আমাদের দেশের অনেক মেয়েদের শরীরেই কোন না কোন পুষ্টির ঘাটতি থেকে যায়। ছোটবেলা থেকে উত্তম খাদ্যাবাস না থাকলে, সেটা বড় হওয়ার পর সহজে পূরন হয় না। এই ঘাটতিজনিত কারনে সমস্যাগুলো প্রকট হয় গর্ভকালীন সময়ে। এই সময়ে, মায়ের শরীর থেকেই বাচ্চা পুষ্টি সংগ্রহ করে। যথোপযুক্ত ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন-ডি, ফলিক এসিড- এসবের অভাব প্রেগন্যান্সীর কারনে শারীরিক দূর্বলতা বাড়িয়ে দেয় অনেক গুন। মায়ের খাবারের পুষ্টিগুনের ঘাটতি পূরন করে প্রি-নাটাল মাল্টিভিটামিন। এটি অনেক রকমের ভিটামিন আর মিনারেলের সমাহার। বিশেষ করে ফলিক এসিড, ক্যাসসিয়াম, আয়রন খুবই গুরুত্বপূর্ন। গোটা গর্ভকালীন সময়ে তো বটেই, প্রেগন্যান্সির পূর্বপ্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগে থেকেই খাওয়া শুরু করতে পারেন প্রি-নাটাল মাল্টিভিটামিন।
সাধারনত প্রি-নাটাল মাল্টিভিটামিনে যা যা থাকে
ডাক্তার বিশেষ কোন কারনে বিশেষ কোন উপাদান যদি যোগ না করে থাকেন, তবে একটি প্রি-নাটাল মাল্টিভিটামিনে যেসব সাপ্লিমেন্ট সাধারনত থাকে-
যাদের প্রেগন্যান্সিতে ইতিমধ্যেই বমিভাব হয়, তাদের ক্ষেত্রে কিছু প্রি-নাটাল ভিটামিনে বমিভাব বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে পরামর্শসাপেক্ষে ট্যাবলেটের বদলে অন্য ধরনের মাল্টিভিটামিন খেতে পারেন, যা আপনি চুষে খেতে পারবেন, অথবা পানির সাথে খেতে পারবেন।
যখন থেকে আপনি বুঝতে পারবেন যে গর্ভধারন করেছেন, তখন থেকেই খাওয়া শুরু করবেন।
