প্রেগনেন্সিতে আলট্রাসনোগ্রাফী সম্পর্কে বিস্তারিত

একজন নারীর জরায়ুতে দুটি শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নিষেকে তৈরি হয় একটি ভ্রূণ, খুব ধীরে ধীরে সেই ভ্রূণ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় নয় মাস সময়ে পরিপূর্ণ হয়ে প্রসবের জন্য উপযোগী হয়। এই সময়ে প্রতিটি ধাপে ভ্রূণের বৃদ্ধি, গঠন ও গর্ভের অন্যান্য সবকিছু ঠিক আছে কিনা জানাটা খুবই জরুরী। কোন জটিলতা থাকলে আগেই ব্যাবস্থা নেয়া যায় যেটি মা ও শিশুর জীবন রক্ষাকারী ভূমিকা পালন করে।

গর্ভকালে যেসব মেডিক্যাল চেকআপ করা হয় একজন মাকে, তার মাঝে অন্যতম হচ্ছে আলট্রা সনোগ্রাম( Ultra Sonogram)  যার মাধ্যমে মায়ের গর্ভের ভ্রূণের সঠিক বৃদ্ধি ও অবস্থান সম্পর্কে জানা যায়। একটি গর্ভকালে বেশ কয়েকবার আলট্রাসনোগ্রাম করতে হয়। কিন্তু অনেকের মাঝেই আল্ট্রাসনোগ্রাম নিয়ে ভুল ধারণা রয়েছে। আজকের আর্টিকেলে গর্ভবতীর করণীয় আল্ট্র সনোগ্রাম নিয়ে বিস্তারিত থাকছে।

আল্ট্রাসনোগ্রাম টেস্ট বা স্ক্যান হচ্ছে একটি ছবি দেখার পরীক্ষা। আমাদের শ্রবণ ক্ষমতার বাইরের বিশেষ এক ধরনের শব্দ তরঙ্গের মাধ্যমে শরীরের ভেতরের ছবি দেখার মাধ্যমে এই পরীক্ষা করা হয়।

এক্ষেত্রে “প্রোব” নামের ছোট ও ভোঁতা একটি যন্ত্র শরীরের নির্দিষ্ট স্থানে স্পর্শ করা হয় ও সেখান থেকে তরঙ্গ গিয়ে কম্পিউটারে ছবি ভেসে উঠে ও সেই ছবিটি আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট হিসেবে প্রিন্ট করা হয়। সেই রিপোর্টেই দরকারি তথ্য সাজানো থাকে।

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

গুগল বা ইয়াহু বাটনে ক্লিক করে লগিন করুন। সমস্যা হলে সাপোর্টে নক করুন
সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ জানুয়ারি 19, 2025