গ্রীষ্মের উত্তাপ সবার জন্যই কষ্টকর, তবে গর্ভবতীর জন্য একটু বেশি কষ্টকর। কারণ গর্ভাবস্থার কারণে এমনিতেই শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে। এর সাথে গরম আবহাওয়াজনিত অতিরিক্ত ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিরিক্ত তাপ যোগ হয়, যেটা গর্ভবতীর জন্য বেশ অসহনীয়। বর্তমান গরমের উত্তাপের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো অধিক আর্দ্রতা, যেটা গরমের বোধকে (Real feel) অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়।
শরীরের অতিরিক্ত ওজন এবং বর্ধিত তাপমাত্রার সাথে যখন গ্রীষ্মের খরতাপ যোগ হয়ে গর্ভবতীর অসুস্থ হয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক না। এজন্য দরকার অতিরিক্ত সর্তকতা।
গর্ভবতীর শরীরে তাপমাত্রা যদি ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করে, তবে সতর্ক হওয়া উচিত। কারণ এ সময় হিটস্ট্রোক, গরম জনিত অবসন্নতা ও পানিশূন্যতার মত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
পানিশূন্যতা ব্রাক্সটন হিক্স বা ফলস পেইনের একটি কারণ। এছাড়া ওই কারণে মাথা ঘুরানো, চোখে ঝাপসা দেখা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মত অবস্থা তৈরি হতে পারে।
