প্যারেন্টিং ও পরিবর্তন - কেমন হতে পারে বাবা মা'র ভূমিকা?

পরিবর্তন আমরা পছন্দ করি না। আমরা পরিবর্তনকে সন্দেহের চোখে দেখি। পরিবর্তন সব সময়ই খারাপ না। পরিবর্তনের প্রতি রিজিডিটি না দেখিয়ে আদৌ সে পরিবর্তনের দরকার আছে কিনা সেটা নিয়ে আলাপ আলোচনা করে তারপর সিদ্ধান্ত নিলে ভালো হয়। পরিবর্তনের ডাক দিয়েছে অতএব সে খারাপ - এটা ভয়ের চিহ্ন। কয়েকটা উদাহরণ দেই -

১। প্যারেন্টিং এর ধরণ বাচ্চার বৃদ্ধির সাথে সাথে বদলানোর কথা। কারণ বাচ্চা বয়সের সাথে সাথে বিভিন্ন ব্যাপারে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠে। সে অংশটা তে স্বাবলম্বী হওয়ার পরেও বাবা ও মা যদি সেটা নিয়ে প্যারেন্টিং করার চেষ্টা করে তখন বাচ্চার আঁতে ঘা লাগে। সে তখন রেজিস্ট করে। রেজিস্ট করাতে যদি তাকে উপর্যোপরি শাসন করে থামিয়ে দেয়া হয় তখন তাকে দুইটার একটা বেছে নিতে হয়, স্বাবলম্বী হওয়ার ইচ্ছা অথবা বাবা মা কে খুশি করার ইচ্ছা।

বয়সের সাথে প্যারেন্টিং এর রোল বদলাতে আগ্রহী না হলে বাচ্চার বিকাশ টা কেমন হবে?

- নিজের খাওয়ার প্রয়োজন অনুযায়ী না খেয়ে বাইরের জোরাজুরি তে খাবে, এক সময় খাবার ও স্বাস্থ্যের মধ্যে যোগাযোগ কী সেটার ব্যাপারেও উদাসীন হয়ে যাবে, শেষ পর্যন্ত খাবার যে পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের জন্যই খাওয়া সেটা ভুলে যাবে এবং আল্টিমেটলি স্বাস্থ্যের দিকে মনোযোগ হারিয়ে ফেলবে। বাচ্চা নিজের প্রয়োজন বুঝে খাবার ডিমান্ড করতে পারার কথা দুই বছরের মধ্যেই, সময় টা নিশ্চিত না থাকলে ডাক্তারের থেকে শুনে নিলে ভালো।

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ আগস্ট 8, 2017