রেটিনোব্লাসটোমা / আই ক্যান্সার

লিখেছেন সাদিয়া নিলা

নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে চাই। যেকোনো অসুখ বিসুখে বাচ্চারা একটু পিছিয়ে পড়ে, সেটা যদি লার্নিং এজ এ হয় আর দীর্ঘমেয়াদি হয় তাহলে অনেকটাই পিছিয়ে পড়ে।

আবার সেটারও ব্যাপার আছে ভিন্ন,যদি বাচ্চার ভাই বোন থাকে কিংবা বাসায় বাচ্চাকে সংগ দেয়ার মত দাদি নানি দাদা নানা চাচা ফুপু থাকেন সেই পিছিয়ে পড়াটা অনেক কম হয়,কিন্তু শুধু যদি মা থাকে যাকে সংসারের বাকি কিছু কাজ,বাচ্চার এক্সট্রা কেয়ার( এক্সট্রা কেয়ার কেন বললাম সেটা পরবর্তীতে বলব),বাচ্চার খাওয়া, সকল কাজ একা হাতে করতে হয় এবং তখন আসলে বাচ্চাকে কতটুকু শিখানো যায় সেটা হয়তো কষ্ট হয়ে যায়।

এখন বলি অভিজ্ঞতার কথা,

আমার ছেলে সাদ এর জন্মের পর তিন মাস সব ঠিক ছিল,চার মাস থেকে খেয়াল করি ওর বাম চোখ টা হালকা ট্যারা,যেটাকে লক্ষি ট্যারা বলা হয় সাধারণ ভাষায়। তারপর পাচ মাসে ওর বাম চোখের করনিয়া হালকা মার্বেলর মত জ্বলজ্বল করত,সেটা খেয়াল করি।তারপর বাসায় ওর বাম চোখ টা বন্ধ করে আমি ওকে ডাকি, রেসপন্স করে ডান চোখ দিয়ে,আই কন্টাক্ট করে।কিন্ত ডান চোখ বন্ধ করে ডাকলে বাম চোখে ও আই কন্টাক্ট করেনা।সেদিন বুঝতে পারি যে আমার ছেলে আসলে বাম চোখে দেখতে পায়না।

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ জানুয়ারি 3, 2021