ডিলেইড কর্ড ক্ল্যাম্পিং (Delayed cord clamping)

প্রথম ছবিটা বাবুটার জন্মের কয়েক মিনিট পরেই নেওয়া হয়েছে। আর দ্বিতীয় ছবিটা প্রায় ঘণ্টাখানেক পর নেওয়া। ছবি দুইটা খেয়াল করলে দেখবেন, শুরুতে আম্বিলিক্যাল কর্ডে অনেকটা রক্ত ছিল। কিন্তু পরে দেখা যাচ্ছে কর্ডে আর রক্ত নেই! কারণ ততক্ষণে কর্ড থেকে সবটুকু রক্ত বাবুটার শরীরে চলে গেছে।

জন্মের পর সাথে সাথেই কর্ড ক্ল্যাম্পিং করে দিলে অনেকগুলা ক্ষতির মধ্যে একটা হলো বাচ্চার নিজের প্রচুর স্টেম সেল রিচ ও অক্সিজেনেটেড রক্ত (বাচ্চার শরীরের প্রায় এক/তৃতীয়াংশ রক্ত) প্লাসেন্টাতেই রয়ে যায়। অ্যান্ড অ্যাজ আ রেজাল্ট, বাচ্চা জন্মের পর প্রায় ৬ মাস পর্যন্ত রক্তস্বল্পতায় ভুগতে পারে [১]!

এছাড়া স্পেশালি ঐ বাচ্চাগুলা যাদের জন্মের পর পর শ্বাস নিতে সমস্যা হয়, তাদের জন্য তো ডিলেইড কর্ড ক্ল্যাম্পিং আরও ক্রুশিয়াল! কেননা, এই প্লাসেন্টাতে থাকা রক্তটুকু ওদের কন্টিনিউয়াস অক্সিজেন সাপ্লাই দিতে থাকবে যতক্ষণ বাচ্চাটাকে রেসাসিটেট করা হবে। এজন্য বাচ্চা স্টেবল হওয়ার আগ পর্যন্ত, প্লাসেন্টা থেকে সবটুকু রক্ত তার ছোট্ট শরীরটায় না পোঁছানো পর্যন্ত কর্ডটা ইনট্যাক্ট রাখা খুবই ইম্পর্টেন্ট!

তাই, যতটুকু সম্ভব— অপেক্ষা করুন, অপেক্ষা করুন, অপেক্ষা করুন!.

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

গুগল বা ইয়াহু বাটনে ক্লিক করে লগিন করুন। সমস্যা হলে সাপোর্টে নক করুন
সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ জুন 22, 2026