টিনএজ মেয়েদের সঠিক পুষ্টিঃ ৭টি বিষয় যা মায়েদের জানা জরুরি
বলুন তো সত্যি করে, 'টিনএজার' শব্দটি শুনলেই আপনার মনে কী ভেসে উঠে? সদা হাস্যোজ্জ্বল কিশোর-কিশোরী নাকি একদল বিদ্রোহী স্বল্পবয়সী মুখ? পরেরটা হওয়ারই সম্ভাবনা কিন্তু বেশি!
সত্যিই, এই বয়সটা ভীষণ ধানাই পানাই এর বয়স! এটা করবো, সেটা করবো না, ভাল্লাগেনা, তুমি কিছু বুঝ না- এগুলো কমন ডায়ালগের ভীড়ে প্রতিদিন তিনবেলা শোনা আরেকটি হল- খেতে ইচ্ছা করছে না! বড়দের সাথে বোঝাপড়া না হওয়ার বিষয়টা শুধু যে মনস্তাত্বিক তা না, কিছুটা হরমোন আর কিছুটা পরিবেশও এর জন্য দায়ী। হঠাৎ বদলে যাওয়া শরীরটার সাথে অনেকে সহজে খাপ খাইয়ে নিতে পারেনা, আবার অনেকে পারে না নতুন মানসিকতার বন্ধুদের সাথে তাল মেলাতে।
সব মিলিয়ে ভীষণ মানসিক অস্থিরতার প্রভাব গিয়ে পড়ে পরিবারে, খাওয়ার টেবিলে। মা বাবাকে এ সময়ে বুঝতে হবে, তার যেমন একান্ত সময় প্রয়োজন, তেমনি একটু বাড়তি সঙ্গ প্রয়োজন। আরো একটা জিনিস যেটা খুব প্রয়োজন তা হলো- সঠিক পুষ্টি। নাহলে বাড়ন্ত শরীরটায় থেকে যাবে ঘাটতি, থেকে যাবে অসুস্থ একটি প্রজন্মের আশঙ্কা!
যদিও স্কুলের পাঠ্যবইতে এরকম পুষ্টি সংক্রান্ত বিদ্যা অনেক আছে, কিন্তু সেগুলো নিয়ে ছটফটে এই মানুষগুলোর মাথা ঘামাতে বয়েই গেছে! তাই সচেতন হতে হবে অভিভাবকদেরই, বিশেষ করে মাকে। একজন মা, যিনি বাজারের লিস্ট করা থেকে শুরু করে টেবিলে খাবার পরিবেশন করা পর্যন্ত পরিচালনা করেন, তার জন্য সন্তানের সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করা সবচেয়ে সহজ। এর জন্য লাগবে সঠিক জ্ঞান। এরপর থেকে সন্তানের পাতে খাবার তুলে দেয়ার আগে কী কী বিষয় মাথায় রাখবেন একটু দেখে নিন-
