ডিভাইস ফ্রি প্যারেন্টিং - যেভাবে করেছি

লিখেছেন Nabila Noshin Shejuti

The first rays of the morning sunlight on my reading child is probably my most favourite start of the day, any day.

ছেলেটা পড়তে পারে না এখনো, কিন্তু প্রতি পাতার ছবি দেখে দেখে গল্পগুলো মনে করার চেষ্টা করে। এই ছেলেকে এক দুই লোকমা খাওয়ানোর জন্য কি ভয়াবহ কষ্টের সময় পার করতাম ছয় মাস বয়স থেকে, সুব'হানআল্লাহ! এক সময় মিউযিক ফ্রি ইসলামিক কারটুন দেয়া শুরু করলাম। ডিভাইস দেয়ার ব্যাপারটা হচ্ছে এটার সাথে এক্সপোনেনশিয়াল রেটে বাচ্চাদের জেদ বাড়তে থাকে, don't ask me how. ও আরো দেখতে চাইতো, কান্নাকাটি করতো। আরেকটু বাড়িয়ে দিতাম হয়তো, আরামটা আমাদেরও গা সওয়া হয়ে গিয়েছিলো। সর্বক্ষন বাচ্চাকে এটেনশন না দিতে হওয়ার আরাম।

ইউসুফের একটা বিষয় আগে উল্লেখ করেছিলাম। ও কখনো একলা খেলতো না, কখনোই না। এরকম বাচ্চাকে সবসময় এনগেজ রাখতে হয় বাবা মা'কে নিজেদের সমস্ত, সমস্ত সময় বিসর্জন দিয়ে। ওর যখন দেড় বছর তখন খাদিজার জন্ম হয়।

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

গুগল বা ইয়াহু বাটনে ক্লিক করে লগিন করুন। সমস্যা হলে সাপোর্টে নক করুন
সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ এপ্রিল 27, 2026