৩৭ সপ্তাহের পর ফ্লুয়িড বাড়া ও আমার যাইনাবের পৃথিবীতে আসার গল্প

আমার যাইনাবকে কন্সিভ করার ১.৫মাস পরে আমার ওয়ালিমা হয়। আলহামদুলিল্লাহ ফার্স্ট ট্রাইমেস্টারের হাতে গোনা কয়েকদিন ছাড়া আর তেমন খারাপ লাগা কাজ করেনি। শুরু থেকেই নরমাল ডেলিভারির জন্য দুয়া করতাম। সব কিছু সহজ স্বাভাবিকই ছিল আলহামদুলিল্লাহ।

১৯ সপ্তাহের দিকে আম্মু,ভাই-ভাবীর সাথে চিটাগাং গেলাম। আমার হাজবেন্ড যাননি। আমরা বিমানবন্দর স্টেশান থেকে ট্রেনে উঠেছিলাম। তাই হালকা একটু দৌড়ে উঠতে হয়েছিল। চিটাগাং এ বাসায় যেয়ে ফ্রেশ হতে গিয়ে ওয়াশরুমে গিয়ে দেখলাম আমার সালোয়ার জুড়ে ব্লিডিং এর দাগ! অনেক ভালো পরিমাণেরই ব্লিডিং হয়েছিল কিন্তু পুরো জার্নির সময়টায় আমি কিছুই বুঝিনি। তখনো যেহেতু বাবুর মুভমেন্ট বোঝা শুরু করিনি তাই খুব ভয়ে ছিলাম। তখনই প্রথম বুঝলাম মাতৃত্ব আসলে কী! কিভাবে যে রাতটা পার করেছিলাম আল্লাহ জানেন। পাগলের মতো দুয়া করে যাচ্ছিলাম।

পরেরদিন আলট্রাসাউন্ড করাতে গেলাম। বেডে শুয়ে শুয়ে দুয়া পড়ে যাচ্ছিলাম শুধু ভয়ে। আমি ডাক্তার জানার পর ম্যাডামটা আমাকে স্ক্রিন থেকে সব দেখিয়ে দিচ্ছিলেন। বাবুর হার্টবিট যখন শুনলাম সেই মুহুর্তটা আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মত না! বাবুর হাত পা নাড়াচাড়া ও দেখতে পাচ্ছিলাম। কোন প্রব্লেম ছিল না। প্লাসেন্টাও নরমাল পজিশানে ছিল। ম্যাডাম ব্লিডিং এর কারণ ধরতে পারলেন না। হয়ত স্ট্রেসের জন্য হয়েছিল। এরপর আলহামদুলিল্লাহ ভালোই কাটে।

পুরোটা পড়তে সহজে লগিন করুন

সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছেঃ জুলাই 19, 2020