<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>প্রসবকালীন - Matritto</title>
	<atom:link href="https://matritto.com/category/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%a8/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://matritto.com</link>
	<description>গর্ভধারণ, সন্তান পালন ও মাতৃত্ব নিয়ে জানুন বাংলাভাষায়</description>
	<lastBuildDate>Sun, 16 Nov 2025 06:10:26 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://matritto.com/wp-content/uploads/2017/02/cropped-favicon-1-1-1-32x32.png</url>
	<title>প্রসবকালীন - Matritto</title>
	<link>https://matritto.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>পুশিং পজিশন নিয়ে কথা যে তথ্য সব প্রসুতি মায়ের জানা থাকা দরকার</title>
		<link>https://matritto.com/pushing-position-tips-by-nabia-sultana/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[অনলাইন সম্পাদক]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 29 Jan 2024 15:04:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[পুশিং টিপস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=7134</guid>

					<description><![CDATA[<p>এই ভিডিওতে মাতৃত্বের চাইল্ড বার্থ এডুকেটর এবং দৌলা কাজী নাবিয়া সুলতানা কথা বলেছেন পুশিং পজিশন নিয়ে, এবং একটি সহজ স্টেপ শেয়ার করেছেন যাতে মায়েদের লেবার সহজ হয়।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/pushing-position-tips-by-nabia-sultana/">পুশিং পজিশন নিয়ে কথা যে তথ্য সব প্রসুতি মায়ের জানা থাকা দরকার</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>স্বাভাবিক এবং প্রাকৃতিক প্রসবের জন্য একজন প্রসূতি মা কোন ভঙ্গিতে বা পজিশনে থেকে সন্তান প্রসবের চেষ্টা করছেন সেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পজিশনে থেকে প্রসবের চেষ্টা করা যেমন প্রসবকে সহজ করতে পারে, তেমনি অপ্রাকৃতিক পজিশন একজন মায়ের জন্য পুরো লেবার এক্সপেরিয়েন্সকে কষ্টদায়ক করে ফেলতে পারে। </p>



<p>গর্ভাবস্থায় প্রিনেটাল জ্ঞান অর্জনের একটা অন্যতম অংশ হলো লেবার পজিশন সম্পর্কে জানা।</p>



<p>এই ভিডিওতে মাতৃত্বের চাইল্ড বার্থ এডুকেটর এবং দৌলা কাজী নাবিয়া সুলতানা কথা বলেছেন পুশিং পজিশন নিয়ে, এবং একটি সহজ স্টেপ শেয়ার করেছেন যাতে মায়েদের লেবার সহজ হয়। ভিডিওটি দেখুন এবং আপনার প্রিয় মানুষের সাথে শেয়ার করুন</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-rich wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
https://youtube.com/watch?v=96ALhNYLdO0%3Fsi%3D-cg1oat2b_I_Sigg
</div></figure>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/pushing-position-tips-by-nabia-sultana/">পুশিং পজিশন নিয়ে কথা যে তথ্য সব প্রসুতি মায়ের জানা থাকা দরকার</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নরমাল ডেলিভারিতে লেবারের প্রয়োজনীয়তা</title>
		<link>https://matritto.com/labor-in-normal-delivery/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[ইশরাত আফরিদা]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 11 Apr 2023 18:06:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[Labor]]></category>
		<category><![CDATA[প্রসববেদনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=6175</guid>

					<description><![CDATA[<p>নরমাল ডেলিভারিতে লেবার বা প্রসব বেদনা কেন জরুরী, এর বিকল্প কী আছে, লেবারের ধাপ ও প্রাকৃতিক প্রসবের সুবিধা নিয়ে এই লেখা।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/labor-in-normal-delivery/">নরমাল ডেলিভারিতে লেবারের প্রয়োজনীয়তা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>লেবারের কথা শুনলে হয়তোবা আমাদের ভাবনায় প্রথমে একজন মায়ের প্রচন্ড শারীরিক কষ্টের চিত্রটা ভেসে ওঠে। যদিওবা বলাই বাহুল্য, প্রেগন্যান্সিতে লেবার শুধু শারীরিক নয় বরং শারীরিক, মানসিক, মনস্তাত্ত্বিক এবং আবেগীয় অনুভূতির সমন্বিত শক্তি৷ সৃষ্টিকর্তা নারীর শরীরকে সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য জরায়ু, বার্থ ক্যানেল, হরমোন, প্রয়োজনীয় পেশী ইত্যাদি সব দিয়ে রেখেছেন। নারীর মননকে তার জন্য প্রস্তুত করেই পাঠিয়েছেন৷</p>



<p>সাধারণভাবে বললে, জরায়ুর ক্রমাগত সংকোচনের ফলে সৃষ্ট শক্তি প্রাকৃতিকভাবে মানব শিশুকে মায়ের পেট থেকে বের করে আনে। এটাই লেবার। অর্থাৎ, প্রাকৃতিকভাবে ( কোনো মেডিকেশন এবং সি সেকশন ছাড়া) সন্তানের ভূমিষ্ঠ হওয়ার জন্য লেবার প্রয়োজন।</p>



<div class="wp-block-rank-math-toc-block pl-10 pt-5 has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#f8f8f8"><h2>বিষয়সূচী</h2><nav><ul><li class=""><a href="#লেবার-কী">লেবার কী?</a></li><li class=""><a href="#লেবারের-ধাপসমূহ">লেবারের ধাপসমূহ</a></li><li class=""><a href="#প্রাকৃতিক-প্রসবের-সুবিধাগুলো">প্রাকৃতিক প্রসবের সুবিধাগুলো</a></li><li class=""><a href="#লেবারের-বিকল্প-কী">লেবারের বিকল্প কী?</a><ul><li class=""><a href="#এপিডুরাল">এপিডুরাল</a></li><li class=""><a href="#সিজারিয়ান-সেকশন">সিজারিয়ান সেকশন</a></li></ul></li><li class=""><a href="#তথ্যসূত্র">তথ্যসূত্র</a></li></ul></nav></div>



<p>লেবারের প্রয়োজনীয়তা বা তাৎপর্য বুঝতে হলে প্রথমে আমাদের লেবার নিয়ে কিছু কথা জানা দরকার।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="লেবার-কী">লেবার কী?</h2>



<p>লেবার শুরু হয় জরায়ুর পেশীর সংকোচন দিয়ে এবং শেষ হয় প্রাকৃতিকভাবে শিশুর ডেলিভারির পর প্ল্যাসেন্টার ডেলিভারির মাধ্যমে। সাধারণত যখন সন্তান ফুল টার্ম (৩৭-৪২ সপ্তাহ) তখন লেবার শুরু হয়৷ সাধারণভাবে, মিউকাস প্লাগ বের হওয়ার মাধ্যমে বা অনেকের ক্ষেত্রে তৃতীয় ট্রাইমেস্টারে এমনিয়োটিক স্যাক র‍্যাপচার হওয়ার (পানি ভাঙা) পর জরায়ুর আসল সংকোচন বা ট্রু লেবার শুরু হয়৷ তবে অনেক সময় লেবারের পুশিং স্টেইজেও এই পানি ভাঙ্গতে পারে। এরপর ক্রমাগত সংকোচন শুরু হয় যা সাধারণত ১২-২৪ ঘন্টা স্থায়ী হয়। তবে এই সময়টা এর একটু কম বেশি হতে পারে। প্রথম সন্তান জন্মে তুলনামূলক সময় বেশি লাগতে পারে বলে ধরে নেয়া হয়। একাধিক সন্তান (টুইন, ট্রিপলেট)এর জন্মের সময় ডাক্তাররা নিবিড় পর্যবেক্ষনে প্রসূতি মাকে রাখেন।</p>



<p>লেবারকে সহজভাবে বুঝার জন্য আমরা একে ঢেউয়ের সাথে তুলনা করি। কখনও কখনও এই ঢেউ তীব্র, দীর্ঘ এবং অল্পক্ষণ পর পর আসে৷ কখনো কখনো এই ঢেউ ক্ষীণ এবং অনেকক্ষণ পর পর আসে৷ ধীরে ধীরে সংকোচনগুলোর তীব্রতা বাড়তে থাকে এবং সময়ের ব্যবধান কমতে থাকে৷ ট্রু লেবার বোঝার একটা সাধারণ উপায় হলো ঘন্টায় অন্তত ১০ বার সংকোচন। ধীরে ধীরে প্রতিবার সংকোচের মধ্যকার সময় কমতে থাকে।</p>



<p>প্রাকৃতিকভাবে মায়ের শরীর লেবারের সূচনা করে সন্তান জন্মদানের উপযুক্ত পরিস্থিতি তৈরী করে দেয়।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="লেবারের-ধাপসমূহ">লেবারের ধাপসমূহ</h2>



<p>লেবারের ৩ টি ধাপ থাকে। মোটাদাগে এই ৩ টি ধাপ এর নাম:</p>



<p>১) সারভিক্স ওপেনিং বা খুলে যাওয়া<br>২) সন্তানের বের হওয়া<br>৩) প্ল্যাসেন্টা বের হওয়া</p>



<p>লেবারের প্রতিটি ধাপ পর্যায়ক্রমে শিশুকে বের করে আনে। প্রতিটা ধাপের সাথে আছে হরমোনের প্রভাব, মায়ের শরীরের বিভিন্ন পরিবর্তন, ইত্যাদি। ওভারির আর প্ল্যাসেন্টার এস্ট্রজেন জরায়ুর অক্সিটোসিন রিসিপ্টরের সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়। লেবারের সময় জরায়ুতে শিশুর ক্রমাগত চাপ Corticotropin hormone (ACTH) কে স্টিমুলেট করে যা করটিসলের রিলিজের সূচনা করে৷ </p>



<p>করটিসল প্ল্যাসেন্টাতে প্রভাব ফেলে এস্ট্রজেন আর প্রজেস্টোরন এর নিঃসরণ কমিয়ে দেয় আর প্রস্টাগ্লান্ডিস এর নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়, যা জরায়ুর সংকোচন ঘটায়৷ এর প্রভাবে সারভিক্সের প্রসারণ (স্ট্রেচ) ঘটে এবং তা খুলে যেতে থাকে। সারভিক্স এর প্রসারণ সংবেদনশীল ফাইবারকে স্টিমুলেট করে যা অক্সিটোসিন নিঃসরণ করে। অক্সিটোসিন জরায়ুর সংকোচন ঘটায়, যা আবার জরায়ুকে স্টিমুলেট করে প্রস্টাগ্লান্ডিসের নিঃসরণ ঘটায়৷ লেবারে এই চক্র চলতে থাকে যতক্ষণ না শিশু বের হয়ে আসে।</p>



<figure class="wp-block-pullquote"><blockquote><p>এই কথাগুলো বলার অর্থ নারীর শরীর প্রাকৃতিকভাবে সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য সঠিকভাবে প্রস্তুত এবং লেবার সেই প্রক্রিয়ার অপরিহার্য অংশ৷</p></blockquote></figure>



<p>প্রাকৃতিকভাবে জন্ম দেয়া চ্যালেঞ্জিং তবে এটা নারীর সহজাত ক্ষমতার মধ্যেই৷ নারীর শরীর ও মনন জন্মদানের ব্যাপারে সহনশীল ও সক্ষম।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="প্রাকৃতিক-প্রসবের-সুবিধাগুলো">প্রাকৃতিক প্রসবের সুবিধাগুলো</h2>



<p>এবারে তাহলে জেনে নেই, লেবার যেই প্রাকৃতিকভাবে সন্তান জন্মদানের জন্য এতো গুরুত্বপূর্ণ, সেই প্রাকৃতিক জন্মদানের বেশ কিছু সুবিধাঃ</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>শরীরে বহিরাগত কোনো কিছুর প্রবেশ নেই। কাজেই, মা ও সন্তানের শরীরে কোনো ক্ষতি বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা নেই।</li>



<li>মা পুরো জন্মদান প্রক্রিয়ায় ক্ষমতাশীল। এখানে পুরো সময় মা সতর্ক থেকে নিজের সহজাত প্রবৃত্তি, জ্ঞান, শারীরিক ও মানসিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সন্তানকে দুনিয়াতে আনে। এটি মাকে এমন এক বিজয়ের সুখানুভূতি দেয় যার ফলে পরবর্তীতে জন্মদানের সময় প্রচন্ড ব্যথার অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও তারা অনেকেই প্রাকৃতিক জন্মদান প্রক্রিয়াই বেছে নেয়৷ অনেক নারীর ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক জন্মদান ব্যথা সহ্য করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।</li>



<li>মা নিজের সুবিধাজনক পজিশনে সন্তান জন্ম দিতে পারে।</li>



<li>প্রেগন্যান্ট অবস্থায় প্রাকৃতিক জন্মদানের জন্য বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক অনুশীলন মাকে জন্মদানের পরের ধকল কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে, পোস্ট পার্টামের অস্বস্তিভাব ও জটিলতা কমাতে সাহায্য করে।&nbsp;</li>



<li>এই প্রক্রিয়ায় স্বামী বা/এবং প্রিয়জন পাশে থেকে মানসিক সাহস জোগাতে পারে, পুরো প্রক্রিয়ায় সাহায্য করতে পারে।</li>



<li>শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক ভাল হয় বলে ধারণা করা হয়।</li>



<li>শিশুর শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি কমে।</li>



<li>মা ও শিশুর স্থায়ী ও দীর্ঘকালীন জটিলতা তৈরী হওয়ার ঝুঁকি কম।</li>
</ul>



<p>অনেক সময় লেবারের অনুপস্থিতি বা বিলম্ব দেখে চিকিৎসক বা অভিজ্ঞরা মা ও সন্তানের শারীরিক পরিস্থিতি নিরুপণ করে থাকেন৷ এর মাধ্যমে বিভিন্ন জটিলতা ও ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হয়।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="লেবারের-বিকল্প-কী">লেবারের বিকল্প কী?</h2>



<p>লেবারের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে আমরা সন্তান জন্মদানের বিকল্প প্রক্রিয়াগুলোর একটির আলোচনা করি। সেটা হলো এপিডুরালের বা স্পাইনাল ব্লকের ব্যবহার।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="এপিডুরাল">এপিডুরাল</h3>



<p>এপিডুরাল সন্তানের ডেলিভারিতে ব্যথা নিরসণের জন্য ব্যবহার করা হয়। সি সেকশনের জন্যও ব্যবহার করা হয়। এপিডুরাল ব্যবহারের ফলে লেবারের দ্বিতীয় ধাপ দীর্ঘ হয়ে যায়৷ এখানে assisted delivery এর প্রয়োজন হতে পারে (শিশুকে বের করে আনার জন্য ফরসেপ বা ভ্যাকুয়ামের ব্যবহার, ব্লাডার ক্যাথেটারাইজেশন, সি সেকশন)।</p>



<p>এপিডুরাল এর সাধারণ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>চুলকানি</li>



<li>কয়েক ঘন্টার জন্য পা অবশ হয়ে যাওয়া</li>



<li>মাথাব্যথা</li>



<li>বমিভাব ও বমি হওয়া</li>



<li>জ্বর</li>



<li>পিঠে ব্যথা</li>



<li>নিম্ন রক্তচাপ</li>



<li>প্রসাবে জটিলতা</li>
</ul>



<p>যদিও এরকম নমুনা সহজে দেখা যায়না তবু স্থায়ী কিছু সমস্যা তৈরী হতে পারে৷ যেমন:</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>স্নায়ুর স্থায়ী ক্ষত</li>



<li>পিঠে স্থায়ী ব্যথা</li>



<li>শ্বাসকষ্ট</li>



<li>মেনিনজাইটিস</li>



<li>সেপসিস, এপিডুরাল হেমাটোমা, এপিডুরাল এবসিস ইত্যাদি</li>
</ul>



<h3 class="wp-block-heading" id="সিজারিয়ান-সেকশন">সিজারিয়ান সেকশন</h3>



<p>সন্তান জন্মদানের আরেকটি বিকল্প সি সেকশন, যেখানে সার্জিকাল প্রক্রিয়ায় পেট ও জরায়ু কেটে শিশুকে বের করে আনা হয়। এ প্রক্রিয়ায় মায়ের রিকভারিতে সময় লাগে। বিভিন্ন রকম শারীরিক জটিলতাও দেখা দিতে পারে।</p>



<p><strong>মায়ের ক্ষেত্রেঃ</strong></p>



<ul class="wp-block-list">
<li>অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ</li>



<li>প্রদাহ বা ইনফেকশন</li>



<li>ব্লাডারে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়া</li>



<li>মেডিসিন বা এনেস্থিসিয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া</li>



<li>ডিপ ভেইন থ্রম্বসিস DVT (যদিও এটি হওয়ার ঝুঁকি কম)</li>



<li>ভবিষ্যতে প্রেগ্ন্যাসিতে ঝুঁকি</li>
</ul>



<p><strong>শিশুর ক্ষেত্রেঃ</strong></p>



<ul class="wp-block-list">
<li>শ্বাসকষ্টের সম্ভাবনা</li>
</ul>



<p>এছাড়াও, শিশুর আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। সচরাচর দেখা না গেলেও এনেস্থিসিয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে৷</p>



<p>আমরা কুরআনে সূরা মারইয়ামের দিকে তাকালে খুব সুন্দর দুটি আয়াত দেখতে পাই৷&nbsp;</p>



<p>فَأَجَآءَهَا ٱلْمَخَاضُ إِلَىٰ جِذْعِ ٱلنَّخْلَةِ قَالَتْ يَٰلَيْتَنِى مِتُّ قَبْلَ هَٰذَا وَكُنتُ نَسْيًا مَّنسِيًّا&nbsp;</p>



<p>"তারপর প্রসব-বেদনা তাকে একটি খেজুর গাছের কাছে নিয়ে গেল। সে বলতে লাগল, হায়! আমি যদি এর আগেই মারা যেতাম এবং সম্পূর্ণ বিস্মৃত-বিলুপ্ত হয়ে যেতাম!"</p>



<p>فَنَادَىٰهَا مِن تَحْتِهَآ أَلَّا تَحْزَنِى قَدْ جَعَلَ رَبُّكِ تَحْتَكِ سَرِيًّا&nbsp;</p>



<p>"তখন তার নিচে এক স্থান থেকে সে তাকে ডাক দিয়ে বলল, তুমি দুঃখ করো না, তোমার প্রতিপালক তোমার নিচে একটি ঝর্ণা সৃষ্টি করেছেন।"</p>



<p>(সূরা মারইয়াম: ২৩-২৪)</p>



<p>এই আয়াতগুলোতে মারইয়াম (আ) এর লেবার যন্ত্রণার কথা উল্লেখিত হয়েছে এবং এর সান্ত্বনাস্বরুপ কথা এসেছে৷ এই সুন্দর আয়াতগুলো থেকে আমাদের শেখার অনেক কিছু আছে৷ আল্লহ রব্বুল আলামীন মারইয়াম (আ) এর যন্ত্রণার বর্ণনা দিয়ে নারীদের কষ্টের একটা চিত্র তুলে ধরেছেন৷ এ থেকে বোঝা যায় সন্তান জন্মদানে মা কতটা কষ্ট সহ্য করেন। কুরআনে এর উল্লেখ আমাদের সাহস বাড়িয়ে দেয়, আমাদের মাতৃত্বকে সম্মানিত করে৷ মারইয়াম (আ) এর উদ্দেশ্য করা সান্ত্বনা আমাদের সকল মায়েদের জন্যই সান্ত্বনা ও আশার বাণী হিসেবে কাজ করে, আমাদের শক্তি দেয় সুবহানআল্লহ।</p>



<p>স্বাভাবিক অবস্থায় একজন প্রেগন্যান্ট মায়ের জন্য সবচেয়ে উত্তম জন্মদানের পদ্ধতি হলো প্রাকৃতিকভাবে সন্তান প্রসব। এজন্য যদিওবা মাকে লেবারে তীব্র শারীরিক ও মানসিক কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয় তবু এই আলোচনা থেকে বুঝতে পারি এই কষ্টের ভয়কে কাটিয়ে উঠতে পারলে তা আমাদেরই জয়ী হওয়ার সুখানুভূতি দিবে, অন্যরকম তৃপ্তি দিবে৷ কাজেই আমরা কিছুটা হলেও বুঝতে পারলাম লেবারের প্রয়োজনীয়তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ৷</p>



<p>তবে হ্যাঁ, বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে মাকে এপিডুরাল দিতে হতে পারে, সি সেকশনের দরকার হতে পারে৷ এবং এসব ক্ষেত্রে কোনোভাবেই প্রাকৃতিক জন্মদান সম্ভব না৷ বরং, প্রাকৃতিক জন্মদান সেসময় মা ও শিশুর জন্য ঝুকিপূর্ণ৷ </p>



<p>একজন প্রেগন্যান্ট মায়ের দায়িত্ব প্রেগন্যান্সি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা৷ তাহলে লেবারের প্রয়োজনীয়তা জানা সম্ভব, লেবারের ভয়কে কাবু করা সম্ভব, সুস্থ থেকে প্রাকৃতিকভাবে শিশুর জন্ম দেয়া সম্ভব এবং এও জানা সম্ভব কখোন কোন পরিস্থিতিতে এপিডুরাল বা/এবং সি সেকশনের প্রয়োজন হতে পারে৷ তাহলে মাতৃত্ব হয়ে উঠবে সহজ ও আনন্দময়, ইনশাআল্লাহ।</p>



<p class="has-black-color has-text-color has-background" style="background-color:#bfe7f8">এই জ্ঞান অর্জনের সংগী হয়ে আপনাদের পাশে আছে <strong><a href="/about-bn" data-type="URL" data-id="/about-bn">মাতৃত্ব</a></strong>। গর্ভবতী মায়ের জন্য আমাদের প্রধান দুটি সেবা<br><br><strong>১. <a href="https://matritto.com/prenatal-class-in-bangladesh/" data-type="page" data-id="4965">অনলাইন প্রিনাটাল কোর্স</a></strong>, যার মূল লক্ষ্য একজন নারীকে গর্ভাবস্থার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জানানো এবং এর মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসি করে তোলা।<br><strong>২. <a href="https://matritto.com/doula-service/" data-type="page" data-id="5781">দৌলা সেবা</a>,</strong> যার মাধ্যমে একজন মা'কে প্রেগনেন্সি ও প্রসবের সময় তথ্য/ইনফরমেশন সাপোর্ট দেয়া, মানসিক সাপোর্ট ও শারীরিক সাপোর্ট (অফলাইন দৌলা সেবার ক্ষেত্রে) দেয়া। যাতে হবু বাবা-মা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং তাদের বার্থিং অভিজ্ঞতা যেন অনন্য হয়।<br><br>এছাড়াও এই ওয়েবসাইটে<em> </em>এ সংক্রান্ত অনেক লেখা, ভিডিও আছে, যা একজন নারী ও তার পরিবারকে পুরো প্রেগনেন্সির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জানতে, বুঝতে সহায়তা করবে।</p>



<div class="wp-block-group"><div class="wp-block-group__inner-container is-layout-constrained wp-block-group-is-layout-constrained">
<p></p>



<h2 class="wp-block-heading" id="তথ্যসূত্র">তথ্যসূত্র</h2>



<ol class="wp-block-list">
<li><a href="https://www.youtube.com/watch?v=h7nOZ2kNfW4&amp;list=LL&amp;index=11&amp;t=243s&amp;ab_channel=OsmosisfromElsevier" target="_blank" rel="noopener"><u>Stages of Labor</u> - Osmosis from Elsevier</a> [Video]</li>



<li><a href="https://www.youtube.com/watch?v=lsSbSKlThgQ&amp;list=LL&amp;index=9&amp;t=29s&amp;ab_channel=ArmandoHasudungan" target="_blank" rel="noopener"><u>Parturition - Pregnancy, Hormones, Giving Birth</u></a></li>



<li><a href="https://www.mayoclinic.org/healthy-lifestyle/labor-and-delivery/in-depth/stages-of-labor/art-20046545" target="_blank" rel="noopener"><u>Labor, delivery and postpartum care - Mayo clinic</u></a></li>



<li><a href="https://www.pregnancyinfo.ca/birth/labour/labour-101/" target="_blank" rel="noopener"><u>Labor 101 - The Society of Obstetricians and Gynaecologists of Canada (SOGC)</u></a></li>



<li><a href="https://www.healthline.com/health/pregnancy/pain-risks-epidurals" target="_blank" rel="noopener"><u>Risks of Epidurals During Delivery</u></a> - Healthline</li>



<li><a href="https://my.clevelandclinic.org/health/treatments/21896-epidural" target="_blank" rel="noopener"><u>Epidurals - Cleveland Clinic</u></a></li>



<li><a href="https://www.ncbi.nlm.nih.gov/books/NBK279567/" target="_blank" rel="noopener"><u>Pregnancy and birth: Epidurals and painkillers for labor pain relief</u></a> - National Library of Medicine</li>



<li><a href="https://www.babycenter.com/pregnancy/your-body/natural-childbirth_174" target="_blank" rel="noopener"><u>Natural childbirth: Benefits and risks of unmedicated birth</u></a> - Baby Center</li>



<li><a href="https://www.medicinenet.com/what_are_the_side_effects_of_cesarean_delivery/article.htm" target="_blank" rel="noopener"><u>What Are the Side Effects of Cesarean Delivery?</u></a> - MedicineNet</li>



<li><a href="https://www.nhs.uk/conditions/caesarean-section/risks/" data-type="URL" data-id="https://www.nhs.uk/conditions/caesarean-section/risks/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">Risks<u>- Caesarean section</u></a> - NHS</li>
</ol>
</div></div>



<div class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color" style="background-color:#dddbd5; padding:25px">
<h4 class="has-very-dark-gray-color has-text-color">লেখাটি রিভিউ করেছেন –</h4>
<p><strong>ডাঃ সাবরিনা আফরোজ </strong><br>এমবিবিএস, এমপিএইচ<br>লেকচারার, ঢাকা কমিউনিটি মেডিসিন কলেজ</p>
</div>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/labor-in-normal-delivery/">নরমাল ডেলিভারিতে লেবারের প্রয়োজনীয়তা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সিজারিয়ান ডেলিভারি— বিলাসিতা না প্রয়োজন?</title>
		<link>https://matritto.com/caesarean-emergency-or-avoid/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[নিশাত তামমিম]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 12 Jan 2023 18:11:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[নরমাল ডেলিভারি]]></category>
		<category><![CDATA[সি সেকশন]]></category>
		<category><![CDATA[সিজারিয়ান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=5646</guid>

					<description><![CDATA[<p>নরমাল ডেলিভারির জন্য চেষ্টা করা ও আল্লাহর উপর ভরসা করা যেমন দরকার, তেমন দরকার হলে সিজারিয়ান ডেলিভারিও মেনে নেয়ার মানসিকতা থাকা চাই</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/caesarean-emergency-or-avoid/">সিজারিয়ান ডেলিভারি— বিলাসিতা না প্রয়োজন?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>এক ছোট বোনের লেবার পেইন উঠেছে, কতদূর প্রোগ্রেস করলো দূর থেকে খোজ নিচ্ছিলাম। এক পর্যায়ে জানালো- পেইন অনেক বেড়েছে। বাচ্চার মাথা নিচের দিকে আছে, মাথা নিচেও নেমে এসেছে। তাও ডাক্তার নর্মালে করাতে চাচ্ছেনা, সিজার লাগবে নাকি। পিভি এক্সামিন করে বাচ্চার চোখ আর কপাল হাতে পাচ্ছে। আমরা বাসায় চলে যাচ্ছি, সিজার করাবো না।</p>



<p>কিছুদিন আগে আরেক ছোট বোনের বাবু হবে, নর্মাল ডেলিভারির জন্য ভর্তিও হয়েছে, কিন্তু হঠাৎ ডাক্তার বলছেন, পানি কমে গেছে, নর্মালের জন্য অপেক্ষা করা যাবেনা। হন্তদন্ত হয়ে মেসেজ দিয়েছে- কী করবো এখন? আমরা তো কোনভাবেই সিজার চাচ্ছিলাম না। এতদিন তো সব ঠিক ছিলো!</p>



<p>এরকম অনেক কেইস আমাদের কাছে আসে। উপরে কেবল দুটো উদাহরণ দিলাম। প্রথম কেইসটা ফিটাল ম্যালপ্রেজেন্টেশানের উদাহরণ। বাচ্চার মাথা নিচের দিকে থাকলেও যেভাবে মুখ করে থাকার কথা, সেভাবে নেই- যেখানে থাকার কথা মাথার চুলের অংশ, সেখানে আছে মুখ ও কপাল। মাথা ঠিক অবস্থানে না আসলে এই অবস্থায় জোর করে নর্মাল ডেলিভারি করাতে গেলে বাচ্চার মুখে পানি আসা, মাথা বাকা হয়ে যাওয়া, বাচ্চার শ্বাসকষ্ট, স্পাইনাল কর্ড ইঞ্জুরি, ব্রেইন ড্যামেজ থেকে বাচ্চার মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।</p>



<p>দ্বিতীয় কেইসটা সিভিয়ার অলিগোহাইড্রামনিওজ এর উদাহরণ, যেখানে এমনিওটিক ফ্লুইড (AFI) কমে ৩ সেন্টিমিটারেরও নিচে এসে গিয়েছিলো। এই অবস্থায় অক্সিজেনের অভাবে বাচ্চার শ্বাসকষ্ট থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।</p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2023/01/Caesarean-1024x536.jpg" alt="সিজারিয়ান ডেলিভারি— বিলাসিতা না প্রয়োজন?" class="wp-image-5652" title="সিজারিয়ান ডেলিভারি— বিলাসিতা না প্রয়োজন? 1"></figure>



<div class="gutentoc tocactive nostyle"><div class="gutentoc-toc-wrap"><div class="gutentoc-toc-title-wrap"><div class="gutentoc-toc-title">Table Of Contents</div><div id="open" class="text_open">show</div></div><div id="toclist"><div class="gutentoc-toc__list-wrap"><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#প্রচলিত-ভুল-ধারণা">প্রচলিত ভুল ধারণা</a></li><li><a href="#কখন-সিজারিয়ান-ডেলিভারি-জরুরিঃ">কখন সিজারিয়ান ডেলিভারি জরুরিঃ</a></li><li><a href="#কখন-সিজারিয়ান-ডেলিভারি-প্রয়োজন-হতে-পারেঃ">কখন সিজারিয়ান ডেলিভারি প্রয়োজন হতে পারেঃ</a></li></ul></div></div></div></div>



<p>আমরা যেন এটা মনে রাখি, নরমাল ডেলিভারির জন্য আমরা চেষ্টা করবো, দুয়াও করতে থাকবো, তবে আল্লাহর সিদ্ধান্তের উপর তাওয়াক্কুলও রাখতে হবে। আমার সব চেষ্টার পরও নরমালে না হতে পারে, সেক্ষেত্রে বাচ্চার মা ও বাচ্চার জীবনটা আগে, জীবনের বিনিময়েও নরমাল ডেলিভারি করাতে হবে, এমন ভুল যেন করে না বসি। এমন কথা ইসলামও বলেনি- শখ করে সিজারিয়ান ডেলিভারি করানো উচিৎ নয়, কিন্তু জরুরতে জায়েয তো বটেই, জীবন রক্ষার জন্য হলে সেটা জরুরি।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="প্রচলিত-ভুল-ধারণা">প্রচলিত ভুল ধারণা</h2>



<p>আফসোসের বিষয়, এই জায়গাটাতে এসে অনেক শিক্ষিত, ইলমওয়ালা মানুষও বোকার মত যুক্তি দিয়ে বসেন- কুকুর বিড়ালের বাচ্চা হতে সিজার লাগেনা, মানুষের কেন লাগবে? আগের যুগের মায়েদের সিজার লাগতো না, এখন লাগবে কেন?</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>জ্বি না, কুকুর বিড়াল কিংবা পশুদের বাচ্চাও ডেলিভারি হতে গিয়ে আটকে গিয়ে অনেকসময় বাচ্চা ও মা মারা যায়। ইউটিউব সার্চ দিয়ে দেখুন।</li>



<li>আগের যুগে সিজার ছিলোনা, শিশুমৃত্যু ও মাতৃমৃত্যুর হারও অনেই বেশি ছিলো। চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতির সাথে এই হার অনেক কমেছে, আলহামদুলিল্লাহ। পরিসংখ্যান দেখে আসুন।</li>
</ul>



<p>আর হ্যা, চিকিৎসার এই জ্ঞান মানুষ নিজ শক্তিতে পায়নি, এই জ্ঞানও আল্লাহরই দেয়া। আল্লাহর দেয়া বুদ্ধি ও জ্ঞানকে মানুষের উপকারে লাগানো, এটাতো আল্লাহই চান।</p>



<p>চিকিৎসাবিদ্যার চর্চা নতুন কিছু না, রাসূল সা. এর যুগেও ছিলো, আয়িশা রা. নিজেও চিকিৎসকদের দেখে দেখে চিকিৎসাশাস্ত্রের অনেক জ্ঞান লাভ করেছিলেন। তাই চিকিৎসা শাস্ত্রের যে উন্নয়ন মানুষের উপকার করছে, সেটাকে গ্রহণ না করে নিজের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলা কোন তাওয়াক্কুলের পরিচয় বহন করেনা, বরং চিকিৎসা গ্রহণ করাই সুন্নাত। আর বাচ্চা ও মায়ের জীবন বাচাতে প্রয়োজনে সিজারিয়ান ডেলিভারির সুযোগ গ্রহণ করা সেই সুন্নাতেরই অংশ।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="কখন-সিজারিয়ান-ডেলিভারি-জরুরিঃ">কখন সিজারিয়ান ডেলিভারি জরুরিঃ</h2>



<p>যাক সে কথা, চলুন তবে দেখে আসি, কোন কোন ক্ষেত্রে সিজারিয়ান ডেলিভারি জরুরি হয়ে পড়ে-</p>



<p>যেসব ক্ষেত্রে সিজার ব্যতীত আর কোনো উপায় নেই (absolute indication):<br>১. বাচ্চা প্রসবের রাস্তা বাচ্চার মাথার আকৃতির সাথে আনুপাতিকভাবে ছোট। (Cephalo-pelvic disproportion)<br>২. প্রেগ্ন্যাসিজনিত হাইপারটেনশন অনেক বেশি হওয়া, সিস্টোলিক ব্লাড প্রেশার ১৬০ বা তার বেশি, ডায়াস্টোলিক ব্লাড প্রেশার ১১০ বা তার বেশি (Severe PIH)<br>৩. সিভিয়ার প্রি-একলাম্পশিয়া ও একলাম্পশিয়া (উচ্চ রক্তচাপজনিত খিচুনি)<br>৪. পেটের ভিতর বাচ্চার শ্বাসকষ্ট হওয়া (Fetal distress)<br>৫. ডেলিভারির সময় সবার আগে বাচ্চার নাড়ী দেখা যাওয়া (Cord prolapse)<br>৬. গর্ভফুল জরায়ুর মুখে থাকা(Placenta Previa, grade- 3,4)<br>৭. বাচ্চা ডেলিভারীর পূর্বেই গর্ভফুল জরায়ুর গা থেকে ছুটে রক্তক্ষরণ শুরু হওয়া (Abruptio Placentae)<br>৮. বাচ্চা জরায়ুতে আড়াআড়িভাবে (transverse lie) বা উল্টে থাকা (Breech)।<br>৯. ম্যালপ্রেজেন্টেশান: প্রসবমুখে বাচ্চার মুখ (Face presentation), বাচ্চার কপাল (Brow presentation) বা কাধ থাকা এবং তা ঘুরে গিয়ে স্বাভাবিক অবস্থানে না আসা।<br>১০. ডেলিভারির সময় জরায়ু ফেটে যাওয়া (Uterine Rupture)।<br>১১. বাচ্চা প্রসবের রাস্তায় বড় কোন টিউমার থাকা।<br>১২. আগে VVF (vesico-vaginal fistula) এর অপারেশন হওয়া।<br>১৩. জরায়ুর পানি খুব বেশি কমে যাওয়া (Severe Oligohydramnios)<br>১৪. দীর্ঘ সময়েও বাচ্চা ডেলিভারি না হওয়া (Prolonged labor) বা বাচ্চা আটকে যাওয়া (Obstruted labor)।<br>১৫. ডেলিভারির সময় বাচ্চার কাধ পিউবিক বোনে আটকে যাওয়া। (Shoulder dystocia)</p>



<figure class="wp-block-image size-full is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2023/01/when-caesarean-emergency.webp" alt="বাচ্চার বিভিন্ন পজিশন" class="wp-image-5656" width="720" height="720" title="সিজারিয়ান ডেলিভারি— বিলাসিতা না প্রয়োজন? 2"><figcaption class="wp-element-caption">বাচ্চার বিভিন্ন পজিশন</figcaption></figure>



<p></p>



<h2 class="wp-block-heading" id="কখন-সিজারিয়ান-ডেলিভারি-প্রয়োজন-হতে-পারেঃ">কখন সিজারিয়ান ডেলিভারি প্রয়োজন হতে পারেঃ</h2>



<p>যেসব ক্ষেত্রে সিজার করা লাগতে পারে (Relative indication):<br>১. জরায়ুতে একসাথে একাধিক বাচ্চা থেকে সৃষ্ট জটিলতা (Complicated or multiple pregnancy)<br>২. বাচ্চার মাথা বড় হওয়া (Macrosomia)<br>৩. আগের দুই বা ততোধিক বাচ্চা সিজারে হওয়া।<br>৪. ডেলিভারির ব্যথা শুরু হওয়ার আগে যে কোন পরিমাণ রক্তক্ষরণ শুরু হওয়া (Antepartum Haemorrhage)<br>৫. সময় পার হয়ে যাওয়ার পর ইন্ডাকশন দিয়েও লেবার পেইন না উঠলে।<br>৬. ডেলিভারীর সম্ভাব্য তারিখ থেকে বেশি দেরি করে আসা (post dated pregnancy)</p>



<p>তবে হ্যা, উপরের কেইসগুলোতে সবসময় যে সিজার করতেই হবে এমন না। ডেলিভারির সময় অনেক ক্ষেত্রে বাচ্চার পজিশান বদলে ঠিক হয়েও যায়। তবে যা-ই করবেন, শুধু অনুমানের উপর নির্ভর করে বসে না থেকে বিশ্বস্ত গাইনী ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে করবেন। প্রয়োজনে অনলাইন কোন ক্লিনিক বা পরিচিত ডাক্তার থেকেও পরামর্শ নিতে পারেন। </p>



<p>সর্বোপরি সহজতার দুয়া করবেন, ইস্তিখারা করবেন, আল্লাহর সিদ্ধান্তের উপর সন্তুষ্ট থাকার মানসিকতা রাখবেন। শুধুই নিজের চিন্তাভাবনার উপর অটল থেকে বাচ্চা ও বাচ্চার মায়ের জীবন ঝুকির মুখে ফেলবেন না। প্রতিটি জীবন মূল্যবান। একটি জীবন রক্ষা করা সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করার সমান।</p>



<p><strong>লেখিকাঃ ডাক্তার নিশাত তামমিম, ইয়াদাহ ক্লিনিক</strong></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/caesarean-emergency-or-avoid/">সিজারিয়ান ডেলিভারি— বিলাসিতা না প্রয়োজন?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এপিসিওটমির একাল সেকাল</title>
		<link>https://matritto.com/what-is-episiotomy-history/</link>
					<comments>https://matritto.com/what-is-episiotomy-history/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[ওয়াসিফা নুর তামান্না]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 16 Oct 2022 18:28:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[এপিসিওটমি]]></category>
		<category><![CDATA[সাইড কাটা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=5083</guid>

					<description><![CDATA[<p>এপিসিওটমি হলো স্বাভাবিক প্রসব চলাকালে চিকিৎসক যখন যোনিপথ ও পায়ুপথের মাঝখানে একটু কেটে প্রসবের পথ প্রসারিত করে দেন।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/what-is-episiotomy-history/">এপিসিওটমির একাল সেকাল</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<div class="wp-block-rank-math-toc-block" id="rank-math-toc"><h2>বিষয়সূচী</h2><nav><ul><li><a href="#এপিসিওটমি-কি">এপিসিওটমি কি?</a></li><li><a href="#কিভাবে-কোথায়-শুরু-হলো-এপিসিওটমি">কিভাবে কোথায় শুরু হলো এপিসিওটমি?</a></li><li><a href="#এপিসিওটমির-রকমফের">এপিসিওটমির রকমফের</a></li><li><a href="#যোনিপথের-ছিঁড়ে-যাওয়া-কত-গুরুতর-হতে-পারে">যোনিপথের ছিঁড়ে যাওয়া কত গুরুতর হতে পারে?</a></li><li><a href="#বাংলাদেশে-এপিসিওটমি">বাংলাদেশে এপিসিওটমি</a></li><li><a href="#এপিসিওটমি-এড়াতে-কি-কি-করা-যায়">এপিসিওটমি এড়াতে কি কি করা যায়?</a></li><li><a href="#তথ্য-উৎস">তথ্য উৎস</a></li></ul></nav></div>



<h2 class="wp-block-heading" id="এপিসিওটমি-কি">এপিসিওটমি কি?</h2>



<p>স্বাভাবিক প্রসব চলাকালে চিকিৎসকেরা অনেক সময় যোনিপথ ও পায়ুপথের মাঝখানে (আনুমানিক ১-১.৫ ইঞ্চি আড়াআড়ি) একটু কেটে প্রসবের পথ প্রসারিত করে দেন। এই পদ্ধতির নাম এপিসিওটমি।</p>



<p>সাধারণত 'সার্জিকাল' কাঁচি দিয়ে এক থেকে দেড় ইঞ্চি পর্যন্ত কাটা হয়ে থাকে। কাটার আগে জায়গাটি অবশ করার জন্য ইনজেকশন দেয়া হয়।</p>


<div class="wp-block-image is-style-default">
<figure class="aligncenter size-full is-resized"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2022/10/episiotomy-wasifa.png" alt="history of episiotomy এপিসিওটমির একাল সেকাল" class="wp-image-5084" style="width:496px;height:416px" title="এপিসিওটমির একাল সেকাল 3"><figcaption class="wp-element-caption">এপিসিওটমির একাল সেকাল</figcaption></figure>
</div>


<h2 class="wp-block-heading" id="কিভাবে-কোথায়-শুরু-হলো-এপিসিওটমি">কিভাবে কোথায় শুরু হলো এপিসিওটমি?</h2>



<p>১৭৪০ এর দশকে প্রসবের সময় যখন নাপিত-সার্জনরা অংশগ্রহণ করতে শুরু করেছিলেন সেই সময়ে ইউরোপে প্রথম এপিসিওটমি ব্যবহার করা শুরু হয় এবং ১৯২০ এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম ড. জোসেফ ডিলি, শিকাগো লাইং-ইন হাসপাতালের একজন প্রসূতি বিশেষজ্ঞ এটা প্রচলিত করেন। তিনি প্রসবের গতি বাড়াতে এবং ট্রমা কমাতে রুটিন এপিসিওটমি প্রস্তাব করেছিলেন এবং তখনকার ধারণা অনুযায়ী যোনিপথ স্বাভাবিক ভাবেই আগের অবস্থায় ফিরে আসবে ধরে নেয়া হতো।</p>



<p>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৪০ এবং ১৯৫০ এর দশকে যখন বাড়িতে প্রসব করার চেয়ে হাসপাতালে প্রসব করাকে বেশি প্রাধান্য দেয়া শুরু হয়, তখন বিভিন্য অস্ত্রোপচার পদ্ধতি এবং এপিসিওটমি রুটিন হয়ে ওঠে। খুব দ্রুত এর হার বেড়ে যায়। প্রথম বা তার বেশি সকল স্বাভাবিক প্রসবের মধ্যে এপিসিওটমির হার বেড়ে দাঁড়ায় ৬০ শতাংশে এবং প্রথম মায়েদের মধ্যে এই হার বেড়ে হয় ৮০ শতাংশ।</p>



<p>ধীরে ধীরে হলেও পরিবর্তন আসতে শুরু করে। ১৯৮৩ সালে এপিসিওটমি এবং এর কার্যকারিতা নিয়ে ভালোভাবে লেখালেখি হয়, একটি প্রমাণ এবং তথ্যবহুল লেখা প্রকাশিত হয়। যেটা ১৯৮৫ সালের ডব্লিউ এইচ ও সম্মেলনে পর্যালোচনা করে এই নির্ণয়ে আসে যে রুটিনমাফিক এপিসিওটমি বন্ধ করতে হবে, পেরিনিয়াম অঞ্চলের সুরক্ষার জন্য যা যা পদ্ধতি গ্রহণ করা যায় করতে হবে।</p>



<p>কিন্তু ততোদিনে এপিসিওটমি প্রসূতি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে স্বাভাবিক চর্চায় পরিণত হয়। এখানে ডঃ মারসডেন ওয়েগনার এর একটি অভিজ্ঞতা আমি আপনাদের জানাতে চাই। ১৯৯০ এর দশকে তিনি একটি বড় হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে একজন ইন্টার্ন এর ব্যপারে জানতে পারেন যে সে এক মাকে সন্তান প্রসব পরবর্তীকালে এপিসিওটমি দিয়েছে। কিন্তু কেন? কারণ তাকে বলা হয়েছে যে এই কাজটা সব প্রসবের একটা অংশ, কিন্তু প্রসবের আগে এপিসিওটমি দেয়ার সুযোগ না পাওয়ায় প্রসবের পরে রুটিনমাফিক এই কাজ সম্পন্ন করেছিল সেই ইন্টার্ন।<br><br>১৯৯৫ সালে কোক্রেইন লাইব্রেরির করা এপিসিওটমির উপর উল্লেখযোগ্য একটি রিসার্চে বলা হয় এই রুটিনমাফিক কাটার কারনে প্রসবকালীন ট্রমা এবং জটিলতা বৃদ্ধি পায়। এরপরই কিছু কিছু হাসপাতালে এপিসিওটমির মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। কোন জায়গায় এটা কমে ৮০ ভাগ থেকে ১০ ভাগে নেমে আসে। পেরিনিয়াম অঞ্চলে ৩য় ও ৪র্থ মাত্রার ছিঁড়ে যাওয়া কমে নামে অর্ধেকে। কোন সাইড কাটা বা ছিঁড়ে যাওয়া ছাড়া প্রসব করতে পারা মায়েদের সংখ্যা ৩ গুন বেড়ে যায়।</p>



<p>আরেক গবেষণায় পাওয়া যায় যে এপিসিওটমি সমর্থক প্রসূতি বিশেষজ্ঞদের মতে যেই তিনটি সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই চর্চাটা চলে আসছিল সেগুলো আদতেও সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত না। সেই তিনটি ধারণা হলো - ৩য় মাত্রার খারাপ ভাবে ছিঁড়ে যাওয়া প্রতিরোধ করা, পেলভিক ফ্লোরের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি প্রতিরোধ করা, দীর্ঘ প্রসববেদনার ফলে বাচ্চাকে ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা।</p>



<p>এপিসিওটমির ফলে কি হয়? আমরা জানি যে কোন কাপড় কাটার জন্য দোকানিরা কাপড়ের উপর একটু করে কেটে পুরোটা টান দিয়ে ছিঁড়ে ফেলে। এপিসিওটমি ঠিক সেভাবেই পরবর্তিতে ৩য় বা ৪র্থ মাত্রার ছিঁড়ে যাওয়ার ঝুকিতে ফেলে দেয়। কারণ এপিসিওটমি কোন কোষ নির্বিশেষে দেয়া হয়। এতে টিস্যুগুলোর মধ্যে ফাটল তৈরি হয় যা পরবর্তীতে বাচ্চা বের হওয়ার সময় আরো বেড়ে যেতে পারে।&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="এপিসিওটমির-রকমফের">এপিসিওটমির রকমফের</h2>



<p><strong>এখন একটু জেনে নিই যোনিপথের ছিঁড়ে যাওয়াটা কি এবং কত রকমের হতে পারে</strong></p>



<p>প্রসবের সময় যোনিপথ ছিঁড়ে যেতে পারে। এটিকে পেরিনিয়াল লেসারেশনও বলা হয়, এতে মায়ের যোনি এবং পেরিনিয়ামের চারপাশে টিস্যুতে (ত্বক এবং পেশী) ছিঁড়ে যাওয়া। পেরিনিয়াল এলাকা (পেরিনিয়ামও বলা হয়) হল যোনিপথ এবং আপনার মলদ্বারের মধ্যবর্তী স্থান।</p>



<p>একটি সাধারণ যোনিপথের প্রসবের সময়, মায়ের যোনির ত্বক পাতলা হয়ে প্রসবের জন্য প্রস্তুত হয় যাতে শিশুর মাথা এবং শরীর আঘাত ছাড়াই মায়ের গর্ভ থেকে বের হয়ে আসতে পারে। এই সময় এই জায়গা ছিঁড়ে যেতে পারে। কি কি কারণে ছিঁড়ে যায়?</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>বাচ্চার ওজন বেশি হয়ে গেলে।</li>



<li>প্রসব খুব দ্রুত হলে (ত্বক প্রসারিত এবং পাতলা হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় না পেলে)</li>



<li>প্রসবের সময় ফোর্সেপ ব্যবহার করা হলে।</li>
</ul>



<h2 class="wp-block-heading" id="যোনিপথের-ছিঁড়ে-যাওয়া-কত-গুরুতর-হতে-পারে">যোনিপথের ছিঁড়ে যাওয়া কত গুরুতর হতে পারে?</h2>



<p>যোনিপথের ছিঁড়ে যাওয়া বিভিন্ন শ্রেণীর হয়। এই শ্রেণীগুলি ছিঁড়ে যাওয়ার তীব্রতার দ্বারা নির্ধারিত হয়।</p>



<p>প্রথম-ডিগ্রি টিয়ার: এটি সবচেয়ে কম গুরুতর, এতে যোনি এবং পেরিনিয়াল এলাকার চারপাশে টিস্যুর প্রথম স্তর ছিঁড়ে যায়। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং সেলাই লাগেনা।</p>



<p><strong>দ্বিতীয়-ডিগ্রি টিয়ার:</strong> প্রসবের সময় এই মাত্রার ছিঁড়ে যাওয়াটাই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এটা কিছুটা বড় হয়, ত্বকের মধ্য দিয়ে যোনি এবং পেরিনিয়ামের পেশীবহুল টিস্যুর গভীর পর্যন্ত ছিঁড়ে যায়।</p>



<p><strong>তৃতীয়-ডিগ্রি টিয়ার:</strong> তৃতীয়-ডিগ্রি টিয়ার যোনি থেকে মলদ্বার পর্যন্ত প্রসারিত হয়। এই ধরনের টিয়ারে ত্বক এবং পেরিনিয়াল এলাকার পেশীর টিস্যুতে আঘাতের পাশাপাশি পায়ূ পেশীগুলিরও ক্ষতি হয়। যেই পেশীগুলি অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে। এপিসিওটমি দেয়া হলেও তৃতীয় ডিগ্রি টিয়ার হতে পারে।</p>



<p><strong>চতুর্থ-ডিগ্রি টিয়ার:</strong> এটা সাধারণত হতে দেখা যায়না বিশেষ কিছু ঘটনা ছাড়া। এক্ষেত্রে তৃতীয় ডিগ্রি টিয়ারের সাথে আর গভীরভাবে ছিঁড়ে মলদ্বার পর্যন্ত চলে যায়। এপিসিওটমি দেয়া হলেও চতুর্থ ডিগ্রি টিয়ার হতে পারে।</p>



<p>প্রসবের সময় স্বাভাবিক টিয়ারে আঁকাবাঁকা ভাবে শুধুমাত্র টিস্যুগুলো ছিড়ে যায়, কিন্তু কোষ অক্ষত থাকে এবং কোন সেলাই ছাড়ায় সেরে যায়। কিন্তু সাইড কেটে দেয়া হলে টিস্যুগুলো নিজস্ব নিয়মে ছিড়েনা, বড়ং কোষ কেটে যায়, শারীরবৃত্তীয় কাঠামো মানেনা যার ফলে বেশি রক্তক্ষরণ, বেশি ব্যথা হয়। পেশীও আগের মতো থাকেনা। এটা ২য়, ৩য় বা ৪র্থ ডিগ্রি টিয়ার হয়ে যেতে পারে এবং সেরে উঠতে কমপক্ষে ৭ দিন থেকে কয়েক মাস লেগে যেতে পারে। সহবাসের সময় ব্যথা অনুভব হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে ৫৩ শতাংশ পর্যন্ত। অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে সমস্যা দেখা দিতে পারে।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="বাংলাদেশে-এপিসিওটমি">বাংলাদেশে এপিসিওটমি</h2>



<p>বাংলাদেশে এপিসিওটমির একটা চিত্র আমরা দেখতে পারিঃ</p>



<p>২০১৭ সালে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রাঙ্গামাটিতে একটি জরিপ করা হয়। ৪৩৩ জন মা স্বাভাবিক প্রসব করে। যাদের মধ্যে প্রথমবার মা হন ২৩১ জন, দ্বিতীয় বা তার অধিকবার মা হন ২০২ জন। এপিসিওটমি দেয়া হয় মোট ১৫৬ জন মাকে। এই ১৫৬ জনের মধ্যে প্রথমবার মা ছিলেন ১০৯ জন, দ্বিতীয় বা তার অধিকবার মা ছিলেন ৪৯ জন। উপসংহার এই যে রাঙ্গামাটিতে এপিসিওটমির হার অনেক বেশি।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="এপিসিওটমি-এড়াতে-কি-কি-করা-যায়">এপিসিওটমি এড়াতে কি কি করা যায়?</h2>



<p>একজন মা পেরিনিয়ামের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারেন এবং এপিসিওটমির প্রয়োজনীয়তা কমাতে পারেন এইভাবে-</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>একজন দৌলাকে প্রসবের সময় সাথে রাখা। একজন দৌলা জানবে মা প্রসবের সময় কি কি চাচ্ছে, কিভাবে চাচ্ছে। সে ডাক্তারকে মায়ের পরিকল্পনা জানাবে এবং সেইভাবে প্রসবের জন্য উৎসাহিত করবে।</li>



<li>গর্ভাবস্থার শেষ কয়েক সপ্তাহে পেরিনিয়াল ম্যাসেজ।</li>



<li>শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম এবং পেলভিক ফ্লোর ব্যায়াম।</li>



<li>কেগেল ব্যায়াম।</li>



<li>এছাড়াও প্রসবের বিভিন্ন অবস্থান সাহায্য করে।</li>
</ul>



<p>বিভিন্নভাবে এটা প্রমাণিত হয় যে রুটিনমাফিক সাইড কাটা সাক্ষ্য প্রমাণ এবং গবেষণার ভিত্তিতে না বরং&nbsp; প্রসূতি বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘ সময় ধরে করে আসা এক ভুল চর্চা। প্রাকৃতিক প্রসবে শতকরা ৫০ ভাগ মায়েদেরই পেরিনিয়াম অক্ষত থাকে, কোন টিয়ার ছাড়াই প্রসব হয়ে যায়। কিন্তু সাইড কাটা হলে শতকরা ১০০ ভাগ মায়েরদেরই কমপক্ষে ২য় ডিগ্রি টিয়ার হয়ে যায়। সব মায়েদের এই ব্যপারে জানা উচিৎ যাতে তারা তাদের ডাক্তারদের সাথে এই ব্যপারে প্রসবের আগেই কথা বলে নিতে পারে।</p>



<p>এপিসিওটমির স্বাভাবিক হার ৫ থেকে ১০ শতাংশের বেশি হওয়া উচিৎ না। এটা তখন করা যাবে যখন আসলেই এর প্রয়োজন।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="তথ্য-উৎস">তথ্য উৎস</h2>



<p>১. Born in the USA: How a Broken Maternity System Must Be Fixed to Put Women and Children First by <a href="https://www.ucpress.edu/search.php?q=Marsden+Wagner" target="_blank" rel="noreferrer noopener">Marsden Wagner</a><br>২. <a href="https://www.researchgate.net/publication/332948285_Routine_Episiotomy_Practice_A_Study_from_Bangladesh" target="_blank" rel="noreferrer noopener">Routine Episiotomy Practice : A Study from Bangladesh</a><br>৩. <a href="https://www.banglajol.info/index.php/MEDTODAY/article/view/41945" target="_blank" rel="noreferrer noopener">Prediction of Perineal Tear During Childbirth by the Assessment of Striae Gravidarum Score</a></p>



<div class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color" style="background-color:#dddbd5; padding:25px">
<h4 class="has-very-dark-gray-color has-text-color">লেখাটি রিভিউ করেছেন –</h4>
<p><strong>ডাঃ সাবরিনা আফরোজ </strong><br>এমবিবিএস, এমপিএইচ<br>লেকচারার, ঢাকা কমিউনিটি মেডিসিন কলেজ</p>
</div>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/what-is-episiotomy-history/">এপিসিওটমির একাল সেকাল</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://matritto.com/what-is-episiotomy-history/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নরমাল ডেলিভারিতে সাইড কাটা ভালো না সিজার?</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://matritto.com/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Dr. Sayma Sajjad Mowshi]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 25 Aug 2022 01:15:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[এপিসিওটমি]]></category>
		<category><![CDATA[সাইড কাটা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=4851</guid>

					<description><![CDATA[<p>সিজার একটা বড় অপারেশন যেখানে এপিসিওটমি বা সাইড কাটা ছোট  incision। সাইড কাটার ভয়ে সিজারের চিন্তা বোকামি। ১৫ দিনেই সাইড কাটার ক্ষত সেরে যায়।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be/">নরমাল ডেলিভারিতে সাইড কাটা ভালো না সিজার?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<h2>নরমাল ডেলিভারিতে সাইড কাটা নিয়ে অনেকের অনেক ভীতি কাজ করে, অনেকে বলে থাকেন সাইড কাটার চেয়ে সিজার ভালো। সাইড কাটার প্রতি এমন আতঙ্ক থাকার কারণ এই সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকা। আজকে সাইড কাটা নিয়ে বুঝিয়ে বলতে চেষ্টা করবো সহজভাবে।</h2>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-full"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2017/02/episiotomy-490x350.jpg" alt="সাইড কাটা বা এপিসিওটমি (Episiotomoy)" class="wp-image-462" title="নরমাল ডেলিভারিতে সাইড কাটা ভালো না সিজার? 4"></figure>
</div>


<div class="wp-block-rank-math-toc-block" id="rank-math-toc"><h2>বিষয়সূচী</h2><nav><ul><li><a href="#সাইড-কাটা-বা-এপিসিওটমি-কি">সাইড কাটা বা এপিসিওটমি কি?</a></li><li><a href="#সিজার-আর-সাইড-কাটা-কি-সেইম">সিজার আর সাইড কাটা কি সেইম?</a></li><li><a href="#বাসায়-নরমাল-ডেলিভারিতে-কি-সাইড-কাটতে-হতো">বাসায় নরমাল ডেলিভারিতে কি সাইড কাটতে হতো?</a></li><li><a href="#সাইড-কাটা-কখন-দরকার-হয়">সাইড কাটা কখন দরকার হয়?</a></li><li><a href="#সাইড-কাটার-পর-যত্ন-ও-করনীয়ঃ">সাইড কাটার পর যত্ন ও করনীয়ঃ</a></li><li><a href="#সাইড-কাটার-সেলাই-কাটা">সাইড কাটার সেলাই কাটা</a></li></ul></nav></div>



<h2 class="wp-block-heading" id="সাইড-কাটা-বা-এপিসিওটমি-কি">সাইড কাটা বা এপিসিওটমি কি?</h2>



<p>স্বাভাবিক প্রসবের সময় যখন মায়ের পেরিনিয়াম (যোনিপথ ও পায়ুপথের মধ্যবর্তী জায়গা) ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে তখন ডাক্তার ডান বা পাশ থেকে যোনিপথ কিছুটা কেটে বড় করতে হয় এটিকেই বলে <a href="https://matritto.com/%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a7%9c/" target="_blank" data-type="URL" data-id="https://matritto.com/%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a7%9c/" rel="noreferrer noopener">এপিসিওটমি বা সাইড কাটা</a>।</p>



<p>এখন চলুন, কিছু অনুমান/ধারণা দূর করি আগে। কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়ে।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="সিজার-আর-সাইড-কাটা-কি-সেইম">সিজার আর সাইড কাটা কি সেইম?</h2>



<p>প্রথমেই বুঝতে হবে সিজার একটা মেজর অপারেশন আর সাইড কাটা একটা নরমাল ইনসিশন। সিজারে পেটের চামড়া, নিচের লেয়ার, জরায়ু কাটতে হয়, এনেস্থিসিয়া দিয়ে অজ্ঞান করতে হয়, পরবর্তী তে নানা ধরনের জটিলতা হয় কিন্ত সাইড কাটাতে এমন কিছুই নেই - সন্তান প্রসবের সময় পেরিনিয়াম ছিড়ে যাওয়ার চান্স থাকলে তখন সেখানে একটা লোকাল এনেস্থিসিয়া দিয়ে ডান বা বাম সাইড থেকে একটা প্ল্যান ওয়েতে কাটা হয়, যেটা তখন মা বুঝতেই পারে না কারণ তখন তিনি জায়গাটা অনেক পাতলা থাকে এবং অনেক পেইনে থাকে। সন্তান প্রসবের পর সেই কাটা জায়গাটা সুন্দর করে সেলাই করে দেয়া হয় যেটার সুন্দর যত্ন নিলে দুই সপ্তাহের মধ্যেই সেরে যায়। অথচ সিজারে পুরো পেট কা-ট-তে হচ্ছে, সিজার পরবর্তী সময়েও নানা সমস্যা হয়। তাহলে কি করে সিজার আর সাইড কাটা এক হয়, রান্নাঘরে কাজ করার সময় হাত কেটে গেলে যেমন পরে ঠিক হয়ে গেলে বুঝা যায় না সাইড কাটাও সেইম।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="বাসায়-নরমাল-ডেলিভারিতে-কি-সাইড-কাটতে-হতো">বাসায় নরমাল ডেলিভারিতে কি সাইড কাটতে হতো?</h2>



<p>আগেকার যুগে বা বাসায় নরমাল ডেলিভারি তে তো সাইড কাটতে হয় না তাদের কিভাবে প্রসব হয়?</p>



<p>খুব কমন একটা প্রশ্ন। এটা বুঝিয়ে বলছি -</p>



<p>আগের দিনে বা এখনো যারা বাড়িতে প্রসব করান যেখানে কোনো প্রশিক্ষিত বা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নেই তারা সাইড কাটা বা সেলাই করা বলতে কিছুই জানতেন না। ফলে সেসময় বেশীরভাগ বাচ্চা যোনিপথ মারাত্মক ভাবে ক্ষত হয়ে ছিঁড়ে বের হতো। এই মায়েরা পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য ঝুকির মুখোমুখি হতেন। প্রসাব পায়খানা করতে গিয়ে সমস্যায় পরতেন, স্বামীর সঙ্গে মেলামেশা করতেও সমস্যা হতো।</p>



<p>কিন্ত হসপিটালে ডেলিভারী করালে এই সমস্যা হওয়ার সুযোগ নেই। সন্তান প্রসব অবশ্যই হাসপাতালে করাতে হবে। হাসপাতালে সন্তান প্রসব এজন্যই নিরাপদ, যখনই দেখা যায় মায়ের যোনিপথ ছোট বা বাচ্চার মাথা জোর করতে গেলে ক্ষতি হবে তখনই একটুখানি যোনিপথের সাইড কেটে দিতে হয়। তখন বাচ্চার মাথা সহ বাচ্চার শরীর সহজে চলে আসে। সন্তান প্রসবের পরপরই যোনিপথের কাটা সাইডটা সেলাই দেওয়া হয়, যেটা ১৫ দিনের মধ্যেই খুব সুন্দর সেরে যায়, ভয়ের কিছুই নেই।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="সাইড-কাটা-কখন-দরকার-হয়">সাইড কাটা কখন দরকার হয়?</h2>



<p>অনেকে ভাবেন নরমাল ডেলিভারি মানেই সাইড কাটে। অথচ নরমাল ডেলিভারি তে যে সবসময়ই সাইড কাটা বা যোনিপথ কাটাতে হয় তা কিন্তু সঠিক নয়। ডেলিভারির সময় বাচ্চার ও মায়ের অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সাইড কাটার কখন দরকার হয় অবস্থা গুলো বুঝিয়ে বলি -</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>প্রসবকালীন সময়ে যখন বাচ্চার মাথা আসতে থাকে তখন আমরা দেখি মায়ের যোনিপথের প্রশস্ততার তুলনায় বাচ্চার মাথা বড় সেক্ষেত্রে মাথা বের করে নিয়ে আসতে গেলে আশপাশের সব ছিঁড়ে যাওয়ার ও ক্ষতবিক্ষত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তখন একটুখানি সাইড কেটে দিলে বাচ্চার মাথাটা সহজভাবে চলে আসে।</li>



<li>যদি বাচ্চার মাথা অনেকক্ষণ ধরে আটকে থাকে বের না হয় সেক্ষেত্রে সাইড কেটে দিয়ে সহজে বাচ্চাকে বের করে আনা হয়।</li>



<li>বাচ্চার যদি কোন সমস্যা তৈরি হয় যার ফলে দ্রুত প্রসবের প্রয়োজন তখন।</li>



<li>বাচ্চার মাথা নিচে না থেকে যদি উপরে হয়।</li>



<li>যদি এমন হয় কয়েক ঘন্টা ধরে চেষ্টার পর মা ক্লান্ত হয়ে গেছে কারণে এপিসিওটমি করার প্রয়োজন হতে পারে।</li>



<li>সাইড কাটলে কি প্রস্রাব পায়খানা, সহবাসে সমস্যা হয়?</li>
</ul>



<p>অনেকের ধারণা সাইড কাটলে প্রস্রাব পায়খানা, সহবাসে সমস্যা হয়। এটা ভুল ধারণা। সাইড কাটার পর প্রস্রাব পায়খানা তে কোনো সমস্যা হয় না, সহবাসেও কোনো সমস্যা হয় না - প্রসব পরবর্তী যে ৪৫ দিন সহবাস বিরত থাকতে বলা হয় এর মধ্যেই সেলাই পুরোপুরি ভালো হয়ে যায়, আগের মতো।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="সাইড-কাটার-পর-যত্ন-ও-করনীয়ঃ">সাইড কাটার পর যত্ন ও করনীয়ঃ</h2>



<p>সাইড কাটার পর কিছু যত্ন নিতে হয়। প্রথমেই সেগুলো বুঝিয়ে বলছি -</p>



<p>১. ডাক্তার ব্যথার জন্য ঔষধ , এন্টিবায়োটিক ও তিন বেলা কাটা জায়গায় লাগানোর একটা মলম দিবেন, পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয় সিরাপ সহ অনান্য ঔষধ - এই জিনিস সেগুলো নিয়ম অনুযায়ী মেনে চলা।</p>



<p>২. অনেকে বলেন সেলাই এ পানি লাগানো যাবে না, এটা ভুল কথা - প্রস্রাবের পরপরই আপনার যোনিপথ ও নীচের দিকও ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে।</p>



<p>৩. কুসুম গরম পানিতে ১ চামচ পভিসেপ আয়োডিন মিশিয়ে ১৫-২০ মিনিট পানিতে বসে থাকা, দিনে ২ বার করে - ১ মাস কন্টিনিউ করা।</p>



<p>৪. খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যুক্ত খাবার রাখুন, পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান ও সুষম খাবার খেতে হবে যেন কোষ্ঠকাঠিন্য না হয়।</p>



<p>৫. নিয়মিত হাটা ও ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী পোস্ট ন্যাটাল ব্যায়াম (বিশেষ করে পেলভিক ফ্লোর এর ব্যায়াম) গুলো করা যা পেলভিক মাংশপেশীতে রক্ত সংবহন বাড়ায় যা ক্ষত স্থানকে দ্রুত সারাতে সাহায্য করে।</p>



<p><strong>সম্পর্কিত</strong>: <a href="https://matritto.com/postpartum-care/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">স্বাভাবিক প্রসবের পর প্রসব পরবর্তী যত্ন (Postpartum Care)</a></p>



<h2 class="wp-block-heading" id="সাইড-কাটার-সেলাই-কাটা">সাইড কাটার সেলাই কাটা</h2>



<p>সাইড কাটার সেলাই কাটতে হয় না, এটা নিজে নিজেই পরে যায়। চিন্তার কিছুই নেই, ডেলিভারির পর, ৭ দিন পর যে ভিজিটে গিয়ে ডাক্তারকে দেখানো উচিত।</p>



<p>যদিও সাইড কাটাতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনো সমস্যা হয় না তবে কখনো কারো ডায়বেটিস বা যত্নের অভাবে বা অন্য কারনে কাটা জায়গায় সমস্যা হতে পারে। তাই জানা উচিত কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেনঃ</p>



<p>লক্ষ্মণ গুলো হলোঃ</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>যদি বেশিদিন ব্যথা থাকে।</li>



<li>কাটা জায়গা থেকে পুঁজ অথবা গন্ধযুক্ত কিছু বের হয়।</li>



<li>কাটা জায়গার আশপাশ লাল হয়ে যায়, ফুলে যায়, জ্বর হয় - এগুলোর যেকোনো একটি যদি চোখে পরে তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ।</li>
</ul>



<p>আশা করি লেখাটি পড়ে সাইডকাটা নিয়ে আপনাদের ধারণা ক্লিয়ার হবে। সিজার আর সাইড কাটা কখনোই এক না, বিশাল ব্যবধান। তাই সাইড কাটার ভয়ে সি সেকশনে যাওয়া বড় বোকামি যেন না করি। দরকার হয় এমন কোনো ধরনের সমস্যা না থাকলে অবশ্যই নরমাল ডেলিভারিই একমাত্র পছন্দ হওয়া উচিত, যদি সাইড কাটা লাগে উপযুক্ত যত্নের মাধ্যমে খুব দ্রুত তা সেরে যায় আলহামদুলিল্লাহ।</p>



<p>নিজে সচেতন হই, অন্যকেও সচেতন করি ইন শা আল্লাহ <img decoding="async" alt="?" src="https://static.xx.fbcdn.net/images/emoji.php/v9/t96/1/16/1f49c.png" width="16" height="16" title="নরমাল ডেলিভারিতে সাইড কাটা ভালো না সিজার? 5"></p>



<p><a href="https://sukoonhealthbd.com/" target="_blank" data-type="URL" data-id="https://sukoonhealthbd.com/" rel="noreferrer noopener nofollow">- ডাঃ সায়মা সাজ্জাদ মৌসি</a></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be/">নরমাল ডেলিভারিতে সাইড কাটা ভালো না সিজার?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://matritto.com/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>4</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে?</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আফিফা রায়হানা]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 08 Jul 2020 08:50:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[নরমাল ডেলিভারি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রসব প্রক্রিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[সি সেকশন]]></category>
		<category><![CDATA[সিজারিয়ান]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=2647</guid>

					<description><![CDATA[<p>একটি সন্তান পৃথিবীতে জন্মদানের প্রক্রিয়া চলতে থাকে লম্বা সময়ের প্রেগন্যান্সীতে, তার পরিসমাপ্তি ঘটে ডেলিভারির মাধ্যমে। প্রথমবার সন্তান ধারণ করা মায়েরা ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না, ডেলিভারীর কোন পদ্ধতি তার জন্য ভালো হবে - নরমাল ডেলিভারী নাকি সি-সেকশন? নরমাল ডেলিভারি হলে কোনটা বেছে নেওয়া উচিত? স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রসব নাকি ওষুধ ব্যবহার সহযোগে ইন্ডিউসড প্রসব? এক্ষেত্রে একজন [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8/">প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>একটি সন্তান পৃথিবীতে জন্মদানের প্রক্রিয়া চলতে থাকে লম্বা সময়ের প্রেগন্যান্সীতে, তার পরিসমাপ্তি ঘটে ডেলিভারির মাধ্যমে। প্রথমবার সন্তান ধারণ করা মায়েরা ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না, ডেলিভারীর কোন পদ্ধতি তার জন্য ভালো হবে - নরমাল ডেলিভারী নাকি সি-সেকশন? নরমাল ডেলিভারি হলে কোনটা বেছে নেওয়া উচিত? স্বাভাবিক <a href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%83-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%af/" class="rank-math-link">প্রাকৃতিক প্রসব</a> নাকি ওষুধ ব্যবহার সহযোগে <a href="https://matritto.com/%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b6%e0%a6%a8-induction-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be/" class="rank-math-link">ইন্ডিউসড প্রসব</a>? </p>



<div class="gutentoc tocactive squiredlist scroll_id_show"><div class="gutentoc-toc-wrap"><div class="gutentoc-toc-title-wrap"><div class="gutentoc-toc-title">বিষয়সূচী</div><div id="open" class="togglethree">hide</div></div><div id="toclist"><div class="gutentoc-toc__list-wrap"><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#নরমাল-ডেলিভারিতে-ভ্যাজাইনাল-বার্থ-যা-হয়">নরমাল ডেলিভারিতে (ভ্যাজাইনাল বার্থ) যা হয়</a></li><li><a href="#নরমাল-ডেলিভারি-কি-কষ্টকর-">নরমাল ডেলিভারি কি কষ্টকর?&nbsp;</a></li><li><a href="#সি-সেকশনে-যা-হয়-">সি-সেকশনে যা হয়&nbsp;</a></li><li><a href="#সেড়ে-উঠতে-কত-সময়-লাগে">সেড়ে উঠতে কত সময় লাগে?</a></li><li><a href="#জটিলতাঃ-সি--সেকশন-বনাম-নরমাল-ডেলিভারি">জটিলতাঃ সি- সেকশন বনাম নরমাল ডেলিভারি</a></li><li><a href="#বাচ্চার-জন্য-কোনটি-ভালো-নরমাল-ডেলিভারি-নাকি-সি-সেকশন--">বাচ্চার জন্য কোনটি ভালো? নরমাল ডেলিভারি, নাকি সি-সেকশন?&nbsp;&nbsp;</a></li><li><a href="#ডেলিভারির-জন্য-আপনি-কোন-প্রক্রিয়াটি-বেছে-নেবেন-">ডেলিভারির জন্য আপনি কোন প্রক্রিয়াটি বেছে নেবেন?&nbsp;</a></li><li><a href="#সি-সেকশনের-পর-পরবর্তীতে-ভ্যাজাইনাল-ডেলিভারির-সম্ভাবনা">সি-সেকশনের পর পরবর্তীতে ভ্যাজাইনাল ডেলিভারির সম্ভাবনা</a></li></ul></div></div></div><style> .gutentoc-toc-wrap ul li a, .gutentoc-toc-title-wrap .text_open{ color: undefined}} </style></div>



<p>এক্ষেত্রে একজন ডাক্তার অবশ্যই ভালো পরামর্শ দেবেন, তবে তার আগে নিজেদের এই ব্যাপারগুলো ভালো করে জানার প্রয়োজন আছে, যেমন- কখন নরমাল ডেলিভারি করা সম্ভব, কোন অবস্থায় সি-সেকশনে যাওয়া প্রয়োজন, আবার কখন সবকিছু ঠিক থাকলেও শেষ মুহূর্তে ইমার্জেন্সী সি-সেকশন লাগতে পারে ইত্যাদি।&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="নরমাল-ডেলিভারিতে-ভ্যাজাইনাল-বার্থ-যা-হয়">নরমাল ডেলিভারিতে (ভ্যাজাইনাল বার্থ) যা হয়</h2>



<p>নরমাল ডেলিভারিতে নির্দিষ্ট সময়ের পর প্রাকৃতিকভাবে ব্যাথা শুরু হতে পারে অথবা ওষুধ প্রয়োগে ইন্ডিউসড পেইন হতে পারে। এসময় জরায়ুর পেশী ক্রমাগত সঙ্কুচিত-প্রসারিত হতে থাকে, এবং বাচ্চার মাথাকে ঠেলে প্রসবদ্বার বা বার্থ ক্যানেলে পৌঁছে দেয়। এইসময় সার্ভিক্স এর মুখ আস্তে আস্তে খুলতে থাকে এবং বাচ্চার মাথা আর ঘাড় বের হওয়ার মতো অবস্থায় চলে যায়। এক পর্যায়ে যেয়ে বাচ্চা ভেতর থেকে চাপ প্রয়োগ করে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাকে পুশ করতে হয়, যা থেকে বাচ্চার মাথা দ্রুত নীচে নেমে আসে। এইসময় বাচ্চার মাথা মায়ের পেরিনিয়াল এরিয়া অর্থাৎ যোনি আর মলদ্বারের মধ্যকার জায়গাটি&nbsp; প্রসারিত করে, যতক্ষণ না পর্যন্ত বাচ্চা যোনিপথ দিয়ে সম্পূর্ণ বের হয়ে আসে।&nbsp;&nbsp;</p>



<div class="wp-block-image is-style-rounded"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/07/normal-vaginal-delivery-2.jpg" alt="প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে? 1" class="wp-image-2687" title="প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে? 6"></figure></div>



<h2 class="wp-block-heading" id="নরমাল-ডেলিভারি-কি-কষ্টকর-">নরমাল ডেলিভারি কি কষ্টকর?&nbsp;</h2>



<p>নরমাল হোক, আর সি-সেকশন, মানব সন্তান জন্ম দেয়ার প্রক্রিয়াটিই কষ্টকর। তবে <a href="https://matritto.com/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be/" class="rank-math-link">মেয়েদের শরীর জন্মগতভাবে নরমাল ডেলিভারির জন্য তৈরি</a>। তার মানে তার এই পরিমাণ কষ্ট সহ্য করার শক্তি আছে, যাতে সে ডেলিভারি পেইন সহ্য করে নরমাল ডেলিভারি করতে পারে। বিশেষক্ষেত্রগুলো&nbsp; ছাড়া অধিকাংশ মায়েরাই নরমাল ডেলিভারির জন্যে সক্ষম হয়ে থাকেন।&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="সি-সেকশনে-যা-হয়-">সি-সেকশনে যা হয়&nbsp;</h2>



<p>সি-সেকশন আগে থেকে পরিকল্পনা মাফিক হতে পারে অথবা অবস্থা অনুযায়ী জরুরী ভিত্তিতেও হতে পারে। সি-সেকশনে মাকে অপারেশন টেবিলে নিয়ে যাওয়া হয়। পেটের উপর থেকে পর্দা টেনে দেয়া হয়, যাতে অপারেশনের প্রক্রিয়াটি মায়ের দৃষ্টিগোচর না হয়। সার্জন মায়ের তলপেটের নীচের দিকে (পিউবিক হেয়ার শুরুর ঠিক উপরে) চার থেকে ছয় ইঞ্চি লম্বা আড়াআড়ি কেটে নেন। জরায়ু যখন বাহির থেকে দেখা যায়, আড়াআড়ি ভাবে আরেকটা ইনসেশন করেন জরায়ুর নীচের দিকে। এরপর জরায়ুর কাটা অংশটুকু দিয়ে বাচ্চাকে টেনে বের করে আনা হয়। এরপর&nbsp; আমবেলিক্যাল কর্ড ও প্ল্যাসেন্টা বের করে নিয়ে আসা হয়। তারপর জরায়ু আর তলপেটের খোলা অংশটুকু আলাদা আলাদাভাবে সেলাই করে বন্ধ করে দেয়া হয়।</p>



<div class="wp-block-image is-style-rounded"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/07/image-20150610-6787-xc885g.jpg" alt="প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে? 2" class="wp-image-2688" title="প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে? 7"></figure></div>



<p>বর্তমানে এই প্রক্রিয়াটি আমাদের দেশে বেশ প্রচলিত নানারকম কারণে।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>সিজারিয়ান সেকশন প্রকৃতপক্ষে মা ও শিশু উভয়ের জন্যই জীবন রক্ষাকারী ও বেশ বড় ধরনের সার্জারি। এখানে এপিডুরাল&nbsp; এনেসথেশিয়া প্রয়োগ করে মায়ের পেট থেকে পা পর্যন্ত সাময়িক অসাড় করে অপারেশন করা হয়, মা এখানে চেতনাবিহীন হন না। তবে মা পেটের ভেতরের চাপ বোধ করতে পারেন, অন্য অনুভূতিও হতে পারে।&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="সেড়ে-উঠতে-কত-সময়-লাগে">সেড়ে উঠতে কত সময় লাগে?</h2>



<p>সাধারনত বড় ধরনের জটিলতা না থাকলে নরমাল ডেলিভারিতে সেড়ে উঠতে সময় কম লাগে সি-সেকশনের তুলনায়। নরমাল ডেলিভারিতে সন্তান জন্মের পর একজন মা হুইল চেয়ারে বসেই ডেলিভারি রুম ত্যাগ করতে পারেন। এমনকি পেরিনিয়াম স্টিচ বা সেলাই থাকলেও। বাচ্চাকে সাথে সাথে কোলে নেয়া, ব্রেস্টফিডিং করানো, স্বাভাবিক হাঁটাচলা সবই সম্ভব। সি-সেকশনে যেহেতু পেট কয়েক লেয়ারে কেটে বাচ্চা বের করে আনতে হয়, বেশ কিছু স্টিচ পড়ে ভেতরে আর বাহিরে, মায়ের সেড়ে উঠতে বেশি সময় লাগে। তলপেটের কাটা অংশটি শুকানো পর্যন্ত মাকে বেশ খানিকটা কষ্ট করতে হয়। প্রথম দুই সপ্তাহ বেশ কঠিন। কারন এরকম ক্ষত নিয়ে নতুন জন্মানো শিশুটিরও দেখাশোনা করতে হয় মাকে।&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="জটিলতাঃ-সি--সেকশন-বনাম-নরমাল-ডেলিভারি">জটিলতাঃ সি- সেকশন বনাম নরমাল ডেলিভারি</h2>



<p>নরমাল ডেলিভারির চেয়ে রক্তপাতের পরিমাণ বেশি হয় সি-সেকশনে। যে কোন সার্জারির মতো এতেও ইনফেকশন হতে পারে, রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। যেহেতু সি-সেকশনে মা সাথে সাথে উঠে বসতে বা চলাফেরা করতে পারেন না, রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনা থেকেই যায়। এছাড়া সি-সেকশনে এনেস্থেশিয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে, লম্বা সময় ব্যাথা হতে পারে। যেজন্য সি-সেকশন হওয়া মাকে বেশি সময় হসপিটালে থাকতে হয়। অনেকসময় ডেলিভারি পরবর্তী জটিলতা দেখা দিতে পারে, যেমন অসহনীয় ব্যাথা, বা কাটা জায়গায় ঘা থেকে ইনফেকশন।&nbsp; সার্জারির সময় বাওয়েল বা ব্লাডার ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ব্লাড ক্লট জমতে পারে। সি-সেকশন মায়েরা বাচ্চাকে সচরাচর দ্রুত বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন না। তলপেটের ক্ষততে ব্যাথা আর অস্বস্তি ভাব থাকাতে, সেড়ে ওঠার সময়টা বড় হয়। অনেকের ক্ষেত্রে মাস দুয়েক লেগে যায়। এছাড়া একবার সি-সেকশন হলে আমাদের দেশের ডাক্তাররা সহজে পরবর্তীতে নরমাল ডেলিভারি করাতে চান না।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>তবে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে যদি পরবর্তী সন্তান প্রসবের সময় মায়ের নরমাল ডেলিভারি করার মত শারীরিক সুস্থতা&nbsp; থাকে এবং পূর্ববর্তী প্রসবের সময়কালীন জটিলতা বর্তমান পরিস্থিতিতে না হয়, তবে নরমাল ডেলিভারি করানো সম্ভব।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>নরমাল ডেলিভারিতে সাধারনত বাচ্চার মাথা বের হয়ে আসার কথা। যদি কোন কারনে বার্থ ক্যানেলের কোথাও বাচ্চা আটকে যায়, সেক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় বাচ্চার কাঁধ মায়ের পিউবিক বোনে আটকে যেতে পারে, যাকে শোল্ডার ডিস্টশিয়া (shoulder dystocia) বলে। এরকম ক্ষেত্রে ডাক্তাররা ভ্যাকুয়াম এক্সট্রেকশন করেন। যাতে ভ্যাকুয়ামের মতো একটা টেকনিকে সাকশান কাপের সাহায্যে বাচ্চাকে টেনে বের করা হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে ফোরসেপের সাহায্যে ডেলিভারি করাতে হয় যা "ফোরসেপ ডেলিভারি" নামে পরিচিত। </p>



<p>এক্ষেত্র গুলোতে দেখা যায় যে সার্ভিক্স পুরোপুরি ডাইলুটেড হয়ে বাচ্চার মাথা দেখা যাওয়ার পরও বাচ্চা স্বাভাবিক নিয়মে&nbsp; বের হয়ে আসে না, তখন বাচ্চার জীবন বাঁচাতে ও মাকে সাহায্য করতে ডাক্তার ভ্যাকুয়াম বা ফোরসেপ ডেলিভারি করে থাকেন। তবে এসব ক্ষেত্রে মায়ের পেরিনিয়াম (যোনির শেষভাগ থেকে মলদ্বারের উপর পর্যন্ত) কাটার প্রয়োজন পড়ে যা <a href="https://matritto.com/%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%81%e0%a7%9c/" class="rank-math-link">এপিসিওটমি</a> নামে পরিচিত। বাচ্চা ডেলিভারির পর ডাক্তার তা সেলাই করে দেন। সাধারনত অল্প সময়ের মধ্যে এপিসিওটমির ক্ষত ভালো হয়ে যায়, স্বাভাবিক অবস্থায় ৪০-৪৫দিন সময় লাগতে পারে।&nbsp;</p>



<p>নরমাল ডেলিভারিতে সম্ভব্য অন্যান্য জটিলতার মধ্যে রয়েছে পেলভিক অর্গান প্রলাপ্স, যা কিছু সংখ্যক মায়েদের হয়ে থাকে। যেহেতু লাস্ট স্টেইজে পুশ করে প্রেশার দিয়ে বাচ্চাকে বের করতে হয়, <a href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae/" class="rank-math-link">এরকম প্রলাপ্সের ঘটনা</a> ঘটতে পারে। অনেকে ডেলিভারির পর ব্লাডারের উপর সাময়িক নিয়ন্ত্রণ হারান। তবে সি-সেকশনের ক্ষেত্রেও এটি ঘটতে পারে।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>গবেষণায় আরও জানা গেছে, সিজারিয়ান ডেলিভারিতে প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতার প্রকোপ বেশি দেখা যায়।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="বাচ্চার-জন্য-কোনটি-ভালো-নরমাল-ডেলিভারি-নাকি-সি-সেকশন--">বাচ্চার জন্য কোনটি ভালো? নরমাল ডেলিভারি, নাকি সি-সেকশন?&nbsp;&nbsp;</h2>



<p>কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে সি-সেকশনে জন্ম নেয়া বাচ্চাদের ফুসফুসের কর্মক্ষমতা কিছুটা কম থাকে নরমাল ডেলিভারিতে জন্ম নেয়া&nbsp; বাচ্চাদের তুলনায়, তবে সেটি কিছু দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যায়। আবার এই শিশুদের পরবর্তীতে এলার্জি ও শ্বাসকষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিজ্ঞানীরা ভাবছেন এর পেছনে মাইক্রোবের প্রভাব থাকতে পারে। নরমাল ডেলিভারিতে বাচ্চারা মায়েদের বার্থ ক্যানেল থেকে এটি পেয়ে থাকে। মাইক্রোব হচ্ছে শরীরের উপকারী জীবাণু, স্বাভাবিক অবস্থায় এই জীবাণু গুলো একটি সুস্থ শিশুর দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি করতে সাহায্য করে।</p>



<div class="wp-block-image is-style-rounded"><figure class="alignright size-large is-resized"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/07/unnamed.png" alt="প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে? 3" class="wp-image-2689" width="350" height="350" title="প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে? 8"></figure></div>



<p>এছাড়া ভ্যাজাইনাল ডেলিভারিতে সাধারনত বাচ্চার জন্মের সাথে সাথেই স্কিন-টু-স্কিনের (মায়ের বুকের উপর দিয়ে দেয়া হয়, যাতে বাচ্চা মায়ের ত্বকের সংস্পর্শে আসতে পারে) জন্য মাকে দেয়া হয়। এভাবেও বাচ্চা মায়ের ত্বক থেকে মাইক্রোব পেয়ে থাকে।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p><a href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81/" class="rank-math-link">নরমাল ডেলিভারিতে সাথে সাথেই মা বাচ্চাকে ব্রেস্টফিড করাতে পারেন</a>। যদিও দুধের পর্যাপ্ত ফ্লো আসতে দুই/তিনদিন সময় লাগতে পারে। কিন্তু মায়ের পক্ষে সম্ভব বসে বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানো। সি-সেকশন করা অনেক মায়েরাই অভিযোগ করেন, ব্রেষ্টমিলক সহজে আসে না। তবে শাল দুধ এক দুই ফোঁটা যাই আসুক, সেটা সেই মায়ের বাচ্চার জন্য যথেষ্ট ।&nbsp; নানা পজিশন ও পরিকল্পিত পরিচালনা&nbsp; আছে, যার সাহায্য নিয়ে একজন সিজারিয়ান মা'ও তার সন্তানকে স্তন্যপান করাতে পারেন। মায়ের দুধের শুরুতে যে শালদুধ আসে, তা ইমিউন সিস্টেম গড়ে তোলার জন্য খুবই উপকারী।&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="ডেলিভারির-জন্য-আপনি-কোন-প্রক্রিয়াটি-বেছে-নেবেন-">ডেলিভারির জন্য আপনি কোন প্রক্রিয়াটি বেছে নেবেন?&nbsp;</h2>



<p>মেয়েদের শরীর প্রকৃতিগতভাবে ভ্যাজাইনাল ডেলিভারির জন্য তৈরি। যদি কোন ধরনের জটিলতা না থেকে থাকে, তবে অবশ্যই মায়েদের নরমাল ডেলিভারির চিন্তা করা উচিত। নরমাল ডেলিভারিতে সেড়ে ওঠা যায় দ্রুত, আপনি সহজেই প্রাত্যহিক জীবনে ফিরে আসতে পারবেন, বাচ্চার দেখাশুনা করতে পারবেন। আমাদের দেশে অনেক মায়েরাই কোন জটিলতা ছাড়াই ইলেক্টিভ (স্বেচ্ছায়) সি-সেকশনে যান, যেটি একদমই ঠিক নয়। অনেকে ডেলিভারি পেইনের কথা চিন্তা করে নরমাল ডেলিভারি এড়াতে চান। ব্যাথাহীন ডেলিভারি সম্ভব নয়, এটা ঠিক, কিন্তু বেশ কিছু <a href="https://matritto.com/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be/" class="rank-math-link">পেইন ম্যানেজমেন্টের পদ্ধতি</a> আছে, যার মাধ্যমে ডেলিভারি পেইন সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সি-সেকশনের দরকার পরে। যেমন বাচ্চার মাথা যদি শেষ পর্যন্ত নীচের দিকে না নামে। ভ্যাজাইনাল ব্রিচ ডেলিভারি ঝুঁকিপূর্ন। টুইন বেবি বা তার চেয়ে বাচ্চার সংখ্যা বেশি হলে অনেকে সি-সেকশন পছন্দ করেন। ডাইএমনিওটিক টুইন (যাদের প্রত্যেকের প্ল্যাসেন্টা ও এমনিওটিক স্যাক আলাদা থাকে) নরমাল ডেলেভারীতে সম্ভব। মনোএমনিউটিক টুইনদের (একটাই এমনিওটিক স্যাক) জন্য সি-সেকশন ভালো অপশন, কারন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এরা মায়ের পেটে একজন আরেকজনের সাথে জড়িয়ে থাকে।&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="সি-সেকশনের-পর-পরবর্তীতে-ভ্যাজাইনাল-ডেলিভারির-সম্ভাবনা">সি-সেকশনের পর পরবর্তীতে ভ্যাজাইনাল ডেলিভারির সম্ভাবনা</h2>



<p>একসময় যেমন মনে করা হতো, একবার সি-সেকশন মানেই পরবর্তীতে যতবার বাচ্চা হবে, প্রতিবারই সি-সেকশন করতে হবে এই ধারনা এখন আর প্রযোজ্য নয়। এখন ভি-ব্যাক (একবার সি-সেকশনের পর পরবর্তীতে ভ্যাজাইনাল ডেলিভারি) সম্ভব। সাধারনত সি-সেকশনে তলপেটে আড়াআড়ি ভাবে কাটা হয়, যেখানে খুব একটা ইউটেরাইন মাসল থাকে না। তাই একবার সি-সেকশনের পর পরবর্তী প্রেগন্যান্সিতে নরমাল ডেলিভারির জন্য চেষ্টা করলে ইনসেশন র‍্যাপচার (আগের সেলাই খুলে যাওয়া) এর সম্ভাবনা কম থাকে। তবে প্রথম সি-সেকশনের কাট যদি লম্বালম্বি হয়, সেক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। ভি-ব্যাকের ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেমন ইউটেরাইন র‍্যাপচারের কথা মাথায় রাখা উচিত। যেকোন সময় এতে প্রচুর রক্তপাত ঘটতে পারে। মায়ের জীবন শঙ্কায় পড়তে পারে। তাই ভি-ব্যাক বাসায় করানোর চেষ্টা না করাই উচিত। শুরু থেকেই হসপিটালের দ্বারস্থ হওয়া দরকার। &nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>কোন জটিলতা যদি না থেকে থাকে, ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন যে আপনি নরমাল ডেলিভারির ব্যাপারে আগ্রহী। এমন ডাক্তার খুঁজে বের করতে পারেন, যারা নরমাল ডেলিভারি করান, প্রয়োজন ছাড়া সি-সেকশনে যান না। ডাক্তার যদি সি-সেকশন করতে হবে এমন জানানও, তাহলে প্রশ্ন করে বিস্তারিত&nbsp;জেনে নিন যে উনি কি কারনে সি-সেকশন করতে চাইছেন, এটি এড়ানোর কোন উপায় আছে কিনা। অনেক সময় জানার অনেক ঘাটতির কারনে নতুন মায়েরা বুঝতে পারেন না, কী করবেন। সেক্ষেত্রে সবকিছুর সুবিধা, অসুবিধা ভালো মতো জেনে নিন। জানা থাকলে আপনার সিদ্ধান্ত নেয়া অনেকটাই সহজ হবে।&nbsp;</p>



<p>একটা কথা সবসময় মনে রাখবেন,&nbsp;আপনি ডেলিভারির জন্য যে প্রক্রিয়াতেই যান না কেন, দিন শেষে বাচ্চাটি সুস্থ অবস্থায় পৃথিবীতে আসতে পারছে কিনা, এবং&nbsp;আপনি সুস্থ আছেন কিনা, এগুলোই গুরুত্বপূর্ন। কাজেই যারা শুরু থেকে নরমাল ডেলিভারি করাতে চেয়েছেন, কিংবা সমস্ত প্রস্তুতি থাকার পরও সি-সেকশনে যেতে হয়েছে, এমন মায়েরা মন খারাপ করবেন না। দিনশেষে আপনার সুস্থতা ও আপনার সুস্থ সন্তানের সুন্দর হাসিই সকলের একমাত্র কাম্য- সে আপনি সিজারিয়ান মা'ই হন, বা সন্তান নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে জন্ম দেন।&nbsp;</p>



<p>আপনি এখন একজন মা হয়েছেন, এবং আপনার কোলে আপনার সুস্থ সন্তান আছে- এর চাইতে বড় পাওয়া আর কি হতে পারে!&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<div class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color" style="background-color:#dddbd5; padding:25px">
<h4 class="has-very-dark-gray-color has-text-color">লেখাটি রিভিউ করেছেন –</h4>
<p><strong>ডাঃ সারওয়াত জাবীন আনিকা </strong><br>এমবিবিএস<br>KMC (IMCS) - এ বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত</p>
</div>



<p class="has-background has-very-light-gray-background-color"><strong>ছবি কৃতজ্ঞতা</strong> TedMedTourism, iFeed Project Infant Feeding, The Conversation</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a8/">প্রসবের পাঁচকহনঃ নরমাল না সিজারিয়ান প্রসব কোনটা ভালো হবে?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রসব অভিজ্ঞতা কেন পড়বেন?</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%9c%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[ইসরাত জাহান ইনু]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 19 Mar 2020 06:59:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[প্রসবকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[প্রসব অভিজ্ঞতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=1672</guid>

					<description><![CDATA[<p>২০১৭ সালের দিকে বাংলা ভাষায় মাতৃত্ব'র এই ওয়েবসাইটে আমরা প্রথমবারের মতো গোছানো বার্থস্টোরি প্রকাশ করা শুরু করি।&#160;২০১৪ সাল থেকে মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে অনলাইনে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমরা বুঝতে পেরেছিলাম মায়েদের জন্য বার্থস্টোরি পড়া বেশ কয়েকভাবে কাজে লাগতে পারে, বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় এবং প্রসবের পরে। বার্থস্টোরি পড়া গর্ভাবস্থায় যেভাবে সহায়তা করে উদ্বেগ এবং [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%9c%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a8/">প্রসব অভিজ্ঞতা কেন পড়বেন?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>২০১৭ সালের দিকে বাংলা ভাষায় মাতৃত্ব'র এই ওয়েবসাইটে আমরা প্রথমবারের মতো গোছানো বার্থস্টোরি প্রকাশ করা শুরু করি।&nbsp;২০১৪ সাল থেকে মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে অনলাইনে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমরা বুঝতে পেরেছিলাম মায়েদের জন্য বার্থস্টোরি পড়া বেশ কয়েকভাবে কাজে লাগতে পারে, বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় এবং প্রসবের পরে।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বার্থস্টোরি পড়া গর্ভাবস্থায় যেভাবে সহায়তা করে</h2>



<h3 class="wp-block-heading">উদ্বেগ এবং ভয় কমায়</h3>



<p>এমনিতেই অজানা বিষয়ের প্রতি মানুষের ভয় মজ্জাগত, তার উপর বর্তমান সময়ে মিডিয়া সহ সবখানে প্রেগনেন্সিকে যেভাবে চিত্রায়িত করা হয় সেটা যেকোন নারীকেই গর্ভাবস্থা সম্পর্কে ভীত করে তোলে। পাঠ্যক্রম, গণমাধ্যম কিংবা পারিবারিক পরিমণ্ডলে কোথাও প্রেগনেন্সি- প্রসব সন্তান পালন এসব&nbsp;বিষয়ে গঠনমূলক কোন তথ্য-পরামর্শ বা দিক নির্দেশ দেয়ার ব্যবস্থা নেই। ইতিবাচক গল্প শুনলে গর্ভবতী নারীদের মন হালকা হতে পারে এবং পূর্ব ধারণাগুলো সংশোধনে সহায়ক হতে পারে।</p>



<h3 class="wp-block-heading">অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা</h3>



<p>বিভিন্ন ধরনের birth story পড়ার মাধ্যমে, মায়েরা প্রসবের সময়ের বিভিন্ন বিকল্প, মেডিকেল হস্তক্ষেপ এবং সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে জানতে পারেন। অন্যদের অভিজ্ঞতা পড়ার মাধ্যমে একজন নারী নিজের প্রেগনেন্সির জন্য বার্থ প্ল্যান করতে পারেন এবং অন্যদের পরিকল্পনার সাথে নিজেরটা মিলিয়ে নিতে পারেন</p>



<h3 class="wp-block-heading">ইতিবাচক বার্থ অভিজ্ঞতার প্রত্যাশা তৈরি করে</h3>



<p>প্রেগনেন্সি ও প্রসব সম্পর্কে ভীতিমূলক সামাজিক ধারণা থাকা সত্ত্বেও সেটা বদলে দেয়া সম্ভব যদি একজন মা গর্ভধারণের আগে এবং গর্ভাবস্থায় অনুপ্রেরণামূলক বার্থ স্টোরি পড়েন। এসব স্টোরি পড়ার মাধ্যমে একজন মা গল্পে বলা মায়ের সাথে নিজের সামঞ্জস্য খুঁজে পাবেন এবং নারীদেরকে যে আল্লাহ শারীরিকভাবে গর্ভধারণ এবং প্রসবের জন্য প্রস্তুত করে তৈরি করেছেন সেই বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা তৈরি হবে।</p>



<h3 class="wp-block-heading">করণীয় ঠিক করতে সহায়তা</h3>



<p>প্রসব অভিজ্ঞতা তারাই লিখেন, যারা সন্তান গর্ভধারণ, প্রসব এবং সন্তান লালন পালন নিয়ে সচেতন। এসব বিষয় নিয়ে তারা পড়াশোনা করেন এবং অন্যকে জানানোর ধারণা থেকেই তারা প্রসব অভিজ্ঞতা লিখেন। এসব স্টোরি পড়ার মাধ্যমে পাঠকের মনে একই রকম আগ্রহ তৈরি হয় এবং তারাও প্রয়োজনীয় প্রিনাটাল জ্ঞান&nbsp;অর্জনে এগিয়ে যান</p>



<h2 class="wp-block-heading">প্রসবের পরে বার্থস্টোরির ভূমিকা</h2>



<h3 class="wp-block-heading">মানসিক নিরাময়</h3>



<p>গর্ভধারণ, সন্তান প্রসবের স্মৃতি এবং প্রসব পরবর্তী হরমোনগত কারণে আবেগীয় উঠানামা এসব মিলিয়ে প্রসবের পরে একজন নারী যে কঠিন সময় পার করে সেই সময়টাকে বুঝতে এবং মানিয়ে নিতে অন্যদের বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতাগুলো বিশেষভাবে সহায়তা করে।</p>



<h3 class="wp-block-heading">আবেগ ও প্রত্যাশার ভারসাম্যকরণ</h3>



<p>এ সময়ের মানসিক অবস্থা এবং সেটা বুঝতে এবং মানিয়ে নিতে গিয়ে কোনটা স্বাভাবিক এবং কোনটা অস্বাভাবিক সেটা একজন মা বুঝতে পারবেন না যদি তিনি না জানেন তার সাথে যা হচ্ছে কেন তা হচ্ছে এবং অন্যদের সাথে ও সেরকম হয়েছে কিনা। বার্থস্টোরি এই গ্যাপ পূরণে সহায়তা করে। মায়েরা বুঝতে পারেন তারা একা নন এবং যা হচ্ছে তা অনেকাংশেই স্বাভাবিক</p>



<h3 class="wp-block-heading">মাতৃত্ব উদযাপন</h3>



<p>মানব সভ্যতার চলমানতা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবারে একজন নতুন সদস্যকে একজন মা তার মধ্য দিয়ে নিয়ে দুনিয়াতে আসেন বিষয়টা কি দুর্দান্ত রকমের গুরুত্বপূর্ণ সেটা অন্যদের বার্থ স্টোরি পড়ার মাধ্যমে একজন মা বুঝতে পারেন। মাতৃত্বের ইতিবাচক উদযাপনের জন্য এ ধরনের অনুধাবন অত্যন্ত জরুরী</p>



<h2 class="wp-block-heading">বার্থস্টোরি পড়ায় সতর্কতা</h2>



<p>খেয়াল রাখার বিষয় হলো প্রত্যেকটি জন্ম আলাদা, প্রত্যেকটি প্রসব আলাদা এমন কি একই মায়ের ভিন্ন ভিন্ন প্রসবের বৈচিত্র থাকে। তাই পাঠক হিসেবে সন্তান প্রত্যাশী বাবা-মা দুজনেরই খেয়াল রাখা দরকার গল্পের সবকিছুই তার সাথে মিলবে না। এমনকি অন্যদের অভিজ্ঞতার তার কাছে অস্বাভাবিক এবং বিরক্তি করো ঠেকতে পারে। এরকম প্রত্যাশা নিয়ে বার্থ স্টোরি পরা উচিত এবং নিজের মানসিক সুস্বাস্থ্যের ব্যাপারে দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন।</p>



<p>Birth story পড়ার অন্যতম অনুপ্রেরণা হওয়া উচিত যেন এই গল্পগুলো মানসিকভাবে একজন মাকে উজ্জীবিত রাখে এবং একজন বাবাকে বিভিন্ন সময়ে তার করণীয় অনুধাবনে সহায়তা করে। <em>অপ্রয়োজনীয় এবং অবাস্তব প্রত্যাশা যেন তৈরি না হয়</em>।</p>



<p>এবার আসুন জানি এমন কিছু মায়েদের কথা তাদের কাছ থেকেই যারা প্রসব অভিজ্ঞতা পড়ে উপকৃত হয়েছেন।</p>



<h2 class="wp-block-heading">বার্থস্টোরি কেন পড়বেন: মায়েদের কথা</h2>



<h3 class="wp-block-heading">ওয়াসিফা নূর তামান্না</h3>



<p>বার্থস্টোরি পড়া হয়। প্রেগনেন্সি  জার্নি কেমন হতে পারে, ডেলিভারি এর সময় কেমন হতে পারে, ভিন্ন মানুষের ভিন্ন পরিস্থিতি এগুলো বুঝতে সাহায্য করেছে এই প্রসব অভিজ্ঞতাগুলো। তবে নিগেটিভ স্টোরি গুলো কেয়ারফুলি পড়া উচিত, যাতে সেই গল্পগুলো আমাদের বেশি এফেক্ট করতে না পারে।</p>



<h3 class="wp-block-heading">তানজিলা রহমান তৃণা</h3>



<p>আমি অধীর আগ্রহ নিয়ে বার্থস্টোরি পড়তাম, বিশেষ করে প্রথম প্রেগনেন্সির সময়ে এত বেশি বার্থ স্টোরি পড়েছি ! এই অভিজ্ঞতাগুলো পড়ার মাধ্যমে আমি শিখেছি লেবার পেইন ম্যানেজমেন্ট কতটা সুন্দর ভাবে করা যায়। বিভিন্ন ধরনের বাস্তবতা নিয়ে আইডিয়া পেয়েছি, এরকম বিভিন্ন সিচুয়েশনে পড়লে কিভাবে সেটা হ্যান্ডেল করতে হবে সেটা শিখেছি । বলা যায় প্রত্যেকটা প্রেগনেন্সিতে আমি উপকৃত হয়েছি এইসব এক্সপেরিয়েন্স গুলো পড়ে ।</p>



<p>নতুন যারা স্টোরি লিখবেন তাদের জন্য অনুরোধ এবং পরামর্শ হলো বার্থিং এক্সপেরিয়েন্স আপনাদের প্রত্যাশা মত না হলে যেমন যদি এপিশিওটমি লাগে সেটা কেন লাগলো, সি সেকশন কেন করতে হলো এ ধরনের ইনফরমেশন গুলো কাইন্ডলি এড করবেন। এতে পাঠকদের খুব উপকার হয় । ছাড়া বাচ্চা হওয়ার ২৪ ঘন্টার মাঝে করণীয় এবং খেয়াল রাখার মত বিষয়গুলোও তুলে আনবেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading">নাসরিন আঁখি</h3>



<p>হ্যা। বার্থস্টোরি জানতে ভাল লাগে। এ ধরনের প্রসব অভিজ্ঞতার গল্পগুলো ১ম প্রেগন্যান্সির সময় খুবই হেল্প করেছে। এমনকি ২য় প্রেগন্যান্সির শেষের দিকেও খুঁজে খুঁজে ইংলিশ বাংলা মিলিয়ে প্রচুর বার্থস্টোরি পড়েছি। মূলত আমি পড়েছি লেবারের সময়টার ম্যানেজমেন্টে ফোকাস করতে। বার্থস্টোরিতে প্রিনাটাল ও পোস্টনাটাল সময়ে স্বামীর সাথে মানসিক ও শারীরিকভাবে মায়ার সাথে ডিল করা নিয়ে বিস্তারিত থাকা উচিত মনে করি। বন্ডিং স্ট্রং থাকা খুবই জরুরি একটা জিনিস যেটা নিজের জন্যই ব্লেসিং এটা তুলে ধরা উচিত মনে করি।</p>



<p><a href="/tag/birth-stories" data-type="URL" data-id="/tag/birth-stories">আমাদের সবগুলো প্রসব অভিজ্ঞতা দেখুন এখানে।</a></p>



<p>আপনিও কি ইতিবাচক প্রসব অভিজ্ঞতা লিখে অন্য মায়েদের সাথে শেয়ার করতে চান? হবু মায়েদের উৎসাহ দিতে চান? তাহলে আর দেরী না করে ঝটপট লিখে পাঠিয়ে দিন আমাদের <a href="/contact">ইমেইলে</a> বা <a class="rank-math-link" href="https://www.facebook.com/matritto/" target="_blank" rel="noopener">মাতৃত্বের ফেসবুক পেইজের ইনবক্সে</a>।  </p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%9c%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a8/">প্রসব অভিজ্ঞতা কেন পড়বেন?</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রাকৃতিক প্রসবঃ আপনার যা জানা প্রয়োজন</title>
		<link>https://matritto.com/natural-birth/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Rabeya Rowshin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Jan 2020 03:01:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[Natural birth]]></category>
		<category><![CDATA[নরমাল ডেলিভারি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রাকৃতিক প্রসব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=1469</guid>

					<description><![CDATA[<p>“প্রাকৃতিক প্রসব” শব্দটা হয়ত আপনার কাছে নতুন ঠেকছে। আসলে, খুব বেশি দিন হয়নি একজন স্বেতাঙ্গিনী মুসলিম নারীর মাধ্যমে এই ধারণার সাথে আমারও পরিচয় হয়েছে। এই স্বেতাঙ্গিনী বোন নিউযিল্যান্ডের মতো দেশে নিজ ঘরে চারটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, আলহামুদলিল্লাহ। আপনি হয়ত এটা পড়ে অবাক হচ্ছেন। কিন্তু নিউযিল্যান্ড পৃথিবীর অল্প কিছু জায়গার একটি যেখানে মিডওয়াইফ বা ধাত্রীরা স্বাধীনভাবে [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/natural-birth/">প্রাকৃতিক প্রসবঃ আপনার যা জানা প্রয়োজন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>“প্রাকৃতিক প্রসব” শব্দটা হয়ত আপনার কাছে নতুন ঠেকছে। আসলে, খুব বেশি দিন হয়নি একজন স্বেতাঙ্গিনী মুসলিম নারীর মাধ্যমে এই ধারণার সাথে আমারও পরিচয় হয়েছে। এই স্বেতাঙ্গিনী বোন নিউযিল্যান্ডের মতো দেশে নিজ ঘরে চারটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, আলহামুদলিল্লাহ। আপনি হয়ত এটা পড়ে অবাক হচ্ছেন। কিন্তু নিউযিল্যান্ড পৃথিবীর অল্প কিছু জায়গার একটি যেখানে মিডওয়াইফ বা ধাত্রীরা স্বাধীনভাবে রেজিস্টার্ড হয়ে কাজ করতে পারে। তাদের জন্য সেখানে ধাত্রীবিদ্যা কলেজও আছে যেখান থেকে তারা ডিগ্রী নিতে পারে।</p>



<p>এই বোন যেই মিডয়াইফকে নিয়োগ দিয়েছিলেন উনার গর্ভাবস্থায় সেই মহিলা নিজ পেশায় এতটাই জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করেছেন যে উনি শুধু ঘরে প্রসব করাতে চাওয়া মহিলাদের নিয়ে কাজ করেন। এখানে আমাদের দেশের নরমাল ডেলিভারি করাতে চাওয়া পরিবারগুলোর একটা বিষয় বোঝার আছে; স্বাভাবিক প্রসবের জন্য ডাক্তারের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক না। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ধাত্রীরাই এর জন্য যথেষ্ট।&nbsp;</p>



<p>আপনার মনে নিশ্চয়ই এতক্ষণে প্রশ্ন আসছে কেন স্বাভাবিক প্রসব (Normal Delivery) না বলে প্রাকৃতিক প্রসব (Natural Birth) বলা হচ্ছে? উপরে যে ঘটনাটা বলা হয়েছে তার চিত্রটা ভেবে দেখুন। যুগ যুগ ধরে মেয়েরা ঘরেই ধাত্রীদের কাছে প্রসব করেছে। তারা কোন ব্যথানাশক ওষুধ বা মেডিক্যাল হস্তক্ষেপ ছাড়াই এই কাজটা করে এসেছে। মূলত ১৯৩০ এর আগে এই শব্দটা শোনা যায়নি।&nbsp;</p>



<p>অল্প কথায় প্রাকৃতিক প্রসব হচ্ছেঃ প্রসবব্যথা ও প্রসবকে ব্যথানাশক ওষুধ গ্রহণ ছাড়া প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে সামলান, যেমন এপিডিউরাল না নেয়া। কৃত্রিম মেডিক্যাল হস্তক্ষেপ খুব সামান্য ব্যবহার করা বা একদমই না করা, যেমন এপিসিওটমি (যোনিপথ ও মলদ্বারের মাঝামাঝি যে স্থান, পেরিনিয়াম, এখানে বাচ্চা বের করার সুবিধার জন্য জায়গা করার উদ্দেশ্যে কাটা) না করান, অনবরত মেশিনের মাধ্যমে ভ্রুণ পর্যবেক্ষণ না করান (কারণ এর ফলে মায়ের নড়াচড়া করার সুযোগ কমে যায়, হস্তচালিত মেশিন দিয়ে মাঝে মাঝে পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে)। মহান আল্লাহ্‌ আমাদের শরীরকে প্রসবের উপযোগী করে যেভাবে তৈরি করেছেন তার ওপর আস্থা রেখে শরীরকে সেভাবে কাজ করতে দেয়া এবং মাকে নিজের স্বস্তিমতো ভঙ্গীতে থাকতে দেয়া ও নড়াচড়া করার সুযোগ দেয়া।&nbsp;<br></p>



<p><strong>প্রাকৃতিক পদ্ধতির উপকারিতা কী?</strong></p>



<ul class="wp-block-list"><li>এই পদ্ধতির সমর্থকেরা বলেন এটা মা ও শিশুর জন্য বেশি স্বাস্থ্য সম্মত ও নিরাপদ। আপনি যে ওষুধই গ্রহণ করবেন সেটা ৬০ সেকেন্ডের মাঝে আপনার শিশুর কাছে প্লাসেন্টা পেরিয়ে পৌঁছে যাবে। এপিডিউরাল দেয়ার ফলে বাচ্চার হৃদস্পন্দনের গতি পরিবর্তিত হতে পারে যা সিজারের দিকে নিয়ে যেতে পারে। মায়ের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে কারণ সিজার বা যন্ত্রের সাহায্যে (ফোরসেপ) প্রসবের প্রয়োজন হতে পারে ও মা যথেষ্ট কার্যকরভাবে বাচ্চা বের করার জন্য চাপ দিতে পারে না এবং টিয়ার হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়, সেই সাথে মায়ের রক্তচাপ কমে যেতে পারে, প্রসবব্যথা ধীর বা দ্রুত হয়ে যেতে পারে। সিজারিয়ান বাচ্চার তুলনায় স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক প্রসবের মাধ্যমে জন্ম নেয়া বাচ্চার বিবিধ মাইক্রোব থাকে, তাদের এলার্জী, স্থুলতা, অ্যাযমা ও শৈশবকালীন ও পরবর্তীতে ডায়বেটিস হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।</li><li>প্রাকৃতিক প্রসবে মা তার শরীরের ব্যপারে সজাগ থাকে এবং প্রসবের প্রতিটা মূহুর্ত অনুভব করতে পারে।&nbsp;</li><li>এটা মায়ের মাঝে কিছু একটা অর্জনের সুখানুভূতি এনে দেয়।</li><li>প্রসবের পর মায়ের সেরে ওঠার সময়টা ত্বরান্বিত হয় এবং সে সাধারণত প্রসবের অল্প সময় পরই চমৎকার অনুভব করে।&nbsp;</li><li>প্রাকৃতিক প্রসব বুকের দুধ খাওয়ানোর সফলতার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। কারণ এক্ষেত্রে সাথে সাথেই বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানো সহজ হয়, যেমনটা সিজারের ক্ষেত্রে হয় না, এবং বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখা গেছে ব্যথানাশক ওষুধ গ্রহণ সফলভাবে বুকের দুধ খাওয়ানোতে ব্যঘাত ঘটায়।&nbsp;</li></ul>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/01/images-1.jpeg" alt="প্রাকৃতিক প্রসবঃ আপনার যা জানা প্রয়োজন 4" class="wp-image-1470" title="প্রাকৃতিক প্রসবঃ আপনার যা জানা প্রয়োজন 9"></figure></div>



<p></p>



<p><strong>প্রাকৃতিক প্রসবের জন্য কিভাবে প্রস্তুতি নেবেন?</strong></p>



<p>হ্যাঁ, আপনি ঠিকই পড়ছেন। স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক প্রসব যেটাই আপনি চান না কেন তার জন্য আপনাকেই প্রস্তুতি নিতে হবে গর্ভাবস্থা থেকেই। লক্ষ্য করুন, প্রসবব্যথাকে ইংরেজিতে “labor” বলা হয়, অর্থ্যাত এটা একটা পরিশ্রমের কাজ। শারীরিকভাবে, ম্যারাথন দৌড় দিতে হলে যতটা শক্তি প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয় একজন গর্ভবতী মাকে প্রসবব্যথা ও প্রসবের সময় ততটা শক্তি প্রয়োগ করতে হয়। আপনাকে যদি কেউ বলে যে কয়েক মাস পর আপনাকে ম্যরাথন দৌড় দিতে হবে তাহলে আপনি কি তার জন্য প্রস্তুতি নেবেন না? আমাদের দেশের স্বাভাবিক প্রসব করাতে চাওয়া পরিবারগুলোর এই ক্ষেত্রেও আরেকটা বিষয় বোঝার আছে, সেটা হচ্ছে আমাদের এই বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান অর্জন করে তারপর মাঠে নামতে হবে। অপ্রস্তুত অবস্থায় প্রসবব্যথা তীব্রতর মনে হয় যেটা প্রস্তুতি নিয়ে সামলাতে জানলে অনেকটাই সহনীয় হয়ে আসে। এবং অবশ্যই মনে রাখবেন, আপনার সন্তানকে গর্ভের বাইরে আপনারই আনতে হবে, এই কাজটা আপনাকেই করতে হবে, অন্য কেউ আপনার হয়ে এটা করে দিতে পারবে না।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<ul class="wp-block-list"><li>আপনাকে প্রথমে এমন একজন সেবাপ্রদানকারী খুঁজে বের করতে হবে যিনি আপনাকে প্রাকৃতিকভাবে প্রসব করাতে আগ্রহী। সেবাপ্রদানকারী বলতে এখানে ডাক্তার বা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ধাত্রী হতে পারে। তিনিই আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবেন আপনি প্রাকৃতিক প্রসবের জন্য উপযোগী কি না। আপনি যদি গর্ভাবস্থায় সুস্থ থাকেন এবং কম ঝুঁকির মাঝে থাকেন তাহলে সহজেই প্রাকৃতিক প্রসবের পথ বেছে নিতে পারেন। মূলত, আল্লাহ্‌ মেয়েদের শরীর সন্তান প্রসবের উপযোগী করে তৈরি করেছেন, কোন মেডিক্যাল হস্তক্ষেপ ছাড়াই। এক পরীক্ষায় দেখা গেছে যারা প্রসবব্যথা ভয় পায় তাদের তুলনামূলক দীর্ঘ প্রসবব্যথা হয় এবং যন্ত্রের সাহায্যে প্রসব বা জরুরী সিজারের প্রয়োজন বেশি হয়।&nbsp;&nbsp;</li><li>প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও প্রতিদিন ব্যয়ামের মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ রাখুন। প্রাকৃতিক প্রসবে শারীরিক সক্ষমতার প্রয়োজন খুব বেশি আর তাই আপনাকে সেভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।</li><li>নিজেকে শিক্ষিত করুন! আপনার কী আশা করা উচিত এবং কী কী সুযোগ আপনার সামনে খোলা আছে তা জানা থাকলে ইতিবাচক ও সফল অভিজ্ঞতা অর্জনে আপনার সুবিধা হবে।&nbsp;&nbsp;</li></ul>



<p></p>



<p><strong>প্রাকৃতিক প্রসবে কিভাবে ব্যথা মোকাবেলা করা হয়?</strong></p>



<p>আপনি কি জানেন যে বাংলাদেশের নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর মেয়েরা প্রসবব্যথা শুরু হলেই হাসপাতালে ছুটে যায় না? সাধারণত, তারা ব্যথা তীব্র আকার ধারণ করার পর যায় এবং তাদের মাঝে স্বাভাবিক প্রসবের হার বিত্তবান পরিবারগুলোর মেয়েদের তুলনায় বেশি। আপনি জেনে হয়ত অবাক হবেন যে পশ্চিমা দেশের হাসপাতালগুলোও স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক প্রসবে আগ্রহী মায়েদের প্রসবব্যথা শুরু হওয়ার পর যতক্ষণ সম্ভব ঘরেই থাকতে বলে এবং কন্ট্রাকশন অত্যন্ত তীব্র হলে ও ৩-৫ মিনিট পর পর আসতে থাকলে তখনই কেবল হাসপাতালে যেতে বলে।&nbsp;</p>



<p>এর পেছনে কারণ কী? প্রসব অত্যন্ত ব্যক্তিগত একটি বিষয়। এটা লোকচক্ষুর আড়ালে, নিরিবিলি ও শান্ত পরিবেশে যতটা মসৃণ ভাবে অগ্রসর হবে, পরিবারের মানুষদের উদ্বেগ ও উত্তেজনা, হাসপাতালের অচেনা মানুষ ও পরিবেশে তীব্র আলোর মাঝে ততটাই কঠিন হয়ে পড়বে একে সামলে নেয়া। আল্লাহ্‌ কুরআনে আমাদের মারইয়ামের (আলাইহিস সালাম) প্রসবের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন যে উনি একাকী মানুষের কাছ থেকে দূরে চলে গিয়েছিলেন। কোন মাকে যদি প্রসবব্যথার সময় স্বাধীনতা দেয়া হয় নিজের মতো করে থাকার জন্য তাহলে সে তার ইন্দ্রিয় দিয়ে ঠিকই বুঝে নেয় তাকে কী করতে হবে। মা এই সময় সম্পূর্ণ নিজের মাঝে মনোনিবেশ করে। এর জন্য সে যেই রুমে আছে সেখানে উজ্জ্বল না হয়ে মৃদু আলোর ব্যবস্থা রাখা বেশ কার্যকর।&nbsp;</p>



<p>আমাদের দেশে যেহেতু ব্যথানাশক ব্যবস্থা এপিডিউরালের প্রয়োগ খুব সীমিত আকারে রয়েছে, তাই যারা স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক প্রসবে আগ্রহী তাদের জন্য প্রাকৃতিকভাবে ব্যথা মোকাবেলার পদ্ধতিগুলো জানা অত্যন্ত জরুরী। এমনকি এপিডিউরালের ব্যবস্থা থাকার পরও এটা গ্রহণ করার আগেই মাকে বেশ অনেকটা সময় প্রসব ব্যথা সহ্য করতে হয় তাই ব্যথা মোকাবেলা করার পদ্ধতিগুলো জেনে রাখা নিঃসন্দেহে উপকার বয়ে আনবে। আমেরিকাসহ বিশ্বের আরও অনেক দেশে প্রাকৃতিক প্রসবের জন্য জনপ্রিয় পদ্ধতি হচ্ছে ব্র্যাডলে মেথড (Bradley Method)। এই পদ্ধতি প্রসবের প্রতি প্রাকৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখে এবং একজন প্রসব কোচের সক্রিয় অংশগ্রহণের উপর জোর দেয়। মূলত, মা-কে এই সময় সঠিকভাবে দিকনির্দেশনা দেয়ার জন্য এই বিষয়ের ওপর শিক্ষিত একজন কেউ সাথে থাকলে মা বেশ স্বস্তি বোধ করবেন। বাইরের দেশে এই কাজটা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মিডওয়াইফরা করেন, আবার এই পদ্ধতি স্বামীদেরও প্রশিক্ষণ দেয় প্রসব গাইড হওয়ার জন্য। আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে কাছের কেউ, যেমন মা, বোন, বান্ধবী কেউ হতে পারেন যিনি এই বিষয়ে জ্ঞান রাখেন এবং শান্ত, অবিচলিতভাবে মাকে এই সময় সঙ্গ দিতে পারবেন। এই পদ্ধতিতে অত্যন্ত প্রয়োজন ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধের ব্যবহার এড়িয়ে চলা হয়। ব্যথার সাথে মোকাবেলা করার উদ্দেশ্যে এই পদ্ধতি গর্ভাবস্থায় ভালো পুষ্টি ও ব্যয়াম, সেই সাথে পেশী শিথিলকরণ ও গভীর শ্বাসপ্রশ্বাসের (deep abdominal breathing) প্রতি লক্ষ্য রাখে। তবে এই পদ্ধতিতে সন্তানপ্রসব ক্লাসে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা ও জরুরী সিজারের ব্যপারেও দম্পতিদের প্রস্তুত করা হয়।&nbsp;</p>



<p>এছাড়াও অন্যান্য আরও কিছু ব্যবস্থা আছে ব্যথা মোকাবেলায় যেসব মায়েরা নিজেদের জন্য চেষ্টা করতে পারেনঃ&nbsp;</p>



<ul class="wp-block-list"><li>হাঁটা, যতক্ষণ পর্যন্ত সম্ভব</li><li>ম্যাসাজ</li><li>নিজের জন্য স্বস্তিদায়ক বিভিন্ন ভঙ্গী চেষ্টা করে দেখা, যেমন হাঁটাহাঁটি করা, গোসল করা, নিতম্ব আন্দোলন করা ইত্যাদি</li><li>টুকটাক কাজ করে মনকে ব্যথা থেকে সরিয়ে অন্যদিকে ব্যস্ত রাখা; এটা মূলত বেশ কার্যকর যখন প্রসবব্যথা শুরুর দিকে থাকে</li><li>কুরআন তিলাওয়াত শোনা</li><li>যিকির ও দু’আর মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করা ও তাঁর সাহায্য চাওয়া&nbsp;&nbsp;</li></ul>



<p>(প্রসব ব্যথা মোকাবেলা করা নিয়ে আরও জানতে দেখতে পারেন আমাদের আর্টিকেল <a href="https://matritto.com/লেবার-পেইন-সংক্ষিপ্ত-ও-সহ/" class="rank-math-link">লেবার পেইন সংক্ষিপ্ত ও সহজ করার একটা পদ্ধতি শিখতে চান?</a>) </p>



<p><strong>প্রসবব্যথা কতটা কষ্টদায়ক?</strong></p>



<p>এর নির্দিষ্ট কোন উত্তর নেই। কারণ একেক জনের কাছে একে একেক রকম মনে হতে পারে। আবার একই নারীর আলাদা সন্তানপ্রসবের ব্যথা ভিন্নভাবে অনুভূত হতে পারে। তবে, প্রাকৃতিক প্রসবে ব্যথা মোকাবেলায় শারীরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি মানসিক প্রস্তুতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক ও আবেগীয় প্রস্তুতি এই যন্ত্রণাদায়ক ও নাজুক সময়ে আপনাকে শান্ত থেকে সঠিক পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করবে।&nbsp;</p>



<p>তবে মনে রাখবেন, প্রাকৃতিক প্রসব যতই নিরাপদ হোক না কেন, যে কোন জটিলতা বা জরুরী অবস্থায় আপনার সেবাদানকারীর পরামর্শে অবশ্যই মেডিক্যাল হস্তক্ষেপের সাহায্য নিতে দ্বিধা করবেন না। বস্তুত, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে যদিও মেডিক্যাল হস্তক্ষেপ কাম্য না কিন্তু তারা আমাদের হাতের কাছে আছেই অস্বাভাবিক পরিস্থিতিকে সামাল দেয়ার জন্য।&nbsp;</p>



<p>মহান আল্লাহ্‌ আমাদের মেয়েদের শরীরকে সৃষ্টি করেছেন সন্তান ধারণ ও জন্ম দেয়ার উপযোগী করে। আমাদের দায়িত্ব এর জন্য নিজেদের শিক্ষিত করার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত করে নেয়া। সেই সাথে এই বিশেষ সময়ে তাঁর পরিকল্পনার ওপর তাওয়াক্কুল করা। ইনশাল্লাহ তাহলে আশা করতে পারি আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত পরিণতি দেখতে পাব যার অভিজ্ঞতা আজীবন আমাদের জন্য সুখস্মৃতি হয়ে থাকবে ও নারী হিসেবে আমাদের সক্ষমতায় আত্মপ্রত্যয়ী করে তুলবে।<br></p>



<p></p>



<p></p>



<p>তথ্যসূত্রঃ</p>



<p>বই AMANI Birth, লিখেছেন Aisha Al Hajjar</p>



<p><a href="https://kidshealth.org/en/parents/natural-childbirth.html" class="rank-math-link" target="_blank" rel="noopener">Natural Childbirth</a></p>



<p><a href="https://www.mamanatural.com/natural-birth" class="rank-math-link" target="_blank" rel="noopener">Why Natural Birth Is So Beneficial For Baby &amp;&nbsp;Mama</a></p>



<p><a href="https://www.sheknows.com/parenting/articles/1061868/natural-birth-philosophy" class="rank-math-link" target="_blank" rel="noopener">What does “natural birth” mean?</a></p>



<p>(<em>এই আর্টিকেল রিভিউ করেছেনঃ ডাঃ সারওয়াত জাবিন আনিকা</em>)</p>



<p>ছবিঃ MomJunction</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/natural-birth/">প্রাকৃতিক প্রসবঃ আপনার যা জানা প্রয়োজন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রসব ব্যথা বা লেবার পেইন সহজ ও সংক্ষিপ্ত করার ২টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টিপস</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Rabeya Rowshin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 02 Sep 2019 02:05:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[Natural birth]]></category>
		<category><![CDATA[নরমাল ডেলিভারি]]></category>
		<category><![CDATA[প্রাকৃতিক প্রসব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=1247</guid>

					<description><![CDATA[<p>আজকের লেখায় প্রসব ব্যথা বা লেবার পেইন মোকাবেলা করার একটি টেকনিক নিয়ে আলোচনা করব। আলোচনাটি তুলে ধরছি একটি ভিডিও থেকে। ভিডিওটা আমি দেখেছিলাম আমার নিজের প্রেগন্যান্সীর সময় এবং এটাকে কাজে লাগিয়ে আমি ভীষণ উপকৃত হয়েছিলাম। ভিডিওটা যিনি বানিয়েছেন, সারা কামরাথ, নিজেও বলেছেন যে আলোচিত পদ্ধতিটি ছাড়া লেবার পেইনের তীব্রতা সামলানো ও সুস্থ, নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8/">প্রসব ব্যথা বা লেবার পেইন সহজ ও সংক্ষিপ্ত করার ২টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টিপস</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-full"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2019/09/072cdcd644188ae5fa9fcaa0df763b5d.jpg" alt="প্রাকৃতিক প্রসবের জন্য সক্রিয় থাকার উপযোগী একটি লেবার রুম যেখানে প্রসব ব্যথা সহজ করার উপাদান বিদ্যমান" class="wp-image-1248" title="প্রসব ব্যথা বা লেবার পেইন সহজ ও সংক্ষিপ্ত করার ২টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টিপস 10"></figure>
</div>


<div class="gutentoc tocactive nostyle"><div class="gutentoc-toc-wrap"><div class="gutentoc-toc-title-wrap"><div class="gutentoc-toc-title">বিষয়সূচী</div><div id="open" class="toggletwo">show</div></div><div id="toclist"><div class="gutentoc-toc__list-wrap"><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#প্রসব-ব্যথা-কমানোর-ভিডিও-টিপস">প্রসব ব্যথা কমানোর ভিডিও টিপস</a></li><li><a href="#ভিডিও-নিয়ে-বিস্তারিত-আলোচনা">ভিডিও নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা</a></li><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#যে-উপায়-আমাদের-সাথেই-থাকে">যে উপায় আমাদের সাথেই থাকে</a></li><li><a href="#নড়াচড়া-করা-">নড়াচড়া করা </a></li><li><a href="#চিত-হয়ে-শোয়া-প্রসবের-জন্য-অনুপযোগী">চিত হয়ে শোয়া প্রসবের জন্য অনুপযোগী</a></li><li><a href="#খাড়া-থাকা-ও-নিতম্ব-ঘোরানো">খাড়া থাকা ও নিতম্ব ঘোরানো</a></li><li><a href="#সিনেমায়-দেখানো-প্রসব-ভঙ্গীর-অনুসরণ-না-">সিনেমায় দেখানো প্রসব ভঙ্গীর অনুসরণ না </a></li><li><a href="#খাড়া-অবস্থা-পেলভিসের-মুখ-বেশি-পরিমাণে-খুলতে-সাহায্য-করে-">খাড়া অবস্থা পেলভিসের মুখ বেশি পরিমাণে খুলতে সাহায্য করে </a></li><li><a href="#শরীরের-সাথে-তাল-মেলানো-">শরীরের সাথে তাল মেলানো </a></li></ul><li><a href="#বিশেষ-নোটঃ-">বিশেষ নোটঃ </a></li></ul></div></div></div></div>



<p>আজকের লেখায় প্রসব ব্যথা বা লেবার পেইন মোকাবেলা করার একটি টেকনিক নিয়ে আলোচনা করব। আলোচনাটি তুলে ধরছি একটি ভিডিও থেকে। ভিডিওটা আমি দেখেছিলাম আমার নিজের প্রেগন্যান্সীর সময় এবং এটাকে কাজে লাগিয়ে আমি ভীষণ উপকৃত হয়েছিলাম। ভিডিওটা যিনি বানিয়েছেন, সারা কামরাথ, নিজেও বলেছেন যে আলোচিত পদ্ধতিটি ছাড়া লেবার পেইনের তীব্রতা সামলানো ও সুস্থ, নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে নিজের দুই বাচ্চাকে জন্ম দেয়ার কথা উনি ভাবতেই পারেন না! এই টেকনিকটা ছাড়া উনার লেবার পেইনও অসহনীয় কষ্টকর হয়ে উঠত। </p>



<p>পশ্চিমা এই নারী আরও বলছেন যে, প্রায় সব হাসপাতালই প্রসব ব্যথা মোকাবেলার মতো গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিচ্ছে। এই সাধারণ টিপসটা আপনার লেবার পেইন সহজ ও দ্রুত করার সম্ভাবনা বহুলাংশে বাড়িয়ে দিবে। </p>



<h2 class="wp-block-heading" id="প্রসব-ব্যথা-কমানোর-ভিডিও-টিপস">প্রসব ব্যথা কমানোর ভিডিও টিপস</h2>



<p>এই ভিডিওতে বিশ্বখ্যাত অবস্টেট্রিশিয়ান, গাইনোকোলজিস্ট, মিডওয়াইফ, ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান, সন্তান প্রসব প্রশিক্ষকদের দেয়া দারূণ কিছু টিপস পাবেন। <s>ভিডিওটা দেখতে পারেন <a class="rank-math-link" href="http://www.happyhealthychild.com/pregnancy-and-giving-birth/childbirth-labor-and-delivery.php?inf_contact_key=aff82f4eeca6e4d107193e8f4448abcb7943c039688f54774107a28cbdb7ea0a&amp;fbclid=IwAR2DOZNMy9CuBznbvv5oL99ySh3HsWWyfimGV_ZpE25JlcbjYVwmXiYPWTQ" target="_blank" rel="noopener">এখানে</a> ।</s> ভিডিওটা দেখতে <a href="https://www.happyhealthychild.com/" data-type="URL" data-id="https://www.happyhealthychild.com/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">এই লিংকে </a>আপনার ইমেইল দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন এবং ইনবক্স থেকে পাওয়া কোড ওই পেইজে ইনপুট করে সাবমিট করুন।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="ভিডিও-নিয়ে-বিস্তারিত-আলোচনা">ভিডিও নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা</h2>



<p>এবার আপনাদের বোঝার সুবিধার জন্য ভিডিওর বিষয়বস্তু এখানে তুলে ধরছি। ভিডিওর মূল আলোচ্য বিষয় হচ্ছে পেইনের তীব্রতা মোকাবেলায় মায়েরা যে দুইটা সহজ কাজ করতে পারেন তা  হচ্ছে <strong><em>“নড়াচড়া করা”</em></strong> এবং <strong><em>“শ্বাস নেয়া ও আওয়াজ করা”</em></strong>। এই সাধারণ কাজগুলো লেবার পেইনের তীব্রতা কমিয়ে এনে মাকে স্বস্তি দেয়। সেই সাথে বাচ্চার বের হওয়াটা সহজ ও  দ্রুত  হয় তাই লেবার পেইনের সময়টাও তুলনামূলক কম লাগে।  এটা কেন ও কিভাবে হয় সেটাই পুরো ভিডিওতে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা বুঝিয়ে বলেছেন। </p>



<h4 class="wp-block-heading" id="যে-উপায়-আমাদের-সাথেই-থাকে">যে উপায় আমাদের সাথেই থাকে</h4>



<p>নারীরা ট্র্যাডিশনালি লেবার পেইন ম্যানেজ করতে অনেক কিছু করে এসেছে। এখনকার দিনে মেয়েরা এরোমা থেরাপী, হোমিওপ্যাথি ইত্যাদি ব্যবহার করে এবং এগুলো অনেক উপকারী হতে পারে কিছু ক্ষেত্রে। লেবার পেইনের সময় এসব কোন একটা পদ্ধতি নিজের সাথে রাখা ভালো হবে। কিন্তু মায়েদের জেনে রাখা ভালো যে একটা জিনিস সবসময় আমাদের সাথেই থাকে আর সেটা হচ্ছে শ্বাস নেয়া, আওয়াজ করা ও নড়াচড়া করা।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="নড়াচড়া-করা-">নড়াচড়া করা </h4>



<p>নড়াচড়া করা ও স্থান পরিবর্তন করা সম্ভবত ফিজিওলিজিক্যালি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যা নরমাল ডেলিভারিকে সহজ করার জন্য মায়েরা করতে পারে। লেবার পেইনের সময় মা গতি ও পজিশন পরিবর্তন করবেন এটাই স্বাভাবিক। এই সময় একজন নারীকে জাস্ট বিছানায় শুয়ে থাকতে বলা, নড়তে নিষেধ করা, অবস্থান পরিবর্তন করতে না দেয়া, কোন খাবার বা পানি না দেয়া এসবই কিছুটা অদ্ভূত বটে! </p>



<h4 class="wp-block-heading" id="চিত-হয়ে-শোয়া-প্রসবের-জন্য-অনুপযোগী">চিত হয়ে শোয়া প্রসবের জন্য অনুপযোগী</h4>



<p>লেবার ও প্রসবের সময় নারীদের চিত হয়ে শুয়ে থাকা ফিজিওলজিক্যালি সম্পূর্ণ অর্থহীন, কারণ মানব জন্ম একটি অসমঞ্জস (asymmetrical) প্রক্রিয়া। অন্য সব স্তন্যপায়ীদের প্রসব নালা হচ্ছে সোজা এবং বাচ্চা সোজা বেরিয়ে আসে। কিন্তু মানুষ সোজা হয়ে হাঁটে। আমাদের পেলভিসে ইউনিক বাঁক ও পেঁচ আছে, যা লেবার পেইনের সময় আমাদের বাচ্চাদের পাড়ি দিতে হয়। লেবার পেইনের সময় যখন মা হাঁটে তখন পেলভিস কোন না কোনভাবে মোচড় খায় যার ফলে মা বাচ্চাকে সাহায্য করেন এই পথটা সহজে পাড়ি দিতে।</p>



<p>আমাদের পেলভিসের ওপেনিং-টা  উপর থেকে নিচের দিকে আলাদা। পেলভিসের উপরকে বলা হয় ইনলেট এবং ইনলেটের সবচেয়ে চওড়া ডায়ামিটার আড়াআড়িভাবে থাকে, অনেকটা পশ্চাদ্দেশের বাম থেকে ডানে। তাই বেশিরভাগ বাচ্চাকে পেলভিসে প্রবেশ করতে হয় যাকে বলা হয় তির্যকভাবে। কিন্তু লেবার অগ্রসর হওয়ার সময় যখন বাচ্চা নিচে নামে তখন মধ্য পেলভিসে নেমে আসে এবং যখন তারা বের হওয়ার জন্য রেডি হয়, তাদের ঘুরে যেতে হয় কারণ বের হওয়ার সবচেয়ে চওড়া পথটা এখন সামনে-পেছনে হয়ে গেছে। ভিডিওতে পেলভিসের ভেতর থেকে মাথা আগে দিয়ে বাচ্চা কিভাবে বের হয়ে আসে তা দেখানো আছে।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="খাড়া-থাকা-ও-নিতম্ব-ঘোরানো">খাড়া থাকা ও নিতম্ব ঘোরানো</h4>



<p>খাড়া অবস্থায় থেকে, হাঁটু সামান্য বাঁকা করে নিতম্ব ঘোরানো, যেমনটা সব আদিম নৃত্যে দেখা যায়, এটা বাচ্চার মাথাকে বার্থ ক্যানেলের ভেতর দিয়ে আরও অনেক সহজে ও দ্রুত পথ খুঁজে পেতে সাহায্য করে। এর সাথে শ্বাস নেয়া ও যদি বাচ্চার বাবা উপস্থিত থাকে তাহলে তাকে ধরে একসাথে দুইজন সামান্য দোলা ইত্যাদি অনেক উপকারী হতে পারে। ভিডিওতে  লেবার পেইনের সময় কিভাবে খাড়া অবস্থায় থেকে নিতম্ব ঘোরাবেন সেটাও দেখানো হয়েছে।</p>



<p>একজন বিশেষজ্ঞ উদাহরণ দিয়ে বলেছেন যে যদি আমাদের আঙ্গুলে কোন আংটি থাকে এবং সেটা টাইট হয় তাহলে তা সহজে বের করার জন্য আমাদের তা নাড়তে হয়। তেমনই মায়ের পেলভিসে একটা আস্ত বাচ্চা আছে, তাকে বের করতে হলে আমাদের এমন সব মুভমেন্ট চেষ্টা করে দেখতে হবে যা বাচ্চাকে বের করতে সাহায্য করবে। </p>



<p>লেবার পেইনের সময় ইয়োগা বল বা জিম বলে বসে শরীর ও নিতম্ব নাড়ানো যেতে পারে, বলের ওপর হেলান দিয়ে থাকা যায় , স্কোয়াট করা যায় বলের ওপর বসে। এসবকিছুই যেভাবে আমাদের পেলভিসকে রিল্যাক্স করে বাচ্চার মাথাকে বের হতে সাহায্য করে তা খুবই উপকারী। </p>



<h4 class="wp-block-heading" id="সিনেমায়-দেখানো-প্রসব-ভঙ্গীর-অনুসরণ-না-">সিনেমায় দেখানো প্রসব ভঙ্গীর অনুসরণ না </h4>



<p>মেয়েদের শেখানো হয় যে লেবার পেইনের সময় বিছানায় শুয়ে থাকতে হয়, নাটক-সিনেমায় আমরা এমনটাই দেখি। কিন্তু এটা খুব ভুল একটা কাজ। যদি রাতের বেলা আপনি ঘুমাতে যান তাহলে এটা ঠিক আছে, কিন্তু তা ছাড়া আপনাকে লেবার পেইনের সময় নড়াচড়া করতে হবে, আপনার শরীর যেভাবে চায় সেভাবে থাকতে হবে। সেটা হতে পারে সিঁড়ি দিয়ে উঠানামা করা বা আগে কখনোই আপনি থাকেননি এমন কোন অদ্ভূত ভঙ্গীতে থাকা। কিন্তু আপনি হয়ত এই সময় বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে দুই পা উপরে তুলে দিয়ে থাকতে চাইবেন না।</p>



<p>যদি কোন নারী নাটক-সিনেমায় দেখানো লেবার পেইনের ভঙ্গী না দেখে থাকে এবং নিজের প্রজ্ঞার অনুসরণ করে তাহলে সাধারণত বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সে তার হাত ও হাঁটুতে ভর দিয়ে থাকতে চাইবে, সে স্কোয়াট করবে বা হাঁটাহাঁটি করবে। টয়লেট করার কথা যদি চিন্তা করেন, তাহলে এর জন্য বিছানায় চিত হয়ে শোয়া নিশ্চয়ই ভালো ভঙ্গী হবে না। কারণ এই ভঙ্গীতে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আপনার ওপর কাজ করতে পারবে না। আরেকটা ব্যপার হচ্ছে, যখন আপনি খাড়া অবস্থায় বা হাত-হাঁটুতে ভর দেয়া অবস্থায় থাকেন আপনি পেলভিসের এন্টেরিয়র-পোস্টেরিয়র ডায়ামিটারের সীমা বাড়াচ্ছেন, যার ফলে পেলভিসের মুখ বড় হয় ও বাচ্চা আরও সহজেই বের হয়ে আসতে পারে।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="খাড়া-অবস্থা-পেলভিসের-মুখ-বেশি-পরিমাণে-খুলতে-সাহায্য-করে-">খাড়া অবস্থা পেলভিসের মুখ বেশি পরিমাণে খুলতে সাহায্য করে </h4>



<p>লেবার পেইনের সময় যখন মায়েরা স্কোয়াট বা কিছুটা ঝুঁকে থাকার মতো ইত্যাদি ভঙ্গী করে তখন পেলভিসের মুখ ২৫% বেশি উল্লেখযোগ্য হারে খুলতে পারে, কিন্তু যখন মায়েরা চিত হয়ে শোয়া অবস্থায় থাকে তখন গুরুত্বপূর্ণ শিরা-উপশিরা দিয়ে জরায়ু ও বাচ্চার কাছে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্থ হয়। সেই সাথে মায়ের নিম্নাংশ হচ্ছে স্পাইন ও জরায়ুর জন্য বালিশের মতো, এর উপর যখন আমরা ১০/২০/৩০ পাউন্ড ওজনের বাচ্চার ভর রাখি তখন বাচ্চার কাছে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। এটা বাচ্চাকে ফেট্যাল ডিস্ট্রেসে নিয়ে যেতে পারে। সেই সাথে, মায়ের টয়লেট বের হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে। তাই, মাকে চিত করে শুইয়ে রাখার কোন মানেই হয় না। ডাক্তার, মিডওয়াইফরা মাকে নয় মাস ধরে চিত হয়ে না ঘুমানোর জন্য বলে, এরপর যখন তিনি প্রসব করতে আসেন তখন তাকে চিত করে শুইয়ে রাখা হয়!! এই চর্চাটা যে মায়েদের জন্য উপকারী না এটা বুঝতে খুব বেশি বিজ্ঞান জানতে হয় না।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="শরীরের-সাথে-তাল-মেলানো-">শরীরের সাথে তাল মেলানো </h4>



<p>মাকে যদি সত্যিই তার নিজের ভেতর ফোকাস করে তার শরীরের সাথে তাল মিলিয়ে কাজ করতে দেয়া হয় তাহলে দেখা যাবে যে সে আসলে নিজেই জানে এই লেবার পেইন কিভাবে মোকাবেলা করতে হবে। কখনো কখনো লেবার পেইনে থাকা মাকে মনে করিয়ে দিতে হয়, যেমন একজন বিশেষজ্ঞ বলেন যে তিনি অনেকসময় মায়েদের বলেন যে, ধরুন আপনি কোন বিড়াল, বা ঘোড়া যাকে নানারকম কালচারাল পরামর্শ, উপদেশ দেয়া হয়নি, তাহলে আপনি যদি এই মূহুর্তে একদম আপনার নিজের ভেতর ফোকাস করেন ও শরীরের সাথে তাল মেলান তাহলে আপনি কেমন ভঙ্গীতে থাকতে চান? এবং মায়েরা তাদের লেবার পেইন সহজ করার জন্য কী কী ভঙ্গীতে থাকতে চায় সেটা বেশ বিস্ময়কর, এরপর পুশ করার সময় হয়ত মেঝেতে বসে করছেন, পাশ ফিরে আছেন বা হাত-হাঁটুতে ভর দিয়ে বিছানার কিনারায় আছেন। মোট কথা, মায়েরা কিভাবে এই ব্যথাটা প্রক্রিয়া করেন সেটা আসলে বেশ প্রগাঢ় একটা ব্যপার! &nbsp; &nbsp;</p>



<p>পেলভিক রকিং বা শরীরের নিম্নাংশ দোলানো লেবার পেইন আশ্চর্যজনকভাবে কমিয়ে আনে ও ডেলিভারিকে সহজ করে, আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। কারণ এই সময় বাচ্চা যেমন ভেতর থেকে বের হতে চাচ্ছে, সেভাবেই মা-ও তাকে কিভাবে সহজে সে বের হতে পারে সেই উদ্দেশ্যে সাহায্য করছে। লেবার পেইন মোকাবেলায় এই সহজ টিপসটা আমাকে যেভাবে উপকৃত করেছে আশা করি আপনাদেরও করবে, ইনশাল্লাহ। &nbsp;</p>



<p>এই ভিডিওতে যারা কথা বলেছেন তারা হচ্ছেনঃ</p>



<p>১। ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান ও "<em>Gentle Birth, Gentle Mothering"</em> বইয়ের লেখিকা সারা বাকলে<br>২।  ফিজিশিয়ান, মিডওয়াইফ, হারবালিস্ট এবং <em>“The Natural Pregnancy Book”</em> বইয়ের লেখিকা আভিভা রোম  <br>৩।  অবস্টেট্রিশিয়ান ও গাইনোকোলজিস্ট রবার্ট বিটার <br>৪।  সন্তান প্রসব ও দৌলা প্রশিক্ষক ডেবরা প্যাস্ক্যালি–বোনারো<br>৫।  <em>Birth as we know it</em> মুভির পরিচালক  এলেনা টোনেটি<br>৬।  মিডওয়াইফ আলেক্সান্ড্রা এভানগেলিডি <br>৭।  ফার্ম মিডওয়াইফারি সেন্টারের ফাইন্ডার ও ডিরেক্টর এবং <em>“Ina May’s Guide to Childbirth”</em> বইয়ের লেখিকা ইনা মে গাস্কিন  <br>৮।     অবস্টেট্রিশিয়ান ও গাইনোকোলজিস্ট এবং বেস্ট সেলিং বই <em>“Women’s Bodies, Women’s Wisdom” </em>- এর লেখিকা ক্রিস্টিয়ান নর্থার্প </p>



<h2 class="wp-block-heading" id="বিশেষ-নোটঃ-">বিশেষ নোটঃ </h2>



<p>১। ভিডিওতে <em>শ্বাস নেয়া ও আওয়াজ করা</em> বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়নি। এখানে শ্বাস নেয়া বলতে ধীরে ধীরে পেট থেকে গভীরভাবে শ্বাস নেয়া ও আস্তে আস্তে শ্বাস ছাড়া (Deep abdominal breathing) বোঝানো হচ্ছে। এটা ধাপে ধাপে জানতে <a href="/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%80-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae/" class="rank-math-link">এই লেখাটা</a> দেখতে পারেন। </p>



<p>আওয়াজ করার সময় আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টিমূলক শব্দ ব্যবহার করতে পারি, যেমন আল্লাহু আকবার, আস্তাগফিরুল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, সুবহানআল্লাহ, লা হাওলা ওয়ালা ক্কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ ইত্যাদি। </p>



<p>২। উপরের ছবিতে স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক প্রসবের জন্য সক্রিয় (active) থাকার উপযোগী একটি লেবার রুম কেমন হতে পারে তার ছবি দেয়া হয়েছে।   </p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8/">প্রসব ব্যথা বা লেবার পেইন সহজ ও সংক্ষিপ্ত করার ২টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টিপস</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>3</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রাকৃতিক প্রসবে হরমোনের ভূমিকা</title>
		<link>https://matritto.com/role-of-hormones-in-natural-labor/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাবিকুন্নাহার ননী]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 22 Mar 2019 02:57:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রসবকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[Natural birth]]></category>
		<category><![CDATA[হরমোন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=1083</guid>

					<description><![CDATA[<p>মায়ের গর্ভে একটি পরিপূর্ণ ফিটাস হিসেবে বেড়ে উঠা, প্রসবের মাধ্যমে পৃথিবীতে আগমন, জীবনের নানান আবেগে অনুভুতির সাথে পরিচিত হওয়া- এই সবকিছুর পেছনেই রয়েছে নানান রকমের হরমোনের প্রভাব।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/role-of-hormones-in-natural-labor/">প্রাকৃতিক প্রসবে হরমোনের ভূমিকা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<h2 class="wp-block-heading" id="ভূমিকা">ভূমিকা</h2>



<p>হরমোন শব্দের বাংলা হচ্ছে “প্রাণরস”। নাম শুনেই বুঝা যাচ্ছে আমাদের শরীরে এর ভূমিকা কতোটা গুরুত্বপূর্ণ। একজন মানব সন্তানের জন্মপ্রক্রিয়া শুরু হয় শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলিত হবার মধ্য দিয়ে। সেই থেকে শুরু করে মায়ের গর্ভে একটি পরিপূর্ণ ফিটাস হিসেবে বেড়ে উঠা, প্রসবের মাধ্যমে পৃথিবীতে আগমন, জীবনের নানান আবেগে অনুভুতির সাথে পরিচিত হওয়া- এই সবকিছুর পেছনেই রয়েছে নানান রকমের হরমোনের প্রভাব।</p>



<p>একজন নারী যখন প্রাকৃতিক প্রসবের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দিতে প্রস্তুত হন, তখন তার শরীরে নানান রকম হরমোন কাজ করে। কিছু হরমোন প্রাকৃতিক প্রসবকে তরান্বিত করে , কিছু আবার প্রসবকে জটিল করে তোলে।</p>



<p>প্রাকৃতিক প্রসবের সাথে হরমোনের সম্পর্ক নিয়েই থাকছে আজকের লিখা।</p>



<div class="wp-block-rank-math-toc-block" id="rank-math-toc"><h2>বিষয়সূচী</h2><nav><ul><li><a href="#ভূমিকা">ভূমিকা</a></li><li><a href="#হরমোন-কী">হরমোন কী?</a></li><li><a href="#প্রাকৃতিক-প্রসবে-কী-কী-হরমোন-কাজ-করে">প্রাকৃতিক প্রসবে কী কী হরমোন কাজ করে?</a><ul><li><a href="#অক্সিটোসিন-oxytocin">অক্সিটোসিন (Oxytocin)</a></li><li><a href="#এন্ডরফিন্স-endorphins">এন্ডরফিন্স (Endorphins)</a></li><li><a href="#এড্রেনালিন-adrenaline">এড্রেনালিন (Adrenaline)</a></li><li><a href="#প্রল্যাক্টিন-prolactin">প্রল্যাক্টিন (Prolactin)</a></li></ul></li><li><a href="#হরমোন-ঠিকভাবে-নিঃসৃত-না-হলে-যেসব-সমস্যা-দেখা-দেয়">হরমোন ঠিকভাবে নিঃসৃত না হলে যেসব সমস্যা দেখা দেয়</a></li><li><a href="#উপকারী-হরমোনগুলোর-অবাধ-নিঃসরণে-করণীয়">উপকারী হরমোনগুলোর অবাধ নিঃসরণে করণীয়</a><ul><li><a href="#১।-প্রসব-উপযোগী-পরিবেশ">১। প্রসব উপযোগী পরিবেশ</a></li><li><a href="#২।-উপযুক্ত-সাপোর্ট-পারসনের-উপস্থিতি">২। উপযুক্ত সাপোর্ট পারসনের উপস্থিতি</a></li><li><a href="#৩।-মায়ের-মানসিক-দৃঢ়তা-ও-প্রসব-প্রস্তুতি">৩। মায়ের মানসিক দৃঢ়তা ও প্রসব প্রস্তুতি</a></li></ul></li><li><a href="#তথ্যসূত্র">তথ্যসূত্র</a></li></ul></nav></div>



<h2 class="wp-block-heading" id="হরমোন-কী">হরমোন কী?</h2>



<p>আমাদের শরীরে বিভিন্ন রকমের গ্রন্থি থাকে, যেগুলোকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলে। এগুলো থেকে নানান রকমের রস নির্গত হয়, যাদের নাম ‘হরমোন”। এই হরমোনগুলো শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকমের কাজ করে। মানব সন্তান প্রসবের প্রক্রিয়ায় কিছু হরমোন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="প্রাকৃতিক-প্রসবে-কী-কী-হরমোন-কাজ-করে">প্রাকৃতিক প্রসবে কী কী হরমোন কাজ করে?</h2>



<p>একজন গর্ভবতীর প্রসব ব্যাথা উঠা, ব্যাথা বৃদ্ধি পাওয়া, জরায়ু মুখ খুলে পুশ করতে থাকা, বাচ্চা প্রসব হওয়া, মায়ের বুকে দুধ আসা, এমনকি মা ও সন্তানের মাঝে ভালোবাসা সৃষ্টি- এই সবকিছুর সাথে বিশেষ কিছু হরমোনের সম্পর্ক খুবই গভীর।</p>



<p>কিছু হরমোন আছে যা প্রসবকে সহজ করে তোলে আবার কিছু হরমোন প্রসব প্রক্রিয়ায় বাঁধা সৃষ্টি করে। একজন মা যদি সঠিকভাবে জানতে পারেন কোন কাজে কিভাবে কোন হরমোন কাজ করে, তবে আশা করা যায় তিনি প্রসবের সময় সাহসী ও আত্মবিশ্বাসী ভূমিকায় থাকতে পারবেন, এতে করে উপকারী হরমোনের উপস্থিতি নিশ্চিত করে ক্ষতিকর হরমোনকে বাঁধা দেয়া সহজ হবে।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>প্রাকৃতিক প্রসবের সাথে জড়িত এমন ৪ টি হরমোন রয়েছে। যথা-</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="অক্সিটোসিন-oxytocin">অক্সিটোসিন (Oxytocin)</h3>



<p>“লাভ হরমোন ( Love Hormone)” বা “ভালোবাসার হরমোন” নামে পরিচিত এই হরমোনটি পুরো প্রেগ্নেসিতেই একটি একটু করে নিঃসৃত হতে থাকে এবং লেবারে এসে আরও বেড়ে যায়। প্রসব পরবর্তী সময়ে মায়ের বুকে দুধ উৎপাদনেও এর ভূমিকা রয়েছে।</p>



<p>অক্সিটোসিন হরমোনটি আমাদেরকে ভালো অনুভব করতে সাহায্য করে, আনন্দের অনুভূতি জাগায়। আরামদায়ক ও আদরের পরিবেশে এই হরমোন নিঃসৃত হয়।</p>



<p>প্রসবের সময় সারভিক্স (cervics) খুলতে, প্রসব ব্যাথার সাথে ভারসাম্য রাখতে, বার্থ ক্যানেল দিয়ে বাচ্চা জরায়ুর বাইরে বের করতে এবং প্লাসেন্ট্রা বাইরে বের করতেও অক্সিটোসিন হরমোন কাজ করে।</p>



<p>পরবর্তীতে ব্রেস্টফিডিং করানোর সময়ও এই হরমোন সক্রিয় থাকে।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="এন্ডরফিন্স-endorphins">এন্ডরফিন্স (Endorphins)</h3>



<p>এন্ডরফিন হচ্ছে প্রাকৃতিক মরফিন বা ব্যাথানাশক। আমরা যখন ভয় পাই বা চাপ অনুভব করি, তখন আমাদেরকে শান্ত ও ব্যথামুক্ত রাখার জন্য এন্ডরফিন নামে হরমোন নিঃসৃত হয়। প্রসবের সময় একজন নারী প্রচণ্ড ব্যাথার অনুভুতির মাঝে থাকেন। এসময় এন্ডরফিন হরমোনের নিঃসরণ এই মা-কে শান্ত থাকতে তে সাহায্য করে।</p>



<p>এমনকি সন্তান প্রসবের পড়ে মা ও শিশুর নিজেদের মাঝে সম্পর্ক স্নেহপূর্ণ করতেও এই হরমোন ভূমিকা রাখে। তাই , সন্তান প্রসবের পর এন্ডরফিনের কম নিঃসরণের ফলে বেবি ব্লু ( Baby Blues) বা পোস্ট পারটাম ডিপ্রেশনের সম্ভাবনা থাকে।</p>



<p>লেবারের সময় যদি কম মাত্রায় এন্ডরফিন নিঃসরণ হয় তবে মায়ের কাছে তার প্রসব ব্যাথা অত্যন্ত অসহনীয় লাগতে পারে।</p>



<p>তাই প্রাকৃতিক প্রসবের সময় এন্ডরফিনের অবাধ প্রবাহ খুবই প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। তবে, লেবারে বাইরে থেকে ব্যাথানাশক ওষুধ প্রয়োগ করা ঠিক নয় কেননা এর ফলে এন্ডরফিনের নিঃসরণ কমে যায়।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="এড্রেনালিন-adrenaline">এড্রেনালিন (Adrenaline)</h3>



<p>এড্রেনালিন হরমোনকে বলা হয় “সারভাইভাল হরমোন” যেখানে দুইটা নির্দেশনা থাকে- “লড়াই করো বা পালিয়ে যাও ( Fight or Flight”)। কোন মানুষ বা প্রাণী যদি এমন কোন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয় যেখানে সে আতঙ্কিত বোধ করছে বা তার অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে, তবে সেই প্রাণীর ব্রেইন থেকে প্রচুর পরিমাণ এড্রেনালিন নিঃসৃত হয় এবং তাকে তাড়া দিতে থাকে এই আতঙ্ক/ হুমকি থেকে “দূরে সরে যেতে” অথবা “লড়াই করতে”।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>প্রাকৃতিক প্রসবের ক্ষেত্রে এড্রেনালিনের মিশ্র ভূমিকা রয়েছে। যেহেতু প্রসবের সময় একজন মা ভীত ও আতঙ্কিত থাকেন, তাই তখন প্রচুর পরিমাণ এড্রেনালিন নিঃসরণ ঘটে যা তার প্রসবে বাঁধা দেয় , কন্ট্রাকশণের প্যাটার্ন বদলে দিতে পারে ও মায়ের লেবার দীর্ঘায়িত করে। এছাড়া গর্ভের বাচ্চার ক্ষতি করতে পারে।</p>



<p>কিন্তু প্রসবের একদম শেষের দিকে এই হরমোন প্রচন্ড বেগে প্রবাহিত হয় এবং মা ও বাচ্চাকে জেগে উঠার ম্যাসেজ পাঠায়।&nbsp;</p>



<p>মা যদি সঠিক প্রি-নাটাল জ্ঞান অর্জন করেন ও হরমোনের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত থাকেন তবে তিনি আতঙ্কিত না হয়ে ভয় থেকে পালিয়ে না গিয়ে লড়াই করতে পারেন যা তার প্রাকৃতিক প্রসবে সাহায্য করবে।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="প্রল্যাক্টিন-prolactin">প্রল্যাক্টিন (Prolactin)</h3>



<p>একজন প্রসূতি মায়ের বুকে দুধ উৎপাদনের কাজ করে প্রল্যাক্টিন হরমোন। গর্ভাবস্থায় একটু একটু করে এই হরমোন নিঃসরণ ঘটে এবং প্রসবের সময় এটির নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়। মায়ের শরীরকে শিশুর দুধপানের জন্য উপযোগী করে তোলার কাজটি করে প্রলেক্টিন।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="হরমোন-ঠিকভাবে-নিঃসৃত-না-হলে-যেসব-সমস্যা-দেখা-দেয়">হরমোন ঠিকভাবে নিঃসৃত না হলে যেসব সমস্যা দেখা দেয়</h2>



<p>প্রাকৃতিক প্রসবের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোনগুলো ঠিকভাবে নিঃসৃত না হলে বা কম মাত্রায় নিঃসৃত হলে প্রসবের সময় নানান জটিলতা দেখা দেয়। যেমন-</p>



<p>১। লেবার দীর্ঘায়িত হতে পারে যা মায়ের জন্য কষ্টকর ও ক্ষতিকর।<br>২। প্রসবের পর প্লাসেন্ট্রার চারপাশে ব্লিডিং হওয়া।<br>৩। জন্মের আগেই সন্তানের ক্ষতি ।<br>৪। মায়ের জন্য প্রসব প্রক্রিয়া খুব জটিল ও আতংকের বলে মনে হয়।</p>



<p>সর্বোপরি, প্রয়োজনীয় হরমোন প্রবাহে বাঁধা তৈরি ও ক্ষতিকর হরমোনের নিঃসরণ হলে সম্পূর্ণ প্রসব প্রক্রিয়া মায়ের জন্য স্মরণীয় না হয়ে একটি কষ্টদায়ক অধ্যায়ে পরিণত হতে পারে , যা তার মাতৃত্বের অনুভুতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।</p>



<p>তাই লেবারের সময় করণীয় সম্পর্কে জেনে নেয়া উচিত যেন উপকারী হরমোনের অবাধ নিঃসরণ নিশ্চিত করা যায়।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="উপকারী-হরমোনগুলোর-অবাধ-নিঃসরণে-করণীয়">উপকারী হরমোনগুলোর অবাধ নিঃসরণে করণীয়</h2>



<p>প্রাকৃতিক প্রসব মানেই একজন নারীর শরীরে আল্লাহ্‌ প্রদত্ত ক্ষমতাকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে প্রসব সম্পন্ন করা। এর জন্য নারীর শরীরে প্রাকৃতিক প্রসবে ভূমিকা রাখা উপকারী হরমোন বৃদ্ধি করার পরিবেশ তৈরি করা দরকার।</p>



<p>উপকারী হরমোনের নিঃসরণে যা করা যেতে পারে তা হচ্ছে-</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="১।-প্রসব-উপযোগী-পরিবেশ">১। প্রসব উপযোগী পরিবেশ</h3>



<p>প্রাকৃতিক প্রসবে সবচে বেশী ভূমিকা পালনকারী হরমোন যেমন অক্সিটোসিন ও এন্ডরফিন্স – এদেরকে বলা হয় “লাজুক হরমোন (Shy Hormones)। এগুলো খুব নিরাপদ ও প্রাইভেট পরিবেশে নিঃসরণ হয়, যেমনটা দেখা যায় শারীরিক সম্পর্ক তৈরির সময়।</p>



<p>তাই প্রসবের পরিবেশ খুব নিরাপদ, আরামদায়ক ও প্রাইভেট হওয়া দরকার। অনেক হাসপাতালেই দেখা যায় লেবার রুমের পরিবেশ সুন্দর নয়, গোপনীয়তার সুযোগ নেই, প্রচুর কোলাহল থাকে, খুব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে না ইত্যাদি।</p>



<p>অনেকের ক্ষেত্রে নিজের বাসা বা বাড়িতেও প্রসবের জন্য আলাদা রুম থাকে না।</p>



<p>এরকম বৈরি পরিবেশে হরমোন ঠিকভাবে নিঃসৃত হতে পারেনা ও প্রসব বিঘ্নিত হয়। তাই প্রসব অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।</p>



<p>এর জন্য গর্ভাবস্থায়ই কিছুটা প্রস্তুতি নিয়ে রাখা ভালো। যেমন, বাড়িতে নিজেদের সাধ্যের মাঝেই একটা রুম গুছিয়ে রাখা যায় বা হাসপাতালে প্রসবের ইচ্ছা থাকলে হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে যাচাই করে নেয়া যায় সেখানকার পরিবেশ কেমন ইত্যাদি।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="২।-উপযুক্ত-সাপোর্ট-পারসনের-উপস্থিতি">২। উপযুক্ত সাপোর্ট পারসনের উপস্থিতি</h3>



<p>প্রসবের সময় মায়ের কাছে নির্ভরশীল, সাহসী ও প্রি- নাটাল জ্ঞান আছে এমন সাপোর্ট পারসনের উপস্থিতি মা-কে নির্ভার থাকতে সাহায্য করে। মায়ের কাছে যদি আনাড়ি ও অদক্ষ দাই থাকে তাহলে মা এমনিতেই হতোদ্যম হয়ে পরবেন। তাই এসময় মায়ের কাছে তার আপনজন ও প্রসব অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কারোর উপস্থিতি বাঞ্ছনীয়।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="৩।-মায়ের-মানসিক-দৃঢ়তা-ও-প্রসব-প্রস্তুতি">৩। মায়ের মানসিক দৃঢ়তা ও প্রসব প্রস্তুতি</h3>



<p>প্রাকৃতিক প্রসবের জন্য সবচে প্রয়োজন মায়ের নিজের উপর আত্মবিশ্বাস ও প্রসব সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা। একজন নারী যদি জানেন আল্লাহ্‌ তায়ালা তার শরীরে কী বিস্ময়কর ও সুচারুরূপে সন্তান জন্মদানের সকল প্রক্রিয়া তৈরি করে রেখেছেন, এবং এখানে মায়ের ভূমিকা কেমন হবে সেসব জানলে গর্ভবতী মা প্রসবের মতন কঠিন সময়েও শক্তিশালী থাকবেন। পাশাপাশি, প্রসব ব্যথার কষ্টের বিনিময়ে তায়ালা যে পুরষ্কার ঘোষণা করেছেন তা মনে রাখলে সহজেই প্রাকৃতিক প্রসবকে একটি নিয়ামাত বলে মনে হবে।</p>



<figure class="wp-block-pullquote"><blockquote><p>বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক প্রসবের জন্য সবচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে মায়ের। তাই এইসকল জ্ঞান অর্জনের জন্য <a href="/prenatal-live-batch">গর্ভবতী মায়ের জন্য প্রিনাটাল কোর্স</a> হতে পারে সবচে সঠিক সমাধান।</p></blockquote></figure>



<p>প্রাকৃতিক প্রসব মানে হরমোন ও মায়ের ভারসাম্যপূর্ণ অংশগ্রহণ। মেডিক্যাল বা সাপোর্ট পারসনরা এখানে দ্বিতীয় পর্যায়ের কুশলী, মা নিজেই এখানে “হিরো”।&nbsp; তাই প্রাকৃতিক প্রসবের সাথে জড়িত হরমোন ও অন্যান্য শারীরিক পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা উচিত যেন প্রসবকে হুমকি হিসেবে না নিয়ে সাহসের সাথে মোকাবেলার মাধ্যমে একে উপভোগ্য করা যায়।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="তথ্যসূত্র">তথ্যসূত্র</h2>



<p>১।<a href="https://nationalpartnership.org/childbirthconnection/maternity-care/role-of-hormones/" target="_blank" rel="noopener"> The role of hormones in childbirth</a><br>২।<a href="https://www.activebirthcentre.com/antenatal/how-to-encourage-high-hormone-levels-during-labour/" target="_blank" rel="noopener"> How to encourage high hormone levels during labour</a><br>৩।<a href="https://www.ntvbd.com/health/%E0%A6%B9%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C-%E0%A6%95%E0%A7%80-923649" target="_blank" rel="noopener"> হরমোনের কাজ কী?</a></p>



<div class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color" style="background-color:#dddbd5; padding:25px">
<h4 class="has-very-dark-gray-color has-text-color">লেখাটি রিভিউ করেছেন -</h4>
<p><strong>ডাঃ সাবরিনা আফরোজ</strong><br>MBBS, MPH<br>লেকচারার, ঢাকা কমিউনিটি মেডিসিন কলেজ </p>
</div>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/role-of-hormones-in-natural-labor/">প্রাকৃতিক প্রসবে হরমোনের ভূমিকা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
