১০ দিন ওভারডিউ, অতঃপর পজেটিভ বার্থ স্টোরি

প্রেগন্যান্সির শুরু থেকেই সব মায়ের অপেক্ষা থাকে কখন বাবুকে কোলে নেবেন। সেটার জন্য চলে সব আয়োজন। তবে লেবারের জন্যও প্রস্তুস্তি নেয়া দরকার। একটি লেখায় পড়েছিলাম লেবার কিছুটা ম্যারাথনের মত, এর জন্য দীর্ঘ প্রস্তুতি প্রয়োজন হয়। সঠিক জ্ঞান থাকলে আর প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিলে লেবারের আর ডেলিভারির পুরো প্রসেসটাই একজন মায়ের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতিগুলোর একটা হতে পারে।

নর্মাল ডেলিভারি  কিংবা সি-সেকশান যেভাবেই বাবু আসুক না কেন, ডেলিভারির আগে মা যদি প্রসব প্রক্রিয়া সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন তাহলে যেমন অপ্রয়োজনীয় সি সেকশান এড়ানো যায়, তেমনি কখন সি সেকশান একান্তই প্রয়োজন তা কিছুটা হলেও বুঝতে পারেন। প্রেগন্যান্সির পুরো সময়ে আমি খুব আগ্রহ নিয়ে লেবার, ডেলিভারী, পোস্ট-পার্টাম সম্পর্কে পড়াশোনা করেছিলাম আর নিজের ক্ষেত্রে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছিলাম।

নর্মাল ডেলিভারীর জন্য এমন ডাক্তার খুজে নেয়া উচিত যিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন, কেননা যদি ডাক্তার- নার্সের টিম সহযোগীতা না করেন তাহলে একজন মায়ের জন্য লেবারের সময়টা খুব কঠিন হয়ে যায়। যেহেতু লেবার অনেক ক্ষেত্রেই দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার।

দুঃখজনকভাবে আমি যার কাছে ডেলিভারি করতে চাচ্ছিলাম উনি ডেটের কিছুদিন আগে দেশের বাইরে গেলেন। আমাকে অন্য একজন ডাক্তারের কাছে রেফার করে গেলেন।

আমার ডিউ ডেট পার হয়ে যাওয়ায় অনেকেই ভয় দেখাতে লাগলেন যেন দেরি না করি, হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যাই। কিন্তু শরীর আর বাবু প্রস্তুত না হলে লেবার পেইন আসতে দেরি হতেই পারে- এই চিন্তা করে আরও অপেক্ষা করতে চাচ্ছিলাম।

 ডাক্তারের সাথে আলোচনা করলাম, উনি বললেন ১ সপ্তাহ অপেক্ষা করবেন*।  সেই সময়ের আল্ট্রাসাউন্ডে দেখা গেল বাবুর গলায় কর্ড পেচানো, এক্ষেত্রে এমনিওটিক ফ্লুইড কমে গেলে সমস্যা হতে পারে। তাই আমি আরও বেশি বেশি তরল খেতে থাকলাম, খেয়াল রাখছিলাম কোনো ফ্লুইড লিক হয় কিনা। বেশি বেশি ব্যায়াম, হাটাহাটি আর সিড়ি দিয়ে ওঠানামা করতে থাকলাম। নেট ঘেটে ন্যাচারালি লেবার ইন্ডিউস করার যত টেকনিক পেলাম মোটামুটি সবই ট্রাই করতে থাকলাম। 

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ এপ্রিল 20, 2020