রবের পক্ষ থেকে সন্তান নামক নিয়ামত লাভের গল্প

সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়েছি। ঠিক তখনই বিয়ের পিড়িতে বসলাম। জানতাম না সংসার কিভাবে করে। গায়ে হাওয়া বাতাস লাগিয়ে চলা উড়নচণ্ডী জীবন যাকে বলে।

হাজব্যান্ডও তখন সদ্য চাকরিতে যোগ দিয়েছে। মধ্যবিত্ত পরিবারের বড় ছেলে। তাই দায়িত্ব আর পরিবারের প্রত্যাশার চাপ যেন একসাথে এসে পড়ল। নতুন শহরে নিজেদের গুছিয়ে নেয়া, সাথে অর্থনৈতিক টানাপোড়েন—সব মিলিয়ে একটি কঠিন সময়। ঠিক এরকম পরিস্থিতিতে বাচ্চা নেয়ার মতো আগ্রহ দুজনার কারোরই ছিল না।

দেখতে দেখতে বিয়ের তিন বছর কেটে গেল। বাচ্চা নেয়ার মনোভাবটা তখনও তৈরি হয়নি। সত্যি বলতে বাচ্চা নিয়ে কোন আবেগ অনুভূতিও ছিল না।
ঠিক সেই সময় কিছু মেয়েলি সমস্যা নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাই। ডাক্তার সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে বলল আপনার যে ধরনের সমস্যা তাতে কনসিভ করা কঠিন হতে পারে।

যেই আমার বাচ্চা নিয়ে কোন আবেগ অনুভূতিই ছিল না সেই আমার একটা বাচ্চার জন্য ভেতরটা কেমন উলট পালট হয়ে গেল।
অচেনা এক ছোট্ট প্রাণকে জীবনে পাওয়ার জন্য বুকের ভেতর উথাল পাথাল ঢেউ। হাজব্যান্ড অনেক করে বুঝাল। এই দুনিয়ায় সবার বাচ্চা থাকে না। তাদের জীবন কি চলছে না?আমাদেরও সেভাবেই চলবে।

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

গুগল বা ইয়াহু বাটনে ক্লিক করে লগিন করুন। সমস্যা হলে সাপোর্টে নক করুন
সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ নভেম্বর 10, 2024