প্রত্যেকটা প্রেগনেন্সি যে একদমই আলাদা হয় আমার সেকেন্ড বেবির জন্মের মাধ্যমে তা খুব ভালোভাবে বুঝতে পারছি।
আমার পিরিয়ড মেয়ে হওয়ার পর থেকে মোটামুটি রেগুলারই ছিল।কিন্ত তাও কয়েকবারই দেরি করে হওয়াতে চিন্তায় পরে যাইতাম কন্সিভ করে ফেলছি কিনা। টেস্ট ও করাতাম। নেগাটিভ আসত। পরে ডক্টরকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম যেসব মায়েরা এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিড করায়।তাদের এরকম দেরি হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। যদিও দেরি হলে চিন্তায় পরে যাইতাম। যেহেতু আগের বেবি তখন ও ছোট এবং ব্রেস্টফিডিং বেবি। কিন্ত টেস্ট কিটে নেগাটিভ আসলেও মন খারাপ হয়ে যাইত। বাচ্চা কাচ্চার বেশি ইচ্ছা থাকলে যা হয় আর কি।
গত বছরের মার্চ মাসে এসেও একই কাহিনি। পিরিয়ডের দেরি হচ্ছিল। অপেক্ষা করতে থাকলাম। এবং যথারীতি একদিন বিকালের পর শুরু হয়ে গেল। এবং আগের মতই মন খারাপ হয়ে গেল।
যাই হোক। এরপরের দিন সকালে দেখি আর কোন ব্লিডিং হচ্ছে না। এইটা দেখে সন্দেহ হল। আমার নরমালি টানা ব্লিডিং হয় প্রথম কয়দিন। সন্দেহ থেকে টেস্ট করে দেখি পজিটিভ।ওভুলেশন ব্লিডিং ছিল ওইটা। খুবই খুশি লাগছিল পজিটিভ দেখে। আল্লাহর দেয়া সারপ্রাইজ গিফট আলহামদুলিল্লাহ।
