
গর্ভধারনের এই সপ্তাহে এসে মায়ের শরীরের শারিরীক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটেই চলেছে। প্রথম ট্রাইমিস্টার প্রায় শেষের দিকে। একাদশ সপ্তাহ মানে আপনি ইতিমধ্যে দুই মাস এবং দুই সপ্তাহের প্রেগন্যান্ট। যদিও আপনাকে দেখে প্রেগন্যান্ট মনে হচ্ছে না এখনো, কিন্তু আপনি মনে মনে আপনার ভাবী সন্তানের কথা ভাবা শুরু করে দিয়েছেন। মায়ের সাথে সন্তানের বন্ধনের ভিত গড়ে উঠে, গর্ভধারন শুরু থেকেই।
যাদের শুরু থেকে বমিভাব প্রবল থাকে, সাধারনত প্রথম ট্রাইমিস্টার শেষ হলে, এই সমস্যা চলে যায়। তবে অনেকের প্রেগন্যান্সীর পুরোটা সময় জুড়ে এই অবস্থা থাকতে পারে। এই সময়ে যে পরিবর্তনগুলো স্বাভাবিক-
১১ সপ্তাহে ভ্রুনটি খুবই ক্ষুদ্র এখনো। কিন্তু এখনি সে পেটের ভেতর বেশ নড়াচড়া করে। কিন্তু যেহেতু আকারে খুবই ছোট, মা বাইরে থেকে এই নাড়াচাড়া টের পান না। এই সময় ভ্রুনের চামড়া এতই পাতলা, যে বাইরে থেকে দেখতে পুরো স্বচ্ছ দেখায়। সাধারনত এই সময় আল্ট্রাসাউন্ড করা হলে, বাচ্চার ঘাড়ের পরিমাপ থেকে কোন ক্রোমোজোমাল এবনরমালিটি আছে কিনা বুঝা যায়।
এই সময় বাচ্চার মাথাই গোটা শরীরের মধ্যে আকারে বেশ বড়। মুখের গঠন বেশ স্পষ্ট। চোখের পাতা এখনো বন্ধ। শিঘ্রই চোখের পাতা খুলতে বন্ধ করতে পারবে। এই সময়ে ভ্রুনের সাইজ ছোট্ট একটা ডুমুরের সমান।
