গর্ভধারণের চতুর্থ সপ্তাহ

এই সপ্তাহটি বেশ গুরুত্বপূর্ন। আপনি গর্ভধারণ করেছেন কি-না, তা ইতিমধ্যে না জেনে থাকলে এই সপ্তাহে পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে পারবেন। যদি গর্ভবর্তী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার গর্ভধারণের এক মাস হয়ে যাচ্ছে। আপনি প্রথম ট্রাইমিষ্টারে আছেন। এটা বাচ্চার বর্ধণের জন্য গুরুত্বপূর্ন সময়।

এই সময়ে এসে আপনার শরীরে প্রেগন্যান্সি হরমোন (Pregnancy Hormone) পুরোদমে সক্রিয়। গর্ভধারণের প্রাথমিক যে লক্ষণগুলো দেখা যায়, এই হরমোনই তার জন্য দায়ী। ক্লান্তি, মাথা ঘোরানো, বমিভাব, অজ্ঞান হয়ে পড়া, অকারণে দুশ্চিন্তা সবকিছুই এ থেকে হয়। এই সপ্তাহে যে পরিবর্তনগুলো আপনার চোখে পড়বে-

গর্ভধারণের চতুর্থ সপ্তাহে এসে খুব দ্রুত ভ্রুনের উন্নতি হতে থাকে। নিষিক্ত ডিম্বানুটি জরায়ুতে স্থাপিত হওয়ার পর থেকে দ্রুতই কোষ বিভাজন চলতে থাকে। এই সপ্তাহে এসে মায়ের গর্ভে গর্ভথলে (Amniotic Sac) গঠিত হয়। এই থলে ভর্তি থাকে পানিতে, যা বাচ্চাকে পরবর্তী নয় মাস ধরে সুরক্ষা দেবে। গর্ভথলির ভিতর ভ্রূণ বা ইয়োক স্যাক (Yolk Sac) রক্ত এবং পুষ্টির যোগান দেয়। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে প্ল্যাসেন্টা (গর্ভকালীন সময় জরায়ুর দেয়ালের সাথে ফেটাসের সংযোজক নালী) তৈরী হবে।

এ সময় ভ্রুনটি ১.৯৮ মিলিমিটার লম্বা হয়। তা খুব ছোট, একটা আপেলের বিচির সমান। কিন্তু এই ছোট্ট প্রাণটা ঘিরে নানা রকম কর্মযজ্ঞ শুরু হয়ে গেছে। হাত এবং পায়ের গঠন শুরু হয়েছে, যদিও এখনো পরিস্কার বোঝা যাবে না।

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

গুগল বা ইয়াহু বাটনে ক্লিক করে লগিন করুন। সমস্যা হলে সাপোর্টে নক করুন
সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ জুলাই 3, 2026