<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>মাতৃত্বের প্রতিসপ্তাহ - Matritto</title>
	<atom:link href="https://matritto.com/tag/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://matritto.com</link>
	<description>গর্ভধারণ, সন্তান পালন ও মাতৃত্ব নিয়ে জানুন বাংলাভাষায়</description>
	<lastBuildDate>Sat, 15 Nov 2025 18:19:41 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://matritto.com/wp-content/uploads/2017/02/cropped-favicon-1-1-1-32x32.png</url>
	<title>মাতৃত্বের প্রতিসপ্তাহ - Matritto</title>
	<link>https://matritto.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>১৯ তম সপ্তাহে প্রেগন্যান্সি; সম্ভাব্য পরিবর্তন ও সতর্কতা</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a7%a7%e0%a7%af-%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://matritto.com/%e0%a7%a7%e0%a7%af-%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আফিফা রায়হানা]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Nov 2023 18:18:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[Pregnancy Week by Week]]></category>
		<category><![CDATA[মাতৃত্বের প্রতিসপ্তাহ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=6915</guid>

					<description><![CDATA[<p>গর্ভে সন্তানের শরীর ও মস্তিষ্কের ৯০ শতাংশ গঠিত হয়। গর্ভের প্রতিটা সময় সেজন্য গুরুত্বপূর্ণ। ১৯ সপ্তাহে সন্তানের পরিবর্তন ও মায়ের করণীয় সম্পর্কে জানতে পড়ুন।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a7%a7%e0%a7%af-%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8/">১৯ তম সপ্তাহে প্রেগন্যান্সি; সম্ভাব্য পরিবর্তন ও সতর্কতা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>১৯ সপ্তাহ প্রেগন্যান্সী</p>



<p>আপনি যখন প্রেগন্যান্সীর ১৯ সপ্তাহে আছেন, আপনি প্রেগন্যান্সীর ৫ম মাসে আছেন। যদি আপনি এতদিনে বাচ্চার নাড়াচাড়া বুঝতে না পেরে থাকেন, তবে এখন থেকে পেতে পারেন। তবে প্রথম প্রেগন্যান্সী হয়ে থাকলে আরও পরেও তা অনুভব করতে পারেন, ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কিংবা আগে থেকে নাড়াচাড়া বুঝলে, এখন আরো পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারবেন। ২০ সপ্তাহের আল্ট্রাসাউন্ডে বাচ্চার বৃদ্ধি সম্পর্কে আপনি আরও পরিষ্কার ধারনা পাবেন। এই সময়ে যেহেতু আপনার বাচ্চার সাকিং ইন্সটিংক্ট তৈরি হয়েছে, পেটের ভেতরেই বাচ্চার বৃদ্ধা আংগুলী তার মুখের কাছে পৌঁছালে, সে হয়ত তা চুষতে শুরু করবে।</p>



<p><strong>বাচ্চার পরিবর্তন</strong></p>



<p>এই সপ্তাহে বাচ্চা আকারে খানিকটা বড় হয়েছে। লম্বায় সে এখন প্রায় ৬ ইঞ্চি, ওজন বেড়েছে আধা পাউন্ডের মতো। বাচ্চার শরীরে ভার্নিক্স তৈরি হয় এই সময়ে এসে। ভার্নিক্স ক্যাসিওসা হলো বাচ্চার চামড়ার উপর এক ধরনের সাদা দইয়ের মতো চটচটে পদার্থ, যা আপনি সন্তান জন্মাবার পর দেখতে পেতে পারেন। বাচ্চা যেহেতু এমনিওটিক ফ্লুইড অর্থাৎ পানির মধ্যে থাকে, এই ভার্নিক্স তার চামড়াকে বাহির থেকে সুরক্ষা দেয় এবং দীর্ঘসময় পানিতে থাকার পরও তা কুঁচকে যেতে দেয় না। এক সময় এই ভার্নিক্স মিলিয়ে যায়। কিন্তু সন্তান নির্দিষ্ট সময়ের আগে জন্মালে আপনি এই ভার্নিক্স দেখতে পাবেন।&nbsp;</p>



<p>প্রথমবার যারা মা হচ্ছেন, তারা হয়ত বাচ্চার নাড়াচাড়া এতদিন বুঝতে পারতেন না, এই সপ্তাহে বুঝতে পারেন। মায়েদের জন্য এই নাড়াচাড়া বুঝতে পারাটা আসলেই অন্য রকম অভিজ্ঞতা এবং মায়েরা এর জন্য শুরু থেকই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। এই পর্যায়ে অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মতো, বাচ্চার ফুসফুসের গঠনও চলছে। বিশেষ করে শ্বাসনালীর &nbsp;ব্রংকিউলেস এর গঠন শুরু হয়েছে।</p>



<p><strong>আপনার পরিবর্তন</strong></p>



<p>এই পর্যায়ে এসে আপনি প্রেগন্যান্সীর অর্ধেক সময় পার করে এসেছেন। আপনি যেহেতু বাচ্চার নাড়াচাড়া বোঝার জন্য অপেক্ষা করে আছেন, পেটের মধ্যে গ্যাসের কারনে সৃষ্ট নাড়াচাড়াতেও আপনি সতর্ক হয়ে উঠছেন। বলা মুশকিল, আপনি যা অনুভব করছেন, আসলেই কি সেটা গ্যাসের নাকি আপনার বাচ্চার নাড়াচাড়া। প্রথম দিকে বাচ্চার মুভমেন্ট খুব হালকা থাকে, সময়ের সাথে সাথে আপনি শক্ত নাড়াচাড়া ফিল করা শুরু করবেন।</p>



<p>সেকেন্ড ট্রাইমিস্টারে ওজন বাড়ে, যার কারনে অনেকটা ভার আমাদের পায়ের উপর পড়ে। বর্ধিত জরায়ুর চাপে পড়ে পায়ে রক্ত চলাচলের ব্লাড ভ্যাসেলগুলো সংকুচিত হয়ে আসে বলে, অনেকের এই সময় লেগ ক্রাম্প হয়। অনেকের রাতে এই সমস্যা বেশি হয়। যখনই আপনার লেগ ক্রাম্প হবে, চেষ্টা করবেন পা টানটান করতে, নাড়াচাড়া করতে। অনেকের ঘুমের মধ্যে লেগ ক্রাম্প হয়। ব্যাথায় জেগে যাওয়াও অস্বাভাবিক না। ঘুম ভেঙ্গে গেলেও উঠে বসে চেষ্টা করবেন, পা নাড়াচড়া করতে। সাম্প্রতিক সময়ের কিছু গবেষণা বলে, এই ধরনের ক্রাম্পিং এর সাথে আমাদের খাদ্যাভাসের যোগ আছে। পরিমিত পানি খেয়ে শরীর হাইড্রেটেড থাকলে, এই সমস্যা আপনি কমিয়ে আনতে পারবেন।</p>



<p>অনেক প্রেগন্যান্ট মায়েদের ভেরিকোস ভেইন লক্ষ্যনীয় হয় এই সময়। বাড়ন্ত জরায়ু যখন আমাদের হার্টের পিছন থেকে পায়ে রক্ত সরবরাহকারী বড় নালিকাতে চাপ প্রয়োগ করে, তখন ভেরিকোস ভেইন (Varicose vain) দেখা যায়। এটা কখনো কখনো চুলকানিসহ অসুবিধা, এমনকি ব্যাথার কারনও হতে পারে। অনেকের আবার লম্বা সময় একভাবে শুয়ে বা বসে থাকলে এডেমা (Edema) হতে পারে। সাধারনত এটা সময়ের সাথে সাথে ঠিক হয়ে যাওয়া নির্দোষ এডেমা হলেও, অনেক সময় তা প্রি-এক্লেম্পশিয়ার কারন হতে পারে।</p>



<p>পেট আকারে বাড়াতে আপনি স্ট্রেচ মার্ক দেখতে পেতে পারেন। সবার যে স্ট্রেচমার্ক পড়ে তা না, তবে চামড়া শুষ্ক ও সংবেদশীল হলে, স্ট্রেচমার্ক খুব স্বাভাবিক। স্ট্রেচমার্কের কারনে অনেকের বেশ চুলকানি হয়। স্ট্রেচমার্কের কারনে এরকম চুলকানি স্বাভাবিক। এছাড়া মুখের চামড়া কিছুটা কালচে বর্ন ধারণ করা বা মুখে বাদামী দাগ ( chloasma) পড়ে অনেকের।</p>



<p><strong>এই সপ্তাহে আপনার জন্য টিপস</strong></p>



<p>·&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; প্রেগন্যান্সীতে অনেকে ভ্যাজাইনাল ইষ্ট ইনফেকশনে ভোগেন। এই সময় শরীরে এস্ট্রোজেন হরমোনের আধিক্য এই সমস্যাকে বাড়িয়ে তোলে। ঘনঘন হলে, ডাক্তারের পরামর্শ নিন। যেহেতু সব ওষুধ প্রেগন্যান্সী সেইফ না, তাই ভ্যাজাইনাল ইষ্ট ইনফেকশনে প্রেগন্যান্সীতে ডাক্তাররা সাধারনত মুখে খাবার ওষুধ দেন না। ব্যবহারযোগ্য অয়েন্টমেন্টে বা ওষুধে ইষ্ট ইনফেকশন নিরাময়যোগ্য। সুতির ঠিলাঠালা অন্তর্বাস পরবেন।</p>



<p>·&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; শরীরে পানির অভাবে অনেক সমস্যার উদ্ভব ঘটে। লেগ ক্রাম্প ছাড়াও, মাথাব্যাথা, বমিভাব হতে পারে। প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি খাবেন। এছাড়া জুস, প্রচুর শাকসবজি, ফলমূল আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে রাখবেন। কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে ভালো কাজে দেবে। কোনভাবেই আপনি তা দূর করতে না পারলে প্রুন জুস খেয়ে দেখতে পারেন। গ্রীষ্মমন্ডলীয় এলাকার মানুষের জন্য এমনিতেই পানি পরিমাণ ঠিক রাখতে পানি জাতীয় খাবারে মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।</p>



<p>·&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; ভালো ঘুমের জন্য আরামদায়ক বালিশ ব্যবহার করুন। দুই পায়ের ফাঁকে বালিশ রাখতে পারেন। পায়ের ব্যাথার জন্য পা কিছুটা উঁচু করতে রাখতে বালিশ ব্যবহার করতে পারেন।</p>



<p>·&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে নিয়মিত কিছু শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রেগন্যান্সীতে ওজন বাড়ায় এবং অনেকে অফিস ডেস্কে লম্বাসময় একভাবে কাজ করায়, এইসময় করপাল টানেল এর সমস্যা দেখা দেয়। নিয়মিত কিছু স্ট্রেচিং, বিশেষ করে হাতের, আপনাকে সাহায্য করবে ভালো বোধ করতে। সকালে ঘুম থেকে উঠলে কব্জি সহ আঙ্গুলে ব্যাথা করপাল টানেল সিন্ড্রোমের কারণ। এক্ষেত্রে স্ট্রেচিং ছাড়াও ঘুমানোর সময় রিষ্ট ব্যান্ড ব্যবহার করতে পারেন। এটি ঘুমের মধ্যে আঙ্গুল সহ কব্জি সোজা থাকতে সাহায্য করবে।</p>



<p>·&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; অনেকের প্রেগন্যান্সীতে খাবার ছাড়া অন্য নন-ফুড আইটেম খাবার প্রতি আগ্রহ জন্মায়। কয়লা, সাবান, ছাই, চক -এধরনের খাবারে যদি আপনার ক্রেভিং থাকে, তাহলে সতর্ক হোন। এটাকে পিকা বলে এবং খাবারে পুষ্টির ঘাটতির জন্য (সাধারণত আয়রন এবং জিঙ্ক) এই সমস্যা হতে পারে। অনেক সময় গ্যাষ্ট্রোইন্টেস্টেনাল সমস্যার (ডায়রিয়া, বমি, কোষ্টকাঠিন্য) জন্য এই ধরনের নন-ফুড আইটেম দায়ী থাকে। এরকম সময়ে চুইয়িং গাম চাবাতে পারেন। এছাড়া প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার, কচকচে সবজি (গাজর, আপেল, স্যালারি ইত্যাদি) আপনি নন ফুড আইটেমের ক্রেইভিং মেটাতে খেতে পারেন।</p>



<p>·&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; এডেমার জন্য পায়ে চাপ দিয়ে থাকে এমন মোজা পরতে পারেন। রাতে শোয়ার সময় পায়ের নীচে বালিশ দিয়ে কিছুটা উঁচু করে রাখতে পারেন। এক ভাবে লম্বা সময় শুয়ে বা বসে থাকা থেকে বিরত থাকুন।</p>



<p>·&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; পেটে, পায়ে বা শরীরের অন্যান্য জায়গায় স্ট্রেচমার্ক এড়ানোর জন্য চামড়া ময়েশ্চার রাখার চেষ্টা করুন। খাঁটি নারকেল তেল বা অলিভ ওয়েল ব্যবহার করতে পারেন। বায়ো ওয়েল, ভ্যাসলিন ব্যবহার করেন অনেকে। এতে স্ট্রেচমার্ক এড়ানো না গেলেও কমানো সম্ভব হবে, ইনশাআল্লাহ্‌।</p>



<p>শারীরিক নানান অসুবিধা, হরমোনের উঠানামা এর মধ্যেও চেষ্টা করুন প্রেগন্যান্সীকে উপভোগ করতে। ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া, এক্সারসাইজ যেমন আপনাকে শারীরিক ভাবে কর্মক্ষম রাখবে, তেমনি নিজের মতো মানসিক ভাবে ভালো থাকার চেষ্টা করুন। প্রেগন্যান্সী, প্যারেন্টিং নিয়ে জানার চেষ্টা করুন। প্রতিদিন শরীরে রোদ লাগান, খোলা বাতাসে হাঁটুন। ভালো লাগার কাজগুলো করুন।</p>



<p>রেফারেন্স</p>



<p>Dr. Sruti, M. Understanding Pica (Eating Disorder),<a href="https://www.medicinenet.com/understanding_pica_eating_disorder/article.htm" target="_blank" rel="noopener"> https://www.medicinenet.com/understanding_pica_eating_disorder/article.htm</a></p>



<p>19 Weeks Pregnant, https://www.whattoexpect.com/pregnancy/week-by-week</p>



<p>Week by week guide to pregnancy, NHS Better Health, https://www.nhs.uk/start-for-life/pregnancy</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a7%a7%e0%a7%af-%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8/">১৯ তম সপ্তাহে প্রেগন্যান্সি; সম্ভাব্য পরিবর্তন ও সতর্কতা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://matritto.com/%e0%a7%a7%e0%a7%af-%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গর্ভধারনের ২০তম সপ্তাহ - শারীরিক পরিবর্তন ও টিপস</title>
		<link>https://matritto.com/pregnancy-week-20/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আফিফা রায়হানা]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 30 May 2023 18:56:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[Pregnancy Week by Week]]></category>
		<category><![CDATA[মাতৃত্বের প্রতিসপ্তাহ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=6340</guid>

					<description><![CDATA[<p>২০তম সপ্তাহে প্রেগনেন্সি দৃশ্যমান হয় এবং সন্তানের নড়াচড়া টের পাওয়া যায়। মর্নিং সিকনেস কমে। শিশুর প্রজননতন্ত্র গঠিত হয়। এডেমা, লেগ ক্র্যাম্প ও আয়রন ঘাটতি এড়াতে সচেতন হোন</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/pregnancy-week-20/">গর্ভধারনের ২০তম সপ্তাহ - শারীরিক পরিবর্তন ও টিপস</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আপনি এখন ২০ তম সপ্তাহ শুরু করেছেন, তারমানে প্রেগন্যান্সীর সময়কালের প্রায় মধ্যবর্তী সময়ে আছেন। প্রেগন্যান্সীর এই পঞ্চম মাসটিতে আপনার ও আপনার ভেতরের বর্ধিষ্ণু শিশুটির বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্যনীয়। অনেক বাবা-মা খুব আগ্রহী থাকেন জানতে যে গর্ভস্থ শিশুটি মেয়ে নাকি ছেলে। দ্বিতীয় ট্রাইমিষ্টারের আল্ট্রাসাউন্ডে সেটি বুঝতে পারা যায়।</p>



<p>বাচ্চার জেন্ডার জানার এই এনাটমি স্ক্যানটি ১৮-২৪ সপ্তাহে করা হয়ে থাকে। আপনি যদি সারপ্রাইজ চান, তাহলে ডেলিভারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারেন। কিন্তু যদি শিশুটি ছেলে নাকি মেয়ে, সেটি জানতে চান এবং সেভাবে শিশুর জন্য প্রস্তুতি নিতে চান, তাহলে এরকম সময়ে এসে আপনার অপেক্ষার প্রহর শেষ হবে।</p>



<p>এছাড়া এনাটমি স্ক্যানে বাচ্চার ক্রম বর্ধমান অঙ্গ প্রত্যঙ্গের পরিমাপ নেয়া হয়, এতে শিশুটি স্বাভাবিক ভাবে বেড়ে উঠছে কিনা তা জানা সম্ভব হয়।</p>



<p>প্রথমবারের মায়েরা অনেক সময় বাচ্চার নাড়াচাড়া বুঝতে পারেন না। গ্যাস বা পেটে এ জাতীয় শব্দের অনুভূতি অনেক সময় নাড়াচাড়া মনে হয়। আপনি এখনো যদি শিশুর নাড়াচাড়া বুঝতে না পারেন, খুব শিগগীরই পারবেন, ইনশাআল্লাহ্‌।</p>



<div class="wp-block-rank-math-toc-block" id="rank-math-toc"><h2>বিষয়সূচী</h2><nav><ul><li class=""><a href="#আপনার-শরীরের-পরিবর্তন">আপনার শরীরের পরিবর্তন</a></li><li class=""><a href="#আপনার-শিশুর-পরিবর্তন">আপনার শিশুর পরিবর্তন</a></li><li class=""><a href="#আপনার-জন্য-টিপস">আপনার জন্য টিপস</a></li><li class=""><a href="#তথ্যসূত্র">তথ্যসূত্র</a></li></ul></nav></div>



<h2 class="wp-block-heading" id="আপনার-শরীরের-পরিবর্তন">আপনার শরীরের পরিবর্তন</h2>



<p>২০ সপ্তাহে এসে আপনার ওজন বাড়ছে। পেটের আকারও বাড়ছে। প্রেগন্যান্সী খুব পরিষ্কারভাবে দৃশ্যমান।আপনার ইউটেরাস আকারে বেড়েছে, তাতে শিশুটির নাড়াচাড়া করার মতো যথেষ্ট জায়গা তৈরি হয়েছে। সে প্রায়শই সেখানে নড়েচড়ে তার অবস্থান পরিবর্তন করে এবং আপনি সেটি অনুভব করতে পারেন।</p>



<p>প্রথম ট্রাইমিষ্টারের <a href="https://matritto.com/vomiting-morning-sickness-symptoms-cure/" target="_blank" data-type="post" data-id="6233" rel="noreferrer noopener">মর্নিং সিকনেস</a> আপনার এখন আর নেই। আপনি রুচি ফিরে পেয়েছেন এবং খাবারের প্রতি আগ্রহ বোধ করছেন। এই সময়ে এসে আপনার চুল এবং নখের দারুণ পরিবর্তন খেয়াল করতে পারেন।</p>



<p>প্রেগন্যান্সী হরমোনের জন্য অনেকের চুল বেশ ঘন হয়। নখ দ্রুত বড় হয়, যদিও তা কিছুটা ভঙ্গুর হতে পারে। ডেলিভারীর পর তা আবার বিপরীত চিত্র ধারণ করতে পারে। অনেকের চুল পড়ার সমস্যা হয় ডেলিভারীর পর।</p>



<p>মায়েরা এসময় নিজের পেট কতটুকু বাড়ল এবং এই বৃদ্ধি স্বাভাবিক কিনা জানতে খুব আগ্রহ বোধ করেন। মনে রাখবেন, সবার পেট একইরকম বাড়ে না এবং পেটের বৃদ্ধি সবসময় বাচ্চার বৃদ্ধিকে বোঝায় না।</p>



<p>জেনেটিক্যালি অনেকের প্রেগন্যান্সীতে পেট খুব একটা বাড়ে না। এতে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। আপনি স্বাস্থ্যকর ভাবে ওজন বৃদ্ধিতে মনযোগী হন। সাধারনত আল্ট্রাসাউন্ড আপনাকে নিশ্চিত করবে যে শিশুর বৃদ্ধি ঠিকমতো ঘটছে। এছাড়া ডাক্তাররা হাত দিয়ে আপনার পেটের পরিমাপ নিয়ে শিশুর বৃদ্ধি সম্পর্কে আপনাকে ধারনা দিতে পারে।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="আপনার-শিশুর-পরিবর্তন">আপনার শিশুর পরিবর্তন</h2>



<p>আপনার শিশুটির ওজন এই সময় প্রায় এক পাউন্ডের (১ পাউন্ড = ৪৫৩ গ্রাম) কাছাকাছি। লম্বায় সে প্রায় ১০ ইঞ্চির কাছে। শিশুটি এসময় ম্যাকনিয়াম তৈরির পর্যায়ে আছে।</p>



<p>ম্যাকনিয়াম হলো কালচে সবুজ বর্নের থকথকে এক পদার্থ যা হজমের সময় উৎপন্ন হয়। শিশুর জন্মের পর প্রথম মলত্যাগে আপনি এটা দেখতে পাবেন। তবে কিছু শিশু মায়ের পেটে থাকা অবস্থায় অথবা ডেলিভারীর সময় ম্যাকোনিয়াম ত্যাগ করতে পারে।</p>



<p>ছেলে এবং মেয়ে শিশুর প্রজননতন্ত্রের গঠন চলতে থাকে। মেয়ে শিশুর বেলায় তার ইউটেরাস এই সপ্তাহে এসে পরিপূর্ন রূপ ধারণ করে। ভ্যাজাইনাল ক্যানেলের গঠন শুরু হয়। এমনকি ওভারিতে ডিম্বাণুর গঠন হয়ে থাকে। ছেলে শিশুর ক্ষেত্রে টেস্টিকল এবং স্ক্রোটাম এর গঠন চলতে থাকে।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="আপনার-জন্য-টিপস">আপনার জন্য টিপস</h2>



<ul class="wp-block-list">
<li>অনেক মায়েরা এরকম সময় পায়ের গোড়ালি এবং <a href="https://matritto.com/tag/edema/" data-type="post_tag" data-id="16">পায়ে পানি আসার সমস্যায়</a> (Edema) ভোগেন। যাদের এরকম পায়ে পানি আসার সমস্যায় ভোগেন, তারা টাইট মোজা পরবেন না এবং জুতার ক্ষেত্রে এক সাইজ বড় জুতা ব্যবহার করতে পারেন। শুয়ে বা বসে থাকা অবস্থায় পা কিছুটা উঁচু অবস্থানে রাখবেন, ফোলাভাব কমে আসতে সাহায্য করবে। ঈষদুষ্ণ গরম পানিতে পা ডুবিয়ে রাখলে আরাম পেতে পারেন।</li>



<li>লেগ ক্রাম্প অনেকের জন্য কমন সমস্যা প্রেগন্যান্সীর এই পর্যায়ে। এটা অনেকের ঘুমের মধ্যেও এমনভাবে হয় যে ব্যথা ও অস্বস্তিতে ঘুম ভেঙ্গে যায়। প্রেগন্যান্সীতে বাড়তি ওজনের জন্য পায়ের রক্তনালিকাগুলো সংকুচিত হয়ে আসে, এ কারনে এরকম লেগ ক্রাম্প হতে পারে। পা কিছুটা উঁচু অবস্থানে রাখলে আরাম পাওয়া যাবে। এছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান করুন। ঘুমের ভেতর এরকম লেগ ক্রাম্প বোধ করলে জেগে উঠে পায়ে ম্যাসাজ করুন। সম্ভব হলে পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়ান। তবে আচমকা উঠে দাঁড়াবেন না। হালকা স্ট্রেচ করে, তারপর দাঁড়াবেন।</li>



<li>অনেক মায়েদের নাভি বাইরের দিকে বের হয়ে আসে, যা স্বাভাবিক। বর্ধিত জরায়ু যখন পেটের বাইরের দিকে চাপ দেয়, নাভি বাইরের দিকে বের হয়ে আসতে পারে। সন্তান জন্মের পর তা আবার আগের অবস্থানে ফিরে যাবে।</li>



<li>ঠাণ্ডা বা গরম থেকে মাথা ব্যাথা হয় অনেকের। এরকম হলে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা বা গরম এড়িয়ে চলুন। মাথা ব্যাথায় শুরুতেই ওষুধের শরনাপন্ন না হয়ে খোলা বাতাসে হেঁটে আসতে পারেন। বদ্ধ জায়গা কিংবা অতিরিক্ত আলোর জন্য মাথাব্যাথা হলে জায়গার পরিবর্তন সাহায্য করতে পারে। অতিরিক্ত গরম বা বদ্ধ জায়গা যে শুধুমাত্র মাথা ব্যাথার জন্য দায়ী তা না, অনেক সময় তা মাথা ঘুরানো বা দূর্বলতা তৈরি করতে পারে। চুলার পাশে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে রান্না করার ফলেও এরকম হতে পারে। সেক্ষেত্রে ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম নিন। খোলা বাতাসে হেঁটে আসুন। হালকা পাতলা পোশাক পরুন, যাতে আলো হাওয়া গায়ে লাগে।</li>



<li>প্রেগন্যান্সীতে স্ট্রেচিং জাতীয় এক্সারসাইজ খুব ভালো। অনেক ধরনের ব্যাথায় আরাম পাওয়া যায়। কিন্তু স্ট্রেচিং এর সময় সাবধানে থাকবেন। এসময় হাড়ের গড়ন দূর্বল হয়ে যায়, অতিরিক্ত স্ট্রেচিং অস্বস্তির জন্ম দিতে পারে। স্ট্রেচিং করা অবস্থায় যখনই খারাপ বোধ করবেন, থামিয়ে বিশ্রাম নিবেন।</li>



<li>২০ তম সপ্তাহে এসে অনেকের আয়রন লেভেল কমে যায়। যেহেতু বাচ্চারও রক্তের লোহিত কণিকা তৈরি হচ্ছে। টুইন বা একাধিক বাচ্চার মায়েরা এবং যারা আগে থেকে পুষ্টিহীনতায় অথবা এনিমিয়ার সমস্যায় ভুগছেন, তারা সাবধানে থাকবেন। আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খাবেন। আয়রনের অভাবে শারীরিক দূর্বলতা প্রকট হয়। প্রয়োজনে ডাক্তার আয়রন সাপ্লিমেন্ট দিবেন।</li>



<li>ঘনঘন ক্ষিধা লাগলে স্ন্যাকস হিসেবে বাদাম খেতে পারেন। বাদাম প্রোটিন, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়ামের খুব ভালো উৎস। নানান ধরনের বাদাম খাওয়া কেবল যে ভালো স্ন্যাকস, তাই না, বরং শরীরের এসব খাদ্য উপাদানের প্রয়োজন মিটাবে।</li>
</ul>



<p>প্রেগন্যান্সী জীবনের স্মরণীয় একটা সময়। ২০ সপ্তাহে এসে আপনি প্রেগন্যান্সীর অর্ধেক সময় পার করে ফেলেছেন। বাকী সময়টাও যাতে সুন্দরভাবে পার হয়, তার জন্য সচেষ্ট হোন। ভালো খাবার, এক্সারসাইজের পাশাপাশি হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন। পরিবারের অন্য সদস্যরা মা কে শারীরিক- মানসিক ভাবে ভালো থাকার জন্য চেষ্টা করতে পারেন।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="তথ্যসূত্র">তথ্যসূত্র</h2>



<ul class="wp-block-list">
<li>Your Pregnancy and Childbirth, Month to Month (5<sup>th</sup> Edition); The American College of Obstetricians and Gynecologists.</li>



<li>Week by week pregnancy, Whattoexpect.com</li>
</ul>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/pregnancy-week-20/">গর্ভধারনের ২০তম সপ্তাহ - শারীরিক পরিবর্তন ও টিপস</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গর্ভধারণের আঠারতম সপ্তাহ</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Rabeya Rowshin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 01 Jul 2020 10:43:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[Pregnancy Week by Week]]></category>
		<category><![CDATA[মাতৃত্বের প্রতিসপ্তাহ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=2597</guid>

					<description><![CDATA[<p>আঠারতম সপ্তাহে আপনি এখন প্রায় সাড়ে চার মাসের গর্ভবতী। এ সপ্তাহেই হয়ত আপনি প্রথমবার আপনার বাবুর নড়াচড়া টের পাবেন, যদি না আগেই অনুভব করে থাকেন। প্রতি সপ্তাহে আপনি নতুন নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছেন। কখনো আনন্দ, কখনো মন খারাপ লাগা, আবার কখনো উত্তেজনা, উদ্বিগ্নতা আপনাকে ছেয়ে ফেলছে। কখনো বা সব কিছু একসাথে হচ্ছে! গর্ভকালীন সময়টা যেন [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/">গর্ভধারণের আঠারতম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আঠারতম সপ্তাহে আপনি এখন প্রায় সাড়ে চার মাসের গর্ভবতী। এ সপ্তাহেই হয়ত আপনি প্রথমবার আপনার বাবুর নড়াচড়া টের পাবেন, যদি না আগেই অনুভব করে থাকেন। প্রতি সপ্তাহে আপনি নতুন নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছেন। কখনো আনন্দ, কখনো মন খারাপ লাগা, আবার কখনো উত্তেজনা, <a href="https://matritto.com/গর্ভকালীন-উদ্বিগ্নতা/" class="rank-math-link">উদ্বিগ্নতা</a> আপনাকে ছেয়ে ফেলছে। কখনো বা সব কিছু একসাথে হচ্ছে! গর্ভকালীন সময়টা যেন এক আবেগের রোলারকোস্টার!</p>



<div class="gutentoc tocactive nostyle"><div class="gutentoc-toc-wrap"><div class="gutentoc-toc-title-wrap"><div class="gutentoc-toc-title">বিষয়সূচী</div><div id="open" class="togglethree">show</div></div><div id="toclist"><div class="gutentoc-toc__list-wrap"><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#আপনার-শারীরিক-পরিবর্তন">আপনার শারীরিক পরিবর্তন</a></li><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#কোমর-ব্যথা">কোমর ব্যথা</a></li><li><a href="#বুকজ্বলা">বুকজ্বলা</a></li><li><a href="#পা-কামড়ানো-বা-লেগ-ক্র্যাম্প">পা কামড়ানো বা লেগ ক্র্যাম্প</a></li><li><a href="#পায়ের-পাতা-ও-গোড়ালি-ফোলা-–-এডেমা">পায়ের পাতা ও গোড়ালি ফোলা – এডেমা</a></li><li><a href="#ভেরিকোস-ভেইন">ভেরিকোস ভেইন</a></li></ul><li><a href="#বাচ্চার-বৃদ্ধি">বাচ্চার বৃদ্ধি</a></li><li><a href="#আপনার-জন্য-টিপস">আপনার জন্য টিপস</a></li><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#মাথা-ঘোরা-মোকাবেলায়-যা-করবেন">মাথা ঘোরা মোকাবেলায় যা করবেন</a></li><li><a href="#হেমোরয়েড-মোকাবেলায়-যা-করবেন">হেমোরয়েড মোকাবেলায় যা করবেন</a></li><li><a href="#রিল্যাক্সিন-হরমোনের-জন্য-তৈরি-হোন">রিল্যাক্সিন হরমোনের জন্য তৈরি হোন</a></li><li><a href="#আয়রনের-মাত্রা-বাড়ান">আয়রনের মাত্রা বাড়ান</a></li><li><a href="#পছন্দমতো-ডাক্তার-খোঁজ-করুন">পছন্দমতো ডাক্তার খোঁজ করুন</a></li><li><a href="#স্বামীর-সাথে-সময়-কাটান">স্বামীর সাথে সময় কাটান</a></li></ul></ul></div></div></div></div>


<div class="wp-block-image is-style-rounded">
<figure class="alignright size-large"><img decoding="async" src="https://i0.wp.com/matritto.com/wp-content/uploads/2020/07/week18-scaled.jpg?fit=1024%2C700&amp;ssl=1" alt="গর্ভধারণের আঠারতম সপ্তাহ 1" class="wp-image-2598" title="গর্ভধারণের আঠারতম সপ্তাহ 1"></figure>
</div>


<p></p>



<p>এবার আসুন দেখি এ সপ্তাহে ...</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="আপনার-শারীরিক-পরিবর্তন">আপনার শারীরিক পরিবর্তন</h2>



<p>কিছু বিষয়ে এখন থেকে সতর্ক থাকতে হবে যেমন চিত হয়ে শোয়ার পরিবর্তে এখন থেকে আপনি কাত হয়ে শোয়ার প্রতি বেশি মনোযোগী হবেন। এর কারণ হচ্ছে, আপনার বাবু এখন বড় হচ্ছে ফলে আপনার তলপেটের পেছন দিকে যে বড় শিরা আছে তার ওপর চাপ প্রয়োগ বাড়ছে। ফলে আপনার হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহ কম হতে পারে। এটা আপনার রক্তচাপকে কমিয়ে দিতেও পারে। শুনে ঘাবড়ে যাবেন না, আপনি এ থেকে সহজেই মুক্তি পেতে পারেন কাত হয়ে শোয়ার মাধ্যমে।</p>



<p>এমন নানা অস্বস্তির কারণে রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানো হয়ত কঠিন হয়ে পড়বে আপনার জন্য। আপনি আরও যে বিষয়গুলো লক্ষ্য করবেন তা হচ্ছে:</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="কোমর-ব্যথা">কোমর ব্যথা</h4>



<p>জরায়ু বড় হওয়ার সাথে সাথে আপনার শরীরের ভর কেন্দ্র পরিবর্তন হচ্ছে। সেই সাথে গর্ভকালীন হরমোন রিল্যাক্সিন নিঃসৃত হচ্ছে, যা আপনার লিগামেন্টগুলো ও হাড়ের জোরকে প্রসবের প্রস্তুতি হিসাবে শিথিল করতে সাহায্য করবে। এর মাঝে সেই লিগামেন্টও আছে যা আপনার পেলভিক হাড়কে শিরদাঁড়ার সাথে যুক্ত করে। এসব কিছুর ফলে আপনার কোমর ব্যথা হয়।</p>



<p>বসে থাকার সময় আপনার পা সামান্য উপরে তুলে পায়ের পাতাকে বিশ্রাম দিন। দাঁড়িয়ে থাকার সময় সম্ভব হলে এক পা নিচু কোন টুলে রেখে কোমরে চাপ কম দিতে চেষ্টা করতে পারেন। উষ্ণ পানিতে গোসল করেও আরাম পাওয়া যায়। কোমর ব্যথার জন্য ব্যয়াম দেখতে পারেন <a href="https://matritto.com/pregnancy-exercise-%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae/" class="rank-math-link">গর্ভকালীন ব্যয়াম নিয়ে লেখায়</a>। এটা গর্ভাবস্থায় কোমর ব্যথার জন্য অত্যন্ত আরামদায়ক ও সেই সাথে <a href="https://matritto.com/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%87%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be/" class="rank-math-link">শরীরকে স্বাভাবিক প্রসবের জন্য তৈরি করে</a>।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="বুকজ্বলা">বুকজ্বলা</h4>



<p>সুসিদ্ধ খাবার খান, ধীরে ভালমতো চিবিয়ে খান। এতে হজমে সুবিধা হয়। একবারে বেশি খাবার না খেয়ে দিনে কয়েকবার অল্প অল্প করে খান। খাওয়ার পরই শুতে না গিয়ে ঘন্টাখানেক সোজা বসে থাকতে চেষ্টা করুন এবং ঘুমের সময়ও মাথা কিছুটা উপরে তুলে শোবেন। যেসব খাবারে বুকজ্বলা হতে পারে বলে জানেন সেগুলো এড়িয়ে চলুন।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="পা-কামড়ানো-বা-লেগ-ক্র্যাম্প">পা কামড়ানো বা লেগ ক্র্যাম্প</h4>



<p>রাতে ঘন ঘন বাথরুমে যাওয়ার প্রয়োজন হওয়ার পাশাপাশি হঠাত ঘুম ভেঙ্গে যেতে পারে তীব্র পা কামড়ানোর কারণে। এটা একটা সংকেত হতে পারে যে আপনার ক্যালশিয়াম গ্রহণ কম হচ্ছে। লক্ষ্য করুন গর্ভকালীন প্রয়োজনীয় ১২০০ গ্রাম ক্যালশিয়াম আপনি প্রতিদিন খাচ্ছেন কি না। যদি আপনি পানি কম খেয়ে থাকেন তাহলে খেয়াল করে দৈনিক ৮ গ্লাস পানি পান করুন কারন এটা পানিস্বল্পতার লক্ষ্মণও হতে পারে।&nbsp;&nbsp;</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="পায়ের-পাতা-ও-গোড়ালি-ফোলা-–-এডেমা">পায়ের পাতা ও গোড়ালি ফোলা – এডেমা</h4>



<p>আপনার শরীরের টিস্যুগুলো এখন বাড়তি তরল ধারণ করবে আর তাই আপনাকে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে যা উপরে বলেছি। এ থেকে আপনার পায়ের পাতা ও গোড়ালির ফোলাভাব দেখতে পারেন। মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে তরল সেখানে এসে জমা হয়। এই সমস্যা এড়াতে দীর্ঘ সময় একভাবে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকা এড়িয়ে চলুন। যখনই সম্ভব হবে পা উপরে তুলে বসতে বা শুতে চেষ্টা করুন। একইরকম ফোলাভাব দেখতে পারেন আপনার হাতেও। হালকা কিছু হাতের ব্যয়াম করতে পারেন এ থেকে স্বস্তি পেতে।</p>



<p>তবে এমন ফোলাভাব নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই যতক্ষণ না এটা আপনি হঠাত ও তীব্র আকারে দেখছেন। এমনটা হলে, তৎক্ষণাৎ আপনার ডাক্তারের শরণাপন্ন হন কারণ এটি গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ সঠিক সময়ে যার চিকিৎসা না করালে এর থেকে প্রি-একলাম্পসিয়া ও খিঁচুনির মতো জীবননাশক জটিলতার জন্ম হতে পারে।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="ভেরিকোস-ভেইন">ভেরিকোস ভেইন</h4>



<p>চামড়ার নিচে রক্তের যে দৃশ্যমান নীল শিরা দেখা যায় তা আপনার সার্কুলেটরি সিস্টেমে বাড়তি চাপের কারণে ফুলে যায়। এই সমস্যার সাথে মানিয়ে নিতে ঘন ঘন নিজের বসা, দাঁড়ানো বা শোয়ার ভঙ্গী পরিবর্তন করুন। যখনই সম্ভব হবে পা উপরে তুলে বসুন। পর্যাপ্ত ব্যয়াম করুন এবং আঁটসাঁট কাপড় ও জুতো পরা এড়িয়ে চলুন।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="বাচ্চার-বৃদ্ধি">বাচ্চার বৃদ্ধি</h2>



<p>আপনার বাবু এই সপ্তাহে একটা মিষ্টি আলুর সমান বড় এবং তার ছোট্ট হাতে একদম স্বতন্ত্র আঙ্গুলের ছাপ তৈরি হয়েছে! বাবুর দৈর্ঘ্য এখন প্রায় ৫.৫৯ ইঞ্চি ও ওজন প্রায় ৬.৭০ আউন্স।</p>


<div class="wp-block-image is-style-rounded">
<figure class="alignright size-large is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/07/pngtree-cartoon-delicious-sweet-potato-illustration-image_1214894.jpg" alt="গর্ভধারণের আঠারতম সপ্তাহ 2" class="wp-image-2601" width="350" height="350" title="গর্ভধারণের আঠারতম সপ্তাহ 2"></figure>
</div>


<p>আপনি ও আপনার স্বামী কি বাবুর সাথে কথা বলতে শুরু করেছেন? তার কানের হাড় ও নার্ভগুলো এখন কাজ করার মতো যথেষ্ট গঠিত হয়েছে এবং সে এখন সব ধরণের শব্দ শুনতে পায়। আপনাদের কথার পাশাপাশি আপনার পেটের ভেতরের শব্দ ও হৃদস্পন্দন পর্যন্তও! জানা গেছে, বাচ্চারা যে শব্দ পেটের ভেতর থাকতে শোনে জন্মানোর পর সেই শব্দে তারা বেশি সাড়া দেয়। একটা ছোট্ট পরীক্ষা করে দেখতে পারেন, প্রতিদিন তাকে শুনিয়ে কোন নির্দিষ্ট ছড়া বা <a href="https://matritto.com/pregnancy-and-islam-dua-during-pregnancy/" class="rank-math-link">দুয়া </a>বলতে পারেন। দেখুন জন্মানোর পর সেটা শুনে তার প্রতিক্রিয়া কেমন হয়।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>আপনি কি মনে করছেন পেটের ভেতর বসে আপনার বাবুটা ঘুমিয়েই কাটিয়ে দিচ্ছে? মোটেই না! সে খুবই ব্যস্ত আছে মাংসপেশি ব্যবহার করে সব ধরণের নড়াচড়া চর্চায়। আপনার বাবু হাই তুলছে, হেঁচকি উঠাচ্ছে, চুষছে, গিলছে – বিশ্বাস হচ্ছে? সে উলটাচ্ছে, মোচড় খাচ্ছে, <a href="https://matritto.com/baby-kick-womb-%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a6%bf/" class="rank-math-link">লাথি-ঘুষি</a>ও দিচ্ছে। তার এসব নড়াচড়া এখন আপনার অনুভব করার মতো যথেষ্ট বড় ও শক্তিশালী হয়েছে। আপনার বাবুর নার্ভাস সিস্টেমও এখন দ্রুত পরিপক্ক হচ্ছে। পঞ্চইন্দ্রিয় গঠনে তার মস্তিষ্কের আরও গঠন হয়ে চলছে।&nbsp;</p>



<p>আপনার পেটে যদি যময বাবু থাকে তাহলে একটা মেমব্রেন তাদের দুইজনকে আলাদা করে রাখে। এই সপ্তাহের আল্ট্রাসাউন্ডে আপনি সম্ভবত এটা দেখতে পাবেন।</p>



<p>১৮ থেকে ২২ সপ্তাহের মাঝে আছে মধ্য প্রেগন্যান্সী আল্ট্রাসাউন্ড যাকে এনাটমি স্ক্যান বা এনোমেলি স্ক্যানও বলা হয়। এতে আপনার বাবুর পুরো শরীর বিশদভাবে স্ক্যান করে দেখা হয় কোন জন্মগত সমস্যা আছে কি না যা গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের পর ঠিক করতে হবে অথবা এমন কোন বড় জন্মগত ত্রুটি রয়েছে কি না যা জন্মের পর আপনার বাচ্চার বেঁচে থাকার সম্ভাবনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। এই আল্ট্রাসাউন্ড বেশ কিছু বিষয় তুলে ধরতে পারে তবে সবকিছু পারে না। এই আল্ট্রাসাউন্ড করানো ঐচ্ছিক, আপনি চাইলে নাও করাতে পারেন। এতে যদিও বাচ্চা ছেলে না মেয়ে হবে সেটা সাধারণত জানা যায়, কিন্তু আপনার জানা থাকা ভালো যে এটা প্রকাশ করা বাংলাদেশে আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="আপনার-জন্য-টিপস">আপনার জন্য টিপস</h2>



<h4 class="wp-block-heading" id="মাথা-ঘোরা-মোকাবেলায়-যা-করবেন">মাথা ঘোরা মোকাবেলায় যা করবেন</h4>



<p>হঠাত বসা থেকে উঠতে গিয়ে মাথা ঘুরে উঠেছে? এর কারণ হচ্ছে গর্ভাবস্থায় প্রজেস্টেরন হরমোন বাবুর দিকে রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়, ফলে আপনার রক্তচাপ ও মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চালন কমে যায়। এর কারণে আপনার সেই মাথা ঘোরা ভাবটা হয়। এ সমস্যা মোকাবেলায় শোয়া বা বসা অবস্থা থেকে দাঁড়ানোর সময় চেষ্টা করবেন ধীরে উঠতে।&nbsp;&nbsp;</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="হেমোরয়েড-মোকাবেলায়-যা-করবেন">হেমোরয়েড মোকাবেলায় যা করবেন</h4>



<p>গর্ভাবস্থায় হেমোরয়েড একটি সাধারন সমস্যা। মলদ্বারের স্থানে ভেরিকোস ভেইন ফুলে গিয়ে অস্বস্তির সৃষ্টি হয়। এ সমস্যা মোকাবেলায় পর্যাপ্ত পানি খান, খাদ্যতালিকায় আঁশযুক্ত খাবার রাখুন কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে ও বাথরুম করার সময় অতিরিক্ত চাপ দেবেন না। সমস্যা বেশি মনে হলে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিন কোন হেমোরয়েড ক্রিমের ব্যপারে।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="রিল্যাক্সিন-হরমোনের-জন্য-তৈরি-হোন">রিল্যাক্সিন হরমোনের জন্য তৈরি হোন</h4>



<p>এর উল্লেখ উপরে করা হয়েছে। দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারে আপনার শরীর রিল্যাক্সিন <a href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%a8/" class="rank-math-link">হরমোন</a> নিঃসরণ করবে। নামটা থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে এই হরমোন পেশী, হাড়জোড় ও লিগামেন্টকে শিথিল করে তোলে যার ফলে আপনার পেলভিস ও নিতম্বে ব্যথা লাগতে পারে। এখন হয়ত বিষয়টা আপনার কাছে খুব অস্বস্তিকর লাগছে কিন্তু এটা মায়ের শরীরকে প্রসব উপযোগী করার জন্য স্রষ্টার এক নিখুঁত পরিকল্পনা। এর ফলে প্রসবের সময় বাচ্চাকে পেলভিসে জায়গা করে দেয়ার জন্য ও পেলভিস থেকে বের হওয়ার জন্য হাড়গুলো প্রশস্ত হয় যার কারণে প্রসব করা সহজ হয়।&nbsp;&nbsp;</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="আয়রনের-মাত্রা-বাড়ান">আয়রনের মাত্রা বাড়ান</h4>



<p>গর্ভাবস্থায় রক্তের পরিমাণ বেড়ে যায়। এটা বাচ্চার জন্য যেমন প্রয়োজন, প্রসবের পর রক্তক্ষরণ হওয়ায় মায়ের জন্যও প্রয়োজন। তাই পর্যাপ্ত প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেয়ে আপনাকে আয়রনের মাত্রা প্রয়োজন মাফিক রাখতে হবে। দৈনিক ৮০ থেকে ১০০ গ্রাম প্রোটিন আপনার খাবারে যোগ হচ্ছে কি না খেয়াল রাখুন। উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের চেয়ে প্রাণীজ প্রোটিন থেকে আয়রন বেশি শোষণ হয়। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারের সাথে প্রোটিন গ্রহণ করলে আয়রনের শোষণ বেশি হয়। একইভাবে, উদ্ভিজ্জ প্রোটিন যদি প্রাণীজ প্রোটিন ও ভিটামিন সি-এর সাথে গ্রহণ করা হয় তাহলে আয়রণ বেশি শোষণ হয়। অন্যদিকে, আয়রনের শোষণ কমে যায় যদি প্রোটিনের সাথে ক্যালশিয়াম, চা জাতীয় খাবার খাওয়া হয়। প্রাকৃতিক খাদ্য থেকেই যতটা সম্ভব আয়রন গ্রহন করা উচিত। তবে প্রয়োজনমতো ডাক্তার আপনাকে আয়রন ট্যাবলেট দিতে পারেন। দৈনিক কখন এই ট্যাবলেট গ্রহণ করলে আয়রন শোষণের মাত্রা সর্বোচ্চ বজায় রাখা যাবে তা জানতে পড়ুন আর্টিকেল <a href="https://matritto.com/pregnancy-diet-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9f/" class="rank-math-link">প্রেগন্যান্সী ডায়েটের আদ্যপান্ত</a>।&nbsp;</p>



<p>নিচে কোন কোন খাবার থেকে আয়রন বেশি পাওয়া যাবে তার একটা ছবি দেয়া হলো।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/07/received_302451367784708.jpeg" alt="গর্ভধারণের আঠারতম সপ্তাহ 3" class="wp-image-2786" title="গর্ভধারণের আঠারতম সপ্তাহ 3"></figure>
</div>


<h4 class="wp-block-heading" id="পছন্দমতো-ডাক্তার-খোঁজ-করুন">পছন্দমতো ডাক্তার খোঁজ করুন</h4>



<p>প্রসব নিয়ে আপনার পছন্দের সাথে ডাক্তারের অগ্রাধিকার মিলছে না? এখনও সময় ফুরিয়ে যায়নি। গর্ভাবস্থায় নিজের পছন্দমাফিক ডাক্তারের খোঁজ করতে থাকুন, প্রয়োজনে কয়েকবার ডাক্তার পরিবর্তন করতেও ভয় পাবেন না। অন্য অভিজ্ঞ মায়েদের থেকে জেনে নিতে চেষ্টা করুন কোথায় আপনার পছন্দমাফিক ডাক্তার পাওয়া যেতে পারে। সোশ্যাল নেটওয়ার্কে প্রেগন্যান্সী গ্রুপগুলোকে ব্যবহার করুন এই কাজে। পাশাপাশি <a class="rank-math-link" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%87/">গর্ভাবস্থা নিয়ে বই</a>, ওয়েবসাইট থেকে পড়াশোনা করে নিজের জানার পরিধি বাড়াতে থাকুন। অন্য <a href="https://matritto.com/tag/birth-stories/" target="_blank" data-type="URL" data-id="https://matritto.com/tag/birth-stories/" rel="noreferrer noopener">মায়েদের প্রসব অভিজ্ঞতা </a>সম্পর্কে জানুন। প্রসবের দিনের জন্য প্রস্ততি হিসাবে দৈনিক গর্ভকালীন ব্যয়ামগুলো করতে থাকুন। </p>



<h4 class="wp-block-heading" id="স্বামীর-সাথে-সময়-কাটান">স্বামীর সাথে সময় কাটান</h4>



<p>শারীরিক ও মানসিক এত সব পরিবর্তনের মাঝে নিজেদের দাম্পত্য সম্পর্কে যেন ভাটা পড়ে না যায়। স্বামীর সাথে নিজের অস্বস্তি-অসুবিধাগুলো শেয়ার করুন, উনাকে বুঝতে দিন। কিসে আপনার কিছুটা স্বস্তি হতে পারে উনাকে জানান। উনি কোন সহযোগিতার হাত বাড়ালে তা সাদরে গ্রহণ করুন ও ধন্যবাদ দিন। প্রয়োজনে আপনি নিজেই উনার সহযোগিতা চান। এতসব অস্বস্তির ভীড়ে কিছুক্ষণ ভালো সময় কাটানোর জন্য দুজন একসাথে কোথাও ঘুরতে যান, অন্তত বাইরে কোথাও থেকে খেয়ে আসুন।&nbsp;</p>



<p><strong>তথ্যসূত্রঃ </strong></p>



<p>১। <a href="https://www.parents.com/pregnancy/week-by-week/" class="rank-math-link" target="_blank" rel="noopener">What to expect.</a></p>



<p> ২। <a href="https://www.thebump.com/pregnancy-week-by-week" class="rank-math-link" target="_blank" rel="noopener">Start 4 life </a></p>



<p>৩। <a href="https://www.nhs.uk/start4life/pregnancy/week-by-week/2nd-trimester/week-18/#anchor-tabs" class="rank-math-link" target="_blank" rel="noopener">the BUMP </a></p>



<p>৪। <a href="https://www.parents.com/pregnancy/week-by-week/" class="rank-math-link" target="_blank" rel="noopener">Parents</a></p>



<p>৫। <a href="https://www.glowm.com/section_view/heading/nutrition-in-pregnancy/item/97#23981" class="rank-math-link" target="_blank" rel="noopener">GLOWM</a></p>



<div class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color" style="background-color:#dddbd5; padding:25px">
<h4 class="has-very-dark-gray-color has-text-color">লেখাটি রিভিউ করেছেন -</h4>
<p><strong>ডাঃ সাবরিনা আফরোজ</strong><br>MBBS, MPH<br>লেকচারার, ঢাকা কমিউনিটি মেডিসিন কলেজ </p>
</div>



<p class="has-very-light-gray-background-color has-background"><strong>ছবি কৃতজ্ঞতা:</strong> Mother &amp; Baby, Pngtree, Asima Tasnim</p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/">গর্ভধারণের আঠারতম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গর্ভধারণের সতেরতম সপ্তাহ</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Rabeya Rowshin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 01 Jun 2020 10:25:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[Pregnancy Week by Week]]></category>
		<category><![CDATA[মাতৃত্বের প্রতিসপ্তাহ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=2335</guid>

					<description><![CDATA[<p>গর্ভধারণের সতেরতম সপ্তাহে আপনি এখন পূর্ণ চার মাসের গর্ভবতী এবং গর্ভধারণের পঞ্চম মাসে পড়েছেন! এখন যেহেতু গর্ভধারণের প্রায় অর্ধেকটা পথ আপনি পাড়ি দিয়ে ফেলেছেন, আপনাকে প্রেগন্যান্সি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া শুরু করতে হবে।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/">গর্ভধারণের সতেরতম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image">
<figure class="alignright size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/06/17-week.jpg" alt="গর্ভধারণের সতেরতম সপ্তাহ" class="wp-image-2336" title="গর্ভধারণের সতেরতম সপ্তাহ 4"></figure>
</div>


<div class="gutentoc tocactive nostyle"><div class="gutentoc-toc-wrap"><div class="gutentoc-toc-title-wrap"><div class="gutentoc-toc-title">বিষয়সূচি</div><div id="open" class="togglethree">show</div></div><div id="toclist"><div class="gutentoc-toc__list-wrap"><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#আপনার-শারীরিক-পরিবর্তন">আপনার শারীরিক পরিবর্তন</a></li><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#বাড়তি-ক্ষুধা">বাড়তি ক্ষুধা</a></li><li><a href="#স্ট্রেচ-মার্ক">স্ট্রেচ মার্ক</a></li><li><a href="#মাঝে-মাঝে-মাথাব্যথা">মাঝে মাঝে মাথাব্যথা</a></li><li><a href="#বুকজ্বলা-ও-বদহজম">বুকজ্বলা ও বদহজম</a></li><li><a href="#কোমর-ব্যথা">কোমর ব্যথা</a></li><li><a href="#ক্লান্তি-ও-মাথাঘোরা">ক্লান্তি ও মাথাঘোরা</a></li><li><a href="#শারীরিক-তরলের-মাত্রা-বেড়ে-যাওয়া">শারীরিক তরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া</a></li><li><a href="#স্তন-ও-পেট-চুলকানো">স্তন ও পেট চুলকানো</a></li><li><a href="#স্তনের-স্বাভাবিক-বৃদ্ধি">স্তনের স্বাভাবিক বৃদ্ধি</a></li><li><a href="#অদ্ভূত-সব-স্বপ্ন">অদ্ভূত সব স্বপ্ন</a></li></ul><li><a href="#বাচ্চার-বৃদ্ধি">বাচ্চার বৃদ্ধি</a></li><li><a href="#আপনার-জন্য-টিপস">আপনার জন্য টিপস</a></li><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#স্বাস্থ্যকর-খাবার">স্বাস্থ্যকর খাবার</a></li><li><a href="#ভিটামিন-ডি">ভিটামিন ডি</a></li><li><a href="#পেলভিক-ফ্লোর-ও-অন্যান্য-ব্যয়াম">পেলভিক ফ্লোর ও অন্যান্য ব্যয়াম</a></li><li><a href="#সাইয়াটিকা-sciatica-প্রতিরোধে-ব্যয়াম">সাইয়াটিকা (Sciatica) প্রতিরোধে ব্যয়াম</a></li><li><a href="#দাঁতের-কোন-পরিবর্তন">দাঁতের কোন পরিবর্তন</a></li><li><a href="#ডেইরী-খাবারের-বাইরে-ক্যালশিয়ামসমৃদ্ধ-খাবার">ডেইরী খাবারের বাইরে ক্যালশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার</a></li><li><a href="#গর্ভাবস্থা-নিয়ে-জানা">গর্ভাবস্থা নিয়ে জানা</a></li></ul></ul></div></div></div></div>



<p>আপনি এখন পূর্ণ চার মাসের গর্ভবতী এবং গর্ভধারণের পঞ্চম মাসে পড়েছেন! এখন যেহেতু গর্ভধারণের প্রায় অর্ধেকটা পথ আপনি পাড়ি দিয়ে ফেলেছেন, আপনাকে প্রেগন্যান্সি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া শুরু করতে হবে। আপনি যদি স্বাভাবিক প্রসব চান তাহলে এর প্রতি আগ্রহী ডাক্তার, কোন হাসপাতালে ডেলিভারি করাতে চান এসব ঠিক করতে হবে। তবে মনে রাখবেন, আপনার পছন্দের সাথে না মিললেও কোন একজন ডাক্তারের কাছেই বারবার যেতে হবে এমনটা নয়। আপনি গর্ভকালীন সময়ে নিজের চাহিদার সাথে মেলানোর জন্য একাধিকবার ডাক্তার পরিবর্তন করতে পারেন। এইসব গুরুত্বপূর্ণ সিধান্ত নিতে গিয়ে গর্ভাবস্থাকে আপনার আরও বেশি করে সত্যি মনে হবে। খুবই রোমাঞ্চকর এই অনুভূতি, সেই সাথে আপনি হয়ত আরেকটু বেশি উদ্বিগ্নও অনুভব করবেন কারণ প্রায় অর্ধেকটা পথ আপনি পাড় করে এসেছেন এবং হাতে এখনও প্রচুর কাজ বাকি! সবকিছু একা করতে যাবেন না, আশপাশের মানুষদের থেকে সাহায্য চান। এরপরও যদি দেখেন যে কোন কাজ বাদ রয়ে গেছে, বুঝবেন যে সেটা আসলেও ততটা জরুরী কিছু ছিল না!&nbsp;&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="আপনার-শারীরিক-পরিবর্তন">আপনার শারীরিক পরিবর্তন</h2>



<p>প্রতি সপ্তাহে আপনার বাচ্চার সাথে সাথে গর্ভফুলও বড় হচ্ছে এবং এর ওজন বাড়ছে। পূর্ণ গর্ভাবস্থার শেষে গর্ভফুলের ওজন হবে প্রায় ৫০০গ্রাম যা একটি পাস্তার প্যাকেটের সমান ভারী।</p>



<p>এসময় আপনার জরায়ু পেলভিস থেকে বের হয়ে উপর দিকে উঠতে থাকায় ধীরে ধীরে আপনার কোমরের স্বাভাবিক আকৃতিতে পরিবর্তন আসতে শুরু করবে । সেই সাথে আপনি আরও বেশি করে গর্ভবতী হিসাবে দৃশ্যমান হবেন। এই সময় অনেক মা-ই দেখতে সুন্দর হয়ে যান ও খুব চমৎকার অনুভব করেন। তাদের ত্বকে বাড়তি ঔজ্জল্য আসে । চুল পড়া কমে গিয়ে চুল আগের চেয়ে চকচকে ও ঘন হয়ে যায়। তবে একেক জনের গর্ভাবস্থা একেকরকম আর তাই অনেক মা দেখতে অনাকর্ষণীয় হয়ে পড়েন এবং শারীরিক পরিবর্তন, অনাগত সন্তানের প্রতি দায়িত্ব ও এর ফলে সম্পর্কে তৈরি হওয়া টানাপোড়েনে পর্যুদস্ত হয়ে যান। ১০ জনে ১ জন নারী <a href="https://matritto.com/গর্ভকালীন-উদ্বিগ্নতা/" class="rank-math-link">গর্ভাবস্থায় দুশ্চিন্তা ও উদ্বিগ্নতায় ভোগেন </a>এবং হরমোনজনিত কারণে ছোটখাট সমস্যাকেও প্রয়োজনের তুলনায় অনেকসময় বেশি বড় মনে হয়। আপনি যদি ক্রমাগত ভারাক্রান্ত থাকেন ও উদ্বিগ্নতায় ভোগেন তাহলে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলতে পারেন, স্বামীর সাথে শেয়ার করতে পারেন ও আপনার আগে মা হয়েছেন এমন কোন বান্ধবী বা পরিচিতজনের থেকে পরামর্শ চাইতে পারেন।&nbsp;যদি বিশেষজ্ঞ পরামর্শের প্রয়োজন বোধ করেন তাহলে যোগাযোগ করতে পারেন <a class="rank-math-link rank-math-link" href="https://www.facebook.com/thenafs/?eid=ARCDw7vpE7YvFU0gtisLXbOFOL2AxCu3O0DgHSrFYp8va3QzYO5DKXuq1qInHNIE7t9KPVmVcfQt_9LX" target="_blank" rel="noopener">The Nafs Psychological &amp; Spiritual wellness Center </a>- এর সাথে। </p>



<p>এই সপ্তাহে আরও যে গর্ভকালীন লক্ষণগুলো আপনি দেখবেন তা হচ্ছে –&nbsp;&nbsp;</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="বাড়তি-ক্ষুধা">বাড়তি ক্ষুধা</h4>



<p>বাড়তি ক্ষুধা বোধ করছেন ইদানিং? এর কারণ হচ্ছে আপনার বাড়ন্ত বাচ্চার পুষ্টি চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্ষুধা লাগলে খাবেন তবে পেট ভরবে এমন পুষ্টিকর খাবার বেছে নিতে চেষ্টা করবেন যেমন উচ্চ আঁশযুক্ত, কম চর্বির উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারে সাধারণত আধা থেকে এক কেজি ওজন বাড়া স্বাভাবিক। তবে হঠাত বেশি ওজন বেড়ে যাওয়া কোন সমস্যার লক্ষণও হতে পারে তাই স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ওজন বাড়লে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। গর্ভকালীন পুষ্টি ও ওজন বৃদ্ধি নিয়ে আরও জানতে পড়ুন আর্টিকেল <a href="https://matritto.com/pregnancy-diet-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9f/" class="rank-math-link">প্রেগন্যান্সি ডায়েটের আদ্যপান্ত</a>। &nbsp;</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="স্ট্রেচ-মার্ক">স্ট্রেচ মার্ক</h4>



<p>আপনি হয়ত পেট, স্তন, উরুর ত্বকে লালচে রেখা দেখতে পারেন। গর্ভকালীন এই বিষয়টা হরমোন ও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মাত্রায় চামড়ার প্রসারণের কারণে হয়। আপনার ওজন যদি একবারে বেশি না বেড়ে ধীরে ধীরে বাড়ে তাহলে পেটের বড় হওয়াও ধীরে ধীরে হবে, ফলে স্ট্রেচ মার্কও কম বোঝা যাবে। সন্তান প্রসবের পরবর্তী কয়েক মাসে আস্তে আস্তে এই রেখা হালকা হয়ে আসবে। বাজারে স্ট্রেচ মার্কের জন্য অনেকরকম ক্রীম পাওয়া যায় তবে সুগন্ধীবিহীন ময়েশ্চারাইজার আলতো করে রেখার জায়গায় দেয়াই সবচেয়ে ভালো হবে, সময়ের সাথে আপনিই এটা ফিকে হয়ে যাবে।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="মাঝে-মাঝে-মাথাব্যথা">মাঝে মাঝে মাথাব্যথা</h4>



<p>হরমোন, ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা ইত্যাদি কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। এড়িয়ে চলা সম্ভব এমন কারণগুলো মাথাব্যথা শুরু হওয়ার আগেই থামিয়ে দিতে চেষ্টা করবেন। ব্যথা সহনীয় পর্যায়ে হলে সহ্য করাই ভালো হবে। আর নিতান্তই না পারলে যে কোন ওষুধ নেয়ার আগে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিন।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="বুকজ্বলা-ও-বদহজম">বুকজ্বলা ও বদহজম</h4>



<p>দিনের প্রধান খাবারগুলো খাওয়ার পর যদি বুকজ্বলা অনুভব করেন তাহলে খাওয়ার পরই শোয়া এড়িয়ে চলুন। এতে করে গ্যাস্ট্রিক তরল পাকস্থলীতেই থাকবে।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="কোমর-ব্যথা">কোমর ব্যথা</h4>



<p>গর্ভকালীন এই সমস্যায় আরাম পেতে কর্মক্ষেত্রে আরামদায়ক চেয়ার ও ঘরে বিছানায় শক্ত জাজিম ব্যবহার করুন। সম্ভব না হলে চেয়ারে বসার সময় কোমরের পেছনে কুশন ও তোষকের নিচে বোর্ড ব্যবহার করে এগুলোকে শক্ত করে নিতে পারেন। <a href="https://matritto.com/pregnancy-exercise-%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae/" class="rank-math-link">গর্ভকালীন ব্যয়াম লেখায় এই সমস্যা থেকে আরাম পাওয়ার জন্য ব্যয়ামের উল্লেখ পাবেন।</a></p>



<h4 class="wp-block-heading" id="ক্লান্তি-ও-মাথাঘোরা">ক্লান্তি ও মাথাঘোরা</h4>



<p>ডিহাইড্রেশন বা পানিস্বল্পতার কারণে এমনটা হতে পারে। তাই দৈনিক অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করে আর্দ্রতা নিশ্চিত করুন।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="শারীরিক-তরলের-মাত্রা-বেড়ে-যাওয়া">শারীরিক তরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া</h4>



<p>শরীরে বর্ধিত রক্তের পরিমাণের কারণে যোনিপথ থেকে বের হওয়া তরল, ঘাম, শ্লেষ্মা ইত্যাদির পরিমাণও বেড়ে যাবে।&nbsp;</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="স্তন-ও-পেট-চুলকানো">স্তন ও পেট চুলকানো</h4>



<p>আপনার বাচ্চা বড় হওয়ার সাথে সাথে ত্বক প্রসারিত ও স্পর্শকাতর হচ্ছে। চুলকানোর অদম্য ইচ্ছাকে দমন করে রাখতে চেষ্টা করুন এবং ত্বকে আরামদায়ক কোন ক্রীম মাখুন।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="স্তনের-স্বাভাবিক-বৃদ্ধি">স্তনের স্বাভাবিক বৃদ্ধি</h4>



<p>বুকের দুধ খাওয়ানোর প্রস্তুতি হিসাবে হরমোন ও দুধ উৎপাদনকারী গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধি হচ্ছে। এই সবকিছু ও সাথে বর্ধিত রক্ত স্তনের আকার প্রায় তিন গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে! যদিও স্তনের বৃদ্ধিই স্বাভাবিক তবে কোন মা হয়ত লক্ষণীয় পরিবর্তন নাও দেখতে পারেন বিশেষ করে যদি তার আগে থেকেই স্তনের আকৃতি বড় হয়।&nbsp;</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="অদ্ভূত-সব-স্বপ্ন">অদ্ভূত সব স্বপ্ন</h4>



<p>আজগুবি স্বপ্ন দেখে ঘুমের ব্যঘাত ঘটছে? এটা যেমন হরমোনজনিত কারণে হতে পারে তেমনই আপনার স্নায়ুবিক কারন ও পূর্বানুমান থেকেও হতে পারে।&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p></p>



<h2 class="wp-block-heading" id="বাচ্চার-বৃদ্ধি">বাচ্চার বৃদ্ধি</h2>


<div class="wp-block-image">
<figure class="alignright size-large is-resized"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/06/pomegranate.jpg" alt="সতেরতম সপ্তাহে বাচ্চা এখন একটি ডালিমের সমান" class="wp-image-2337" width="450" height="450" title="গর্ভধারণের সতেরতম সপ্তাহ 5"></figure>
</div>


<p>আপনার পেটের ভেতরের বাবুটা এখন একটা ডালিমের সমান বড়, মাশাল্লাহ। বাবুর দৈর্ঘ্য এখন প্রায় ৫.১২ ইঞ্চি এবং ওজন প্রায় ৪.৯৪ আউন্স।</p>



<p>আপনি হয়ত এই সপ্তাহে প্রথমবারের মতো তার হেঁচকি তোলার আওয়াজ অনুভব করতে পারবেন যদিও সে হয়ত আগেও এমনটা করেছে। বুকের দুধ বা ফিডার টেনে খাওয়ার জন্য আপনার বাবু এখন থেকেই চোষা ও গেলা চর্চা করছে। আসলে, জন্মের পর বেঁচে থাকার জন্য যে কাজগুলো তাকে করতে হবে সেগুলোতে সে জরায়ুতে থাকতেই দক্ষ হয়ে নিচ্ছে।&nbsp;</p>



<p>অবশেষে আপনার বাবুর হাত, পা তার মাথার অনুপাতের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে। আপনার সোনামণি কিছুটা হৃষ্টপুষ্ট হতে শুরু করেছে এখন যেহেতু তার চামড়ার নিচে চর্বি জমতে শুরু করেছে এবং ঘামগ্রন্থি তৈরি হচ্ছে। তার রাবারের মতো নরম কার্টিলেজ হাড়ে পরিণত হচ্ছে এবং এতে মাংস জমা হচ্ছে। তার আম্বিলিক্যাল কর্ড বা নাড়ীও আগের চেয়ে মজবুত ও মোটা হচ্ছে।</p>



<p>জানেন কি আপনার প্লাসেন্টা বা গর্ভফুল এখন আপনার বাবুর সমান? এর মাধ্যমেই বাবুর কাছে ভিটামিন, মিনারেল, প্রোটিন, ফ্যাট এবং অক্সিজেন পৌঁছে ও সেই সাথে মলমূত্র ও কার্বনডাইঅক্সাইড বের হয়ে যায়।</p>



<p>বাবুর নড়াচড়া কি অনুভব করেছেন এখনো? অনেক মা ১৮ থেকে ২০ সপ্তাহের মাঝে প্রথম নড়াচড়া টের পান তবে কেউ কেউ এর আগেও বুঝতে পারেন। শিহরিত হচ্ছেন? হয়ত পেটের ভেতর এমন অনুভব করতে পারেন যেন কিছু উড়ছে, গড়িয়ে যাচ্ছে বা বুদবুদ তৈরি হচ্ছে। আপনার বাবু যে সুস্থভাবে বেড়ে উঠছে তা এ থেকেই বোঝা যাবে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মাঝে এই নড়াচড়াগুলো আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠবে। আপনি হয়ত <a href="https://matritto.com/baby-kick-womb-%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a6%bf/" class="rank-math-link">বাবুর লাথি, ঘুষিও</a> বুঝতে পারবেন। তবে এতে কোন ব্যথা পাবেন না, শুধু ভীষণ অবাক হয়ে যেতে পারেন! ছোট্ট একটা পা যখন আস্তে করে লাথি দেয় আর এতে আপনার পেট নড়ে ওঠে তখন তা সত্যিই বিষ্ময়কর। এই অপার্থিব অনুভূতি আপনার স্বামীর সাথেও ভাগ করে নিন, উনাকে বলুন বাবু নড়ার সময় আপনার পেটের ওপর হাত রেখে অনুভব করতে। আগামী দিনগুলোতে হয়ত খেয়াল করবেন যে আপনি খাওয়ার পর, কোন জোরালো আওয়াজ শুনলে, পেটে হাত বুলিয়ে বাবুর সাথে কথা বললে, খুব করে ঘুমানোর চেষ্টা করলে আপনার বাবুটা নড়াচড়া শুরু করছে!</p>



<p></p>



<h2 class="wp-block-heading" id="আপনার-জন্য-টিপস">আপনার জন্য টিপস</h2>



<h4 class="wp-block-heading" id="স্বাস্থ্যকর-খাবার">স্বাস্থ্যকর খাবার</h4>



<p>গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই হয়ত শুনে আসছেন যে আপনাকে এখন থেকে দুইজনের খাবার খেতে হবে! কিন্তু এটা সম্পূর্ণ ভুল কথা। <a href="https://matritto.com/pregnancy-diet-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9f/" class="rank-math-link">দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারে ৩০০ কিলোক্যালোরি</a> বেশি খেতে হবে কেবল। স্বাস্থ্যকর খাবার বাছাই করুন এবং খাদ্যাভ্যাসে প্রচুর তাজা ফল ও শাকসবজি রাখুন। প্রক্রিয়াজাত, চর্বিযুক্ত ও নোনতা খাবার এড়িয়ে চলুন।&nbsp;</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="ভিটামিন-ডি">ভিটামিন ডি</h4>



<p>আমরা সাধারণত সূর্যের আলো থেকেই পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি পাই। বাইরে যাওয়া না হলেও চেষ্টা করুন বারান্দা বা জানালার পাশে বসে গায়ে নিয়মিত রোদ লাগাতে অন্তত পনের থেকে ত্রিশ মিনিট।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="পেলভিক-ফ্লোর-ও-অন্যান্য-ব্যয়াম">পেলভিক ফ্লোর ও অন্যান্য ব্যয়াম</h4>



<p>হাঁচি, কাশি দেয়ার সময় বা জোরে হাসার সময় প্রস্রাব বের হয়ে যাওয়ার মতো অভিজ্ঞতা হয়েছে কি? এর কারণ মূলত গর্ভাবস্থায় <a href="https://matritto.com/%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE/" class="rank-math-link">পেলভিক ফ্লোর </a>পেশী শিথিল হয়ে আসা। তবে এই পেশী ব্যয়ামের প্রতি অতি দ্রুতই সাড়া দেয়। এই পেশী দৃঢ় ও মজবুত থাকলে স্বাভাবিক প্রসব ও প্রসবোত্তর সময় আপনার জন্য তুলনামূলক সহজ হবে ইনশাল্লাহ। এছাড়াও নিয়মিত অন্যান্য <a href="https://matritto.com/pregnancy-exercise-%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae/" class="rank-math-link">গর্ভকালীন ব্যয়াম </a>করতে থাকুন। এমনকি আপনার যদি সিজারিয়ান ডেলিভারী হয় তাহলেও এই ব্যয়ামগুলো আপনার শরীরকে সুগঠীত রাখতে সাহায্য করবে। তবে গর্ভকালীন ব্যয়াম করার আগে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="সাইয়াটিকা-sciatica-প্রতিরোধে-ব্যয়াম">সাইয়াটিকা (Sciatica) প্রতিরোধে ব্যয়াম</h4>



<p>শরীরের সবচেয়ে বড় নার্ভ হচ্ছে সাইয়াটিকা নার্ভ যা কোমর থেকে নিচের দিকে পায়ের পাতা পর্যন্ত নেমে গেছে। মোটা হওয়া, ডিস্ক সরে যাওয়া বা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া, আর্থ্রাইটিস বা স্পাইনাল ক্যানেল সরু হয়ে যাওয়ার ফলে এই নার্ভে ব্যথা হয় যা অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ব্যথা ও অবশ করা অনুভূতি এনে দেয়। এই ব্যথা কোমর বা নিতম্ব থেকে শুরু করে পায়ের পেছন দিক পর্যন্ত অনুভূত হয়। এ থেকে আরাম পেতে গরম শেঁক বা<a href="https://matritto.com/pregnancy-exercise-%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ae/" class="rank-math-link"> পিঠের ব্যয়াম</a> করতে পারেন।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="দাঁতের-কোন-পরিবর্তন">দাঁতের কোন পরিবর্তন</h4>



<p>হরমোনের কারণে আপনার মুখের ভেতরের মাড়ী, লিগামেন্ট ও হাড় প্রভাবিত হতে পারে,এমনকি দাঁত নড়বড়ে হয়ে যেতে পারে এবং পড়েও যেতে পারে। এটা প্রসবোত্তর সময়ে ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু আপনার যদি পেরিওডনটাইটিস থাকে তাহলে দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হন।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="ডেইরী-খাবারের-বাইরে-ক্যালশিয়ামসমৃদ্ধ-খাবার">ডেইরী খাবারের বাইরে ক্যালশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার</h4>



<p>আপনার যদি দুধ বা অন্যান্য ডেইরী সামগ্রী খেতে অসুবিধা হয় তাহলে আপনাকে অন্য কোন খাবার থেকে ক্যালশিয়াম গ্রহণ করতে হবে। ডেইরী সামগ্রীর বাইরেও আরও যেসব খাবার থেকে ক্যালশিয়াম পাওয়া যায় তা হচ্ছে সবুজ শাক, ব্রোকলি, তিলের বীজ (তবে এটা গর্ভধারণের প্রথম তিন থেকে চার মাস না খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয় কারণ এটা জরায়ুর পেশিকে উদ্দীপিত করে ফলে নিষিক্ত ডিম্বাণু বের হয়ে যেতে পারে), কাঠবাদাম এবং ক্যালশিয়াম সমৃদ্ধ সয় সামগ্রী।</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/08/unnamed-1024x1024.jpg" alt="গর্ভধারণের সতেরতম সপ্তাহ 4" class="wp-image-3006" title="গর্ভধারণের সতেরতম সপ্তাহ 6"></figure>
</div>


<h4 class="wp-block-heading" id="গর্ভাবস্থা-নিয়ে-জানা">গর্ভাবস্থা নিয়ে জানা</h4>



<p>প্রত্যেক গর্ভবতী নারীর উচিত তার গর্ভাবস্থা, প্রসব ও প্রসবোত্তর সময় নিয়ে জানতে চেষ্টা করা। এই জানা আপনাকে নিজের শরীরের সাথে কী হচ্ছে তা নিয়ে অন্ধকারে রাখবে না, আপনি নতুন পরিস্থিতি মোকাবেলায় আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে পারবেন। ইংরেজিতে এই সংক্রান্ত প্রচুর নির্ভরযোগ্য তথ্য পাবেন। যদি আপনি ইংরেজিতে দক্ষ হন তাহলে এই সুযোগকে কাজে লাগান। যদি বাংলায় বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তাহলে মাতৃত্ব সাইটের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখুন নিয়মিত।  ইমেইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন যেন কোন নতুন প্রকাশিত <a href="https://matritto.com/tag/birth-stories" target="_blank" data-type="URL" data-id="https://matritto.com/tag/birth-stories" rel="noreferrer noopener">প্রসব অভিজ্ঞতা</a> পড়তে বাদ পরে না যায়! <a class="rank-math-link" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%87/">গর্ভাবস্থা নিয়ে বই </a>থেকে পড়তে চাইলে দেরী না করে এখনই কিনে ফেলুন পছন্দের বই। </p>



<p><strong>তথ্যসূত্রঃ</strong></p>



<p>১।&nbsp;<a rel="noreferrer noopener" href="https://www.whattoexpect.com/pregnancy/week-by-week/week-14.aspx" target="_blank" class="rank-math-link">What to expect.</a><br>২।&nbsp;<a rel="noreferrer noopener" href="https://www.nhs.uk/start4life/pregnancy/week-by-week/2nd-trimester/week-14/" target="_blank">Start 4 life</a><br>৩।&nbsp;<a rel="noreferrer noopener" href="https://www.thebump.com/pregnancy-week-by-week" target="_blank">the BUMP</a><br>৪।&nbsp;<a rel="noreferrer noopener" href="https://www.parents.com/pregnancy/week-by-week/14/" target="_blank">Parents</a> <br>৫। <a href="https://food.ndtv.com/food-drinks/10-foods-you-should-strictly-avoid-during-pregnancy-1734597" class="rank-math-link" target="_blank" rel="noopener">NDTV FOOD</a></p>



<p></p>



<div class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color" style="background-color:#dddbd5; padding:25px">
<h4 class="has-very-dark-gray-color has-text-color">লেখাটি রিভিউ করেছেন -</h4>
<p><strong>ডাঃ সাবরিনা আফরোজ</strong><br>MBBS, MPH<br>লেকচারার, ঢাকা কমিউনিটি মেডিসিন কলেজ </p>
</div>



<p class="has-cyan-bluish-gray-background-color has-background"><strong>ছবি কৃতজ্ঞতা:</strong> <a class="rank-math-link" href="https://www.pinterest.nz/pin/503347695833375260/" target="_blank" rel="noopener">Pinterest</a>, <a class="rank-math-link" href="https://eu.clipdealer.com/vector/media/A:59697722" target="_blank" rel="noopener">Clipdealer</a>, <a href="mailto:tasnimasima02@gmail.com" data-type="mailto" data-id="mailto:tasnimasima02@gmail.com">Asima Tasnim</a></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/">গর্ভধারণের সতেরতম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গর্ভধারণের ষোলতম সপ্তাহ</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b7%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Rabeya Rowshin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 28 Apr 2020 15:49:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[Pregnancy Week by Week]]></category>
		<category><![CDATA[মাতৃত্বের প্রতিসপ্তাহ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=2012</guid>

					<description><![CDATA[<p>আপনি আনন্দিত হবেন জেনে যে গর্ভধারণের ষোলতম সপ্তাহ শেষে আপনি পাঁচ মাসের গর্ভবতী হবেন ইনশাল্লাহ। তবে ডাক্তাররা গর্ভধারণের সময়কে সপ্তাহ দিয়ে বুঝিয়ে থাকেন। আপনার বাচ্চা এখন দ্রুত বড় হচ্ছে এবং গত কয়েক সপ্তাহে আপনার সম্ভবত ২ থেকে ৪ কেজি ওজন বেড়েছে। </p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b7%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/">গর্ভধারণের ষোলতম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<div class="wp-block-image is-style-rounded"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://i0.wp.com/matritto.com/wp-content/uploads/2020/04/week-16-1-scaled.jpg?fit=1024%2C700&amp;ssl=1" alt="baby inside womb ষোলতম সপ্তাহ" class="wp-image-2015" title="গর্ভধারণের ষোলতম সপ্তাহ 7"></figure></div>



<div class="gutentoc tocactive nostyle scroll_id_show"><div class="gutentoc-toc-wrap"><div class="gutentoc-toc-title-wrap"><div class="gutentoc-toc-title"><strong>বিষয়সূচী</strong></div><div id="open" class="togglethree">hide</div></div><div id="toclist"><div class="gutentoc-toc__list-wrap"><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#আপনার-শারীরিক-পরিবর্তন">আপনার শারীরিক পরিবর্তন</a></li><ul class="gutentoc-toc__list"><li><a href="#পিঠব্যথা-">পিঠব্যথা&nbsp;</a></li><li><a href="#স্তনের-বৃদ্ধি-এবং-সাদা-স্রাবের-পরিমাণ-বেড়ে-যাওয়া-">স্তনের বৃদ্ধি এবং সাদা স্রাবের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া&nbsp;</a></li><li><a href="#কোষ্ঠকাঠিন্য-">কোষ্ঠকাঠিন্য&nbsp;</a></li><li><a href="#ভুলে-যাওয়া">ভুলে যাওয়া</a></li><li><a href="#চোখ-শুষ্ক-স্পর্শকাতর-হওয়া">চোখ শুষ্ক, স্পর্শকাতর হওয়া</a></li><li><a href="#মাড়ী-থেকে-রক্ত-পরা-">মাড়ী থেকে রক্ত পরা&nbsp;</a></li></ul><li><a href="#বাচ্চার-বৃদ্ধি">বাচ্চার বৃদ্ধি</a></li><li><a href="#আপনার-জন্য-টিপস">আপনার জন্য টিপস</a></li></ul></div></div></div><style> .gutentoc-toc-wrap ul li a, .gutentoc-toc-title-wrap .text_open{ color: undefined}} </style></div>



<p>আপনি আনন্দিত হবেন জেনে যে গর্ভধারণের ষোলতম সপ্তাহ শেষে আপনি গর্ভধারণের চার মাস পূর্ণ করবেন ইনশাল্লাহ। তবে ডাক্তাররা গর্ভধারণের সময়কে সপ্তাহ দিয়ে বুঝিয়ে থাকেন। আপনার বাচ্চা এখন দ্রুত বড় হচ্ছে এবং গত কয়েক সপ্তাহে আপনার সম্ভবত ২ থেকে ৪ কেজি ওজন বেড়েছে। তবে এই হিসাবটা শুধুই আপনার জন্য একটা দিকনির্দেশনা, এর উনিশ-বিশ হতেই পারে।&nbsp;&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="আপনার-শারীরিক-পরিবর্তন">আপনার শারীরিক পরিবর্তন</h2>



<p>ইংরেজিতে প্রেগন্যান্সি গ্লো কথাটা নিশ্চয়ই আপনি শুনেছেন। এখন হয়ত আপনি সেটা নিজের মাঝে দেখতে পাচ্ছেন। আপনি হয়ত লক্ষ্য করে থাকবেন আপনার ত্বক আগের চেয়ে উজ্জ্বল ও চুল আগের চেয়ে মোটা ও চকচকে লাগছে। গর্ভধারণের এই সুন্দর দিকটা উপভোগ করুন!</p>



<p>এই সপ্তাহে আপনার ডাক্তার ভিজিট থাকলে আপনি হয়ত প্রথমবারের মতো বাবুর হৃদস্পন্দন শুনতে পাবেন! ডাক্তার যদি আপনার আগের ভিজিটে রক্ত পরীক্ষা দেন তাহলে এই সময় তার ফলাফল থেকে আপনার রক্তের গ্রউপ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান যেমন আয়রনের মাত্রা ইত্যাদি জেনে নিতে পারেন। প্রস্রাব পরীক্ষার মাধ্যমে ডাক্তার দেখবেন আপনার জেস্টেশন্যাল ডায়বেটিস ও প্রিএকলাম্পশিয়া হওয়ার লক্ষণ আছে কিনা। এই সপ্তাহে আপনার দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারের আল্ট্রাসাউন্ড করানোর সময়ও হয়েছে যা ডাক্তারের সাথে দেখা করার আগে করে নিয়ে যেতে পারেন।&nbsp;</p>



<p>এখন আসুন এই সপ্তাহের আরও কিছু লক্ষন নিয়ে জেনে নেই:&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="পিঠব্যথা-">পিঠব্যথা&nbsp;</h4>



<p>আপনার পেট বড় হওয়ার সাথে সাথে কোমরের নিচের দিককে এই ভার বহন করার জন্য আগের চেয়ে বেশি বাঁকা হতে হচ্ছে যার ফলে সেখানের পেশীগুলোতে চাপ পড়বে। সেই সাথে, গর্ভাবস্থার হরমোনের কারণেও এমন ব্যথা হয়ে থাকে। এ থেকে আরাম পেতে হালকা কিছু ব্যয়াম করতে পারেন। সোজা ভঙ্গিতে উঠবস করতে পারেন এবং আমাদের <a href="https://matritto.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%af/" class="rank-math-link">গর্ভকালীন ব্যয়াম নিয়ে লেখায়</a> দেখানো পিঠের জন্য আরামদায়ক ব্যয়াম করতে পারেন। গর্ভকালীন ম্যাসাজ আপনাকে স্বস্তি দিতে পারে অনেকটা। এ জন্য আপনার স্বামীর থেকেও সহযোগিতা নিতে পারেন। উষ্ণ পানিতে গোসল করেও আরাম পাওয়া যায়।&nbsp;</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="স্তনের-বৃদ্ধি-এবং-সাদা-স্রাবের-পরিমাণ-বেড়ে-যাওয়া-">স্তনের বৃদ্ধি এবং সাদা স্রাবের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া&nbsp;</h4>



<p>আপনার স্তনের আকার ইতিমধ্যেই অনেকটা বৃদ্ধি হয়েছে এবং দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টার শেষে তা বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য সম্পূর্ণ তৈরি হয়ে যাবে। নিজের জন্য আরামদায়ক অন্তর্বাস বেছে নিন এই সময়।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>সেই সাথে, বেশি পরিমাণে সাদা স্রাবের নিঃসরণ আপনার জন্য অস্বস্তিকর লাগতে পারে। তবে মনে রাখবেন, এটা আসলে আপনার জন্য উপকারী। এটা প্রসব নালীকে সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। তবে যদি তা দুর্গন্ধযুক্ত হয় বা আপনার ভ্যাজাইনাতে চুলকানির সমস্যা দেখা দেয় তাহলে আপনার চিকিৎসককে জানান।&nbsp;</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="কোষ্ঠকাঠিন্য-">কোষ্ঠকাঠিন্য&nbsp;</h4>



<p>প্রজেস্টেরন হরমোন আপনার অন্ত্রনালীসহ সারা শরীরের পেশীকেই শিথিল করে তুলেছে। এর ফলে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং পেটের বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়। অর্ধেকের মতো গর্ভবতী নারী গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন। এ সমস্যা থেকে আরাম পেতে আঁশযুক্ত খাবার বেছে নিন যেমন লাল আটার রুটি, ফল, সবজি, বিচিজাতীয় খাবার, ডাল ইত্যাদি। নিয়মিত ব্যয়াম করুন। প্রচুর পরিমাণে পানি খান।&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="ভুলে-যাওয়া">ভুলে যাওয়া</h4>



<p>এ সময় অনেক গর্ভবতী মায়েরই ভুলে যাওয়া রোগ হতে দেখা যায়। তবে&nbsp; এর পেছনের কারণ নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।&nbsp;</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="চোখ-শুষ্ক-স্পর্শকাতর-হওয়া">চোখ শুষ্ক, স্পর্শকাতর হওয়া</h4>



<p>এর পেছনেও হরমোনকেই দায়ী করা হয়। তবে যে কোন চোখের ড্রপ ব্যবহারের আগে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিন।&nbsp;&nbsp;</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="মাড়ী-থেকে-রক্ত-পরা-">মাড়ী থেকে রক্ত পরা&nbsp;</h4>



<p>হরমোনজনিত কারণে এমনটা হয়ে থাকে। এই নিয়ে <a href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/" class="rank-math-link">পনেরতম সপ্তাহে</a> আরও আলোচনা পাবেন।&nbsp;&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="বাচ্চার-বৃদ্ধি">বাচ্চার বৃদ্ধি</h2>



<p>আপনার বাচ্চার দৈর্ঘ্য এখন প্রায় ৪.৫৭ ইঞ্চি এবং ওজন এখন প্রায় ৩.৫৩ আউন্স। মানে আপনার বাবু এখন একটি এভোকাডো ফলের সমান।&nbsp;</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="alignright size-large"><img decoding="async" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2020/04/avocado.jpg" alt="গর্ভধারণের ষোলতম সপ্তাহ 5" class="wp-image-2016" title="গর্ভধারণের ষোলতম সপ্তাহ 8"></figure></div>



<p>আপনার বাবু এখন হাত মুঠ করতে পারে এবং আঙ্গুল চুষতেও পারে। যে নবজাতক বাবুরা আঙ্গুল চোষে তাদের এই অভ্যাস হয়ত এখন থেকেই শুরু হয়ে যায়।&nbsp;</p>



<p>আপনার বাচ্চার সার্কুলেটরি সিস্টেম কাজ করতে শুরু করেছে। আপনার বাবু হয়ত এখন নানারকম মুখভঙ্গি করতে পারছে কিন্তু তার হাসি বা ভ্রু কোঁচকানো সবই আকস্মিক কারন এখনো পেশীর ওপর তার কোন নিয়ন্ত্রন তৈরি হয়নি।&nbsp;</p>



<p>তার নার্ভাস সিস্টেমের গঠন চলছে এবং এখন সে হাত-পা নাড়া শুরু করতে পারবে। এই সপ্তাহ থেকে আপনি হয়ত পেটের ভেতর তার লাথি, ঘুষি অনুভব করতে পারবেন! পেটের ভেতর হঠাত যদি প্রজাপতি উড়ছে বলে মনে হয় তাহলে চমকে উঠবেন না যেন!&nbsp;</p>



<p>আপনার বাবু এখন চোখ বন্ধ অবস্থাতেই চোখের মণি এদিক থেকে ওদিক নাড়াতে পারে এবং আপনার পেটের বাইরের আলো কিছুটা অনুভব করতে পারে।&nbsp;</p>



<p>আপনার বাবুর চেহারা এখন অনেকটাই মানুষের মতো যদিও সে এখনো খুব বেশি হাড়সর্বস্ব কারণ এখনো চামড়ার নিচে ফ্যাট তৈরি হয়নি। তার চামড়া এখনো কিছুটা স্বচ্ছ ধরণের, মানে আপনি যদি এখন তাকে দেখতে পারতেন তাহলে চামড়ার নিচে তার রক্তনালীগুলো দেখতে পেতেন।&nbsp;</p>



<p>তার হাড়গুলো কার্টিলেজের মতো নরম ছিল এবং এখন তা ধীরে ধীরে আরও শক্ত ও মজবুত হয়ে চলেছে। তার মেরুদণ্ড ও পিঠের ছোট পেশীগুলো আরও শক্তিশালী হচ্ছে, তাই সে এখন তার মাথা ও ঘাড় আগের চেয়ে বেশি সোজা করতে পারে। তবে আপনার বাবুর হাড় শেষ পর্যন্ত কিছুটা নমনীয় থাকবে যেন জন্মের সময় সে সহজেই আপনার প্রসব নালী দিয়ে বের হতে পারে।&nbsp;</p>



<p>তার আম্বিলিক্যাল কর্ড বা নাড়ী পুরোপুরি তৈরি হয়ে গেছে এবং এটা হোয়ার্টন জেলী দিয়ে সুরক্ষিত আছে। হোয়ার্টন জেলী হচ্ছে জেলীর মত ঘন একটি তরল যা নাড়ীকে পিচ্ছিল করে রাখে যেন আপনার বাবু এতে&nbsp;পেঁচিয়ে না গিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে নড়াচড়া করতে পারে।&nbsp;&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p>আপনার বাবুর কানের হাড়গুলো এখন স্বস্থানে এসেছে তাই আপনি কথা বললে সম্ভবত এখন সে শুনতে পাবে। গবেষণায় পাওয়া গেছে যেসব বাচ্চারা গর্ভে থাকতে কোন নির্দিষ্ট ধ্বনি শোনে তারা জন্ম নেয়ার পর সেই একই ধ্বনি শুনে চিনতে পারে। তাই গুরুত্বের সাথে বাছাই করুন তাকে আপনি কী শোনাবেন। আপনি যদি সন্তানকে কুরআনের হাফিয বানাতে চান তাহলে এখন থেকেই তাকে তিলাওয়াত শোনাতে পারেন।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>আপনার বাবু যদি মেয়ে হয় তাহলে এই সপ্তাহে হাজার হাজার ডিম তার ডিম্বাশয়ে গঠিত হচ্ছে, যা থেকে আপনার ভবিষ্যৎ নাতি-নাতনিরা আসবে ইনশাল্লাহ!!&nbsp;</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="আপনার-জন্য-টিপস">আপনার জন্য টিপস</h2>



<p>সঠিক গর্ভকালীন খাদ্যাভ্যাস মেনে চলুন, আপনার খাদ্যতালিকায় জাংক ফুডের পরিমাণ একদম কমিয়ে এনে পুষ্টিসম্মত খাবারের পরিমাণ বেশি রাখুন এবং নিয়মিত ব্যয়াম করুন। সালাদ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। দীর্ঘমেয়াদে আপনিই লাভবান হবেন।&nbsp;</p>



<p>আপনার পরিবর্তিত স্বাস্থ্যের সাথে মানানসই কাপড় কিনে নিন। এতে আপনাকে দেখতে যেমন ভালো লাগবে, মনও প্রফুল্ল হবে।&nbsp;&nbsp;</p>



<p>ঘরে বা বাইরে ধূমপানকারীদের এড়িয়ে চলুন। সিগারেটের ধোয়া আপনার বাচ্চার বেড়ে ওঠাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।&nbsp;</p>



<p>ভালো সময় কাটাতে আমাদের প্রকাশিত <a href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%9c%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a8/" class="rank-math-link">প্রসব অভিজ্ঞতাগুলো</a> সময় বের করে পড়তে থাকুন। গর্ভকালীন সময়কে উপভোগ করুন!&nbsp;</p>



<p>তথ্যসূত্রঃ</p>



<p>১।&nbsp;<a rel="noreferrer noopener" href="https://www.whattoexpect.com/pregnancy/week-by-week/week-14.aspx" target="_blank">What to expect.</a><br>২।&nbsp;<a rel="noreferrer noopener" href="https://www.nhs.uk/start4life/pregnancy/week-by-week/2nd-trimester/week-14/" target="_blank">Start 4 life</a><br>৩।&nbsp;<a rel="noreferrer noopener" href="https://www.thebump.com/pregnancy-week-by-week" target="_blank">the BUMP</a><br>৪।&nbsp;<a rel="noreferrer noopener" href="https://www.parents.com/pregnancy/week-by-week/14/" target="_blank">Parents</a></p>



<div class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color" style="background-color:#dddbd5; padding:25px">
<h4 class="has-very-dark-gray-color has-text-color">লেখাটি রিভিউ করেছেন -</h4>
<p><strong>ডাঃ সাবরিনা আফরোজ</strong><br>MBBS, MPH<br>লেকচারার, ঢাকা কমিউনিটি মেডিসিন কলেজ </p>
</div>



<p class="has-background has-very-light-gray-background-color"><strong>ছবি কৃতজ্ঞতা: Mother and baby, Vekteezy</strong></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b7%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/">গর্ভধারণের ষোলতম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গর্ভধারণের পনেরতম সপ্তাহ</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[Rabeya Rowshin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 13 Apr 2020 07:15:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[Pregnancy Week by Week]]></category>
		<category><![CDATA[মাতৃত্বের প্রতিসপ্তাহ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=1847</guid>

					<description><![CDATA[<p>আপনার শারীরিক পরিবর্তন বাচ্চার বৃদ্ধি আপনার জন্য টিপস গর্ভধারণের পনেরতম সপ্তাহে আপনাকে দেখে গর্ভবতী বলে কিছুটা আঁচ করা গেলেও আপনি এখনও স্বাচ্ছন্দ্যেই নড়াচড়া করতে পারবেন এবং বেশ কর্মোদ্দম অনুভব করবেন। প্রথম ট্রাইমেস্টারেও আপনার জরায়ু পেলভিসে বা শ্রোণীচক্রের ভেতর বেশ ভালোই এঁটে যেত। কিন্তু এখন যখন আপনার বাবু বড় হচ্ছে তখন তাকে জায়গা করে দিতে জরায়ুও [&#8230;]</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/">গর্ভধারণের পনেরতম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="//i0.wp.com/matritto.com/wp-content/uploads/2020/04/pregnancy-week-15-lung-development_square.jpg.pagespeed.ce_.9qe94erTQv.jpg" alt="গর্ভধারণের পনেরতম সপ্তাহ 6" class="wp-image-1872" title="গর্ভধারণের পনেরতম সপ্তাহ 9"></figure></div>



<ul class="&apos;Ih2&apos; wp-block-list"><li><strong><a href="#changes-in-body" class="rank-math-link">আপনার শারীরিক পরিবর্তন</a></strong></li><li><strong><a href="#baby-growth" class="rank-math-link">বাচ্চার বৃদ্ধি</a></strong></li><li><strong><a href="#tips" class="rank-math-link">আপনার জন্য টিপস</a></strong></li></ul>



<p>গর্ভধারণের পনেরতম সপ্তাহে আপনাকে দেখে গর্ভবতী বলে কিছুটা আঁচ করা গেলেও আপনি এখনও স্বাচ্ছন্দ্যেই নড়াচড়া করতে পারবেন এবং বেশ কর্মোদ্দম অনুভব করবেন। প্রথম ট্রাইমেস্টারেও আপনার জরায়ু পেলভিসে বা শ্রোণীচক্রের ভেতর বেশ ভালোই এঁটে যেত। কিন্তু এখন যখন আপনার বাবু বড় হচ্ছে তখন তাকে জায়গা করে দিতে জরায়ুও বড় হচ্ছে এবং ধীরে ধীরে তা পেলভিসের সীমা থেকে বেরিয়ে এসে আপনার পেটের উপরের দিকে চলে আসছে। যদিও একেক মায়ের শারীরিক অবস্থা একেকরকম তাই সবাইকেই হয়ত এই সপ্তাহে একইরকম দেখতে লাগবে না। তবে এটা যদি আপনার প্রথম গর্ভাবস্থা হয় তাহলে হয়ত আপনাকে দেখে বোঝা যেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে আর দ্বিতীয় গর্ভাবস্থায় যেহেতু আগেই জরায়ু প্রসারিত হয়েছিল তাই হয়ত কিছুটা আগে থেকেই আপনাকে দেখে গর্ভবতী বলে বোঝা যাবে। যদি আপনার যময সন্তান হয় তাহলে সম্ভবত সবকিছু আরও দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে তাই আপনাকে হয়ত এখন থেকেই দেখে বোঝা যাচ্ছে।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="changes-in-body"><strong>আপনার শারীরিক পরিবর্তন</strong></h2>



<p><strong>ওজন বৃদ্ধি</strong></p>



<p>এই সপ্তাহে আপনার এক থেকে দুই পাউন্ড বাড়ার কথা তাই বাড়তি ৩০০ ক্যালোরি খেতে চেষ্টা করুন তবে খেয়াল রাখুন তা যেন স্বাস্থ্যকর হয়। যদি হঠাতই বেশি ওজন বৃদ্ধি হতে দেখেন তাহলে আপনার ডাক্তারকে জানান সাথে সাথে কারণ এটা গর্ভকালীন মারাত্মক সমস্যা প্রিএক্লাম্পশিয়ার লক্ষণ হতে পারে।&nbsp;</p>



<p><strong>পেট ও চামড়ার যত্ন</strong></p>



<p>পেটের আশপাশে যে টান ও হালকা ব্যথাগুলো লাগছে যার কথা আমরা আগের সপ্তাহে বলেছি তা থেকে আরাম পেতে পা উপরে তুলে বিশ্রাম নিতে পারেন। গর্ভাবস্থায় বেশিরভাগ হবু মায়েদের চামড়ার উপর একটা কালচে আবরণ পড়ে যা প্রসবের কয়েক মাস পর চলে যায়। রোদে বেশি সময় কাটানো এড়িয়ে চলতে পারেন বা রোদে গেলে চেহারা উন্মুক্ত না রাখতে চেষ্টা করতে পারেন। হরমোনজনিত কারণে আপনার চামড়ায় চুলকানি অনুভব করতে পারেন। এজন্য পেটের চামড়াকে আদ্র রাখতে চেষ্টা করুন।&nbsp;</p>



<p><strong>সাদা স্রাব</strong></p>



<p>অনেক মায়েরা এই সময় প্রচুর সাদা স্রাব লক্ষ্য করেন। আপনার পেলভিক অঞ্চলে এই সময় রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যাবে আর তাই আপনার শরীর লিউকোরিয়া নামক সাদা তরল বেশি উৎপাদন করবে যা আপনার যোনিপথকে পরিষ্কার ও সংক্রমণমুক্ত রাখবে। তবে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন যদি:&nbsp;</p>



<ul class="&apos;Ih2&apos; wp-block-list"><li>এর রঙ পরিবর্তন হয়, এটা পরিষ্কার সাদা বা ক্রীম জাতীয় হয়</li><li>এটা থেকে দুর্গন্ধ আসে</li><li>এটা দেখতে অন্যরকম হয় যেমন ফেনিল বা দলা পাকানো</li><li>প্রস্রাব করার সময় ব্যথা হয়</li><li>চুলকায় বা যন্ত্রণা হয়&nbsp;</li></ul>



<p>উপরের যে কোনটা ভ্যাজাইনাল ইনফেকশনের কারণ হতে পারে তবে এই সমস্যা সহজেই সারানো যায় তাই ডাক্তার দেখিয়ে নিন।&nbsp;</p>



<p><strong>মাড়ী ফোলা ও মাড়ী থেকে রক্ত পরা</strong></p>



<p>আপনি হয়ত আপনার রক্তিম ও ফোলা মাড়ী লক্ষ্য করেছেন। ব্রাশ করার সময় হয়ত ব্যথা লাগে, মাড়ী সংবেদনশীল হয়ে থাকে এবং রক্ত বের হয়। এমনটা গর্ভকালীন হরমোনের কারণে হয় যা এসময় মাড়ীর ইনফেকশন জিনজিভাইটিসকে দাঁতের ব্যাকটেরিয়ার সাথে ভিন্নভাবে ক্রিয়া করায়। এতে চিন্তার কিছু নেই, প্রসবের পর এসব আস্তে আস্তে চলে যাবে। কিন্তু যা আপনার জানা প্রয়োজন তা হচ্ছে, এই জিনজিভাইটিস বেড়ে গিয়ে আপনার দাঁতকে ধরে রাখা হাড় ও টিস্যুর ইনফেকশন ঘটাতে পারে যাকে বলে পেরিওডনটাইটিস এবং গবেষণায় পেরিওডনটাইটিসের সাথে সময়ের আগে প্রসবব্যথা ওঠা এবং প্রিএক্লাম্পশিয়ার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। তাই এসময় নিয়মিত মুখের যত্ন নিতে হবে আপনাকে। দৈনিক দুইবার দাঁত ব্রাশ করা ও অন্তত একবার ফ্লস করার মাধ্যমে এই সমস্যাকে আপনি অনেকটাই কমিয়ে আনতে পারবেন।&nbsp;</p>



<p><strong>বুকজ্বলা, গ্যাস হওয়া ও বদহজম</strong></p>



<p>এখন যেহেতু আপনার আগের চেয়ে বেশি ক্ষুধা লাগবে আপনি লক্ষ্য করবেন যে একবারে বেশি খেলে বুকজ্বলা ও বদহজম হচ্ছে। এটা এড়াতে তিন বেলা ভরপেট না খেয়ে কয়েকবারে অল্প অল্প করে খান। এছাড়া হরমোনজনিত কারণেও পেটের সমস্যা হয়। কোন খাবারে আপনার সমস্যা হচ্ছে খেয়াল করে সেটা এড়িয়ে চলুন। আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলে জেনে নিন কী ধরণের ওষুধ খাওয়া এসময় নিরাপদ। গ্যাসের সমস্যায় এন্টাসিড একটা ভালো প্রতিষেধক।&nbsp;&nbsp;&nbsp;</p>



<p><strong>নাক থেকে রক্ত পরা</strong></p>



<p>আপনার শরীরে এসময় রক্তের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে এবং সংবেদনশীল নাসা পথের কারণে এমনটা হয়। এতে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই।&nbsp;&nbsp;</p>



<p></p>



<h2 class="wp-block-heading" id="baby-growth"><strong>বাচ্চার বৃদ্ধি</strong></h2>



<p>আপনাকে কেন এখন গর্ভবতী বলে বোঝা যাচ্ছে জানেন? কারণ আপনার বাচ্চা এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে আরও বড় থেকে বড় হচ্ছে। তার ওজন এখন প্রায় ২.৪৭ আউন্স এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ৩.৯৮ ইঞ্চি। এর মানে হচ্ছে আপনার বাবুটা এখন একটা আপেলের সমান। আপনার বাবু এখন তার শরীরের সব মাংশপেশীকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং নড়তেও পারে। সে এখন ডিগবাজি খেতেও পারে, তবে এটা যদি আপনার প্রথম গর্ভাবস্থা হয় তাহলে বাবুর নড়াচড়া টের পেতে আপনার আরও কয়েক সপ্তাহ লাগবে।&nbsp;</p>



<p>ল্যানিউগো নামে পশমের মতো পাতলা চুল আপনার বাবুর পিঠ, কাঁধ, কান, কপালকে ঢেকে রেখেছে এখন। এটা তাকে শরীরের তাপ ধরে রাখতে সাহায্য করে। যখন তার শরীরে যথেষ্ট চর্বি জমা হবে তখন এই পশমগুলো ঝরে যাবে এবং জন্মের আগেই তা অনেকখানি হারিয়ে যাবে।&nbsp;</p>



<p>এই সপ্তাহ থেকে সে নানারকম মুখভঙ্গি করতে পারবে – ভ্রু কুঁচকানো, আড়চোখে তাকানো, ভেংচি কাটা ইত্যাদি। চিন্তা করবেন না, এগুলো সবই তার মুখের পেশীকে নমনীয় করার কায়দা।</p>



<p>এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে আপনার বাবু ধীরে ধীরে একজন স্বাভাবিক মানুষের আকৃতিতে আসতে থাকবে।এতদিন কানগুলো ঘাড়ের দিকে আর চোখ দুটো মাথার পাশে ছিল, এখন সেগুলো অনেকটাই জায়গা মতো আসবে।&nbsp;</p>



<p>আপনার বাবুর চোখ এখন আলোর প্রতি সংবেদনশীল হবে। যদিও তার চোখ বন্ধ থাকে কিন্তু পেটের বাইরে তীব্র আলো সে বুঝতে পারবে।&nbsp;</p>



<p>মোটামুটি এই সময় থেকে আপনার বাচ্চা শুনতে শুরু করবে। সে আপনার হৃদস্পন্দন ও পরিপাকতন্ত্রের করা কোন শব্দ শুনতে পারবে।&nbsp; আপনি এখন থেকেই তার সাথে কথা বলতে পারেন, সম্ভবত সে শুনবে। তাকে কোন আদরের নামে ডাকতে পারেন, সুন্দর গল্প শোনাতে পারেন। তার মানসিক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর এমন শব্দ এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করুন। টিভি ও মিউজিক থেকে দূরে থাকুন, বাচ্চাকে শুনিয়ে জোরে কুরআন তিলাওয়াত করুন, দৈনন্দিন যিকিরগুলো সামান্য জোরেপড়তে পারেন। <a href="https://matritto.com/category/spiritual/" class="rank-math-link">আত্মিক সহায়তার জন্য আমাদের সংশ্লিষ্ট বিভাগে এই নিয়ে আরও লেখা পাবেন।&nbsp;&nbsp;</a></p>



<p></p>



<h2 class="wp-block-heading" id="tips"><strong>আপনার জন্য টিপস</strong></h2>



<p>আপনার ডাক্তারের সাথে প্রিএক্লাম্পশিয়া নিয়ে কথা বলুন। এটা সাধারণত বিশ সপ্তাহের পর দেখা দেয় এবং এর লক্ষণ হচ্ছে হঠাত উচ্চ রক্তচাপ, পা, হাত ও মুখ অনেক ফুলে যাওয়া। তবে সবার এটা হয় না এবং আপনার হবে এমন কোন কথা নেই। তাই ডাক্তারের সাথে কথা বলে জেনে নিন আপনি এর ঝুঁকিতে আছেন কিনা।</p>



<p>এই সপ্তাহে আপনি কর্মোদ্দম অনুভব করবেন, মানে হচ্ছে আপনার লিবিডোও বেশি থাকবে। তাই সহবাসে আগ্রহ বাড়বে। যদি না আপনার ডাক্তার নড়াচড়ার ওপর কোন বিধিনিষেধ দিয়ে থাকেন, সহবাসে বাচ্চা বা আপনার গর্ভাবস্থার কোন ঝুঁকি নেই। আরও জানতে দেখুন <a href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%b8%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8/" class="rank-math-link">গর্ভাবস্থায় সহবাস নিয়ে আপনার যা জানা প্রয়োজন</a> আর্টিকেল।&nbsp;</p>



<p>সমবয়সীদের সাথে দেখা করুন, গল্পগুজব করুন, ব্যস্ত জীবনে তা যতই কঠিন মনে হোক না কেন। সুস্থ গর্ভাবস্থার জন্য আপনার মানসিক স্বাস্থ্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্তত সোশ্যাল মিডিয়াতে সমসাময়িক হবু মায়েদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। নিজেদের ভালো লাগা, মন্দ লাগাগুলো নিয়ে কথা বলে, মজার কোন রেসিপি শেয়ার করে কিছুক্ষণ ভালো সময় কাটান।</p>



<p>আমাদের প্রকাশিত <a href="https://matritto.com/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%9c%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a8/" class="rank-math-link">প্রসব অভিজ্ঞতাগুলো</a> সময় বের করে পড়ে&nbsp; নিন।&nbsp;</p>



<p>তথ্যসূত্রঃ </p>



<p>১।&nbsp;<a rel="noreferrer noopener" href="https://www.whattoexpect.com/pregnancy/week-by-week/week-14.aspx" target="_blank">What to expect.</a><br>২।&nbsp;<a rel="noreferrer noopener" href="https://www.nhs.uk/start4life/pregnancy/week-by-week/2nd-trimester/week-14/" target="_blank">Start 4 life</a><br>৩।&nbsp;<a rel="noreferrer noopener" href="https://www.thebump.com/pregnancy-week-by-week" target="_blank">the BUMP</a><br>৪।&nbsp;<a rel="noreferrer noopener" href="https://www.parents.com/pregnancy/week-by-week/14/" target="_blank">Parents</a></p>



<div class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color" style="background-color:#dddbd5; padding:25px">
<h4 class="has-very-dark-gray-color has-text-color">লেখাটি রিভিউ করেছেন -</h4>
<p><strong>ডাঃ সাবরিনা আফরোজ</strong><br>MBBS, MPH<br>লেকচারার, ঢাকা কমিউনিটি মেডিসিন কলেজ </p>
</div>



<p class="has-background has-cyan-bluish-gray-background-color">ছবি: BabyCenter Canada </p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/">গর্ভধারণের পনেরতম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গর্ভধারণের চৌদ্দতম সপ্তাহ</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%a7%e0%a7%aa%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[সাবিকুন্নাহার ননী]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 31 Mar 2020 08:56:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[Pregnancy Week by Week]]></category>
		<category><![CDATA[মাতৃত্বের প্রতিসপ্তাহ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=1769</guid>

					<description><![CDATA[<p>১৪ সপ্তাহে পেটের আকার বাড়া, গর্ভফুলের গঠনের মতো গুরুত্বপুর্ন পরিবর্তন আসে, সাথে ক্ষুধা বাড়ে। কলোস্ট্রাম নিঃসরণ হয়। এসময় কাত হয়ে ঘুমান, হালকা ব্যায়াম করুন, প্রেগনেন্সি নিয়ে জানুন</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%a7%e0%a7%aa%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/">গর্ভধারণের চৌদ্দতম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="wp-block-image is-resized">
<figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="//i0.wp.com/matritto.com/wp-content/uploads/2020/03/week14-1024x700.jpg" alt="গর্ভধারণের চৌদ্দতম সপ্তাহ" class="wp-image-1770" title="গর্ভধারণের চৌদ্দতম সপ্তাহ 10"></figure>
</div>


<p>গর্ভধারণের মোট সময়কাল ৪০ সপ্তাহের। এই সময়ের বিভিন্ন পরিবর্তনকে নির্দেশ করতে মাসের বদলে সপ্তাহ হিসেব করা হয়। আবার মাস হিসেবে প্রতি তিন মাসকে এক “ট্রাইমেস্টার” ধরে মোট গর্ভকালকে তিনটি ট্রাইমেস্টারে ভাগ করা হয়। সেই হিসেবে আপনার প্রথম তিন মাস শেষ, মানে প্রথম ট্রাইমেস্টার শেষ, আপনি এখন আছেন দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারের একদম শুরুর দিকে। আপনাকে অভিনন্দন!</p>



<div class="wp-block-rank-math-toc-block" id="rank-math-toc"><h2>বিষয়সূচী</h2><nav><ul><li><a href="#চৌদ্দতম-সপ্তাহে-আপনার-শারীরিক-পরিবর্তনঃ">চৌদ্দতম সপ্তাহে আপনার শারীরিক পরিবর্তনঃ</a><ul><li><a href="#পেটের-আকার-বৃদ্ধি">পেটের আকার বৃদ্ধি</a></li><li><a href="#প্লাসেন্ট্রা-বা-গর্ভফুলের-গঠন">প্লাসেন্ট্রা বা গর্ভফুলের গঠন</a></li><li><a href="#ক্ষুধা-বৃদ্ধি-পাবে">ক্ষুধা বৃদ্ধি পাবে</a></li><li><a href="#কলোস্ট্রাম-colostrum-নিঃসরণ">কলোস্ট্রাম (Colostrum) নিঃসরণ</a></li><li><a href="#লিগামেন্ট-পেইন">লিগামেন্ট পেইন</a></li></ul></li><li><a href="#এই-সময়ে-গর্ভের-শিশুর-বৃদ্ধি">এই সময়ে গর্ভের শিশুর বৃদ্ধি</a></li><li><a href="#আপনার-জন্য-পরামর্শ">আপনার জন্য পরামর্শ</a></li></ul></nav></div>



<h2 class="wp-block-heading" id="চৌদ্দতম-সপ্তাহে-আপনার-শারীরিক-পরিবর্তনঃ">চৌদ্দতম সপ্তাহে আপনার শারীরিক পরিবর্তনঃ</h2>



<p>এই সপ্তাহে ধীরে ধীরে আপনার শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন, কিছু কষ্টকর অসুবিধার উন্নতি ও নতুন কিছু প্রেগ্ন্যান্সি লক্ষণ দেখতে পাবেন। যেমন-</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="পেটের-আকার-বৃদ্ধি">পেটের আকার বৃদ্ধি</h3>



<p>&nbsp;গর্ভধারণের প্রথম তিন মাসে আপনার যতই খারাপ লাগুক না কেন, শারীরিক গঠনে তেমন কোন পরিবর্তন আসে নি। তবে এখন চৌদ্দতম সপ্তাহের দিকে এসে আপনার পেট কিছুটা উঁচু বা মোটা হবে যা দেখে আপনাকে গর্ভবতী মনে হবে। নতুন এই পরিবর্তনে অনেকেই লজ্জা পান, বিশেষ করে প্রথম মা হচ্ছেন যারা। আনন্দমাখা লজ্জা দোষের কিছু নয় তবে নিজের আরামের দিকে খেয়াল রাখবেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="প্লাসেন্ট্রা-বা-গর্ভফুলের-গঠন">প্লাসেন্ট্রা বা গর্ভফুলের গঠন</h3>



<p>আপনার শরীরে এখন একটি বাড়তি অঙ্গ তৈরি হয়েছে। প্লাসেন্ট্রা(Placentra)&nbsp; বা গর্ভফুল নামে এই অঙ্গটির গঠন প্রথম তিন মাসেই সম্পূর্ণ হয়েছে। চ্যাপ্টা আকৃতির ও রক্ত দিয়ে পূর্ণ প্লাসেন্ট্রার ভেতরে আপনার ছোট্ট শিশু সুরক্ষিত থাকে, এর মাধ্যমেই শিশুর কাছে প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও অক্সিজেন পৌঁছায়, আর মলমূত্র, কার্বন ইত্যাদি অপ্রয়োজনীয় জিনিস বের হয়ে যায়। গর্ভফুলটি আপনার জরায়ুর সাথে শক্তভাবে আটকে থাকে এবং অ্যাম্বিলিকাল কর্ড বা নাড়ীর মাধ্যমে গর্ভের শিশুর সাথে সংযুক্ত থাকে। প্লাসেন্ট্রার গঠন শেষ হবার পর আপনি আগের চেয়ে কম ক্লান্ত অনুভব করবেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="ক্ষুধা-বৃদ্ধি-পাবে">ক্ষুধা বৃদ্ধি পাবে</h3>



<p>এই সময়ে এসে আপনার ক্ষুধা আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাবে। এসময়য় অনেকেই আপনাকে বেশি বেশি খেতে পরামর্শ দেবে, কেউ বা বলবে কম খেতে, যেন বাচ্চা বেশি বড় না হয়ে যায়। অথচ দুইটি পরামর্শই ভুল। এসময় আপনাকে খেতে হবে পরিমিত।</p>



<p>এখনো আপনার শিশুর বাড়তি ক্যালরির প্রয়োজন শুরু হয়নি, তাই নিয়মিত খাবারের চেয়ে খুব বেশি খাবার আপনার দরকার নেই।</p>



<p>ডাক্তারদের মতে ১৪তম সপ্তাহ থেকে আপনার প্রতিদিন গড়ে ১ পাউন্ড করে ওজন বাড়বে ও আপনার প্রতিদিন ৩০০ ক্যালরি বাড়তি খাবার খেতে হবে- যদি আপনার BMI (Body mass index) স্বাভাবিক হয়ে থাকে।</p>



<p>আর যদি আপনার যমজ শিশু হয়, যা আপনি আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা করে জানতে পারবেন, তবে দৈনিক আপনাকে ৬৮০ ক্যালরি বাড়তি খাবার খেতে হবে। এসময়য় খেয়াল রাখবেন, ২০ সপ্তাহ পর্যন্ত আপনার ওজন যেন এক সন্তান গর্ভধারণ করা মায়ের মতই বাড়ে।</p>



<p>তবে আপনার যদি কোন শারীরিক অসুবিধা থাকে বা ওজন খুব কম বা বেশি হয় তবে ডাক্তার আপনাকে অন্যরকম ওজন গাইডলাইন দেবেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="কলোস্ট্রাম-colostrum-নিঃসরণ">কলোস্ট্রাম (Colostrum) নিঃসরণ</h3>



<p>আপনার স্তনের সংবেদনশীলতা এখন বেশ কিছুটা কমে আসবে, তবে নিপলে মাঝে মাঝে হালকা হলুদাভ তরল দেখতে পারেন। এটি হচ্ছে শাল দুধ বা কলোস্ট্রাম-যা আপনার শিশুর প্রথম খাবার। আপনার শরীরে এটি এখন থেকেই তৈরি হতে থাকবে।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="লিগামেন্ট-পেইন">লিগামেন্ট পেইন</h3>



<p>আপনার বারন্ত শিশুর জন্য জায়গা করে দিতে আপনার পেশী ও লিগামেন্টগুলো প্রসারিত হচ্ছে, যার ফলে আপনার তলপেটে হালকা টান ও ব্যাথা অনুভব করতে পারেন।</p>



<p>এই পরিবর্তনগুলো ছাড়াও আরও ছোট বড় নানান পরিবর্তন দেখতে পারবেন। মাথা ব্যাথা, মাড়ির অসুবিধা, গরম লাগা, গায়ে কালচে দাগ/ আবরন পরা, পা ব্যাথা ইত্যাদি নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে।</p>



<p>আবার, যদিও বেশীরভাগ মায়েদের এই সময়ে এসে শারীরিক দুর্বলতা, বমিভাব, গন্ধ ইত্যাদি কমে যায় , তবে সবার ক্ষেত্রে তা একই সময়ে না-ও হতে পারে। অনেকেই এখনো দুর্বল থাকেন। তাই যেই অবস্থায়ই থাকুন না কেন, সেটির সমাধান কিভাবে হতে পারে তা বের করতে চেষ্টা করুন ও নিজের যত্ন নিন।</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="এই-সময়ে-গর্ভের-শিশুর-বৃদ্ধি">এই সময়ে গর্ভের শিশুর বৃদ্ধি</h2>



<p>আপনার শরীরের পাশাপাশি আপনার গর্ভের শিশুরও বৃদ্ধি হচ্ছে।</p>



<p>প্রথম তিন মাসে শিশুর সব অঙ্গ গঠন সম্পন্ন হয়েছে, এখন সেসব ধীরে ধীরে পরিপক্ক হতে থাকবে। চৌদ্দতম সপ্তাহে আপনার শিশুটি দেখতে ছোট্ট একটি কিউই ফলের সমান হবে! লম্বায় প্রায় সাড়ে তিন ইঞ্চি ও ওজন প্রায় দেড় আউন্স!&nbsp; ভাবতেই অবাক লাগছে, তাইনা!</p>



<p>আরও অবাক করা বিষয় হচ্ছে, আপনার বাবু এই সময়ে এসে প্রথমবারের মতন প্রস্রাব করবে! শিশু প্লাসেন্ট্রার ভেতরে যে পানির ভেতরে থাকে, সেটিকে বলা হয় এম্নিওটিক ফ্লুয়িড( Amniotic fluid) , শিশুটি এই ফ্লুইড কিছুটা খেয়ে ফেলবে, সেটি তার পাকস্থলিতে চলে যাবে এবং কিডনি থেকে প্রস্রাব হয়ে বের হয়ে আসবে!</p>



<p>এদিকে আবার বাবুটির মাথায় অল্প কিছু চুলও গজাবে, গঠিত হতে থাকবে তার ভ্রু!</p>



<p>আপনার শিশুটি ছেলে না মেয়ে তা নির্ধারিত হয়ে সেই মোতাবেক তার অঙ্গ গঠিত হবে। যদি সে ছেলে হয় তবে তার প্রস্টেট গঠিত হয়ে গেছে, আর মেয়ে হলে তার ডিম্বাশয় পেলভিসে নেমে আসবে।</p>



<p>আরেকটি মজার বিষয় হচ্ছে, এই সময়ে বাবুর অন্ত্র মোকানিয়াম তৈরি করছে যা জন্মের পর বাবুর প্রথম পটি ( কালো রঙের) হিসেবে বের হবে।</p>



<p>এখনো আপনার শিশু খুব বেশি শক্ত নড়াচড়া করেনা যা আপনি অনুভব করতে পারেন, তবে একেক জন মায়ের শারীরিক বৈশিষ্ট্য ভেদে আপনি কিছুটা নাড়াচাড়া বুঝতেও পারেন! যদি সত্যিই বুঝতে পারেন তবে আপাকে আবারও অভিনন্দন!</p>



<h2 class="wp-block-heading" id="আপনার-জন্য-পরামর্শ">আপনার জন্য পরামর্শ</h2>



<p>১।যেহেতু আপনার শারীরিক গঠন পরিবর্তন হয়েছে, তাই কিছু ম্যাটারনিটি ওয়্যার কিনে ফেলতে পারেন।</p>



<p>২। ঘুমানোর সময় চিত হয়ে না ঘুমিয়ে চেষ্টা করবেন বাম কাতে ঘুমাতে। <a href="https://matritto.com/pregnancy-lying-position-by-trimester/">গর্ভাবস্থায় কোন কাতে ঘুমানো উচিত ও নিরাপদ </a>এটা নিয়ে লেখাটা পড়ে ফেলুন।</p>



<p>৩। একটি নিরাপদ ও উপভোগ্য গর্ভাবস্থা ও প্রসবের জন্য দরকারি <a href="/item/prenatal-live">তথ্যপূর্ণ প্রি-নাটাল ক্লাস করে ফেলুন</a>। বিস্তারিত পাবেন এইখানে-</p>



<p>৪। যেহেতু আপনার শরীর এখন কিছুটা ভালো লাগার কথা, তাই আস্তে আস্তে ব্যায়াম শুরু করুন, পেলভিক ফ্লোর ব্যায়ামগুলো আপনার জন্য বেশ কার্যকরী হবে।</p>



<p>৫। চেষ্টা করবেন ফরজ আমল কন্টিনিউ করতে , পাশাপাশি নফল ইবাদাত যেটুকু পারেন সেটুকু করুন।</p>



<p>৬। খাবার দাবারে মনোযোগী হন।</p>



<p>৭। এই সময়ে সাধারণত বিশেষ কোন আল্ট্রা করার দরকার হয়না, যদিনা ডাক্তারের পরামর্শ থাকে, তাই বাচ্চার লিঙ্গ জানার জন্য আল্ট্রা করাবেন না, কেননা এখনো সেটি বুঝাই যাবেনা।</p>



<p>গর্ভাবস্থার এই সময়কে বলা হয় হানিমুন পিরিওড (Honeymoon period), কারণ এসময় গর্ভবতীর তেমন শারীরিক অসুবিধা থাকে না  তাই সময়গুলোকে উপভোগ করুন, গর্ভধারণ ও মাতৃত্ব নিয়ে পড়াশোনা করুন, স্বামীর সাথে সুন্দর দাম্পত্য তৈরিতে মনোযোগ দিন।</p>



<p>আপনার সমমনা মায়েদের কমিউনিটিতে যোগ দিতে <a href="/fb-group" target="_blank" rel="noreferrer noopener">মাতৃত্ব ফেসবুক গ্রুপে</a> জয়েন হতে পারেন আর এখান থেকে অন্যান্য মায়েদের <a href="/tag/birth-stories" target="_blank" rel="noreferrer noopener">প্রসব অভিজ্ঞতাগুলো</a> পড়ে নিতে পারেন।</p>



<p class="has-cyan-bluish-gray-background-color has-background"><strong>ছবি কৃতজ্ঞতা: Mother &amp; Baby</strong></p>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%a7%e0%a7%aa%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/">গর্ভধারণের চৌদ্দতম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গর্ভধারনের তেরতম সপ্তাহ</title>
		<link>https://matritto.com/pregnancy-13-week/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আফিফা রায়হানা]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Sep 2018 11:52:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[১৩তম সপ্তাহ]]></category>
		<category><![CDATA[Pregnancy Week by Week]]></category>
		<category><![CDATA[গর্ভধারণ]]></category>
		<category><![CDATA[তেরতম সপ্তাহ]]></category>
		<category><![CDATA[মাতৃত্বের প্রতিসপ্তাহ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=907</guid>

					<description><![CDATA[<p>গর্ভধারণের প্রায় এক তৃতীয়াংশ সময় পার করে এসে এই সপ্তাহে ক্লান্তির মাত্রা বাড়তে পারে। এছাড়া মুড সুইং নিয়ে বিব্রত থাকেন বেশিরভাগ মায়েরা। যদি এটি প্রথম গর্ভধারণ না হয়, তবে বর্তমান ছোট বাচ্চার দেখাশোনাও মা'কে ক্লান্ত রাখে।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/pregnancy-13-week/">গর্ভধারনের তেরতম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img decoding="async" class="size-full wp-image-913 alignright" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2018/07/Week-13-Final.jpg" alt="গর্ভধারনের তেরতম সপ্তাহ 7" width="425" height="354" title="গর্ভধারনের তেরতম সপ্তাহ 11"></p>
<p>আপনি এখন গর্ভধারনের তেরতম সপ্তাহ শুরু করেছেন, অর্থাৎ আপনি গোটা গর্ভধারনকালীন সময়ের এক তৃতীয়াংশ প্রায় অতিক্রম করে ফেলেছেন। অন্য সময়ের তুলনায় হয়ত এখন আপনার একটু বেশীই ক্লান্ত লাগে। একদিকে নতুন শিশুর আগমন নিয়ে খুশী আবার অন্যদিকে মুড সুইং নিয়ে বিব্রত বেশীর ভাগ মায়েরাই থাকেন। প্রথম বাচ্চার বেলায় যেমন আগ্রহ/উত্তেজনা বেশী কাজ করে, দ্বিতীয়-তৃতীয় বা পরের বাচ্চাদের বেলায় নতুন বাচ্চার চিন্তার সাথে সাথে আগের বাচ্চাদের দেখাশোনার বিষয়টি মা’কে ক্লান্ত করে রাখে। প্রতিটা গর্ভধারণ আসলেই স্বতন্ত্র।</p>
<h2><strong>তেরতম সপ্তাহে আপনার শরীরে যে পরিবর্তন আসবে</strong></h2>
<p>এই সপ্তাহে এসে আপনি বেশকিছু শারীরিক পরিবর্তন দেখবেন। সাধারনত প্রথমদিকে যাদের খুব বেশী মাথাঘুরানো, বমি/বমিভাব থাকে, আস্তে আস্তে কমতে থাকে। দ্বিতীয় ট্রাইমিষ্টারে যেয়ে আপনি অবস্থার আরো উন্নতি আশা করতে পারেন। তাছাড়া এই সময়ে গর্ভপাতের সম্ভাবনাও কম থাকে।<br />অতিরিক্ত রক্তপ্রবাহ সরবরাহের জন্য আপনি চামড়ার নীচে দৃশ্যমান নীল ধমনী দেখতে পারেন। প্রথমদিকের তুলনায় ক্লান্তি কমে আসতে পারে। সহবাসের এর প্রতি আগ্রহ বাড়তে পারে। অনেকের স্তনে কোলষ্টারোম তৈরী শুরু হয় এর মধ্যেই, যা আপনার বাচ্চার জন্মের পরপর তার প্রথম খাবার। অনেকের অল্প পরিমান স্পটিং (Spotting) হয়। কিন্তু পরিমানে বেশী হলে, অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন অনেকেই।</p>
<h2><strong>বাচ্চার ডেভেলপমেন্ট</strong></h2>
<p>আপনার ভেতরের শিশুটির একটা ছোট্ট লেবুর সমান। লম্বায় তিন ইঞ্চির কাছাকাছি আর ওজন প্রায় এক আউন্স। কিন্তু এই ছোট্ট শরীর ইতিমধ্যে অনেক কিছু করতে শিখেছে। মাথা নাড়তে পারে, হাই তুলতে পারে, পা ছুঁড়তে পারে এমনকি হেঁচকিও তোলে কখনো সখনো। আকারে এখনো অনেক ছোট দেখেই আপনি তার নাড়াচাড়া বাইরে থেকে বুঝতে পারেন না এখনো।</p>
<p>এইসময় বাচ্চার ত্বক এতই পাতলা যে বাইরে থেকে শিরা-উপশিরা দেখা যায়। মাথাই শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ এখন। হাড়ের গঠন চলছে। অন্ত্র, পাকস্থলী আর কন্ঠনালী গঠিত হচ্ছে। মেয়ে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ডিম্বানু বিশিষ্ট ওভারী। ফুসফুসের গঠন হচ্ছে। এটি হলেও বাচ্চা এম্বেলিক্যাল কর্ড থেকে রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন সংগ্রহ করতে পারবে। বাচ্চা এমনিওটিক স্যাকের ভেতর থাকে, যেটা আসলে একটা পানিপূর্ন (এমনিওটিক ফ্লুইড) থলে। যখনি কিডনী কাজ করা শুরু করে, এই ফ্লুইড বাচ্চা খেয়ে ফললেও প্রস্রাব করে দেয়।</p>
<h2><strong>আপনার জন্য টিপস</strong></h2>
<ul>
<li>পুষ্টিকর খাবার এবং প্রচুর পরিমানে পানি খান। প্রেগন্যান্সী মানেই যে দুইজনের খাবার খেতে হবে- এটা ভুল ধারনা। যা খাচ্ছেন, তার পুষ্টিমানের দিকে খেয়াল রাখুন।</li>
<li>স্ন্যাক্স হিসেবে ভাজাপোড়া খাওয়ার চাইতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন কিনা ভেবে দেখুন।</li>
<li>খাবারে আয়রন, প্রোটিন, ক্যালসিয়ামের পরিমানের দিকে খেয়াল রাখুন। ক্যালসিয়াম বাচ্চার হাঁড়ের গঠনে সহায়তা করবে, আপনাকে pre-eclampsia কিংবা উচ্চরক্তচাপ জনিত গর্ভকালীন রোগ থেকে রক্ষা করবে সাথে ভবিষ্যতে আপনার osteoporosis বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগ হতে রক্ষা করবে।   বাচ্চার গঠনে এই খাদ্য উপাদান সহায়ক।</li>
<li>হাঁটাহাঁটির অভ্যাস না থাকলে এখনি শুরু করুন। হালকা ব্যায়াম করুন বাড়ীতে বসেই। যারা আগে থেকেই ব্যায়াম করেন, তারা প্রেগন্যান্সি রিলেটেড ওয়ার্কাউট শুরু করুন। কারন স্বাভাবিক সময়ের অনেক কিছু আপনি এসময় করতে পারবেন না। যেমন উপুড় হয়ে শুয়ে করা কিছু ইয়োগা পোজ।</li>
<li>আপনার বি এম আই (Body Mass Index) স্বাভাবিক থাকলে (১৮.৫-২৪.৯), প্রেগন্যান্সিতে আগের ওজনের চাইতে ২৫-৩৫ পাউন্ড বাড়লেই যথেষ্ট। কম/ অতিরিক্ত ওজনের ব্যাপারে সতর্ক হোন। যমজ বাচ্চার ক্ষেত্রে তা বেড়ে হবে ৩৭-৫৪ পাউন্ড।</li>
<li>কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা এড়াতে পানি রাখুন সাথে সবসময়। পানিজাতীয় সবজি, ফল বেশী খান। গরম কাল হলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী পানি পান করুন। ক্যাফেইন জাতীয় খাবার কমিয়ে আনুন। যেমনঃ চা,কফি,চকোলেট। ক্যাফেইন Low Birth weight baby এর জন্যে দায়ী বলে চিকিৎসকরা পেয়েছেন।</li>
<li>স্বামীর সাথে কোথাও থেকে বেড়িয়ে আসতে পারেন। এতে মন ভালো থাকবে, সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটবে।</li>
</ul>
<p>ছবি কৃতজ্ঞতাঃ প্রাইভেট প্রেগন্যান্সো ডট কো ডট ইউকে</p>


<div class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color" style="background-color:#dddbd5; padding:25px">
<h4 class="has-very-dark-gray-color has-text-color">লেখাটি রিভিউ করেছেন –</h4>
<p><strong>ডাঃ মাশরুরা মাহজাবিন </strong><br>MBBS <br>General Practioner, Trained Mental health counselor
</p></div>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/pregnancy-13-week/">গর্ভধারনের তেরতম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গর্ভধারনের ১২ তম সপ্তাহ</title>
		<link>https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%a7%e0%a7%a8-%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আফিফা রায়হানা]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Mar 2018 10:35:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[১১তম সপ্তাহ]]></category>
		<category><![CDATA[Pregnancy Week by Week]]></category>
		<category><![CDATA[গর্ভধারণ]]></category>
		<category><![CDATA[মাতৃত্বের প্রতিসপ্তাহ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=891</guid>

					<description><![CDATA[<p>গর্ভধারণের ১২তম সপ্তাহে এসে শারিরীক মানসিক পরিবর্তন যেমন দ্রুত হয়, তেমনি হরমোনগত অনেক পরিবর্তন স্থিমিত হয়ে অাসে। এসময় স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন, পর্যাপ্ত পানি খান, অার হালকা ব্যায়াম করুন। গর্ভধারনের খুটিনাটি জানতে পড়াশুনা করুন।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%a7%e0%a7%a8-%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/">গর্ভধারনের ১২ তম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-892 alignright" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2018/02/12-week-300x300.jpg" alt="গর্ভধারনের ১২ তম সপ্তাহ 8" width="300" height="300" title="গর্ভধারনের ১২ তম সপ্তাহ 12"></p>
<p>এগার সপ্তাহ পার হওয়া মানে আপনি প্রথম ট্রাইমিষ্টারের শেষদিকে চলে এসেছেন। শারীরিক-মানসিক পরিবর্তনগুলো খুব দ্রুতগতিতে ঘটছে। তবে এসময় বেশকিছু হরমোনগত পরিবর্তন স্তিমিত হয়ে আসে। যেমন অনেকের প্রচন্ড বমি, খাবারে অরুচি কমে আসে। না হলেও এই সময়ে এসে শরীর অনেকটা অভ্যস্থ হয়ে পড়ে এগুলোর সাথে। এতদিন হয়ত হবু মাকে দেখে প্রেগন্যান্ট মনে হতো না, এখন থেকে আস্তে আস্তে শারীরিক পরিবর্তনগুলো বাইরে থেকে বুঝতে পারা শুরু হবে।</p>
<h3>আপনার শরীরে যে পরিবর্তন আসবে</h3>
<p>বাড়ন্ত শিশুকে জায়গা দিতে জরায়ু এরই মধ্যে আকারে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বড় হয়েছে। আপনি তলপেটে এখন তা অনুভব করতে পারবেন। আর এই বাড়ন্ত জরায়ুকে জায়গা করে দিতে কোমর আস্তে আস্তে প্রশস্ত হওয়া শুরু করেছে। কম-বেশী যে লক্ষনগুলো এখন স্বাভাবিক-</p>
<p><strong> মাথাব্যাথাঃ</strong> আপনি হয়তো আগে কখনোই মাথাব্যাথায় কাবু হননি। হরমোনের উঠা-নামা, ক্লান্তি, রাতে ভালো ঘুম না হওয়া, স্ট্রেস এসব থেকে এখন মাথা ধরা স্বাভাবিক। ভালো মতো খেয়াল করুন ঠিক কোন কারনে মাথাব্যাথা হচ্চে বলে আপনি মনে করছেন, সেগুলো এড়িয়ে চলুন।</p>
<p><strong> অতিরিক্ত ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জঃ</strong> এসময়ে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী ভ্যাজানাল ডিসচার্জ হয় অনেকেরই। সাদা স্বচ্ছ ডিসচার্জ স্বাভাবিক। এইধরনের ডিসচার্জ ভ্যাজাইনার ইনফেকশন প্রতিরোধ করে। কিন্তু যদি সাদা ছাড়া অন্য কোন রঙয়ের ডিসচার্জ হয়, যেমন কালচে, লাল, সবুজ কিংবা গোলাপী, অতিসত্ত্বর ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।</p>
<p><strong>ক্লান্তিঃ</strong> সারাদিন কিংবা প্রায় সময় ক্লান্ত লাগা স্বাভাবিক। হয়ত পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরও আপনার ক্লান্ত লাগছে। ভ্রুনের বৃদ্ধির সাথে সাথে ক্লান্তিভাবও বাড়তে পারে। বিশেষ করে যদি জময বাচ্চা হয়, প্রায়শই ক্লান্ত বোধ করতে পারেন।</p>
<h3><strong>বাচ্চার ডেভেলপমেন্ট</strong></h3>
<p>দ্বাদশ সপ্তাহের মধ্যে ভ্রুনের গুরুত্বপূর্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের গঠন ইতিমধ্যে সংগঠিত হয়েছে। এখন আস্তে আস্তে বাড়তে থাকবে। ভ্রুনটি প্রায় দুই থেকে তিন ইঞ্চির মতো লম্বা হয়েছে (মাথা থেকে পা পর্যন্ত)। এই সময়ে বাচ্চার ব্রেইন খুব দ্রুত ডেভেলপ করছে। বাচ্চা এরই মধ্যে হাত ও পায়ের পাতা নাড়ানো শুরু করছে। কিন্তু ভ্রুনটি এখনো এতই ছোট, এখনো আপনি এর নাড়াচাডা অনুভব করতে পারবেন না। আকারে খুব ছোট হলেও, এটি এখন একটা পূর্নাঙ্গ মানবশিশুর ক্ষুদে প্রতিরুপ।</p>
<p>ইতিমধ্যে প্রথম ট্রাইমিষ্টারের আল্ট্রাসাউন্ড করা হয়ে থাকলে, বাচ্চার হার্টবিট, গ্রোথ এগুলো সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা পাওয়ার কথা। তবে ভ্রুনটি মেয়ে নাকি ছেলে সেটা বোঝানোর জন্য প্রায় ২০ সপ্তাহ পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে।</p>
<p><strong>এই সপ্তাহে আপনার জন্য টিপস</strong></p>
<ul>
<li>ইতিমধ্যে আপনার প্রিয়জনদের গর্ভধারনের খবর না জানিয়ে থাকলে, এখন জানাতে পারেন।</li>
<li>স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স সবসময় হাতের কাছে রাখুন। বাড়ীর বাইরে গেলে ব্যাগে নিয়ে নিন।</li>
<li>পানি খান প্রচুর। কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার, শাকসবজি-ফলমূল খান বেশী করে।</li>
<li>গ্যাসের সমস্যা এড়াতে গ্যাস উদ্রেককারী খাবার এড়িয়ে চলুন। অসুবিধা বেশী হলে, ডাক্তারের সাথে কথা বলে প্রেগন্যান্সিতে নিরাপদ গ্যাসের ওষুধ খেতে পারেন। তবে নিজ থেকে কিছু খেতে যাবেন না।</li>
<li>ঘরে বাইরে হঠাত মাথা ঘুরানোর সমস্যা বেশী হলে, সম্ভব হলে বসে কিংবা শুয়ে পড়ুন। অপেক্ষা করুন স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরা পর্যন্ত।</li>
<li>কোন কোন ক্ষেত্রে স্পটিং স্বাভাবিক। তবে ব্লিডিং হলে কিংবা স্পটিংয়ের সাথে যদি পিরিয়ডের সময়কার মতো ক্রাম্পিং থাকে, ডাক্তারের পরামর্শ নিন।</li>
<li>নরমাল প্রেগন্যান্সী হলে, শারীরিক অসুবিধা না থাকলে, হাজব্যান্ডের সাথে শারীরিক সম্পর্কে কোন সমস্যা নেই।</li>
<li>নিয়মিত পেলভিক ফ্লোর এক্সারসাইজ করুন। ১০ সেকেন্ড করে প্রতিদিন ২০ বার করুন বা তারও বেশী। এতে নরমাল ডেলিভারীর জন্য পেলভিক ফ্লোর প্রস্তুত হবে এবং প্রসব পরবর্তী এই সম্পর্কিত সমস্যা এড়াতে পারবেন।</li>
<li>বাড়ীর বাইরে কাজ করলে, কাজের জায়গায় বা কাছের সহকর্মীকে জানিয়ে রাখুন। যে কোন সময়ে আপনার যে কোন ধরনের সাহায্যের দরকার হতে পারে।</li>
<li>প্রেগন্যান্সী সম্পর্কে জানুন। এ বিষয়ে পড়াশুনা করুন। প্রেগন্যান্সি ব্লগগুলোতে যুক্ত হতে পারেন, এতে অন্য হবু মায়েদের সাথে যোগাযোগ গড়ে উঠবে।</li>
</ul>
<p>ছবি কৃতজ্ঞতাঃ প্যারেন্টিং ডট কম।</p>


<div class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color" style="background-color:#dddbd5; padding:25px">
<h4 class="has-very-dark-gray-color has-text-color">লেখাটি রিভিউ করেছেন –</h4>
<p><strong>ডাঃ মাশরুরা মাহজাবিন </strong><br>MBBS <br>General Practioner, Trained Mental health counselor
</p></div>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%a7%e0%a7%a8-%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b9/">গর্ভধারনের ১২ তম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গর্ভধারনের ১১তম সপ্তাহ</title>
		<link>https://matritto.com/pregnancy-11th-week-symptoms-tips/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[আফিফা রায়হানা]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 01 Dec 2017 03:26:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[গর্ভকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[Pregnancy Week by Week]]></category>
		<category><![CDATA[মাতৃত্বের প্রতিসপ্তাহ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://matritto.com/?p=868</guid>

					<description><![CDATA[<p>১১তম সপ্তাহে এসে পায়ে গিট লাগা, ক্লান্তি, গ্যাস হওয়া, মুড সুয়িং, চামড়ায় কালচে দাগের মতো বেশ কিছু উপসর্গ দেখা যায়। এসময় গর্ভবতী মা নিজেকে অারামদায়ক পরিবেশে রাখা জরুরী। ঢিলেঢালা কাপড় পরিধান, প্রচুর পানি খাওয়া, গ্যাস উদ্রেক করা খাবার এড়িয়ে চলা, বিশ্রাম, অানন্দদায়ক পরিবেশ এসব বিষয় মেনে চললে মা ও সন্তান দুজনেই ভাল থাকবে।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/pregnancy-11th-week-symptoms-tips/">গর্ভধারনের ১১তম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><img loading="lazy" decoding="async" class="size-medium wp-image-869 alignright" src="https://bunny-wp-pullzone-izneiupagy.b-cdn.net/wp-content/uploads/2017/11/11-300x225.jpg" alt="গর্ভধারনের ১১তম সপ্তাহ 9" width="300" height="225" title="গর্ভধারনের ১১তম সপ্তাহ 13"></p>
<p>গর্ভধারনের এই সপ্তাহে এসে মায়ের শরীরের শারিরীক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটেই চলেছে। প্রথম ট্রাইমিস্টার প্রায় শেষের দিকে। একাদশ সপ্তাহ মানে আপনি ইতিমধ্যে দুই মাস এবং দুই সপ্তাহের প্রেগন্যান্ট। যদিও আপনাকে দেখে প্রেগন্যান্ট মনে হচ্ছে না এখনো, কিন্তু আপনি মনে মনে আপনার ভাবী সন্তানের কথা ভাবা শুরু করে দিয়েছেন। মায়ের সাথে সন্তানের বন্ধনের ভিত গড়ে উঠে, গর্ভধারন শুরু থেকেই।</p>
<h2> </h2>
<h2>আপনার শরীরে যে পরিবর্তন আসবে</h2>
<p>যাদের শুরু থেকে বমিভাব প্রবল থাকে, সাধারনত প্রথম ট্রাইমিস্টার শেষ হলে, এই সমস্যা চলে যায়। তবে অনেকের প্রেগন্যান্সীর পুরোটা সময় জুড়ে এই অবস্থা থাকতে পারে। এই সময়ে যে পরিবর্তনগুলো স্বাভাবিক-</p>
<ul>
<li><strong>ক্লান্তিঃ</strong> সবসময় ভীষন ক্লান্ত লাগতে পারে। কোন পরিশ্রমের কাজ করা ছাড়াও ক্লান্তি ঘরে থাকতে পারে। এরকম অবসাদ খুবই স্বাভাবিক। প্রয়োজনে কিছু বেশী সময় বিশ্রাম নিন। কাজের ফাঁকে ফাঁকে জিরিয়ে নিন। এইসময়টাতে প্লাসেন্টাও গঠন হয়,যা প্রসব পর্যন্ত বাচ্চার সংগী। এই গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেও ক্লান্তি একটু বেড়ে যায়।</li>
<li><strong>পায়ে গিট লাগা (Leg cramp): </strong>শুয়ে কিংবা বসে আছেন, হঠাত করে পায়ের পিছনের মাংশপেশী টানটান করে উঠলো। রাতে আচমকা ঘুম ভেঙ্গে খেয়াল করলেন, পা আর নাড়াতে পারছেন না সহজে। লেগ ক্রাম্প এড়াতে প্রচুর পানি খান। এরকম হলে উঠে দাঁড়িয়ে পা ঝাড়া দিয়ে নাড়াচাড়া করুন।</li>
<li><strong>গ্যাসঃ</strong> অল্প খাবার খেলেই পেটে প্রচুর গ্যাস হতে পারে এইসময়। কেন অতিরিক্ত গ্যাস হয়? প্রোজেস্টেরন হরমোনের প্রভাবে এই সময় পরিপাকতন্ত্রের মাংসপেশী শিথিল হয়ে যায় যেন খাবার বেশিক্ষণ পেটে থাকতে পারে এবং রক্তের মাধ্যমে বাচ্চার কাছে পৌছানোর সময় পায়। এরকম গ্যাস একে তো অস্বস্তিকর আবার বুকে চাপ ধরে থাকতে পারে।</li>
<li><strong>মুড সুয়িংঃ</strong> প্রেগন্যান্সির আগাগোড়াতে মুড সুয়িং স্বাভাবিক। সব কিছু অসহ্য লাগতে পারে। আবার ছোটখাট স্বাভাবিক ঘটনাতে আবেগ সামলানো মুশকিল হতে পারে।</li>
<li><strong>ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জঃ</strong> প্রেগন্যান্সিতে অন্য সময়ের চাইতে হোয়াইট ডিসচার্জ বেশী হতে পারে। সাথে চুলকানি থাকতে পারে। ব্যকটেরিয়াল বা ইস্ট ইনফেকশ হওয়াও অসম্ভব না।</li>
<li><strong>কালচে চামড়াঃ</strong> পেটা, ঘাড়ে, কনুই এর চামড়ায় কালচে ভাব আসতে পারে। অনেকেরই তলপেটের মাঝ বরাবর কালো দাগ দেখা দেয়। একে লিনিয়া নায়েগ্রা (linea nigra)বলে। এর সাথে ছেলে/মেয়ে বাচ্চা হওয়ার কোন সম্পর্ক নেই। এটা ক্ষনস্থায়ী। ডেলিভারীর পর সাধারনত চলে যায়।</li>
</ul>
<h2>বাচ্চার ডেভেলপমেন্ট</h2>
<p>১১ সপ্তাহে ভ্রুনটি খুবই ক্ষুদ্র এখনো। কিন্তু এখনি সে পেটের ভেতর বেশ নড়াচড়া করে। কিন্তু যেহেতু আকারে খুবই ছোট, মা বাইরে থেকে এই নাড়াচাড়া টের পান না। এই সময় ভ্রুনের চামড়া এতই পাতলা, যে বাইরে থেকে দেখতে পুরো স্বচ্ছ দেখায়। সাধারনত এই সময় আল্ট্রাসাউন্ড করা হলে, বাচ্চার ঘাড়ের পরিমাপ থেকে কোন ক্রোমোজোমাল এবনরমালিটি আছে কিনা বুঝা যায়।<br />এই সময় বাচ্চার মাথাই গোটা শরীরের মধ্যে আকারে বেশ বড়। মুখের গঠন বেশ স্পষ্ট। চোখের পাতা এখনো বন্ধ। শিঘ্রই চোখের পাতা খুলতে বন্ধ করতে পারবে। এই সময়ে ভ্রুনের সাইজ ছোট্ট একটা ডুমুরের সমান।</p>
<h2>এই সপ্তাহে আপনার জন্য টিপস</h2>
<ul>
<li>ঢিলেঢালা আরামদায়ক ম্যাটারনিটি পোশাক পরুন। বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর পরিকল্পনায় ম্যাটারনিটি ব্রা কিনে রাখুন। এখন থেকে পড়লে প্রেগন্যান্সিতে স্তনের যে পরিবর্তন আসে, তাতে আরাম পাবেন।</li>
<li>গ্যাসের উদ্রেককারী খাবার কম খান। ডাল, বাঁধাকপি, তেলে ভাজা- এই জাতীয় খাবার কম খান।</li>
<li>হালকা এক্সারসাইজ, যোগ ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।</li>
<li>লেগ ক্রাম্প এড়ানোর জন্য খাদ্যতালিকায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় খাবার নিশ্চিত করুন। খেতে পারেন বাদাম, যা থেকে পেতে পারেন ভিটামিন ই সাথে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম,সেলেনিয়াম,ক্যালসিয়াম। এছাড়াও খাবারে রাখুন ভিটামিন সি। এইসময় দাঁতের সুরক্ষা খুব প্রয়োজনীয় কিন্তু অবহেলিত একটি প্রসংগ। মাড়ির, দাঁতের ইনফেকশন এড়াতে দুইবেলা ব্রাশ এবং খাবার পর ফ্লসিং খুবই জরুরি।</li>
<li>মেজাজের তারতম্য (Mood Swing) এড়াতে মানসিক চাপমুক্ত পরিবেশে থাকুন।</li>
<li>পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। প্রস্রাবের সংক্রমন (Urine Infection) এড়াতে প্রচুর পানি খান। বাইরে গেলে ব্যাগে হালকা স্ন্যাক্স আর পানি রাখুন সাথে।</li>
<li>নিজেকে সবসময় বাসায় আটকে না রেখে, এদিক সেদিক ঘুরতে যেতে পারেন। এতে মন মেজাজ ভালো থাকে। তবে রিকশায় অতিরিক্ত ঝাঁকি এড়িয়ে চলুন।</li>
<li>স্ট্রেচমার্ক দূর করার জন্য নিয়মিত স্কিন ত্বক অার্দ্র (Moisture) রাখুন। অলিভ ওয়েল বা বায়োওয়েল লাগাতে পারেন।</li>
</ul>
<p>জমজ বাচ্চার ক্ষেত্রে ওজন বাড়বে। এবং ক্ষেত্রবিশেষে অন্য পরিবর্তনগুলোও প্রকট হবে। প্রথম ট্রাইমিস্টারের শেষ দিকে গর্ভপাত (Miscarriage) সম্ভাবনাও কমে যায়। চিন্তামুক্ত থাকুন। হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন।</p>


<div class="has-text-color has-background has-very-dark-gray-color" style="background-color:#dddbd5; padding:25px">
<h4 class="has-very-dark-gray-color has-text-color">লেখাটি রিভিউ করেছেন –</h4>
<p><strong>ডাঃ মাশরুরা মাহজাবিন </strong><br>MBBS <br>General Practioner, Trained Mental health counselor
</p></div>
<script>function PlayerjsAsync(){} if(window["Playerjs"]){PlayerjsAsync();}</script><p>The post <a rel="nofollow" href="https://matritto.com/pregnancy-11th-week-symptoms-tips/">গর্ভধারনের ১১তম সপ্তাহ</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://matritto.com">Matritto</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
