প্রত্যেকটা প্রেগনেন্সি যে একদমই আলাদা হয় আমার সেকেন্ড বেবির জন্মের মাধ্যমে তা খুব ভালোভাবে বুঝতে পারছি।

কনসিভের ঘটনাঃ

আমার পিরিয়ড মেয়ে হওয়ার পর থেকে মোটামুটি রেগুলারই ছিল।কিন্ত তাও কয়েকবারই দেরি করে হওয়াতে চিন্তায় পরে যাইতাম কন্সিভ করে ফেলছি কিনা। টেস্ট ও করাতাম। নেগাটিভ আসত। পরে ডক্টরকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম যেসব মায়েরা এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিড করায়।তাদের এরকম দেরি হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। যদিও দেরি হলে চিন্তায় পরে যাইতাম। যেহেতু আগের বেবি তখন ও ছোট এবং ব্রেস্টফিডিং বেবি। কিন্ত টেস্ট কিটে নেগাটিভ আসলেও মন খারাপ হয়ে যাইত। বাচ্চা কাচ্চার বেশি ইচ্ছা থাকলে যা হয় আর কি।

গত বছরের মার্চ মাসে এসেও একই কাহিনি। পিরিয়ডের দেরি হচ্ছিল। অপেক্ষা করতে থাকলাম। এবং যথারীতি একদিন বিকালের পর শুরু হয়ে গেল। এবং আগের মতই মন খারাপ হয়ে গেল।

যাই হোক। এরপরের দিন সকালে দেখি আর কোন ব্লিডিং হচ্ছে না। এইটা দেখে সন্দেহ হল। আমার নরমালি টানা ব্লিডিং হয় প্রথম কয়দিন। সন্দেহ থেকে টেস্ট করে দেখি পজিটিভ।ওভুলেশন ব্লিডিং ছিল ওইটা। খুবই খুশি লাগছিল পজিটিভ দেখে। আল্লাহর দেয়া সারপ্রাইজ গিফট আলহামদুলিল্লাহ।

আর্টিকেল নিয়ে আপনার প্রশ্ন, অভিজ্ঞতা বা ফীডব্যাক শেয়ার করতে মাতৃত্ব ডট কম পরিচালিত সামাজিক চ্যানেলে যোগ দিন

প্রেগ্নেন্সি পিরিয়ডঃ

প্রেগ্নেন্সির সময় আমার আগেরবারও কোনরকম কোন সমস্যা হয় নাই।লাগতোই না যে আমি প্রেগ্নেন্ট। এইবার ও একই রকম ছিল।ছয় মাস পর্যন্ত কাউকে না বললে সে বুঝেও নাই যে আমি কন্সিভ করছি।পেটও খুব একটা বুঝা যাইত না।আমাকে আমার সনোলজিস্ট ডক্টর সব শুনে বলছিল আমি ২০ % মায়ের মধ্যে পরি যাদের নাকি হরমোনাল ব্যালান্স ঠিকমত থাকাতে প্রেগ্নেন্সিতে কোন পরিবর্তন হয় না।

গতবারের মতই আরামে পার হয়ে যাব এই চিন্তায় খুশি ছিলাম।কিন্ত,প্রত্যেকটা প্রেগ্নেন্সি যে আলাদা এইটা বুঝতে পারলাম বত্রিশ সপ্তাহে এসে। একদিন বিকাল থেকেই কোমর আর পায়ে পিরিয়ডের ক্র্যাম্পের মত ব্যাথা। কোনভাবেই কমতেছিল না।নিচের দিকেও প্রেশার লাগতেছিল।এবং বাচ্চা খুব বেশি নড়তেছিল দেখে আমার ছোটবোন ডক্টর।ও আমাকে এলজিন খাওয়াইয়া অক্সিজেন লাগাইয়া দিল।এরপর আস্তে ব্যাথা কমে আসছে।পরের দিন ও সারাদিন একই রকম ব্যাথা ছিল। ডক্টর দেখালাম আল্ট্রাসনো করে।বললেন যে সব ঠিক আছে।ফলস পেইন ছিল ওইটা।মেডিসিন দিয়ে দিলেন যাতে প্রি-টার্ম লেবার না শুরু হয়।আর তখন আমার বাচ্চার পজিশন ছিল ব্রিচ। বাচ্চার ব্রিচ পজিশনের জন্য নাকি নিচের দিকে এবং কোমরে এমন ব্যাথা হতে পারে জানালেন ডক্টর।

এরপর থেকে শুরু হল পেলভিক গার্ডল পেইন আর রাউন্ড লিগামেন্ট পেইন একসাথে। নড়াচড়া করাটাই একটা পরীক্ষা লাগত। বিশেষ করে শোওয়া থেকে উঠা,অন্য কাত হওয়া। তখন খালি একটাই ইচ্ছা করত
” একটু শান্তিমত চলা আর আরাম করে শুয়ে ঘুমানো।”

ডেলিভারির জন্য প্রিপারেশনঃ

ডেলিভারির জন্য প্রিপারেশন নিতে এইবার ছয়মাস থেকে ঘাটাঘাটি শুরু করলাম।প্রথম বেবির টাইমে অনেক কিছু নিয়ে পড়ছি। কিন্ত,প্রথমবার হওয়াতে বুঝে উঠতে পারি নাই।এইবার বেশি বেশি পজিটিভ বার্থ ভিডিও গুলা দেখি।সাথে বিভিন্ন দৌলা,মিডওয়াইফদের ভিডিওগুলা নিয়মিত দেখতাম। পেইন ম্যানাজমেন্টের জন্য হিপনোবার্থিং এর টেকনিকগুলা ছয়মাস থেকেই প্র্যাকটিস করা শুরু করি। ব্রিজেট টেইলর এবং দ্য পজিটিভ বার্থ কোম্পানি এই ভ্লগগুলোর ভিডিওগুলা থেকে অনেক কিছু জানতে এবং শিখতে পারছি। বেবি ছোট থাকাতে ঘরের কাজ আর ওর পিছনে টাইম দেয়া ছাড়া আলাদা করে কোন এক্সারসাইজই করতে পারি নাই।
কিন্ত,ছত্রিশ সপ্তাহের পর থেকে নিয়মিত হাটছি দুই/তিন কিমি টানা।

ডেলিভারির ঘটনাঃ

আর বত্রিশ সপ্তাহের পর থেকে নিয়মিত ফলস পেইন হইত। পজিশন চেঞ্জ করে / শুয়ে রেস্ট নিলে আস্তে কমে যাইত।এরপর সাইত্রিশ সপ্তাহ থেকে শুরু হইল প্রোডোরমাল লেবার।ফলস পেইনেরই আরেক টাইপ।কি যে কষ্ট।সারারাত না ঘুমায়া বসে থাকতাম। কন্ট্রাকশন আসত,কিন্ত সেটা আর কন্টিনিউ করত না।একসময় ক্লান্ত হয়ে ঘুম চলে আসত। একদিন রাত্রে অনেক বেশি পেইন ছিল,পরের দিন ও একই অবস্থা।পেইন আছে,কিন্ত বাড়তেছিল না। ডক্টরকে ফোন দেওয়াতে হসপিটালে যেতে বলল।চেক করে বলল ফলস পেইনই। বাসায় গিয়ে হাটা-হাটি বেশি করে করতে বলল এবং আটত্রিশ সপ্তাহে আবার একটা আল্ট্রা করে নিয়ে যেতে বলল।এরপরে বাসায় এসে রেগুলার দুই/তিন কিমি টানা হাটছি। ডেলিভারির আগের দিনও টানা চার কিমি হেটে বাসায় গেছি।যাই হোক।

ওই সপ্তাহ পুরাটা এই ফলস পেইন ই ছিল।আটত্রিশ সপ্তাহ চার দিনের দিন গেলাম আল্ট্রা করতে।কারন এর পরের দিন ডক্টরের এপয়েন্টমেন্ট। যাওয়ার সময় অনেকটুকু রাস্তা হেটে যাওয়া লাগছে এবং পাচ তলা সিড়ি দিয়ে উঠে আল্ট্রার জন্য অপেক্ষা করতে থাকলাম।অনেক বেশি ভিড় ছিল ওইদিন।দুই ঘন্টা বসে থেকেও সিরিয়াল আসছিল না দেখে টয়লেট এ গেলাম।এসময় হঠাৎ করে মনে হল পানির মত কি যেন বের হল।মনে করলাম ইউরিন লিক হইছে মেবি। বের হয়ে আল্ট্রার রুমের সামনে ওয়েট করতে করতেই পেইনের ফিল হইতে লাগল।তখন বাজে ৭ঃ৩০ টা।

আমি এবার ধরেই নিলাম আবার মনে হয় ফলস পেইন হচ্ছে। একদমই পাত্তা দিলাম না।৮ টা বাজে তখন। আমার হাজবেন্ড ওনার একটা টেস্টের জন্য অন্য ফ্লোরে যাবেন।আমাকে বলতে আসছেন।তখন দেখি কন্ট্রাকশন ৫-৭ মিনিট পর পর আসতেছে।এবং ২০-৩০ সেকেন্ড এর মত থাকতেছে।ওনাকে মানা করলাম কোথাও যাইতে।আল্ট্রার রুমের ডক্টরকে রিকয়েস্ট করে বললাম আমাকে আগে দেখে রিপোর্টটা তখনই দিতে। এবং আমি খুব শান্ত থেকে আল্ট্রাটা করে শেষ করলাম।যদিও তখন কন্ট্রাকশন গ্যাপ কমে ৫-৬ মিনিট হচ্ছিল এবংআগের চেয়ে বেশি সময় থাকতেছিল। মজার বিষয় হল আমি তখন ও মনে করছিলা এইটা ফলস পেইন। কারন গত দেড় মাস এইভাবেই পেইন শুরু হয়ে আবার বন্ধ হয়ে গেছে।
কিন্ত ব্যাথা বার বার আসতেছিল এবং আমি নড়তে পারতেছিলাম না ব্যাথায়।

এইজন্য সিনেমার মত হুইল চেয়ারে করে আমাকে নামানো হল। যেই লিফটে ভিড় থাকার জন্য কিছুক্ষন আগেও আমাকে হেটে উঠা লাগছে।সেই লিফটই যাতে কোনও ফ্লোরে না থামে তার জন্য হসপিটাল অথরিটি স্পেশালি বলে দিল “লেবার পেশেন্ট নামতেছে”।

ওই টাইমে পেইনের মধ্যেও নিজেকে স্পেশাল কিছু মনে হচ্ছিল।এবং আশে-পাশে যারা ছিল সবাই অনেক হেল্প করতেছিল।আমি সত্যিই তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। এরপরে উবার নিয়ে হসপিটালের দিকে ছুটলাম।এবং আমার পেইনের তীব্রতা শুধু বাড়তেছিল।আমরা কিছুই নিয়ে আসি নাই।আমার হাজবেন্ড গাড়িতে বসে সবাইকে কল দিল এবং আমার মেয়ের কাছে আমার আম্মুকে আর ছোট ভাইকে এসে থাকার জন্য বলল।আর ওনার ফ্রেন্ডদের কে ফোন দিয়ে বাসা থেকে আমার মেডিকেল ফাইল, টাকা আর দরকারি জিনিস আনতে বলল।
সিনেমাতে দেখছি এমন দৌড়াইতে দৌড়াইতে যায়।নিজের সাথে এমন হবে কখনও কল্পনাও করি নাই।আর তো আছে জ্যাম।পেইনের মধ্যে আরেক পেইন।কন্ট্রাকশন যখন আসতেছিল গাড়ির হ্যান্ডেল শক্ত করে ধরে আল্লাহকে ডাকতেছিলাম।জ্যাম পার হয়ে হসপিটাল যখন পৌছাইছি তখন দশটার বেশি বাজে।ইমারজেন্সিতে নিয়ে যাওয়ার পর ডক্টর চেক করে বলল ” মা,আপনার লেবার পেইন হচ্ছে”। এত ব্যাথার মধ্যেও হাসি চলে আসল।লাস্ট টাইম ফলস পেইন নিয়ে যাওয়ায় এইবার উনি এইটা বলছে তা বুঝতে পারছি।কিন্ত তাও হাসি পাইতেছিল এজন্য যে উনি না বললেও এইবার আমি হাড্ডিতে হাড্ডিতে টের পাইতেছিলাম আমার যে লেবার পেইনই হইতেছে।যাই হোক।আমাকে এলজিন ইঞ্জেকশন দিয়ে লেবার রুমে নিয়ে যেতে বলা হল।

এইখানে একটা কথা বলি যারা বলে যে “পেইন উঠছিল, কি জানি ইঞ্জেকশন দিয়া ব্যাথা বন্ধ করে দিছে”।এইটা পুরা ভুল একটা কথা।লেবার পেইনের ব্যাথা একমাত্র এপিডুরাল ছাড়া অন্য কিছুতে বন্ধ হয় না। আমি জানতাম যদিও,কিন্ত ব্যাথায় অস্থির হয়ে জিজ্ঞেস করতেছিলাম এই পেইন কিলারটা কাজ করতে কত সময় নিবে।কারন দেওয়ার অনেকক্ষন পরেও পেইন না কমে উল্টা আরো বাড়তেছিল। ডক্টর হেসে দিছে আমার কথা শুনে।লেবার রুমের লাইট অফ করে রাখলাম আমার সাইডের।এটা কিছুটা হলেও মাকে রিলাক্স থেকে পেইনের সাথে কোপআপ করতে হেল্প করে।এবং বেডের উপর বালিশে মাথা রেখে হিপ রকিং করতেছিলাম।আর ব্রিদিং এক্সারসাইজ করতেছিলাম।কিন্ত,একটুপরে গলা শুকাইয়া আসতেছিল এবং ব্রিদিং এক্সারসাইজ করাটা কষ্টকর লাগছিল।এজন্য ব্রিজেট টেইলরের ভিডিও থেকে শিখা মাইন্ড ডাইভার্ট করার কাজ করতে থাকলাম।এজন্য সবচেয়ে ইফেকটিভ ছিল আমার জন্য দুয়া করা ( যা কিছু লাগবে লিস্ট বানাইয়া দুয়া করছিলাম) এবং কন্ট্রাকশন একটু পরেই বন্ধ হবে এইটা মনে করতেছিলাম ।আর কন্ট্রাকশনের সময়টা চিৎকার না করে শক্ত কম্বল জোরে কামড় দিয়ে রাখতেছিলাম। ভিডিও গুলা থেকে আরেকটা বিষয় জানছিলাম ” ইউরিন আসলে তা পাস করা”।লেবার রুমে আমার বেডটা ছিল টয়লেটের একদম সাথেই। একটুপর আমার ডক্টর চলে আসলেন এবং আমাকে লেবার টেবিলে উঠানোর জন্য বললেন। আমার কন্ট্রাকশনের মাঝের গ্যাপ তখন আরও কমে আসছে এবং ডিউরেশন বাড়তেছিল। সারভিক্স চেক করার জন্য শোওয়ানো হলো। আট সেমি খুলছে এবং বাচ্চা অনেকখানি নিচে চলে আসছে।এরপরের সময়টুকু লাগছে অনেক তাড়াতাড়ি গেছে। আসলে ব্যাথায় আর কোন কিছু চিন্তা করতে পারতেছিলাম না।আমার ইচ্ছা ছিল সাইড লাইং পজিশনে ডেলিভারি করব।এতে টিয়ার হওয়ার চান্স কম থাকে। বাংলাদেশে যেহেতু মাকে তার পছন্দমত পজিশন না বরং শুয়েই এবং পুশ করার মাধ্যমেই বেবি বের করা লাগে।এজন্য নিজের শান্তির জন্য সাইড লাইং পজিশনে থাকতে চাচ্ছিলাম।কিন্ত,ওইটাও এলাউ করা হলো না।যদিও আমার ডক্টর আমাকে আমার যেভাবে ভালো লাগে ওইভাবেই থাকতে বলছেন।কিন্ত,বাকি যারা ছিল তারা রীতিমত জোর করা শুরু করলো। সাইড লাইং অবস্থায় রেলিং শক্ত করে ধরে ছিলাম কন্ট্রাকশনের সময়।এভাবে হঠাৎ মনে হলো আমার শরীর নিজে থেকে পুশ করা শুরু করছে।এবং পানি ভেংগে গেলো। সেকেন্ড টাইম আবার ও একই ব্যাপার হলো। আর আমার মনে হলো আমি পটি করে দিচ্ছি। সাথে সাথে সবাই চলে আসলো।আমাকে ধরে পজিশন করে দিল।এবং পুশ করতে বলতে থাকলো।আহ! সেই মুহুর্ত! পুরা প্রেগনেন্সিতে যেইটা নিয়ে এত পড়াশুনা আর প্র্যাকটিস করছি।কোন কিছুই কাজে লাগলোনা।সেই সমস্ত শক্তি দিয়ে আমাকে পুশই করা লাগলো, কিছু বুঝার আগেই অনেকখানি এপিসিওটমি কাট দিল এবং দুই পুশেই আমার ৩.৫ কেজি ওজনের পুত্র দীর্ঘ ৩৮ সপ্তাহ চারদিনে ৫ঃ৩০ ঘন্টা লেবার পেইনের পর দুনিয়াতে আসলো। আলহামদুলিল্লাহ।বের হওয়ার পর ভেউ ভেউ করে কান্না করে দিছি এই অসহ্য ব্যাথা শেষ হওয়ার আনন্দে। বার্থ স্টোরি ভিডিওগুলাতে দেখতাম বাচ্চা বের হইলে কান্না করে।কেন করে ওইদিন বুঝছি।

অনেকগুলা সেলাই এবং ব্লাডক্লট সুন্দর করে ক্লিন করে আমাকে বেডে দিল রাতের ৩ টায়।

এবং এইবার ও আমার এনাল ফিসার হইছে এবং যার জন্য সেলাই হিল হইতে অনেক বেশি সময় লাগছে।
এনাল ফিসার হওয়াতে এত বেশি ভুগছি। পোস্ট পার্টাম ফেজটা এতবেশি পেইনফুল ছিল এবার আমার জন্য। আলহামদুলিল্লাহ শেষ হইছে কষ্টের দিনগুলো।

” ‘নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি।’ 
[সুরা ইনশিরাহ : ৬]”

কিছু সাজেশনঃ

১. প্রেগনেন্সিতে অবশ্যই পড়াশুনা করা।লেবার,প্রেগ্নেন্সি, বাচ্চার যত্ন, নিজের যত্ন নিয়ে।
নলেজ ইজ পাওয়ার।
২. একটিভ থাকা। হাটা-হাটি করা।
৩. পোস্ট পার্টাম ফেজ নিয়ে পড়াশুনা করা আরও বেশি জরুরি।
৪. নিয়ম করে পানি খাওয়া। কমপক্ষে ৩ লিটার।কোষ্ঠকাঠিন্য যাতে না হয় খেয়াল রাখা। পানি বেশি খেলে বাচ্চা ও দুধ ভালো পায়।
৫. আগে বাচ্চা থাকলে তাদেরকে মানসিকভাবে প্রস্তত করা অনাগত ভাই-বোনের ব্যাপারে।
এবং নিজেকেও প্রস্তত করা আরও একটা বেবির আম্মু হওয়ার দায়িত্বের ব্যাপারে।

লেখাটি কি আপনার উপকারে এসেছে?
হ্যানা