বার্থস্টোরিঃ দুআ কবুলের গল্প

লিখেছেন Sumaiya binte Sobuj

আমার ছেলের বয়স তখন ১৫ মাস চলছে। রমাদান মাস। নয়/দশটা রোজা রাখার পর থেকে শরীর খুবই দুর্বল লাগছিলো। কি মনে করে আম্মু একদিন বললো প্রেগন্যান্সি টেস্ট করতে। আজ কাল করতে করতে একদিন টেস্ট করেই ফেললাম, পজিটিভ আসলো। আম্মু তো মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে। আমি তো খুশিই…আরেকটা ছোট্ট বেবি হবে, আব্দুল্লাহর সঙ্গী হবে। একটু একটু টেনশন সাথে। এরপর আব্দুল্লাহর বাবাকে জানালাম, উনিও খুশি আলহামদুলিল্লাহ।

কিছুদিন পরই আল্ট্রাসহ টুকিটাকি চেকাপ করে ডক্টর দেখালাম। আল্ট্রা রিপোর্ট হিসেবে তখন ৭+ সপ্তাহ চলছে।

২ মাস পরপর চেকাপে যেতাম। ৩০ সপ্তাহের দিকে হঠাৎ করে জ্বর আর শরীর ব্যাথা। আল্ট্রা, ব্লাড, ইউরিন টেস্ট করে ডক্টর দেখালাম। হিমোগ্লোবিন কমে গিয়েছে অনেকটা। রক্ত নিতে হলো ২ ব্যাগ। প্রথমবারের মতো একা হসপিটাল ছিলাম, আম্মু, আব্দুল্লাহকে ছাড়া। কারো উপর অভিমান করে একা থেকেছি। প্রেগন্যান্সিতে মান অভিমানে কারণ লাগে কি!

বাড়ি এসে ভাবলাম এবার থেকে ভালো হবো। ভালো আর কই হলাম! আবারো আগের মতো ঔষধ খাওয়া ছেড়ে দিলাম, পেট পুরে ভাত খেয়েছি শুধু। বকা খাওয়ার মতোই কথা যে আমি ঔষধ, খাবারটাও রাগ(অথবা অভিমান) করে খাইনি। দুআ করতাম শুধু, ভয়ও পেতাম… শেষ অবধি নিজের দোষে কিছু উল্টোপাল্টা হয় কিনা।

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ মার্চ 4, 2024