গর্ভাবস্থায় বাচ্চা কোলে নেয়া কতটুকু নিরাপদ?

যে কোন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের জন্যে গর্ভকালীন সময়টা বেশ জটিল। গর্ভবতী অবস্থায় একজন মা’কে বিভিন্ন ধরনের অস্বস্তিকর অবস্থা, হতাশা, শারীরিক ব্যথা-বেদনা, মানসিক জটিলতার ইত্যাদি সম্মুখীন হতে হয় । এই কষ্টকর অবস্থা আরো বেড়ে যায় যদি ইতোমধ্যেই আরেকটি ছোট বাচ্চা থেকে থাকে । সেই বাচ্চার বয়স যদি দুই থেকে চার বছরের মাঝে হয় তবে অবশ্যই বাচ্চাটিকে কোলে নেয়ার দরকার হয়। কিন্তু গর্ভাবস্থায় একজন মায়ের বাচ্চা কোলেে নেয়া কি ঠিক? এতে কী কোন ঝুঁকি আছে? আসুন বিস্তারিত জানা যাক।

দুই থেকে চার বছর বয়সে বাচ্চারা মায়ের কোলে উঠতে অভ্যস্ত থাকে। এ সময় মা যদি গর্ভবতী হন, তবে কোলে নেয়ার সময় তার বাচ্চার ওজন বিবেচনা করতে হবে। একইসাথে দেখতে হবে গর্ভাবস্থা কোন সময় পার করছে। সাধারণত তৃতীয় ট্রাইমেস্টারে বাচ্চাকে কোলে না নিলে ভালো হয়। কেননা সে সময় গর্ভবতী মায়ের ওজন এবং গর্ভস্থ সন্তানের ওজন বৃদ্ধি পেতে থাকে । তাই এই সময়টাতে বাচ্চা কোলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ সর্তকতা অবলম্বন করা উচিত । 

প্রথম তিন মাসে বাচ্চাকে মোটামুটি কোলে নেওয়া যায় । দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টার থেকেই কোলে নেওয়ার সময় বাচ্চার ওজন বিবেচনা করতে হবে। পাশ্চাত্যের মানদন্ডে বাচ্চার ওজন যদি ১৩ কেজি বা তার বেশি হয়, তবে বাচ্চাকে কোলে না নিতে বলা হয়। বাংলাদেশের মা’দের শারিরীক সক্ষমতা বিবেচনায় সর্বোচ্চ ১০ কেজির বাচ্চাকে কোলে নেয়া নিরাপদ বলা যায়।

সাধারনত ডাক্তাররা গর্ভবতী মাকে শারীরিক পরিশ্রমের ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে বলেন। নতুবা মা ও অনাগত সন্তানের ক্ষেত্রে বেশ কিছু ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

গুগল বা ইয়াহু বাটনে ক্লিক করে লগিন করুন। সমস্যা হলে সাপোর্টে নক করুন
সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ জুন 20, 2020