গর্ভধারণের জন্য যা জানা ও মানা প্রয়োজন

গর্ভধারণ খুব স্বাভাবিক প্রাকৃতিক ঘটনা। গর্ভধারনের পরিকল্পনার পর অনেক দম্পতি থমকে দাঁড়ান কনসেপশনের জন্য কিভাবে, কী করা উচিত। যারা কন্সিভ করতে চাইছেন, তাদের কিছু বিষয় জানা থাকা দরকার। এটা নিয়ে আমাদের আজকের মাতৃত্বের আয়োজন। 

প্রাকৃতিক গর্ভধারণ তখনই হয় যখন ইন্টারকোর্স বা শারীরিক মিলনের সময় ইজ্যাকুলেশন বা বীর্য স্খলনের মাধ্যমে শুক্রাণু ভ্যাজাইনাতে (যোনীপথে) প্রবেশ করে এবং ফেলোপিয়ন টিউবে যেয়ে ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে, যা পরবর্তিতে জরায়ুতে প্রতিস্থাপিত হয়ে গর্ভধারন সম্পন্ন হয়। 

এই কনসেপশন নির্ভর করে ওভ্যুলেশনের উপর। মাসের নির্দিষ্ট সময়ে ডিম্বাণু যখন বের হয়ে আসে, তখন কার্যকর শুক্রাণুর পক্ষেই সম্ভব একে নিষিক্ত করা। 

প্রাকৃতিক গর্ভধারন এক এক দম্পতির জন্য এক এক সময় হতে পারে। কেউ বিয়ের প্রথম ইন্টারকোর্সেই গর্ভধারন করতে পারেন, কারো আবার সময় লাগতে পারে। যেহেতু ওভুলেশন পিরিয়ডের (মাসিক) সাথে সম্পর্কিত এবং বছরে মেয়েদের পিরিয়ড হয় সীমিত, অনেকের সময় লাগে। অনেক ক্ষেত্রে শুক্রাণু দূর্বল হতে পারে, যা প্রাকৃতিক গর্ভধারণে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তবে যেকোনো ফার্টিলিটি ট্রিটমেন্ট শুরু করার আগে অন্তত ৬ মাস প্রাকৃতিক উপায়ে চেষ্টা করা উচিত।   

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

গুগল বা ইয়াহু বাটনে ক্লিক করে লগিন করুন। সমস্যা হলে সাপোর্টে নক করুন
সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ জুলাই 9, 2025