বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন বাংলাদেশেও ঢুকে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেউ হয়ে পড়ছেন বেশি আতঙ্কিত আবার কেউ একদমই অপ্রস্তুত থেকে যাচ্ছেন। কিন্তু কোনটাই কাম্য নয়, প্রয়োজন আমাদের সঠিক জ্ঞান, সচেতনতা ও ব্যক্তি পর্যায় থেকে যতটা সম্ভব প্রস্তুতি গ্রহণ।  

প্রথমেই জেনে নেই,

করোনাভাইরাস থেকে হওয়া কোভিড-১৯ রোগের লক্ষণগুলো কী

  • উচ্চমাত্রায় জ্বর ১০০ ডিগ্রীর বেশি
  • হাঁচি ও শুকনো কাশি
  • গলা ব্যথা
  • শ্বাসকষ্ট
  • অতিরিক্ত দুর্বলতা

রোগের মাত্রা বেড়ে গেলে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাবে। গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রেও লক্ষণগুলো একইরকম হবে।

গর্ভবতী মা ও তার ভ্রণের জন্য কতটা ঝুঁকি

যদিও এই ভাইরাসটি মানুষের কাছে এখনো নতুন এবং এটা নিয়ে এখনো বেশি কিছু জানা যায়নি, তবে গর্ভকালীন সময়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় এই সময়ে যে কোন ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাছাড়াও কোভিড-১৯ গোত্রভুক্ত অন্যান্য ভাইরাসের ক্ষেত্রে মেয়েদের অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেশি ছিল। বেশ কিছু উন্নত দেশ বয়স্কদের পাশাপাশি গর্ভবতী মায়েদেরও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে ¨ঝুঁকিপূর্ন¨ তালিকায় রেখেছে।

সেই সাথে, যে কোন ভাইরাল ইনফেকশনে ধারণা করা হয় যদি সেটা গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে অর্থ্যাত প্রথম তিন মাসে মাকে আক্রান্ত করে তাহলে ভ্রুণের জন্য বাড়তি কিছু ঝুঁকি থাকে যেমন, বিকলাঙ্গতা, গর্ভপাত, সময়ের আগেই ডেলিভারি হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। মায়ের যদি অতিরিক্ত জ্বর থাকে তাহলে সেটাও বাচ্চাকে ঝুঁকিতে ফেলে, এমনকি ভ্রুণের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

তাই এই সময় গর্ভবতী মায়েদের ও তাদের আশপাশে যারা থাকেন তাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আশার কথা, বর্তমান কোভিড-১৯ রোগে চায়নাতে বেশ কিছু গর্ভবতী মা আক্রান্ত হয়েছিলেন তবে সবাই সেরে উঠেছিলেন। আর, এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হলেও বেশির ভাগই সেরে ওঠেন। তাই প্রয়োজন উপযুক্ত সতর্কতা ও ব্যবস্থা গ্রহণ।

গর্ভবতী মায়েরা কী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিবেন

যতটা সম্ভব ঘরে থাকুন। জটিল কোন সমস্যা না থাকলে রুটিনমাফিক চেক আপের জন্য ডাক্তারের কাছে যাওয়া থেকে এক বা দুই মাস বিরত থাকুন। এতে আপনার তেমন ক্ষতির আশঙ্কা নেই কিন্তু আগামী এক বা দুই মাস সময় ডাক্তারের চেম্বার, ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা হাসপাতাল এড়িয়ে চলুন কারণ এখান থেকে আপনার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এমনকি চেক আপের ডেট থাকলেও আপনি ডাক্তারের কাছে বা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে না যেতে পারেন। আপনাকে তাহলে ঘরেই কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যেমন:

১) আগের প্রেসক্রিপশনের ওষুধগুলোই খেতে থাকুন।
২) বাসায় প্রেসার মাপা মেশিন থাকলে মাঝে মাঝে নিজেরাই প্রেসার চেক করুন ।
৩) বাচ্চার নড়াচড়া খেয়াল রাখুন।
৪) ওজন বাড়ছে কি না খেয়াল রাখুন। বাসায় ওজন মাপার মেশিন থাকলে প্রতি মাসে ওজন দেখে নিন।
৫) নতুন কোন সমস্যা দেখা দিলে বা কোন অসংগতি মনে হলে ফোনে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিন।
৬) সকল সামাজিকতাকে এড়িয়ে চলুন। আপনার ভবিষ্যত সন্তানের সুরক্ষার জন্য নিজেকে আড়ালে রাখুন।
৭) নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া কোনভাবেই ঘরের বাইরে যাবেন না। গণপরিহন এড়িয়ে চলুন।
৮) নিয়মিত হাত-মুখ সাবান-পানি বা স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করুন। বারবার মুখে-চোখে হাত দিবেন না।

৯) ভাইরাসটি মানুষের চুল ও কাপড়ে আটকায় তাই বাইরে থেকে কেউ আসলে সে গোসল করে পরিচ্ছন্ন না হওয়া পর্যন্ত তার থেকে অন্তত ৬ মিটার দুরত্ব রক্ষা করে চলুন। গোসল করা সম্ভব না হলে তাকে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে ভালো করে ধুতে বলুন ও কোথাও না বসে পরিধান করা কাপড় দ্রুত পাল্টে ফেলতে বলুন। কাপড়টি সাথে সাথে ধোয়ার ব্যবস্থা করুন বা অন্তত পরবর্তী ৯ ঘন্টা সেটার সাথে সংস্পর্শে আসতে হবে না এমন স্থানে রাখুন কারণ এই ভাইরাস কাপড়ে সক্রিয় থাকে ৯ ঘন্টা পর্যন্ত। সরাসরি সূর্যের আলোতে কাপড়টি রাখতে পারেন এতেও ভাইরাস থাকলে তা নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। ভাইরাসটি ধাতব বস্তুতে ৯ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে তাই বাইরে থেকে কেউ এসে দরজার নব ইত্যাদি ধাতব জিনিস ধরলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন। নিজেও বাইরে গেলে ধাতব বস্তু স্পর্শ করা এড়িয়ে চলুন।   

১০) হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার নিজে মেনে চলুন। এবং বাসার সকলকে এটি মেনে চলতে বলুন। যেখানে সেখানে কফ বা থুতু ফেলবেন না। হাঁচি আসলে মুখের সামনে টিস্যু ধরবেন ও তৎক্ষণাত তা বন্ধ বিনে ফেলে দিবেন। টিস্যু না থাকলে মুখ ঢাকার জন্য নিজের কনুই ব্যবহার করবেন।  

১১)  সুসিদ্ধ খাবার, ফল ও সবজি খান। আয়রনসমৃদ্ধ খাবার (সবুজ শাক-সবজি, মাছ, ডিম), ফলিক এসিড (শিম, ডাল, সবুজ শাক-সবজি), ভিটামিন সি (লেবু, টমেটো, কমলা, পেপে, ফুলকপি, ব্রকলি, মিষ্টি আলু – এর মাঝে যেগুলো কাচা খাওয়া যায় সেগুলোর ভিটামিন-সি এর গুণাগুণ ঠিক রাখতে কাচা খেতে হবে) ও জিংক সমৃদ্ধ খাবার (গরুর মাংস, মুরগী্র মাংস, হাঁসের মাংস, মসুর ডাল) খান। বেশি বেশি গরম পানীয় যেমন স্যুপ, লিকার চা, গরম পানি খান। সেই সাথে প্রতি ২০ মিনিট পর উষ্ণ গরম পানিতে একবার চুমুক দিন এতে কোন ভাইরাস আপনার গলায় চলে গেলেও তা ফুসফুসে চলে যাওয়ার আগে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। প্রতিদিন উষ্ণ লবন পানি দিয়ে গড়গড়া করুন। ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার খাবেন না। এই ভাইরাস আপনার শরীরে ঢোকার পর ফুসফুসে প্রবেশ করতে তিন/চার দিন সময় নেয়।  

১২) বাড়ীতে কারো সর্দি-কাশি হলে তাকে কিছুটা আলাদা করে রাখুন। কোনভাবেই তার কাছাকাছি যাবেন না। এমনকি আপনার বাচ্চা হলেও না। তাকে পরিবারের অন্য কোন সদস্যের কাছে দেখভালের জন্য রাখুন।

সেই সাথে, গর্ভবতী মায়ের পরিবারের সদস্যদেরও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। উপরের দিকনির্দেশনাগুলো মেনে চলতে হবে, যতটা সম্ভব সামাজিক মেলামেশা কমিয়ে আনতে হবে, ভীড় আছে এমন জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে, ঘরে থেকে অফিস করার সুযোগ থাকলে তা কাজে লাগাতে হবে।

গর্ভবতী মা যদি আক্রান্ত হন তাহলে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন

গর্ভবতী মায়ের যদি কোভিড-১৯ হওয়ার লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে দ্রুত কল সেন্টারে যোগাযোগ করুন এবং ১৪ দিন নিজ বাসায় বা  স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কোয়ারেন্টাইনে থাকুন (নিজ বাসায় কিভাবে কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন বা নিজেকে আলাদা করে রাখবেন তা নিয়ে শীঘ্রই মাতৃত্বে আর্টিকেল আসছে ইনশাল্লাহ)। খুব বেশি অসুস্থ না হলে হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক ওষুধ পথ্য খান। মাস্ক পরবেন ও বার বার হাত ধুবেন। উষ্ণ পানি বা তরল জাতীয় উষ্ণ পানীয় খাবেন বেশি করে। প্রতিদিনের পরিধান করা কাপড় স্যাভলন ও সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

সেবাদানকারী সাবধানতা অবলম্বন করে মাকে চিকিৎসা দিবে।  হাতের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্যারাসিটামল ও অক্সিজেনের ব্যবস্থা রাখবেন। যদি খুব বেশি জ্বর ও শ্বাসকষ্ট হয় তাহলে হাসপাতালে যাবেন। সময়ের পূর্বে ডেলিভারি করানো বা অন্যান্য যে কোন অপারেশন করার প্রয়োজন নেই। মায়েদের জন্য অন্য কোন ব্যবস্থার প্রয়োজন নেই। অপেক্ষা করে দেখা হবে এই সময়টা পার হওয়া পর্যন্ত।

আক্রান্ত মায়ের ডেলিভারীর ব্যবস্থা 

বাংলাদেশ সরকার থেকে মোট ৪টি হাসপাতালে কোভিড-১৯ আক্রান্ত মায়েদের ডেলিভারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাসপাতালগুলো হচ্ছে:

  • কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
  • কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল
  • মুগদা হাসপাতাল
  • মহানগর হাসপাতাল।

ডেলিভারির সময়ও মায়ের জন্য স্বাভাবিক যা যত্ন নেয়ার তা নিতে হবে। বার বার তাপমাত্রা, শ্বাসপ্রশ্বাসের হার ও পেটের ভেতর বাচ্চার নড়াচড়া পর্যবেক্ষণ করতে হবে। মায়ের প্রতি মানসিক ও সামাজিক সমর্থন থাকা উচিত সকলের। যদি মা সোজা অবস্থায় থাকতে সক্ষম হন তাহলে তাই থাকবেন। ভালো করে খাবার খাবেন। একজন সুস্থ ব্যক্তি মায়ের সাথে থাকতে পারেন, এই সময় মায়ের চারপাশে ভীড় করা যাবে না। স্বাভাবিক প্রসবের সময় অপারেশনের প্রয়োজন হলে General anesthesia না দিয়ে Spinal anesthia দিতে হবে। সন্তান জন্মের সাথে সাথে মায়ের শরীরের সাথে তাকে লাগানো নিরাপদ। সেই সাথে, অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতি সতর্ক থাকবেন। 

আক্রান্ত মা থেকে কি বাচ্চা আক্রান্ত হতে পারে?

এখনো এমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে আক্রান্ত মা থেকে গর্ভস্থ বাচ্চাও আক্রান্ত হয়েছে। চায়নাতে ৯ জন গর্ভবতী মা আক্রান্ত হয়েছিলেন কিন্তু তাদের কারো সন্তানই কোভিড-১৯ পজেটিভ আসেনি। উল্লেখ্য, তাদের সবারই সিজার হয়েছিল। আরও আশার কথা হচ্ছে, এই সব নারীদের কারোই এমনিওটিক ফ্লুয়িডে (যে তরল মায়ের পেটে বাচ্চাকে ঘিরে রাখে) এই ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। তাই ধারণা করা যায় যে স্বাভাবিক প্রসবেও কোন সমস্যা হওয়ার কথা না। তবে আক্রান্ত হওয়া এই মায়েদের সংখ্যাটা খুব কম আর তাই এই নিয়ে এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

নবজাতকের যত্ন ও বুকের দুধ খাওয়ানো

বরতমান সময়ে, নবজাতককে শুধু মা বা পরিবারের একজন যত্ন করাই ভালো। সন্তান জন্মের পর পর তাকে সবার সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখা বা চুমু দেয়া থেকে বিরত রাখবেন। নবজাতককে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো যাবে, তবে খাওয়ানোর আগে মা ভালো করে হাত ধুয়ে নিবেন।  

মা যদি আক্রান্ত হন তাহলে কি বুকের দুধের মাধ্যমে সন্তান আক্রান্ত হতে পারে? এখনো পর্যন্ত সীমিত সংখ্যক স্যাম্পলে বুকের দুধে এই ভাইরাস পাওয়া যায়নি। সেই সাথে, মায়ের বুকের দুধ বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই আক্রান্ত মাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। তবে এই ক্ষেত্রে মাকে অত্যন্ত সচেতন থাকতে হবে, মাস্ক পরতে হবে, হাত ধুয়ে বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে। অথবা প্রয়োজনে ব্রেস্টপাম্পের সাহায্যে দুধ বের করে বাটি-চামচ দিয়ে খাওয়াতে হবে। তবে মাকে অবশ্যই ব্রেস্টপাম্প বা বাটি-চামচ ধরার আগে হাত ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। আবার ব্যবহারের পরও ব্রেস্টপাম্প ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে রাখতে হবে। অন্য কোন সুস্থ নারীও বাচ্চাকে বের করা দুধ খাওয়াতে পারেন। চায়নাতে আক্রান্ত মায়েদের বাচ্চাদের জন্মের পর মা ও বাচ্চাকে ১৪ দিন আলাদা রাখা হয়েছিল।

এই সকল সাবধানতা অবলম্বন করার কারণ এই যে এই ভাইরাসটা মানুষের থেকে মানুষের কাছে ছড়ায়। তাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এতটা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থায় এটা পালন করা কঠিন হলেও আপনজনদের সুস্থতার খাতিরে আমাদের এটা মেনে চলতেই হবে। এখানে ভুল বোঝাবুঝি, মন কষাকষির কোন অবকাশ নেই। কেউ বুঝতে না চাইলে বা মন খারাপ করলে তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে এবং অপর পক্ষেরও বুঝতে চেষ্টা করতে ও সহযোগিতা করতে হবে।  

করোনাভাইরাস এখনো আমাদের কাছে নতুন এক ভাইরাস, এর অনেক কিছুই আমাদের অজানা। তাই এই সময় প্রয়োজন দিকনির্দেশনা মেনে চলা। ঘরে থাকুন, পরিচ্ছন্ন থাকুন, সতর্ক থাকুন। এই ভাইরাস নিয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করুন, তা মেনে চলুন। শান্ত থাকুন ও স্রষ্টার স্মরণে থাকুন। নিরাপদ হোক আপনার মাতৃত্ব।

(এখনো পর্যন্ত পাওয়া তথ্য দিয়ে এই আর্টিকেল তৈরি করা হয়েছে। তবে এসব তথ্যের পরিবর্তন হতে পারে, তখন এই লেখাতেও পরিবর্তন আনা হবে ইনশাল্লাহ। তাই নিয়মিত বিরতিতে এই আর্টিকেল পুনরায় পড়ে দেখার অনুরোধ থাকবে আপনাদের কাছে।)

তথ্যসূত্র:

বিভিন্ন কল সেন্টারের নম্বর

OGSB Health Clock: ১৬২৬৩, ৩৩৩

আইইডিসিআরের হটলাইন নম্বর: +৮৮০১৯৪৪৩৩৩২২২, +৮৮০১৫৫০০৬৪৯০১, +৮৮০১৯২৩০০০০১১, +৮৮০১৫৫০০৬৪৯০২, +৮৮০১৯৩৭১১০০১১, +৮৮০১৫৫০০৬৪৯০৩, +৮৮০১৯২৭৭১১৭৮৪, +৮৮০১৫৫০০৬৪৯০৪, +৮৮০১৯২৭১১৭৮৫, +৮৮০১৫৫০০৬৪৯০৫

সেনাবাহিনীর ২টি কোয়ারেন্টাইন ক্যাম্পের নাম্বার: আশকোনা: +৮৮০১৭৬৯০১৩৪২০, +৮৮০১৭৬৯০১৩৩৫০ এবং উত্তর দিয়াবাড়ি: +৮৮০১৭৬৯০১৩০৯০, +৮৮০১৭৬৯০১৩০৬২

ছবি: steemit

লেখাটি রিভিউ করেছেন ডাঃ ফাতেমা ইয়াসমিন