
১
তখনও জানি না আমি প্রেগন্যান্ট; সকালে ঘুম থেকে উঠার পর পা ফেলতে পারিনা এত ব্যথা পায়ে। কিছুক্ষণ ঠান্ডা পানিতে পা চুবিয়ে রাখলে স্বস্তি পাওয়া যায়। ধীরে ধীরে দিন গড়াতে লাগলে ব্যথা কমে। কিছুতেই বুঝতে পারছিলাম না কেন এমন হচ্ছে। অনলাইনে সার্চ করে দেখলাম লেগ ক্র্যাম্পস এর অনেকগুলো কারণ এর মধ্যে একটি হচ্ছে প্রেগনেন্সী । কী মনে করে একদিন সকালে হোম প্রেগনেন্সি কীট দিয়ে টেস্ট করে দেখলাম – পযিটিভ। বিশ্বাস হচ্ছিল না। কাউকে না বলে নিজেই হসপিটালে গিয়ে HCG ব্লাড টেস্ট করতে দিয়ে আসলাম। পরদিন রেযাল্ট আসল - পযিটিভ। জানালাম আমার হাসবেণ্ডকে। অনেক শুকরিয়া আদায় করলাম আল্লাহ’র দরবারে। তখনও পায়ের ব্যথা কিছুটা আছে। আম্মু-আব্বুর সাথে দেখা করতে গেলাম কিন্তু তখনও কাউকে কিছু বলিনি। আব্বু চিকিৎসক হওয়ায় আব্বুকে জানালাম। খুশীতে আব্বুর চোখে পানি – বললেন বাসায় যাওয়ার পথে একটা আলট্রাসোনোগ্রাম করে যেও। তখন রাত প্রায় ১০টা বাজে। তাও আল্লাহ’র রহমতে একজন মহিলা সোনোলজিস্ট পেয়ে গেলাম। উনি প্রেগনেন্সী কনফার্ম করলেন আর বললেন আরো দু সপ্তাহ পর আরেকটা আলট্রাসোনোগ্রাম করতে – হার্টবীট চেক করার জন্য।
