এদেশের নারীদের গড় আয়ু প্রায় ৭৩ বছর। সেদিক বিবেচনায় ত্রিশের পর একজন নারী তার জীবনের মাঝামাঝি পর্যায়ে উপনীত হন। এ সময়ে কাজের চাপটা থাকে সবচেয়ে বেশি। হাজার রকমের দায়িত্বের ভিড়ে নিজেকে সময় দেয়ার ফুরসত মেলে না এতটুকুও। যেই মানুষটা সন্তানদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে তাদের পেছনে প্লেট নিয়ে ছুটেন, সেই মানুষটাই টেবিলে রয়ে যাওয়া খাবার দিয়ে কোনোরকমে নিজের ক্ষুধা নিবারণ করেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই দিনশেষে তার নিজের শরীরের পুষ্টি চাহিদা অপূর্ণ থেকে যায়।
অথচ জীবনের এই সময়টা কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। একে তো এটা প্রজননের বয়স, তার ওপর ডায়াবেটিস, প্রেশার, থাইরয়েড সমস্যা ইত্যাদির মত বিভিন্ন রোগ বালাই শুরু হওয়ারও বয়স এটা। তাছাড়া এই বয়সের হেলাফেলা পরবর্তী সময়ে বার্ধক্য জনিত সমস্যাগুলোকে আরো প্রকট করে তোলে। তাই সময় থাকতেই সাবধান হতে হবে, বিশেষত আপনার খাবার ও লাইফস্টাইল বিষয়ে। এ লেখায় ৩০-৪০ বছর বয়সী নারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু পয়েন্ট উল্লেখ করা হল-
ত্রিশ পার হলেই মহিলাদের ওজন বেড়ে যায়, এটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু কেন এমনটা হয়? কারণ এ সময়ে শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাক হার হ্রাস পায়। এখন যদি কেউ মেটাবলিজমকে বাড়ানোর ব্যবস্থা না করে, তাহলে ধমাধম বাড়তেই থাকবে ওজন, একই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়বে সব রকম জটিল রোগের ঝুঁকি। এই মেটাবলিজমের হার বাড়াতে তিনটি প্রধান খাদ্য উপাদানের উপর লক্ষ্য রাখতে হবে। এই তিনটি হল আমাদের অতি পরিচিত- কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন আর ফ্যাট।
বয়স অনুযায়ী দৈনিক ক্যালোরি চাহিদা গণনা করার পদ্ধতি নিয়ে আগের একটি লেখায় বিস্তারিত লেখা হয়েছে। কি কি পুষ্টি উপাদান জরুরি সে বিষয়ে ধারণা নিতে পারেন ২০-৩০ বছর বয়সীদের পুষ্টি চাহিদা নিয়ে লেখা থেকে, যেহেতু এ বয়সের চাহিদাও প্রায় একই রকম। আর বিভিন্ন প্রকার খাবারের অনুপাত কি রকম হবে তা নিচের ছবিটি থেকে দেখে নিতে পারেন।
