অনেক বাবা-মায়েরা অভিযোগ করেন বাচ্চা অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকে, ঠিক সময়ে ঘুমায় না। যেহেতু দেরী করে ঘুমায়, ঘুম থেকে উঠেও অনেক দেরীতে। ঠিক সময় মতো না ঘুমানোটা একটা চক্রের (Loop) মতো। একবার এর ভেতর পড়ে গেলে, বের হওয়া মুশকিল।
কিভাবে বাচ্চাকে সময় মতো ঘুম পাড়ানো যায়- আসলেই চিন্তার বিষয়। কারন খুব ছোট বাচ্চাকে বড়দের মতো নির্দেশনা দেয়া যায় না। কাজেই এমন অবস্থা তৈরী করতে হবে, যাতে বাচ্চা বুঝতে পারে এখন ঘুমের সময়। এটা অনেকটা একরকম সিগন্যাল দেয়ার মতো বাচ্চাকে যে ঘুমের সময়ে ঘুমাতে হবে। এই সিগন্যাল দেয়া তখনই কাজ করবে, যখন বাচ্চার ঘুমের আগে একটা নির্দিষ্ট রুটিন করে দেয়া যাবে। বাচ্চার তিনমাস বয়স থেকে নিয়মিত এই বেড টাইম রুটিন অনুসরন করতে পারেন।
বড়রা যেমন সারাদিনের ব্যস্ততার পর, ঘুমাতে যাওয়ার আগে কিছুসময় প্রস্তুতি নেন ঘুমাতে যাবার (দাঁত ব্রাশ করা, চুল আচড়ানো, বিছানা করা), ঠিক তেমনি বাচ্চাদেরও প্রস্তুতির দরকার আছে। ঘুমানোর আগের এই প্রস্তুতিগুলো বাচ্চাকে যে রিলাক্স করে কেবল ঘুমানোর সিগন্যাল দেবে তা না, বরং বাচ্চারকে সারা রাতের একটা ভালো ঘুম আর সকালে চমৎকার একটা দিন শুরু করতে সাহায্য করবে।
যত কম বয়স থেকে শুরু করতে পারেন, আপনার আর বাচ্চার জন্য তত ভালো। সাধারনত বাচ্চার ৬-৮ সপ্তাহ বয়স থেকেই সম্ভব বেড টাইম রুটিন শুরু করা, যখন আপনি ডেলিভারীর ধকল কিছুটা সামলে উঠতে পারবেন। তবে তিনমাস বয়স থেকে নিয়মিত এই রুটিন শুরু করতে পারেন।
