হামযা হওয়ার গল্প

মেডিকেলে ইন্টার্নশিপ করছিলাম যখন প্রেগন্যান্ট হলাম। দাঁড়াতে পারতাম না, বমি হত, মাথা ঘুরাতো, খেতে পারতাম না - এসব নিয়েই ২০-২১ ঘন্টার ডিউটি করে গেছি। সময়ের সাথে এসবে উন্নতি হয়নি।

সকালে ফজরে উঠে খেয়ে এরপর ডিউটি তে যাওয়া কষ্ট হয়ে যেত, উপরন্ত যাওয়ার রাস্তা ছিল চাঁদের রাস্তার মত ভাঙা, যা খেতাম বমি হয়ে যেত। তাই টিফিন বক্সে নিয়ে কাজের ফাঁকে লুকিয়ে খেয়ে নিতাম। কিন্তু এভাবে কত আর? বাসায় এসে দুপুরের ভাত বিকালে খেয়ে নাস্তার খাওয়ার খিদে থাকতো না৷ খেতে না পারার কারণে আমার ওজন বাড়েনি, বাচ্চাও হয় কম ওজনের। আলহামদুলিল্লাহ কম খেলেও পুষ্টিকর খেতাম। তাই রক্তস্বল্পতা হয়নি। আয়রন ট্যাবলেট খেয়েছিলাম শুধু ২ সপ্তাহ । অভাব ছিল ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি এর৷

রোদে নিজেকে না রাখায় ভিটামিন ডি স্বল্পতা ছিল মারাত্মক। শুরুতে দুধ খেলে বমি হত। তবে শেষে ক্যালসিয়ামের জন্য দুধ,দই, বাদাম খেতাম তাও দুই পায়ে ক্র‍্যাম্পিং এর জন্য অস্থির লাগতো। ক্রাম্পিং ক্যালশিয়ামের অভাবে হয়।

প্রথম তিন মাস দেশি মুরগির ডিম খেয়েছি কষ্ট করে জোগাড় করে, বিভিন্ন প্রকারের বাদাম খেতাম৷ ৫/৬ মাসের দিকে মিষ্টি খেতাম তার আগে টেস্ট করে নিয়েছিলাম জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস বা বাচ্চা পেটে থাকা অবস্থায় ডায়াবেটিস হল কিনা৷

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ সেপ্টেম্বর 17, 2019