আইশা আল হাজারঃ প্রাকৃতিক প্রসবকে সকলের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছেন যিনি

লিখেছেন Rabeya Rowshin

আমার এই পথচলা শুরুর আগে ...

মুসলিম নারীদের উত্তম প্রসব অভিজ্ঞতা অর্জনে সাহায্য করতে আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল আমার প্রথম সন্তানের জন্মেরও অনেক আগে। আমার বয়স যখন প্রায় সতের বছর তখন একজন নারীর সাথে আমার পরিচয় হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল যার চারটি সন্তান। সেই সময় এটা মনে হয়েছিল অনেএএএএক বেশি! অবশ্যই আমি তখন জানতাম না যে আমার নিজেরই একসময় আটটি (এখন পর্যন্ত) সন্তান হবে, সুবহানআল্লাহ! তার চেয়েও বেশি অজানা ছিল ভবিষ্যতে আমার ইসলাম গ্রহণ ও পৃথিবীর অর্ধেক পথ ঘুরে সৌদি আরবে আমার থিতু হওয়া। আমি যদি সেই সময় আমার নিজের গল্প পড়তাম তাহলে লেখিকা হিসাবে নিজেকে আমি কখনোই চিনতে পারতাম না!

আজকে পেছন ফিরে তাকালে, আমার মনে হয় এই চার সন্তানের মায়ের ব্যপারে যে জিনিসটা আমার মনে দাগ কেটেছিল সেটা ছিল গর্ভাবস্থা ও প্রসবকে ঘিরে উনার প্রবল অনুরাগ। এক সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতায় উনি উল্লেখ করেছিলেন যে উনার ছোট্ট মেয়েটা মিডওয়াইফ হতে চায়। আমি খুব অবাক হয়েছিলাম ভেবে যে এত ছোট একটা মেয়ে জানে মিডওয়াইফ কী জিনিস, এমন ব্যতিক্রম একটা পেশা গ্রহণ করা তো আরও পরের কথা। যখন আমি উনাকে এই নিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম উনি বলেছিলেন যে উনার বড় বাচ্চারা ছোটদের জন্ম হতে দেখেছিল যেহেতু তিনি তাদের সবাইকে একজন মিডওয়াইফের সহযোগিতায় ঘরে প্রসব করেছিলেন। তিনি আরও বলেছিলেন যে উনি ব্র্যাডলে মেথড® সন্তানপ্রসব প্রশিক্ষক হিসাবে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। উনাকে নিয়ে আমার আরেকটা উজ্জ্বল স্মৃতি হচ্ছে এক সামাজিক অনুষ্ঠানের আসর থেকে অত্যন্ত চঞ্চলভাবে উনি দ্রুত বের হয়ে গিয়েছিলেন একজন প্রসবব্যথা চলাকালীন নারীকে প্রসবে সহযোগিতা করতে, যার বাচ্চা ব্রিচ অবস্থায় ছিল।

সেই সময়, উনার এই প্রবল অনুরাগের ব্যপারে আমি তেমন কিছু বুঝতে পারিনি, ঘরে প্রসব করার আইডিয়ার ব্যপারে আমি খুব একটা আগ্রহী ছিলাম না, সবাই জানে এটা নিরাপদ না (সত্যিই কি?)। আমাদের বর্তমান বিশ্বের হাসপাতাল ও অবস্টেট্রিশিয়ান কেন্দ্রিক প্রসবের মাঝে ঘরে প্রসব করাকে অনেক প্রান্তিক কিছু মনে হয়েছিল।

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ ফেব্রুয়ারি 22, 2019