প্রাকৃতিক ভাবে একজন মা অনেক ক্ষমতাশীল। মা যদি মাতৃত্ব কে উপভোগ করতে পারেন তাহলে সব কিছুই প্লাস পয়েন্ট মনে হবে। শিশুকে কোলে নেয়া, শিশুর কান্নার সাথে সাথেই মৌখিক সহায়তা, পারলে শারীরিক সহায়তা দেয়া, শিশুকে বার বার দুধ খাওয়ানো, শিশুর সাথে একই বিছানায় ঘুমানো, শিশুর ন্যাপি পরিবর্তন করা, পারলে পরিস্কার করা (elimination communication confidence) …. এরকম সবকিছুই এটাচমেন্ট প্যারেন্টিং এর মধ্যে পড়ে, যার মাধ্যমে আপনি শিশুর মধ্যে নিরাপত্তা, ভালোবাসার বীজ বুনে দিতে পারেন ।
এর মধ্যে সবচেয়ে বড়ো নিয়ামত হল দুধ পান করানো। মা যখন শিশুকে দুধ পান করান তখন উভয়ই উপকৃত হন। বুকের দুধ নিরাপদ, পুষ্টিকর, ঝামেলাহীন - এটা আমরা সবাই জানি। একই সাথে বুকের দুধ মা ও শিশুর মধ্যে নিবিড় বন্ধন তৈরি করে, কেননা শিশুকে যখন মা তার বাহুডোরে আবদ্ধ করে দুধ পান করান তখন একদিকে শিশুর ব্রেইন যেমন উষ্ণ আলিঙ্গনের প্রভাবে অক্সিটোসিন নি:সরণ করে তেমনি শিশুর দুধ চোষার কারনে মায়ের পিটুইটারি গ্ল্যান্ড অক্সিটোসিন উৎপন্ন করে যা আবার ব্রেস্ট টিস্যু কে ট্রিগার করে ও দুধ উত্পাদন করে ।
এভাবে চক্রাকারে এভাবে দুধ নিঃসরন হয়।
অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে এই রিফ্লেক্স শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনে অথবা শিশুকে দেখলেও হতে পারে, সুবহানাল্লাহ ! শিশু দুধ চোষা শুরু করার সময় একটি বিচিত্র অনুভূতি হয় (drought), যাতে মায়েরা বুঝতে পারেন দুধ নেমে আসছে।
