বিসমিল্লাহির রহমানীর রহীম
যাইনাব আমার সেকেন্ড বেবী। ওর বার্থ স্টোরি লিখতে বসে প্রথমেই মনে হচ্ছিলো সেকেন্ড প্রেগন্যান্সিতে পাওয়া আমার সব চেয়ে বড় শিক্ষাটার কথা। সেটা হলো, আল্লাহ যা ভাগ্যে রেখেছেন তাই হবে। যা আমার জন্য নির্ধারিত তাই ঘটবে। আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি। আন্তরিকভাবে ভালো কিছুর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে গেলে এর পর আমার সাথে যাই ঘটুক, তাই আমার জন্য উত্তম ছিলো, এমনটা ভেবে শান্তি পাওয়া যায়। আমার দুইটা প্রেগন্যান্সিতেই একটা স্টেইজে এসে সি-সেক হবে এমনটা মোটামুটি কনফার্ম হয়ে গিয়েছিলাম। অনেক চেষ্টা করেছিলাম নরমাল ডেলিভারীর জন্য তাই সেই মুহূর্ত গুলোতে প্রচন্ড হতাশ লাগলেও পরমুহূর্তেই এটা ভেবে শান্তি পাচ্ছিলাম, আমিতো আমার জায়গা থেকে সব টুকু দিয়েই চেষ্টা করেছি। তারপর ও আলহামদুলিল্লাহ বাংলাদেশে সি-সেক এর রেট এত বেড়ে যাবার পর ও আমার দুইটা নরমাল ডেলিভারী হয়েছিলো এবং এজন্য আমি আল্লাহ'র কাছে অনেক শুকরিয়া আদায় করি।
এবার যখন প্রেগন্যান্সি টেষ্টে পজিটিভ রেজাল্ট পেলাম তখন আমার বড় মেয়ের বয়স ১৬ মাস। ব্রেষ্টফীড করতো। ডাক্তার বলেছিলেন প্রেগন্যান্ট অবস্থায় দুধ খাওয়ানো কন্টিনিউ করলে কোন সমস্যা হবেনা। আমি তাই বড় মেয়ের ২১ মাস পর্যন্ত দুধ খাওয়ানো কন্টিনিউ করেছি। এর পর আমার মিল্ক প্রোডাকশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুধ খাওয়ানো বন্ধ করে দিতে হয়েছে।
