গর্ভাবস্থা এমন একটি সময় যখন মা মানসিকভাবে খুব নাজুক থাকেন। মা তখন চান মনের সদা পরিবর্তনশীল অনুভূতিগুলো নিয়ে কারো সাথে কথা বলতে। কিন্তু হয়ত অনেক সময়ই কাউকে তা বুঝিয়ে বলা হয় না বা বলা যায় না। মা হয়ত চান এমন কারো সাথে কথা বলতে যার কাছে তার ভালোলাগা, কষ্টগুলো, অনাগত সন্তানকে নিয়ে অবিরাম আশা ও ভয় দ্বিধাহীনভাবে বলা যায়। সে হয়ত শুধু শুনবেই না, অন্তরে শান্তির প্রলেপও দিবে। তাই অজান্তেই হয়ত মায়ের মন দু’আ করে ওঠে, স্রষ্টার কাছে মনের শংকাগুলো খুলে বলে, নিরাপত্তার জন্য আকুল আবেদন জানায়। কুরআনেও কী আছে এমন কোন দু’আ করার ঘটনা যেখানে দু’আপ্রার্থী দুর্বল অবস্থায় মনের আশঙ্কা স্রষ্টার কাছে খুলে বলেছিলেন? তার থেকে রহমত ও নিরাপত্তা কামনা করে শেষ পর্যন্ত অভাবনীয় উপায়ে তা পেয়েছিলেন? কেমন ছিল সেই দু’আ? আসুন গর্ভকালীন সময়ে তা জেনে নিয়ে স্রষ্টার সাথে সঠিক আদব বজায় রেখে কথোপকথন শুরু করি যার শেষে পাওয়া যাবে কবুল দু’আর স্বাদ বিইযনিল্লাহ।
পবিত্র কুরআনে সূরা মারইয়ামের শুরুতে কিছু তাৎপর্যময় আয়াত আছে। সূরা মারইয়ামকে রহমতের সূরাও বলা হয়।
আয়াত ১: কাফ্, হা, ইয়া, আঈন, সাদ্
