ব্রেস্ট পাম্পের সাহায্যে কিভাবে বুকের দুধ সংরক্ষণ করতে হয়?

মায়ের দুধ বাচ্চাদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খাবার। সাধারণত গর্ভধারণের শেষ দিকে বা সন্তান ভুমিষ্ট হবার পর মায়ের বুকে দুধ আসে। একটি বাচ্চা জন্মের পর থেকে ছয় মাস পর্যন্ত মায়ের দুধের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল থাকে। ছয় মাস পর থেকে বুকের দুধের পাশাপাশি তাদের অন্যান্য খাবার দেয়া শুরু হয়। বাচ্চাদের দু’বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াতে হয়।

কর্মজীবী মায়েরা যখন মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে কর্মস্থলে যোগ দেন, তখন তাদের প্রধান আশঙ্কার বিষয় বাচ্চার খাবার। কর্মস্থলে থাকার কারণে বাচ্চা দীর্ঘ সময় ধরে মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয়। আবার অনেক মায়েরা বুকে দুধ থাকা সত্ত্বেও ফ্ল্যাট নিপলের কারনে বাচ্চাকে দুধ খাওয়াতে পারেন না। ফলে তারা বাধ্য হয়ে বাচ্চাকে ফর্মুলা বা কৌটার দুধ দিয়ে থাকেন। কিন্তু এসব বিকল্প খাবার কখনই বুকের দুধের সমকক্ষ হতে পারে না। অনেক ক্ষেত্রে বুকের দুধ ছাড়া অন্য দুধ দিলে বাচ্চাদের পেটে গ্যাস, বদহজম, ঘনঘন পায়খানা, পেট ব্যাথাসহ নানা অসুবিধা দেখা দেয়। কর্মজীবী মা হিসেবে আপনি যদি অনাকাঙ্খিত এসব সমস্যা থেকে বাচ্চাকে দূরে রাখতে চান, তাহলে আপনার জন্য ভাল উপায় হলো বুকের দুধ হাত দিয়ে বা ব্রেস্ট পাম্প দিয়ে বের করে বাচ্চার জন্য রেখে যাওয়া।

ব্রেস্ট পাম্প মূলত একটা ছোট/মাঝারি আকারের যন্ত্র (ম্যানুয়াল বা ইলেক্ট্রিক) যার সাহায্যে হাতের ব্যবহার ছাড়াই মায়ের বুকের দুধ বের করে ফ্রিজে রেখে সংরক্ষণ করা যায়। ব্রেস্ট পাম্প ছাড়াও বুকের দুধ হাত দিয়ে চেপে বের করে রাখা যায়, যা পরে বাচ্চা খেতে পারে। এতে বাচ্চা দীর্ঘসময় মায়ের দুধ থেকে বঞ্চিত হয় না।

ব্রেস্ট পাম্প ব্যবহারের সঠিক নিয়ম না জানার কারণে অনেকের কাছে বিষয়টা অসুবিধাজনক মনে হয়। আবার অনেকে মনে করে বুকে পর্যাপ্ত দুধ নেই তাই পাম্প করলে দুধ আসে না। কেউ কেউ ভাবেন, এভাবে দুধ বের করতে গেলে স্তন ব্যথা হয়ে যায়। আসলে সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম অনুসরণ করলেই খুব সহজেই ব্রেস্ট পাম্প করে বুকের দুধ সংরক্ষণ করা যায়।

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

গুগল বা ইয়াহু বাটনে ক্লিক করে লগিন করুন। সমস্যা হলে সাপোর্টে নক করুন
সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ মে 8, 2026