শিশুর সাথে বন্ধনের আদ্যোপান্ত

একটা কচ্ছপের বাচ্চার কথা ভাবুন, যেটা মাত্র জন্ম নিল। ডিম থেকে বের হবার কিছু পরেই সে সমুদ্রের দিকে যাত্রা শুরু করে। অথবা একটা জিরাফের বাচ্চার কথা, যেটা জন্মানোর কয়েক ঘন্টার মাঝে হাটাহাটি শুরু করে।

কিন্তু মানুষের বাচ্চা যেন পুরো অন্য এক গল্প। সে জন্মের ২ মাস পর্যন্ত নিজের মাথাটাও তুলতে পারে না। ৪ মাস আগে সে গড়াগড়ি দিতে শিখে না, এবং বসতে শিখতে তার ৬ মাস লেগে যায়। সে দাড়ানো শিখে ৯ মাস বয়সে আর হাটতে শিখে মোটামুটি ১বছর বয়সে। আপনি হয়তো খুশি হয়ে ভাবতে পারেন, যাক তাও ১ বছরে সে স্বনির্ভর হতে শিখলো!  কিন্তু মোটেই তা না! বরং সাধারণ আত্মরক্ষা বা নিজের হাতে খাওয়ার মতো অতি সাধারণ কৌশল রপ্ত করতে তার আরো কয়েক বছর লেগে যায় এবং আশেপাশের দুনিয়ায় স্বনির্ভর হয়ে চলতে ফিরতে তার গড়পড়তা এক দশক লেগে যায়। 

তো মানব সন্তানের এই পরনির্ভরতার মহাকাব্য কেন লিখছি আমরা? কারণ আমরা দেখতে চাই যেই মানব শিশু এতটা নির্ভর করে বাবা-মা বা তার আশেপাশের মানুষের উপর, তার সাথে জন্মের পর একটা কার্যকর বন্ধন কেন গড়ে তোলা জরুরী বা কিভাবে সেই বন্ধন গড়ে তোলা যাবে এবং এর মাধ্যমে একটা স্বাভাবিক মানব শিশু কিভাবে গড়ে তোলা যাবে।

বিষয়সূচী
১. শিশুর সাথে বন্ধন কী?
২. কেন এই বন্ধন জরুরী?
৩. কীভাবে বন্ধন তৈরি করা যাবে?
৪. শিশু কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়?
৫. শিশুর সাথে বাবার বন্ধন
৬. বন্ধন তৈরিতে সমস্যা হচ্ছে কি?
৭. তথ্যসূত্র

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

গুগল বা ইয়াহু বাটনে ক্লিক করে লগিন করুন। সমস্যা হলে সাপোর্টে নক করুন
সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ মে 21, 2025