেনে যে তাৎক্ষণিক দুধ পান করানো শুধু সম্ভবই না, বরং তার ও তার বাচ্চা উভয়ের জন্যই উপকারী।</p>



<p>এই নারীরা জানত যে প্লাসেন্টা বের হওয়ার জন্য এবং মাতৃত্বকালীন হেমারেজ প্রতিরোধ করার জন্য তাদের কৃত্রিম হরমোনের প্রয়োজন নেই। তারা জেনেছিল যে বাচ্চাকে দুধ খাওয়ালে সেই একই হরমোন উৎপন্ন হয়, প্রাকৃতিকভাবে, যা এসব কৃত্রিম ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে পাওয়া যায়। তারা জানত যে তাদের বুকের দুধ গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে পূর্ণ যা তাদের বাচ্চার সর্বোচ্চ সুস্বাস্থ্য নিয়ে জীবন শুরু করার জন্য প্রয়োজন। নতুন জীবনের প্রারম্ভে দুধ খাওয়ানো ও বন্ধন তৈরির গুরুত্বের প্রতি তারা সাগ্রহে সচেতন ছিল।</p>



<p>যে জিনিসটা এই ”প্রাকৃতিক মায়েদের” আলাদা করে তুলেছে সেটা হচ্ছে তারা সময় করে নিজেদের এই বিষয়ে শিক্ষিত করেছে ও প্রসবের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করেছে। তারা সম্ভাব্য সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর, সবচেয়ে প্রাকৃতিক এবং আনন্দময় প্রসব অর্জনে দৃঢ়সংকল্প ছিল। তারা তাদের বাচ্চাদের প্রতি নিবেদিত এবং ওষুধের ব্যবহার ছাড়া, সজাগ সতর্ক অবস্থায়, সুস্থভাবে ও বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য প্রস্তুত অবস্থায় তাদের পৃথিবীতে আনার প্রতি তারা দৃঢ়মনোভাবাপন্ন। তারা নিজেদের ওপর আত্মবিশ্বাসী এবং বোঝে যে শুরুতেই বুকের দুধ খাওয়ানো সফলভাবে বুকের দুধ খাওয়ানোর পথে সর্বোচ্চ নিশ্চয়তা দেবে।</p>



<p>তারাই সেসব নারী যারা প্রসবের ক্ষেত্রে প্রচলিত ধারায় পরিবর্তন আনবে যা আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে হাজার বছর ধরে প্রাকৃতিকভাবে ফলপ্রসূ হওয়া পথের দিকে। নারীরা যত বেশি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে সন্তানপ্রসবের উপকারিতা নিয়ে সচেতন হবে, তারা মানসম্মত সন্তানপ্রসব শিক্ষার চাহিদা তৈরিতে চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে। দিগন্তে পরিবর্তনের ছায়া দেখা যাচ্ছে এবং প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেয়া, প্রথম ছয় মাস শুধু বুকের দুধ খাওয়া বাচ্চাদের নতুন যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে।</p>



<p><em>[লেখাটি অনূদিত।&nbsp;</em><em>মূল লেখকঃ আইশা আল হাজার, মিডওয়াইফ, ফাউন্ডার AMANI Birth (<a href="http://www.amanibirth.com" target="_blank" rel="noopener"> www.amanibirth.com</a> )]</em></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81/">প্রাকৃতিক প্রসব বুকের দুধ খাওয়ানোতে সফলতা বৃদ্ধি করে</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রসব বেদনা কি প্রাকৃতিক ভাবে শুরু করানো যায়?</title>
		<link>https://matritto.com/natural-ways-to-induce-labor/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[ইসরাত জাহান ইনু]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Jan 2015 22:35:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[induce-labor]]></category>
		<category><![CDATA[Labor]]></category>
		<category><![CDATA[নরমাল ডেলিভারি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://matritto.com/?p=32</guid>

					<description><![CDATA[<p>বিশেষজ্ঞরা মনে করেন প্রসব বেদনা তরান্বিত করার জন্য বাসায় বসে চর্চা করা কোন পদ্ধতি ১০০% নিশ্চয়তাসহ কাজ করে না হয়তো আপনার প্রসবের তারিখ আর সপ্তাহখানেক বাকি, কিংবা এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। স্বাভাবিকভাবেই এ সময় বাবা-মা তাদের হবু সন্তানের মুখ দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন। ফলে তারা ইন্টারনেট আতিপাতি করে খুঁজেন কিভাবে বাসায় বসেই প্রসব বেদনা তরান্বিত [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/natural-ways-to-induce-labor/">প্রসব বেদনা কি প্রাকৃতিক ভাবে শুরু করানো যায়?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<blockquote class="wp-block-quote has-text-align-left is-style-large is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow">
<p id="বিশেষজ্ঞরা-মনে-করেন-প্রসব-বেদনা-তরান্বিত-করার-জন্য-বাসায়-বসে-চর্চা-করা-কোন-পদ্ধতি-১০০-নিশ্চয়তাসহ-কাজ-করে-না">বিশেষজ্ঞরা মনে করেন প্রসব বেদনা তরান্বিত করার জন্য বাসায় বসে চর্চা করা কোন পদ্ধতি ১০০% নিশ্চয়তাসহ কাজ করে না</p>
</blockquote>



<p>হয়তো আপনার প্রসবের তারিখ আর সপ্তাহখানেক বাকি, কিংবা এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। স্বাভাবিকভাবেই এ সময় বাবা-মা তাদের হবু সন্তানের মুখ দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন। ফলে তারা ইন্টারনেট আতিপাতি করে খুঁজেন কিভাবে বাসায় বসেই প্রসব বেদনা তরান্বিত করা যায়। ইন্টারনেটে বিভিন্ন জনপ্রিয় ওয়েব সাইটের ফোরামও এ ধরনের আলোচনায় পূর্ণ। যেখানে পরামর্শ হিসেবে মসলাযুক্ত খুব ঝাল খাবার থেকে শুরু করে ক্যাস্টর অয়েল খাওয়া পর্যন্ত কি নেই! কিন্তু বাস্তবতা কি বলে- আসলেই কি এসব টিপস কাজ করে? শিশু জন্মদান বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা বলেন, এসবের পক্ষে ততটা ভাল কোন প্রমান নেই।</p>



<p>‘প্রসব বেদনা তরান্বিত করার জন্য হোম মেইড কোন পদ্ধতি নেই যা শতভাগ নিশ্চয়তাসহ কাজ করে’, এলিজাবেথ স্টেইন নামের একজন আমেরিকান মিডওয়াইফ বলেন। তবে এ ক্ষেত্রে হাসপাতালে দেয়া ঔষধই বেশি কার্যকর ও নিরাপদ। বাদবাকি বেশিরভাগ টেকনিক-ই গুজব এবং কখনো কখনো মায়ের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ। তবে চিকিৎসকদের মধ্যে মতভেদ থাকলেও কয়েকটি টেকনিক বেশ সম্ভাবনাময়।</p>



<div class="wp-block-rank-math-toc-block p-15 has-background" style="background-color:#f9f9f9" id="rank-math-toc"><h2>বিষয়সূচী</h2><nav><ul><li class=""><a href="#প্রসববেদনা-শুরুর-আগে">প্রসববেদনা শুরুর আগে</a><ul><li class=""><a href="#মানসিক-প্রস্তুতি">মানসিক প্রস্তুতি</a></li><li class=""><a href="#গর্ভাবস্থায়-ব্যায়াম">গর্ভাবস্থায় ব্যায়াম</a></li></ul></li><li class=""><a href="#প্রচলিত-পদ্ধতিসমূহ">প্রচলিত পদ্ধতিসমূহ</a><ul><li class=""><a href="#আকুপাংচারের-সাহায্য-প্রসব-বেদনা">আকুপাংচারের সাহায্য প্রসব বেদনা</a></li><li class=""><a href="#সহবাস-কি-প্রসব-বেদনা-আনতে-পারে">সহবাস কি প্রসব বেদনা আনতে পারে?</a></li><li class=""><a href="#ঝাল-খাবার">ঝাল খাবার</a></li><li class=""><a href="#আনারস">আনারস</a></li><li class=""><a href="#বেগুন">বেগুন</a></li><li class=""><a href="#খেজুর">খেজুর</a></li><li class=""><a href="#কলা">কলা</a></li><li class=""><a href="#ক্যাস্টর-বা-রেড়ীর-তেল">ক্যাস্টর বা রেড়ীর তেল</a></li><li class=""><a href="#কোহস">কোহস</a></li><li class=""><a href="#সান্ধ্য-প্রিমরোজের-তেল">সান্ধ্য-প্রিমরোজের তেল</a></li><li class=""><a href="#ওষুধনির্ভর-পদ্ধতি">ওষুধনির্ভর পদ্ধতি</a></li></ul></li><li class=""><a href="#যা-কিছু-বর্জনীয়">যা কিছু বর্জনীয়</a></li></ul></nav></div>



<h2 class="wp-block-heading" id="প্রসববেদনা-শুরুর-আগে">প্রসববেদনা শুরুর আগে</h2>



<h3 class="wp-block-heading" id="মানসিক-প্রস্তুতি">মানসিক প্রস্তুতি</h3>



<p>প্রসব বেদনা অনেক মায়ের ক্ষেত্রেই ভীতি তৈরি করে। যেকোন বিষয়ে মানসিক প্রস্তুতি ,সবকিছুকে সহজ করে। পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই এই প্রস্তুতির জন্যে হয় <a href="https://matritto.com/why-prenatal-class/" target="_blank" data-type="post" data-id="5307" rel="noreferrer noopener">প্রিনাটাল</a> (prenatal) বা এন্টিনাটাল (antenatal) ক্লাস। মানে প্রসব পূর্ববর্তী ক্লাস, মূলত যার লক্ষ্য থাকে, গর্ভবতীকে মানসিক ও শারীরিকভাবে ফিট রাখা। সম্ভবা মায়েরা সাধারণত গর্ভাবস্থার শেষ ৮-১০ সপ্তাহে এই ক্লাসগুলো করে থাকেন (সূত্রঃ NHS-UK)। এসব ক্লাসে নিচের বিষয়গুলো শেখানো হয়ঃ</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন, এবং করণীয়</li>



<li>গর্ভাবস্থায় খাদ্যাভাস, ওজন নিয়ন্ত্রণের খুঁটিনাটি</li>



<li>প্রসবের পূর্ববর্তী, প্রসবের সময়ের বিবরণ</li>



<li>প্রসব ব্যথাকে সহজ করে নেওয়ার কৌশল এবং মানসিক প্রস্তুতি</li>
</ul>



<p class="has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#efdecb"><strong>মাতৃত্ব</strong> থেকে আমরা এধরনের ক্লাস করানো শুরু করেছি। আমাদের <a href="https://matritto.com/prenatal-class-in-bangladesh/" target="_blank" data-type="page" data-id="4965" rel="noreferrer noopener">প্রিনাটাল কোর্সে </a>০৮ সপ্তাহে ১৬ টি ক্লাস নেন ডাক্তার, মিডওয়াইফ এবং প্রশিক্ষিত চাইল্ড বার্থ এডুকেটর। গবেষনায় দেখা গেছে এধরনের ক্লাস স্বাভাবিক প্রসবেরর জন্য মা'কে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে সাহায্য করে।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="গর্ভাবস্থায়-ব্যায়াম">গর্ভাবস্থায় ব্যায়াম</h3>



<p>সবক্ষেত্রে সব বিশেষজ্ঞই ব্যায়ামের কার্যকারিতা স্বীকার করেন। তার মধ্যে আছে <a href="https://matritto.com/pregnancy-exercise-%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae/" class="rank-math-link">স্কোয়াটিং</a>, <a href="https://matritto.com/%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE/" class="rank-math-link">কেগেল এক্সারসাইজ</a>, বাটারফ্লাই পোজ, সিঁড়ি দিয়ে উঠানামা করা, প্রেগনেন্সি যোগাসন। দীর্ঘ হাঁটাহাঁটিকে গুরুত্ব দিতে পারেন। তবে হার্পার নামের একজন ডাক্তার বলেন, “লম্বা হাটাহাটি ভাল ব্যায়াম, তবে আমি মনে করি না এটা প্রসব বেদনায় কোন সাহায্য করে”। এলিজাবেথ স্টেইন অবশ্য বেশ কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন এবিষয়ে, “অল্প হাটাহাটি ভালো, তবে ক্লান্তিকর লম্বা হাটাহাটির ভক্ত আমি নই। ক্লান্ত হয়ে প্রসববেদনা আনা মনে হয় ভাল চিন্তা না”। </p>



<p>যাই হোক, আপনার মূল লক্ষ্য হলো সক্রিয় থাকা । হাঁটাহাটি বা ব্যায়ামের মানে এই না যে আপনি বিশ্রাম নিতে পারবেন না। গর্ভাবস্থায় বিশ্রাম খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আর ব্যায়াম করতে হবে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করেই।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="প্রচলিত-পদ্ধতিসমূহ">প্রচলিত পদ্ধতিসমূহ</h2>



<h3 class="wp-block-heading" id="আকুপাংচারের-সাহায্য-প্রসব-বেদনা">আকুপাংচারের সাহায্য প্রসব বেদনা</h3>



<p>সম্ভবত আকুপাংচার প্রসব বেদনা তরান্বিত করে, তবে এখনই নিশ্চিত ভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। আকুপাংচার হচ্ছে দেহের বিভিন্ন আকু-বিন্দুতে ইনেজকশনের সুচের চেয়েও বড় বিশেষ এক ধরনের পিন ভেদ করিয়ে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রেখে চিকিৎসা করা। শত শত বছর ধরে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মুহুর্তেই প্রসববেদনা ওঠানোর জন্য এটা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলিনা’র একটা ছোট গবেষনায় দেখা গেছে যেসব মহিলা আকুপাংচার চিকিৎসা নেন তাদের ঔষধের সাহায্য ছাড়াই প্রসব বেদনা ওঠার সম্ভাবনা বেশি। ৫৬ জন গর্ভবর্তীর মাঝে চালানো এই গবেষনায় অর্ধেককে ৩টি আকুপাংচার সেশন দেয়া হয়। বাকিদের কোন সেশন দেয়া হয়নি। আকুপাংচার নেয়া ২৮ জন গর্ভবর্তীর ৭০% স্বাভাবিকভাবে প্রসব বেদনার স্টেজে গেছেন যেখানে না নেয়া মহিলাদের মাঝে এই হার ৫০%। গবেষকদের একজন বলেন, ‌’আকুপাংচার দেয়ার ফলে সিজারিয়ান হবার হার ৫০% পর্যন্ত কমে এসেছে, তবে এখনো ততটা নিশ্চয়তাসহ বলা যাচ্ছে না। বরং এ বিষয়ে আরো গবেষণা দরকার’।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="সহবাস-কি-প্রসব-বেদনা-আনতে-পারে">সহবাস কি প্রসব বেদনা আনতে পারে? </h3>



<p>এবিষয়ে জানতে আমাদের এই <a href="/can-sex-induce-labor" target="_blank" aria-label="আর্টিকেলটি পড়ুন। (opens in a new tab)" rel="noreferrer noopener" class="rank-math-link">আর্টিকেলটি পড়ুন।</a></p>



<p>নিচে বর্ণিত পদ্ধতিগুলোতে শিশুজন্মদান বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। এর কারণ হলো, হয় এসব পদ্ধতির পক্ষে ততটা শক্ত কোন প্রমাণ নেই, অথবা এগুলোতে ঝুঁকি জড়িত। যাই হোক না কেন, এ ধরনের কোন পদ্ধতি প্রয়োগ করার আগে অবশ্যই আপনার ডাক্তার বা মিডওয়াইফের সাথে পরামর্শ করতে ভুলবেন না।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="ঝাল-খাবার">ঝাল খাবার</h3>



<p>খুব ঝাঝালো ঝাল খাবার খেয়ে প্রসব বেদনা আনা বেশ জনপ্রিয় ধারণা। তবে এটা জেনে রাখুন জরায়ু ও পাকস্থলির মাঝে সরাসরি কোন যোগসুত্র নেই। তাই এটা ভাবার কোন কারণ নেই যে কোন বিশেষ খাবার পেটে সংকোচন ( contraction) নিয়ে আসবে। হার্পার জানান এধরনের কোন ঘটনা বা প্রমান তিনি কখনো দেখেন নি।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="আনারস">আনারস</h3>



<p>প্রচলিত কথা অনুযায়ী শোনা যায়, আনারস প্রসব ত্বরান্বিত করে। এর ব্যখ্যা হিসেবে বলা হয়, আনারসের ব্রোমেলিন এনজাইমের কথা যা জরায়ুর মাংসপেশীর সংকোচন প্রসারণ বাড়িয়ে দেয়। তবে, পরীক্ষায় দেখা গেছে, আনারসের রস সরাসরি টিস্যুতে প্রয়োগ করলে তেমনটা হলেও হতে পারে,যা বাস্তবে সম্ভবপর নয়। তবে, অতিরিক্ত মাত্রায় আনারস পরিপাক প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করে দেয়, যার ফলে ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে।(সূত্রঃ whattoexpect.com)</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="বেগুন">বেগুন</h3>



<p>আটলান্টার এক রেস্টুরেন্টে বেগুনের একটা পারমিসান ডিশ বিক্রি করা হয়, প্রচলিত আছে যা খেলে দুইদিনের মধ্যে প্রাকৃতিক প্রসব শুরু হয়। তবে এর কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="খেজুর">খেজুর</h3>



<p>গর্ভাবস্থায় খেজুর খুবই উপকারী। জর্ডানের এক হাসপাতালে এক গবেষণা চালানো হয়, ৬৯জন গর্ভবতী নারীর উপর যাদের গর্ভাবস্থায় অন্য কোন জটিলতা ছিলনা। তাদেরকে ৩৬সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন ৬টি খেজুর খেতে বলা হয়। গর্ভাবস্থায় শেষের দিকে যারা প্রতিদিন ৬টি খেজুর খেয়েছেন,তাদের প্রসব দ্রুত ত্বরান্বিত হয়েছে, অন্যদের তুলনায়। যারা খেজুর খেয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে ত্বরান্বিত হয়েছে ৯৬% এবং যারা খাননি তাদের মধ্যে হার ৭৯%। </p>



<p>তবে এক্ষেত্রেও কিছু কিন্তু থেকেই যায়। প্রথমত,গবেষণাটি খুবই ছোট পরিসরে করা। দ্বিতীয়ত, খেজুরে প্রচুর ফাইবার থাকে, যা পরিপাকতন্ত্রের জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে, সেক্ষেত্রে ডায়রিয়া হতে পারে অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে যদি মায়ের আইবিএস(ইনফ্ল্যামেটরি বাওয়েল সিন্ড্রোম) থেকে থাকে, তার ফলশ্রুতিতে মা ও সন্তানের জন্যে ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়াও ডায়াবেটিক মায়েদের জন্যে এত বেশি পরিমাণে খেজুর খাওয়া কখনোই উচিৎ নয়। (সূত্রঃ evidencebasedbirth.com)</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="কলা">কলা</h3>



<p>কলা সমৃদ্ধ থাকে পটাসিয়াম দ্বারা।পটাসিয়ামের অভাবে মাংসপেশীর সংকোচন প্রসারণ দুর্বল হতে পারে। তাই, গর্ভাবস্থার শেষের দিকে কলা খাওয়ার পরামর্শ দেন অনেক বিশেষজ্ঞ।(সূত্রঃ parenting.firstcry.com)</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="ক্যাস্টর-বা-রেড়ীর-তেল">ক্যাস্টর বা রেড়ীর তেল</h3>



<p>ভেন্নার তেলের বহুল প্রচলিত নাম ক্যাস্টর অয়েল বা রেড়ীর তেল। ড. স্টেইন অনেকটা অনিচ্ছুকভাবেই এই তেলের কথা বলেন। ৩৮ সপ্তাহ পর দৈনিক খুব অল্প পরিমানে এই তেল গ্রহণ করা যেতে পারে। ‘রেড়ীর তেল সরাসরি জরায়ুতে কোন প্রভাব ফেলে না, বরং এটা অন্ত্রে উদ্দীপনা যোগায় যা জরায়ুতে প্রভাব ফেলে’। তবে এটা তখনই হয় যখন শরীর প্রসবের জন্য তৈরি হয়। </p>



<p>ড. হার্পার অবশ্য এটা কোনভাবেই সমর্থন করেন না, ‘ক্যাস্টর তেলে বরং মারাত্নক ডায়রিয়া হয় এবং এর ফলে মা’র শরীরে পানির অভাব হতে পারে। তাই আমি এর পক্ষে নেই”।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="কোহস">কোহস</h3>



<p>কোহস নামের একধরনের ঔষধি অনেকেই এসময় ব্যবহার করেন যাতে প্রসববেদনা উঠে, যেটা শরীরে ইস্ট্রোজেনের মতো কাজ করে। তবে হার্পার এর ব্যবহার নিয়ে বেশ সন্দেহবাদি, “এটা নিয়ে আসলে ততটা স্টাডি আমাদের হাতে নেই”। তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার নবজাতকের হৃদরোগের সাথে সম্পর্কিত বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেন।(সূত্রঃ parenting.firstcry.com)</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="সান্ধ্য-প্রিমরোজের-তেল">সান্ধ্য-প্রিমরোজের তেল</h3>



<p>এটা একধরনের আমেরিকান ফুল যা ঔষধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বৈজ্ঞানিক নাম Oenothera। ড. হার্পার অবশ্য এর ব্যাপারে বেশ ইতিবাচক। এই তেলে একধরনের উপাদান আছে যা শরীরে প্রোস্টাগ্লানডিনে পরিণত হয় এবং এটা গলদেশ (cervix) কে নরম করে এবং প্রসববেদনা তরান্বিত করে। তবে হার্পার জানান, এটা নিয়েও আরো স্টাডি দরকার।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="ওষুধনির্ভর-পদ্ধতি">ওষুধনির্ভর পদ্ধতি</h3>



<p>আপনার প্রসবের নির্ধারিত তারিখ যদি পার হয়ে যায় তবে আপনার ডাক্তার বা মিডওয়াইফ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে প্রসব বেদনা তরান্বিত করার পরামর্শ দিতে পারেন। অধিক-ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভবতীর ক্ষেত্রে একেবারে ৪০ সপ্তাহ বা তার আগেই ডাক্তাররা এধরনের পরামর্শ দেন। কম-ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভবতীর জন্য সর্বশেষ কাট-অফ (cut-off) সময় হলো ৪২ সপ্তাহ। এরপর ডাক্তাররা কোনভাবেই গর্ভাবস্থা চালিয়ে নেয়ার পরামর্শ দেন না। হাসপাতালে প্রোস্টাগ্লানডিন পিল দেয়া হয় কিংবা যৌনাদ্বারে প্রয়োগ করা হয়। বেশিরভাগ সময়ই এটা প্রসববেদনা আনার জন্য যথেষ্ট।</p>



<p>এতেও কাজ না হলে পিটকয়েন নামের অক্সিটোসিন হরমোন প্রয়োগ করা হয় যা জরায়ুতে সংকোচন শুরু করে। তবে পিটকয়েন বা অক্সিটোসিন এর ব্যবহারে সতর্কতা আবশ্যক বলে হার্পার জানান।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="যা-কিছু-বর্জনীয়">যা কিছু বর্জনীয়</h2>



<p>গর্ভাবস্থা যেমন সহজ করে দেখা হয়,তেমন-ই সহজ হয়।তবে প্রাকৃতিক প্রসব বেদনা আনতে গিয়ে যেন কোন বিপদ ডেকে না আনি সে বিষয়ে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রসব বেদনা ত্বরান্বিত করার পদ্ধতি সমূহ বর্জন করা দরকার হয়। সতর্কতা হতে পারে নিম্নরুপঃ</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>ব্যায়াম গর্ভাবস্থায় কিছু ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ (প্লাসেন্টা প্রেভিয়া, গর্ভাবস্থায় রক্তক্ষরণ ইত্যাদি)</li>



<li>কোন খাবারই চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত পথ্যরুপে গ্রহণ উচিত নয়।</li>



<li>পেট মালিশ করে প্রসব ত্বরান্বিত করার পদ্ধতিকে কোনভাবেই সমর্থন করা হয়না।</li>



<li>অনভিজ্ঞ দাঈ দ্বারা বার বার পিভি(বাচ্চা ও জরায়ুমুখের অবস্থান জানতে পরীক্ষা) করাও বর্জনীয় </li>
</ul>



<p>অপেক্ষার প্রহর… অবশেষে আপনার কাঙ্ক্ষিত সময় আসে, আপনি অনাগত যে সন্তানের মুখ দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন সে ভূমিষ্ঠ হয় । আপনার প্রতীক্ষার প্রহর শেষ হয়। আসলে জীবনের সবচেয়ে আনন্দের মুহুর্তের জন্য অপেক্ষা করা সত্যিই কষ্টের। তবে ভাল কিছুর জন্য অপেক্ষা বাঞ্চনীয়। আর এ জন্যই হার্পার পরামর্শ দেন অপ্রয়োজনীয় টেকনিকের পেছনে না দৌড়ে ধৈর্য্য ধরুন। আপনার শক্তি সঞ্চয় করুন। </p>



<blockquote class="wp-block-quote is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow">
<p id="অন্যভাবে-বললে-যতটা-পারুন-ঘুমিয়ে-নিন।">অন্যভাবে বললে, যতটা পারুন ঘুমিয়ে নিন।</p>
</blockquote>



<blockquote class="wp-block-quote is-style-large is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow"></blockquote>



<div class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color" style="background-color:#dddbd5; padding:25px">
<h4 class="has-very-dark-gray-color has-text-color">লেখাটি রিভিউ করেছেন –</h4>
<p><strong>ডাঃ মাশরুরা মাহজাবিন </strong><br>MBBS <br>General Practioner, Trained Mental health counselor
</p></div>



<p></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/natural-ways-to-induce-labor/">প্রসব বেদনা কি প্রাকৃতিক ভাবে শুরু করানো যায়?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
