বছর ঘুরে আবার এসেছে পবিত্র রামাদান মাস। এ মাসে রোজা (আরবি- সিয়াম, ইংরেজি- Fasting) পালন করা হল ইসলাম ধর্মের একটি ফরজ বিধান, তা আমরা সবাই জানি। শুধু মুসলিমরাই না, পৃথিবীর প্রায় সব ধর্মে, সব সভ্যতায়ই এর প্রচলন আছে।
ধর্মীয় কারণ ছাড়াও কিন্তু মানুষ ফাস্টিং করেছে যুগ যুগ ধরে। যেমন, প্রাচীন গ্রীস, মিশর, ভারত, চীন সহ বিভিন্ন দেশে 'না খেয়ে থাকা' বা ফাস্টিং কে একটি চিকিৎসার উপায় হিসেবে ধরা হতো। এক গ্রীক দার্শনিক এর মতে, 'অসুখ হলে খাওয়া মানে, অসুখ কেই খাওয়ানো।'
এ তো গেল প্রাচীন কালের কথা। বর্তমান কালেও এই ফাস্টিং নিয়ে বিজ্ঞান মহলে আলোড়ন দেখে গিয়েছে। আপনারা অনেকেই হয়তো ওজন কমানোর একটি পন্থা হিসেবে ফাস্টিং এর কথা শুনে থাকবেন, যাকে বর্তমানে পশ্চিমারা 'ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং' নাম দিয়েছে। এই ফাস্টিং নিয়ে এখন গবেষণা হচ্ছে প্রচুর, আর ফলাফলও আসছে বিস্ময়জনক! এটি একাধারে হার্ট, ব্রেইন, কিডনি সহ গোটা শরীরের জন্য উপকারী।
এখন হয়তো আপনি প্রশ্ন করতে পারেন, এই ফাস্টিং এর কি আসলেই এত উপকারিতা আছে? উত্তর হল- আছে তো বটেই, একে প্রায় সর্বরোগের ওষুধ বলা যায়। আপনি যদি একটু ইন্টারনেট এ নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করেন, তাহলেই বুঝতে পারবেন। বর্তমানে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি ডায়াবেটিস, হার্টের অসুখ, ক্যানসার ইত্যাদির মত বড় বড় রোগের চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
